• সঠিক উত্তর - EC2.
IaaS বা Infrastructure as a Service হল ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ভৌত হার্ডওয়্যার বা সার্ভার পরিচালনার ঝামেলা ছাড়াই ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী শুধুমাত্র রিসোর্সের জন্য অর্থ প্রদান করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, EC2 (Elastic Compute Cloud) একটি IaaS সেবা, যা ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল সার্ভার তৈরি, কনফিগার ও পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
• অপশন আলোচনা:
ক) WordPress: এটি একটি CMS (Content Management System), যা সাধারণত SaaS বা PaaS (Platform as a Service) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ব্যবহারের সুবিধা থাকে, পরিকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
খ) Google Apps (Google Workspace): এটি সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের পরিষেবা (SaaS), যেমন Gmail, Docs ইত্যাদি।
ঘ) Salesforce: এটি একটি CRM (Customer Relationship Management) সমাধান, যা সম্পূর্ণরূপে SaaS (Software as a Service)।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।