উত্তর
ব্যাখ্যা
• E-governance শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Governance, যেখানে সরকারি কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।
• ই-গভর্নেন্স (E-Governance):
- ই-গভর্নেন্স শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Governance।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সরকারের কার্যক্রম ও প্রক্রিয়াগুলো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।
- এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে সরাসরি ও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
• ই-গভর্নেন্সের মূল ধারণা:
- সরকারি তথ্য ও সেবাকে ডিজিটাল ইনফরমেশনে রূপান্তর করা।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান–প্রদান নিশ্চিত করা।
- সরকারি সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করা।
• শিক্ষাক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্সের উদাহরণ:
- পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল ইন্টারনেট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানা।
- পরীক্ষার ফল পুনঃমূল্যায়নের জন্য অনলাইনে আবেদন ও দ্রুত ফল পাওয়া।
- কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
• প্রশাসনিক সেবায় ই-গভর্নেন্স:
- জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবা কম সময়ে ও কম খরচে পাওয়া যায়।
- আগে যেখানে সেবা পেতে কয়েক সপ্তাহ লাগত, এখন তা ২–৫ দিনের মধ্যে পাওয়া সম্ভব।
- তথ্য ডিজিটাল হওয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
• নাগরিক সেবায় ই-গভর্নেন্স:
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল অনলাইনে বা মোবাইলের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়।
- এতে সময় সাশ্রয় হয় এবং নাগরিক হয়রানি কমে।
• ই-গভর্নেন্সের সুবিধাসমূহ:
- সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি।
- নাগরিক জীবনমানের উন্নয়ন।
- অনেক সেবা ২৪×৭×৩৬৫ দিন পাওয়া সম্ভব।
- সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি।
• বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্সের অবস্থা:
- ই-গভর্নেন্স চালুর ফলে সরকারি সেবা প্রদান আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে।
- যদিও এখনো সব ক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স পুরোপুরি চালু হয়নি,
- সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হলে দেশ আরও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।