বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৯ / ২৯ · ১,৮০১১,৯০০ / ২,৮৮৩

১,৮০১.
'ক' নামে একজন জঙ্গি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ একটি ক্লাবে গিয়েছিল। তাদের যদি বিশ্বাস থাকে যে, 'ক' সেখানেই আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্লাবের ম্যানেজার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী পুলিশকে প্রবেশ এবং তল্লাশির সুবিধা দিতে বাধ্য?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৫০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।

Search of place entered by person sought to be arrested:
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
১,৮০২.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার করতে পারে-
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯খ ধারা মতে কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার (Jurisdiction in the case of juveniles): মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধে অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারেন ।
♦অর্থাৎ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ বছরের নিচের কোন শিশুর বিচার করতে পারবে যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করে।
১,৮০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারায়
  2. ২০০ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ২০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
ব্যাখ্যা

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ২০০ ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।  

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate: 

Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.

১,৮০৪.
৩৬৪ ধারায় অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের পর কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু অভিযুক্ত
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
১,৮০৫.
"ক” এমন একটি কাজ করেছে যা চুরি বা চোরাইমাল গ্রহণ অথবা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।এক্ষেত্রে “ক”-কে, কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যেতে পারে?
  1. যেকোন একটি অপরাধের জন্য
  2. সকল অপরাধের জন্য
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদির ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।এই ধারা অনুসারে ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে,প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-
যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা যেকোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences,and any number of such charges may be tried at once; or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]

অর্থাৎ “ক”-কে শুধুমাত্র ছবি বা চোরাইমাল গ্রহণ বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর জন্য অভিযুক্ত করা; অথবা চুরি,চোরাইমাল গ্রহণ,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যাবে।
১,৮০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12. Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
১,৮০৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫১৪ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. জামিনদারের অব্যাহতির
  2. জামিননামা গ্রহণের
  3. জামিননামা বাজেয়াপ্তির
  4. নাবালক কর্তৃক জামিননামা প্রদানের
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
১,৮০৮.
ধারা ২৪০ অনুযায়ী, অবশিষ্ট অভিযোগ কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. আসামি
  2. রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
  3. অভিযোগকারী
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪০ — একাধিক অভিযোগের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হলে অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার:
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ একত্রে আনা হয় এবং সেই অভিযোগগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত (Conviction) করা হয়, তখন—
- অভিযোগকারী (Complainant) অথবা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (Prosecutor) আদালতের সম্মতিতে অবশিষ্ট অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারবেন, অথবা
- আদালত নিজ উদ্যোগে ঐ অবশিষ্ট অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার স্থগিত রাখতে পারে।

ফলাফল:
ঐ অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার করলে সেটি সংশ্লিষ্ট অভিযোগে খালাস (Acquittal) বলে গণ্য হবে। তবে, যদি পূর্বের দণ্ডাদেশ (Conviction) বাতিল হয়, তাহলে আদালত (দণ্ডাদেশ বাতিলকারী উচ্চ আদালতের নির্দেশ সাপেক্ষে) পূর্বে প্রত্যাহার করা অভিযোগ বা অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালিয়ে যেতে পারবে।

১,৮০৯.
৩৪০ ধারা অনুসারে কখন ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারে?
  1. লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  2. তদন্তকারীর কর্মকর্তার অনুরোধের ভিত্তিতে
  3. রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
(i) উকিলের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
(ii) অভিযুক্ত ব্যক্তির সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা
♦শর্ত হলো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে আহ্বান করা যাবে না তার লিখিত অনুরোধ ছাড়া।
♦অর্থাৎ সাক্ষী শুধুমাত্র লিখিত অনুরোধ করলে, আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান করতে পারে।
১,৮১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, অনুপস্থিতিতে বিচারের (Trial in absentia) জন্য কতটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের সামনে উপস্থিত না হন এবং তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হয় বা তিনি আত্মগোপন করেন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে পারে, তবে তার জন্য কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
- এ ক্ষেত্রে, প্রথম শর্ত হলো, অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তিতে অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। যদি সেই সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত হাজির না হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচারের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়াকে "Trial in absentia" বা "অনুপস্থিতিতে বিচার" বলা হয়, যা মূলত তখন করা হয় যখন আদালত বিশ্বাস করে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা তার গ্রেফতার সম্ভব নয় এবং সে আত্মগোপন করেছে।
- এছাড়াও, ধারা ৮৭ এবং ৮৮ এর বিধান অনুসরণ করতে হয়, যেখানে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা না গেলে এবং আদালত নিশ্চিত হয় যে, তার গ্রেফতার করার কোন সম্ভাবনা নেই, তখনই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।
- এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচারের আগে যথাযথ প্রচার এবং নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে তার অধিকার ক্ষুণ্ন না হয় এবং আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,৮১১.
দায়রা জজ কোন ধারার ক্ষমতাবলে cognizance গ্রহণ করেন?
  1. ১৯০
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,

দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-

i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।

১,৮১২.
যদি অভিযোগকারী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. নতুন তদন্তের আদেশ
  2. অভিযুক্তকে মুক্তির আদেশ
  3. অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১,৮১৩.
ধারা ৩৪২ এর অধীন আসামী আদালতের প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, আদালত-
  1. এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
  2. আসামীকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে
  3. আসামীকে জরিমানা করতে পারে
  4. আসামীকে শাস্তির জন্য দায়ী করবে
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

উক্ত ধারা অনুযায়ী,
আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
১,৮১৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারে সার্চ ওয়ারেন্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৭৬
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-

যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
১,৮১৫.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রেফারেন্স
  2. আপীল
  3. রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১,৮১৬.
ধারা ৪০২ এর অধীনে কে দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে।

ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

১,৮১৭.
দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. পুলিশ সুপার বরাবর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৩- দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ

দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373- Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate-
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১,৮১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, কার্যধারার নকল পাওয়ার অধিকার কাকে দেওয়া আছে?
  1. শুধুমাত্র সরকারকে
  2. পুলিশ কর্মকর্তাকে
  3. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
  4. কেবলমাত্র আদালতের কর্মচারীদেরকে
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, যিনি আদালতের রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আবেদন করে রেকর্ডের নকল পেতে পারেন। সাধারণত তার জন্য খরচ দিতে হয়, তবে আদালত চাইলে বিনামূল্যেও দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
১,৮১৯.
রায়ের কপির জন্য আসামী পক্ষ আবেদন করলে তা দিতে হবে-
  1. খরচসহ ১৫ দিনের মধ্যে
  2. খরচসহ কোন বিলম্ব ছাড়া
  3. খরচবাদে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
রায়ের কপির জন্য আসামী পক্ষ আবেদন করলে তা খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া দিতে হবে।

ফৌজাদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী,
আসামি আবেদন করলে আদালত অনতিবিলম্বে রায়ের নকল খরচ ছাড়া উক্ত পক্ষকে দিতে বাধ্য থাকবে।

Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application

⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 
⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১,৮২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করতে পারে-
  1. বিচারিক আদালতের সম্মতিতে
  2. দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতিতে
  3. ফরিয়াদি পক্ষের সম্মতিতে
  4. দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে। যেমন- মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

ধারা ৪০২- সাজা রদ বদলের ক্ষমতা

(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment

(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
১,৮২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন কোন ধারায় G.R  [General Registered Case] সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৪, ১৫৬
  2. ১৫৪, ১৫৫
  3. ১৫৭, ১৫৮
  4. ১৫৮, ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৪, ১৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪, ১৫৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

• অন্যদিকে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন।১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -

১. Non-Gr (Non-Registered) Case

২. Non-FIR Case

৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত

আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
১,৮২২.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর-এর ৪৯১ ধারা অনুযায়ী 'হেবিয়াস কর্পাস' প্রকৃতির নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদানের ক্ষমতা কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো- বন্দীকে আদালতে হাজির করা।

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১,৮২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত একটি আদেশ সাধারণত কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. ছয় মাস
  4. বাতিল না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪(৬) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে।
- তবে যদি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ থাকে অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকে, তখন সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সময়সীমা বাড়াতে পারে।
- সাধারণ পরিস্থিতিতে সময়সীমা ২ মাস এর বেশি হয় না।
- এছাড়া, ধারা ১৪৪(৭) অনুযায়ী, এই বিধান মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য নয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 144 Power to issue order:
-(6) No order under this section shall remain in force for more than two months from the making thereof; unless, in cases of danger to human life, health or safety, or a likelihood of a riot or an affray, the Government, by notification in the official Gazette, otherwise directs. 
-(7) The provisions of this section shall not apply to a Metropolitan Area.

১,৮২৪.
ফৌজদারি মামলার কোনো কার্যধারায় ভুল থাকলে, কেবলমাত্র সেই কারনে ক্রোকাদেশ-
  1. বেআইনী হবে
  2. বাতিল হবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. বেআইনী হবে না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৮- কার্যধারায় ভুল থাকলে অথবা প্রকরণ যথাযথ না হলে ক্রোক বেআইনী হবে না এবং ক্রোককারী অনধিকার প্রবেশকারী হবে না

সমন, দণ্ডাজ্ঞা, ক্রোকের পরোয়ানা বা কোন কার্যধারায় কোন ভ্রান্তি থাকলে, অথবা উহা যথাযথ আকারে না হলে কেবল মাত্র সেই কারণে এই আইনের অধীন কৃত কোন বেআইনী বা যিনি উহা করেছেন তাকে অনধিকার প্রবেশকারী বলে গণ্য করা যাবে না ।

Section 538- Attachment not illegal, person making same not trespasser for defect or want of form in proceedings
No attachment made under this Code shall be deemed unlawful, nor shall any person making the same be deemed a trespasser, on account of any defect or want of form in the summons, conviction, writ of attachment other proceedings relating or thereto.
১,৮২৫.
স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. থানায় পুলিশের নিকট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।

♦ অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
১,৮২৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৪২ অনুযায়ী, চার্জ গঠনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কী জিজ্ঞাসা করবেন?
  1. তিনি জামিন চান কিনা
  2. তিনি সাক্ষী হবেন কিনা
  3. তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
  4. তিনি চার্জ সম্পর্কে অবহিত কিনা
সঠিক উত্তর:
তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।

Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

১,৮২৭.
বিচারিক আদালত মামলার কোন স্তর পর্যন্ত রায় পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের সময়।
  2. রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
  3. রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত।
  4. আসামীকে কারাগারে প্রেরণের আগ পর্যন্ত।
সঠিক উত্তর:
রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৯ মোতাবেক এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ছাড়া উহা পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করবেন না।
১,৮২৮.
কোন কর্মকর্তার আদেশ সাপেক্ষে ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী করা যেতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
১,৮২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে সাহায্য করতে বাধ্য? 
  1. শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধে
  2. আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে
  3. রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২-এ বলা হয়েছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে সহায়তা দাবি করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তি সেই সহায়তা দিতে আইনত বাধ্য। এই ধারার উপধারা (ক) ও (খ)-এ সহায়তা দানের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ আছে:
(ক) আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে:
- কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন রোধ করা, যাকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আছে।
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়:
- শান্তিভঙ্গ (breach of the peace) প্রতিরোধ বা দমন করা।
- রেলপথ (railway), খাল (canal), টেলিগ্রাফ (telegraph) বা সরকারি সম্পত্তিতে (public property) কোনো ক্ষতি করার প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করা।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত ক, খ ও গ- এই তিনটি ক্ষেত্রই ধারা ৪২-এর আওতাভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর "উপরোক্ত সবগুলো"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-
(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

১,৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ভবঘুরে ও সন্দেহভাজনদের সদাচরণের জন্য মুচলেকার বিধান রয়েছে?
  1. ১০৬ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৮ ধারায়
  4. ১০৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা:
-যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-109. Security for good behaviour from vagrants and suspected persons:
- Whenever District Magistrate or an Executive Magistrate receive information- 
(a) that any person is taking precautions to conceal his presence within the local limits of such Magistrate's jurisdiction, and that there is reason to believe that such person is taking such precautions with a view to committing any offence, or 
(b) that there is within such limits a person who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself, 
such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding one year, as the Magistrate thinks fit to fix.
১,৮৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৪(২) অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলাটি মুলতবি করবেন
  2. অভিযোগকারীকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করবেন
  3. আসামিকে তার প্রতিরক্ষা প্রমাণের জন্য বাধ্য করবেন
  4. কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
১,৮৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
  3. পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে
  4. উপরোক্ত সব উপায়ে
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in Charge) কর্তৃক বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বা পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে FIR লিপিবদ্ধ করা হয় না। FIR থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্বারা প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১,৮৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪
  2. ধারা ৪ক
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫-এ দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫ (Section 5) দণ্ডবিধি (Penal Code) এবং অন্যান্য আইনের অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।


- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫: দণ্ডবিধির অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীন সকল অপরাধ এই কার্যবিধিতে পরবর্তীতে বর্ণিত বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
(২) অন্যান্য আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য কোনো আইনের অধীন সকল অপরাধ একই বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ঐ সকল অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি বা স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত যে কোনো প্রচলিত আইন সাপেক্ষে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(1):Trial of offences under Penal Code:
 All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(2):Trial of offences against other laws:
All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.

১,৮৩৪.
Every appeal shall be accompanied by a copy of ______ appealed against.
  1. the memorandum
  2. the order
  3. the judgment
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419- Petition of appeal
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
১,৮৩৫.
একই মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, উক্ত মামলায়-
  1. শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করবেন
  2. এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
  3. শুধুমাত্র এডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেটের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৩ অনুসারে,

পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন

Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction

The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১,৮৩৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের (commute) ক্ষমতা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০২ক
  3. ধারা ৪০১
  4. ধারা ৪০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোনো দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২-এ সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের ক্ষমতা (power to commute punishment) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধারা ৪০২(১) অনুসারে:"The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it..."
- উদাহরণস্বরূপ: সরকার মৃত্যুদণ্ডকে → আজীবন কারাদণ্ড (transportation) অথবা → সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
এখানে “commute” বলতে বোঝায় – একটি দণ্ডকে অপেক্ষাকৃত কম কঠোর দণ্ডে রূপান্তর করা, যা করা যায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
১,৮৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  3. গঠিত চার্জের প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
১,৮৩৮.
অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতের (রিমান্ডের) আদেশ দিতে পারেন-
  1. যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-

ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-

(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক, তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার, তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন, অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ আসামিকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
১,৮৩৯.
"Officer in charge of a police station" সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 4(s)
  2. Section 4(q)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(i)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।

------------------------------------------------------
♦ Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
১,৮৪০.
সাধারণভাবে একজন যুগ্ম দায়রা জজ অনধিক ------- বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালাতের দন্ড প্রদানের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দন্ড দিতে পারে। এবং দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দন্ড দিতে পারে।
তবে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ মৃত্যুদন্ড দিলে তা হাইকোর্টের অনুমোদন নিয়ে কার্যকর করতে হয়। 
♦ ৩১ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট যে কোন পরিমান অর্থদন্ড দিতে পারেন এবং যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড দিতে পারে ।
১,৮৪১.
ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়-
  1. রায় ঘোষণার পরে যে কোনো সময়
  2. তদন্ত সমাপ্তির পূর্বে যে কোনো সময়
  3. রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
  4. চার্জ গঠনের যে কোনো সময়
সঠিক উত্তর:
রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

১,৮৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে।
-তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
⇒ যে দণ্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
আদালত যে কোনো পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমাণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে তবে কোনোভাবেই অত্যধিক হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 106. Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
১,৮৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারার তদন্তের পর অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  1. খালাস [Acquittal] দিতে পারে
  2. অব্যাহতি [Discharge] দিতে পারে
  3. মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
  4. দণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা মতে তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই, তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন, সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনও প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
১,৮৪৪.
আদালত কখন চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত সঠিক মনে করলে
  4. তদন্তকারী অফিসারের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness-
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
১,৮৪৫.
What is the maximum term of imprisonment a Metropolitan Magistrate may pass?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
5 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 years
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(খ)  দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১,৮৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আদালতসমূহের শ্রেণীবিভাগ উল্লেখ আছে?
  1. ৩ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

ধারা ৬:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
১,৮৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলাটি করা হয়?
  1. ৫৪ ও ১৬১
  2. ১৫৪ ও ১৬৪
  3. ১৫৪ ও ১৬৭
  4. ৫৪ ও ১৬৭
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ১৬৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
১,৮৪৮.
সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম-
  1. বিচারিক কার্যক্রম
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. খ এবং গ সম্মিলিতভাবে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ৪(১)(ঞ) ও ( ঝ) ধারা মতে-
• সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রমকে তদন্ত বলে।
• অনুসন্ধান অর্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত অনুসন্ধান।
১,৮৪৯.
কোন আপীল আদালত কত দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারার বিধানঃ আপীল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়।

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য শুধু কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
 
♦অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারা মতে কোন আপীল আদালত ৯০ দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।
১,৮৫০.
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-
  1. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. তার অফিস বরাবর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦  যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।
১,৮৫১.
যদি কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে পরিচালিত হয়, তবে সেটি বাতিল হবে-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে
  2. যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
  3. অভিযোগকারীর আবেদনক্রমে
  4. প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
১,৮৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী একজন জামিনদার তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ৫০২
  2. ধারা ৫০১
  3. ধারা ৫০০
  4. ধারা ৪৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুসারে, ধারা ৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of Sureties) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারায় জামিনদার (Surety) তাদের জামিননামা (Bail Bond) থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে। ধারা ৫০২-এর বিস্তারিত বিধান নিম্নরূপ:
ধারা ৫০২(১): জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।
ধারা ৫০২(২): আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনে মুক্ত আসামীকে আদালতে হাজির করার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবেন।
ধারা ৫০২(৩): আসামী আদালতে হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে জামিননামা থেকে অব্যাহতি দেবেন এবং আসামীকে নতুন পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেবেন। যদি আসামী নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ই জামিনদারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য প্রযোজ্য ধারা, কারণ এটি সরাসরি জামিনদারের অব্যাহতির প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী বর্ণনা করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

১,৮৫৩.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক 'চ' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে 'চ' এর প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল
  4. দায়রা আদালতে রিভিশন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
 
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
 
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
 
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১,৮৫৪.
“No appeal in certain cases when accused pleads guilty”- বিধানটি কোন ধারার?
  1. ৪১০ ধারার
  2. ৪১২ ধারার
  3. ৪১৩ ধারার
  4. ৪১৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, এর ধারা ৪১২ মতে 
♦Guilty plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দণ্ড দিলে সেই দন্ডাদেশের বিরুদ্ধ আপিল চলে না।

♦ Guilty plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপরের ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দন্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারে এবং এমন আপিল চলবে।

♦ ৪১২ ধারার বিধান আসামী দোষ স্বীকার করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপীল চলবে নাঃ ইতোপূর্বে এই কার্যবিধিতে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং উক্ত স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে দায়রা আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে শাস্তি প্রদান করলে দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডাদেশের বৈধতা ব্যতীত উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল দায়ের করা চলবে না।

----------------------------------------------------------
No appeal in certain cases when accused pleads guilty.
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
১,৮৫৫.
ফৌজদারি মামলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে সর্বোচ্চ কতদিনের রিমান্ড দিতে পারবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
১,৮৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর (UD Case) তদন্ত শুরু করে?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১৬৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ১৯০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমন আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।
পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী, যখন কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারে যে কোনো ব্যক্তি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছে — যেমন আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, খুন বা অন্য কোনো সন্দেহজনক মৃত্যু — তখন তাকে অবিলম্বে তদন্ত শুরু করতে হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।
৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।
৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।
৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৮৫৭.
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে কতটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।
১,৮৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত একজন ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে পারে?
  1. যদি তিনি আদালতে উপস্থিত না হন
  2. যদি তিনি অযৌক্তিক সাক্ষ্য দেন
  3. যদি তিনি সমন ছাড়া আদালতে উপস্থিত হন
  4. যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮৫- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ-

কোনো ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোনো দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
১,৮৫৯.
"Ex-officio Justices of the Peace." নয় কে?
  1. সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  3. দায়রা বিচারকগণ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস নয়।
১,৮৬০.
ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারবেন-
  1. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. বিচার সম্পন্ন হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে
  3. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারা- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,৮৬১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা (Section 406 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী: “কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দিবার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল দায়ের করতে পারবে।”
এখানে মূল কথা হলো, ১১৮ ধারা অনুযায়ী আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করার নির্ধারিত ফোরাম হচ্ছে দায়রা আদালত। এটি একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

⇒  ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬: শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত প্রদানের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
যে কোনো ব্যক্তি, যাকে ১১৮ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষা বা সদাচরণ বজায় রাখার জন্য জামানত দিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।
তবে, এই ধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না সেই সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যাদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম ধারা ১২৩ এর উপধারা (২) বা উপধারা (৩ক) অনুযায়ী দায়রা জজের নিকট রুজু হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 406. Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
 Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order- to the Court of Session: 
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.

১,৮৬২.
ফৌজদারি মামলায় Shown arrest অনুমোদনের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. মামলার অভিযোগ দাখিল করা
  2. অভিযুক্তকে হাজির করা
  3. অভিযোগকারীকে হাজির করা
  4. উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো (Shown arrest) হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না-
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

১,৮৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে?
  1. আসামী দোষ স্বীকার করে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে 
  2. জরিমানা বা আর্থদণ্ড আনাদায়ে কারাদণ্ড হলে 
  3. আইনে আপিলের বিধান না থাকলে 
  4. ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে ২ টি বিষয়ে আপীল এর বিধান আছে।
যথাঃ ১) ঘটনার প্রশ্নে (Question of Fact) ও ২) আইনের প্রশ্নে (Question of Law )
১,৮৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে কে?
  1. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগিকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
 
৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
৩. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
 
৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the  Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session 319[* * *]. 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

১,৮৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুযায়ী অভিযোগে অপরাধ বর্ণনার জন্য ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে গ্রহণ করা হবে?
  1. প্রচলিত অর্থে
  2. অভিধানগত অর্থে
  3. আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

১,৮৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “Magistrate” শব্দটি যদি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা না করা হয়, তাহলে এর মানে কী?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"In this Code, unless the context otherwise requires, any reference, without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate."
অর্থাৎ, যদি “Magistrate” শব্দটি কোনো বিশেষণ বা ব্যাখ্যা ছাড়া ব্যবহার করা হয়, তাহলে তার অর্থ হবে “Judicial Magistrate” (বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট)।
১,৮৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তল্লাশি করা হয়, তবে কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তল্লাশি করা হয়, তবে ধারা ৫২ অনুসরণ করতে হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির শরীরে এমন কোনো বস্তু লুকানো থাকার সন্দেহ হয় যার জন্য তল্লাশি করা প্রয়োজন, তবে সেই ব্যক্তির তল্লাশি নেওয়া যেতে পারে। তবে, যদি সেই ব্যক্তি একজন মহিলা হন, তাহলে তল্লাশি প্রক্রিয়ায় ধারা ৫২ এর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২ এর বিধান অনুযায়ী:
- মহিলার তল্লাশি শুধুমাত্র একজন মহিলা কর্মকর্তা বা অন্য কোনো মহিলার দ্বারা করা যাবে, যিনি এই কাজের জন্য উপযুক্ত এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- তল্লাশি প্রক্রিয়ায় মহিলার সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।
- এটি নিশ্চিত করতে হবে যে তল্লাশি সভ্যতার সাথে এবং যথাযথ শালীনতা বজায় রেখে সম্পন্ন হয়।

সুতরাং, মহিলাদের তল্লাশির ক্ষেত্রে ধারা ৫২ এর বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক, যা নিশ্চিত করে যে তল্লাশি প্রক্রিয়া শালীনভাবে এবং মহিলা কর্মকর্তার দ্বারা সম্পন্ন হয়।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-102. Persons in charge of closed place to allow search:
(1) Whenever any place liable to search or inspection under this Chapter is closed, any person residing in, or being in charge of such place shall, on demand of the officer or other person executing the warrant, and on production of the warrant, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein. 
(2) If ingress into such place cannot be so obtained, the officer or other person executing the warrant may proceed in manner provided by section 48. 
(3) Where any person in or about such place is reasonably suspected of concealing about his person any article for which search should be made, such person may be searched. If such person is a woman, the directions of section 52 shall be observed.

১,৮৬৮.
কত বয়সের নিচে হলে একজন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারার অধীনে বিচার করা যাবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।
১,৮৬৯.
পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি আদালত রিভিশন নিষ্পত্তি করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।


(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

১,৮৭০.
Who has the final authority to grant a special order for the discharge of an arrested person under Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. High Court
  2. The Magistrate
  3. Sessions Judge
  4. The arresting police officer
সঠিক উত্তর:
The Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-

যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
১,৮৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশ ডায়েরী কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে?
  1. মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে
  2. মামলার বিচার্য বিষয় গঠন করতে
  3. পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
  4. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

- পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
-তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
-------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation. 
 
(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
১,৮৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১-এর প্রধান বিষয় কী?
  1. সাক্ষী সুরক্ষা
  2. জামিনের শর্ত
  3. ফৌজদারি আপিলের বিধান
  4. কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাসের স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত। এতে বলা হয়েছে যে, সরকার ঠিক করবে কোন স্থানে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত বা হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে রাখা হবে। এছাড়া, যদি কেউ সিভিল জেলে আটক থাকে, তবে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে ফৌজদারি জেলে পাঠানো যেতে পারে। পরবর্তীতে ফৌজদারি জেল থেকে মুক্তি পেলে, বিশেষ শর্তে (যেমন ৩ বছর পার হলে বা আদালতের ছাড়পত্র থাকলে) তাকে আবার সিভিল জেলে পাঠানো হবে না।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ মূলত কারাবাস সংক্রান্ত নির্দেশ এবং স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) কারাদণ্ডের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
১,৮৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৯খ অনুযায়ী, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করার সময়সীমা কত?
  1. একমাস 
  2. দুইমাস 
  3. তিনমাস
  4. ছয়মাস 
সঠিক উত্তর:
দুইমাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইমাস 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

১,৮৭৪.
ফৌজদারি আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজের ক্ষেত্রে কাকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না?
  1. আপিলকারীকে
  2. আপিলকারীর উকিলকে
  3. প্রতিবাদকারীকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন- শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১,৮৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার অধীন আদালত সরকারি তহবিল থেকে কাকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪- ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়

সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারি আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।

Section 544- Expenses of complainants and witnesses
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১,৮৭৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 342 ধারা মতে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোনটি সঠিক?
  1. তাকে শপথ করাতে হবে
  2. তাকে শপথ করাতে হবে না
  3. সে উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা- আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:
(১) কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের যেকোনো পর্যায়ে, যদি কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতি উঠে আসে, তবে আদালত আসামিকে তা ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিতে পারে। এজন্য আদালত পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারবে এবং প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর ও আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

(২) আসামি যদি এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তবে শুধু এই কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে আদালত তার এই আচরণ থেকে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত টানতে পারবে।

(৩) আসামির দেওয়া উত্তর বিচার বা তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারে তার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

(৪) আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় তাকে কোনো শপথ (Oath) করানো যাবে না।
১,৮৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৮৭
  2. ধারা ১৮৯
  3. ধারা ১৮৮
  4. ধারা ১৮১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে

• এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

• এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দন্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দন্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দন্ডবিধির ব্যপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১,৮৭৮.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতাবলে-
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
ব্যাখ্যা
• ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি রিভাইজ করে বিভিশনের সময় হাইকোর্ট আসামীর শাস্তি বাড়াতে পারে তবে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে-

১. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারবে না এবং
২. ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজের আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না [ধারা ৪৩৯ (৪)]। কারণ দায়রা জজ কর্তৃক রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনে খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না কারণ খালাসের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করার সুযোগ নেই বরং আপীল করতে হয়।
১,৮৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় একজন অভিযুক্তকে আদালত কখন জিজ্ঞাসা করে যে, সে অপরাধটি করেছে কিনা?
  1. তদন্তের সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. সাক্ষ্য শোনার সময়
  4. রায় দেয়ার ঠিক আগে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চার্জ গঠনের সময়। 

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।

Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
১,৮৮০.
'ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮' কবে কার্যকর হয়েছিল?
  1. ১৮৯৮ সালের ১লা জানুয়ারি
  2. ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
  3. ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ
  4. ১৮৯৮ সালের ১লা এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ প্রণীত হয়,
- তবে এটি কার্যকর (effective) হয় ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি একটি আইনি পদ্ধতি যা ফৌজদারি মামলা প্রক্রিয়া এবং বিচার সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধি-বিধান নির্ধারণ করে, যেমন তদন্ত, বিচার, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, এবং রায় প্রদান ইত্যাদি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারি কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারি কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
১,৮৮১.
জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে জামিনের আবেদন করে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. জামিন দিবে
  2. কারাগারে প্রেরণ করবে
  3. খালাস দিবে
  4. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখবে
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
১,৮৮২.
স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণ করার ক্ষমতা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নেই?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরে উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
১,৮৮৩.
Which section of the Code of Criminal Procedure is 'further investigation' conducted?
  1. 273(3B)
  2. 173(3A)
  3. 173(3B)
  4. 173(3AA)
সঠিক উত্তর:
173(3B)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
173(3B)
ব্যাখ্যা
-অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
১,৮৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতি
  2. সমন প্রদানের পদ্ধতি
  3. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  4. অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান- গ্রেফতারের পদ্ধতি:

(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
১,৮৮৫.
মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন ধরণের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে?
  1. ১ম শ্রেণীর
  2. ২য় শ্রেণীর
  3. ৩য় শ্রেণীর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬(৩) ধারার বিধান: চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথাঃ
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;

(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। 
---------------------
Classes of Criminal Courts
Section 6 (3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 

(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
 
(c) Magistrate of the second class; and 
 
(d) Magistrate of the third class.
১,৮৮৬.
Which one of the following sections of Criminal Procedure Code,1898 has defined the word 'offence'?
  1. Section 2(1)(f)
  2. Section 4(1)(o)
  3. Section 4(1)(n)
  4. Section 2(1)(p)
সঠিক উত্তর:
Section 4(1)(o)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(1)(o)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)-এ সংজ্ঞা (Definitions) দেওয়া আছে। এখানে "offence" শব্দের সংজ্ঞা clause (o)-এ দেওয়া হয়েছে: (o) "offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force; it also includes any act in respect of which a complaint may be made under section 20 of the Cattle-trespass Act, 1871:

অর্থাৎ, কোনো কাজ বা অবহেলা যা বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য, সেটিই ‘অপরাধ’ বা ‘Offence’। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)(o)-এ ‘Offence’ শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

১,৮৮৭.
"কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়া ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে।" উক্ত বিধান-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আছে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫০ক ধারায় আছে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫১:

(১) কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়াই ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে। এটি সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে করা যেতে পারে, যদি প্রমাণাদি থেকে মনে হয় যে সেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমনভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে যেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা সমন দেওয়া হয়েছে।

(২) যখন বিচার শুরু হওয়ার পর এই ধরনের আটক করা হয়, তখন সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে হবে এবং সাক্ষীদের পুনরায় শুনতে হবে।

Section 351- Detention of offenders attending Court:
(1) Any person attending a Criminal Court, although not under arrest or upon a summons, may be detained by such Court for the purpose of inquiry into or trial of any offence of which such Court can take cognizance and which, from the evidence, may appear to have been committed, and may be proceeded against as though he had been arrested or summoned.
(2) When the detention takes place after a trial has been begun the proceedings in respect of such person shall be commenced afresh, and the witnesses re-heard.
১,৮৮৮.
'Right to be defended by a pleader'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
 
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
 
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১,৮৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ কী হওয়া উচিত?
  1. পুলিশের প্রয়োজন অনুযায়ী
  2. অপরাধীর আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে
  3. অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণে হতে পারে
  4. মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,৮৯০.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code, 1898 provides that "no appeal to lie unless otherwise provided"? 
  1. Section 404
  2. Section 405
  3. Section 406
  4. Section 407
সঠিক উত্তর:
Section 404
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 404
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force."
অর্থাৎ, এই আইনে বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে সরাসরি বিধান না থাকলে, ফৌজদারি আদালতের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
- এটি আপিলের সাধারণ নিষেধাজ্ঞা (general bar on appeals) হিসেবে কাজ করে এবং ধারা ৪০৪-কে "no appeal to lie unless otherwise provided" ধারা হিসেবেই উদ্ধৃত করা হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 404. Unless otherwise provided, no appeal to lie:
- No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

১,৮৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. পুলিশ সুপারের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,৮৯২.
কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. যে-কোনো
  2. যাবজ্জীবন
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।

♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
১,৮৯৩.
কোন ক্ষেত্রে আদালত অ-জামিনযোগ্য অপরাধের অভিযুক্তকে বিশেষভাবে জামিন দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত আর্থিকভাবে দেউলিয়া হলে
  2. অভিযুক্ত নারী হলে
  3. অভিযুক্ত দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে
  4. অভিযুক্ত ১৬ বছরের বেশি বয়সী হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত নারী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত নারী হলে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৯৭ - অ-জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন:
১. সাধারণ বিধান (উপধারা ১):
যে কোনো ব্যক্তি যাকে অ-জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে বা পুলিশি ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে, অথবা আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে, তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু যদি মনে হয় যে সে এমন অপরাধে যুক্ত যা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য, তবে জামিন দেওয়া যাবে না।

আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, যদি অভিযুক্ত ১৬ বছরের কম বয়সী, নারী, বা অসুস্থ/দুর্বল ব্যক্তি হয়, তবে জামিন দেওয়া যেতে পারে, এমনকি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য গুরুতর অপরাধ হলেও।

২. তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন জামিন (উপধারা ২):
যদি পুলিশের অফিসার বা আদালত মনে করে না যে অভিযুক্ত নন-জামিনযোগ্য অপরাধ করেছে, কিন্তু অভিযুক্তের দোষ সম্পর্কে আরও অনুসন্ধানের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তখন সেই ব্যক্তি অপেক্ষমাণ অবস্থায় জামিন পাবেন, অথবা বন্ডের মাধ্যমে (কোনো গ্যারান্টি ছাড়া) আদালতে হাজির থাকার শর্তে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে।
 
৩. কারণ লিখিতভাবে নথিভুক্ত করা (উপধারা ৩):
যে কোনো পুলিশ অফিসার বা আদালত জামিন দেওয়ার সময় অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করবেন।
 
৪. বিচারের শেষ পর্যায়ে জামিন (উপধারা ৪):
যদি বিচার শেষের আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের অপরাধে যুক্তি নেই (নিষ্ক্রিয় বা অব্যাহত প্রমাণ নেই), তাহলে অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে, কোনো গ্যারান্টি ছাড়া আদালতে হাজির থাকার শর্তে।
 
৫. উচ্চ আদালত বা সেশন কোর্টের ক্ষমতা (উপধারা ৫):
High Court Division বা Sessions Court, বা যে কোনো আদালত যে কাউকে ধারা ৪৯৭ অনুযায়ী জামিন দিয়েছে, তাকে আবার গ্রেফতার করার ও কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।

১,৮৯৪.
আদালত কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন?
  1. যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
  2. যখন সরকার পক্ষ আবেদন করে
  3. যখন সরকার এবং অভিযুক্ত উভয়পক্ষ এই মর্মে আবেদন করে
  4. সকল ক্ষেত্রেই মূল অভিযোগ হিসেবে গণ্য করা যাবে
সঠিক উত্তর:
যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী- চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারী বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে।একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 

অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারাতে কখন থেকে পরিবর্তিত চার্জ অনুযায়ী বিচার শুরু হবে সেই সম্পর্কে বলা আছে।
এই ধারা অনুসারে, ২২৭ ধারা অধীন প্রণীত বা পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ (চার্জ) যদি এরূপ হয় যে, আদালতের অভিমত অনুসারে সঙ্গে সঙ্গে বিচার শুরু করার ফলে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত ইচ্ছা করলে অভিযোগ গঠন, পরিবর্তন বা সংযোজনের পর নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন ।
১,৮৯৫.
পলাতক আসামীর উপস্থিতির জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হয় ________।
  1. আদালতের নির্দেশ মোতাবেক
  2. দুইটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়
  3. একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
  4. দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
১,৮৯৬.
বিচারিক আদালত একজন দন্ডিতকে জামিন দিতে পারে যদি তার কারাদন্ডের মেয়াদ হয় অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]

♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]

♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]

♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৬(২ক) মতে কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে।
১,৮৯৭.
যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামী-
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. খালাস পেতে পারে
  3. দন্ড পেতে পারে
  4. মুক্তি পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে প্রমান পাওয়া না গেলে আসামীকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন জমা দেন তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report বলে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করতে বাধ্য নয় ; ম্যাজিষ্ট্রেট Final Report গ্রহণ বা প্রত্যাখান করতে পারে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করলে আসামীকে ২০২(২খ) ধারায় অব্যাহতি দিতে পারেন। 

♦কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ না করলে অথবা নারাজী পিটিশন দাখিল করা হলে ম্যাজিষ্ট্রেট পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারেন অথবা ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।
১,৮৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে অভিযােগকারীর পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করে থাকেন?
  1. সরকারি উকিল
  2. এটর্নি জেনারেল
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত উকিল
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
 -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
১,৮৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে কারা অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারেন না?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) সুপ্রিম কোর্ট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে অপরাধের সহযোগীকে (Accomplice) শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার ক্ষমতা রয়েছে—
১) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, এবং
৩) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।
এরা মামলার তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন সময়ে অপরাধের সত্য তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করতে পারেন, যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ করতে রাজি হয়।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
সুপ্রিম কোর্ট মূলত আপিল ও রিভিশনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করার এখতিয়ার তার নেই।
- তাই সুপ্রিম কোর্টের এই ক্ষমতা না থাকার কারণে "ক" অপশনটি সঠিক উত্তর।
১,৯০০.
ফৌজদারি মামলায় আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি __________ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।