উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: symbianos.org
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮ / ১৩১ · ৭০১–৮০০ / ১৩,০৮৮
১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- IoT মূলত ডেটা স্থানান্তর ও বিনিময় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things -IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।
যেমন- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট), ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার) এবং শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT) ইত্যাদি IoT এর উদাহরণ।
উৎস: ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]।
• প্রিন্টিংয়ের গুণমান পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় DPI (Dots Per Inch)।
- Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমান বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।
- DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।
অন্যদিকে,
- ppi (Pixels Per Inch): এটি ডিজিটাল স্ক্রিন (যেমন—মনিটর) বা স্ক্যান করা ছবির রেজোলিউশন পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টিংয়ের গুণমানের জন্য নয়।
- CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ।
- CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।
• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
প্রশ্ন: (101101)2 বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
সমাধান:
(101101)2 = (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= 45
∴ (101101)2 = (45)10
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।
বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)
কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• RDBMS-এ (Relational Database Management System) প্রতিটি ডেটা টেবিলের রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কী (Primary Key) প্রয়োগ করা হয়। এটি এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করে এবং একই মান কোনো দুইটি রেকর্ডে থাকতে পারে না। প্রাইমারি কী সাধারণত ইউনিক এবং নাল (NULL) মান ধারণ করতে পারে না, যা ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি টেবিলের মধ্যে তথ্য অনুসন্ধান, আপডেট ও ডিলিট প্রক্রিয়াকে সহজ করে। অন্যদিকে, কম্পোজিট কী একাধিক কলামের সমন্বয়ে তৈরি হয়, ফরেন কী অন্য টেবিলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, কিন্তু একক রেকর্ড শনাক্ত করার মূল উপায় প্রাইমারি কী।
• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।
• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) Rendering web pages
BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা সাধারণত ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড-ওনলি মেমোরি (EPROM) তে সংরক্ষিত থাকে।
- CPU এটি ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।
BIOS এর দুটি প্রধান কাজ:
1. উপলব্ধ পারিফেরাল ডিভাইস নির্ধারণ করা – যেমন কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, এবং ভিডিও কার্ড।
2. অপারেটিং সিস্টেম (OS) মেইন মেমোরিতে লোড করা।
- স্টার্টআপের পরে, BIOS প্রোগ্রাম OS এবং পেরিফেরালের মধ্যে ডেটা প্রবাহ পরিচালনা করে, যাতে OS বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো পারিফেরালের বিস্তারিত যেমন হার্ডওয়্যার ঠিকানা জানার প্রয়োজন না পড়ে।
- 21শ শতকের শুরুতে, BIOS এর স্থলাভিষিক্ত হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface), যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS থেকে দ্রুত কাজ করে।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - ঘ) Bioinformatics software
• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।
• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে:
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) হল একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস, যার মূল কাজ হলো কম্পিউটারের ডেটা (অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রাম, ফাইল ইত্যাদি) দ্রুতগতিতে এবং স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা।
SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।
উৎস: Avast website.
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। যেহেতু এটি একটি সম্পূর্ণ শহর বা বড় ভৌগোলিক এলাকায় (১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত) উচ্চগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম, তাই একে MAN-এর ওয়্যারলেস সংস্করণ বলা হয়।
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16
অন্যান্য অপশন:
- Zigbee (802.15.4): এটি অত্যন্ত কম শক্তির ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা মূলত স্মার্ট হোম বা আইওটি ডিভাইসে মাত্র ১০-১০০ মিটারের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) মাত্র ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে, যা মূলত পেমেন্ট বা ডেটা শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
- Wi-Fi (802.11): এটি মূলত একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যা একটি বাড়ি বা নির্দিষ্ট অফিসের (১০০-২৫০ মিটার) মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। ব্রিটানিকা।
• ফেসবুক একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
• ফেসবুক:
- ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
- ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি, পোস্ট শেয়ার, মন্তব্য, লাইক ও মেসেজিং করতে পারে।
• প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:
- ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জাকারবার্গ এবং তার সহপাঠীরা।
• প্রাথমিক নাম ও সূচনা:
- শুরুতে ফেসবুকের নাম ছিল TheFacebook।
- প্রথমে এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু ছিল।
• মালিকানা ও কোম্পানি কাঠামো:
- ফেসবুক পরিচালনাকারী মূল কোম্পানি হলো Meta Platforms, Inc.
- ২০২১ সালে Facebook Inc. নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।
• সেবার ধরন ও আয়ের উৎস:
- ফেসবুক ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া সেবা প্রদান করে।
- প্রধান আয়ের উৎস হলো ডিজিটাল বিজ্ঞাপন।
• ব্যবহার ও গুরুত্ব:
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান, শিক্ষা ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম → YouTube & TikTok.
- সার্চ ইঞ্জিন → Google & Bing.
- ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম → Blogger, WordPress & Medium.
উৎস:
1) Encyclopaedia Britannica — Facebook [Link].
2) Meta (Official About) [Link].
• Wi-Fi এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Wireless Fidelity. এটি একটি প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলোকে তারের ছাড়া ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করতে সক্ষম করে। Wi-Fi মূলত রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিট করে, যার মাধ্যমে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেটসহ অন্যান্য ডিভাইসগুলো অনলাইনে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। Wireless Fidelity মানে ডেটা সংযোগের নির্ভরযোগ্যতা এবং দ্রুততার একটি মান। বর্তমানে Wi-Fi আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ, কারণ এটি অফিস, স্কুল, বাড়ি এবং পাবলিক স্পেসে ইন্টারনেট ব্যবহার সহজ ও সুবিধাজনক করে তোলে। সঠিক উত্তর: ক) Wireless Fidelity.
• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
- Wi-Fi এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো এমন একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি। অর্থাৎ Wi-Fi ব্যবহার করে একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায় যা তার ছাড়া কাজ করে।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)
• দশমিক সংখ্যা (5012)10 কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে (1394)16 হবে।
• ডেসিমেল থেকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, ডেসিমেল সংখ্যাটিকে ধারাবাহিকভাবে 16 দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং ভাগফলগুলোর অবশিষ্ট (remainder) উল্টো দিক থেকে সাজিয়ে লিখতে হয়।
• এখানে, দশমিক সংখ্যাটি হলো 5012।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Local Cloud is not part of cloud computing.
ক্লাউডের প্রকারভেদ
- ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারকারীর ধরন অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
- যে কেউ অর্থ দিয়ে এই সার্ভিস ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আমাজনের EC2।
- সুবিধা হলো যে কেউ সহজেই সার্ভিস নিতে পারে।
- অসুবিধা হলো একাধিক ব্যবহারকারী একই সার্ভারে থাকায় নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এই ধরনের ক্লাউড পরিচালনা করে।
প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud)
- প্রাইভেট ক্লাউড হলো কোনো বড় সংস্থার নিজস্ব সার্ভিস পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ক্লাউড।
- সংস্থার নিজস্ব ডেটা সেন্টারকে ক্লাউড মডেলে ব্যবহার করা হয়।
- সমস্যা হলো খরচ বেশি এবং ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য মানুষ প্রয়োজন।
- সুবিধা হলো একাধিক ডিপার্টমেন্টের জন্য আলাদা ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিকেই ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যায়।
হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud)
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউডের সংমিশ্রণ।
- প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয় প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে।
- অতিরিক্ত চাহিদা হলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেওয়া হয়।
- খরচ পাবলিক ক্লাউডের তুলনায় বেশি।
- সুবিধা হলো স্থানীয়ভাবে কাজ করা যায়, আর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ করা যায় পাবলিক ক্লাউডের মাধ্যমে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - গ) Windows 98
অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার-এর সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে।
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায়, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M।
২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে RAM তার ডেটা ধরে রাখতে পারে না, কারণ এটি একটি উদ্বায়ী (volatile) মেমরি।
• র্যাম (RAM):
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- র্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।
• র্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
১. র্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
অন্যদিকে,
- Read Only Memory (ROM): এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমরি। এখানে যে প্রোগ্রামগুলো (যেমন: বায়োস) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, সেগুলো কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও মুছে যায় না।
- Hard Disk Drive (HDD): এটি একটি নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও এর ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
- Solid State Drive (SSD): এটিও একটি নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে দ্রুত এবং ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখবার উপায়-
১. এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
২. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট রাখা।
৩. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা।
৪. অনলাইন থেকে সংরক্ষণ করা ফাইল দেখা।
৫. অ্যাড ব্লক সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
৬. ভাইরাস স্ক্যানার ব্যবহার করা।
৭. সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে যাওয়া।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা ব্যবস্থা ১৬ ভিত্তিক, যেখানে সংখ্যা 0 থেকে 9 এবং অক্ষর A থেকে F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০ এবং B মানে ১১। 0xAB কে দশমিক (Decimal) এ রূপান্তর করতে হলে, প্রথম অঙ্ক A (১০) কে ১৬ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং দ্বিতীয় অঙ্ক B (১১) যোগ করতে হবে। হেক্সাডেসিমেল 0xAB-এর দশমিক মান 171. সুতরাং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 171. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যা বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার সুবিধা দেয়।
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক রূপান্তর (Hexadecimal to Decimal):
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 0xAB
- এখানে A হলো 10 এবং B হলো 11
- হেক্সাডেসিমেল 0xAB কে দশমিক রূপান্তরে রূপান্তর করার জন্য:
(A × 161) + (B × 160) = (10 × 16) + (11 × 1)
10 × 16 = 160
11 × 1 = 11
- সব যোগ করলে: 160 + 11 = 171
- সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল 0xAB এর দশমিক মান হলো 171
- সঠিক উত্তর: 171
• হেক্সাডেসিমেল নোটেশন (Hexadecimal Notation):
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা বোঝানোর জন্য প্রিফিক্স 0x ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: 0xAB
- এখানে 0x মানে হলো "এই সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল (base 16)"।
- AB হলো হেক্সাডেসিমেল ডিজিট।
- কেন প্রয়োজন?
- কম্পিউটার বিভিন্ন বেসে সংখ্যা পড়তে পারে (binary, octal, decimal, hexadecimal)।
- প্রিফিক্স ছাড়া AB কে ভুল করে ভেরিয়েবল বা decimal হিসেবে মনে করা যেতে পারে।
- 0x ব্যবহার করলে স্পষ্ট হয় যে সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল।
- উদাহরণ:
- 0 x 10 → decimal-এ 16 (1 × 16 + 0 × 1 = 16)
- 10 → decimal-এ 10
- সুতরাং, 0x হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ নোটেশন।
সূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect [link]
আউটসোর্সিং (OUTSOURCING)
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোন কাজ করা যায়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলি অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে। এই ধরনের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং।
- অন্যভাবে বলা যায় যে, আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- আউটসোর্সিং এখন একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে।
- আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে।
- আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
---------------------------------
• বর্তমানে 'odesk.com' বলতে কিছু নেই। odesk.com এখন rebranding এর মাধ্যমে upwork.com হয়ে গিয়েছে।
• আর payoneer.com হচ্ছে Financial service company. এটা আউটসোর্সিং মার্কেট প্লেস নয়।
তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়- Windows.
- Windows হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং এটি মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
• ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO-এর পূর্ণরূপ হলো Multiple Input Multiple Output। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে একাধিক ডেটা স্ট্রিম প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। MIMO-এর মাধ্যমে ওয়্যারলেস সিগন্যালের ক্ষমতা ও গতি বৃদ্ধি করা সম্ভব, কারণ এটি সংকেতের বহুবিন্যস্ত পথ (multipath propagation) ব্যবহার করে আরও বেশি ডেটা একসাথে পাঠাতে পারে। ফলে সংযোগের গুণগত মান, ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের দক্ষতা এবং সার্ভিসের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। আধুনিক ওয়াইফাই (Wi-Fi) এবং 4G/5G নেটওয়ার্কে MIMO প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) Multiple Input Multiple Output।
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...):
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়।
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
টাচ স্ক্রিন ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
• ইনপুট ডিভাইস
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।
• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• .bmp একটি ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন।
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হলো কোনো ফাইলের নামের শেষে যুক্ত হওয়া একটি suffix, যা দিয়ে ফাইলের ধরন বা ফরম্যাট শনাক্ত করা যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম ফাইল এক্সটেনশন দেখে বুঝতে পারে কোন সফটওয়্যার দিয়ে ফাইলটি খুলতে হবে।
- সাধারণত ফাইল এক্সটেনশন একটি ডট (.) দিয়ে শুরু হয়।
- উদাহরণ: image.jpg, photo.png, picture.bmp।
- ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন ছবি ও গ্রাফিক্স সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- JPG (Joint Photographic Group) ও JPEG (Joint Photographic Experts Group) ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের জন্য বহুল ব্যবহৃত।
- PNG (Portable Network Graphics) স্বচ্ছ (transparent) ব্যাকগ্রাউন্ডসহ ইমেজ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- BMP (Bitmap Image File) অপরিবর্তিত (uncompressed) ইমেজ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- ফাইল এক্সটেনশন পরিবর্তন করলে ফাইলের প্রকৃত ধরন পরিবর্তন হয় না।
• অন্যান্য অপশন:
- .mp3 অডিও ফাইল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- .exe প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন ফাইল নির্দেশ করে।
- .doc টেক্সট ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
• Windows 7 হলো একটি Graphical User Interface (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M,
- FreeDOS, ইত্যাদি।
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৩। ব্রিটানিকা।
• সঠিক উত্তর: গ) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন হ্যাকার যারা কখনও কখনও আইনগত বা নৈতিক সীমার মধ্যে থাকে এবং কখনও তা অতিক্রম করে। তারা মূলত সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, যা ইতিবাচক কারণ হিসেবে ধরা হয়। তবে, তারা অনুমোদন ছাড়া এই কাজ করতে পারে বা কিছু ক্ষতিকারক কার্যকলাপে জড়িত হতে পারে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নৈতিকতার দিক থেকে সাদা এবং কালো হ্যাটের মধ্যে মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। তারা সাধারণত সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য হ্যাক করে, কিন্তু কখনও কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৌতূহলের জন্য অননুমোদিত হ্যাকিংও করে।
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - খ) PAN
• Zigbee
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• WiMAX Forum ২০০১ সালে গঠিত হয়।
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)–এর পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (Worldwide Interoperability for Microwave Access).
- ওয়াইম্যাক্সের IEEE স্ট্যান্ডার্ড নাম হলো IEEE 802.16।
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
• ওয়াইম্যাক্সের ব্যবহার ও কার্যকারিতা:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা সম্ভব।
- এটি একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস পাওয়া যায়।
- ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করে দূরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণ করা যায়।
• ওয়াইম্যাক্সের সুবিধাসমূহ:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হটস্পট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।
- ক্যাবল ও DSL–এর বিকল্প হিসেবে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সেবা প্রদান সম্ভব, এমনকি যেখানে টেলিফোন সংযোগ পৌঁছেনি।
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবা একসাথে প্রদান করা যায়।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়াইম্যাক্স ফোরাম [Link].
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির আটটি অংক হল ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭
তাই ৫৩৭ একটি অক্টাল সংখ্যা
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -১৯৪]
আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে। বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।
তবে, প্রশ্নে ঝামেলা আছে,
সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয়। এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়। ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই। সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলোই।
• 4-bit বাইনারি সিস্টেমে শূন্য (0000) এর 2’s complement বের করতে হলে প্রথমে 1’s complement নেওয়া হয়,
অর্থাৎ সব বিট উল্টালে পাওয়া যায় 1111.
এরপর এর সাথে 1 যোগ করলে আবার ফলাফল হয় 0000। তাই শূন্যের 2’s complement আসলে শূন্যই থাকে।
যেহেতু 4-bit signed 2’s complement পদ্ধতিতে 0000 এর ডেসিম্যাল মান 0, সেহেতু শূন্যের 2’s complement এর ডেসিম্যাল মানও 0.
এই কারণে সঠিক উত্তর হলো খ) ০
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।
উদাহরণ:
12 এর ২-এর পরিপূরক (2's Complement) বের করতে হলে,
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100
সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।
• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।