PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
PrepBank · পাতা ৩৮ / ৫১ · ৩,৭০১–৩,৮০০ / ৫,০২৮
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের গঠন:
অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত । যথা-
১। কোর (Core) : সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোর।
২। ক্ল্যাডিং (Cladding) : কোরের ঠিক বাইরের অংশটি হচ্ছে ক্ল্যাডিং। ক্ল্যাডিং হচ্ছে কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি এক বিশেষ ধরণের আবরণ যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত পাঠায়।
৩। জ্যাকেট (Cladding) : ক্ল্যাডিং-এর প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি বাইরের অংশটি হচ্ছে জ্যাকেট। জ্যাকেট ফাইবারকে জলীয়বাষ্প, আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, মচকানো এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন 6 (IPv6) হলো ইন্টারনেটে যুক্ত ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত ঠিকানার একটি আধুনিক সংস্করণ। এটি 128 বিট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট একটি অ্যাড্রেস পদ্ধতি। এটি মূলত IPv4 (32 বিট) এর তুলনায় অনেক বেশি আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করতে সক্ষম।
• IP Address:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি পরিচিতি বা আইডেন্টিটি থাকে যাকে IP (Internet Protocol) Address বলে।
প্রতিটি IP Address এর দু'টি অংশ থাকে :
i) NetID (Network ID),
ii) HostID (Host ID).
IP Address এর দুটি ভার্সন আছে :
1) IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট 8 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷
2) IPV6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 8 টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: cbsnews.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ‘ব্লু স্কাই’ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি ২০১৯ সালে চালু হয়েছিল, এবং এটি টুইটার নির্মাতা জ্যাক ডোরসির হাত ধরে তৈরি হয়েছে।
- ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ব্লু স্কাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে।
- জ্যাক ডরসি ব্লু স্কাইয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করলেও, বর্তমানে এই প্ল্যাটফর্মের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জে গ্রাবার।
- বর্তমানে এর ব্যবহারকারী প্রায় ১৮ দশমিক ৪ মিলিয়ন।
- বিশেষত এক্স (পূর্বে টুইটার) থেকে মনোযোগ সরানো ব্যবহারকারীদের মধ্যে, এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে উঠছে।
- এর জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বাড়ছে, এবং অনেক এক্স-ভক্ত বিকল্প হিসেবে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার শুরু করেছেন।
উল্লেখ্য,
- ঝাং ইমিং (Zhang Yiming): তিনি টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স এর প্রতিষ্ঠাতা। ৪১ বছর বয়সী ঝাং ইমিং ২০১২ সালে বাইটড্যান্স প্রতিষ্ঠা করেন, যা টিকটক সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপ তৈরি করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় টেক কোম্পানি হিসেবে পরিগণিত।
- জ্যাক মা: ১৯৯৯ সালে আলিবাবা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যা একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
- ইলন মাস্ক: তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন SpaceX, Tesla, এবং Neuralink, যা মহাকাশ গবেষণা, বৈদ্যুতিক গাড়ি, এবং মস্তিষ্কের প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে।
উৎস: সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজির সুবিধা-
১.কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
২.প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান।
৩.কম্পিউটার সংখ্যা বাড়লেও এর দক্ষতা খুব বেশি প্রভাবিত হয় না।
রিং টপোলজির অসুবিধা-
১.কোন কম্পিউটার নষ্ট হলে পুরা সিস্টেম অচল হয়ে যায়।
২.কোন সমস্যা নির্নয় করা বেশ জটিল।
৩.নেটওয়ার্কে কোন কম্পিউটার যুক্ত করলে বা সরিয়ে নিলে পুরা কার্যক্রম ব্যাহত করে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Whatsapp-এর সদর দপ্তর - মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া।
• ইন্সটাগ্রামের সদর দপ্তর - ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া।
• এক্স/টুইটারের সদর দপ্তর - সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
• ইউটিউবের সদর দপ্তর - সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়া।
• লিংকডইনের সদর দপ্তর - মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া।
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট।
- হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল ও কম্পিউটার ডিভাইস, যেমন- স্মার্টফোন, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ, পিডিএ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।
- বর্তমানের জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো-
১. ব্লুটুথ,
২. ওয়াই-ফাই ও
৩. ওয়াইম্যাক্স।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপটিক ফাইবার হলো এক ধরনের ডেটা পরিবহন মাধ্যম যেখানে মূলত লাইট সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। অপটিক ফাইবারের ভেতরে অত্যন্ত সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি কোর থাকে, যার ভেতর দিয়ে আলো প্রতিফলন ও প্রতিসরণের নীতিতে বারবার প্রতিফলিত হয়ে অগ্রসর হয়। এই আলোক সংকেতকে লেজার বা LED-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং তা তথ্য বহন করে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেয়। ইলেকট্রিক সিগন্যালের তুলনায় অপটিক ফাইবারে ডেটা পরিবহন অনেক দ্রুত, নিরাপদ এবং দূরত্বে ক্ষয় কম হয়। তাই উত্তর হলো- ক) লাইট সিগন্যাল।
ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- অপটিকাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-
১. কোর:
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।
২. ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।
৩. জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি মাত্র সংযোগ লাইন থাকে।
- এই সংযোগ লাইকে বাস বলে।
- এই লাইনের দুই প্রান্তে দুইটি টার্মিনাল থাকে।
- প্রতিটি নোড ড্রপ ক্যাবল দিয়ে সরাসরি বাসের সাথে যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্রবাহ দ্বিমুখী থাকে।
- একাধিক হোস্ট ডাটা ট্রান্সফার করার সময় সমস্যা হতে পারে।
- রিপিটারের মাধ্যমে ব্যাকবোন সম্প্রসারণ করা যায়।
- কোনো একটি নোড নষ্ট হলে বাকি নোড গুলো প্রভাবিত হয় না।
- কেন্দ্রীয় কোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।
অসুবিধা:
- মূল ক্যাবল নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য কোনো সমন্বয় ব্যবস্থা নাই।
- যদি ট্রাফিক বৃদ্ধি পায় তাহলে ডেটা কলিশন বৃদ্ধি পায়।
- বাস টপোলজিতে সৃষ্ট সমস্যা নির্ণয় তুলনামূলক বেশি জটিল।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
উৎস: উচ্চ-মাধ্যমকের ICT বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্লকচেইন মূলত P2P (পিয়ার-টু-পিয়ার) নেটওয়ার্ক তৈরি করে কাজ করে।
- এতে ডেটাগুলো বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয় এবং এতে ডেটার মালিকানা সংরক্ষিত থাকে।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করলে কোনো একটি ব্লকের ডেটা পরিবর্তন করতে চাইলে সেই চেইনে থাকা প্রতিটি ব্লকে পরিবর্তন আনতে হবে, যা অসম্ভব।
- তাই এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করাটা বেশ নিরাপদ।
- ডিজিটাল মুদ্রা (Cryptocurrency) তে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।
উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।
- উইকিলিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা যা বিভিন্ন গোপন নথিপত্র ফাঁসের জন্যে আলোচিত।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে
- ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৭ সালে এটি অফিসিয়ালি চালু হয়।
- ২০১২ সালের জুনে অ্যাসাঞ্জ লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
- সম্প্রতি তিনি কারামুক্ত হয়েছেন।
উৎস: ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎস (Source) প্রােগ্রামকে বস্তু (Object) প্রােগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যার প্রয়ােজন হয় তাকে অনুবাদক বলে।
অনুবাদক তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ
(১) কম্পাইলার (Compiter)
(২) ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
(৩) এ্যাসেম্বলার (Assembler)
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) অ্যান্টেনা ব্যবহার করা হয়।
৫জি:
- ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ২০১৯ সালে চালু হওয়া এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এই প্রযুক্তি দ্রুততর কানেক্টিভিটি, উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং “নিম্ন ল্যাটেন্সি” (অর্থাৎ অপেক্ষার সময় অনেক কম) প্রদান করে।
- এর ফলে ফোন কল, স্ট্রিমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, গেমিং এবং ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত হয়, পাশাপাশি সংযুক্ত সিস্টেম ও মোবাইল অ্যাপের প্রতিক্রিয়াশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
- ৫জি স্মার্টফোনের ডাউনলোড গতি দ্বিগুণ করতে সক্ষম এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সংযুক্ত যন্ত্রপাতির জন্য পারফরম্যান্স অনেক বেশি উন্নত করে।
- ৫জি প্রযুক্তি উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং (ML), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির (AR) ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যা পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুটোই বৃদ্ধি করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমের কাজেও সহায়তা করে।
- ৫জি “ওপেনরোমিং” প্রযুক্তিও সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চলাচলের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াই-ফাইতে অথবা ওয়াই-ফাই থেকে সেলুলারে কোনো বিরতি ছাড়াই ও পাসওয়ার্ড ছাড়াই পরিবর্তন করতে পারে।
- ৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো একটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করে, যাকে MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) বলা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ২০০৪
গুগল
- গুগল হলো একটি মার্কিন সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এটি Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে কাজ করছে।
- গুগল বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে। কোম্পানির সদর দপ্তর মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- শুরুতে গুগল শুধুমাত্র একটি সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
- পরে গুগল ম্যাপস ও ইউটিউবের মতো পরিষেবা ব্যবহারকারীর ডেটা একত্রিত করে সার্চ ইঞ্জিনকে আরও শক্তিশালী করেছে।
- ২০০৪ সালে গুগল Gmail চালু করে, যা বিনামূল্যে ওয়েব-ভিত্তিক ইমেইল সেবা দেয়।
- ২০০৮ সালে Chrome ব্রাউজার চালু হয়, যা ওয়েব প্রোগ্রাম চালানোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি।
- Chrome OS ব্যবহারকারীদের কম সিস্টেম রিসোর্স দিয়ে ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা প্রদান করে।
- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন ইমেইল, অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি, এবং মোবাইল/ট্যাবলেট সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল হার্ডওয়্যার ক্ষেত্রেও প্রবেশ করে।
Source: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা, কার্যপ্রক্রিয়া ও প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড সম্পাদন করতে পারে।
- "রোবট" শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ শ্রমিক।
- চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক ১৯২০ সালে প্রকাশিত তাঁর নাটকে সর্বপ্রথম 'রোবট' শব্দটি ব্যবহার করেন।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, আইজাক আসিমভ ১৯৪১ সালে প্রকাশিত তাঁর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ প্রথম 'রোবটিক্স' শব্দটি ব্যবহার করেন।
- জর্জ চার্লস ডেভল প্রথম রোবট তৈরি করেন।
- প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল "ইউনিমেট (Unimate), যা ১৯৫০ সালে তৈরি করা হয়।
- আমেরিকান বিজ্ঞানী জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার "ইউনিমেট" রোবট তৈরির প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে "রোবোটিক্সের জনক" বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি ভার্চুয়াল কীবোর্ড হলো এমন একটি সফ্টওয়্যার যা একটি আদর্শ কিবোর্ডের অনুরূপ।
- ভার্চুয়াল কীবোর্ড হল একটি অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যা ম্যালিসিয়াস কী লগার প্রোগ্রামগুলির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- "স্পাইওয়্যার" ও "ট্রোজান" থেকে গ্রাহককে রক্ষা করতে মূলত এই কীবোর্ড ডিজাইন করা হয়েছে।
উৎস : ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ওয়েবসাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোন সেবা প্রদান করাকেই ই-সার্ভিস বা ই-সেবা বলা হয়।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেন বাড়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি ও আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।
- এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator.
- URL নির্দিষ্ট রিসোর্সের সমন্বিত রূপ।
- এতে DNS সার্ভারের প্রয়োজন আছে।
- URL কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যায় সীমিত নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার উপর ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• দেওয়া চারটি IP address-এর মধ্যে ভুলটি হলো খ) 192.168.255.256। কারণ IPv4 address চারটি সংখ্যা (octet) দিয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি সংখ্যা 0 থেকে 255 এর মধ্যে থাকতে হবে। এখানে শেষ octet হলো 256, যা অনুমোদিত সীমার বাইরে। বাকি IP address গুলো সব ঠিক আছে। উদাহরণস্বরূপ, 162.31.0.1, 10.1.2.3 এবং 155.255.255.255 সবই বৈধ, কারণ প্রতিটি octet 0 থেকে 255 এর মধ্যে। তাই শুধুমাত্র 192.168.255.256 ভুল এবং এটি কোনো নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। IPv4 address-এর এই সীমাবদ্ধতা মানা বাধ্যতামূলক।
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5
২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত।
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশ সাধারণত ইউজার আইডি (User ID) নির্দেশ করে।
- এটি সেই ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নাম বা পরিচিতি যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিকানা প্রকাশ করে।
- যেমন, example@mail.com এই ঠিকানায় "example" হলো ইউজারনেম।
- @ প্রতীকের ডান পাশে থাকে ডোমেইন নেম, যা নির্দেশ করে কোন সার্ভারে ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হোস্ট করা আছে। যেমন, উপরের উদাহরণে "mail.com" হলো ডোমেইন নেম।
• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- আলেক্সা র্যাঙ্কিং এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ “Meta” এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
উৎস: Britannica.com ও রয়টার্স রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- X এর পূর্বনাম টুইটার।
- অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
- জুলাই,২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
- X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে
- সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States
- প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- বর্তমান CEO: Linda Yaccarino
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• রোবট সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা রোবটকে নির্দিষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে সাহায্য করে।
• রোবট (Robot):
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা কম্পিউটার প্রোগ্রামের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- এটি মানুষের মতো বিভিন্ন কাজ দ্রুত, নির্ভুল ও ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
- রোবট সাধারণত সেন্সর, কন্ট্রোলার এবং প্রোগ্রামিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত হয়।
- শিল্পকারখানা, চিকিৎসা, মহাকাশ গবেষণা, সামরিক কার্যক্রম এবং বিপজ্জনক পরিবেশে কাজের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
• রোবট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা:
- রোবটের কার্যক্রম মূলত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- প্রোগ্রাম অনুযায়ী রোবট নির্দিষ্ট কাজ যেমন চলাচল, বস্তু ধরার কাজ, মাপজোক বা বিশ্লেষণ করতে পারে।
- রোবটের নিয়ন্ত্রণে সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্যও ব্যবহৃত হয়।
• রোবটের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- শিল্প উৎপাদন ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি পরিচালনা।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচার।
- মহাকাশ গবেষণা ও অনুসন্ধান।
- বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ সম্পাদন।
• অন্যান্য অপশন:
- ইন্টারনেট সার্ভার → এটি মূলত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য ও সেবা প্রদানকারী কম্পিউটার ব্যবস্থা।
- ডেটাবেজ সিস্টেম → ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার ব্যবস্থা।
- অপারেটিং সিস্টেম → কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনার মূল সফটওয়্যার।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
◊ SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।
◊ POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
◊ IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন:
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বিশ্বগ্রাম এর প্রবক্তা - মার্শাল ম্যাকলুহান।
- রোবটিক্সের জনক - ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার।
- WWW এর জনক - টিম বার্নারস লি।
উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য বা ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। Google, Bing, এবং Yahoo সবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত এবং সহজে তথ্য খুঁজে দিতে সক্ষম। তাই Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়। সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়।
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এর কারণগুলো হল:
1) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির (সাধারণত 300 MHz থেকে 300 GHz) হওয়ায় এটি সরল রেখায় চলে।
2) দুটি মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) থাকা আবশ্যক।
3) এই পদ্ধতিতে অন্যান্য মাধ্যম যেমন ক্যাবল বা ওয়েভগাইডের প্রয়োজন হয় না।
4) আয়নোস্ফিয়ার প্রতিফলনের প্রয়োজন নেই, কারণ মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ার ভেদ করে যায়।
এই কারণে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় টাওয়ারগুলি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) বজায় থাকে এবং সিগন্যাল খোলা আকাশের মধ্য দিয়ে সরল রেখায় যেতে পারে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- An e-mail program is also known as an e-mail client.
- When using an e-mail client, a server that stores and delivers your messages is used.
- This server is often hosted by your ISP but can be another Internet company.
- An e-mail client needs to connect to a server to download a new e-mail, whereas e-mail stored online is always available to any Internet-connected device.
উত্তর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।
ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এটি একটি Backup And Recovery Tool.
File Compression Programs:
- বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল কম্প্রেস (compress) এবং আনকম্প্রেস (uncompressed) করার জন্য বিভিন্ন রকমের টুল ব্যবহার করা হয়।
- ফাইলের আকার (size) কমানোর জন্য এই টুল গুলো ব্যবহার করা হয়।
- কিছু compression টুল এর উদাহরণ হল:
• WinZip,
• WINRAR,
• 7-ZIP,
• PeaZip, ইত্যাদি।
Backup And Recovery Tool:
- এই টুল কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা স্টোরেজে স্টোর থাকার পাশাপাশি অন্য লোকেশনেও ডেটা backup রাখে।
- পুনরায় dataগুলো রিকভার করা যায় অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর টুল ডাটা ব্যাকআপ রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ডাটা ব্যাকআপ রাখার বিভিন্ন রকম টুল হলো-
• Google drive,
• Dropbox,
• Microsoft one drive, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ CDMA (Code Division Multiple Access) হলো একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা মোবাইল যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।
সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়। তার বিহীন দুটি ডিভাইেেসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে। বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। জিএসএম (GSM) ও
২। সিডিএমএ (CDMA)
জিএসএম:
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড। একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।
সিডিএমএ:
- সিডিএমএ এর পুরো অর্থ হলো-কোড ডিভিশন মাল্টিপল আ্যকসেস (CDMA-Code Division Multiple Access)।
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড যা কিনা বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- সিডিএমএ প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- সিডিএমএ তে এখন ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) Wi-Fi হলো ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) প্রযুক্তি, যা মূলত ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
খ) Bluetooth মূলত পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যা সেলুলার নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ঘ) Ethernet হলো Wired নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যা LAN (Local Area Network)-এ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- QR কোডের QR শব্দের পূর্ণরূপ হলো Quick Response.
- এটি এমন এক ধরণের দুই-মাত্রিক বারকোড যা খুব দ্রুত তথ্য পড়া এবং শনাক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- প্রথমে জাপানের একটি কোম্পানি এটি উদ্ভাবন করে গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত ট্র্যাক করার উদ্দেশ্যে।
- বর্তমানে এটি মোবাইল পেমেন্ট, ওয়েবসাইট লিংক, পণ্যের তথ্য, টিকিটিংসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাধারণ বারকোডের তুলনায় এতে অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায় এবং স্ক্যানার বা স্মার্টফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে সহজে পড়া সম্ভব হয়।
- এই দ্রুত পড়ার ক্ষমতাই এর নামের সাথে “Quick Response” যুক্ত করেছে।
QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।
QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
তথ্যসূত্র:
1. Kaspersky.
2. Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
১) সিমপ্লেক্স,
২) হাফ ডুপ্লেক্স ও
৩) ফুল-ডুপ্লেক্স।
সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
সিমপ্লেক্সের উদাহরণ:
- রেডিও ব্রডকাস্টিং,
- টিভি ব্রডকাস্টিং,
- কীবোর্ড,
- মাউস ইত্যাদি।
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- মোবাইল ফোনে কনভারসেশন,
- ইন্টারনেটে ভিডিও ও ভয়েস কল কনভারসেশন।
হাফ-ডুপ্লেক্স মোড :
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায়, আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ:
- ওয়াকি-টকি,
- ফ্যাক্স,
- এসএমএস,
- ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।
- In Half-duplex communication mode can a device both sends and receives signals but not simultaneously.
- অর্থাৎ, ফুল-ডুপ্লেক্সে আমরা একই সাথে একই সময়ে (simultaneously) মোবাইলে বা ইন্টারনেটে ভয়েস বা ভিডিও কলে কথা বলতে পারি।
- হাফ-ডুপ্লেক্সে আমরা কাউকে একটা SMS কাউকে পাঠালে সে SMS পেয়ে তারপর এর রিপ্লায় দেয়। যা দুজনেই সিগন্যাল send ও receive করতে পারে কিন্তু, একই সময়ে একই সাথে (simultaneously) হয় না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ঘ) LinkedIn
- LinkedIn হলো Microsoft-এর অধীনস্থ একটি পেশাগত নেটওয়ার্কিং সাইট।
- অন্যদিকে, Instagram, Threads, এবং Messenger সবগুলোই META (পূর্বে Facebook) এর অধীনস্ত।
- Instagram: META-এর অধীন।
- Threads: META-এর অধীন।
- Messenger: META-এর অধীন।
- তাহলে, LinkedIn হলো একমাত্র যা META-এর অধীন নয়।
• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো দূরবর্তী এলাকার রোগীদের জন্য সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ পাওয়া সম্ভব হওয়া।
• টেলিমেডিসিন (Telemedicine):
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী স্থানে থাকা রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করার পদ্ধতি।
- এর মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক একই স্থানে উপস্থিত না থেকেও চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।
- ইন্টারনেট, ভিডিও যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মেডিকেল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে এই সেবা পরিচালিত হয়।
• টেলিমেডিসিনের বৈশিষ্ট্য:
- দূরবর্তী এলাকার রোগীরা সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে পারে।
- চিকিৎসা সেবা দ্রুত ও সহজলভ্য হয়।
- সময় ও যাতায়াত ব্যয়ের সাশ্রয় হয়।
- জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।
• টেলিমেডিসিনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- দূরবর্তী এলাকায় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান।
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ।
- স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও ফলোআপ সেবা।
- হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান।
• অন্যান্য অপশন:
- দূরবর্তী রোগীর চিকিৎসা সহজলভ্য করা → টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ও ব্যবহার ক্ষেত্র।
- কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুবাদ করা → অনুবাদক প্রোগ্রাম (Compiler, Interpreter, Assembler) এর কাজ।
- অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা → অফিস অটোমেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা → ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলা হয়।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica।
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ মাধ্যম।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন করে যে কোনো ডকুমেন্ট, চিঠি-পত্র, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং যে কোনো তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- টেলিফোন লাইন ও মোডেম ব্যবহার করে এ সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- প্রেরণকৃত তথ্য প্রাপক গ্রহণ না করা পর্যন্ত নেটওয়ার্কের একটি স্টোরেজে (সার্ভার) জমা থাকে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে ফ্রি ই-মেইল পরিষেবা প্রদান করে।
- ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে বিনামূল্যে ই-মেইল একাউন্ট খুলতে পারেন।
- একাউন্ট তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন আপ বা ক্রিয়েট একাউন্ট অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করতে হয়।
- একাউন্ট তৈরি হলে সেটির মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করা যায়।
- ই-মেইল ঠিকানায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন থাকে, যেমন @gmail.com, @yahoo.com ইত্যাদি।
- প্রতিটি একাউন্টের জন্য পৃথক পাসওয়ার্ড নির্ধারিত থাকে।
- ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন থেকে তার ধরন চেনা যায়, যেমন .com (কমার্শিয়াল), .org (সংস্থা), .net (নেটওয়ার্ক), এবং .edu (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মডেম:
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এই কাজের জন্য এতে একটি DAC (Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ADC (Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.
- ৬টি কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, n = 6
n(n-1)/2
= 6(6-1)/2
= (6×5)/2
= 30/2
= 15 টি
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- তিনি ১৯৫৯ সালে "There's Plenty of Room at the Bottom" শিরোনামে একটি বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি অণু ও পরমাণুর স্কেলে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের ধারণা দেন।
- তার এই ধারণাই পরবর্তীতে ন্যানো প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে, এজন্য তাকে "ন্যানো প্রযুক্তির জনক" বলা হয়।
ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, ওয়ার্নার হেইজেনবার্গ, এরউইন শ্রডিংগার প্রমুখ।
গ) অ্যালান টুরিং (Alan Turing)-কে সাধারণত কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
ঘ) জোসেফ এঙ্গেলবার্গ (Joseph Engelberger)-কে আধুনিক রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রতিষ্ঠাতা - জেফ বেজোস।
• সদরদপ্তর - সিয়াটল, ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
• ফেসবুক, লিংকড ইন, টুইটার হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
উৎস: amazon.com ও ব্রিটানিকা.কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: facebook.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL.
- BTCL এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Telecommunications Company Limited.
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) গঠন করা হয়।
- BTCL এর OTT (Over The Top) কলিং সেবা 'আলাপ'।
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফেসবুকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে।
ফেসবুকের স্লোগান 'be connected'।
ফেসবুক ব্যবহারের সর্বনিম্ন বয়স ১৩ বছর।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
• মাইক্রোসফটের পরিষেবা:
- বিং, ওয়ান ড্রাইভ, আউটলুক.কম ইত্যাদি।
উৎস: Microsoft
উত্তর
ব্যাখ্যা
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet।
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।
• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- উচ্চ রক্তচাপ রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- VAR বা Video Assistant Referee হলো একটি প্রযুক্তিনির্ভর ভিডিও রিভিউ পদ্ধতি, যা ফুটবল খেলায় ব্যবহৃত হয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যাচাই ও নিশ্চিত করার জন্য।
• VAR প্রযুক্তির মূল ব্যবহার:
- গোল হয়েছে কি না তা যাচাই করা।
- পেনাল্টি সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ।
- সরাসরি লাল কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত যাচাই।
- ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার সংশোধন।
- এটি ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ করে মাঠে রেফারিকে সহায়তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।
তথ্যসূত্র:
- FIFA Official Website - 'VAR'
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
উৎস: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, কুমিল্লা এর নবনির্মিত ছয়তলা ভবন ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত 'রূপকল্প-২০৪১' বাস্তবায়নে এবং 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লব(4th IR)'কে সামনে রেখে কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্র রাজবাড়ী কম্পাউন্ডে প্রতিষ্ঠিত 'স্কুল অব রোবটিক্স ' এর শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া স্যার, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা ও সভাপতি(কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, এবং 'স্কুল অব রোবটিক্স') জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মহোদয়।
সূত্র: Comilla Collectorate School and College Website।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড; যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
- অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে।
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে।
- হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।
- হ্যাকাররা মূলত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- বিশেষ ধরনের এ সফ্টওয়্যারকে বলে স্পাইওয়্যার।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এসএমএসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।
- এসএমএসের মাধ্যমে আখচাষিরা তাৎক্ষণিকভাবে পূর্জির তথ্য পাচ্ছে বলে এখন তাদের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান হয়েছে।
- পাশাপাশি সময়মতো আখের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় চিনিকলের উৎপাদনও বেড়েছে।
ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস):
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায়।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে ই-এমটিএস সেবা পাওয়া যায়।
ই-পর্চা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।
- পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীগণ বড়ো বড়ো রেকর্ড বই থেকে তথ্যসমূহ পূর্ব নির্ধারিত ছকে পূরণ করে আবেদনকারীকে সরবরাহ করতেন।
- এজন্য আবেদনকারীকে যেমন সরাসরি উপস্থিত হতে হতো তেমনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরাও গতানুগতিক পদ্ধতিতে পর্চা তৈরি করতেন।
- বর্তমানে এটি ই-সেবার আওতায় আসাতে আবেদনকারী দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকেই নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মেটাভার্সে প্রবেশ করতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি সবচেয়ে অপরিহার্য। মেটাভার্স মূলত একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ, ত্রিমাত্রিক ডিজিটাল পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাভাতার ব্যবহার করে অন্যান্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। এই পরিবেশে বাস্তবসম্মত অনুভূতি পেতে VR হেডসেট এবং গ্লাভসের মতো যন্ত্রের সাহায্য লাগে, যা আমাদের দৃষ্টি, শ্রবণ ও স্পর্শের মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিতির অভিজ্ঞতা দেয়। অন্য প্রযুক্তি যেমন থ্রিডি প্রিন্টিং, ব্লকচেইন মাইনিং বা ক্লাউড প্রিন্টিং মেটাভার্সকে সাপোর্ট করতে পারে, তবে সরাসরি প্রবেশ এবং ইন্টারঅ্যাকশন করার জন্য VR সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মেটাভার্স অ্যাক্সেসের মূল চাবিকাঠি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।
• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display-HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
[X (formerly Twitter) has moved its headquarters from San Francisco to Bastrop, Texas, a location about 30 miles east of Austin.]
⚪ X/Twitter:
- Twitter এর বর্তমান নাম X.
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (তথ্য: ২১ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত))
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।
• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।
উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- HTML এর পূর্ণরুপ হল হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজকে (Hyper text markup language) সংক্ষিপ্ত নামে HTML বলা হয়।
- HTML হল একটি কম্পিউটার ভাষা যা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্রাউজারের তথ্য প্রদর্শন বা, ওয়েব পেইজের তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ HTML ব্যবহার করে থাকেন।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম:
- কম্পিউটার এবং অন্যান্য আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে সিগন্যাল ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ, সিগন্যাল ডাটাকে উপস্থাপন করে থাকে।
- এই সিগন্যালকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানোর জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া দরকার হয়।
- প্রেরক এবং দূরবর্তী প্রাপকের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ, এই সংযোগ ব্যবস্থাকে বলা হয় মাধ্যম।
- যে মাধ্যমে কোন একটি নেটওয়ার্কের সকল ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মিডিয়া বা মাধ্যম বলে।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া দুই ধরনের।
যথা-
ক। তার মাধ্যম (Guided/Wired Media):
- ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল তার মাধ্যম।
- ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি এই মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে নিয়ে যায় বলে এ মাধ্যমকে গাইডেড মাধ্যম বলা হয়।
- তার মাধ্যম মিডিয়াকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়-
১। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল,
২। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও
৩। অপটিকাল ফাইবার ।
খ। তারবিহীন মাধ্যম (Unguided/Wireless Media):
- ওয়্যারলেস কথাটির অর্থ তার বিহীন বা তারহীন।
- তার বিহীন যোগাযোগ বা ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন হলো এমন ধরণের যোগাযোগ যেখানে কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে সাধারণত রেডিও ওয়েভব্যবহার করা হয়।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের মিডিয়াকে কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১। রেডিও ওয়েভ (Radio wave),
২। মাইক্রো ওয়েভ (Micro wave) ও
৩। ইনফ্রারেড (Infrared) ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
উত্তর
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক হতে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য :
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়।
৫. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
৬. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৭. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৮. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
৯. সমসাময়িক অন্যান্য সকল ফোনের চেয়ে আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি / আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়৷
- ১৯৮৩ সালে অরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- বর্তমানেও এটিই ইন্টারনেট প্রটোকল নামে পরিচিত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Satellite
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।
• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Glassdoor.com ই-কমার্স ওয়েবসাইট নয়, বরং ইহা অনলাইনভিত্তিক যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী খোঁজবার একটি ওয়েবসাইট।
অপরদিকে, amazon.com, alibaba.com, ebay.com হল জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দুই বা ততোধিক LAN কে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN বলে।
- উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের কথা ধরা যাক। একাডেমিক ভবনের ল্যান, প্রশাসনিক ভবনের ল্যান, বিভিন্ন বিভাগের ল্যান, হলের ল্যান ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে।
- ক্যানের (CAN) বিস্তৃতি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে হতে পারে যা ল্যান থেকে বড় কিন্তু ম্যান থেকে ছোট।
- বড় প্রতিষ্ঠান বা এন্টারপ্রাইজের একাধিক ভবনের ল্যান ব্যবহারকারীদের কাজের সম্বন্বয়ের জন্য কিংবা মূল্যবান কোন ডিভাইস শেয়ার করার জন্য কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (Corporate Area Network - CAN) তৈরি করা হয় যা অনেকটা ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের অনুরূপ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জিগবি (Zigbee) হলো একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ-স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- পাওয়ার আউটপুট এবং পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যগুলির উপর নির্ভর করে এই প্রযুক্তির প্যানের সীমা দৃষ্টি রেখায় ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
- জিগবি ডিভাইসগুলি আরও দূরবর্তী স্থানে পৌঁছানোর জন্য মধ্যবর্তী ডিভাইসের একটি মেশ নেটের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে দীর্ঘ দূরত্বের তথ্য প্রেরণ করতে পারে।
- এটি সাধারণত কম ডেটা রেট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় যা দীর্ঘ ব্যাটারীর জীবন এবং নিরাপদ নেটওয়ার্কিং নিশ্চিত করে।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে ICANN নামক প্রতিষ্ঠান।
• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম।
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে।
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে।
- এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে Wi-Fi ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রিলেশন অপারেটর < দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের চেয়ে ছোট ।
- রিলেশন অপারেটর >= দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের চেয়ে বড় বা সমান।
- রিলেশন অপারেটর $ দ্বারা সাব-স্ট্রিংয়ের মধ্যে তুলনা করে।
- রিলেশন অপারেটর = দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের সমান।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজি (Bus Topology) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক সংগঠন যেখানে একটি মাত্র মূল তার বা কমন লিংকের সাথে নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত সকল কম্পিউটার বা নোড সংযুক্ত থাকে।
- এই মূল ক্যাবলটিকে বলা হয় 'ব্যাকবোন' (Backbone)। যখন কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠায়, তা ব্যাকবোনের মাধ্যমে সব কম্পিউটারের কাছে পৌঁছায় এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রাপক সেটি গ্রহণ করে।
• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে-
১। বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
২। রিং টপোলজি (Ring Topoplogy):
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান। প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।
৩। স্টার টপোলজি (Star Topology):
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।
৪। মেস টপোলজি (Fully Inter-connected Topology):
- মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি যে কোন কম্পিউটারে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল হচ্ছে SMTP।
Simple Mail Transfer Protocol (SMTP):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
- প্রোটোকল হলো একটি নিয়মাবলী যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ নিশ্চিত করে, তথ্য কীভাবে সংগঠিত হবে এবং প্রতিটি পক্ষ কীভাবে ডেটা পাঠাবে ও গ্রহণ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।
ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত)
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি।
চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নেটওয়ার্কে তথ্য আদান–প্রদান করার সময় ডেটা সবসময় আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। হ্যাকাররা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডেটা চুরি করতে পারে, যেমন: প্যাকেট স্নিফিং, ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ, বা অননুমোদিত প্রবেশ।
- এই ধরনের ঝুঁকি থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো Encryption (এনক্রিপশন)।
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয় ।
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম: সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)।
• অন্যান্য অপশন:
- ফিশিং হলো একটি আক্রমণ পদ্ধতি যেখানে প্রতারণামূলক লিঙ্ক বা ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হয়।
- হ্যাকিং হলো অননুমোদিতভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ডাটা চুরি, নষ্ট বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম এক্স।
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত: যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক - Elon Musk ।
- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) Linda Yaccarino।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
- মেটা এবং ইন্সটাগ্রাম-এর সদর দপ্তর ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লিংকডইন-এর সদর দপ্তর মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া।
উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকশন সরবরাহ করে। WiMAX প্রধানত ২ থেকে ৬৬ গিগাহার্জ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে। এটি সাধারণত ২.৩, ২.৫, এবং ৩.৫ GHz ব্যান্ডে ব্যবহৃত হয়। এই ফ্রিকোয়েন্সি উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং বড় পরিসরে কভারেজ নিশ্চিত করতে সক্ষম। WiMAX এর মাধ্যমে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত দূরত্বে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করা যায়। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে ক) 2.0 - 66 GHz, যা GHz পরিসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। WiMAX এর উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের ফলে ডেটা স্পিড এবং নেটওয়ার্ক স্থায়িত্ব উন্নত হয়।
• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. IEEE.
উত্তর
ব্যাখ্যা
CDMA প্রযুক্তিটি একটি Advanced Digital Technology যা আমেরিকান ওয়্যারলেস্ কমিউনিকেশন গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcom আবিষ্কার করে।
এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।
ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।
মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।
অ্যানিকাস্ট (Anycast)
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গম্ন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মাল্টিকাস্ট মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের অনুমোদিত সদস্যরা ডাটা গ্রহণ করতে পারে, যা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য উপযুক্ত।
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড (Data Transmission Mode):
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় একটি প্রেরক (Sender) থেকে এক বা একাধিক প্রাপক (Receiver)–এর কাছে ডাটা প্রেরণ করা হয়।
- প্রাপকের সংখ্যা এবং ডাটা গ্রহণের অধিকারের ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের প্রকারভেদ:
১. ইউনিকাস্ট (Unicast)
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast)
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)
• ১. ইউনিকাস্ট (Unicast):
- ইউনিকাস্ট পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- একই সময়ে একাধিক প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এ কারণে সিমপ্লেক্স (Simplex), হাফ-ডুপ্লেক্স (Half Duplex) ও ফুল-ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।
• ২. ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্ট মোডে কোনো একটি যন্ত্র (কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- অর্থাৎ প্রেরিত ডাটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: টেলিভিশন সম্প্রচার কেন্দ্রে কোনো অনুষ্ঠান বা মুভি সম্প্রচার করলে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল দর্শক তা গ্রহণ ও উপভোগ করতে পারে।
• ৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
- মাল্টিকাস্টে একটি প্রেরক থেকে ডাটা প্রেরণ করলে নেটওয়ার্কের সকল নোড তা গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সদস্যরাই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরাই অংশগ্রহণ ও ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
• WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access |
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps ।
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া 10-50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।
5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।
সোর্স: ব্রিটানিকা।