বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws-2

মোট প্রশ্ন৩১৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws-2

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩১৬

.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারায় কমিশনারগণের কয়টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারাতে কমিশনার হওয়ার মোট ৭টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮: কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যুন ২০ (বিশ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন;
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন;
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন;
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন;
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷

.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি টাকা জরিমানা
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০(২) এর বিধান অনুসারে: (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
সুতরাং, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো—দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বা উভয় দণ্ড একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৪২ ধারায় কোন আইনের প্রযোজ্যতার বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭৩
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. উল্লিখিত সকল আইন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪২: ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ:
(১) এই অধ্যাদেশে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

.
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক
  4. উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১২: জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল:
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী (যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(ঘ) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব;
(ঙ) গভর্ণর, বাংলাদেশ ব্যাংক
(চ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(ছ) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(জ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ঝ) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ;
(ঞ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ট) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(ঠ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(ড) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ঢ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ণ) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
(ত) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(থ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(দ) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ধ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(প) সচিব, তথ্য কমিশন;
(ফ) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(ব) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।
.
চেক ডিজঅনারের জন্য আদালত জরিমানা করতে পারে চেকে উল্লিখিত অর্থের-
  1. অর্ধেক
  2. ২ গুন
  3. ৩ গুন
  4. ৪ গুন
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে কারাদণ্ডের সাথে অতিরিক্ত ____________ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ
  2. ১০ (দশ) লক্ষ টাকা
  3. ক এবং খ এর মধ্যে যা কম সেই পরিমাণ
  4. ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 

(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে, আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 

(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখলের শাস্তি কী?
  1. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বনিম্ন ২ বছর, অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. সর্বনিম্ন ৭ বছর, অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
.
দ্রুত বিচার আদালতের মামলার আপীল নিষ্পত্তি কোন আদালতের মাধ্যমে হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
  4. দ্রুত বিচার আপিল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।

১০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে দুদক কেমন প্রকৃতির কমিশন?
  1. সরকারের অধীনস্থ
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
  3. বিচার বিভাগের অধীন সংস্থা
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন।
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

- ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

১১.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি অন্যূন কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
 (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট।
 (৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংগঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদণ্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
১২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন প্রণীত বিধি কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. সরকারি গেজেটে
  2. জাতীয় সংবাদপত্রে
  3. কমিশনের ওয়েবসাইটে
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের জার্নালে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।"
অর্থাৎ, দুর্নীতি দমন কমিশন যদি এই আইনের অধীনে কোনো বিধি বা নিয়ম তৈরি করে, তবে সেটিকে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হয়।
- সরকারি গেজেট হলো সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একটি অফিসিয়াল প্রকাশনা, যেখানে আইন, বিধি, নীতিমালা ও সরকারী আদেশসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এই প্রকাশের মাধ্যমে বিধিটি আইনি বৈধতা পায় এবং তা জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।
১৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার কার আছে?
  1. শুধু পুলিশের
  2. শুধু সরকারের
  3. শুধু বিচারিক আদালতের
  4. বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৩- জামিন সংক্রান্ত বিধান:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করিয়া আদালত কিংবা আপীল আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত কিংবা, ক্ষেত্রমত, দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে তাহা হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আদালত কিংবা, ক্ষেত্রমত, আপীল আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারিবে৷
১৪.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে। সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
১৫.
দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন হতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাজে বাধা প্রদান করলে সংঘটিত অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ কত বৎসর কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১৬.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুসারে চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করার পূর্বে চেকের অর্থের ৫০% কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. জেলা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
  4. আপিল দায়েরকারী আদালতে
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ক (NI Act, 1881, Section 138A) চেক ডিজঅনার (Check Dishonour) মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার পূর্বে, চেকে উল্লিখিত অর্থের অন্তত ৫০% টাকা শাস্তি প্রদানকারী আদালতে (যে আদালত শাস্তি দিয়েছে) জমা দিতে হবে। এটি আপিল দায়েরের একটি বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত। যদি এই টাকা জমা না দেওয়া হয়,তাহলে আপিল দায়েরই হবে না।
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

১৭.
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কমিশনার সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বন্ধ করতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৯: মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাঁহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাঁহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
১৮.
মানব পাচার অপরাধে তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৫০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯(৩) অনুযায়ী, মানব পাচার অপরাধের তদন্ত সাধারণত ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এটিই সাধারণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, ধারা ১৯(৪)-এ উল্লেখ আছে যে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন পেতে পারেন। এই অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ১২০ কার্যদিবস। কিন্তু প্রশ্নে সাধারণ সময়সীমা জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ৯০ কার্যদিবস।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯-তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।

১৯.
দ্রুত বিচার আইনে আদালত অভিযোগপত্র প্রাপ্তির কত কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
২০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর নিচের কোন ধারাগুলোর অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হবে?
  1. ১৭, ১৯, ২৮ ও ৩২
  2. ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
  3. ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬
  4. ২১, ২২, ২৩ ও ২৪
সঠিক উত্তর:
১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৫২ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের-
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে;

(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; এবং

(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে।
২১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৩৩ ধারার অধীনে, কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. কমিশনের চেয়ারম্যান
  3. অনুমোদিত আইনজীবী
  4. অনুমোদিত বিশেষ প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
অনুমোদিত আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমোদিত আইনজীবী
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪"-এর ধারা ৩৩: কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট:
(১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷

(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷

(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।
২২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দণ্ড-
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
  2. ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
২৩.
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একজন নারীকে আটক করলে অর্থদণ্ডসহ সাজা কি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

ধারা-৮ মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি


যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০(৪) অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করবে?
  1. স্বপ্রণোদিতভাবে
  2. অভিযোগকারীর নালিশের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশমতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি:
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

২৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কত কর্মদিবস সময় বরাদ্দ?
  1. ৬০ কর্মদিবস
  2. ৯০ কর্মদিবস
  3. ১২০ কর্মদিবস
  4. ১৮০ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক (১) অনুযায়ী, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্য ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সুতরাং, তদন্তকারী কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ সময় হলো ১২০ কর্মদিবস।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক- তদন্তের সময়সীমা:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

২৬.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. চেকের সমপরিমাণ জরিমানা
  4. চেকের দ্বিগুণ জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে চেক প্রদান করেন এবং ব্যাংক সেই চেকটি অর্থের ঘাটতির কারণে বা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করার কারণে অবৈরত ঘোষণা করে, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা তখনই প্রযোজ্য যদি:
(ক) চেকটি প্রদান তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা যতদিন বৈধ, তার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয় ড্রয়ার (চেকদাতা)-কে।
(গ) ড্রয়ার সেই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
২৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, অধ্যাদেশের অধীন মামলা নিষ্পত্তির প্রাথমিক সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ গঠনের পর মামলা নিষ্পত্তির জন্য ১৮০ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
 যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

২৮.
দুর্নীতি প্রতিরোধে “ফাঁদ মামলা (Trap case)” এর বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২১
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৬- ফাঁদ মামলা (Trap case):
দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্ত আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধৃত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার এর অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap case) প্রস্তুত করিতে বা পরিচালনা করিতে পারিবেন।
২৯.
সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৩০.
১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হলে, সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সর্বোচ্চ কত কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫: মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।
৩১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ বর্ণিত অপরাধ সমূহের বিচার করেন-
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল জজ
  4. মহানগর দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৮ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
- (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 

- (২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
- (৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
৩২.
“মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল” গঠন করবে কে?
  1. সরকার
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪২: মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল:
(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে। 
 
(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ। 
৩৩.
The Criminal Law Amendment Act, 1958 অনুযায়ী স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০ এ আপিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- ধারা-১০(১) অনুসারে: "স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।"
অর্থাৎ, স্পেশাল জজ যদি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে তাঁর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০: আপিল, রিভিশন ও মামলা স্থানান্তর:
আপিল: স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।
রিভিশন: আপিল গ্রহণকারী আদালত রিভিশনের ক্ষমতা রাখবে।
খালাসের বিরুদ্ধে আপিল: স্পেশাল জজ যদি কোনো অভিযুক্তকে খালাস দেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দায়েরের নির্দেশ দিতে পারবে।
মামলা স্থানান্তর: হাইকোর্ট বিভাগ এক স্পেশাল জজের আদালত থেকে অন্য স্পেশাল জজের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬ সত্ত্বেও, স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করলে স্পেশাল জজ মামলার শুনানি মূলতবি করতে বাধ্য নন এবং নাকচের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
অভিযোগ প্রত্যাহার: কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া এই আইনের অধীনে কোনো অভিযোগ প্রত্যাহার করা যাবে না।

৩৪.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৮- কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন।
৩৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩৯ ধারায় কে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. সরকার
  2. ভিকটিম
  3. ট্রাইব্যুনালে
  4. মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৯: ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:
ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
৩৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ “স্পেশাল জজ” বলতে কোন আইনের অধীনে নিযুক্ত জজকে বোঝায়?
  1. The Anti-Corruption Act, 1957
  2. The Criminal Law Amendment Act, 1958
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২(ঠ):
“স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷
৩৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী,  আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. ধ্বংস করার
  2. বিক্রি করার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. স্থানীয় থানার অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।

৩৮.
একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী চাকরি দেয়ার নামে গরীব কর্মীদের বিদেশে পাচার করে এবং এতে বিপুল আর্থিক মুনাফা অর্জন করছে। উক্ত ঘটনায়, গোষ্ঠীর সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭: সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
৩৯.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার মোট কয়টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুসারে নোটিশ প্রদানের ৩টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে:
১. ব্যক্তিগতভাবে সরবরাহ - ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করার মাধ্যমে। 
২. রেজিস্টার্ড ডাক - প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রেরণের মাধ্যমে। 
৩. পত্রিকায় প্রকাশ - বহুল প্রচারিত একটি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করার মাধ্যমে।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

-------
The Negotiable Instruments Act, 1881, Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.

৪০.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর বিধান অনুসারে ডিক্রীকৃত অর্থ আদায়ের জন্য দায়িক, কে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখতে পারে-
  1. এক মাস পর্যন্ত
  2. তিন মাস পর্যন্ত
  3. ছয় মাস পর্যন্ত
  4. ডিক্রীকৃত অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪- দেওয়ানী আটকাদেশ

(১) উপ-ধারা (১২) এর বিধান সাপেক্ষে, অর্থ ঋণ আদালত, ডিক্রীদার কর্তৃক দাখিলকৃত দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে, ডিক্রীর টাকা পরিশোধে বাধ্য করিবার প্রয়াস হিসাবে, দায়িককে ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর উল্লিখিত বিধান, মূল ঋণ গ্রহীতার মৃত্যুর কারণে পারিবারিক উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী স্থলাভিষিক্ত দায়িক-ওয়ারিশদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
৪১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে ধৃত না হলে, অভিযোগ/রিপোর্ট অপরাধ সংঘটনের কত কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৭ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৭ কার্যদিবস।

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

৪২.
দায়রা আদালত কোন অপরাধের বিচার করতে পারে না?
  1. হত্যা
  2. ডাকাতি
  3. অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।
 
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-
 
১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
 
অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
৪৩.
বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) কে তৈরি করে?
  1. বাহক (Bearer)
  2. ধারক (Holder)
  3. গ্রহীতা (Acceptor)
  4. প্রদানকারী (Drawer)
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) তৈরি করে প্রদানকারী (Drawer)। প্রদানকারী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিনিময় পত্রে স্বাক্ষর করে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে (প্রদানকারী বা Drawee) নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ দেন।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুসারে:
- প্রদানকারী (Drawer) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্র তৈরি করেন বা টানেন (draws the bill)
- গ্রহীতা (Acceptor) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্রে সম্মতি প্রকাশ করেন
- ধারক (Holder) হলেন তিনি যিনি দলিলের দখলে থাকেন
- বাহক (Bearer) হলেন তিনি যিনি বাহকের নামে প্রদানযোগ্য দলিলের দখলে থাকেন
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৫ এ বিনিময় পত্রের সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এটি একটি লিখিত দলিল যাতে নির্মাতা (maker) দ্বারা স্বাক্ষরিত শর্তহীন নির্দেশ থাকে। বিনিময় পত্রের ক্ষেত্রে এই নির্মাতাই হলেন প্রদানকারী (Drawer)।

⇒ Section-5. “Bill of exchange”
 A “bill of exchange” is an instrument in writing containing an unconditional order, signed by the maker, directing a certain person to pay on demand or at fixed or determinable future time a certain sum of money only to, or to the order of, a certain person or to the bearer of the instrument.

⇒ Section-7. The maker of a bill of exchange or cheque is called the “drawer;” the person thereby directed to pay is called the “drawee.”

৪৪.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার মামলার কারণ কখন উদ্ভব হয়? যে দিন-
  1. চেক ইস্যু করা হয়
  2. চেকটি অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়
  3. চেক দাতা নোটিশ গ্রহণ করেন
  4. চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

 উক্ত আইনের ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে, তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
৪৫.
অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন কী জারি করতে পারে?
  1. রুল
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. ওয়ারেন্ট
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৪৬.
'ক' তার বন্ধু 'খ' কে ত্রিশ হাজার টাকা ধার দেয়। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার সময় 'খ', 'ক' কে চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিতে বলেন। 'ক' ব্যাংকে গিয়ে দেখেন একাউন্টে কোনো টাকা নেই। 'ক' যথাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন করে 'খ' এর বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা করে। এক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী 'খ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. চেকে উল্লেখিত টাকার ২ গুন জরিমানা
  3. চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৪৭.
কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করলে, কে দায়ী হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র কোম্পানির পরিচালক
  3. কোম্পানির মালিক এবং শেয়ারহোল্ডারগণ শুধু
  4. কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।

৪৮.
'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' কবে জারি করা হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  2. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
⇒ ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ (২০২৬ সনের ০৫ নং অধ্যাদেশ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রণীত হয় এবং সরকারি গেজেট (Extraordinary Gazette) এ প্রকাশিত হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে পূর্বে প্রচলিত 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩ নং আইন)' সম্পূর্ণরূপে রহিত করা হয়েছে।
- 'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' এ মোট ৯টি অধ্যায় এবং ৬৫টি ধারা রয়েছে।

৪৯.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আপীল দায়েরের পূর্বে সর্বনিম্ন কত শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে?
  1. ১০%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
- চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
- চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।

NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
৫০.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. চেকের অর্ধেক টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।

সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
৫১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮(১) অনুসারে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৮(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত পেশায় বা শৃঙ্খলা বাহিনী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পর্যায়ে কর্মের বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।”

- অর্থাৎ কমিশনার নিয়োগের জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

৫২.
চেক ডিজঅনারের মামলার রায়ে ক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
আপিল
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  
চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

রিভিউ
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ (Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।

Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another[24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।

রিভিশন 
চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। 
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন। ১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
৫৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন তদন্ত বা বিচার কার্যে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ২ বছর।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৮গ- মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]

৫৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ৩০ ধারা
  4. ৩২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩০ ধারা: ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা:
অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
৫৫.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবে-
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২১ ধারার বিধান: মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে।
(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
৫৬.
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে অবগত করতে হবে-
  1. প্রতি সপ্তাহে একবার
  2. ৬ মাসে একবার
  3. প্রতি মাসে একবার
  4. ১৫ দিনে একবার
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে একবার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৩৪- ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ

(১) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি সরকার বা পুলিশ বা ক্ষেত্রমত, বেসরকারি সংস্থাসমূহের নিকট হইতে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে মাসে অন্তত একবার অবগত হইবার অধিকারী হইবে। 
 
(২) তদন্তকারী কর্মকর্তা বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে চিহ্নিত ও উদ্ধারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের অধিকার, আইনি সহায়তার সুযোগ এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত করিবে। 
 
(৩) মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের গোপনীয়তার অধিকারের প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ, উদ্ধার, স্থানান্তর, প্রত্যাবর্তন, প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনে সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, সাংবাদিক বা জনসাধারণকে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসমেত একটি ব্যাপক ভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার পরিচালনা করিবে।
৫৭.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনারের মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. আপিল আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  2. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিতে হবে।
  3. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  4. আপিল দায়েরের পর যেকোনো এক সময় চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
সঠিক উত্তর:
শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপিল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লিখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
----------
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881, Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৫৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে৷
৫৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতারণা বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত প্রতারণা
  2. চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
  3. তামাদি আইনের ১৮ ধারায় উল্লিখিত প্রতারণা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১১) অনুসারে,

‘‘প্রতারণা’’ (fraud) অর্থ ঘটনা বা আইন লইয়া ইচ্ছাকৃত বা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বা আচরণ বা লিখিত কোন চুক্তি বা দলিল দ্বারা-
⇒  অন্যকে প্রতারিত (to defraud) করা, বা
⇒ প্রলুদ্ধ (to induce) বা
⇒ ভুল পথে পরিচালিত করা এবং প্রতারণাকারী ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তির অভিপ্রায়কে কেন্দ্র করিয়া সংঘটিত প্রবঞ্চনা (deception) এবং
চুক্তি আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ১৭ এ যেই অর্থে ”Fraud” অভিধাটি ব্যবহৃত হইয়াছে তাহাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৬০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি তথ্য প্রদান করলে, তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: "তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা":
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৬১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২- এ কত বছরের নিম্নের ব্যক্তিকে 'শিশু' হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১৪)-

“শিশু” অর্থ:
আঠারো (১৮) বছর বয়স পূর্ণ করেনি এমন কোন ব্যক্তি।
৬২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
  1. সহকারী উপ-পরিদর্শক
  2. উপ-পরিদর্শক
  3. পরিদর্শক (তদন্ত)
  4. সহকারী পুলিশ সুপার
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৬৩.
The Arms Act,1878 এর 19A ধারার অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা- ১৯ক: বিশেষ কতকগুলি অস্ত্রের ব্যাপারে ৬,১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য

১৯ ধারায় কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ১৯ ধারায় ক, গ, ঙ অথবা চ দফায় কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে, অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য কোনো কঠোর কারাদণ্ডে, যাহার মেয়াদ দশ বছরের কম হইবে না, দণ্ডিত হইবে ।
৬৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এ এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (extraterritorial application) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ:
(১) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে অথবা বাংলাদেশের কোন জাহাজ বা বিমানে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশী কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে এই আইনের আওতাধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে। 
(২) যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটন করে তাহা হইলে উক্ত অপরাধ ও তাহা সংঘটনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।

৬৫.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে অন্যূন কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ১ লক্ষ টাকা
  3. ২ লক্ষ টাকা
  4. ৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৬.
দ্রুত বিচার আদালত কোন আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. দায়রা আদালত
  2. যুগ্ম দায়রা আদালত
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. বিশেষ ট্রাইবুনাল
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি

(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।
৬৭.
মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র পুলিশ
  2. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালে
  3. পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থায়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৭: অভিযোগ দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে। 
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৬৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কত ধারায় কমিশনের নিরপেক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩: কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি-
(১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৬৯.
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করলে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারার বিধান: ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড:
-কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৭০.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর কততম ধারায় হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা-১৩
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-৩২
  4. ধারা-৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩২
ব্যাখ্যা
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’: 
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 
ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

 
- সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৩২ ধারার বিধান হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

- ব্যাখ্যা:-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমেঅবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৭১.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো-
  1. স্পেশাল জজ আদালত
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. 'ক' ও 'খ' তে উল্লিখিত উভয় আদালত
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো- স্পেশাল জজ আদালত।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: অপরাধের তদন্ত ও বিচার:

(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ ধারা ২(ঠ) তে উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক একাধিক তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠত যৌথ তদন্তকারী দল, তদন্ত করিবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ Criminal Law (Amendment) Act, 1958 (Act XL of 1958) এর ধারা ৩ এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তি অনুসন্ধান ও সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনে এতদ্‌উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতাও প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) তদন্তকারী সংস্থা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে অবহিত করিবে।

উল্লেখ্য,
Criminal Law (Amendment) Act, 1958  এর ধারা ৩ – স্পেশাল জজ নিয়োগ:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যথেষ্ট সংখ্যক স্পেশাল জজ (Special Judges) নিয়োগ করবে, যারা তফসিলে উল্লেখিত অপরাধগুলি বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

(২) কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না যদি না সে:
- বর্তমানে সেশন জাজ (Sessions Judge) হয় বা
- অতিরিক্ত সেশন জাজ (Additional Sessions Judge) অথবা
- সহকারী সেশন জাজ (Assistant Sessions Judge) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে।

৭২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ৪৩ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৪২- মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল

(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে।

(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত 
অর্থ।
৭৩.
সাইবার ট্রাইব্যুনাল কোন ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিজিটাল জালিয়াতি
  2. ডিজিটাল প্রতারণা
  3. পরিচয় প্রতারণা
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা

কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
৭৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তদন্তের সময়সীমা
  2. রায় ঘোষণার সময়সীমা
  3. বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
  4. অভিযোগ গঠনের সময়সীমা
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৭৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৬- মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

শাস্তি:
সর্বনিম্ন: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
সর্বোচ্চ: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড।
৭৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ ‘‘ভিকটিম’’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তির-
  1. আইনগত অভিভাবক
  2. আইনগত উত্তরাধিকারী
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
৭৭.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী হ্যাকিং এর অপরাধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক বারো বৎসর এবং অন্যূন পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক দশ বৎসর এবং অন্যূন তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অনধিক পঞ্চাশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির ক্ষতি, অনিষ্ট সাধন যেমন ই-মেইল পাঠানো, ভাইরাস ছড়ানো, সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ বা সিস্টেমের ক্ষতি করা ইত্যাদি অপরাধ অর্থাৎ হ্যাকিং এর সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৬ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কাজ করেন, যার ফলে কোনো কম্পিউটার রিসোর্সের কোনো তথ্য বিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা এর উপযোগিতা হ্রাস পায় অথবা কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন, তবে এটি হবে হ্যাকিং অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে কোনো মিথ্যা বা অশ্লীল কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয় অথবা রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে এগুলো হবে অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

• বর্তমানে এই অপরাধের বিচার 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর অধীন করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড


যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৭৮.
নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক তা ব্লক করার জন্য কাকে অনুরোধ করতে পারেন?
  1. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সিকে
  2. কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে
  3. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
  4. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলকে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:

(১) জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য- উপাত্ত সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি, উক্ত বিষয়াদি সরকারকে অবহিতক্রমে, তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবে।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৭৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালকে প্রাথমিক ভাবে কত কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, মোট সময় সর্বাধিক ২৭০ কার্যদিবস হলে মামলার নিষ্পত্তি হতে পারে, কিন্তু প্রাথমিক সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস নির্ধারিত।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৮০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ২০ লাখ টাকা
  3. ৫০ লাখ টাকা
  4. ১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১ কোটি টাকা।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৮১.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৮২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  2. বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দেয়ার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
 
ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি
 
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
৮৩.
ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে প্রথমবার সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বৎসর
  2. ১০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসর
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ড:
-(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
- (৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩(তিন) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
- (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন )  দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর কিন্তু তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো।
৮৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো ব্যক্তি বাধাপ্রদান করার অপরাধের জন্য শাস্তি-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৮৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ তদন্তের স্বার্থে কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. তথ্য কমিশনার
  3. মহাপরিচালক
  4. তদন্তকারী অফিসার
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) মহাপরিচালক।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৬: তথ্য সংরক্ষণ:
(১) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি মহাপরিচালকের নিকট এইরূপে প্রতীয়মান হয় যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
৮৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘ভিকটিম’’ এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ২ (৫)
  3. ধারা ২ (১০)
  4. ধারা ২ (১২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ (১০)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ (১০)
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
৮৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় 'মানব পাচার' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ২ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- মানব পাচার:

(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)। 
 
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবে না। 
 
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৮৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে আদালত কী করতে পারবে?
  1. মামলা খারিজ করতে পারবে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারবে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবে
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১-আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৮৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে ব্যর্থ হয়, তবে কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১০ কার্যদিবস
  3. ১৫ কার্যদিবস
  4. ৩০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৯০.
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি নোটিশ প্রদানের কোনটি অনুমোদিত পদ্ধতি নয়?
  1. সরাসরি
  2. ডাকযোগে
  3. জাতীয় বাংলা পত্রিকায়
  4. ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি  ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নোটিশ প্রদান অনুমোদিত পদ্ধতি নয়।

----------------
Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
৯১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩৫(১) ধারায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে কত ঘন্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:

(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।

৯২.
Section 138A of Negotiable Instruments Act, 1881 states that an appeal will not lie unless-
  1. The appellant files a written explanation
  2. 50% of the dishonoured cheque amount is deposited
  3. 25% of the dishonoured cheque amount is deposited
  4. Both A & B
সঠিক উত্তর:
50% of the dishonoured cheque amount is deposited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50% of the dishonoured cheque amount is deposited
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের 
৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

৯৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রাথমিক তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্ত কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, নূতনভাবে তদন্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা কত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২০ক ধারার বিধান তদন্তের সময়সীমা: 
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। 
৯৪.
দ্রুত বিচার আদালত বিজ্ঞপ্তি দ্বারা পলাতক আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৯৫.
নিম্নলিখিত কোনটি চেক প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে নোটিশ প্রদানের বৈধ মাধ্যম নয়?
  1. ই-মেইল
  2. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  3. জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন
  4. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ই-মেইল।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
৯৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য কে বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. ট্রাইব্যুনাল
  4. সরকারের পরামর্শে ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭- অভিযোগ দায়ের

(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে।
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৯৭.
Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নিলাম বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
নিলাম বাতিলের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
------------------
Section 23. Application to set aside sale of immovable property on ground of non-service of notice or irregularity.

(1) Where immovable property has been sold in execution of a certificate, the certificate-holder, the certificate-debtor, or any person whose interests are affected by the sale, may, at any time within sixty days from the date of the sale, apply to the Certificate-officer to set aside the sale on the ground that notice was not served under section 7 or on the ground of a material irregularity in the certificate proceedings or in publishing or conducting the sale:
Provided as follows:-
(a) no sale shall be set aside on any such ground unless the Certificate-officer is satisfied that the applicant has sustained substantial injury by reason of the non-service or irregularity; and
(b) an application made by a certificate-debtor under this section shall be disallowed unless the applicant either deposits the amount recoverable from him in execution of the certificate or satisfies the Certificate-officer that he is not liable to pay such amount.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), the Certificate-officer may entertain an application made after the expiry of sixty days from the date of the sale if he is satisfied that there are reasonable grounds for so doing.
৯৮.
What is the time limit for filing a complaint under Section 138, as per Section 141 of the Negotiable Instruments Act, 1881?
  1. Within 15 days of dishonour
  2. Within three months of cheque issuance
  3. Within one month of the cause of action
  4. Within six months of dishonour
সঠিক উত্তর:
Within one month of the cause of action
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within one month of the cause of action
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১: ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
৯৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের কোন কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনা করতে পারেন?
  1. সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  2. উপ পরিচালক পদমর্যাদা নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  3. পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  4. কমিশনার পদমর্যাদার যে কোন কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ২০০৭ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ‘ফাঁদ’ কার্যক্রম অনুমোদন হয়। ওই বছরই এটি দুদকের ১৬ নম্বর বিধিতে সংযুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়,

‘দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্তে আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধরার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (ট্র্যাপ কেস) প্রস্তুত করতে বা পরিচালনা করতে পারবেন।’ এ ছাড়া বলা হয়, ‘ফাঁদ মামলা তদন্ত কার্যক্রম কেবল তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিশনের পরিচালক পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন কর্মকর্তা দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।’
১০০.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি তদন্ত সম্পর্কিত তথ্য অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন, তাহলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬-এর উপ-ধারা (৩) বলছে: "কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ২ বছর।