বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

মোট প্রশ্ন৪৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৪৩৫

১০১.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে Peer-to-Peer (P2P) নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফাইল শেয়ারিং
  2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট
  3. ওয়েব হোস্টিং
  4. ইমেইল সার্ভিস
ব্যাখ্যা

 • Peer-to-Peer (P2P) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার হিসেবে কাজ করে। এই ব্যবস্থায় কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের প্রয়োজন হয় না, ফলে সরাসরি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করা সহজ হয়। তাই ফাইল শেয়ারিং (যেমন: BitTorrent) ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা [link]

১০২.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে Hypervisor মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভারের হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ করা
  2. নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধি করা
  3. ডেটা ব্যাকআপ ও রিকভারি করা
  4. একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

Hypervisor হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করে। এটি একটি ফিজিক্যাল সার্ভারের হার্ডওয়্যার রিসোর্স যেমন CPU, RAM, Storage ইত্যাদি ভাগ করে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিনকে ব্যবহার করতে দেয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। 

১০৩.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন মডেলটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামারদেরকে প্লাটফর্ম সরবরাহ করে?
  1. laaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. DaaS
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে বিভিন্ন মডেল রয়েছে, যেগুলো আলাদা ধরণের সেবা প্রদান করে। এখানে প্রশ্ন করা হয়েছে, কোন মডেলটি প্রোগ্রামারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এর মধ্যে PaaS (Platform as a Service) সেই মডেল যা ডেভেলপারদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। PaaS ব্যবহার করে প্রোগ্রামাররা সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক বা হোস্টিং নিয়ে চিন্তা না করে সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ডিপ্লয় করতে পারে। এটি কোডিং, ডাটাবেস, API, ডেভেলপমেন্ট টুলস এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ফিচার সরবরাহ করে, যা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। অন্যদিকে IaaS কেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার দেয়, SaaS সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার দেয়, এবং DaaS ডেস্কটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সেবা। সুতরাং প্রোগ্রামারদের জন্য যথাযথ মডেল হলো PaaS.
 
• অপশন আলোচনা:
- IaaS (Infrastructure as a Service) – সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কের ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরবরাহ করে, অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার সরাসরি প্ল্যাটফর্ম নয়।
- SaaS (Software as a Service) – সম্পূর্ণ তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুবিধা দেয়, প্রোগ্রামার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে না।
- PaaS (Platform as a Service) – প্রোগ্রামারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডেপ্লয় ও পরিচালনার জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। 
- DaaS (Desktop as a Service) – ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবেশ সরবরাহ করে, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) PaaS.
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

১০৪.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা?
  1. নিজস্ব হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয়।
  2. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায় না।
  3. ক্লাউডে তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা:
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
- যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ছোট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা:
- ক্লাউড ব্যবহারের মূল সমস্যা হলো ডেটা, তথ্য অথবা প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
- ক্লাউডে তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে এবং তথ্য পাল্টে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৫.
কোন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং সেবা ও স্টোরেজ ভাড়া নেওয়া যায়?
  1. ক) রেন্ট কম্পিউটিং
  2. খ) শেয়ারিং কম্পিউটিং
  3. গ) ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ঘ) রেইন কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিশেষ পরিষেবা বা একটা ব্যবসায়িক মডেল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, কম্পিউটিং সেবা, সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার প্রভৃতি সেবা সহজে ক্রেতার সুবিধা মতো, চাহিবামাত্র ও চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ প্রদান করা বা ভাড়া দেওয়া হয়

ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া
যেমন- কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে এবং এই ওয়েব সাইটে একটি ব্লগ চলবে। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার এবং ভিজিটর বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ব্লগে ব্যবহারকারী বেশি থাকে। এর মধ্যে রাত ৮টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব বেশি থাকে, ফলে ঐ সময় সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, এই লোড কমানোর জন্য ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু অন্য সময়ে লোড কম থাকার ফলে ১টি সার্ভারেই কাজ হয়। তাহলে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটটি চালানোর জন্য ২৪ ঘন্টাই ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র যে সময়ে লোড বেশি থাকে সে সময়ের জন্যই অতিরিক্ত সার্ভারগুলি ভাড়া নিতে পারলেই অনেক খরচ বেঁচে যায়। এতে করে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিও ফ্রি সময়ে তাদের সার্ভারগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া দিতে পারছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং Software as a Service (SaaS) কোন সেবা প্রদান করে?
  1. কেবল ডেটা স্টোরেজ
  2. হার্ডওয়্যার ভাড়া
  3. সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার ইন্টারনেটের মাধ্যমে
  4. প্রোগ্রামিং শেখানো
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন। 
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন
- কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার হচ্ছে- Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud Platform (GCP), IBM Cloud, Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৭.
"GCP" মূলত কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. অফিস স্যুট
  2. ওয়েব ব্রাউজার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা
• "GCP" বা Google Cloud Platform হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা গুগল দ্বারা পরিচালিত। এটি মূলত ঘ) ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। GCP বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা যেমন ডেটা স্টোরেজ, মেশিন লার্নিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স, ওয়েব হোস্টিং এবং ভার্চুয়াল মেশিন সরবরাহ করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডিপ্লয় ও পরিচালনার জন্য GCP ব্যবহার করে। এতে স্কেলেবল অবকাঠামো এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। অফিস স্যুট, ওয়েব ব্রাউজার বা অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং GCP মূলত ক্লাউড পরিষেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং কোন্ পরিষেবা প্রদান করে?
  1. শুধুমাত্র লোকাল স্টোরেজ
  2. ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস
  3. শুধুমাত্র ভার্চুয়াল স্টোরেজ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত ভার্চুয়াল কম্পিউটিং রিসোর্সেস প্রদান করে, তাই সঠিক উত্তর হলো (খ)।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের সাহায্যে সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইত্যাদি ভার্চুয়ালি ব্যবহার করতে পারে। এটি শুধু লোকাল স্টোরেজ বা শুধু ভার্চুয়াল স্টোরেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটিং শক্তি বাড়ানো বা কমানো সম্ভব হয়। ফলে খরচ কমে, কাজের গতি বাড়ে এবং ডেটা নিরাপদভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়। এজন্য আধুনিক প্রযুক্তিতে ক্লাউড কম্পিউটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ক্লায়েন্ট থেকে তথ্য চাওয়া
  2. ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা
  3. কেবল ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করা
  4. ক্লায়েন্ট ছাড়া ইন্টারনেটে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা 
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা হলো ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা। সার্ভার একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ক্লায়েন্টদের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন ডাটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস সরবরাহ করে। যখন ক্লায়েন্ট কোনো তথ্য বা পরিষেবা চায়, সার্ভার সেই অনুরোধ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে। এছাড়াও সার্ভার রিসোর্সগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, ব্যাকআপ এবং নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে। এটি ক্লায়েন্টদের মধ্যে সমন্বয় স্থাপন ও নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সার্ভারের মূল কাজ শুধুমাত্র ফায়ারওয়াল বা ইন্টারনেট সংযোগ নয়, বরং ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স ব্যবস্থাপনাই প্রধান কাজ।

- সঠিক উত্তর: খ) ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা, সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

এছাড়াও,
- পার্সোনাল কম্পিউটার → পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) সাধারণত একক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি সার্ভার হিসেবে কার্যকরী নয়।
- সুপার কম্পিউটার → সুপার কম্পিউটার সাধারণত জটিল গণনা, বিজ্ঞান গবেষণা, এবং সিমুলেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি সাধারণ সার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১০.
নিচের কোন প্রোডাক্টটি মাইক্রোসফট উদ্ভাবন করেনি?
  1. উইন্ডোজ ওএস
  2. মাইক্রোসফট অফিস
  3. গুগল ক্রোম
  4. এক্সবক্স
ব্যাখ্যা

​• চারটি প্রোডাক্টের মধ্যে গ) গুগল ক্রোম মাইক্রোসফট তৈরি করেনি। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট অফিস, এবং এক্সবক্স সবই মাইক্রোসফটের তৈরি। উইন্ডোজ হলো তাদের জনপ্রিয় কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়। মাইক্রোসফট অফিস হলো অফিস প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যারের একটি সেট, যেমন ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদি। এক্সবক্স হলো তাদের গেমিং কনসোল। অন্যদিকে, গুগল ক্রোম হলো গুগলের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) গুগল ক্রোম।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ২১ আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: মাইক্রোসফট এবং তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

১১১.
'ক্যালেন্ডারিং' কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Platform-as-a-Service
  3. Software-as-a-Service
  4. Data-as-a-Service
ব্যাখ্যা
• 'ক্যালেন্ডারিং' Software-as-a-Service ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫), Google Docs ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. https://www.azure.microsoft.com
৪. https://www.ibm.com
১১২.
কোনটি সবার শেষে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লিঙ্কডইন
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) ইন্সট্রাগ্রাম
  4. ঘ) টুইটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
লিঙ্কডইন সবার আগে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট। এটি ২০০২ সালে রেইড হফম্যান প্রতিষ্ঠা করেন। এটি মূলত কর্পোরেট বা পেশাজীবীদের যোগাযোগের একটি মাধ্যম। পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২০১০, ২০০৬, ২০০৪ এবং ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। (সূত্র: লিঙ্কডইন, পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম ওয়েবসাইট)
১১৩.
প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) IP
  2. খ) SMTP
  3. গ) POP3
  4. ঘ) HTTP
ব্যাখ্যা

আইপি এড্রেস ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

১১৪.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ক) সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়। 
  2. খ) নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না।
  3. গ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  4. ঘ) ডেটা বা এপ্লিকেশনের উপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ থাকে।
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারে মূল সমস্যা হল- ডেটা, তথ্য, অথবা প্রোগ্রাম বা, এপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। একবার তথ্য কাউকে পাঠিয়ে দিলে তা কোথায় কীভাবে সংরক্ষণ হচ্ছে, ব্যবহারকারীর জানার উপায় থাকে না।
 
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের সুবিধাসমূহ- 
১. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে হার্ডওয়ারের কোনও বড় ধরনের বাড়তি ব্যয় নেই। এটি চালিত হিসাবে অর্থ প্রদান করতে হবে। 
২. ইন্টারনেটে সংযোগ থাকার মাধ্যমে যে কোনও জায়গা থেকে আপনার অ্যাপ্লিকেশন বা ডাটা ব্যবহার করা যায়। 
৩. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে এর নেটওয়ার্ক ব্যাকআপের কারণে হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ফলে ডেটা ক্ষতি হয় না।
৪. ক্রমবর্ধমান বা ওঠানামা করা ব্যান্ডউইথের চাহিদা সহ ব্যবসায়ের জন্য ক্লাউড-ভিত্তিক সমাধানগুলি আদর্শ।
৫. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি বড় সুবিধা হলো একসাথে অনেক লোকেদের তথ্য ভাগ বা ব্যবহার করার সুয়োগ দিয়ে সহযোগিতা করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের অসুবিধা- 
১. ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত থাকে না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১১৫.
২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে IaaS পরিষেবা শুরু করার কৃতিত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. Amazon
  2. IBM
  3. Cisco
  4. Google
ব্যাখ্যা

• ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে IaaS (Infrastructure as a Service) পরিষেবা শুরু করার কৃতিত্ব Amazon সংস্থার। তারা তাদের Amazon Web Services (AWS) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গ্রাহকদের ইন্টারনেট ভিত্তিক কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং সেবা প্রদান করে। এই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার কেনার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়া হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করা যায়। AWS-এর সাফল্যের কারণে IaaS ধারণা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং পরবর্তী বছরগুলোতে অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন IBM, Google ও Microsoft এই খাতে প্রবেশ করে। Amazon এর এই পদক্ষেপই ক্লাউড কম্পিউটিং বিশ্বে বিপ্লব ঘটায়।

- উত্তর: ক) Amazon.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
 
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
হাইব্রিড ক্লাউড কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়?
  1. পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউডের সমন্বয়
  2. শুধু পাবলিক ক্লাউড
  3. শুধু কমিউনিটি ক্লাউড
  4. শুধু প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।

• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে। 
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে। 
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী। 

• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। 
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে। 
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud। 

• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।

১১৭.
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান চালু করেছিল?
  1. Amazon
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম চালু করেছিল Amazon, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Amazon। ২০০৬ সালে Amazon তাদের বিদ্যমান অবকাঠামোকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য Amazon Web Services (AWS) চালু করে। AWS-এর মাধ্যমে অনলাইন স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস ও কম্পিউটিং ক্ষমতা ভাড়াভিত্তিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সার্ভার কিনে ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কাজ করতে হতো, যা ব্যয়বহুল ছিল। Amazon এই ধারণাকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্কেলযোগ্য করে তোলে, ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং দ্রুত জনপ্রিয় হয় এবং পরবর্তীতে Google, Microsoft ও IBM এই খাতে প্রবেশ করে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১৮.
Google App Engine is an example of—
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. FaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা

• Google App Engine হলো Platform-as-a-Service (PaaS)-এর উদাহরণ, যেখানে ইউজাররা প্রস্তুত প্ল্যাটফর্মের উপর নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালাতে পারে।

• Platform-as-a-Service (PaaS):
- PaaS হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি মডেল, যেখানে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে একটি সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম ভাড়া দেওয়া হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মের উপর ইউজাররা নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ, টেস্ট ও ডিপ্লয় করতে পারে।
 
• PaaS মডেলের বৈশিষ্ট্য:
- ইউজারকে সার্ভার বা অবকাঠামো (Infrastructure) নিজে ম্যানেজ করতে হয় না।
- অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ (runtime, tools) আগে থেকেই দেওয়া থাকে।
- ডেভেলপমেন্ট কাজ দ্রুত ও সহজ হয়।
 
• Google App Engine কেন PaaS:
- Google App Engine ইউজারদের জন্য একটি প্রস্তুত development platform সরবরাহ করে।
- ইউজাররা এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালাতে পারে।
- তাই এটি Platform-as-a-Service (PaaS) শ্রেণিভুক্ত।
 
• অন্যান্য অপশন:
- IaaS → এখানে মূলত ভার্চুয়াল মেশিন ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়।
- SaaS → এখানে রেডিমেইড সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
- FaaS → এটি ফাংশনভিত্তিক সার্ভিস, App Engine-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১৯.
NIST-এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  2. পে-অ্যাজ-ইউ-গো
  3. ফিজিক্যাল ওনারশিপ
  4. অন-ডিমান্ড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
- ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি,
২. অন-ডিমান্ড ও
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২০.
Which of the following is not a type of blockchain?
  1. ক) Public blockchain
  2. খ) Virtual blockchain
  3. গ) Hybrid blockchain
  4. ঘ) Private blockchain
ব্যাখ্যা
ব্লকচেইন হলো ৩ ধরনের। যথা:
- পাবলিক ব্লকচেইন,
- প্রাইভেট ব্লকচেইন 
- হাইব্রিড ব্লকচেইন

উৎস : "Blockchain: A Practical Guide to Developing Business, Law, and Technology Solutions" by R. David Whitaker, Apress; 1st ed. edition (December 4, 2018) 
১২১.
কোন কোম্পানি Azure নামের PaaS ভিত্তিক ক্লাউড সেবা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Oracle
  2. SAP
  3. Salesforce
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• Azure নামের PaaS ভিত্তিক ক্লাউড সেবাটি উদ্ভাবন করেছে Microsoft, যা সঠিক উত্তর ঘ) Microsoft। Microsoft Azure একটি শক্তিশালী ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা Platform as a Service (PaaS), Infrastructure as a Service (IaaS) এবং Software as a Service (SaaS) সুবিধা প্রদান করে। Azure-এর মাধ্যমে ডেভেলপাররা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডিপ্লয় ও ম্যানেজ করতে পারেন, নিজস্ব সার্ভার স্থাপনের ঝামেলা ছাড়াই। এটি বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটাবেস, AI, মেশিন লার্নিং এবং সিকিউরিটি সাপোর্ট করে। বিশ্বব্যাপী বহু প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় Microsoft Azure ব্যবহার করছে।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২২.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'অন-ডিমান্ড ও পে-অ্যাজ-ইউ-গো' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Internet of Things (IoT)
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Client-Server Systems
  4. ঘ) Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
২) অন-ডিমান্ড
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১২৩.
'AWS' ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) গুগল
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) অ্যামাজন
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
 
উৎস: aws.amazon.com
১২৪.
Hybrid Cloud বলতে কী বোঝায়?
  1. একাধিক Public Cloud একসাথে
  2. Public এবং Private Cloud এর সমন্বয়
  3. একাধিক Private Cloud এর সমন্বয়
  4. Cloud এবং On-Premise এর মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

◉ Hybrid Cloud হলো একটি কম্পিউটিং পরিবেশ, যেখানে Public Cloud এবং Private Cloud উভয় একসাথে ব্যবহার করা হয় এবং পরস্পরের সাথে ইন্টিগ্রেটেড থাকে।

​ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

​হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

​পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

​প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

​কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে-
  1. BSTI
  2. NIST
  3. BPSC
  4. BTST
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে NIST.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২৬.
In a centralized network, who handles all processing and control?
  1. Each terminal
  2. Workstation
  3. Distributed server
  4. Main computer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Main computer

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এই ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।
- ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসিগুলোকে প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসের মধ্যে থাকে ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্ট সার্ভিস, মেসেজিং, ডেটাবেস ও অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ

১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network)
- একটি প্রধান কম্পিউটার ও কিছু টার্মিনালের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)
- পরস্পর সংযুক্ত ওয়ার্কস্টেশন, শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস ও প্রয়োজনীয় ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সমন্বয়ে তৈরি।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলো নিজের মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

১২৭.
Dropbox কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. ই-মেইল সেবাদাতা
  3. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
  4. ক্লাউড সেবাদাতা
ব্যাখ্যা
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৮.
Wifi Standard - IEEE 802.11 এ ব্যবহৃত এর IEEE এর অর্থ কী?
  1. ক) Institute of Electrical and Electronics Engineers
  2. খ) International Electrical and Electronics Engineers
  3. গ) Impact of Electrical and Electronics Engineers
  4. ঘ) Instructions for Electrical and Electronics Engineers
ব্যাখ্যা
IEEE, pronounced "Eye-triple-E," stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers. The organization is chartered under this name and it is the full legal name.

কিছু গুরুত্বপূর্ণ IEEE Standard
IEEE 802.8 = Fiber-optic connection
IEEE 802.11 = Wireless Networking - WiFi
IEEE 802.15 = Bluetooth Standard
IEEE 802.15.2 = Bluetooth and Wi-Fi coexistence mechanism
IEEE 802.16 = Wireless Networking - WiMAX

Source: IEEE এর ওয়েবসাইট
১২৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল নয় কোনটি?
  1. IaaS
  2. EaaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল:

- অবকাঠামোগত পরিষেবা ( Infrastructure as a service- IaaS)
এখানে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সেবাদানকারী তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

- প্লাটফর্মভিত্তিক পরিষেবা ( Platform as a service - Paas)
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার , ডেটাবেজ থাকে।
 অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

- সফটওয়্যার পরিষেবা ( Software as a service - SaaS)
প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: ১. HSC Programme, Bangladesh Open University.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অন-ডিমান্ড সেবা
  2. একক গ্রাহকের জন্য ডেডিকেটেড রিসোর্স
  3. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  4. পে-অ্যাজ-ইউ-গো
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং মাল্টি-টেন্যান্ট মডেলে কাজ করে, যেখানে রিসোর্স একাধিক গ্রাহকের মধ্যে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

এছাড়াও ব্রড নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস (Broad network access), রিসোর্স পুলিং (Resource pooling)- এগুলোও ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য।

এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। NIST Website. [লিংক]

 

১৩১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  2. খ) অন-ডিমান্ড
  3. গ) পে-অ্যাজ-ইউ-গো
  4. ঘ) ইউজ-অ্যাজ-ইউ-ডিস্ট্রিবিউটেড
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে—

১। রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability)
২। অন-ডিমান্ড (On demand)
৩। পে-অ্যাজ-ইউ-গো ( Pay as you Go)

রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

অন-ডিমান্ড: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা নিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

পে-অ্যাজ-ইউ-গো: এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৩২.
নিম্নের কোনটি ওয়েব হোস্টিং সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) Glassdoor
  2. খ) Grammarly
  3. গ) GoDaddy
  4. ঘ) Digital Ocean
ব্যাখ্যা
GoDaddy  একটি জনপ্রিয় ওয়েব হোস্টিং প্রভাইডার কোম্পানি। 

হোস্টিং হল এক ধরনের ওয়েব সার্ভার। যেখানে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা ব্লগের সমস্ত ডাটা স্টোর করা হয়।

সুযোগ সুবিধার উপর নির্ভর করে হোস্টিংকে চারভাগে ভাগ করা হয়।
সেগুলো হলো–
শেয়ার্ড হোস্টিং সার্ভার (Shared Hosting Server)
ভিপিএস হোস্টিং সার্ভার (VPS Hosting Server)
ডেডিকেটেড হোস্টিং সার্ভার (Dedicated Hosting Server)
ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং সার্ভার (WordPress Managed Hosting Server)

সূত্র: GoDaddy Website [লিঙ্ক]
১৩৩.
What is the primary benefit of using IaaS?
  1. Simplified application development
  2. Access to ready-made software applications
  3. Scalability and flexibility of infrastructure resources
  4. Platform-independent deployment
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS)
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS)
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়

উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
 - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

অপশন আলোচনা:
ক) Simplified application development - PaaS (Platform as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
খ) Access to ready-made software applications - SaaS (Software as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
গ) Scalability and flexibility of infrastructure resources - IaaS (Infrastructure as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
ঘ) Platform-independent deployment - SaaS (Software as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২)সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৩৪.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলে?
  1. Function
  2. Structure
  3. Pointer
  4. Array
ব্যাখ্যা
• একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে Array বলা হয়। একটি অ্যারে হলো একটি ধারাবাহিক ডাটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ধরনের ডাটা উপাদানগুলি নির্দিষ্ট ক্রমে সংরক্ষিত থাকে। যেমন, যদি আমরা integer টাইপের ডাটার গুচ্ছ রাখতে চাই, তাহলে সেটি একটি integer অ্যারে হবে। অ্যারের প্রতিটি উপাদানের একটি নির্দিষ্ট অবস্থান বা index থাকে, যা দিয়ে সেই উপাদানগুলোকে সহজে এক্সেস করা যায়। অন্যদিকে, Function হলো কোডের একটি ব্লক যা কোনো কাজ সম্পন্ন করে, Structure হলো বিভিন্ন ডাটা টাইপের একটি গুচ্ছ, আর Pointer হলো একটি ভেরিয়েবল যা অন্য ভেরিয়াবলের মেমোরি ঠিকানা ধারণ করে। তাই একই ধরনের ডাটার গুচ্ছ বোঝাতে সঠিক উত্তর হলো - Array.

• অ্যারে:
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৩৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং- এর ক্ষেত্রে GCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Google Cloud Provision
  2. Google Computing Platform
  3. Google Cloud Protocol
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:

- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS),
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS),
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS).

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়য়েবসাইট।
১৩৬.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Slack
  2. iCloud
  3. Box
  4. Amazon S3
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলোর মধ্যে Slack ক্লাউড স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। iCloud, Box, এবং Amazon S3- তিনটি মূলত ফাইল এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ডিজাইন করা ক্লাউড স্টোরেজ সেবা। iCloud অ্যাপল ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইল, ছবি, এবং ব্যাকআপ সংরক্ষণ করতে দেয়। Box একটি ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম যা ফাইল শেয়ারিং এবং সহযোগিতার সুবিধা প্রদান করে। Amazon S3 অ্যামাজনের স্কেলেবল অবজেক্ট স্টোরেজ, যা ডেটা হোস্টিং, ব্যাকআপ, এবং বড় ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে Slack মূলত একটি যোগাযোগ ও টিম কল্যাবোরেশন টুল, যেখানে বার্তা, চ্যাট, এবং সংক্ষিপ্ত ফাইল শেয়ার করা যায়, কিন্তু এটি স্টোরেজ সেবা হিসেবে প্রাথমিকভাবে ব্যবহার হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা, 
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও 
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং 
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৩৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ “ইলাস্টিসিটি” বলতে কি বোঝায়?
  1. বড় পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা
  3. ইন্টারনেট সংযোগের গতি
  4. নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বরাদ্দ
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ “ইলাস্টিসিটি” বলতে বোঝায় যে সিস্টেম বা পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন CPU, মেমোরি, স্টোরেজ) বাড়াতে বা কমাতে পারে। এটি মূলত লোডের ওঠা-নামার সঙ্গে খাপ খাইয়ে দ্রুত স্কেলিং করার ক্ষমতা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ওয়েবসাইটে হঠাৎ প্রচুর ট্রাফিক আসে, ইলাস্টিসিটি রিসোর্স বাড়িয়ে সাইটের পারফরম্যান্স বজায় রাখে, আর ট্রাফিক কমলে অপ্রয়োজনীয় রিসোর্স কমিয়ে খরচও কমায়। তাই ইলাস্টিসিটি ক্লাউডের অন্যতম মূল সুবিধা, যা ব্যবহারকারীকে কার্যকর, নমনীয় ও খরচ-সাশ্রয়ী সমাধান দেয়।

- সঠিক উত্তর: খ) স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা।

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে- 

১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: 
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
 
২. অন-ডিমান্ড: 
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো: 
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. Pay as you go
  3. On Demand
  4. Automatic updates
ব্যাখ্যা
• Automatic updates ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য
থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability/Flexibility):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড (On Demand):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay as you go):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৯.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. CaaS
  2. laaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।

২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।

৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।


এখানে CaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
১৪০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান তিনটি সার্ভিস মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. CaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
'ওয়ান ড্রাইভ' কোন কোম্পানির ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস?
  1. অ্যাপল
  2. মাইক্রোসফট
  3. আমাজন
  4. গুগল
ব্যাখ্যা
- 'ওয়ান ড্রাইভ' মাইক্রোসফটের একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়। যেমন- অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা। যেমন- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে।

৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে। যেমন: গুগল ডকস।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪২.
Which company was the first to use cloud computing commercially?
  1. Alibaba
  2. Amazon
  3. Microsoft
  4. Google
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS)
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS)
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড
২. প্রাইভেট ক্লাউড
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড 

• মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।
১৪৩.
What is a main benefit of using serverless computing?
  1. ক) Lower costs
  2. খ) Greater Control
  3. গ) More Scalability
  4. ঘ) Improved Security
ব্যাখ্যা
- With serverless computing, the cloud provider is responsible for managing the infrastructure and scaling of resources required to run the code.
- This allows users to pay only for the resources and time consumed by their code, rather than for provisioned capacity.
- This can result in significant cost savings.

Source: https://aws.amazon.com/serverless/
১৪৪.
Android package file এর এক্সটেনশন কী?
  1. ক) .psd
  2. খ) .apps
  3. গ) .apk
  4. ঘ) .xyz
ব্যাখ্যা
APK: Android Application Package
File Extension: .apk
Definition: An APK file is the file format used to install the applications on Android operating system.
১৪৫.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে রিসোর্স ব্যবহারকারী ডিভাইস বা ব্যবহারকারীদের কী বলা হয়?
  1. গেটওয়ে
  2. ক্লায়েন্ট
  3. সার্ভার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে যে ডিভাইস বা ব্যবহারকারী রিসোর্স ব্যবহার করে, যেমন ডাটা, ফাইল বা সার্ভিস, তাকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। ক্লায়েন্ট সাধারণত সার্ভারের কাছ থেকে রিসোর্স বা সেবা গ্রহণ করে এবং নিজে রিসোর্স সরবরাহ করে না। উদাহরণস্বরূপ, আপনার কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস যা ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করে, সেটি ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে সার্ভার হলো সেই ডিভাইস যা রিসোর্স বা সেবা প্রদান করে। ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান হয়। সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত রিসোর্স ব্যবহারকারী ডিভাইস বা ব্যবহারকারী হলো খ) ক্লায়েন্ট।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট component থাকে:
১। ক্লায়েন্ট,
২। সার্ভার এবং
৩। নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
MAC address-এ ব্যবহৃত MAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Memory Access Control
  2. খ) Medium Access Control
  3. গ) Media Access Control
  4. ঘ) Multiple Access Control
ব্যাখ্যা
• MAC address-এর পূর্ণরূপ Media Access Control Address.

MAC address: 
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC address প্রদান করে।
- এটি একটি Physical address এবং Hardware address হিসাবে পরিচিত যার নম্বরটি হেক্সাডেসিমেল ফর্ম্যাটে করা হয়। 
- এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের বা ৬৪ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যা দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। 
- MAC address অবশ্যই ১২ ডিজিটের হবে।
- ম্যাক অ্যাড্রেসের প্রথম অর্ধেক বোঝায় ডিভাইসটি কোন মডেল বা ব্র্যান্ডের আর বাকী অর্ধেকটি হচ্ছে ঐ ডিভাইসটি অনন্য বা unique নাম্বার।
- এই কার্ডে প্রদত্ত MAC address এর একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। 

উল্লেখ্য, এটি Apple Macintosh সম্পর্কিত কিছু নয়।

উৎস: Computerhope website.
১৪৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. Fixed Cost Structure
  2. On-demand
  3. Resource scalability
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে On-demand, Resource scalability, এবং Pay as you go। এর মানে হলো ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ (যেমনঃ সার্ভার, স্টোরেজ) ব্যবহার করতে পারে, সহজেই কম-বেশি করতে পারে এবং শুধুমাত্র ব্যবহৃত পরিমাণ অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করে। তবে Fixed Cost Structure ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নয়। কারণ, ক্লাউড সেবা সাধারণত পরিবর্তনশীল খরচে প্রদান করা হয়, যা ব্যবহারভিত্তিক (usage-based) পেমেন্ট মডেল অনুসরণ করে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য খরচ কমাতে সহায়ক হয়, কারণ তাদের অব্যবহৃত সম্পদের জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয় না। তাই "Fixed Cost Structure" ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিপরীত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪৮.
Cloud Computing কী?
  1. Online game
  2. Internet Based Service
  3. Online Banking
  4. None
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস)
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস)
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ)
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি প্রস্রন্ট করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪৯.
কোন কোম্পানি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদান শুরু করেছিল?
  1. ব্লু অরিজিন
  2. ইন্টেল
  3. মাইক্রোসফট
  4. অ্যামাজন
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার ধারণা প্রথম সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন করে অ্যামাজন। ২০০৬ সালে অ্যামাজন তাদের “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)” শুরু করে, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সম্পদ ভাড়া দেওয়ার সুযোগ প্রদান করে। এর মাধ্যমে ছোট এবং বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের আইটি অবকাঠামো পরিচালনার পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড থেকে সম্পদ ব্যবহার করতে পারে, যা খরচ ও সময় দুইভাবেই সাশ্রয়ী। অন্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট ও ইন্টেল পরে এই সেবায় প্রবেশ করে, কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার বাজারে প্রথম ধাক্কা এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে অ্যামাজন।

- সঠিক উত্তর: ঘ) অ্যামাজন। 

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
নিচের কোনটি ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. VMware
  2. Redis
  3. Rackspace
  4. Digital Ocean
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।

• ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ: 
- Amazon web services,
- Microsoft Azure,
- Google Cloud,
- IBM Cloud,
- Oracle,
- Digital Ocean,
- CloudFlare,
- Linode,
- Rackspace,
- VMware ইত্যাদি। 

* Redis হলো ওপেন সোর্স ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫১.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. ওপেন ক্লাউড
ব্যাখ্যা
'ওপেন ক্লাউড'  ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫২.
What type of cloud deployment model allows an organization to use both internal and external resources?
  1. ক) Public Cloud
  2. খ) Private Cloud
  3. গ) Hybrid Cloud
  4. ঘ) Community Cloud
ব্যাখ্যা
- A hybrid cloud deployment model allows an organization to use resources both on-premises, as well as from public cloud providers.
- This allows an organization to take advantage of the cost and scalability benefits of public cloud, while also maintaining control and security of sensitive data in a private cloud.

Reference: ibm website
১৫৩.
What is the role of a proxy server?
  1. ক) To encrypt data
  2. খ) To act as an intermediary between a client and server
  3. গ) To distribute incoming network traffic across multiple servers
  4. ঘ) To manage resource allocation
ব্যাখ্যা
A proxy server acts as an intermediary between a client and server, routing requests from clients to the appropriate server and returning responses to the appropriate client. It helps in hiding the real IP address, caching data and in some cases improving security by implementing access controls.

Reference: University of Pennsylvania website
১৫৪.
What is the main composition of the Cloud Service?
  1. Software, Hardware, Infrastructure.
  2. Platform, Hardware, Infrastructure.
  3. Platform, Software, Infrastructure.
  4. None of these.
ব্যাখ্যা
Cloud Computing:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সিস্টেমের স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণ করা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাহক বা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সিস্টেম এবং স্টোরেজে অ্যাক্সেস প্রদান করা।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS),
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS),
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS).

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
 - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২)সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৫৫.
FDMA এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Frequency Division Multiple Access
  2. খ) Frequency Division Mode Access
  3. গ) Frequency Dimension Multiple Access
  4. ঘ) Frequent Division Multiple Access
ব্যাখ্যা

ফ্রিকোয়েন্সি-ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (FDMA) হল একটি চ্যানেল অ্যাক্সেস পদ্ধতি যা কিছু মাল্টিপল-অ্যাক্সেস প্রোটোকলগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
FDMA চ্যানেলের ব্যান্ডউইথকে পৃথক নন-ওভারল্যাপিং ফ্রিকোয়েন্সি সাব-চ্যানেলগুলিতে বিভক্ত করে এবং প্রতিটি সাব-চ্যানেলকে আলাদা ব্যবহারকারীর জন্য বরাদ্দ করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একটি একক যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমে ডেটা পাঠাতে দেয়, যেমন একটি কোঅক্সিয়াল কেবল বা মাইক্রোওয়েভ রশ্মি। এটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং টেলিফোন ট্রাঙ্কলাইনে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান

১৫৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?
  1. ডেটা নিরাপত্তা
  2. উচ্চ গতি
  3. কম খরচ
  4. সহজ অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

◉ ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হল ডেটা নিরাপত্তা। যেহেতু ক্লাউড পরিষেবাগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তাই ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য হ্যাকারদের জন্য ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে। ডেটা ব্রিচ, সাইবার আক্রমণ, অননুমোদিত অ্যাক্সেস, এবং তথ্য গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অন্যতম প্রধান সমস্যা।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। CSA (Cloud Security Alliance).

১৫৭.
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে কোনটি ভুল?
  1. ক) কোন নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয় না।
  2. খ) ব্যবহারকারী যে কোন রিসোর্স ভাগাভাগি করতে পারে।
  3. গ) কোন সার্ভারের প্রয়োজন হয় না। 
  4. ঘ) কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আছে।
ব্যাখ্যা
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থেকে তাদের নিজস্ব রিসোর্স শেয়ারিং করে, ফলে নির্দিষ্ট কোন সার্ভার থাকে না।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য-

- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক সেটআপ খুব সহজ।
- কোন নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয় না।
- ব্যবহারকারী যে কোন রিসোর্স ভাগাভাগি করতে পারে।
- কোন সার্ভারের প্রয়োজন হয় না। 
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব দুর্বল।
- কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই।
- একাধিক নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ দেওয়া অসুবিধা।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৫৮.
ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
  2. একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
  3. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় সঠিক উত্তর হবে- 'ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া'।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫৯.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. Internet of Things (IoT)
  2. Client-Server Systems
  3. Big Data Analytics
  4. Cloud Computing
ব্যাখ্যা
• Cloud Computing প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Flexibility
  2. On-Demand
  3. Pay as you go
  4. Limited scalability
ব্যাখ্যা
• "Limited scalability" - ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়।

Cloud Computing:
- এমন একটি ইন্টারনেট সেবা যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়।
- ‘Cloud’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। এখানে Cloud অর্থ হচ্ছে মেঘ। 

নিচের সেবাগুলো Cloud Computing ব্যবহারকারীরা ভোগ করে থাকে:
Resource Flexibility: 
- যত চাহিদা তত সার্ভিস দিতে সক্ষম।
- ছোট কিংবা বড় যেকোন ক্রেতার সব রকম চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে। 
- ক্রেতা তার সুবিধামত সেবা কমাতে বা বাড়াতে পারে।

On Demand: 
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস দিতে সক্ষম।
- ক্রেতা যখন সেবা চাইবে সার্ভিসদাতা তখনই সেবা দিতে পারবে।

Pay as you go: 
- এটি একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবল তার জন্যে পেমেন্ট করবে। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬১.
EC2 ইনস্ট্যান্স কী?
  1. AWS-এ ভার্চুয়াল সার্ভার
  2. ক্লাউডে ডেটাবেস
  3. স্টোরেজ বাকেট
  4. নেটওয়ার্কিং উপাদান
ব্যাখ্যা

• EC2 ইনস্ট্যান্স হলো AWS-এ একটি ভার্চুয়াল সার্ভার যা ব্যবহারকারীদের ক্লাউডে কম্পিউটিং রিসোর্স চালানোর সুযোগ দেয়। এটি ফিজিক্যাল সার্ভারের মতো কাজ করে, তবে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল এবং অন-ডিমান্ড ভিত্তিতে ব্যবহারযোগ্য। ব্যবহারকারীরা EC2 ইনস্ট্যান্সে তাদের অ্যাপ্লিকেশন, ওয়েব সার্ভার, ডেটা প্রসেসিং টুলস বা যেকোনো সফটওয়্যার চালাতে পারেন, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স যেমন CPU, RAM, এবং স্টোরেজ স্কেল করতে পারেন। EC2 ইনস্ট্যান্স ব্যবহারের মাধ্যমে ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনটেইন করার ঝামেলা কমে যায় এবং এটি সাশ্রয়ী ও অত্যন্ত নমনীয় সমাধান হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) AWS-এ ভার্চুয়াল সার্ভার।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।
- geeksforgeeks [link]

১৬২.
কোর, ক্ল্যাডিং ও জ্যাকেট দিয়ে নিম্মের কোনটি তৈরী করা হয়?
  1. ক) কো-এক্সিয়েল
  2. খ) অপটিক্যাল ফাইবার
  3. গ) টুইস্টেড পেয়ার
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা

ক্যাবল বা তার মাধ্যমের একটি আদর্শ এবং শক্তিশালী উদাহরণ হলো অপটিক্যাল ফাইবার কেবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল। অপটিক্যাল ফাইবার কেবল হলো অত্যন্ত সরু এক ধরনের কাচের তন্তু।
গঠন: ৩ টি স্তর থাকে। যথা:
১. কোর (Core)
২. ক্ল্যাডিং (Cladding)
৩. জ্যাকেট (Jacket)

১৬৩.
২০০৬ সালে AWS প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে পথপ্রদর্শক হওয়া কোম্পানি কোনটি?
  1. IBM
  2. Google
  3. Amazon
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),  
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS), এবং 
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)। 

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. পাবলিক ক্লাউড, 
২. প্রাইভেট ক্লাউড এবং 
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৬৪.
নিচের কোনটিতে ডেডিকেটেড সার্ভার নেই?
  1. ক) পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. খ) ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. গ) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট। এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে। ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৫.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয়?
  1. Google Cloud Platform
  2. Microsoft Azure
  3. Amazon Web Services (AWS)
  4. Linux Kernel
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটিং সার্ভিস যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস এবং সফটওয়্যার প্রদান করার একটি প্রযুক্তি। এর জন্য বিশেষ ধরনের কোম্পানি বা প্রোভাইডার রয়েছে যারা এই সার্ভিসগুলো অফার করে। Google Cloud Platform, Microsoft Azure এবং Amazon Web Services (AWS) এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই পরিচিত ক্লাউড প্রোভাইডার, যারা ব্যবহারকারীদের ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং এবং বিশ্লেষণাত্মক কার্যক্রম সম্পাদনের সুযোগ দেয়।
- অন্যদিকে, Linux Kernel একটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সফটওয়্যারকে সংযোগ স্থাপন করে, কিন্তু এটি কোনো ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করে না।
- তাই, ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয় Linux Kernel.

 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।
2) geeksforgeeks [link]

১৬৬.
একটি হাইব্রিড ক্লাউড পরিচালনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?
  1. বিভিন্ন ক্লাউড সিস্টেমকে সংযুক্ত ও নিরাপদ করা
  2. প্রসারণের সুযোগ কম থাকা
  3. ক্লাউড সার্ভিসে সীমাবদ্ধতা
  4. আইটি কর্মীদের দরকার হয় না
ব্যাখ্যা
• একটি হাইব্রিড ক্লাউড পরিচালনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বিভিন্ন ক্লাউড সিস্টেমকে সংযুক্ত ও নিরাপদ করা। হাইব্রিড ক্লাউডে পাবলিক এবং প্রাইভেট ক্লাউড উভয় ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এই দুই ধরনের প্ল্যাটফর্মের মধ্যে তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন বিনিময় করতে হয়। বিভিন্ন ক্লাউড পরিবেশ একসাথে কাজ করানো এবং তাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জটিল কাজ, কারণ প্রতিটি ক্লাউডের আলাদা নীতি, প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তার মাত্রা থাকে। তাই সঠিক ইন্টিগ্রেশন এবং ডেটা সুরক্ষার জন্য ব্যাপক মনোযোগ দিতে হয়, যা পরিচালনায় বড় বাধা সৃষ্টি করে। অন্য অপশনগুলো এই চ্যালেঞ্জের তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ বা ভুল।

• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।

• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে। 
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে। 
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী। 

• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। 
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে। 
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud। 

• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।
১৬৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর SaaS মডেলটির উদাহরণ হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. Aryaka
  2. অ্যামাজন EC2
  3. Google Apps
  4. Microsoft Azure
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন আইটি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারেন। 
- এটি ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে তথ্য সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা এবং ভার্চুয়াল কম্পিউটিং শক্তি প্রদান করে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- 
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS - Infrastructure as a Service): 
- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো (সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক) ভাড়া দেওয়া হয়। 
- ব্যবহারকারীরা নিজেরা অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। 
উদাহরণ: অ্যামাজনের EC2 (Elastic Compute Cloud), যা বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করে। 

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS - Platform as a Service): 
- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডাটাবেস ও ওয়েব সার্ভার ভাড়া দেওয়া হয়। 
- এটি মূলত অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য উপযোগী, কারণ এতে স্বল্প ব্যয়ে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সম্ভব। 
উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine. 

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS - Software as a Service): 
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ ব্যবহার করতে পারেন। 
- ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সার্ভার পরিচালনা বা সফটওয়্যার ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না। 
উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot. 

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS - Network as a Service): 
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব নেটওয়ার্ক স্থাপন না করেও ক্লাউডের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক পরিষেবা পেতে পারেন। 
- উদাহরণ: Aryaka ও Pertino, যারা WAN ও SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বাড়তি সুবিধাসমূহ: 
✅ স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা বাড়ানো বা কমানো যায়। 
✅ অন-ডিমান্ড পরিষেবা: যখন প্রয়োজন তখনই ব্যবহার করা যায়। 
✅ ব্যবহার অনুযায়ী খরচ: যতটুকু ব্যবহার ততটুকু মূল্য পরিশোধ করতে হয়। 
✅ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৬৮.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কোন ধরনের সেবা ব্যবহারকারীকে সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং সরঞ্জাম সরবরাহ করে?
  1. laaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬৯.
ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কোন সেবার জন্য পরিচিত?
  1. ভিডিও স্ট্রিমিং
  2. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা
  4. ওয়েব হোস্টিং
ব্যাখ্যা

• ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) এবং DDoS সুরক্ষার জন্য পরিচিত। এটি একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো কোম্পানি যা ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দ্রুততা, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ক্লাউডফ্লেয়ারের CDN ব্যবহারকারীর নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট সরবরাহ করে লোড সময় কমায়, আর DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ করে ওয়েবসাইটকে অফলাইনে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি SSL, ফায়ারওয়াল এবং অন্যান্য সাইবার নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। তাই মূলত ক্লাউডফ্লেয়ার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স উন্নত করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং বা সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: গ) কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা।

- সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী (অক্টোবর - নভেম্বর, ২০২৫) এ, AWS outage এবং Cloudflare outage জনিত সমস্যা দেখা যায়। 
- AWS outage → যে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট AWS (Amazon Web Services)-এ হোস্ট করা, সেগুলো সাময়িকভাবে কাজ না করে।
- Cloudflare outage → Cloudflare-এর মাধ্যমে যেসব সাইট চলে, অনেকগুলো একসাথে সমস্যা করে।

• Cloudflare এবং কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি (Content Delivery & Web Security):
- Cloudflare মূলত একটি CDN (Content Delivery Network) ও ওয়েব সিকিউরিটি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দ্রুত ডেলিভারি করে, সার্ভারের লোড কমায় এবং DDoS, বট এটাক ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Cloudflare বিভিন্ন সার্ভিস দেয় যেমন CDN, DNS সার্ভিস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল (WAF), SSL/TLS সাপোর্ট, এবং পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন।
- ফলে Cloudflare ওয়েব পারফরম্যান্স ও নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

উৎস:
- Cloudflare website.

১৭০.
SaaS-এ সফটওয়্যার কোথায় হোস্ট করা হয়?
  1. সিডি-রোমে
  2. ইউএসবি ড্রাইভে
  3. ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে
  4. ক্লাউড/সার্ভারে
ব্যাখ্যা

• SaaS (Software as a Service) হলো একটি মডেল যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে, সফটওয়্যারটি তাদের কম্পিউটার বা কোনো ফিজিক্যাল ডিভাইসে ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই। SaaS-এ সফটওয়্যার সাধারণত ক্লাউড বা সার্ভারে হোস্ট করা হয়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। এটি ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা সফটওয়্যার আপডেট, রক্ষণাবেক্ষণ বা ব্যাকআপ নিয়ে চিন্তিত হতে হয় না। সিডি-রোম, ইউএসবি ড্রাইভ বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সফটওয়্যার হোস্ট করার প্রয়োজন নেই, সব কিছুই ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে এবং সার্ভার থেকে সরাসরি ডেলিভারি করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ক্লাউড/সার্ভারে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭১.
Google drive কী?
  1. ক) রাস্তার ম্যাপ
  2. খ) ক্লাউড সেবা
  3. গ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. ঘ) গাড়ি চালানোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
Google Drive is a cloud storage service, and like any cloud storage service its main purpose is to expand your ability to store files beyond the limits of your hard drive.
১৭২.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে সার্ভার সাধারণত কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে সার্ভার সাধারণত একটি শক্তিশালী কম্পিউটার হয়, যা একাধিক ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে। মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাধারণত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারীকে পরিষেবা দিতে পারে, তাই এটি সার্ভারের জন্য উপযুক্ত।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
(ক) পার্সোনাল কম্পিউটার → পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) সাধারণত একক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি সার্ভার হিসেবে কার্যকরী নয়।
(খ) সুপার কম্পিউটার → সুপার কম্পিউটার সাধারণত জটিল গণনা, বিজ্ঞান গবেষণা, এবং সিমুলেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি সাধারণ সার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৩.
'অফিস টুলস' কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত
  1. অবকাঠামোগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়‍্যার সেবা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
 
• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):

- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় -চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়‍্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack, (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫), Google Docs ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৭৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ কোন মডেলে একাধিক সংস্থা একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. কমিউনিটি ক্লাউড
  3. ডিস্ট্রিবিউটেড ক্লাউড
  4. প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা
◉ কমিউনিটি ক্লাউড হলো এমন একটি ক্লাউড মডেল যেখানে একই রকম চাহিদা বা নিরাপত্তা নীতি থাকা একাধিক সংস্থা মিলে একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে। যেমন: ব্যাংকিং সেক্টরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলে একটি নিরাপদ ক্লাউড ব্যবহার করতে পারে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭৫.
Cloudflare প্রধানত কী জন্য সুপরিচিত?
  1. ক্রিপ্টোকরেন্সি এক্সচেঞ্জ
  2. অপারেটিং সিস্টেম ডিজাইন
  3. মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
  4. কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা

• Cloudflare প্রধানত কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি সেবার জন্য সুপরিচিত। এটি বিশ্বজুড়ে থাকা সার্ভার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে দ্রুত লোড হতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন সাইবার আক্রমণ, বিশেষত DDoS আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। Cloudflare-এর CDN প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট সরবরাহ করে, ফলে লেটেন্সি কমে এবং পারফরম্যান্স বাড়ে। পাশাপাশি Web Application Firewall (WAF), DNS ম্যানেজমেন্ট, SSL/TLS এনক্রিপশনসহ আরও নানা নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। এসব কারণে Cloudflare আধুনিক ইন্টারনেট অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি।

- সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী (অক্টোবর - নভেম্বর, ২০২৫) এ, AWS outage এবং Cloudflare outage জনিত সমস্যা দেখা যায়। 
- AWS outage → যে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট AWS (Amazon Web Services)-এ হোস্ট করা, সেগুলো সাময়িকভাবে কাজ না করে।
- Cloudflare outage → Cloudflare-এর মাধ্যমে যেসব সাইট চলে, অনেকগুলো একসাথে সমস্যা করে।

• Cloudflare এবং কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি (Content Delivery & Web Security):
- Cloudflare মূলত একটি CDN (Content Delivery Network) ও ওয়েব সিকিউরিটি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দ্রুত ডেলিভারি করে, সার্ভারের লোড কমায় এবং DDoS, বট এটাক ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Cloudflare বিভিন্ন সার্ভিস দেয় যেমন CDN, DNS সার্ভিস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল (WAF), SSL/TLS সাপোর্ট, এবং পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন।
- ফলে Cloudflare ওয়েব পারফরম্যান্স ও নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

অপশন আলোচনা:
• ক্রিপ্টোকরেন্সি এক্সচেঞ্জ (Cryptocurrency Exchange):
- ক্রিপ্টোকরেন্সি এক্সচেঞ্জ হলো সেই প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা বিটকয়েন, ইথেরিয়াম ইত্যাদি ক্রিপ্টো মুদ্রা কিনে-বিক্রি করে।
- এই ধরনের সেবা ট্রেডিং, ওয়ালেট ম্যানেজমেন্ট এবং লিকুইডিটি প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেম ডিজাইন (Operating System Design):
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) ডিজাইন হল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরির কাজ, যেমন ফাইল সিস্টেম, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট এবং ড্রাইভার ইত্যাদি।
- এটি সাধারণত মাইক্রোসফট, লিনাক্স কমিউনিটি বা অ্যাপল-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত।

• মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট (Mobile App Development):
- মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বলতে অ্যাপ ডিজাইন, কোডিং, টেস্টিং ও প্লে/অ্যাপ স্টোরে প্রকাশ অন্তর্ভুক্ত।
- অনেক কোম্পানি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে, কিন্তু Cloudflare প্রধানত অ্যাপ ডেভেলপার হিসেবে পরিচিত নয়।
- Cloudflare কিছু SDK ((Software Development Kit)) বা সার্ভিস দিতে পারে যা ডেভেলপারদের জন্য সুবিধাজনক, তবে এটি মোবাইল অ্যাপ নির্মাণ কোম্পানি নয়।
- সুতরাং, ওয়েব কনটেন্ট দ্রুত পরিবহন ও ওয়েব সিকিউরিটির জন্য Cloudflare সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

উৎস:
১। cloudflare. [link]
২। prothom-alo. [link]

১৭৬.
নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল স্টোরেজ রিসোর্সসমূহ ভাড়া দেওয়া কোন ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. সফটওয়্যার সেবা
  2. প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭৭.
Google Workspace মূলত কোন ধরণের ক্লাউড পরিষেবার অংশ?
  1. CaaS
  2. IaaS
  3. SaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা

• Google Workspace মূলত SaaS (Software as a Service) এর অংশ। এটি ব্যবহারকারীদের ওয়েব-ভিত্তিক সফটওয়্যার সরবরাহ করে, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়। ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সার্ভার বা হার্ডওয়্যার পরিচালনার প্রয়োজন নেই; তারা সরাসরি Google-এর সার্ভারে হোস্ট করা অ্যাপ্লিকেশন যেমন Gmail, Google Docs, Google Sheets এবং Google Drive ব্যবহার করতে পারে। SaaS মডেলে সফটওয়্যার এবং তার আপডেটগুলি ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে যেকোনো ডিভাইস থেকে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। এটি প্রতিষ্ঠানগুলিকে আইটি অবকাঠামো পরিচালনার ঝামেলা ছাড়া উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই Google Workspace স্পষ্টভাবে SaaS এর উদাহরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন।

৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Google Workspace.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

১৭৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "Scalability" দ্বারা কী বোঝানো হয়?
  1. ডেটা লুকানো
  2. ডেটার নিরাপত্তা বাড়ানো 
  3. ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত করা
  4. চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স পরিবর্তন 
ব্যাখ্যা

Scalability হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন: স্টোরেজ, প্রসেসিং পাওয়ার, নেটওয়ার্ক) বাড়াতে বা কমাতে পারে।
উদাহরণ: একটি ওয়েবসাইটে হঠাৎ বেশি ভিজিটর এলে ক্লাউড সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে CPU, RAM, বা Storage বাড়িয়ে দেয়। আবার ভিজিটর কমে গেলে রিসোর্সও কমে যায়। এটি খরচ কমায় এবং পারফরম্যান্স ঠিক রাখে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। CSA (Cloud Security Alliance).

১৭৯.
কোন ক্লাউড মডেলটি পাবলিক ও প্রাইভেট উভয় ক্লাউডকে একত্রিত করে?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. কোয়ান্টাম ক্লাউড
  3. ভার্চুয়াল ক্লাউড
  4. ক্লাসিকাল ক্লাউড
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) হাইব্রিড ক্লাউড।

- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যা পাবলিক এবং প্রাইভেট ক্লাউড উভয়কে সংযুক্ত করে। এটি সংস্থাগুলোকে তাদের সংবেদনশীল ডেটা প্রাইভেট ক্লাউডে রাখার সুবিধা দেয়, যেখানে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ বেশি থাকে, এবং একই সঙ্গে কম গুরুত্বপূর্ণ বা স্কেলযোগ্য ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন পাবলিক ক্লাউডে হোস্ট করতে দেয়, যা খরচ ও প্রসেসিং ক্ষমতা উন্নত করে। হাইব্রিড ক্লাউডের মূল সুবিধা হলো এটি সংস্থার প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সম্পদ সহজে বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়, এবং ব্যবসায়িক নমনীয়তা, নিরাপত্তা ও ব্যয় দক্ষতা নিশ্চিত করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮০.
ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. Resource Ownership
  2. On Demand
  3. Resource Scalability
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮১.
নিচের কোনটি হাইব্রিড ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এমাজন ওয়েব সার্ভিস
  2. খ) কমিউনিটি ক্লাউড
  3. গ) গুগল ক্লাউড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এজিউর
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ক্লাউড হচ্ছে  হাইব্রিড ক্লাউডের উদাহরণ। 

কমিউনিটি ক্লাউড মিশ্র ক্লাউড যা বিশেষ কোন কমিউনিটি জনগণের জন্য তৈরি করা হয়।

নির্দিষ্ট কোন কমিউনিটি বা ক্লাসের মানুষের জন্য যে ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিটি ক্লাউড বলে। পাবলিক ক্লাউডের মতো এখানেও একধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকে। কিন্তু পাবলিক ক্লাউডের সাথে কমিউনিটি ক্লাউডের সামান্য পার্থক্য আছে আর সেটা হলো পাবলিক ক্লাউড যেকোনো শ্রেণীর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে কিন্তু কমিউনিটি ক্লাউড শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্যই উন্মুক্ত থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১৮২.
In a Distributed Network, each workstation -
  1. Has no memory or storage
  2. Depends completely on the main server for processing
  3. Has its own memory, storage, and processing capability
  4. Cannot perform any local tasks
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Has its own memory, storage, and processing capability.

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা।
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৮৩.
ভার্চুয়াল মেশিন, নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল স্টোরেজ রিসোর্সসমূহ ভাড়া দেওয়া কোন ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. laaS
  2. PaaS
  3. BaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা:
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৮৪.
Which of the following technologies follows the 'Pay as You Go' service model?
  1. ক) Internet of Things (IoT)
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Client-Server Systems
  4. ঘ) Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
২) অন-ডিমান্ড
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১৮৫.
কোন ধরণের পেজগুলোতে সাধারণত Next, Previous, Last, First ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল
  2. খ) ওয়েব লিংকড
  3. গ) লিনিয়ার
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হোম পেজ, মূলধারা পেজ ও উপধারার পেজগুলো বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকতে পারে। ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উহার বিভিন্ন পেজগুলোকে নিম্নোক্ত চার ভাবে সাজানো যায়। যথা-

♦ ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical):
- হায়ারার্কিক্যাল ওয়েব সাইট কাঠামোতে ব্যবহারকারী হোম পেজে ল্যান্ড করে।
- হোম পেজে সাব মেনু ও অন্যান্য পেজের লিংক থাকে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা যায় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটররা সহজেই বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রয়েছে। এই পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন শাখাগুলোকে আলাদা আলাদাভাবে লিংক করা হয়ে থাকে।

♦ ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network):
- এখানে সবগুলো পেজেরই একে অপরের সাথে লিংক থাকে অর্থাৎ একটি মেইন পেজের সাথে যেভাবে অন্যান্য পেজের যেমন লিংক থাকে ঠিক তেমনি অন্যান্য পেজের সাথেও মেইন পেজের লিংক থাকে।
- ফ্রেম ব্যবহার করে তৈরি করা ওয়েবপেজগুলো এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লিংক করা হয়ে থাকে যাতে একটি ফ্রেমের মধ্যে অন্যান্য পেজের লিংকগুলি মেন্যু আকারে রাখা হয়। 

♦ সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear):
- যখন কোন একটি ওয়েবসাইটের পেজগুলো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে ভিজিট করার প্রয়োজন হয় তখন সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।
- কোন পেজের পর কোন পেজ আসবে তা ওয়েবটেকনোলজি ডিজাইন করার সময় ঠিক করা হয়ে থাকে। এই ধরণের পেজগুলোতে সাধারণত Next, Previous, Last, First ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়।

♦ হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination):  যখন একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় তখন তাকে Combination স্ট্রাকচার বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৬.
কোন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

• LAN (Local Area Network):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৭.
Which of the following is an example of web server?
  1. ক) Apache and IIS
  2. খ) Gmail and Apache
  3. গ) Chromium and Apache
  4. ঘ) IIS and MIS
ব্যাখ্যা
- Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে ওয়েব সার্ভার। 
- Apache হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার। 
- IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৮৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং চালু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. অ্যামাজন
  2. মাইক্রোসফট
  3. ইন্টেল
  4. ব্লু অরিজিন
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম চালু করে প্রতিষ্ঠান হলো অ্যামাজন। ২০০৬ সালে, অ্যামাজন তাদের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস” (AWS) চালু করে, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেজ, ও অন্যান্য কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া নিতে দেয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার কেনার ঝামেলা এড়িয়ে দ্রুত ও সাশ্রয়ী খরচে কম্পিউটিং ক্ষমতা লাভ করতে পারে। মাইক্রোসফট পরবর্তীতে তাদের Azure ক্লাউড সার্ভিস শুরু করলেও, প্রথম এই ধারণা ও প্রায়োগিক প্ল্যাটফর্মটি বাজারে নিয়ে আসে অ্যামাজন। তাই ক্লাউড কম্পিউটিং চালু করার মূল কৃতিত্ব অ্যামাজনের।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত কোন তথ্যটি মিথ্যা?
  1. অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে।
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়‍্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।
  3. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
  4. নিজস্ব কোন হার্ডওয়‍্যার এর প্রয়োজন হয় না।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা:
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
- যেকোনো স্থান হতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়‍্যার এর প্রয়োজন হয় না।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ছোট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়‍্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা:
- ক্লাউড ব্যবহারের মূল সমস্যা হলো ডেটা, তথ্য অথবা প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
- ক্লাউডে তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে এবং তথ্য পাল্টে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১৯০.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়।
  2. খ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  3. গ) ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত থাকে। 
  4. ঘ) সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা- 
১. যেকোন স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়। 
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম। 
৪. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা- 
১. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
২. ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত থাকে না। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৯১.
ড্রপবক্স মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব হোস্টিং
  2. গ্রাফিক ডিজাইন
  3. ক্লাউড স্টোরেজ
  4. ভিডিও সম্পাদনা
ব্যাখ্যা

​• ড্রপবক্স মূলত ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের ফাইল অনলাইনে সংরক্ষণ, ব্যাকআপ এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে সহজে শেয়ার করার সুবিধা দেয়। ব্যবহারকারী একটি ফাইল ড্রপবক্সে আপলোড করলে তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। এছাড়াও ড্রপবক্স দলীয় কাজকে সহজ করে, কারণ একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইল বা ফোল্ডারে পরিবর্তন আনতে পারে এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। তাই ড্রপবক্স মূলত ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য সংরক্ষণ ও শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ক্লাউড স্টোরেজ। 

• Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯২.
নিচের কোনটি প্রাইভেট ক্লাউড সেবার উদাহরণ নয়? 
  1. ক) HPE
  2. খ) Microsoft
  3. গ) Cisco
  4. ঘ) Amazon
ব্যাখ্যা
এমাজন ওয়েব সার্ভিসেস পাবলিক ক্লাউড সেবার উদাহরণ। অপরদিকে, HPE, Microsoft, Cisco প্রাইভেট ক্লাউড সেবার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।

পাবলিক ক্লাউড হলো এমন একধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেটা সকলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যে অর্থ প্রদান করবে সেই সেবা নিতে পারবে এমন ক্লাউড ব্যবস্থাকে মূলত পাবলিক ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।

একটি নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের একাধিক সেবা যখন একটি ক্লাউড ব্যবস্থা ব্যবহার করে পরিচালনা করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৯৩.
কোন সেবাটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. All of these
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS), প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
পাবলিক ক্লাঊড
প্রাইভেট ক্লাউড
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড

নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠান সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়াকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু ১৯৬০ এর দশক থেকেই। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
১৯৪.
গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত?
  1. Remote Sensing
  2. Cloud Computing
  3. Remote Invocation
  4. Private Computing
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।

- বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
১৯৫.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার
  2. খ) ওএস/২ সার্ভার
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) উইন্ডোজ সেভেন
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়। 

- আলাদা করে সার্ভার কম্পিউটার ছাড়াই যখন দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে সরাসরি পরস্পরের সাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তখন তাকে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক বলে।
যেমনঃ ব্লুটুথে ফাইল আদান প্রদানের সময় গঠিত নেটওয়ার্ক। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সুবিধা- 
১. পি২পি নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং কনফিগারেশন সহজ।
২. এই নেটওয়ার্কে কোনো নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয়না।
৩. এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি ইউজার তার কম্পিউটার এডমিনিস্ট্রেট করে থাকেন এবং এতে কোনো ডেডিকেটেড এডমিনিস্ট্রেটর এর প্রয়োজন হয়না।
৪. এতে কোনো সার্ভারের প্রয়োজন নেই কারণ কম্পিউটার গুলো সার্ভার ছাড়াই নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। ফলে শুধুমাত্র যাকে ডাটা পাঠানো হচ্ছে সে ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পায়না।
৫. নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবলের প্রয়োজন হয়না। ব্যবহারকারি নিজেই সবকিছু ম্যানেজ করতে পারে।
৬. নেটওয়ার্ক সেট আপ করা অত্যন্ত সহজ।
৭. এই নেটওয়ার্ক স্থাপনে খরচ অত্যন্ত কম।
৮. এই ধরনের নেটওয়ার্কে সার্ভার না থাকায় কোন ডিভাইস ডাউন হয়ে গেলেও নেটওয়ার্ক সচল থাকে। কিন্তু যেসব নেটওয়ার্কে সার্ভার থাকে (যেমনঃ ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক) সেখানে সার্ভার ডাউন হলে পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাই অচল হয়ে যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১৯৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে
  2. বেশি খরচের হার্ডওয়্যার দরকার
  3. কেবলমাত্র স্থানীয় সার্ভারেই চলে
  4. ইন্টারনেট নির্ভরতা হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সুবিধা হলো এটি অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে। এর মানে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় কম্পিউটিং ক্ষমতা, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। এতে ব্যবহারকারীদের বড় ধরনের হার্ডওয়্যার কিনতে হয় না এবং স্থানীয় সার্ভারে নির্ভর থাকার প্রয়োজন কমে। এছাড়া, ক্লাউড ভিত্তিক পরিষেবা যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য, ফলে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত কাজে নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হয়, এবং স্কেলিং বা রিসোর্স বাড়ানো সহজ হয়। তাই অন-ডিমান্ড রিসোর্স সরবরাহ করা প্রধান সুবিধা।

উত্তর: ক) অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং: 

- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে।
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
 
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৭.
Which network allows workstations to use their own memory, storage, and processing power for local tasks?
  1. Centralized Network
  2. Distributed Network
  3. Wireless Network
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Distributed Network

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১৯৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং এ HaaS-এর উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যবহারকারীদের প্রসেসিং ক্ষমতা এবং ডেটা স্টোরেজ দেওয়া
  2. ব্যবহারকারীদের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট টুল দেওয়া
  3. ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  4. ব্যবহারকারীদের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুবিধা দেওয়া
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) ব্যবহারকারীদের প্রসেসিং ক্ষমতা এবং ডেটা স্টোরেজ দেওয়া।

ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing):
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সার্ভিস সরবরাহের পদ্ধতি। 

যেমন:
SaaS (Software as a Service) – সফটওয়্যার সেবা:
ব্যবহারকারীদের বাইরে সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করা হয়। এটি ব্যবসায়িক বা সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য হতে পারে।

HaaS (Hardware as a Service) – হার্ডওয়্যার সেবা:
ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার প্রসেসিং এবং ডেটা সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়া হয়। ব্যবহারকারী তাদের নিজের অ্যাপ্লিকেশন চালাতে এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

PaaS (Platform as a Service) – প্ল্যাটফর্ম সেবা:
সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য রিমোট কম্পিউটিং ক্যাপাসিটি এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট টুল সরবরাহ করা হয়।

সোর্সঃ ব্রিটানিকা। 

১৯৯.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেল নয়?
  1. DaaS (Database as a Service)
  2. PaaS (Platform as a Service)
  3. SaaS (Software as a Service)
  4. IaaS (Infrastructure as a Service)
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) IaaS (Infrastructure as a Service).
 
ক্লাউড কম্পিউটিং সাধারণত বিভিন্ন সার্ভিস মডেলের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service)। IaaS ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে। PaaS ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালানোর জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, যেখানে হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয় না। SaaS হলো সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন অনলাইনে ব্যবহার করার সুবিধা। তবে DaaS (Database as a Service) মূল তিনটি সার্ভিস মডেলের অংশ নয়; এটি একটি বিশেষায়িত ডাটাবেস-ভিত্তিক সেবা, যা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল ধারার মধ্যে গণ্য করা হয় না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ক) DaaS.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

২০০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রয়োগ মডেল নয়?
  1. পাবলিক ক্লাঊড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. সিকিউরিটি ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া। 
- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্টান্ডার্ডস এন্ড টেকনোলজির (NIST) সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার ক্লাউড কম্পিউটিংকে নিম্নরুপে সংজ্ঞায়িত করেছে:
"ক্লাউড কম্পিউটিং হল সর্বব্যাপী, সুবিধাজনক, চাহিদা অনুযায়ী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য, সহজে পরিবর্তনীয় অংশীদারি (shared) কম্পিউটার রিসোর্সের (যেমন নেটওয়ার্ক, সার্ভার, স্টোরেজ, এপ্লিকেশন ও ডিজিটাল পরিষেবা) সামস্টিক মডেল যা পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম প্রচেষ্টায় দ্রুততম সময়ে প্রস্তুত ও ব্যবহার করা সম্ভব।"

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য:
- NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা: 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:  এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং প্রয়োগ মডেল (Deployment Models): 
১. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামো সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত। এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি প্রতিষ্ঠান অথবা এই তিন ধরণের সংস্থার যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে। এটি ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারীর নিজস্ব স্থাপনায় থাকে।

২. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামো একটি সংস্থার বিভিন্ন গ্রাহকদের (উদাঃ ব্যবসায়িক - ইউনিটসমূহ) একচেটিয়া ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। এটি উক্ত সংস্থা বা তৃতীয় পক্ষ অথবা দুইয়ের যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে এবং একই স্থাপনায় অথবা দূরবর্তী স্থানে থাকতে পারে।

৩. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামোটি সংস্থার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট (উদাঃ লক্ষ্য, সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা, নীতিমালা, এবং এর পরিপালন বিবেচনায়) একটি নির্দিষ্ট ভোক্তাগোষ্ঠীকে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়। এটি গোষ্ঠীভুক্ত এক বা একাধিক সংস্থা, তৃতীয় পক্ষ বা এর যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে এবং একই স্থাপনায় অথবা দূরবর্তী স্থানে থাকতে পারে।

৪. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud) – তথ্য ও এপ্লিকেশন বিভিন্ন প্লাটফর্মে সঠিকভাবে পরিচালনার নিমিত্তে মানদণ্ড বা বানিজ্যিক প্রযুক্তি দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র ক্লাউড অবকাঠামোর (পাব্লিক, প্রাইভেট অথবা কমিউনিটি) সমন্বয়ে এই ক্লাউড অবকাঠামো গঠিত (যেমন, ভিন্ন ক্লাউডের মধ্যে কার্যভারের ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যবহৃত ক্লাউড বাস্টিং (Bursting))।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ক্লাউড কম্পিউটিং নীতিমালা, ২০২০ - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। [লিংক]