বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

মোট প্রশ্ন২৩৬এই পাতা৩৫প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

PrepBank · পাতা / · ২০১২৩৫ / ২৩৬

২০১.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- মুদ্রানীতি হলো মুদ্রার প্রক্ষেপণ যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য।
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে ১ বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতো।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
২০২.
আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১০তম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১৩তম
সঠিক উত্তর:
১২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
-  বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি। 

উল্লেখ্য,
- আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের ১২তম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২০৩.
বাংলাদেশে কোন ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক 
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  4. আইএফআইসি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক:
- বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
- ১৯০৫ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি রয়্যাল চার্টার ১৮৫৩-এর অধীনে নিবন্ধিত একটি ব্রিটিশ ব্যাংক এবং এর প্রধান কার্যালয় লন্ডনে অবস্থিত।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ১৯৪৮ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে ব্যাংকটির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি ২০০০ সালের এপ্রিল মাসে এএনজেড গ্রুপ-এর নিকট থেকে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের বিশ্বব্যাপী সমুদয় ব্যাংক ব্যবসায় ক্রয় করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক পিএলসি হিসেবে এর পুনঃনামকরণ করে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে।
- ওই সময়ে তৎকালীন ‘বণিক বাংলাদেশ’ (বর্তমানে লংকাবাংলা) ও ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্রেডিট কার্ড চালু করে।

উৎস: i) স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২০৪.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা -
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. আইএফসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা- বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ  এইড গ্রুপ।
-  বাংলাদেশ এইড গ্রুপ প্রতিষ্ঠাতা লাভ করে- ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম বৈঠক হয়- ২৯ অক্টোবর ১৯৭৪ ফ্রান্সের প্যারিসে।
- তৎকালীন এইড গ্রুপের সদস্য ছিল ১৬টি দেশ এবং ৪টি দাতা সংস্থা।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ-  আইডিএ।
- দেশ হিসেবে বৈদেশিক শীর্ষ দেশ - জাপান।
- বাংলাদেশের ঋণদাতার শীর্ষ দেশ- জাপান।

উৎস:  ইআরডি ওয়েবসাইট।
২০৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে কয়টি নতুন বিভাগ চালু করেছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

সম্প্রতি,
বিভিন্ন কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার লক্ষ্যে নতুন চারটি বিভাগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন চালু হওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৯,
- পরিদর্শন পরিপালন বিভাগ,
- মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ এবং
- ইসলামী ব্যাংকিং রেগুলেশন্স অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট।

- নতুন এই বিভাগগুলো যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভাগ সংখ্যা ৬১ থেকে বেড়ে ৬৫-এ দাঁড়িয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
২০৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বিশ্ব ব্যাংক
  4. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৭.
নিম্নের বাংলাদেশের কোন ব্যাংকটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত?
  1. সোনালী ব্যাংক 
  2. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক 
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

২০৮.
গ্রামীণ ব্যাংকের নতুন (সেপ্টেম্বর,২০২৪) চেয়ারম্যান কে?
  1. এ কে এম সাইফুল মজিদ
  2. আবদুল হান্নান চৌধুরী
  3. অধ্যাপক রেহমান সোবহান
  4. ড. মোহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
আবদুল হান্নান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল হান্নান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরীকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

সূত্র- গ্রামীণ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
২০৯.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন নিচের কোন সংগঠনের স্পনসর (Sponsor) শেয়ারহোল্ডার?
  1. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
  2. ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসি
  3. আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি
  4. ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড
  5. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং লিজিং কোম্পানি, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, আরামিট লিমিটেড, জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো প্রতিষ্ঠানসমূহের স্পন্সর শেয়ার হোল্ডার।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২১০.
SLR এর পূর্ণরূপ -
  1. Security Liquidity Ratio
  2. Solitude Liquidity Ratio
  3. Solitary Liquidity Ratio
  4. Statutory Liquidity Ratio
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
ব্যাখ্যা
SLR:
- SLR এর পূর্ণরূপ: Statutory Liquidity Ratio.
- সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) আমানতের ন্যূনতম শতাংশকে বোঝায় যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ভল্টে সোনার সম্পদ, নগদ বা সরকার- অনুমোদিত সিকিউরিটি হিসাবে বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়।
- এই আমানতগুলি ব্যাংকগুলিকে নিজেরাই বজায় রাখতে হবে এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে নয়।
- এই অনুপাত বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকের অর্থনীতিতে অর্থ ইনজেক্ট করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- এসএলআর RBI দ্বারা নির্ধারিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- CRR (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) এবং SLR হল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতির প্রথাগত হাতিয়ার যাতে অর্থনীতিতে ঋণ বৃদ্ধি, তারল্য প্রবাহ এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- SLR ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, 1949 এর ধারা 24 (2A) দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল।

উৎস: ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, Business Standard.
২১১.
Chittagong Stock Exchange was inaugurated in -
  1. 1995
  2. 1996
  3. 1997
  4. 1998
সঠিক উত্তর:
1995
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1995
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:

- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
২১২.
বাংলাদেশে কয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে  রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ টি । এটি হচ্ছে জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

বাংলাদেশে বীমা প্রতিষ্ঠান
বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত  বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন । 
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
এছাড়াও, বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি ও ৩৫ টি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে।  

বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে  Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয় । 

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন  ওয়েবসাইট ।
২১৩.
BIDS- এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Institute of Development Society
  2. Bangladesh Investment of Development Society
  3. Bangladesh Investment of Development studies
  4. Bangladesh Institute of Development Studies
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Institute of Development Studies
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Institute of Development Studies
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( BIDS):
- এর পূর্ণ রূপ: Bangladesh Institute of Development Studies.
- এটি ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকনোমিক্স (পাইডি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের উন্নয়ন গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। 
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
-  প্রতিষ্ঠানটি "বাংলাদেশ উন্নয়ন সমীক্ষা" নামে একটি ত্রৈমাসিক জার্নাল প্রকাশ করে।

এছাড়াও
- বিআইডিএসের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো:
• উন্নয়ন অর্থনীতি,
• জনসংখ্যাতত্ত্ব এবং,
• অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২১৪.
নিম্নলিখিত কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- এটি একটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:

- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

২১৫.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারিকৃত (privatized) বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. Uttara Bank PLC
  2. Dutch-Bangla Bank PLC
  3. Mutual Trust Bank PLC
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Uttara Bank PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uttara Bank PLC
ব্যাখ্যা
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি (Uttara Bank PLC):
- উত্তরা ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারিকৃত (privatized) বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ব্যাংকটি প্রথম বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুন ব্যাংকটি বেসরকারিকৃত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সালের ২৮ জানুয়ারি বিখ্যাত বাঙালি ব্যবসায়ীর উদ্যোগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুবিধার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং "ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন" নামে চারটি শাখা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় এই ব্যাংকটি পূর্ব বাংলার কোষাগারের দায়িত্ব পালন করে।
- স্বাধীনতার পর ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশনকে জাতীয়করণ করা হয় এবং "উত্তরা ব্যাংক" নামকরণ করা হয় এবং ২৬ মার্চ ১৯৭২ থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের জুনে বেসরকারিকরণের পর এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" নাম ধারণ করে।
- ৩ জুলাই, ২০২৩ থেকে এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" এর পরিবর্তে "উত্তরা ব্যাংক পিএলসি" নামে তার নতুন যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে ব্যাংকটির ২৪৯টি শাখা এবং ৪৭টি উপশাখা রয়েছে।
- চেয়ারম্যান: জনাব আজহারুল ইসলাম।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক (private bank) এবি ব্যাংক পিএলসি।

উৎস: UTTARA BANK PLC ওয়েবসাইট।
২১৬.
বাংলাদেশে 'ব্যাংকাস্যুরেন্স' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ২০২৪
  2. ১ এপ্রিল, ২০২৪
  3. ১ জুলাই, ২০২৪
  4. ১ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৪
ব্যাখ্যা
ব্যাংকাস্যুরেন্স:
- কোনো বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে ব্যাংক যদি তার গ্রাহকদের কাছে ওই বিমা কোম্পানির পণ্য তথা সেবা বিক্রি করে, সেটাই হল ব্যাংকাস্যুরেন্স।
- ১৯৮০ সালের দিকে ফ্রান্স ও স্পেনে প্রথম এটি চালু হয়।
- ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে এখন ব্যাংকের মাধ্যমে জীবনবিমা পলিসি বিক্রি হয়।
- বাংলাদেশে 'ব্যাংকাস্যুরেন্স' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ১ মার্চ, ২০২৪।
- ব্যাংকাস্যুরেন্স নামের এই বিমা পণ্য বিক্রির বিপরীতে ব্যাংক নির্ধারিত হারে বিমা কোম্পানির কাছ থেকে কমিশন পাবে।
- সেবাটি তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যাংকাস্যুরেন্স নামে আলাদা শাখা খোলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন।[Link]
২১৭.
ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৫ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- সেই নীতিমালা অনুযায়ী ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ছিল ১২৫ কোটি টাকা।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স (অনুমোদন) দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
- এ জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
- তবে প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো।

২১৮.
গ্রামীণ ব্যাংক কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান অন্তর্বর্তি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
২১৯.
সম্প্রতি একীভূত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৫ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫০ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৪০ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর আওতায় নজিরবিহীন এই একীভূতকরণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক মনোনীত সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির কার্যক্রম তদারকি করছে। 
- পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান: জনাব মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

উৎস: i) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। 
ii) প্রথম আলো।

২২০.
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
  2. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯২
  3. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৩
  4. ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।

ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে তফসিলি ব্যাংক বলা হয়।
- আইনের ধারাগুলি ব্যাংকিং কোম্পানিগুলির কার্যক্রম দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২২১.
বর্তমানে দেশে কতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

২২২.
দেশের 'Monetary policy' প্রদান করে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদান করে Monetary policy বা আর্থিক নীতি।

⇔ আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
২২৩.
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার তদারকির দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. ICB
  2. DSE
  3. BB
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
BSEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSEC
ব্যাখ্যা

• BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission):
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। এগুলো হলোঃ
১) DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং
২) CSE (Chittagong Stock Exchange)।

তথ্যসূত্র: BSEC এর ওয়েবসাইট।

২২৪.
বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংক -
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে.।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।

- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২২৫.
বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক 
  2. জনতা ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক 
  4. ব্র্যাক ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

- বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়  বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ব্রাক ব্যাংক বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [অক্টোবর, ২০২৫]

• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক মোট: ৬টি (SOCBs):
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি,
- জনতা ব্যাংক পিএলসি ,
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি,
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি,
- বেসিক ব্যাংক পিএলসি,
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) পিএলসি,

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- ব্রাক ব্যাংক 
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২২৬.
বর্তমানে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০০ কোটি টাকা
  2. ১৫০ কোটি টাকা
  3. ২৫০ কোটি টাকা
  4. ৩০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ব্যাংক:
- ডিজিটাল ব্যাংক হবে ইন্টারনেট ও অ্যাপ-নির্ভর সেবা যা যন্ত্রের মাধ্যমে নিতে হবে।
- এই ব্যাংকের স্থাপনা থেকে কোনো সেবা নেওয়া যাবে না।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে।
- নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা।
- এটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শুধু প্রধান কার্যালয় থাকবে। তবে সেবা প্রদানের জন্য কোনো কার্যালয় থাকবে না। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা বুথ বসিয়ে সেবা দেবে না। ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই দেওয়া হবে অ্যাপস, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে।

⇒ ডিজিটাল ব্যাংকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে এই ব্যাংক ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য চালু করতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে এবং বড় ও মাঝারি শিল্পে কোনো ঋণ দিতে পারবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এগুলো হলো: ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

উৎস: প্রথম আলো।

২২৭.
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB) কোন দেশের শেয়ার সবচেয়ে বেশি?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• AIIB:
- AIIB বেইজিং, চীনে অবস্থানরত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- AIIB এর পূর্ণরূপ হলো- Asian Infrastructure Investment Bank.
- এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- ২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
- AIIB সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগও উৎসাহিত করে;
-  ‘পরিষ্কার ও সবুজ’ নীতির মাধ্যমে জলবায়ু-বান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ করে।
- বর্তমানে ১১৪টি দেশ এর সদস্য, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।
- এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)-এ চীন সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার, যার শেয়ার প্রায় ২৬.৫২%–২৭% এর মধ্যে
- ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার, যার শেয়ার প্রায় ৭.৫৭%।
- বাংলাদেশের শেয়ার ০.৬৭%।

উৎস: Asian Infrastructure Investment Bank Official Website.

২২৮.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার বিলুপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. উত্তরা ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২২৯.
নিম্নলিখিত কোন ব্যাংকটি দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক থেকে পুনর্গঠিত হয়েছিল?
  1. Sonali Bank PLC
  2. Janata Bank PLC
  3. Rupali Bank PLC
  4. Jamuna Bank PLC
সঠিক উত্তর:
Rupali Bank PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rupali Bank PLC
ব্যাখ্যা

Rupali Bank PLC:
- বাংলাদেশ ব্যাংক (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের পিও নং ২৬) এর অধীনে ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে পরিচালিত ৩টি পূর্বতন বাণিজ্যিক ব্যাংক যথা: মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, অস্ট্রেলিয়া ব্যাংক লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের একীভূতকরণের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংক গঠিত হয়।
- রূপালী ব্যাংক ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ পর্যন্ত একটি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ সালে দেশের বৃহত্তম পাবলিক লিমিটেড ব্যাংকিং কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা পাকিস্তান হতে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ১,১৩০টি শাখা নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার বিদেশি ব্যাংক ব্যতীত বাংলাদেশে কার্যরত সকল পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ অধিগ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৭২ সালের ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ২টি ব্যাংকসহ অধিকৃত ১০টি পাকিস্তানি ব্যাংকের সমন্বয়/একত্রীকরণের মাধ্যমে ৬টি স্বতন্ত্র ব্যাংক গঠন করে। সেগুলিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- নতুন নামকরণকৃত ও পুনর্গঠিত ব্যাংকগুলি হচ্ছে: সোনালী ব্যাংক (দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর, দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক), অগ্রণী ব্যাংক (হাবিব ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক), জনতা ব্যাংক (দ্য ইউনাইটেড ব্যাংক, দ্য ইউনিয়ন ব্যাংক), রূপালী ব্যাংক (দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক, দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক), পূবালী ব্যাংক (দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক, দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক) এবং উত্তরা ব্যাংক (দ্য ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন)।

উৎস: i) Rupali Bank PLC.
ii) বাংলাপিডিয়া।

২৩০.
গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- এটি বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে গ্রামীণ ব্যাংক।
- ব্যাংক হিসেবে চালু হয় ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৩১.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৩২.
নিচের কোনটি অ-তফসিলি ব্যাংক নয়?
  1. গ্রামীণ ব্যাংক
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

২। অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

⇒ বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
১. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. গ্রামীণ ব্যাংক,
৪. জুবিলি ব্যাংক,
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২৩৩.
নিচের কোনটি অ-তফসিলী ভুক্ত ব্যাংক?
  1. প্রাইম ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
- তফসিলী ভুক্ত বেসরকারি ব্যাংক- প্রাইম ব্যাংক।
- বিশেষায়িত ব্যাংক - রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক - অগ্রণী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৩৪.
মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে -
  1. কর্মসংস্থান
  2. জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি
  3. দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা
  4. সুদের হার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
ব্যাখ্যা
আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
২৩৫.
বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ 
সঠিক উত্তর:
৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ 
ব্যাখ্যা

⇔ বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বনাম ছিল : State Bank of Pakistan.
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর স্থপতি হচ্ছে শফিউল কাদের।
- এই ব্যাংক এর ১ম গভর্নর ছিল- A.N Hamidullah.
- গভর্নরের মেয়াদ হচ্ছে ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর বর্তমান শাখা ১০টি।
- সর্বশেষ শাখা ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: Bangladesh Bank Official Website.