বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws-2

মোট প্রশ্ন৩১৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws-2

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩১৬

১০১.
কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শক তথ্য প্রকাশের অপরাধের বিচার করবেন ______ ট্রাইব্যুনাল।
  1. জননিরাপত্তা
  2. সাইবার নিরাপত্তা
  3. ডিজিটাল
  4. সাইবার
সঠিক উত্তর:
সাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১) এরে (ঝ) তে বলা আছে- “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন,২০০৬ এর ৬৮ ধারার বিধান: সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷ 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷
(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷
(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷
(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
১০২.
মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার অধীনে মানিলন্ডারিং অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্রের জন্য সাজা হলো অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর কারাদণ্ড। 
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-৪ মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১০৩.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সর্বশেষ সংশোধনী কোন সালে হয়েছে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৮  সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের কিছু ধারা এবং বিধানে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হয়েছে, যাতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়। এই সংশোধনীতে বিশেষ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করা, এবং শাস্তির বিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

- ২০১৫ সালের সংশোধনী:
এই সংশোধনীতে মানিলন্ডারিং অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্ত প্রক্রিয়া, এবং সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া, রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব এবং জরিমানার পরিমাণ সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার পরিমাণ এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।

- আইনের প্রেক্ষাপট: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ প্রণীত হয়েছিল পূর্ববর্তী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২ রহিত করে। ২০১৫ সালের সংশোধনী এই আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার জন্য প্রণীত হয়। এরপর আর কোনো সংশোধনী (২০২৫ সাল পর্যন্ত) কার্যকর হয়নি।

- অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী ২০১৫ সালে (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) কার্যকর হয়েছে। এই সংশোধনী আইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২০১৫ সালে।

১০৪.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

১০৫.
'চেক ডিজঅনার মামলায় সর্বোচ্চ জরিমানা করা যায় চেকে বর্ণিত টাকার_____।
  1. চার গুণ
  2. সম পরিমাণ
  3. দ্বিগুণ
  4. তিন গুণ
সঠিক উত্তর:
তিন গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন গুণ
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
১০৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর __________ ধারার বিধান অনুযায়ী, সাইবার ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য পরিচালনায় অভিজ্ঞ ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারবে।
  1. ৪০
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৪: বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি:
(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
১০৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন কবে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে?
  1. জুন মাসের মধ্যে
  2. মার্চ মাসের মধ্যে
  3. জানুয়ারি মাসের মধ্যে
  4. ডিসেম্বর মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী, কমিশনকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরে সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। এই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন (ধারা ২৯(২))।
সুতরাং, কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশের সময়সীমা হলো মার্চ মাসের মধ্যে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯-বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

১০৮.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
যে কোন ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১০৯.
মানব পাচারের জন্য অপরাধীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১১০.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে মামলা কোন আইনের বিধানে করা যেতে পারে?
  1. হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. উল্লিখিত সকল আইনে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
ব্যাখ্যা
• চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।

এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

নুরুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য [49 DLR(HCD) 464] মামলায় উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করে হাইকোর্ট বিভাগ মতামত দেন যে, বাদীপক্ষ ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে।
১১১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সালের কত নং আইন?
  1. ৯ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৫ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ স্পষ্টভাবে এর প্রারম্ভিক বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি ২০০২ সনের ১১ নং আইন। এই আইনটি ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখে কার্যকর হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কতিপয় অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। আইনের সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন সংক্রান্ত ধারা ১(১)-এ এটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ হলো ১১ নং আইন, যা সঠিক উত্তর।

১১২.
ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত অপরাধের মধ্যে নেই কোনটি?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অপরাধ
  2. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অপরাধ
  3. দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯ এর অপরাধ
  4. দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিল: বিচার্য অপরাধ:
- এই আইনের অধীনে বিচার্য অপরাধগুলো হলো:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯, ২১৭, ২১৮, ৪০৮, ৪০৯ এবং ৪৭৭এ-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ (সাহায্য), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং ৫১১ (চেষ্টা) এর অধীনে উপরোক্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধ।
তবে দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ যা "খুন" এর অপরাধ হিসেবে পরিচিত, তা এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। ধারা ৩০২ সাধারণ ফৌজদারী আদালতে বিচার্য হয়, স্পেশাল জজের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ নয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ (হত্যার অপরাধ) এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।


১১৩.
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ কোন আদালত বা ট্রাইবুনালের বিচার্য?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল
  4. স্পেশাল ট্রাইবুনাল
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল ট্রাইবুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল ট্রাইবুনাল
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।

• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.

অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
১১৪.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ১২০ দিন
  2. ২৮০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ২৭০ দিন
সঠিক উত্তর:
২৭০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১- মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা

(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

অর্থাৎ মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে মূল সময় ১৮০ দিন + বৃদ্ধিকৃত সময় ৯০দিন= মোট ২৭০ দিন।
১১৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের কত ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারকার্য পরিচালনাকালে বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি

(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই আইন বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
১১৬.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণের সাথে বৈধ উপকরণ পাওয়া গেলে, তা-
  1. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে না
  3. প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হবে
  4. দখলদারের জিম্মায় দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি:

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
১১৭.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমান কত?
  1. ৫০ লক্ষ টাকা
  2. ১ কোটি টাকা
  3. ৫ কোটি টাকা
  4. ৩ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।

উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ধারা ২৭ এবং ৩২ তে এই শাস্তির বিধান রয়েছে।
---------------------------------------
ধারা ২৭: সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড


(১) যদি কোনো ব্যক্তি-

(ক) রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনগণ বা উহার কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে- আইনি প্রবেশ করেন বা করান;

(খ) কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ দূষণ সৃষ্টি করেন বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়; বা

(গ) জনসাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও সেবা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসসাধন করেন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করেন; বা (ঘ) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ করেন যাহা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্রের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বা জনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কোনো কাজে ব্যবহৃত হইতে পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে সাইবার সন্ত্রাস অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
১১৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারায় সাইবার জুয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০-এ সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড বর্ণিত হয়েছে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০-সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১১৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন এর ক্ষেত্রে কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা
  2. এটি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান
  3. সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
  4. এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্প ত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১২০.
সাইবার নিরাপত্তা আইনে কোনো পুলিশ অফিসার কোন ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি বা গ্রেফতার করতে পারে?
  1. উক্ত আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে
  2. উক্ত আইনের অধীন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  3. সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানোর সম্ভাবনা থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৪২-পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার

(১) যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো স্থানে এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা হইতেছে বা হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে বা সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো, নষ্ট হওয়া, মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন,

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালের নিকট দাখিল করিবেন।
১২১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন?
  1. কমিশনার
  2. পরিচালক
  3. উপ-পরিচালক
  4. সহকারী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী, ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। এই বিধি অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার প্রয়োজন। ফাঁদ মামলা হলো দুর্নীতি প্রতিরোধে তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরার জন্য পরিকল্পিত কার্যক্রম, এবং এটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

- বিধি ১৬ (দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭): এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ফাঁদ মামলা প্রস্তুত বা পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদন প্রয়োজন, এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদমর্যাদা পরিচালক বা তার ঊর্ধ্বতন হতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে এ ধরনের সংবেদনশীল কার্যক্রম দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

- কারণ ফাঁদ মামলা সাধারণত ঘুষ গ্রহণ বা অন্যান্য দুর্নীতিজনিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার জন্য পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং নৈতিকতার বিষয় জড়িত থাকে। তাই, পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে এই কাজের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।

অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন। এই বিধান কার্যক্রমের সংবেদনশীলতা এবং আইনি নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) পরিচালক।

১২২.
'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮' কোন আইন দ্বারা রহিত করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. সাইবার অপরাধ আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
 সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে।

•২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।

উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
১২৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  2. উক্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করার
  3. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি

আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
১২৪.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করে প্রতারণার শাস্তি অনধিক কত বৎসর কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৪ ধারার বিধান পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া- 
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা 
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,- 
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া, 
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি, 
(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন, 
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১২৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯(৩) অনুসারে, মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক _______ কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২, ধারা ১৯: তদন্ত-
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নব্বই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
১২৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন পুলিশ কখন প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করতে পারে?
  1. যেকোন সময়
  2. এজাহার দাখিলের পর
  3. এজাহার দাখিলের পূর্বে
  4. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯: তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ 
 
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
১২৭.
চেক ডিজঅনার মামলায় আদালত কীসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করতে পারবে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ
  3. পুলিশের মাধ্যমে জিডি করে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১: অপরাধ আমলে নেওয়া (Cognizance of offences):
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের আইন নং V)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন—
(ক) ধারা ১৩৮ অনুসারে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে, আদালত কেবলমাত্র চেকের প্রাপকের অথবা প্রয়োজনে যথাযথ অধিকারসম্পন্ন ধারকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করিতে পারিবে;

(খ) এইরূপ অভিযোগ উত্থাপন করতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর প্রভিজোর ক্লজ (চ)-এর অধীনে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ বিচার করিবার জন্য কোন আদালত সেশন কোর্টের নিচে হইতে পারিবে না।
১২৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, কমিশন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কী করতে পারবে?
  1. পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া
  2. আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
  3. সাক্ষীর লিখিত বিবৃতি নেওয়া
  4. আদালতকে অনুরোধ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

১২৯.
রফিক চেক প্রত্যাখ্যানের পর নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন। এই ক্ষেত্রে চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ কত গুণ অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৫ গুণ
  4. ১০ গুণ
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যক্তিকে অর্থ প্রদানের জন্য চেক প্রদান করে এবং ব্যাংক সেই চেক অর্থের ঘাটতি বা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সীমা অতিক্রমের কারণে অবৈধ ঘোষণা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলী:
(ক) চেকটি অবশ্যই প্রদানের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা চেক বৈধ থাকা পর্যন্ত ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে, যা আগে আসে।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
(গ) চেকদাতা নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ধারা প্রযোজ্য হবে।

১৩০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) অনুযায়ী, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন অপরাধের জন্য দণ্ড হল "ন্যূনতম দুই বৎসর এবং সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড"।
সুতরাং, এই অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সর্বনিম্ন মেয়াদ হলো ২ বছর।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৪- অপরাধের শাস্তি:
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

১৩১.
মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে অর্থদণ্ড হবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির _____ মূল্যের
  1. সমান
  2. দ্বিগুণ
  3. তিন গুণ
  4. চার গুণ
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
-(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
-(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
-(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
১৩২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রাথমিক সময়সীমা এবং বর্ধিত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ কতদিনে তদন্ত শেষ করতে হবে?
  1. ১৫০ কর্মদিবস
  2. ১৬০ কর্মদিবস
  3. ১৮০ কর্মদিবস
  4. ২০০ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কর্মদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১৮০ কর্মদিবস।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০ক – “তদন্তের সময়সীমা”:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
 (ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 (খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
১৩৩.
আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন __________ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনার হওয়ার যোগ্য হবেন। 
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, ধারা- ৮ কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷ 

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷
১৩৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কাদের দ্বারা বিচারযোগ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. স্পেশাল জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮- “অপরাধের বিচার, ইত্যাদি”:
(১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
(৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
১৩৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন কোন অপরাধ কার কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হবে?
  1. সরকার
  2. কমিশন
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০: অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা:
১.  ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র কমিশন কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হইবে৷

২. উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে৷

৩. উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার, অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষমতা থাকিবে৷

৪. উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশনারগণেরও এই আইনের অধীন অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা থাকিবে৷

১৩৬.
মালিক আজিজ তার একজন শ্রমিককে ঋণ শোধের অজুহাতে বছরের পর বছর বিনা মজুরিতে কাজ করাচ্ছে। শ্রমিক যেতে চাইলে তাকে ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন সর্বোচ্চ কী দণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: জবরদস্তি বা দাসত্বমূলক শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিবার দণ্ড:

কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করাইলে অথবা শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিলে বা ঋণ-দাস করিয়া রাখিলে বা বলপ্রয়োগ বা যে কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ করিলে অথবা করিবার হুমকি প্রদর্শন করিয়া শ্রম বা সেবা আদায় করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১২ (বার) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৩৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২১ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন-
  1. কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. কমিশনের চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনো রকম অনুমতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১- গ্রেফতারের ক্ষমতা:

এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তি তাঁহার নিজ নামে বা অন্য কোন ব্যক্তির নামে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বা দখলকার যাহা তাহার ঘোষিত আয়ের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ, তাহা হইলে উক্ত কর্মকর্তা, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।
১৩৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ অনুযায়ী, হাতেনাতে ধরা পড়লে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৬০ দিন 
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০(১) অনুসারে: হাতেনাতে ধরা পড়লে বিচার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
এখানে "কার্যদিবস" বলতে আদালত বসে এমন দিন বোঝায়।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০ - বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

১৩৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৩: ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return):
(১) কোন বাংলাদেশী নাগরিক অন্য কোন দেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হইলে, সরকার সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের এবং প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত আনিবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী রাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস মানব পাচারের শিকার কোন বাংলাদেশী নাগরিক উক্ত দেশে আটক বা বন্দী অবস্থায় আছেন বলিয়া অবগত হইলে, উক্ত দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিবার, মুক্ত করাইবার এবং বাংলাদেশে পাঠাইবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
 
(৩) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি কোন মামলার কারণে কোন বিদেশী রাষ্ট্রে থাকিতে বাধ্য হইলে বাংলাদেশ দূতাবাস উক্ত ব্যক্তিকে আইনি পরামর্শ বা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) যেই ক্ষেত্রে একজন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হইবেন সেইক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতঃ সরকার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের সহযোগিতায়, যথোপযুক্ত কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে তাহার স্বদেশে ফেরত পাঠাইবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
১৪০.
দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার অনুরোধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের আদেশে
  3. শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
  4. স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এর ধারা ১৭ – কমিশনের কার্যাবলী:
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা; 
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উত্স চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
১৪১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে মামলা গ্রহণের আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. আদালতের পূর্বানুমতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২: মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন:
১. ফৌজদারী কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে কিছুই থাকুক না কেন, কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ছাড়া কোনো আদালত দুর্নীতি আইনের অধীনে কোনো অপরাধের বিচার গ্রহণ (Cognizance) করতে পারবে না।

২. যখন এই আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হবে, তখন কমিশনের (এবং প্রয়োজনে সরকারের) অনুমোদনের কপি মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করতে হবে।
১৪২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৪৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য সম্পন্ন করার সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৪০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন,২০১২ এর ধারা ২৪(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গঠনের পর ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন না হলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যাসহ হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

১৪৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
 
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৪৫.
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনের ৫ ধারায় উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে ৪ ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তিই পাবে।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি
 কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
১৪৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আদালতকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১৪৭.
মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অপরাধ বিচারকালে মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করে মূল মামলার বিচার-
  1. চলমান রাখতে পারে
  2. স্থগিত করতে পারে
  3. বাতিল করতে পারে
  4. খারিজ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ ধারা ১৫- মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
১৪৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর কত বিধিতে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে?
  1. বিধি ১৯
  2. বিধি ২১
  3. বিধি ২৩
  4. বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৯
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৯- অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি:
(১) কমিশনের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী আইন ও এই বিধিমালার আওতায় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি বা অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করিতেছেন কিনা কিংবা কোন ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি করিতেছেন কিনা অথবা আইন ও এই বিধিমালার আওতায় কোন অপরাধ করিয়াছেন কিনা তাহা সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ, নজরদারী, অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়েরের ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে, যে ক্ষেত্রে যাহা প্রযোজ্য, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে।

(২) কমিশনের চেয়ারম্যান উপ-বিধি (১) এর অধীন গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন এবং কমিশনের সচিব এবং আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক উহার সদস্য হইবেন।
(৩) কমিশনের সচিব বা আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপিত হইলে উহা কমিশনের চেয়ারম্যান নিজে বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার দ্বারা তদন্ত করিতে হইবে।

(৪) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন প্রয়োজন মনে করিলে কমিশন বহির্ভূত অন্য তদন্তকারী সংস্থা যথাঃ-ডিজিএফআই, র‍্যাব, সিআইডি, ডিবি, এনএসআই ইত্যাদি সংস্থাকেও এইরূপ তদন্ত সম্পন্নের অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন অনুরোধ করা হইলে উক্ত তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেবল সংশ্লিষ্ট অপরাধ তদন্তের বিষয়ে আইনের অধীন কমিশন কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য হইবেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করিয়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীনে সম্পাদিত তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে অভিযোগনামার সহিত কমিশনের অনুমোদনসহ মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

(৭) এই বিধির অধীন অনুসন্ধান ও তদন্তকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও এই বিধিমালার বিধানাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।
১৪৯.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে হাতেনাতে ধৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আদালত কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করবে?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
১৫০.
The Negotiable Instrument Acts, 1881 এর ১১৮ ধারা অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল সম্পর্কিত অনুমান হবে-
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. 'B' or 'C'
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ Section 118 of The Negotiable Instruments Act, 1881: Presumptions as to negotiable instruments- (a) of consideration; (b) as to date; (c) as to time of acceptance; (d) as to time of transfer; (e) as to order of indorsements; (f) as to stamp; (g) that holder is a holder in due course:

- Until the contrary is proved, the following presumptions shall be made:
 
(a) that every negotiable instrument was made or drawn for consideration, and that every such instrument, when it has been accepted, indorsed, negotiated or transferred, was accepted, indorsed, negotiated or transferred for consideration;
 
(b) that every negotiable instrument bearing a date was made or drawn on such date;
 
(c) that every accepted bill of exchange was accepted within a reasonable time after its date and before its maturity;
 
(d) that every transfer of a negotiable instrument was made before its maturity;
 
(e) that the indorsements appearing upon a negotiable instrument were made in the order in which they appear thereon;
 
(f) that a lost promissory note, bill of exchange or cheque was duly stamped;
 
(g) that the holder of a negotiable instrument is a holder in due course: provided that, where the instrument has been obtained from its lawful owner, or from any person in lawful custody thereof, by means of an offence or fraud, or has been obtained from the maker or acceptor thereof by means of an offence or fraud, or for unlawful consideration, the burden of proving that the holder is a holder in due course lies upon him.
১৫১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গঠিত আদালতের নাম কী?
  1. দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
  2. সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. দ্রুত বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
দ্রুত বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
⇒আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা২(গ) এর মাঝে বলা আছে “আদালত” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত দ্রুত বিচার আদালত।

এই আইনের ৮ ধারার বিধান: দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
১৫২.
মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার ন্যূনতম কারাদণ্ড কত?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮- অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৫৩.
চেক ডিজঅনার মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Prima facie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি উক্ত আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
১৫৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(ঝ) ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ডিজিটাল ডিভাইস
  2. গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স
  3. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো
  4. জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(ঝ): “গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স” অর্থ-
এমন একটি কর্ম-প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যাহার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর সাইবার সুরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে বৈশ্বিক হুমকি এবং ঝুঁকির তথ্য ও লগ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করা হয় যাহার উদ্দেশ্য হইল সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য রিপোর্ট করা, সাইবার ডিফেন্স ও কৌশল সমাধান প্রস্তাব করা যাহা কোনো ব্যক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে এইরূপ হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সহায়তা করে।

অন্যদিকে,
ধারা ২(জ)- “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure-CII)” অর্থ সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্ত বা সংকটাপন্ন হইলে-
(অ) জননিরাপত্তা, বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বা জনস্বাস্থ্য, এবং
(আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব, এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়িতে পারে।

ধারা ২ (ঞ)- “জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (National Cyber Emergency Response Team-NCERT)” অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি সত্তা যাহা সাইবার আক্রমণ এবং সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ফোরকাস্ট ও পর্যালোচনা, সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োগের কারিগরি জ্ঞান নির্মাণ ও বিস্তারে সহায়তা এবং সাইবার অপরাধের আইনি তদন্তের জন্য সকল ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে।

ধারা ২ (ণ)- “ডিজিটাল ডিভাইস” অর্থ কোনো ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক, গাণিতিক এবং স্মৃতি কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং কোনো ডিজিটাল বা কম্পিউটার ডিভাইস সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সহিত সংযুক্ত এবং সকল ইনপুট, আউটপুট, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চিতি, ডিজিটাল ডিভাইস সফটওয়্যার বা যোগাযোগ সুবিধাদিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে যাহাতে সফটওয়্যার, এপিআই, কোডিং, সফটওয়্যার এপ্লিকেশন, এ্যালগরিদম, ডাটা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কাজ করে, বা যাহাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টুল কাজ করে, যাহাতে ওয়েবসাইট বা পোর্টাল চলে, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং, গেইমিং, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ব্লক চেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) সহ এতদ্‌সংশ্লিষ্ট আধুনিক কম্পিউটিং বা সফটওয়্যার বা অ্যাপস কাজ করে।
১৫৫.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬-এর অধীনে কে বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি করতে পারে? 
  1. সরকার
  2. BFIU
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬(১) এ স্পষ্ট ভাষায় বলা আছে: এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে।
অর্থাৎ সরকার (Government) সরাসরি বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করার ক্ষমতা রাখে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ধারা ২৬(৩) অনুযায়ী বিদেশী সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding - MoU) স্বাক্ষর করতে পারে, যা সরাসরি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির সমতুল্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর ক) সরকার।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-২৬: বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে। 
(২) এই ধারার অধীন সরকার কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তিবদ্ধ হইলে মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে সরকার— 
(ক) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৩) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট অথবা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করিতে পারিবে এবং স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিএফআইইউ— 
(ক) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৪) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন চুক্তির অধীন কোন বিদেশী রাষ্ট্রের আদালতের কোন আদেশ কার্যকর করিবার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করিবার বা ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হইলে এটর্নী জেনারেলের অফিসের আবেদনক্রমে আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে; একইভাবে বাংলাদেশে আদালতের বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ বা উক্ত সম্পত্তি ফেরত আনয়নের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকের অধীনস্থ রাষ্ট্রকে এটর্নী জেনারেলের অফিস অনুরোধ করিতে পারিবে। 
(৫) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতার আওতায় কোন বিদেশী রাষ্ট্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে প্রাপ্ত দলিলাদি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয় হইবে।

১৫৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৪
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
 যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১৫৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন কোন অভিযোগের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সরকার বা সরকারের অধীনস্থ কোন কর্তৃপক্ষ হতে যে কোন প্রতিবেদন বা তথ্য চাওয়ার
  2. সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী (Expert) এর সহায়তা চাওয়ার
  3. সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ছাড়া স্বীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪

ধারা ২৩- অভিযোগের তদন্ত:


(১) কমিশন দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, সরকার বা সরকারের অধীনস্থ কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা হইতে যে কোন প্রতিবেদন বা তথ্য চাহিতে পারিবে বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী (Expert) এক বা একাধিক কর্মকর্তার বিশেষজ্ঞ সহায়তা চাহিতে পারিবে এবং যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চাহিত প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া না যায়, তাহা হইলে কমিশন স্বীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত সম্পন্ন করিতে পারিবে।
 
(২) কমিশন কর্তৃক স্বউদ্যোগে দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত করিবার সময় সরকার বা সরকারের অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশন কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনকে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবে৷ 

(৩) উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান না করিলে বা স্বীয় উদ্যোগে বা বিবেচনায় তথ্যাদি সরবরাহ করিতে ব্যর্থ হইলে, কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
১৫৮.
মানব পাচারে কোন পন্থা ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. প্রতারণা
  2. বলপ্রয়োগ
  3. ভয়ভীতি প্রদর্শন
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩: মানব পাচার:
(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে- 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)। 
 
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবে না। 
 
ব্যাখ্যা-
এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১৫৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারার্থ আমলে নেওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।"
সুতরাং, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার শুরু করতে হলে আদালতকে অবশ্যই দুর্নীতি দমন কমিশনের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২- মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।

১৬০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানব পাচার অপরাধের অর্থদণ্ডসহ সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বৎসর?
  1. 8
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৬- মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড

(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৬১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া ই-ট্রানজেকশন করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৪ ধারা: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি-
(ক) কোনো ব্যাংক, বিমা বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হইতে কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে ই-ট্রানজেকশন করেন, বা

(খ) সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, জারিকৃত কোনো ই-ট্রানজেকশনকে অবৈধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও ই-ট্রানজেকশন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে অর্থ জমা প্রদান বা উত্তোলন বা উত্তোলন করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর।
১৬২.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কত দিনের মধ্যে করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩১: আপিল:
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।

১৬৩.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর Section 138(1) এর বিধান অনুসারে ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত অর্থ আছে জানা সত্ত্বেও চেক প্রদানের ফলে তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মামলায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হিসাবে-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড প্রদান করা যায়
  2. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করা যায়
  3. কারাদণ্ডসহ তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড প্রদান করা যায়
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
১৬৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখার বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ২৮গ ধারায়
  3. ২৮খ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮খ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮খ- তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা

(১) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের বিষয়ে কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কোন তথ্য (information) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা যাইবে না, বা কোন সাক্ষীকে অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় প্রকাশ করিতে দেওয়া বা প্রকাশ করিতে বাধ্য করা যাইবে না, বা এমন কোন তথ্য উপস্থাপন বা প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে না যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশিত হয় বা হইতে পারে। 
 
(২) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলার সাক্ষ্য প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত কোন বহি, দলিল বা কাগজপত্রে যদি এমন কিছু থাকে, যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে আদালত কোন ব্যক্তিকে উক্ত বহি, দলিল বা কাগজপত্রের যে অংশে উক্তরূপ পরিচয় লিপিবদ্ধ থাকে সেই অংশ পরিদর্শনের অনুমতি প্রদান করিবে না। 
 
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের অভিযোগ পূর্ণ তদন্তের পর আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তথ্য প্রদানকারী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করিয়াছেন অথবা তথ্য প্রদানকারীর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ ব্যতীত মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাহা হইলে আদালত তথ্য প্রদানকারীর পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করিতে পারিবে।
১৬৫.
দ্রুত বিচার আদালত গঠন করা হয় মূলত কোথায়?
  1. বিভাগীয় শহরে
  2. থানা পর্যায়ে
  3. মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
  4. উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ও জেলা পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
১৬৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য গঠিত বাছাই কমিটির অন্যুন কত জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: 
 (১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 

(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
১৬৭.
কার অনুমোদন ব্যতিরেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থ আমলে নেয়া যাবে না?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল জজ
  3. বাছাই কমিটি
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২ – মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না। 
 
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।
১৬৮.
দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে কাকে নিয়োগ করা হয়?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
১৬৯.
"দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হবে" দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারার বিধান?
  1. ১ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১৭০.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুসারে, চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা এক মাস বা ৩০ দিন। বিধানটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;"
অর্থাৎ, চেক ডিসঅনার হওয়ার পর চেকের প্রাপক বা ধারককে যে তারিখে কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section-141. Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque;
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

১৭১.
দ্রুত বিচার আদালত কিসের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
  3. সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৯- আদালতের এখতিয়ার:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ কেবলমাত্র দ্রুত বিচার আদালতে বিচারযোগ্য হইবে৷ 
 
(২) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এমন কোন পুলিশ কমকতা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির লিখিত রিপোর্ট বা অভিযোগের ভিত্তিতে, বা অপরাধ সংঘটনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিংবা অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে অবহিত আছেন এমন কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগে আদালত কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবে৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত অন্য আইনের অধীন কোন অপরাধ যুক্তভাবে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন বিচার্য অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত হইবে এবং অন্য আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হইবে৷
১৭২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা অস্ত্র সম্পর্কে আদালত কোনটি করতে পারেন?
  1. পুলিশকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিতে পারে
  2. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  3. মালিককে ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭: অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১৭৩.
সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের অপরাধের অর্থদণ্ড সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ২০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৭৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮(১) অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ড
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে এবং ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়েও এই অধ্যাদেশের অধীন মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহলে তিনি "মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন"। অর্থাৎ, মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধের জন্য মূল অপরাধের সমান শাস্তি প্রযোজ্য হবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অধ্যাদেশের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন একাধিক ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

১৭৫.
চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোন আদালতকে বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন।
- তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

উচ্চ আদালত এ রায়ে উল্লেখ করেন-

''চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।

এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।''
১৭৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  3. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
  4. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অর্ধেক
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অধ্যাদেশের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন একাধিক ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
১৭৭.
এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে এক ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর লেখা লিখেন, যা ঐ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত করে। সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি অনধিক কী দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে
  3. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে এইরুপ কোনো তথ্য প্রকাশ, সম্প্রচার, ইত্যাদি

(১) যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করিবার বা উস্কানি প্রদানের অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এইরূপ কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৭৮.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার শাস্তির মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. চেকের মূল অঙ্কের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড
  2. চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো অর্থদণ্ড নেই, শুধু কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
১৭৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কত ধারায় ধর্মীয় বিষয়ে ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের দণ্ড দেয়া আছে?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৮০.
কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা দিতে পারে-
  1. সরকার
  2. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি
  3. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিল
  4. ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর পঞ্চম অধ্যায়ে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

ধারা ১৫- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো

এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

ধারা ১৬- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন

(১) মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগ প্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।
১৮১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ কোন অপরাধটি আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য?
  1. সাইবার প্রতারণা
  2. সাইবার স্পেসে জুয়া খেলা
  3. সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাইবার প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার প্রতারণা
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৬(৩): অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি:
ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য হইবে।

⇒ ধারা ১৮: কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো, ইত্যাদির ক্ষতিসাধনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২২: সাইবার স্পেসে প্রতারণার অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৪: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৫: যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
১৮২.
সাইবার ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪১: অপরাধের বিচার ও আপীল:
(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন

⇒ ধারা ২(ক) অনুযায়ী-
“আপীল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল;
১৮৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারাগুলোর অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য?
  1. ধারা ১৮, ২০, ২১
  2. ধারা ১৭, ১৯, ২৭
  3. ধারা ২২, ২৩, ২৪
  4. ধারা ২৮, ২৯, ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫২ অনুযায়ী, এই আইনের অধীন কোন কোন অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
-ধারা ৫২(ক) বলছে:
“এই আইনের ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।”
অতএব, ধারা ১৭, ১৯, ও ২৭–এ বর্ণিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য।
১৮৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরণের হবে?
  1. আমলঅযোগ্য এবং জামিনযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
  3. আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

উক্ত আইনের ১৬ ধারায় বলা আছে-
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
১৮৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন অপরাধসমূহ ____________ হবে।
  1. আমলযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে৷
১৮৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার ক্ষেত্রে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. Penal Code, 1860
  2. Bangladesh Constitution
  3. Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure, 1898
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure, 1898
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮ক- অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা (cognizable) ও জামিনযোগ্যতার (whether bailable or not) ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Schedule II এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
১৮৭.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে তদন্তকারী সংস্থা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. পরিবেশ অধিদপ্তর
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯  এর তফশিল-১ এর মাঝে তদন্তকারী ২৭টি সংস্থার তালিকা দেওয়া আছে। 
এখানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কথা উল্লেখ নাই।
অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে 'বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট' তদন্তকারী সংস্থা নয়।

তফশিলের তালিকাটি নিচে দেওয়া হল:



সূত্র:
মানি লন্ডারিং বিধিমালা ২০১৯
১৮৮.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ______________ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  3. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২০
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(ঝ) অনুসারে-

“ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ৬৮- সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:

(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
 
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷

(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷

(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷

(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
১৮৯.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর কত দিনের মধ্যে গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকলে, আদালত অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১৯০.
দুর্নীতি দমন কমিশন কতজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৫: কমিশন গঠন, ইত্যাদি:
(১) কমিশন তিন জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং তাঁহাদের মধ্য হইতে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করিবেন।

(২) শুধুমাত্র কোন কমিশনার পদে শূন্যতা বা গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে কমিশনের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
১৯১.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  2. চেকের তিনগুণ টাকা
  3. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
  4. চেকের সমপরিমাণ টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- “Where any fine is realized under sub-section (1), any amount up to the face value of the cheque as far as is covered by the fine realized shall be paid to the holder.”
- “উপ-ধারা (১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদূর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।”

অর্থাৎ আদালত চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারলেও (ধারা ১৩৮(১)), আদায়কৃত জরিমানা থেকে অভিযোগকারী বা চেকের ধারক চেকে বর্ণিত মূল অর্থের (face value) সমপরিমাণ টাকা পর্যন্তই পাবেন। বাকি অর্থ (যদি থাকে) রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

১৯২.
দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশানুযায়ী দাখিলকৃত বিবৃতি মিথ্যা হলে, দাখিলাকারীকে-
  1. অর্থদণ্ড দেয়া যাবে
  2. কারাদণ্ড দেয়া যাবে
  3. সংশোধনের আদেশ দিবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬- সহায় সম্পত্তির ঘোষণা:

কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে এবং উহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রয়েছে বা মালিকানা অর্জন করেছে, তাহলে কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দায়িত্বের বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যে কোন তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।

যদি দাখিলকৃত বিবৃতি কমিশন মিথ্যা বা ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
১৯৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারা কমিশনকে আর্থিক স্বাধীনতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা

(১) সরকার প্রতি অর্থ-বত্সরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য উহার অনুকূলে নির্দিষ্টকৃত অর্থ বরাদ্দ করিবে; এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হইবে না৷ 

(২) এই ধারার বিধান দ্বারা সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হইয়াছে বলিয়া ব্যাখ্যা করা যাইবে না৷
১৯৪.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণ বা বস্তু বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে-
  1. তদন্তকারী অফিসারের লিখিত রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. ভুক্তভোগীর আবেদনক্রমে
  3. ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
১৯৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১৯
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯৬.
চেক ডিজঅনারের নোটিশ পাঠানোর বৈধ মাধ্যম কোনটি নয়?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে
  2. মৌখিকভাবে অবহিত করা
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
১৯৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(২) ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
  3. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩ ধারা- অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।
১৯৮.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, আপিলের পূর্বে চেকের টাকার কত শতাংশ বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৬০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒ Negotiable Instruments Act, 1881- Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

১৯৯.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা কত কার্যদিবস?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ৯০
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- আপিল

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আপীল আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে যে কোন সংক্ষুব্ধ পক্ষ আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপীল করিতে পারিবে। 
 
(৩) আপিল দায়েরের ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করিতে হইবে এবং উপযুক্ত কারণ ব্যতীত আপিল একাধিকবার বদলী করা যাইবে না।
২০০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পতিতাবৃত্তি
  2. শিক্ষা প্রদান
  3. জবরদস্তিমূলক শ্রম
  4. ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫)-এ ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় শোষণ বা নিপীড়নের মধ্যে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এটি শুধু এই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়:
- পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়ন
- পতিতাবৃত্তি বা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন/বিতরণে নিয়োজিত করে মুনাফা অর্জন
- জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়
- ঋণ-দাসত্ব, দাসত্ব, সার্ভিচিউড বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড
- প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ
- জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার
- ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
- ব্যবসার উদ্দেশ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানি বা বিকলাঙ্গ করা
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, পতিতাবৃত্তি, জবরদস্তিমূলক শ্রম, এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা শোষণ বা নিপীড়নের অংশ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু শিক্ষা প্রদান এই তালিকায় বা শোষণ/নিপীড়নের সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শিক্ষা প্রদান একটি ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, যা শোষণ বা নিপীড়নের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫) ‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ (exploitation) অর্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার সম্মতিক্রমে বা বিনা সম্মতিতে কৃত নিম্নলিখিত কার্যসমূহ, তবে কেবল এইসব বিষয়েই ইহার অর্থ সীমিত হইবেনাঃ— 
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ; 
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়; 
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্; 
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার; 
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং 
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা;