বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

মোট প্রশ্ন২৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ২৩৬

১০১.
বর্তমানে তফসিল বহির্ভূত ব্যাংক সংখ্যা কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১০২.
Sadharan Bima Corporation is entitled to _____of public sector insurance business in Bangladesh. 
  1. 20%
  2. 30%
  3. 40%
  4. 50%
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
50%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি সম্পত্তি বা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোন ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করে এর ৫০% নিজের মধ্যে রেখে অবশিষ্ট ৫০% সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করে দেয়।
- উল্লেখ্য, এই আইনের ধারা ১৬(৩) অনুযায়ী ধারা ১৬(১) এর বিধান লঙ্ঘন করে গৃহীত বা ইস্যুকৃত যে কোন বীমা বাতিল বলে গণ্য হবে।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির অনুকূলে শুধু সাধারণ বীমা কর্পোরেশন থেকে সকল ধরনের বীমা পলিসি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে।
- বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির বীমাকরণ সম্পর্কিত বিধান নিম্নরূপঃ ধারা ১৬। সরকারি সম্পত্তি বীমাকরণঃ-
(১) কোনো সরকারি সম্পত্তি অথবা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (শতকরা একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করিয়া উহার ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) নিজের নিকট রাখিয়া অবশিষ্ট ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করিবে।

⇒ পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, ঐ আইন এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১০৩.
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৮
  4. ২০০১
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

কর্মসংস্থান ব্যাংক:
সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে — ১৯৯৮ সনে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
-  ২০২২-২৩ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২৩৫৮.৯৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।
- দেশের বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছে এই ব্যাংকটি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট,বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক রেট -
  1. ৩.৫%
  2. ৪%
  3. ৪.৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১০৫.
কোনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ?
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. সঞ্চয় স্থানান্তর
  3. ঋণ প্রদান
  4. আমানত গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
ঋণ নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম। সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক:
- ব্যাংক প্রধাণত দুই ধরনের। যথা: তফসিলভুক্ত এবং অ-তফসিলভুক্ত।
- দেশে সর্বমোট ব্যাংক আছে ৬৬টি, যার মধ্যে ৬১টি তফসিলভুক্ত এবং ৫টি  অ-তফসিলভুক্ত।

• তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি:
 -তফসিলভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আবার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি:
১. সোনালী ব্যাংক।
২. জনতা ব্যাংক।     
৩. অগ্রণী ব্যাংক।        
৪. রূপালী ব্যাংক।
৫. বেসিক ব্যাংক।     
৬. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪৩টি।
যেমন: পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি।

বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৯টি।
যেমন: এইচএসবিসি, উরি ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন ইত্যাদি।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

• অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৫টি:
১. জুবিলী ব্যাংক।
২. গ্রামীণ ব্যাংক।
৩. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
৪. কর্মসংস্থান ব্যাংক।
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১০৭.
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) কোন সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
সঠিক উত্তর:
২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB): 
-
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাইতে অবস্থিত।
- এটি BRICS সদস্য দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ তে;
- কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১৫ এ

উল্লেখ্য,
• NDB-এর মূল ভূমিকা:
• উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মূলধন জোগাড় করা
• উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বৃদ্ধি করা।
• অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলোর পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ESG) প্রভাব মূল্যায়ন করে ঝুঁকি হ্রাস করা।
• ঋণ, গ্যারান্টি ও ইক্যুইটির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রকল্পে সহায়তা প্রদান।

উৎস: Britannica ও NDB Website.

১০৮.
‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১০৯.
BIA কী?
  1. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
  4. আন্তর্জাতিক তথ্য ‍নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Insurance Academy (BIA):
-  ১৯৭৩ সালে ২৯ নভেম্বর একটি স্বায়ত্ব-শাসিত বীমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা  হয়।
-  ১৯৭৩ সালে একাডেমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বীমা খাত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ন্যস্ত হয় এবং একাডেমি অর্থ মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
- একাডেমি কর্তৃক প্রতি বছর ঢাকাসহ সারা দেশে ২৮/৩০ টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
- একই সাথে একাডেমি বীমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম-সাময়িক বিষয়ের উপর প্রতি বছর ৩/৪টি  সেমিনার / ওয়ার্কশপ আয়োজন করে থাকে।

উৎস: Bangladesh Insurance Academy (BIA).
১১০.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
- বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক পূবালী ব্যাংক।
- যেটি ১৯৫৯ সালে “ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড” নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালে এটি পূবালী ব্যাংক নামে সরকারিকরণ করা হয় এবং পুনরায় ১৯৮৩ সালে এটি বেসরকারিকরণ করা হয়।
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর ১১ক(ক) ধারার বিধান অনুসারে ৯ অক্টোবর থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলোর তালিকায় ‘পূবালী ব্যাংক লিমিটেড’র নাম পরিবর্তন করে ‘পূবালী ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এ সন্নিবেশিত ১১ক (ক) ধারার বিধান অনুসারে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সীমিতদায় পাবলিক ব্যাংক-কোম্পানির নামের শেষে ‘পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি’ বা পিএলসি শব্দটি যোগ করার বিধান রয়েছে।
 
উৎস:- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট (লিংক) ।
১১১.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Financial Services
  2. Mutual Fund Service
  3. Mobile File System
  4. Mobile Fund Services
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
ব্যাখ্যা
MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- Mobile Financial Services হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা।
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১১২.
BFIU-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Bank Financial Intelligence Unit
  2. Bangladesh Financial Intelligence Unit
  3. Bank Financial Intelligence Unit
  4. Banking & Financial Intelligence Unit
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
ব্যাখ্যা
BFIU:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ।
- BFIU- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Financial Intelligence Unit।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত হয়।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা, বিদেশে অর্থ পাচার এবং মানিলন্ডারিং তৎপরতা প্রতিরোধ ও দমনের কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে ২৭ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসভিত্তিক ৭টি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠন করে এবং এপ্রিল ২০০২ এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জারি করে।
- উক্ত আইনে বর্ণিত দায়িত্ব পালনের জন্য ১৮ জুন ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ' নামে একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে, যা ২০১২ সালে পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নাম ধারণ করে।

⇒ উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হলো সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর), নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) এবং রিপোর্টিং এজেন্সি এবং থেকে প্রাপ্ত মানি লন্ডারিং (এমএল) / সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন (টিএফ) সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য দায়ী অন্যান্য উত্স এবং প্রাসঙ্গিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তথ্য/গোয়েন্দা তথ্য প্রচার করা।
- বিএফআইইউ-এর মূল উদ্দেশ্য হল অর্থ পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

⇒ নির্বাহী পরিচালক ও উপ-প্রধান: একেএম এহসান,
- পরিচালক: মোহাম্মদ আনিসুর রহমান,
- পরিচালক: মোঃ মোস্তাকুর রহমান।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BFIU ওয়েবসাইট।
১১৩.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক
  5. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- সোনালী ব্যাংক।
- জনতা ব্যাংক।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১৪.
আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড কী?
  1. BDT
  2. BTBT
  3. BDTK
  4. BTK
সঠিক উত্তর:
BDT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BDT
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড- BDT।

এছাড়াও,
অস্ট্রেলিয়ার টাকার কোড- AUD.
অস্ট্রিয়া টাকার কোড- EUR
বাহরাইন টাকার কোড- BHD
ব্রাজিলের টাকার কোড- BRL

উৎস: International Bank Account Number validation লিংক।

১১৫.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে? 
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সমবায় ব্যাংক
  4. ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১৬.
In which year the Grameen Bank project started as a pilot in Bangladesh? 
  1. 1975
  2. 1976
  3. 1983
  4. 1985
সঠিক উত্তর:
1976
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1976
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি মুদ্রাক্ষয়ী প্রণোদনাবাহী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের তৈরি প্রথম মাইক্রোক্রেডিট (microcredit) প্রতিষ্ঠান।
- ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ছোট ছোট দলে সংগঠিত করে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার ‘জোবরা’ গ্রামে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে কাজ করে।
- বিশ্বের এককভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের জন্য ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১১৭.
AIIB কোন দেশগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করে?
  1. ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর
  2. এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
  3. আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর
  4. ব্রিকস ভুক্ত দেশগুলোর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
ব্যাখ্যা

• AIIB:
- AIIB-এর পূর্ণরূপ: Asian Infrastructure Investment Bank বা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা।
- এই ব্যাংকটি চীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং চীন AIIB-এর প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- এই ব্যাংকটি জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেইজিং, চীন-এ অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য দেশ ছিল ৫৭টি, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১১০টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: AIIB ওয়েবসাইট।

১১৮.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

নিকাশ ঘর:

- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি একটি অ-তফসিল ভুক্ত ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না


অন্যদিকে,
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬১ টি।
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১২০.
বিমসটেক -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. থিম্পু
  3. কাঠমান্ডু
  4. কলম্বো
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বিমসটেক (BIMSTEC):
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।[ডিসেম্বর,২০২৫]
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- BIMSTEC দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে।
- এটি একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা উভয় অঞ্চলের দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে,
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং একীকরণের লক্ষ্যে।


উল্লেখ্য,
- Myanmar যোগ হওয়ার পর (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭) সংগঠনটি BIMST-EC (Bangladesh, India, Myanmar, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ৬ষ্ঠ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে (জুলাই ২০০৪, থাইল্যান্ড) Bhutan ও Nepal যোগ হওয়ার পর, ৩১ জুলাই ২০০৪-এ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে (Bangkok) সংস্থার চূড়ান্ত নাম রাখা হয় BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

১২১.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে?
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. মোস্তাকুর রহমান 
  3. ফজলে কবির চৌধুরী
  4. মোখলেসুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মোস্তাকুর রহমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাকুর রহমান 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
- গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

- মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

উৎস: প্রথম আলো।

১২২.
বাংলাদেশে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? (মে, ২০২৫)
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নে ভাষাগত সমস্যা থাকায় লাইভ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্ন সংশোধন করা হয়েছে] 

- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ব্যাংকিং শিল্প যাত্রা শুরু করে ৬টি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক এবং ৯টি বিদেশী ব্যাংক দিয়ে।
- ১৯৮০-এর দশকে বেসরকারি ব্যাংকের প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং শিল্প উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসার লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকগুলি মূলত দুই ধরণের :

তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ এর অধীনে রক্ষিত ব্যাংকের তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলি।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে পরিচালিত হয় কিন্তু তফসিলি ব্যাংক নয়। এই ব্যাংকগুলি তফসিলি ব্যাংকের সমস্ত কার্য সম্পাদন করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২৩.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ৩৬টি
  2. ৩৮টি
  3. ৪১টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

বীমা প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
১২৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪'- এ স্থান পেয়েছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. ১০টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  3. ১২টি ব্যাংক ও ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  4. ১৫টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
১০টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
টেকসই রেটিং তালিকা:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রেটিং সিস্টেম চালু করে।
- এর লক্ষ্য ছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ইএসজি) বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি টেকসই আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- মূলত পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে যাচাই করা হয়েছে এ মান।
- এগুলো হলো: টেকসই অর্থায়ন সূচক, সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম, পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়ন, টেকসই কোর ব্যাংকিং সূচক ও ব্যাংকিং সেবার পরিধি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক পঞ্চমবারের মতো দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) জন্য 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪' প্রকাশ করেছে।
- এতে পাঁচটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে সেরা হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে ১০টি ব্যাংক এবং দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এবার টেকসই ১০ ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল), যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।
- আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১২৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬১টি
  3. ৬২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী,
• তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা তফসিলি - ৬১টি। 
• রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি,
• বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি,
• ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান – ৩৫টি।
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান- ৩৫টি। 

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২৬.
জনাব আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১১তম
  2. ১২তম
  3. ১৩তম
  4. ১৪তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা

• ড. আহসান এইচ মনসুর:
- তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) এর প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
- ড. আহসান এইচ. মনসুর ১৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর হিসেবে যোগদান করেন।

- ড. মনসুর ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর অর্থনীতিবিদ প্রোগ্রামের অধীনে যোগদান করেন।
- আইএমএফ-এ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে, ড. মনসুর মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ান, আফ্রিকান এবং মধ্য আমেরিকান দেশগুলির সাথে কাজ করেন।
- তিনি আইএমএফের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী বিভাগ (আর্থিক বিষয়ক এবং নীতি পর্যালোচনা ও উন্নয়ন বিভাগ) এবং অঞ্চল বিভাগে (মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়া এবং এশিয়ান বিভাগ) কাজ করেন।

- তিনি ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে আইএমএফের সিনিয়র রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রীর (১৯৮৯-৯১) আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে, ড. মনসুর ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সফলভাবে প্রবর্তনের সাথে জড়িত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- জনাব এ এন হামিদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১২৭.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নাম কী?
  1. IDRA
  2. IDA
  3. SEC
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDRA
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority. 
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১২৮.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক'-এর  প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. এ কে নাজিরউদ্দীন আহমেদ
  2. এ টি এম শামসুল হুদা
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. এম নুরুল ইসলাম
  5. লুৎফর রহমান সরকার
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- একটি দেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংক-এর বর্তমান ও ১৩তম গভর্নর হলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর।

• প্রথম গভর্নর:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিল আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন একজন ব্যাংকার।
- গভর্নর হওয়ার আগে পাকিস্তানের ইস্টার্ন ব্যাংকিং করপোরেশনের (বর্তমান উত্তরা ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর হিসেবে আ ন ম হামিদুল্লাহ ১৯৭২-১৯৭৪ পর্যন্ত দায়িত্বরত ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২৯.
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে- 
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা জারি করে।
- এই নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- তাই এই দিনটিকে "এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।
- দেশের প্রথম এজেন্ট আউটলেট স্থাপিত হয় মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে।
- এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজে এবং সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা প্রদান সম্ভব হয়েছে। প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এতে উপকৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে ব্রাজিলে।

 উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৩০.
দুর্বল ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গঠনকৃত ব্যবস্থার নাম কী? [জুলাই, ২০২৫]
  1. সেভিংস ব্যাংক
  2. ব্রিজ ব্যাংক
  3. ক্রেডিট ব্যাংক
  4. ক্যাপিটাল ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্রিজ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিজ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্রিজ ব্যাংক (Bridge Bank):
- ব্রিজ ব্যাংক আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।
- যা আর্থিক সংকটে থাকা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থায়ীভাবে সচল এবং স্থায়ী সমাধানের আগ পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম ও গ্রাহকদের সেবা প্রদান অব্যাহত রাখে।
- এটি মূলত একটি অস্থায়ী সেতু, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- ৯ মে, ২০২৫ জারিকৃত ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ ব্রিজ ব্যাংকের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
- ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও কার্যকর পরিচালনা অব্যাহত রাখতে এক বা একাধিক ব্রিজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই আইনে একটি 'ব্রিজ ব্যাংক' সম্পদ চূড়ান্তভাবে হস্তান্তরের তারিখ থেকে দুই বছরের বেশি পরিচালনা করতে পারবে না।
- এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক 'ব্রিজ ব্যাংক' বিলুপ্ত করে অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেই ব্যাংককে একীভূত করে দেওয়া বা এর সম্পদ ও আইনগত অধিকার তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করতে পারবে।

তথ্যসূত্র- ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫।
১৩১.
বাংলাদেশে তফশিলভুক্ত কয়টি বিদেশী ব্যাংক আছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. সিটিব্যাংক এনএ,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড (যুক্তরাজ্য),
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৩২.
বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কয়টি? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- ১৯৭৩ সালে জীবন বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৬টি।
- বাংলাদেশে প্রাইভেট জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৪টি।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
• জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৩৩.
বাংলাদেশে মোট কতটি শেয়ার বাজার রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

১) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

২) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৩৪.
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে- সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন।

• BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।

১৩৫.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৩৬.
কল মানি মার্কেট বলতে কী বোঝায়?
  1. শেয়ার বাজার লেনদেন
  2. বাণিজ্যিক ঋণ বাজার
  3. আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
ব্যাখ্যা
Call Money:
- Call money Market বলতে বোঝায় Interbank money market transactions.
- ‘কলমানি’ বলতে বোঝায় আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণকে।
- অর্থাৎ স্বল্প সময়ের জন্য এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে চাহিবামাত্র পরিশোধ করার শর্তসাপেক্ষে যে ঋণ গ্রহণ করে তাই কলমানি।
- এটা এক দিনের জন্যও হতে পারে, এর বেশি দিনের জন্যও হতে পারে।
- এখানে রেট বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো, ব্যাংকগুলো আরও বেশি সুদে ডিপোজিট সংগ্রহের দিকে ঝুঁকবে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩৭.
বীমা কোম্পানি কর্তৃক অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেওয়ার বিনিময় মূল্যকে কী বলে?
  1. বোনাস
  2. কমিশন
  3. প্রিমিয়াম
  4. বৃত্তি
  5. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রিমিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিমিয়াম
ব্যাখ্যা
প্রিমিয়াম:
- বিমার মূল উপাদান হলো প্রিমিয়াম।
- বিমা প্রিমিয়াম বলতে বিমা যোগ্য ঝুঁকির বিপরীতে বিমাকারী কর্তৃক গ্রহনকৃত একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থকে বুঝায়।
- জীবন বীমার ক্ষেত্রে বীমা পলিসির পরিকল্প এবং মেয়াদ অনুযায়ী নির্ধারিত বাৎসরিক প্রিমিয়াম প্রদান করতে হয়।
- অর্থ্যাৎ একজন বীমা গ্রহীতা বীমা কোম্পানিকে নির্ধারিত হারে নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অথবা এককালিন যে অর্থ প্রদান করে তাই বীমা প্রিমিয়াম।
- প্রিমিয়ামের কিস্তির পরিমান নির্ভর করে বীমা গ্রহীতার বয়স, বীমার মেয়াদ এবং সুবিধাসমূহের উপর।
- পরিকল্প অনুযায়ী গ্রাহক তার সুবিধামত বার্ষিক, ষান্মাসিক, ত্রৈমাসিক এমনকি মাসিক হারে প্রিমিয়াম প্রদান করে থাকে।

⇒ জীবনবিমার প্রিমিয়াম নির্ধারণকারী উপাদানসমূহ (Determining Factors of Premium):
- জীবন বিমার প্রিমিয়াম নির্ধারণের সময় বিবেচ্যবিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. বিমাপত্রের মূল্য:
- পলিসি বা বিমাপত্রের পরিমাণ বেশি হলে প্রিমিয়াম বেশি হবে, আর দাবীর পরিমাণ কম হলে প্রিমিয়াম কম হবে।
- এ কারণে পলিসি প্রিমিয়াম নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
২. পলিসির মেয়াদ:
- পলিসির একটি মেয়াদ থাকে।
- পলিসি মেয়াদের উপর প্রিমিয়ামের হার নির্ভর করে।
- মেয়াদ বেশি হলে প্রিমিয়াম কম হবে, আবার মেয়াদ কম হলে প্রিমিয়াম বেশি হবে।
৩. চুক্তির প্রকৃতি:
- বিমাতে যে যত বেশি সুবিধা গ্রহণ করবে তাকে তত বেশি প্রিমিয়াম দিতে হবে।
৪. বিমায় ঝুঁকির প্রকৃতি:
- বিমার মাধ্যম ঝুঁকি প্রতিরোধ করা হয়।
- তাই বিমাকারী যত বেশি ঝুঁকি গ্রহণ করবে, প্রিমিয়ামের পরিমাণও তত বেশি হবে।
- অন্যদিকে কম ঝুঁকি সম্পন্ন পলিসি গ্রহণ করলে কম প্রিমিয়াম হবে।

উৎস: i) BAIRA Life Insurance.
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৮.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বীমা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জীবন বীমা কর্পোরেশন 
  2. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
  3. শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি
  4. ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
ব্যাখ্যা

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৩৯.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ২০১২ সালে।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান - প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল-
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
(১) এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪০.
কর্মসংস্থান ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৯৯৮ সালের কর্মসংস্থান ব্যাংক আইনের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে দেশের বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের ঋণ সহায়তা ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সরকার একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সনের ৭ নং আইন বলে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ৩০ জুন ১৯৯৮ সালে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ৩০ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত ৩,০০০ মিলিয়ন টাকার মূলধন নিয়ে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হয়।
- কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজস্ব কর্মসূচি হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি এবং সরকারের বিশেষ কর্মসূচি হিসেবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ প্রদান কর্মসূচি ও শিল্পকারখানা/প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছা অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/কর্মচারিদের কর্মসংস্থানের জন্য জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪১.
দেশের ৬২তম তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  2. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  3. রকেট ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  4. সিটিজেন ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

ব্যাংক খাত:

- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

এছাড়াও,
⇒ বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

উল্লেখ্য,
- দেশের ৬২তম তফসিলি ব্যাংক নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
⇒ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ)-এর ৩৭(২) (a) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ জুন, ২০২৪ থেকে 'নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত করা হল। 
- ফলে এখন থেকে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।
- তবে ব্যাংকটির সদর দফতর থাকলেও অন্য কোনো শাখা থাকবে না।

উৎস: i) Nagad ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪২.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৪৩.
শরিয়াহভিত্তিক একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের নতুন নাম কী?
  1. সেন্ট্রাল ইসলামী ব্যাংক
  2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  3. নিউ ইসলামী ব্যাংক অব বাংলাদেশ
  4. ন্যাশনাল ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সংকটে পড়া দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্তে নতুন ব্যাংকটির নাম চূড়ান্ত হয় 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'। 
- এই পাঁচটি ব্যাংক হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- একীভূত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার গঠিত কমিটি নতুন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
- শুরুতে এটিকে সরকারি খাতের একটি ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগান দেবে।

উৎস: ইত্তেফাক ও প্রথম আলো পত্রিকা।

১৪৪.
বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ডিভিশন
  3. ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন
  4. আইডিআরএ
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA)।

• Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA)

» প্রতিষ্ঠা:
- IDRA গঠিত হয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১০ অনুযায়ী।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১১-এ।

» উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
পলিসি ধারকদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ কার্যকর করার মাধ্যমে বীমা শিল্পের বিন্যস্ত উন্নয়ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।

» গঠন:
- নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য।
- বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক রয়েছেন।

» প্রধান কার্যক্রম ও দায়িত্ব:
- বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করা।
- বীমা, পুনর্বীমা, মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট প্রদান, নবায়ন, পরিবর্তন বা বাতিল করা।
- বীমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত করা।
- নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- তহবিল ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, সলভেন্সি মার্জিন রক্ষা।
- প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ ও বীমাকারীর সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
- বিরোধ বা দাবি সমাধান এবং অ্যাকচুয়ারিয়াল রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।  

১৪৫.
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকিং খাতে লেনদেন কমেছে- [মে, ২০২৫]
  1. প্রায় ৫ শতাংশ
  2. প্রায় ৭ শতাংশ
  3. প্রায় ৯ শতাংশ
  4. প্রায় ১০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাতে লেনদেন:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক খাতে লেনদেন কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে দেশের ব্যাংক খাতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩৬ লাখ ১৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা।
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এ লেনদেন ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৭ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
- সেই হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় ব্যাংক খাতে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৭ কোটি টাকার লেনদেন কম হয়েছে।
- এক্ষেত্রে লেনদেন কমার হার ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

এছাড়া,
- এ সময়ে চেকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ১৯৯ শতাংশ, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ লেনদেন কমেছে।
- তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ইএফটি ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে।

উল্লেখ্য,
- লেনদেনের হিসাবায়নের ক্ষেত্রে চেক, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি), ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংকে হিসাবে নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১৪৬.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১৪৭.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে -
  1. এবি ব্যাংক
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়। এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়। শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো। ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪৮.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি
  2. ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
  3. ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
১৪৯.
বাংলাদেশে সাধারণ বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি?
  1. ৩৬টি 
  2. ৪৬টি 
  3. ৫৬টি 
  4. ৪৯টি 
সঠিক উত্তর:
৪৬টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি 
ব্যাখ্যা

• বীমা প্রতিষ্ঠান:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

• বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং ডেইলিস্টার বাংলা।

১৫০.
কোনটি বাংলাদেশে যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক:
- পূবালী ব্যাংক একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
⇒ মালিকানার ভিত্তিতে ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ:

• সরকারী ব্যাংক (Government Bank):
- কোন ব্যাংক সরকারী মালিকানায় পরিচালিত, সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রিত হলে তাকে ঐ দেশের সরকারী ব্যাংক বলে।
- সরকারী ব্যাংক সরকারের নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আমাদের দেশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ইত্যাদি সরকারী ব্যাংকের উদাহরণ।
- এ ব্যাংকগুলোর মালিক সরকার নিজে।

• বেসরকারী ব্যাংক (Private Bank):
- ব্যক্তি মালিকানায় বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে বেসরকারী ব্যাংক বলে।
- বেসরকারী ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হতে হয়।
- বাংলাদেশে ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, এবি ব্যাংক লিঃ, ইসলামী ব্যাংক লিঃ, দি সিটি ব্যাংক লিঃ ইত্যাদি বেসরকারি ব্যাংকের উদাহরণ।

• যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক (Joint-ownership Bank):
- যে ব্যাংক সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলে।
- পূবালী ব্যাংকের ৫১% শেয়ার সরকারী মালিকানায় এবং ৪৯% শেয়ার বেসরকারি মালিকানায় রয়েছে, সুতরাং পূবালী ব্যাংককে একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলা যায়।

• স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক (Autonomous Bank):
- যে ব্যাংক সরকারের বিশেষ আইন বলে গঠিত হয় এবং স্বাধীনভাবে সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক বলে।
- যেমন- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিঃ, বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এগুলো সরকার গঠন করেছে.  কিন্তু পরিচালিত হয় নিজস্ব আইন দ্বারা।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৫১.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ কত?
  1. ৫০০ কোটি টাকা
  2. ৯০০ কোটি টাকা
  3. ১১০০ কোটি টাকা
  4. ১৫০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৯০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বীমা কর্পোরেশন:
- বীমা হলো একটি চুক্তি।
- ইহা দুই পক্ষের মধ্যে একটি আইন সম্মত চুক্তি।
- এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
- অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৫২.
গ্রামীণ ব্যাংক কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক হিসেবে চালু হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৮৩
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৮৩
  3. ২ অক্টোবর, ১৯৮৩
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
২ অক্টোবর, ১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ অক্টোবর, ১৯৮৩
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩ সালে জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি গ্রামীণ ব্যাংককে একটি স্বাধীন ব্যাংক হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদন দেয়।  
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি। গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

 উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৫৩.
FID-এর পূর্ণরূপ -
  1. Financial Institutions Division
  2. Financial Inductrial Division
  3. Financial Investigation Division
  4. Foreign Institutions Department
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
ব্যাখ্যা
FID:
- FID-এর পূর্ণরূপ: Financial Institutions Division.
- FID বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হলো একটি বাংলাদেশ সরকারী বিভাগ যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। 
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)-এর সাথে সমন্বয়মূলক কার্যাবলী সম্পাদন করে।

উৎস: আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ওয়েবসাইট। 
১৫৪.
‘Basel-3’ নিম্নের কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেয়?
  1. তারল্য ও মূলধন
  2. কর ব্যবস্থাপনা
  3. আমদানি-রপ্তানি
  4. বাজেট
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তারল্য ও মূলধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারল্য ও মূলধন
ব্যাখ্যা

ব্যাসেল চুক্তি (Basel Accord):
- বাংলাদেশ ব্যাংক "ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১" এর ধারা ১৩ এবং ধারা ৪৫ তে ঝুঁকি ভিত্তিক মূলধন নিয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করে।
- ঝুঁকিভিত্তিক মূলধনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ব্যাংক "ব্যাসেল -১, ব্যাসেল-২, ব্যাসেল-৩" (Basel-1, Basel -2, Basel -3) এর সুপারিশ মেনে চলে।

⇒  ১৯৯৭ সালের ব্যাংক সংশোধনী আইন অনুযায়ী ব্যাংকিং ব্যবসা সুষ্ঠুভাবে তত্ত্বাবধায়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মত ব্যাসেল মূলনীতি সমূহ (Basel Core Principles) প্রণয়ন করেন। 
- ২০০৪ সালের জুন মাসে BCBS, ICCMS এর সংশোধিত কাঠামো "Three pillar concept" চালু করে যা বাংলাদেশের সকল তালিকাভূক্ত ব্যাংকের জন্য ২০১০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে অবশ্য পালনীয় করা হয়েছে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি তালিকাভূক্ত ব্যাংক “ব্যাসেল-৩” এর প্রদত্ত কাঠামো ও নির্দেশনা মেনে চলতে বাধ্য। 

উল্লেখ্য,
- Basel-3 হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়মের একটি সেট, যা ব্যাংকের মূলধন, তারল্য এবং ঝুঁকির মানদণ্ড নির্ধারণ করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংকের ঝুঁকি কমিয়ে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা, যা ২০০৭-০৮ সালের আর্থিক সংকটের প্রতিক্রিয়ায় প্রণীত হয়েছে। ব্যাসেল ৩-এর মূল উপাদানগুলো হলো মূলধনের পর্যাপ্ততা, বাজারের তারল্য এবং চাপ পরীক্ষার (stress testing) উপর গুরুত্বারোপ।

উৎস: i) Corporate Finance Institute.
ii) ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৫.
বাংলাদেশের IMF-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা 
  2. মতিঝিল, ঢাকা
  3. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  4. আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা 
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।

⇒ বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট। [link]

১৫৬.
বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. ডাচ–বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC)।
- ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি এই সেবা প্রবর্তন করে।
-  তারা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করে। ওই উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ইসলাম শেখকে প্রথম এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে ব্যাংকটি।
- এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার উদ্যোক্তা ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে তারাই ব্যাংকের এজেন্ট। এসব এজেন্ট এর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। মূলতঃ এটাই এজেন্ট ব্যাংকিং।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।

এছাড়াও,
- বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল ব্রাজিলে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১৫৭.
কোন ব্যাংককে নিকাশ ঘর বলা হয়?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. সমবায় ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা

নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনাপাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- অল্প সময়ের মধ্যে এই বিনিময় সমাধা করার জন্য পূর্বেই চেক ইত্যাদিকে শাখা অনুযায়ী এবং ব্যাংক অনুযায়ী আলাদা করে রাখা হয়।
- বিনিময় সমাধা করার জন্য দেনা-পাওয়ানার হিসাব বের করা হয় এবং নেতা ব্যাংকের সাথে পরিচালিত চলতি হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন সমাধা করা হয়।
- সোজা কথায় বলা যায়: একটি নির্দিষ্ট এলাকার ব্যাংকসমূহের একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হল নিকাশ ঘর।
- সাধারণত দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিকাশ ঘর হিসাবে কাজ করে।
- ব্যাংকসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট যে নগদ অর্থ জমা রাখে তা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের জমার পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস করে ব্যাংকগুলোর দেনা-পাওনা মিটানো হয়।

⇒ ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত ভারত উপমহাদেশে ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে নিকাশ কার্য পরিচালিত হত। ১৯৪৮ সালে State Bank of Pakistan প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব State Bank of Pakistan-এর উপর অর্পিত হয়।
- পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

⇒ রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৫৯.
বাংলাদেশে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ব্যাংক এশিয়া
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড:
- মাস্টারকার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড বাংলাদেশে চালু করল ইস্টার্ন ব্যাংক।
- ৫ জুলাই, ২০২৫ নতুন এই কার্ড চালু করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
- নতুন এই কার্ডের প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করছে আইডেক্স বায়োমেট্রিক্স (IDEX Biometrics), কনা আই (Kona I) এবং ইনফিনিয়ন টেকনোলজিস (Infineon Technologies)। 
- এই কার্ডে পিন বা স্বাক্ষরের কোনও প্রয়োজন হবে না।
- গ্রাহকদের তথ্য কার্ডে সংরক্ষিত থাকবে এবং ঘরে বসেই একটি হোমকিটের সাহায্যে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিবন্ধন করা যাবে।
- মাস্টারকার্ড আইডেন্টিটি থেফট প্রোটেকশন থাকার ফলে এই কার্ড অনলাইনে গ্রাহকের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি এবং অপব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৬০.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক কয়টি সুপারিশ করেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত ব্যাংকনির্ভর।
- ২০২৪ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতের মোট সম্পদমূল্য ২১ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার।
- যা বাংলাদেশের আর্থিক খাতের মোট সম্পদের ৮৮ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৫০ শতাংশ। 

সম্প্রতি,
- বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০টি সুপারিশ দিয়েছে।
- বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে যে ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো:

১. ব্যাংক খাতের নীতি কাঠামো উন্নত করতে অগ্রাধিকার প্রদান;
২. আমানত সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা;
৩. প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার উন্নতি;
৪. রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক পুনর্গঠন;
৫. খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি;
৬. সমন্বিত দেউলিয়া আইন প্রণয়ন;
৭. ব্যাংকিং আইন ও নীতির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা;
৮. জরুরি প্রয়োজনে তারল্য সহায়তা প্রদানের জন্য একটি নীতি কাঠামো তৈরি;
৯. ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চাগুলোর অনুশীলন এবং
১০. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১৬১.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।

- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। 
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬২.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬৩.
দেশে বর্তমানে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩৩টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৫টি
  4. ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশের প্রথম ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো আইপিডিসি (IPDC Finance PLC)।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) ৭ জানুয়ারি ২০২৫, প্রথম আলো।
১৬৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬১টি। (বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট অনুসারে)
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,

• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি। (লাইসেন্স স্থগিত)

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৬৫.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডিজিটাল এসএমই ঋণ চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. প্রাইম ব্যাংক
  4. এবি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল এসএমই ঋণ:
- প্রান্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য দেশের প্রথম তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ সুবিধা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
- ‘সাফল্য ই-লোন’ নামে এ সুবিধার ফলে এখন থেকে ছোট ব্যবসায়ী, দোকানদার এবং প্রান্তিক উদ্যোক্তারা মাত্র কয়েক মিনিটেই ব্র্যাক ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
- ইতোমধ্যে শেরপুর, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, জামালপুর, সাতক্ষীরাসহ দেশের দুর্গম চরাঞ্চলের ৫ হাজারের বেশি মানুষের কাছে এই ঋণসুবিধা পৌঁছে গেছে।
- পর্যায়ক্রমে এ সেবা  সম্প্রসারণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৬৬.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ মে
  3. ২ মার্চ
  4. ২ মে
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত ধরনের ব্যাংক নোট প্রচলিত? (জানুয়ারি-২০২৬)
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১৬৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন-
  1. মোহাম্মদ ফরাশউদ্দিন
  2. ড. আতিউর রহমান
  3. এ. এন হামিদুল্লাহ
  4. ফজলুর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ. এন হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬৯.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু করা হয়েছিল?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মালয়েশিয়া
  3. নেপাল
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান অন্তর্বর্তি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৭০.
একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. সরকারি ব্যাংক
  2. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. বাণিজ্যিক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যাংক দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে বলেই এর নাম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- দেশের কাগজি মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র অধিকার রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই ব্যাংক সরকারের প্রতিনিধি ও আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৭১.
নিচের কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়?
  1. অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ
  2. আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান
  3. সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়
  4. অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলী: আমানত গ্রহণ, অর্থ উত্তোলনের সুযোগ ঋণদান, বিনিয়োগ, ঋণ আমানত সৃষ্টি, বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি, মূলধন গঠন, বিল বাট্টাকরণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা দান, অর্থ স্থানান্তর, তথ্য সরবরা, পরামর্শ প্রদান, আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান, আর্থিক সচ্ছলতার সনদ প্রদান, অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা, অর্থ আদায় ও পরিশোধ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা, সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়, অবলেখক হিসেবে কাজ, অছি হিসেবে কাজ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি, গোপনীয়তা রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- 'অর্থ ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ' বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৭২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম কী?
  1. State Bank of Pakistan
  2. Federal Bank of Pakistan
  3. National Bank of Pakistan
  4. Reserve Bank of Pakistan
সঠিক উত্তর:
State Bank of Pakistan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
State Bank of Pakistan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম State Bank of Pakistan।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর যাত্রা শুরু। ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ (বাংলাদেশ ব্যাংক টেম্পরারি অর্ডার) বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠন করা হয়। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখার সকল দায় ও পরিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের নীতিনির্ধারণী কাজ, মুদ্রাবিষয়ক ব্যাংকিং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ হতো পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে।
- এ অবস্থায় পুরো ব্যাংকব্যবস্থা পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক গতি চালু করতে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠন করা হয়।
- এ আদেশ কার্যকর করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
- সাবেক স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকাস্থ ডিজি অফিসের স্থলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকস (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর আদেশ) অনুসারে ব্যাংক জাতীয়করণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৭৩.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬২টি।
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৭৪.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ 
  2.  বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. অর্থ মন্ত্রণালয় 
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
 বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণে;
- এটি দেশের আর্থিক ও ব্যাংকিং কাঠামোর শীর্ষে অবস্থান করে এবং নেতৃত্ব প্রদান করে;
- এটি সকল ব্যাংকের মুরুব্বী। দেশের অর্থ ও মূদ্রা, ঋণ এবং ব্যাংক ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক;
- দেশের নোট ও মূদ্রা প্রচলনের একক অধিকার সংরক্ষণ করে।
- দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও মূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কাজটি এ ব্যাংকের উপর অর্পিত;
- মুনাফা অর্জন এর উদ্দেশ্য নয়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণই এর মূল উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো 'বাংলাদেশ ব্যাংক'।
- ঢাকার মতিঝিলে এ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- ১৬৫৬ সালে সুইডেনে সর্বপ্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গোড়াপত্তন হয়েছিল। 
- রিকস্ ব্যাংক অব সুইডেন পৃথিবীর প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৫.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৮ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৪৫ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ শস্য ও ফসল খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে এবং ১৫ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। 
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যা প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ বেশি। 
- গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষিঋণ সম্পর্কিত নীতিমালা ঘোষণা করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৭৬.
নিম্নের কোনটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. আইডিআরএ
  4. বিএসইসি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান:

- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশের প্রথম ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো আইপিডিসি (IPDC Finance PLC)।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, প্রথম আলো।
১৭৭.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৭৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ ন ম হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর- আহসান এইচ মনসুর (১৩ তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল - ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১৭৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১৮০.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? 
  1. ১টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ব্যাংক:
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।

১৮১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৩টি
  2. ৫৯টি
  3. ৬১টি
  4. ৬২টি
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো তফসিলভুক্ত (Scheduled) ও অ-তফসিলভুক্ত (Non-Scheduled) ব্যাংক হিসেবে দুই ভাগে বিভক্ত।

তফসিলভুক্ত ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ব্যাংক, যা ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ ও ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে ৬২টি তফসিলভুক্ত ব্যাংক রয়েছে। 

অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংক:
- বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক, যা তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৮২.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কয়টি বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩৫টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪৬টি
  4. ৮২টি
সঠিক উত্তর:
৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২টি
ব্যাখ্যা

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট। [link]
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। 

১৮৩.
কোনটি তালিকাভুক্ত তফসিলী ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. রূপালী ব্যাংক
  4. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে। যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

২। অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
১. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. গ্রামীণ ব্যাংক,
৪. জুবিলি ব্যাংক,
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৮৪.
দেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. এক্সিম ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা:
- বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল ব্রাজিলে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা– সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ওই নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে দেশে ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- তারা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করে।
- ওই উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ইসলাম শেখকে প্রথম এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে ব্যাংকটি।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যে, দেশের ব্যাংকগুলোর এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার ন্যূনতম অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ নারী এজেন্ট নিশ্চিত করতে হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৮৫.
প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি করা হয়ছিল -
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩ সালে জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি গ্রামীণ ব্যাংককে একটি স্বাধীন ব্যাংক হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদন দেয়।  ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৮৬.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (SDF) হার কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮ শতাংশ
  2. ৮.৫ শতাংশ
  3. ৯ শতাংশ
  4. ৯.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ):
- স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি বিভাগ ১৫ জুলাই, ২০২৫ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে।
- সার্কুলারে বলা হয়েছে, মুদ্রানীতি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা সুসংহত করার লক্ষ্যে নীতি সুদহার কমিয়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া, নীতি সুদহার করিডরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১.৫ শতাংশ এবং ওভার নাইট রেপো নীতি সুদহার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত আছে।
- এই সিদ্ধান্ত ১৬ জুলাই, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
১৮৭.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. নুরুল হুদা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. রেহমান সোবহান
  4. এম.এল. কোরেশী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
১৮৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন কে?
  1. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  2. আবু সায়েম সাদাত
  3. ফরাস উদ্দিন আহম্মেদ
  4. সালেহ উদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৮৯.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের হাটহাজারী
  2. চট্টগ্রামের রাউজান
  3. চট্টগ্রামের রামু
  4. চট্টগ্রামের জোবরা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প প্রাথমিকভাবে শুরু করেন।

•গ্রামীণ ব্যাংকের ইতিহাস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাংক মাইক্রোফাইন্যান্সের বিপ্লব ঘটিয়েছে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে  একটি মডেল হয়ে উঠেছে। প্রথম প্রচেষ্টায়  ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের সময় থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। 
- এই ছোট পদক্ষেপটি প্রমাণ করেছিল যে, জামানত বিহীন কম সুদে ঋণ দেওয়া, মানুষকে ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করতে পারে। এই ধরনের আর্থিক সহায়তা জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিলে তারা দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে পারে।
- ড.ইউনুস এই ধারণা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং একটি সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। 
- ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ জনগণের মধ্যে মাইক্রোলোন প্রদান করে তাদের ব্যবসা শুরু করা এবং দারিদ্র্য কমানো। প্রকল্পটি সফল হওয়ার পর ১৯৮৩ সালে এটি একটি ব্যাংকে পরিণত হয়।
- ড. ইউনুসের এই কাজের জন্য ২০০৬ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়, যা বিশ্বের দারিদ্র্য বিমোচনে মাইক্রোক্রেডিটের ভূমিকা তুলে ধরেছে।

উৎসঃ গ্রামীন ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৯০.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- বেসিক ব্যাংক
- জনতা ব্যাংক, 
- সোনালী ব্যাংক, 
- রূপালী ব্যাংক, 
- অগ্রণী ব্যাংক, 
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৯১.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৫টি
  4. ৬৬টি
সঠিক উত্তর:
৬৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ:
- অর্থপাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন বন্ধসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার লক্ষ্যে নতুন চারটি বিভাগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন চালু হওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৯, পরিদর্শন পরিপালন বিভাগ, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ এবং ইসলামী ব্যাংকিং রেগুলেশন্স অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট।  
- সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগ ৬৫টি।

⇒ এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ৬১টি বিভাগ ছিল।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন বিভাগ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক পরিদর্শন ও পরিপালন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ও শাখাগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি আরও দক্ষভাবে পরিচালিত হবে।  

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৯২.
বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা
তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণকৃত ব্যাংকের তালিকায় যে সকল ব্যাংক রয়েছে।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।

তফসিলি ব্যাংকগুলি নিম্নলিখিত প্রকারের মধ্যে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়:
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCB):
- বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ বা প্রধানত মালিকানাধীন ৬টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বিশেষায়িত ব্যাংক (এসডিবি):
- বর্তমানে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেগুলো কৃষি বা শিল্প উন্নয়নের মতো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসব ব্যাংক সম্পূর্ণ বা প্রধানত বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন।

বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক (পিসিবি):
- এখানে ৪৩ টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা প্রধানত ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে:
- ৩৩টি প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন কাজ করছে।
- তারা প্রচলিত ফ্যাশনে অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক অপারেশনে ব্যাংকিং ফাংশন সম্পাদন করে।
- বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।
- তারা ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক নীতিমালা অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি (পিএলএস) মোড অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৯৩.
বাংলাদেশের মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bangladesh Bank
  2. IDRA
  3. MRA
  4. BSEC
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bank
ব্যাখ্যা
 Regulatory authorities:
- মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ হলো IDRA(Insurance Development and Regulatory Authority)।
- ক্ষুদ্রঋণ এর সাথে জড়িত সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ হলো MRA(microcredit regulatory authority)।
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম BSEC(Bangladesh Securities and Exchange  Commission)।

এছাড়া,
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর ১৩ তম গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
- তিনি ১৪ আগস্ট, ২০২৪ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- ১২ তম গভর্নর ছিলেন আব্দুর রউফ তালুকদার।
- সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন ৩য় গভর্নর মো. নুরুল ইসলাম।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট।
১৯৪.
নিম্নের কোনটি নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  2. কৃ্ষি ব্যাংক
  3. বিশেষায়িত ব্যাংক
  4. ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
-  ব্যাংক ব্যবস্থার সূচনা হতেই বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে সহজে দেনা পাওনা নিষ্পত্তির জন্য কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি চালু ছিল না।
- ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত পাক-বাংলা-ভারত-উপমহাদেশে ইম্পোরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে বিকাশ কার্য পরিচালিত হত।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কততম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। 
- তিনি ১৩তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে এই পদে নিযুক্ত হন।
- এর আগে, তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর হয়।

সূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১৯৬.
What is the authorized capital of Sadharan Bima Corporation under the Insurance Corporation Act, 2019?
  1. Tk. 200 crore
  2. Tk. 1500 crore
  3. Tk. 1,000 crore
  4. Tk. 500 crore
সঠিক উত্তর:
Tk. 1500 crore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tk. 1500 crore
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।  

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৯৭.
বাংলাদেশের উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bangladesh Institute of Development Studies
  2. Bangladesh Planning Commission.
  3. National Planning and Development Studies
  4. National Economic Council.
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Institute of Development Studies
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Institute of Development Studies
ব্যাখ্যা

Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS):
- বিআইডিএস একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়ন-সংক্রান্ত নীতি গবেষণা করে।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর উৎপত্তি পাকিস্তানে, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে এবং ১৯৫৭ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পিআইডিই ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
- জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি).

উৎস: Bangladesh Institute of Development Studies এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৯৮.
What is the minimum paid-up capital is required for the non-life insurance in Bangladesh?
  1. BDT 300 million
  2. BDT 350 million
  3. BDT 400 million
  4. BDT 450 million
সঠিক উত্তর:
BDT 400 million
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BDT 400 million
ব্যাখ্যা
বীমা কর্পোরেশন:
- বীমা হলো একটি চুক্তি।
- ইহা দুই পক্ষের মধ্যে একটি আইন সম্মত চুক্তি।
- এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
- অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।
• বর্তমান বীমা আইন অনুযায়ী একটি নতুন জীবন এবং অ-জীবন বীমা প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে BDT ৩০০ মিলিয়ন (US$3.8 মিলিয়ন) এবং BDT ৪০০ মিলিয়ন (US$5.1 মিলিয়ন)

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৯৯.
বাংলাদেশের সরকারি কাগজের নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. গভর্নর
  2. অর্থ সচিব
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।
- এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
• ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

২০০.
বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কত?
  1. ৪০ কোটি টাকা
  2. ২৫ কোটি টাকা
  3. ২০ কোটি টাকা
  4. ৩০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

বীমা কর্পোরেশন: 
- বীমা হলো একটি চুক্তি।এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।