PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
PrepBank · পাতা ৩১ / ৫১ · ৩,০০১–৩,১০০ / ৫,০২৮
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন৷
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে৷
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে৷
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন- Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।
Source: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• World Wide Web:
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের CERN-এর বিজ্ঞানীরা একটি নতুন ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেন।
- যাতে এই উদ্ভাবন ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা তাদের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি (গ্রাফিক্স) এবং অন্যান্য সহায়ক উপাদান সহজে খুঁজে পেতে এবং ব্যবহার করতে পারেন।
- পরে এই উদ্ভাবিত পদ্ধতিই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হলেন টিম বার্নার্স-লি।
- WWW বা World Wide Web ইন্টারনেট-ভিত্তিক একটি তথ্য ব্যবস্থা।
- এখানে ব্যবহারকারীরা হাইপারলিঙ্কের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে থাকা ওয়েবপেজ ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করতে পারে।
- এই তথ্যগুলো সাধারণত ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা হয়।
- ওয়েবের মাধ্যমে লেখা (টেক্সট), ছবি, অডিও ও ভিডিও একসাথে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রদর্শিত হয়।
- এজন্য ওয়েবকে ইন্টারনেটের মাল্টিমিডিয়া বলা হয়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনুসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে এবং প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুসারে প্রদান করে একটি তালিকা প্রদান ডাটাবেজে অনুসন্ধান করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
- জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো: Google, Bing, Yahoo, Baidu, DuckDuckGo ইত্যাদি।
• DuckDuckGo:
- CEO: Gabriel Weinberg (2008 - present)
- Founder: Gabriel Weinberg
- Founded: February 29, 2008
- Headquarters: Paoli, Pennsylvania, United States
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হয়েছেন এনবিসি ইউনিভার্সালের বিজ্ঞাপন বিভাগের সাবেক প্রধান লিন্ডা ইয়াকারিনো।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• TCP (Transmission Control Protocol) হলো কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা বড় আকারের ডাটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বা সেগমেন্টে বিভক্ত করে। এর প্রধান বিশেষত্ব হলো এটি ডাটা গন্তব্যে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দেয়; যদি কোনো প্যাকেট পথে হারিয়ে যায়, তবে এটি তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে এবং প্যাকেটের সঠিক ক্রম বজায় রাখে।
• TCP প্রোটোকলের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ওএসআই (OSI) মডেলের চতুর্থ স্তর বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।
- ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে কানেকশন স্থাপন করে যা থ্রি-ওয়ে হ্যান্ডশেক নামে পরিচিত।
- একটি নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল কারণ এটি ডাটা প্রাপ্তির পর অ্যাকনলেজমেন্ট (Acknowledgement) প্রদান করে।
- ডাটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক সিকোয়েন্স বা ক্রমানুসারে সাজাতে সাহায্য করে যাতে তথ্য এলোমেলো না হয়।
- ফ্লো কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রিসিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।
অন্যান্য অপশন:
- ডাটা প্যাকেটগুলোর সঠিক গন্তব্য পথ খুঁজে বের করা: এটি মূলত আইপি (IP - Internet Protocol) এর কাজ, যা নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটিং সম্পন্ন করে।
- ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শন করা: এটি ওয়েব ব্রাউজারের (যেমন- ক্রোম বা ফায়ারফক্স) কাজ, কোনো ট্রান্সপোর্ট প্রোটোকলের নয়।
- ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা: এটি ডিএনএস (DNS - Domain Name System) এর কাজ।
উৎস: ব্রিটানিকা।[link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
স্থাপনা মডেলগুলো ক্লাউডের অ্যাক্সেসের ধরণটি সংজ্ঞায়িত করে, অর্থাৎ ক্লাউডটি কীভাবে অবস্থিত? ক্লাউডে চার ধরণের অ্যাক্সেস থাকতে পারে: পাবলিক, প্রাইভেট, কমিউনিটি এবং হাইব্রিড ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়। এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।
এনটিটি সেট:
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।
এট্রিবিউট:
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
ভ্যালু:
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
কী:
সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
উত্তর
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Full duplex
WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- এটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইন্টারনেট দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
৩। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্স সমূহ যদি একসাথে থাকে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্কষ্টেশন বলে।
- ওয়ার্কষ্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটার মাঝে একটি সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে স্থাপিত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও উপাত্ত বিনিময়ের ব্যবস্থা করে থাকে।
- নেটওয়ার্কে সংযোজিত প্রতিটি কম্পিউটারকে একেকটি হোস্ট কম্পিউটার হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি সনাক্ত করার জন্য Gyroscope প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। Gyroscope একটি সেন্সর যা কোণ বা দিক পরিবর্তনের তথ্য সরবরাহ করে। এটি মাথার দিক, ঘূর্ণন এবং ঢাল পরিবর্তন ট্র্যাক করতে সক্ষম, যা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন ব্যবহারকারী মাথা বাঁকায় বা ঘোরায়, Gyroscope সেন্সর তা সনাক্ত করে এবং VR হেডসেটের ডিসপ্লেতে পরিবেশ অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্যদিকে Thermometer তাপমাত্রা মাপে, Barometer বাতাসের চাপ নাপে, এবং Microphone শব্দ সংগ্রহ করে। তাই VR হেডসেটে মাথার গতিবিধি ট্র্যাকিংয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো Gyroscope.
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- কম্পিউটার প্রযুক্তি হলো সেই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামো যা জটিল গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং, এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইন্টারফেস পরিচালনা করে।
- সিমুলেশন তত্ত্ব হলো গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক নীতি যা পদার্থবিদ্যার সূত্র, আলোর আচরণ, শব্দের প্রসারণ, এবং স্থানিক সম্পর্কের মডেল তৈরি করে।
- এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিমজ্জনশীল কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।
• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology)
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology)
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology)
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology)
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology)
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology )
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
উৎস: https://github.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয় ৷
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ৷ এগুলো হলো-
১) ইউনিকাস্ট (Unicast):
- এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধু একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয় বা
- Unicast কে point-to-point communication বলা হয়। কারণ, Unicast 'Large Audience'- এর জন্য প্রযোজ্য না।
- Unicast- এ 'one-to-one communication' ব্যবহার করা হয়।
২) ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীন সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারে, এটি Broadcast- এর উদাহরণ।
- Broadcast- এ one-to-all communication মডেল ব্যবহার করা হয়।
৩) মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীন সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধু নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে।
- ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।
- Multicast- কে 'balance between unicast and broadcast'- ও বলা যায়।
- Multicast- এ 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE Transactions on Communications.
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Domain name
ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।
ই-মেইল অ্যাড্রেসের গঠন
- একটি ই-মেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে –
1. প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর পরিচিতি (Username),
2. শেষ অংশ → ডোমেইন নেম (Domain name),
- এ দুটি অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: faria123@gmail.com
- faria123 → ব্যবহারকারীর নাম (Username),
- gmail.com → ডোমেইন নেম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
LAN(Local Area Network):
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে তার মাধ্যম হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং তারবিহীন মাধ্যম হিসেবে রেডিও ওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- LAN এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) 802
- LAN-এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ 4 টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যাবে।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে ডব্লিউল্যান (WLAN) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- অধ্যাপক নরম্যান আব্রামসন (Norman Abramson) এর নেতৃত্বে একদল গবেষক স্বল্প মূল্যের আলোহানেট (ALOHANET) নামে বিশ্বের সর্বপ্রথম তারবিহীন কম্পিউটার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উদ্ভাবন করেন যা ১৯৭১ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি),মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অন্যান্য অপশন যেমন সিম পরিষেবা সক্রিয়করণ, ব্যালেন্স রিচার্জ বা একসাথে বার্তা পাঠানো IMEI নম্বরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
অর্থাৎ, প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- এই ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে।
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
যেমন- টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড (Mbps) হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• MAC অ্যাড্রেসগুলো OSI মডেলের Data Link Layer (ডাটা লিংক লেয়ার)-এ ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো খ) Data Link Layer। MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস হলো একটি ইউনিক হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)-এর সাথে যুক্ত থাকে। এটি মূলত লোকাল নেটওয়ার্কের ভেতরে ডিভাইস শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং ফ্রেম আকারে ডেটা সঠিক ডিভাইসে পৌঁছাতে ব্যবহৃত হয়। Transport Layer ডেটা ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, Network Layer IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে রাউটিং করে এবং Physical Layer কেবল ও সিগন্যালের সাথে সম্পর্কিত।
- তাই MAC অ্যাড্রেসের কাজ Data Link Layer-এই সীমাবদ্ধ।
OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।
Source:
- AWS [link]
- IBM [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- এক্স (টুইটার) এর সদর দপ্তর "San Francisco, California",
- ইউটিউব এর সদর দপ্তর "San Bruno, California",
- ফেসবুকের সদর দপ্তর "Menlo Park, California".
উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০১৮ সালের ১২ই মে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে।
• বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে নিম্নল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে:
১. ডিশ সার্ভিস চালু হওয়ার মাধ্যমে টিভি চ্যানেলগুলোকে আর বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া করতে হবে না।
২. এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের কাছাকাছি অন্য অনেক দেশকে কভার করবে, কাজেই সেই দেশগুলোও বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে প্রয়োজনীয় সেনা কিনতে পারবে।
৩. দেশের ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকা যেমন- দুর্গম পার্বত্য ও হাওড় অঞ্চলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং, টেলিমেডিসিন, দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানাবিধ সেবা গ্রহণে সক্ষম হবেন।
৪. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে বিপর্যয় ঘটলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সার্বিক যোগাযোগ চালু রাখা সম্ভব হবে।
৫. এছাড়াও এই স্যাটেলাইটে স্থাপিত অত্যাধুনিক ক্যামেরার মতো সূক্ষ্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের অনেক মূল্যবান তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে।
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।
• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।
নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।
• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।
• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।
ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।
মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।
অ্যানিকাস্ট (Anycast)
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গমন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• 123456 বা qwerty → এগুলো অত্যন্ত সহজ ও প্রচলিত হওয়ায় সহজেই অনুমান বা হ্যাক করা যায়।
- দীর্ঘ বাক্যাংশ সাধারণত শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত।
- বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের সমন্বয় পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
- বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড আরও নিরাপদ হয়।
• অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা:
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি এক বা একাধিক পরিচয়-জ্ঞাপক দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।
- অনলাইন পরিচিতির প্রধান উপাদান হলো—
- ই-মেইল ঠিকানা,
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত প্রোফাইলের নাম।
• অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তার গুরুত্ব:
- ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হয়।
প্রতিটি অনলাইন সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
• পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষার কৌশলসমূহ:
১. দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার:
- সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের তুলনায় দীর্ঘ পাসওয়ার্ড বেশি নিরাপদ।
- প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- তবে সহজ পাসওয়ার্ড, যেমন— 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password, ব্যবহার করা উচিত নয়।
২. বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার:
- শুধু ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ প্রতীক ব্যবহার করা উচিত।
- এতে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বৃদ্ধি পায়।
৩. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা:
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে শব্দ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় থাকা উচিত।
- উদাহরণ: Z26a1$alr18a1@gmail.com
৪. পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই:
- অধিকাংশ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুবিধা থাকে।
- নিয়মিত এই সুবিধা ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী পাসওয়ার্ড আরও শক্তিশালী করা উচিত।
৫. সামাজিক জায়গায় ব্যবহারে সতর্কতা:
- সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের পর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করতে হবে।
৬. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার:
- LastPass, KeePass ইত্যাদি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়।
৭. নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন:
- নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নির্দিষ্ট সময় পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত।
- এতে অ্যাকাউন্ট সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- ব্লুটুথে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথের কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
3G থেকে মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
International Mobile Communication for year 2000 শিরোনামে তৃতীয় মোবাইল প্রজন্ম ধারণার উদ্ভব ঘটায়।
3G মোবাইল প্রযুক্তির অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসমূহ-
ডেটা রুপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ডেটা স্থানান্তর উচ্চ গতি সম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন – হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : ক) স্প্রেড স্পেকট্রাম
• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
IEEE 1394 ইন্টারফেসটি একটি ইলেক্ট্রনিক স্ট্যান্ডার্ড যা একাধিক কম্পিউটার সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি একই সময়ে 63 টি ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে।
এর তথ্য আদান-প্রদান গতি 100-800 Mb/s.
source:techopedia.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্কাইপ একটি জনপ্রিয় যোগাযোগমূলক সফটওয়্যার এবং পরিষেবা, যা ভয়েস কল, ভিডিও কল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এবং ফাইল শেয়ারিংয়ের সুবিধা প্রদান করে।
- এটি মাইক্রোসফট কর্তৃক পরিচালিত একটি প্ল্যাটফর্ম।
- ২০০৩ সালে ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ায় প্রথম চালু হয় স্কাইপ।
- দ্রুতই এটি বিশ্বব্যাপী বিনামূল্যে কল করার উপায় হিসাবে জনপ্রিয়তা পায়।
- মাইক্রোসফট ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে এটি কিনে নেয় ২০১১ সালে।
- যা তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি দামে কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকানা কেনার ঘটনা ছিল।
সম্প্রতি,
- স্কাইপ বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট।
- চলতি বছরের মে মাসে এই পরিষেবা বন্ধ হবে বলে জানানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Google-এর ভিডিও মিটিং এবং চ্যাটের জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্ল্যাটফর্ম হলো Google Meet। এটি একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সিং টুল যা ব্যবহারকারীদের ভিডিও কল, অডিও কল এবং চ্যাট করার সুবিধা প্রদান করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহার করে দূর থেকে মিটিং, ক্লাস বা আলোচনা পরিচালনা করতে পারে। Google Meet-এর মাধ্যমে একাধিক মানুষ একসাথে একই সময়ে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিতে পারে, শেয়ার স্ক্রিন করতে পারে এবং রেকর্ডিং সংরক্ষণ করতে পারে। এটি Google-এর Gmail এবং অন্যান্য Google সার্ভিসের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবে কাজ করে। তাই ভিডিও মিটিংয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) Google Meet.
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai.
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
- Google পরিচালিত ভিডিও কমিউনিকেশন সার্ভিস হচ্ছে - Google Meet.
উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কমিউনিকেশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্য চুরির একটি সাধারণ পদ্ধতি হলো স্নিফিং। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকার বা অবৈধ ব্যক্তি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত বার্তা চুরি করে। স্নিফার সফটওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের প্যাকেট ধরা হয় এবং এতে থাকা তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সাধারণত এটি অবৈধ এবং ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত করা হয়। স্নিফিং থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এনক্রিপশন, ভিপিএন এবং সিকিউর প্রটোকল ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা অপরিহার্য।
- উত্তর: ক) স্নিফিং।
• স্নিফিং:
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে।
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং।
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Firewall মূলত Data Traffic নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল মূলত ডেটা ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগ নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক প্রশাসক বা ব্যবহারকারীর দ্বারা নির্ধারিত নীতির উপর ভিত্তি করে কোনো ওয়েবসাইটের সংযোগ, ই-মেইল অথবা ফাইল আদান-প্রদান করার অনুমতি দেয় বা বন্ধ করে দেয়।
- ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিকের তথ্য লগ করে, যা প্রশাসককে আক্রমণ বুঝতে এবং প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোেগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- 'স্টাক্সনেট' নামের সেই ম্যালওয়্যার প্রচুর যান্ত্রিক ত্রুটি তৈরির পাশাপাশি ইরানের ইউরেনিয়াম তৈরিকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।
- অস্থিতিশীল করে দিয়েছিল ইরান সরকারকেও।
- ২০২০ সালে সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে একটি ইরানীয় বন্দরের কার্গো ও শিপিং কার্যক্রম নষ্ট করে দিয়েছিল ইসরায়েল।
উৎস: www.tbsnews.net
উত্তর
ব্যাখ্যা
- APN এর পূর্ণরূপ Access Point Name.
- APN এর সেলুলার নেটওয়ার্কের পথকে নির্দেশ করে।
সূত্র: Apple Inc. [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
সূত্র: টুইটারের ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Arduino একটি ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার প্ল্যাটফর্ম, যা সহজ প্রোগ্রামিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি। সাধারণত IoT (Internet of Things), সেন্সর ভিত্তিক প্রজেক্ট, ছোট রোবটিক্স, হোম অটোমেশন, তাপমাত্রা/আলো/আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি প্রকল্পে Arduino বেশি ব্যবহৃত হয়।
Arduino:
- ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি বিভিন্ন সেন্সর, মোটর এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে অটোমেশন, রোবোটিক্স, এবং IoT প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ইনপুট পড়তে সক্ষম, যেমন: সেন্সরে আলো পড়া, বোতামে আঙুলের চাপ, টুইটার মেসেজ গ্রহণ ইত্যাদি।
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য Arduino IDE সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- বহুমুখী প্রয়োগ— রোবোটিক্স, IoT (Internet of Things), অটোমেশন, শিক্ষা, প্রোটোটাইপ ডেভেলপমেন্ট, এবং গবেষণা।
উৎস: Arduino ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- the Simple Mail Transfer Protocol (SMTP),
- the Post Office Protocol (POP), and
- the Internet Message Access Protocol (IMAP).
All three use TCP, and the last two are used for accessing electronic mailboxes.
- Special records stored in DNS servers play a role as well, using UDP. The current version of POP is version 3 (POP3) and the current version of IMAP is version 4 (IMAP4).
Source: www.sciencedirect.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Audio:
- .mp3
- .acc
- .flac
- .wav
• Video:
- .mov
- .mp4
- .wmv
- .avi
- .flv
• Image:
- .jpeg
- .gif
- .png
উৎস: adovefileformat.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন ।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Financial transaction network
SWIFT Code
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তিনি ১৮৪৩ সালে প্রথম বৈদ্যুতিন ফ্যাক্সের ধারণা প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে ফ্যাক্স প্রযুক্তির বিকাশে সহায়তা করেছে। যদিও ফ্যাক্স প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হতে অনেক সময় লেগেছিল, তবে তিনি এর প্রথম ধারণা দেন।
- অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যেমন স্যামুয়েল মর্স (Samuel Morse), জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) এবং থমাস এডিসন (Thomas Edison) তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ফ্যাক্স প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি অবদান ছিল না।
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং
তারপর এটি
- অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল, ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus).
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
OSI model:
Application layer
Presentation layer
Session layer
Transport layer
Network layer
Data link layer
Physical layer
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
২। হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
উদাহরণ- ওয়াকিটকি।
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: Encyclopaedia Britannica
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz.
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• 5G নেটওয়ার্কে MIMO বলতে বোঝায় Multiple Input Multiple Output প্রযুক্তি (উত্তর: গ)। এটি একটি অ্যাডভান্সড অ্যান্টেনা সিস্টেম, যা একই সময়ে একাধিক ট্রান্সমিটার ও রিসিভার ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। এর ফলে নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ, ডেটা ট্রান্সফার গতি ও সংযোগ স্থায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। MIMO সিস্টেম বিভিন্ন ডিভাইস থেকে একসাথে সংকেত গ্রহণ করতে পারে, ইন্টারফেরেন্স কমায় এবং নেটওয়ার্কের কর্মদক্ষতা উন্নত করে। বিশেষভাবে 5G-তে Massive MIMO প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা হাজার হাজার অ্যান্টেনা একসাথে কাজ করে উচ্চ গতির, স্থিতিশীল এবং বেশি ব্যবহারকারীকে সমর্থনযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্কের মূল ভিত্তি।
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...):
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়।
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• DeepSeek হলো একটি উন্নত AI চ্যাটবট ও সার্চ ইঞ্জিন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়, ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং তথ্য অনুসন্ধানে সহায়তা করে।
• DeepSeek AI:
- DeepSeek AI একটি চীনা গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যাদের লক্ষ্য হলো Artificial General Intelligence (AGI) অর্জন করা।
- প্রতিষ্ঠানটি মূলত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ওপেন-সোর্স এআই মডেল তৈরি করে, যা প্রোগ্রামিং, ভাষা ও ছবি বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: লিয়াং ওয়েনফেং (Liang Wenfeng)।
- এটি ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- DeepSeek-এর প্যারেন্ট কোম্পানির নাম হলো High-Flyer. এটি একটি চীনা হেজ ফান্ড, যা DeepSeek-এর আর্থিক বিনিয়োগকারী এবং মালিক হিসেবে কাজ করে।
- DeepSeek-Coder হলো একটি কোডিং সহায়ক LLM (Large Language Model), যা প্রোগ্রামিং ভাষা বুঝে ও কোড জেনারেট করতে পারে।
- DeepSeek তাদের মডেল ট্রেনিংয়ের জন্য ২ ট্রিলিয়নের বেশি টোকেন ব্যবহার করেছে — যার মধ্যে কোড, ডকুমেন্টেশন ও প্রাকৃতিক ভাষা উপাত্ত রয়েছে।
উৎস: DeepSeek অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।
- নানাবিধ কারণে একজন হ্যাকার অন্যের কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশ করতে পারে।
যেমন- অসৎ উদ্দেশ্য, অর্থ উপার্জন, হ্যাকিং এর মাধ্যমে কখনও কখনও প্রতিবাদ কিংবা চ্যালেঞ্জ করা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্থ করা, হেয়-প্রতিপন্ন করা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- অনেক কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হ্যাকারদের ক্র্যাকার হিসেবে চিহ্নিত করতে পছন্দ করেন।
- তবে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে হ্যাকারই বলা হয়ে থাকে।
- হ্যাকার সম্প্রদায় নিজেদেরকে নানান দলে ভাগ করে থাকে।
যেমন- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে, এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- অন্যদিকে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারগণ অসৎ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করে থাকে।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্যাকিংকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশে এটি অপরাধ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০০৯) অনুসারে হ্যাকিংয়ের জন্য ৩ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ WhatsApp একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, যা ২০১৪ সালে ফেসবুক (বর্তমানে Meta Platforms Inc.) অধিগ্রহণ করে। এটি টেক্সট, ভয়েস, ভিডিও কল, মিডিয়া শেয়ারিং এবং গ্রুপ চ্যাটের সুবিধা দেয়।
মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, থ্রেডস ইত্যাদি।
→ CEO: মার্ক জাকারবার্গ;
→ প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪;
→ বাণিজ্যিক নাম: মেটা;
→ সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জটিল সার্জারি চিকিৎসায় রোবট ব্যবহৃত হয়।
- নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহৃত হয়।
- টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বোর্ড বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• URL-এ ‘https://’ হলো একটি প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য বিনিময় করার সময় সুরক্ষিত সংযোগ নিশ্চিত করে। এটি “HyperText Transfer Protocol Secure” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সাধারণ “http://” প্রোটোকলের মতো এটি ওয়েব পেজ লোড করার জন্য ব্যবহৃত হলেও, “https://” ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করে, যার ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, এবং যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য লেনদেনে অপরিহার্য।
- তাই URL-এ ‘https://’ মানে হলো একটি সুরক্ষিত যোগাযোগের প্রোটোকল। সঠিক উত্তর: ক)।
URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্কে গেটওয়ের প্রধান কাজ হলো দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। যখন দুটি আলাদা নেটওয়ার্ক একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায়, তখন গেটওয়ে একটি মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করে। এটি প্রোটোকল অনুবাদ, প্যাকেট ফরওয়ার্ডিং এবং রাউটিং-এর মাধ্যমে ডেটা এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পৌঁছায়। গেটওয়ে শুধুমাত্র স্থানীয় নেটওয়ার্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্যের প্রবাহ সহজ ও সঠিকভাবে পরিচালনা করে। তাই গেটওয়ের মূল ভূমিকা ডেটা সংরক্ষণ, এনক্রিপশন বা ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযোগে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: গ) দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
অন্যদিকে,
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।
• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).
• বাকি অপশন গুলো -
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক।
• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ধারণা:
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।
⇒ ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান:
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। যথা-
• ডাটা বা তথ্য।
• ডাটার উৎস।
• প্রেরক।
• মাধ্যম।
• প্রাপক।
• গন্তব্য।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউটিউব হলো একটি জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট।
- ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Parent organization: Google.
- Founders: Jawed Karim, Chad Hurley, Steve Chen.
- Headquarters: San Bruno, California, United States.
- CEO: Neal Mohan (Feb 16, 2023 - present).
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।
স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক (LAN)কে বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার দুটি বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট পাঠানোর কাজ করে এবং IP ঠিকানা অনুযায়ী পথ নির্ধারণ করে। এটি LAN-এর ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেট বা অন্য WAN-নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ করতে সক্ষম করে। অন্যদিকে, রিপিটার শুধুমাত্র সিগন্যাল শক্তিশালী করে দূরত্ব বৃদ্ধি করে, সুইচ LAN-এর ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে, এবং ব্রিজ দুটি LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তাই WAN-এ সংযোগ স্থাপনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যন্ত্র হলো রাউটার।
রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- ব্রিজ - দুটি LAN সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা ট্রাফিক ম্যানেজ করে।
- সুইচ - LAN-এর মধ্যে ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা প্যাকেটগুলিকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায়।
- রিপিটার - সিগনালের শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামিকে সংযোগ করে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ একটি ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ঠিকানা বা অ্যাড্রেসকে URL (Uniform Resource Locator) বলা হয়।
এটি ওয়েবসাইটের অবস্থান নির্দেশ করে এবং প্রোটোকল, ডোমেইন নাম, পাথ ইত্যাদি তথ্য ধারণ করে।
যেমন: https://www.example.com একটি URL.
URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- IP Address হলো একটি সংখ্যাসূচক ঠিকানা যা নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলিকে শনাক্ত করে।
- Domain Name হলো একটি পাঠ্য-ভিত্তিক ঠিকানা যা IP Address-কে মানুষের পাঠযোগ্য করে (যেমন: www.example.com)।
- HTTP হলো একটি প্রোটোকল যা ওয়েবসাইটের ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সুপার মাইক্রোকম্পিউটার সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রোকম্পিউটার।
- ওয়ার্কস্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মাঝে একটি সেতু বন্ধন স্বরূপ।
-এটি দ্বারা মিনি কম্পিউটারের প্রায় সমস্ত কাজই করা যায় কিন্তু দামের দিক থেকে অত্যন্ত সস্তা ।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• টেলেক্স:
- টেলেক্স একধরণের টেলিপ্রিন্টার।
- এতে একটি টাইপরাইটার থাকে।
- যে তথ্য, সংবাদ বা চিঠি প্রেরণ করতে হবে তা টাইপরাইটারে টাইপ করতে হয়।
- যে নম্বরে প্রেরণ করা হয়, সে নম্বরে তা টাইপ হয়ে বেরিয়ে আসে।
- 1931 সালে আমেরিকান টেলিফোন এবং টেলিগ্রাফ কোম্পানি (AT&T) তাদের টেলিটাইপরাইটার এক্সচেঞ্জ পরিষেবা, TWX, চালু করে।
- 1962 সালে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন টেলিগ্রাফ কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে তাদের Telex সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করে, আট বছর পরে তারা AT&T থেকে TWX অধিগ্রহণ করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।
২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ ডিপ লার্নিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি শাখা, যেখানে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশাল ডেটা (যেমন আবহাওয়ার তথ্য, মাটির গুণমান, স্যাটেলাইট ইমেজ) বিশ্লেষণ করা হয়। কৃষি ক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন কত হবে তা পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য এটি খুবই কার্যকর।
ডিপ লার্নিং:
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ব্লকচেইন প্রযুক্তি: কৃষি সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) ও ট্রান্সপারেন্সি বাড়াতে কার্যকর, কিন্তু সরাসরি ফলনের পূর্বাভাস দেয় না।
অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR): কৃষি প্রশিক্ষণ ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনে সহায়ক, তবে পূর্বাভাসে ব্যবহৃত হয় না।
বিগ ডাটা অ্যানালিটিক্স: বিশাল কৃষি ডেটা বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে, তবে সঠিক পূর্বাভাসের জন্য সাধারণত ডিপ লার্নিং বা মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম দরকার হয়।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সার্বিক তথ্য ভাগাভাগি সহজ করার উদ্দেশ্যে এটি উদ্ভাবন করেন। টিম বার্নার্স-লি হাইপারটেক্সট ধারণা ব্যবহার করে ওয়েব পেজ তৈরি, সংযুক্তি এবং ব্রাউজ করার ব্যবস্থা তৈরি করেন। এর ফলে ইন্টারনেটে তথ্য একাধিক কম্পিউটার ও সার্ভারে সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য হয়ে ওঠে। ওয়েবের জন্মের সাথে ওয়েব ব্রাউজার, সার্ভার এবং URL-এর মতো ধারণাগুলোও সম্পর্কিত। তাঁর এই উদ্ভাবনের কারণে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা এবং বিজ্ঞানচর্চা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়েছে। WWW মানবজীবনে তথ্যের প্রবাহের ধারা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছে।
- সঠিক উত্তর: ক) টিম বার্নার্স-লি।
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
উত্তর
ব্যাখ্যা
আজুমা হিকারি হচ্ছে একটি ভার্চুয়াল হোম রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক্স প্রযুক্তি একত্রে প্রয়োগ করে জাপানে একটি রোবট তৈরি করা হয়েছে, এই রোবটটির নামই হচ্ছে আজুমা হিকারি।
- হিকারি তার গৃহকর্তার সাথে কথোপকথন করে থাকে।
- হিকারি আপনাকে শুভেচ্ছা ও দৈনিক ছন্দ শুনাবে।
- দিনের কর্মসূচি জানাবে যেমন: আপনার জেগে ওঠার সময়, বাহিরে যাওয়ার সময়, আপনার ঘরে আসার সময় এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি
ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল।
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।
উৎস: প্রথম আলো [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জ্যাক মা একজন চীনা উদ্যোক্তা যিনি আলিবাবা ই-কমার্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়। আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা মার্কেটিং, ক্রয়-বিক্রয়, গ্রহণ-বিলি করা, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচ্ছে ই-কমার্স।
সুত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- স্থানীয় সময় ৯ জুলাই এই মাইলফলক অর্জন করে এআই চিপ নির্মাতা কোম্পানিটি।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।
উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
উত্তর
ব্যাখ্যা
Infrastructure-as-a Service(IaaS) - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
Platform-as-a -Service (PaaS) - এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
Software-as-a Service (SaaS) - সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ IPv4 (Internet Protocol version 4) একটি 32-বিট অ্যাড্রেসিং সিস্টেম ব্যবহার করে। এর অর্থ হলো IPv4 এ মোট 232 (4,294,967,296) টি ইউনিক অ্যাড্রেস থাকতে পারে।
আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।
- প্রতিটি URL এ থাকে,
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি নাম এবং
৪. HTML ফাইল নাম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
চৌম্বক কোর হল ধ্বংসাত্মক মেমোরির উদাহরণ।
কারণ, এ ধরণের মেমোরিতে পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
যে মেমোরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ি মেমোরি বলে। যেমন- RAM।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, MAgnetic Disk ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন জনপ্রিয় গেমে খেলোয়াড়রা বাস্তব জগতের ভার্চুয়াল বস্তুগুলির সাথে যোগাযোগ করতে অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে?
উত্তর: ঘ) Pokémon GO
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) হল এমন একটি প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল তথ্যকে বাস্তব জগতে যোগ করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে, একটি গেমের ভৌত বা বাস্তব পরিবেশের মধ্যে ভার্চুয়াল বস্তু বা চরিত্র প্রদর্শিত হতে পারে এবং খেলোয়াড় সেই বস্তুগুলির সাথে যোগাযোগ বা ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। এই প্রযুক্তি বিভিন্ন ধরনের গেমে ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে Pokémon GO একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
Pokémon GO গেমটি ২০১৬ সালে লঞ্চ হয়েছিল এবং এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটির ব্যবহারকে জনপ্রিয় করেছে। গেমটির মূল ধারণা হলো খেলোয়াড়রা তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং জিপিএস ব্যবহার করে বাস্তব পৃথিবীতে রাস্তায়, পার্কে বা অন্য কোনো স্থানে পোকেমন খোঁজে। খেলোয়াড়রা এই পোকেমনদের ধরার জন্য ভার্চুয়াল বস্তুগুলি বাস্তব জগতের পরিবেশের মধ্যে দেখতে পান এবং সেই বস্তুগুলির সাথে তাদের ফোনের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারেন। এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটির একটি খুবই জনপ্রিয় উদাহরণ।
অন্য গেমগুলোর ব্যাপারে:
- ক) Angry Birds: এই গেমটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে না। এটি একটি সাধারন ২D গেম যেখানে পাখি ও শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়।
- খ) Minecraft: Minecraft একটি ব্লক-বেসড গেম, যা গেমের ভেতরে ভার্চুয়াল পৃথিবী তৈরি করে, কিন্তু এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে না। এটি একটি থ্রি-ডি গেম।
- গ) Fortnite: Fortnite একটি জনপ্রিয় ব্যাটেল রয়্যাল গেম, কিন্তু এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। এটি একটি ভার্চুয়াল পরিবেশে খেলা হয়, যেখানে খেলোয়াড়রা একে অপরকে পরাজিত করতে পারে।
অতএব, Pokémon GO গেমটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে, যেখানে খেলোয়াড়রা বাস্তব পরিবেশে ভার্চুয়াল পোকেমনদের খোঁজে এবং সেগুলির সাথে যোগাযোগ করে।
সূত্র: U.S. Department of Education [লিংক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ব্রাউজার: এটি ব্যবহারকারীদের ওয়েব পেজ দেখতে এবং ইন্টারনেটে নেভিগেট করতে সাহায্য করে।
• সার্ভার: এগুলি ওয়েবসাইটের ফাইল এবং তথ্য সংরক্ষণ করে এবং ব্রাউজারের অনুরোধের প্রতিক্রিয়া জানায়।
• HTML (Hypertext Markup Language): এটি ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত মৌলিক মার্কআপ ভাষা।
• সোশ্যাল মিডিয়া: এটি WWW-এর একটি অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহার, কিন্তু এর মৌলিক উপাদান নয়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি WWW-এর উপর নির্মিত, কিন্তু তারা নিজেরা WWW-এর অপরিহার্য অংশ নয়।]
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- WWW এর মান নির্ধারণ এবং মেইনটেইন করে থাকে: World Wide Web Consortium (W3C).
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।
উৎস:
১. University of Washington.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মোবাইল বা সেলুলার টেলিফোন ইউনিটে মূল তিনটি অংশ রয়েছে। যথাঃ
১. একটি কন্ট্রোল ইউনিট,
২. একটি ট্রান্সিভার এবং
৩. একটি এন্টেনা সিস্টেম।
- এই তিনটি মূল উপাদান ছাড়াও মোবাইল ফোনে আরো কিছু উপাদান থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
• ডাইনামিক ওয়েবসাইট
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
• যে সকল ওয়েব পেইজ পূর্ব থেকে তৈরীকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে এবং কোড পরিবর্তন না করে কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় না সে সকল ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
• সাধারণত HTML এবং CSS ব্যবহার করে এসব ওয়েবসাইটের পেইজ তৈরী করা হয়।
ডাইনামিক ওয়েবসাইট:
• যে সকল ওয়েব পেইজে সবসময় আপডেটেড তথ্য প্রদর্শন করা হয় এবং কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় সে সকল ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।
• যেমন- ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখানোর জন্য যে ওয়েবসাইট আছে সেটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট। সাধারণত পিএইচপি (PHP), এএসপি (ASP), জেএসপি(JSP) ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পেইজ তৈরী করা হয়ে থাকে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়