বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১২৩ / ১৩১ · ১২,২০১১২,৩০০ / ১৩,০৮৮

১২,২০১.
রোবট সোফিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Sony Corporation
  2. Honda
  3. Hanson Robotics
  4. Murata
সঠিক উত্তর:
Hanson Robotics
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hanson Robotics
ব্যাখ্যা
⚪ রোবট সোফিয়া (Sophia) নির্মিত হয়েছে Hanson Robotics নামক হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা। সোফিয়া মানুষের মতো মুখাবয়ব, অভিব্যক্তি এবং কথোপকথন করতে সক্ষম, যা তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দিয়েছে। ​এটি মানব-রোবট সম্পর্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটিক্স গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ​

⚪ রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,২০২.
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ব্যবহৃত POST এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Power On System Test
  2. Power On Self Test
  3. Program Operating Software Test
  4. Primary OS Test
সঠিক উত্তর:
Power On Self Test
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power On Self Test
ব্যাখ্যা

POST (Power On Self Test) হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া, যা প্রতিবার কম্পিউটার চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।

বুটিং (Booting):
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) Power On → কম্পিউটার চালু হলে BIOS/UEFI লোড হয়।
2) POST (Power-On Self Test) → হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়।
3) Boot Loader Execution → অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Windows, Linux বা অন্য OS মেমোরিতে লোড হয়।
5) User Interface Ready → ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Lenovo Website.

১২,২০৩.
রোমান সংখ্যা MCCLXXXIV এর মান কত?
  1. ৭৮৪
  2. ১২৮৪
  3. ১২৩৪
  4. ২২৮৪
সঠিক উত্তর:
১২৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৮৪
ব্যাখ্যা

• রোমান সংখ্যা MCCLXXXIV:
- রোমান সংখ্যার মূল অক্ষর ও মানগুলো হলো:
 - M = 1000
 - C = 100
 - L = 50
 - X = 10
 - V = 5
 - I = 1

- MCCLXXXIV কে ভাগ করা যায় এইভাবে:
- M (1000) + C (100) + C (100) + L (50) + X (10) + X (10) + X (10) + IV (4)
- এখন এগুলো যোগ করলে পাই:
- 1000 + 100 + 100 + 50 + 10 + 10 + 10 + 4 = 1284
- তাই MCCLXXXIV সংখ্যার মান হলো ১২৮৪

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ১২৮৪

সূত্র- ব্রিটানিকা। 

১২,২০৪.
মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে?
  1. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  2. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  3. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  4. প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
♦ ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন  মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২০৫.
সোর্স কোড থেকে অবজেক্ট কোডে অনুবাদ করতে সাধারণত কয় ধরনের প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

Translators

Any program written in a high level language is known as source code. However, computers cannot understand source code. Before it can be run, source code must first be translated into a form which a computer understands - this form is called object code.

A translator is a program that converts source code into object code. Generally, there are three types of translator:

• compilers
• interpreters
• assemblers
Source: bbc.co.uk

১২,২০৬.
কোনটি ব্লুটুথ প্রযুক্তির নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য?  
  1. ক) ডেটা এনক্রিপশন
  2. খ) ওয়াই-ফাই ডাইরেক্ট
  3. গ) ইনফ্রারেড কমিউনিকেশন
  4. ঘ) এনএফসি
সঠিক উত্তর:
ক) ডেটা এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Bluetooth এর স্টান্ডার্ড  IEEE 802.15
- Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- Bluetooth এ রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। 
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির একটি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা এনক্রিপশন। 


সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১২,২০৭.
বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস কোনটি?
  1. নরটন
  2. এভাস্ট
  3. বেশতো
  4. কোবরা
সঠিক উত্তর:
কোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবরা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস হলো কোবরা।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২০৮.
নিম্নোক্ত কোন ট্রান্সমিশনে স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. আইসোক্রোনাস
  3. সিনক্রোনাস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে।

• সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission).

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২০৯.
সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে নিচের কোনটি বৃহত্তম কম্পিউটার ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. খ) বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর
  3. গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  4. ঘ) পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ব্যবহার  বর্তমানে বাংলাদেশে গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর, ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা, সামরিক স্থাপনা ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহূত হচ্ছে। সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বৃহত্তম কম্পিউটার ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান। পরিসংখ্যান ব্যুরো তাদের বিভিন্ন শুমারী থেকে সংগৃহীত উপাত্তসমূহ সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিশ্লেষণসহ উপাত্তভিত্তি বা ডাটাবেস (database) তৈরির সকল পর্যায়ে বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহার করছে।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া
১২,২১০.
নিরাপদ লেনদেন সম্পাদনের জন্য এটিএম-এর এমবেডেড সিস্টেমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. এটিএম কার্ড রিডার
  2. ডিসপ্লে স্ক্রিন
  3. প্রিন্টার
  4. এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
সঠিক উত্তর:
এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার হল ATM-এর সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সহায়ক। এটি একটি ছোট কম্পিউটার যা ATM-এর সমস্ত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং লেনদেন যাচাই করা। মাইক্রোকন্ট্রোলারটি নিরাপত্তা কোড (পিন), ট্রানজেকশন তথ্য এবং ক্রেডিট ডেবিট ডেটা প্রক্রিয়া করে, যাতে টাকা উত্তোলন, পেমেন্ট এবং অন্যান্য লেনদেনগুলি সুরক্ষিত থাকে।

• অপশন আলোচনা:
- ATM card reader: এটিএম কার্ড রিডার কার্ডের তথ্য পড়ে, তবে এটি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে না।
- Display screen: ডিসপ্লে স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে লেনদেনের তথ্য দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি নিরাপত্তার মূল অংশ নয়।
- Printer: প্রিন্টার মূলত লেনদেনের রসিদ প্রদান করে, কিন্তু এটি সুরক্ষিত লেনদেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
১২,২১১.
ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম হলো -
  1. ওয়েবসাইট
  2. ইন্টারনেট প্রোটোকল
  3. ইউ আর এল
  4. ডোমেইন নেম
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নেম
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১২,২১২.
রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি কাজ করতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Care 360
  2. খ) Therapy Notes
  3. গ) Next Gen Ambulatory EHR
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন বলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা সেবা দেওয়াকে বোঝায়।
- এর মূল কথা হলো তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
- নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় টেলিকনফারেন্স, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে এবং জনসাধারণ এর সুফল ভোগ করা শুরু করেছেন।
- Teladoc, Maven Clinic, iCliniq, MDlive, Amwell, Doctor on Demand, treatmentonline নামীয় অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে অনলাইন চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
- সঠিক রোগ নির্ণয় হচ্ছে রোগীর যথাযথ চিকিৎসার পূর্বশর্ত।

- বর্তমান বিশ্বে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সুক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে এছাড়াও ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (EHR: Electronic Health Record) ব্যবস্থাপনায় ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোনো স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যে কোনো স্থানে বসে পেতে পারেন।
- রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি কাজ করতে যে সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে Therapy Notes, Epic care, Next Gen Ambulatory EHR, Care 360 ইত্যাদি অন্যতম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২,২১৩.
কোনটি এমবেডেড কম্পিউটার নয়?
  1. ক) প্রিন্টার
  2. খ) এটিএম
  3. গ) ওয়াশিং মেশিন
  4. ঘ) ল্যাপটপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাপটপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাপটপ
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, প্রিন্টার, কপিয়ার, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন, ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
১২,২১৪.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. স্পুফিং
  2. লজিক বম্ব
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ট্রোজান এ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল সাইবার অপরাধ নয়।
- Firewall হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে অননুমোদিত (Unauthorized) অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• সাইবার অপরাধ:

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে।
যেমন:
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২,২১৫.
Shift কোন ধরণের 'কী'?
  1. নিউম্যারিক কী
  2. মডিফায়ার কী
  3. নেভিগেশন কী
  4. ফাংশন কী
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
ব্যাখ্যা
• Shift হলো একটি মডিফায়ার কী।

• নিউম্যারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
১২,২১৬.
dBase কোন ধরণের সফটওয়্যার?
  1. Word Processing Software
  2. Spreadsheet Software
  3. Database Software
  4. Graphics Design Software
সঠিক উত্তর:
Database Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database Software
ব্যাখ্যা
dBase একটি Database Package Program সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২১৭.
n সংখ্যক নোডের জন্য মেশ টপোলজিতে মোট তারের সংখ্যা কত?
  1. (n - 1)
  2. (n - 2)
  3. n(n - 2)
  4. n(n - 1)/2
সঠিক উত্তর:
n(n - 1)/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n(n - 1)/2
ব্যাখ্যা
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,২১৮.
একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি ব্যবসায়ের লেনদেনকে কী বলা হয়?
  1. C2C
  2. G2B
  3. B2C
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
B2C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2C
ব্যাখ্যা
• একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি ব্যবসায়ের লেনদেনকে - B2C বলা হয়।

• ই-কমার্স:

- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহকে বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২১৯.
সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
  2. কলের খরচ কম।
  3. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
  4. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য -
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২২০.
মাদারবোর্ডকে শক্তি সরবরাহ করে:
  1. SSD
  2. RAM
  3. PSU
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
PSU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSU
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে সরাসরি শক্তি সরবরাহ করে PSU (Power Supply Unit)। PSU হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা বৈদ্যুতিক সাপ্লাই থেকে পাওয়া AC ভোল্টেজকে মাদারবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের জন্য উপযুক্ত DC ভোল্টেজে রূপান্তর করে। SSD, RAM, এবং HDD হলো স্টোরেজ এবং মেমোরি উপাদান, যা কাজ করার জন্য মাদারবোর্ডের মাধ্যমে PSU থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। অর্থাৎ, মাদারবোর্ড নিজে কখনও শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না; এটি শুধুমাত্র PSU থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বিতরণ করে বিভিন্ন কম্পিউটার উপাদানের মধ্যে। তাই মাদারবোর্ডের কার্যক্রম নির্ভর করে মূলত PSU-এর শক্তির উপর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১২,২২১.
‘Big Blue’ উপনামটি কোন বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Yahoo
  2. Intel
  3. IBM
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

IBM (International Business Machines Corporation)-কে প্রায়ই “Big Blue” নামে ডাকা হয়। এর কারণ হলো— IBM-এর কর্পোরেট লোগো এবং অফিসিয়াল ড্রেস কোডে নীল রঙের আধিক্য এবং কোম্পানির বিশালতা ও প্রযুক্তিগত প্রভাব।

​আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২,২২২.
নিচের কোনটি ই-রিটেইলিং-এর উদাহরণ?
  1. eBay
  2. Amazon
  3. bikroy.com
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
• ই-রিটেইলিং:
- ই-রিটেইলিং এর পূর্ন অর্থ ইলেকট্রনিক রিটেইলিং (Electronic Retailing)।
- ই-রিটেইলিং হলো বিজনেস টু কনজিউমার (B2C) লেনদেনের প্রতিশব্দ।
- সাধারণভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা পণ্য বিক্রি করাকে ই-রিটেইলিং বলে।
- পৃথিবীর জনপ্রিয় দুইটি ই-রিটেইলিং শপ হলো Amazon ও eBay.
- দেশি ই-রিটেইলিং শপ-এর মধ্যে bikroy.com উল্লেখযোগ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২২৩.
কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে
  2. ইন্টারপ্রেটার এর প্রধান মেমোরিতে কম জায়গার প্রয়োজন হয়
  3. কম্পাইলার দ্রুত প্রোগ্রাম নির্বাহ করে
  4. ইন্টারপ্রেটার এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে 
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার:
- এটি সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণ্রুপে মেশিন ভাষায় রুপান্তর করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে। এতে এক্সিকিউশন ফাইল তৈরি হয়। এই ফাইল দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয় । ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সাথে হয় । ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ব্যবহার করা হয়। একটি নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি নির্দিষ্ট উচ্চতর ভাষাকে কম্পাইল করতে পারে। কাজ করতে মেমোরিতে বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়। 

ইন্টারপ্রেটার:
ইন্টারপ্রেটার কম্পাইলার এর মত উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রুপান্তর করে। তবে ইন্টারপ্রেটার কম্পাইলার এর মত একসাথে এক্সিকিউট করে না। ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে। এতে ভুল শনাক্ত ও সংশোধন এ কম সময় লাগে। তবে এক লাইন করে কাজ করায় এর অনুবাদ ধীরগতিসম্পন্ন। মেমোরিতে কম জায়গার প্রয়োজন হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,২২৪.
গুগল ডকস কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার আওতাভুক্ত?
  1. অবকাঠামোগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়্যার সেবা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার সেবা
ব্যাখ্যা

Google Docs হলো একটি SaaS (Software as a Service) প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি অনলাইন ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে ব্যবহারকারীদের আলাদা সফটওয়্যার ইনস্টল করার দরকার হয় না।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- এটি ক্লাউডে ভার্চুয়াল মেশিন, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি সরবরাহ করে।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure, Google App Engine.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২২৫.
হার্ড ডিস্ক কোন শ্রেণির মেমরির অন্তর্গত?
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. সেকেন্ডারি মেমরি
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard Disk Drive – HDD) হলো সেকেন্ডারি মেমরি, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

সহায়ক মেমরি:
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- RAM ও ROM হচ্ছে প্রাইমারি মেমরি। 
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে ইন্টারনাল মেমরি বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২২৬.
What does 'HMD' stand for in Virtual Reality?
  1. High Magnification Display
  2. Haptic Motion Device
  3. Head Mounted Display
  4. Hybrid Motion Detection
সঠিক উত্তর:
Head Mounted Display
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Head Mounted Display
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
→ অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
→ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
→ কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
→ ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
→ ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display- HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২২৭.
কোনটি ব্যবহার করে শিক্ষকেরা ঘরে থেকেই লাইভ-ক্লাসে সরাসরি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে পারছেন?
  1. ক) WebEx
  2. খ) Skype
  3. গ) Zoom
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- বিশ্বগ্রামের ধারণায় শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, কারণ সত্যিকার শিক্ষাই একজন মানুষকে সমাজ এবং পরিবেশ সচেতন, মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী, উদার বিশ্বনাগরিক হতে সাহায্য করে।
- শিক্ষার্থীদের মেধা-মননের সাথে তাল মিলিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করে এগিয়ে যাচ্ছে শিখন পদ্ধতি।
- বর্তমানে ই-বুকের কারণে স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে সবাই পাঠ্যবই পেতে পারে যা আগে খুবই দুর্লভ একটি বিষয় ছিল। আমাদের দেশেও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রকাশিত সকল পাঠ্যপুস্তক তাদের ওয়েবসাইট থেকে ই-বুক আকারে ডাউনলোড করা যায়। 
- ২০২০ সালে সারা পৃথিবীব্যাপী কোভিড-১৯ সংক্রমণের সময় পৃথিবীর বেশিরভাগ স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষাক্রম বন্ধ না রেখে অনলাইন শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাদান করেছেন। 
- শিক্ষকেরা নিজ ঘরে থেকেই অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপ যেমন: Google meet, WebEx, Webinar, Facebook messenger, imo, Skype, Whatsapp, Zoom ইত্যাদি ব্যবহার করে লাইভ-ক্লাসে সরাসরি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছেন। 
- অনেক সময় বিষয়ভিত্তিক ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির পর অনলাইনে শেয়ার, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্লগিং করে, বিভিন্ন সামাজিক মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করেছেন।
- ইন্টারনেট ও ওয়েব ব্যবহার করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলে। 
- ই-লার্নিং এমন একটি প্রযুক্তিগত শিখন পদ্ধতি যেখানে অনলাইনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী যেকোনো অবস্থান থেকে পারস্পারিক মিথষ্ক্রিয়ায় (Interactive) পাঠদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,২২৮.
বারকোড রিডার ব্যবহৃত হয়-
  1. নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র যাচাই করতে
  2. পণ্যের পরিচিতি শনাক্ত করতে
  3. বিভিন্ন গ্রাফ তৈরি করতে
  4. ইলেকট্রিক বিল পড়ার জন্য
সঠিক উত্তর:
পণ্যের পরিচিতি শনাক্ত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্যের পরিচিতি শনাক্ত করতে
ব্যাখ্যা
বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়। সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে। বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২২৯.
কোনটির মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়? 
  1. Wi-Fi 
  2. Internet 
  3. Ethernet 
  4. ARPANET 
সঠিক উত্তর:
ARPANET 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ARPANET 
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেট: 
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 
- আরপানেট ( ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 

ইন্টারনেটের ব্যবহার: 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
২. তথ্য সংরক্ষণ করা। 
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। 
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। 
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৩০.
Remark, History, Reference ফিল্ডে সাধারণত কোন ধরণের ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. Currency
  2. OLE object
  3. Hyperlink
  4. Memo
সঠিক উত্তর:
Memo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Memo
ব্যাখ্যা

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,২৩১.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের উদাহরণ?
  1. ক) লোকাল বাস
  2. খ) ইউএসবি
  3. গ) পিসিআই বাস
  4. ঘ) ডাটা বাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা বাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস
বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
বাস দুই প্রকার। যথা:
১. সিস্টেম বাস ও
২. এক্সপানশনস বাস।

সিস্টেম বাস 

- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।

এক্সপানশনস বাস
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – ১) ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
২) পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,২৩২.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. GPRS
  2. WAP
  3. EDGE
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 
- মোবাইল ফোনে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়, কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না। 
- এক্ষেত্রে খানিকটা উঁচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা: 
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়। 
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়। 
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়। 
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়। 
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়। 
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা: 
• শুধুমাত্র বিশেষ পর্যায়ের হ্যান্ডসেটগুলোতেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়। 
• লো-কনফিগারেশনের মোবাইলগুলোতে ফ্ল্যাশ ও অন্যান্য ভারী কনটেন্ট চালানো সহজ হয় না। 
• মেসেজ বা ই-মেইল টাইপ করতে সময় বেশি লাগে। 
• ইন্টারনেটের খরচ অনেক বেশি। 
• ওয়েব সাইটে থাকা পিডিএফ, ভিডিও ফাইল পড়তে ও দেখতে সমস্যা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৩৩.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের একটি ধরণ?
  1. B2C
  2. D2H
  3. B2R
  4. F2P
সঠিক উত্তর:
B2C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2C
ব্যাখ্যা

• পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্সকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
-ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B)

ই-কমার্সের সুবিধা:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়।
২. ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করানো যায়।
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন।
৪. খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. তথ্যের নির্ভুলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
৬. পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায় ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,২৩৪.
A section of code that may only be executed by one process at any one time is
  1. ক) CPM
  2. খ) Critical resource
  3. গ) Critical region
  4. ঘ) Gray code
সঠিক উত্তর:
গ) Critical region
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Critical region
ব্যাখ্যা
A critical section is a piece of code that accesses a shared resource (data structure or device) that must not be concurrently accessed by more than one thread of execution.
১২,২৩৫.
কোন প্রতিষ্ঠান ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Amazon Web Services
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
ব্যাখ্যা

• Amazon Web Services → ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা (AWS) চালু করে, যা আধুনিক ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সূচনা করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): ইতিহাস ও ধারণা:

- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাসের সূচনা হয় ১৯৬০–এর দশকে।
- ২০০৬ সালে, বিশ্ববিখ্যাত Amazon Web Services (AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
- ২০১০ সালে, The Rackspace Cloud এবং NASA যৌথভাবে উন্মুক্ত Application Programming Interface (API) চালু করে।
- এর ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসে।
 
• NIST অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সংজ্ঞা:

- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST)–এর মতে, ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি মডেল যেখানে
গ্রাহকের তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়, এবং এই মডেলে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ (NIST):

• ১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability):

- গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, সব ধরনের প্রয়োজন পূরণ করা যায়।
- গ্রাহক যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

• ২. অন-ডিমান্ড (On-Demand):

- গ্রাহক যখন চাইবে, তখনই সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় সেবার পরিমাণ বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go):

- এটি একটি ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
- গ্রাহককে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হয় না।
- গ্রাহক যতটুকু সেবা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র ততটুকুর জন্যই অর্থ প্রদান করবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৩৬.
হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ কোন ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স
  2. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স
  3. কৃত্রিম বায়োমেট্রিক্স
  4. জৈবিক বায়োমেট্রিক্স
সঠিক উত্তর:
আচরণগত বায়োমেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচরণগত বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ হলো আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,২৩৭.
What is the process of transmitting data without storing it in a storage device?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Asynchronous
  3. গ) Synchronous
  4. ঘ) Isochronous
সঠিক উত্তর:
ঘ) Isochronous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Isochronous
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission)
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২,২৩৮.
কোনো সফটওয়্যার তৈরি, ডিবাগ, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়ার
  2. প্রোগ্রামিং সফটওয়ার
  3. এপ্লিকেশন সফটওয়ার
  4. ইউটিলিটি সফটওয়ার
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রামিং সফটওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রামিং সফটওয়ার
ব্যাখ্যা

কোনো সফটওয়্যার তৈরি, ডিবাগ, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য প্রোগ্রামিং সফটওয়ার ব্যবহার হয়। 

প্রোগ্রামিং সফটওয়‍্যার: 
- প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার হলো একধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম অথবা এ্যাপ্লিকেশন যা সফটওয়‍্যার উন্নয়নকারীগণ ব্যবহার করে থাকেন।
- কোনো সফটওয়‍্যার তৈরি, ডিবাগ, নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ অথবা অন্য প্রোগ্রাম বা এ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সহযোগিতা করতে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণ অর্থে এটি বোঝায় সাধারণ প্রোগ্রাম যা একত্র করা হয়েছে প্রদত্ত একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনার জন্য, যেমন: একজন ব্যক্তি একটি যন্ত্র দিয়ে একাধিক যন্ত্রাংশ ঠিক করতে পারে।

→ অন্যান্য অপশন সম্পর্কে আলোচনা: 

• সিস্টেম সফটওয়‍্যার: 
- সিস্টেম সফটওয়্যার হার্ডওয়‍্যারগুলোকে চালাতে সহায়তা করে, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার চালানোর জন্য প্ল্যাটফর্ম গঠন করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারের মধ্যে আছে অপারেটিং সিস্টেম, হার্ডওয়‍্যার ড্রাইভার ইত্যাদি। কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়ার এর মাঝে সমন্বয় সাধন করে।
- ব্যবহারকারীর দেয়া বিভিন্ন নির্দেশনা অনুযায়ী হার্ডওয়ারকে পরিচালনা করে।

• এপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার: 
- এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার বা কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- একে এ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ (app) নামে ডাকা হয়। 

• ইউটিলিটি সফটওয়ার: 
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,২৩৯.
1011101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কত?
  1. 68
  2. 75
  3. 87
  4. 93
সঠিক উত্তর:
93
উত্তর
সঠিক উত্তর:
93
ব্যাখ্যা

1011101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 93.

বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।

• এখানে, বাইনারি সংখ্যাটি হলো 1011101।
- এর ডেসিমেল রূপান্তর হলো:
(1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 93

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৪০.
পেশাজীবীদের জন্য প্রখ্যাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম -
  1. ক) টুইটার
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) ইনস্টাগ্রাম
  4. ঘ) লিংকডইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিংকডইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিংকডইন
ব্যাখ্যা
- লিংকডইন পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। 
- লিংকডইন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ২০০৩ সালে। 
- মাইক্রোসফট ২০১৬ সালে ২৬ বিলিয়ন ডলার খরচ করে লিংকডইন অধিগ্রহণ করে।
- মাইক্রোসফট এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার Office 365 এর সাথে সংযুক্তি করা হয়। 
- লিংকডইন এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হলেন Reid Hoffman.
- লিংকডইন এর প্রধান নির্বাহী হলেন Ryan Roslansky.
 
উৎস: লিংকডইন ও মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১২,২৪১.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের গতি পরিমাপের একক কোনটি?
  1. DPI
  2. CPS
  3. BPS
  4. DPS
সঠিক উত্তর:
CPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPS
ব্যাখ্যা
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
১২,২৪২.
What is the role of a DHCP server?
  1. ক) To encrypt data
  2. খ) To prevent unauthorized access to a network
  3. গ) To distribute IP addresses to devices on a network
  4. ঘ) To manage resource allocation
সঠিক উত্তর:
গ) To distribute IP addresses to devices on a network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) To distribute IP addresses to devices on a network
ব্যাখ্যা
- A DHCP server is a service that automatically assigns IP addresses to devices on a network.
- It takes care of assigning unique IP address to each device that connects to the network, eliminating the need for manual configuration of IP addresses.

Reference: University of Massachusetts website
১২,২৪৩.
মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় কোন কম্পোনেন্টটি?
  1. র‍্যাম
  2. প্রসেসর
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় প্রসেসর। প্রসেসর বা সিপিইউ (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মূল মস্তিষ্ক, যা সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে। এটি মাদারবোর্ডের একটি নির্দিষ্ট সকেটে বসানো হয়, যা সঠিকভাবে সিগন্যাল এবং পাওয়ার সরবরাহ নিশ্চিত করে। অন্য উপাদান যেমন র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ বা পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডের অন্যান্য অংশে সংযুক্ত হয়, কিন্তু সরাসরি CPU সকেটে বসানো হয় না। প্রসেসর সঠিকভাবে বসানো না হলে কম্পিউটার চালু হয় না এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। তাই CPU ইনস্টলেশন সবচেয়ে সংবেদনশীল ধাপগুলির মধ্যে একটি।

- সঠিক উত্তর: খ) প্রসেসর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।

- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১২,২৪৪.
Which protocol is used to download emails from a mail server to a computer?
  1. HTTP
  2. POP3
  3. SMTP
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

• ইমেইল সার্ভার থেকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারে মেইল ডাউনলোড করার জন্য POP3 প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেইল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেইল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।
- সহজ কথায়, যখন কোনো ইমেল পাঠানো হয়, তখন SMTP সেই ইমেলটিকে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উল্লেখ্য-
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol): এটি ওয়েবপেজ অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল। এটি ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে। এর সাথে ইমেল প্রেরণের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
- FTP (File Transfer Protocol): এটি ফাইল স্থানান্তরের প্রোটোকল, ইমেইল ব্যবস্থার জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

১২,২৪৫.
OCR মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ​ভয়েস কমান্ডকে টেক্সটে রূপান্তর করতে
  2. ​হাতের লেখা বা প্রিন্টেড টেক্সটকে ইমেজ আকারে সংরক্ষণ করতে
  3. স্ক্যান করা ডকুমেন্টকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুদ্রণ করতে
  4. প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার তথ্য সনাক্ত করতে

• OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনা প্রযুক্তি, যা প্রিন্টেড টেক্সট বা সংখ্যার ডেটা সনাক্ত করতে ব্যবহার হয়।
- এটি ডেটা এন্ট্রির জন্য প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়াল পুনঃলিখনের প্রয়োজন কমায়।
- OCR সফটওয়্যার চরিত্রগুলোকে তাদের আকারের সাথে সফটওয়্যারের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে সনাক্ত করে।
- শব্দ শনাক্ত করার সময় এটি চরিত্রের proximity ব্যবহার করে এবং মূল পৃষ্ঠার লেআউট পুনর্গঠন করে।
- OCR ব্যবহার করে মেল সরাসরি সর্ট করা বা মেশিন-রিডেবল কোড মার্ক করা সম্ভব, যাতে পরে high-speed automatic machines দিয়ে দ্রুত সর্ট করা যায়।
- OCR দৈনন্দিনভাবে ব্যবহৃত হয় ডেটা এন্ট্রির জন্য পুনঃলিখনের প্রয়োজন এড়াতে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,২৪৬.
লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. iOS
  2. Ubuntu
  3. macOS
  4. Windows
সঠিক উত্তর:
Ubuntu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ubuntu
ব্যাখ্যা

- Ubuntu হলো একটি ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা Linux কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি Debian ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় Linux ডিস্ট্রিবিউশন, যা ডেস্কটপ, সার্ভার এবং ক্লাউড পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৪৭.
কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ওয়াইম্যাক্স
  2. সি-মস
  3. ব্লু-টুথ
  4. ব্রডব্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ওয়াইম্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াইম্যাক্স
ব্যাখ্যা
• তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী হলো 'ওয়াইম্যাক্স'।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,২৪৮.
নিচের কোনটি Private Network?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) CAN
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এখানে LAN, PAN ও CAN সবগুলো Private Network এর অন্তর্ভূক্ত। 

নেটওয়ার্ক মালিকানার ভিত্তিতে দুই ধরনের হয়ে থাকে। 
- Public Network 
- Private Network
Public Network: 
- যেকোন কম্পিউটার থেকে সংযোগ করা যায়।
- সাধারণত ব্যবহারকারীকে ফিস বা মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
- একক মালিকানাধীন থাকে না। 
- WAN বা ইন্টারনেট এ নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 
Private Network: 
- কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন থাকে।
- যেকেউ Access করতে পারে না। অনুমতির প্রয়োজন। 
- সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত। 
- LAN, PAN ও CAN এ নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
         তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই) ।
১২,২৪৯.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) লিনাক্স
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ
  4. ঘ) ওরাকল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওরাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওরাকল
ব্যাখ্যা
ওরাকল অপারেটিং সিস্টেম নয়। লিনাক্স, ইউনিক্স, মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, জেনিক্স, সিম্বিয়ান, এন্ড্রয়েড, ওএস/২, মেক ওএস, মাইক্রোসফট ডস, পিসি ডস ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,২৫০.
নিচের কোনটি MICR অক্ষর মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. থার্মাল কালি
  2. চুম্বকীয় কালি
  3. UV কালি
  4. স্ট্যান্ডার্ড কালি
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয় কালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয় কালি
ব্যাখ্যা
⚪ MICR (Magnetic Ink Character Recognition) অক্ষরগুলি বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয় যাতে তারা ম্যাগনেটিক স্ক্যানারের মাধ্যমে পড়া যায়। এই ধরনের অক্ষরগুলি মুদ্রণ করার জন্য ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ স্ট্যান্ডার্ড ইঙ্কের চেয়ে ভিন্ন। ম্যাগনেটিক ইঙ্কের সাহায্যে পণ্যের বা চেকের তথ্য স্ক্যান করা এবং সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,২৫১.
Amazon.com এর সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. ক) জ্যাক মা
  2. খ) পল এলেন
  3. গ) এলন মাস্ক
  4. ঘ) জেফ বেজোস
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেফ বেজোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেফ বেজোস
ব্যাখ্যা
১৯৯৪ সালে জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত Amazon বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স সাইট।
১২,২৫২.
Which feature of cloud computing allows users to access services whenever needed?
  1. On-demand service
  2. Resource scalability
  3. Pay-as-you-go
  4. Data outsourcing
সঠিক উত্তর:
On-demand service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
On-demand service
ব্যাখ্যা

• On-Demand বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে গ্রাহক যখন চাইবে, তখনই ক্লাউড সেবা গ্রহণ করতে পারে।

• On-Demand (অন-ডিমান্ড):
- On-Demand হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে গ্রাহক নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় ক্লাউড সেবা ব্যবহার করতে পারে।

• NIST অনুযায়ী On-Demand বৈশিষ্ট্য:
- গ্রাহক আগে থেকে কোনো সেবা নির্ধারণ বা রিজার্ভ না করেও প্রয়োজনের সময় সেবা নিতে পারে।
- গ্রাহক চাইলে সেবার পরিমাণ বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারে On-Demand-এর গুরুত্ব:
- ব্যবহারকারীর চাহিদা পরিবর্তনের সাথে সাথে সেবা গ্রহণ সহজ হয়।
- এতে সময় সাশ্রয় হয় এবং অপ্রয়োজনীয় রিসোর্স ব্যবহার এড়ানো যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- Resource Scalability গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়।
- Pay-as-you-go হলো ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা।
- Data outsourcing বলতে তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে সংরক্ষণ করাকে বোঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৫৩.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেল নয়?
  1. ক) IaaS
  2. খ) PaaS
  3. গ) YaaS
  4. ঘ) SaaS
সঠিক উত্তর:
গ) YaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) YaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,২৫৪.
কম্পিউটার ক্রাশ বা অকার্যকর হয়ে পড়ছে কোনটি করা হয়?
  1. ক) রিবুটিং
  2. খ) রিসেট
  3. গ) ফরম্যাটিং
  4. ঘ) ডিফ্র্যাগমেন্টেশন
সঠিক উত্তর:
ক) রিবুটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিবুটিং
ব্যাখ্যা
কোন কারণে কম্পিউটার অকার্যকর বা ক্রাশ হয়ে পড়লে সেক্ষেত্রে কম্পিউটারকে রিবুটিং করতে হয়। রিবুট মানে হলো অপারেটিং সিস্টেমকে রিলোড করা। বুট লোডারকে সক্রিয় করা হলো রিবুটিং। এতে হার্ডডিস্কে সেইভ করা কোন ফাইল মুছে যায় না। রিস্টার্ট এবং রিবুটিং এর মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেও, রিস্টার্ট সাধারণত পাওয়ার ফেইলর কিংবা কোন সফটওয়্যার চালু করতে ব্যবহৃত হয়। ফাইল পুনর্বিন্যস্ত করতে ডিফ্র্যাগমেন্টেশন ব্যবহৃত হয়। সকল সেটিংস বা ডাটা মুছে ফেলার জন্যে রিসেটিং বা ফরম্যাটিং ব্যবহৃত হয়।
১২,২৫৫.
"ABCD" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 43713
  2. 63981
  3. 53981
  4. 43981
সঠিক উত্তর:
43981
উত্তর
সঠিক উত্তর:
43981
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

∴ (ABCD)16 = (10 × 163) + (11 × 162)  + (12 × 161) + (13 × 160)
= (10 × 4096) + (11 × 256)  + (12 × 16) + (13 × 1)
= 40960 + 2816 + 192 + 13
= 43981

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৫৬.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
  2. কাগজে তথ্য প্রিন্ট করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ করা 
  4. শব্দ আউটপুট দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

মাদারবোর্ড (Motherboard) হলো কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড, যা প্রসেসর, মেমরি, স্টোরেজ, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসসহ সব কম্পোনেন্টকে সংযুক্ত ও সমন্বয় করে।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস:
- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৫৭.
নিচের কোন গ্রুপটি Graphical File এর Extension?
  1. JPG, CPX, GCM
  2. GIF, TCE, WMF
  3. TCP, JPG, BMP
  4. JPG, GIF, BMP
সঠিক উত্তর:
JPG, GIF, BMP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
JPG, GIF, BMP
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।

• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• CPX- Game Files or Raster Image Files.
• GCM are platforms developed by Google for sending push notifications to Android devices.
• The TCE file extension is used for an ASCII text file.
• WMF is short for Windows Metafile.
• TCP stands for Transmission Control Protocol. (Internet Protocol)

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১২,২৫৮.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) A + 1 = A
  2. খ) A + A' = 0
  3. গ) A + A = 1
  4. ঘ) A + 0 = A
সঠিক উত্তর:
ঘ) A + 0 = A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) A + 0 = A
ব্যাখ্যা
- বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে,
A + 0 = A
A + A = A
A + A' = 1
A + 1 = 1
A.1 = A

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,২৫৯.
প্রথম ডিফারেন্স ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা করেন কে?
  1. মুলার
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. জন নেপিয়ার
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
সঠিক উত্তর:
মুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুলার
ব্যাখ্যা
 ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine):
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।

• চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী। তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
• ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
• ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৬০.
ইন্টারনেটে কেনাকাটার পদ্ধতির নাম কি?
  1. ই-পুজি
  2. ই-ট্রেড
  3. ই-ক্রেডিট
  4. ই-কমার্স
সঠিক উত্তর:
ই-কমার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:
- E-Commerce-এর পূর্ণরূপ: Electronic Commerce।
- ইন্টারনেটে কেনাকাটার পদ্ধতির নাম ই-কমার্স।

⇒ মূলত ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক এর মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয়, অথবা তহবিল বা ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি করাকেই ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স বিজনেসের প্রসারের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই যে কোন পণ্য বা সেবা অনলাইনে কেনাকাটা করা যাচ্ছে। 
- ই-বিজনেস পরিচালিত হয় বিজনেস টু বিজনেস, বিজনেস টু কাস্টমার ও কাস্টমার টু কাস্টমার পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- অর্থাৎ এই ব্যবসায় সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তার মধ্যকার লেনদেন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।

⇒ একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বিভিন্ন প্রকারের পণ্য থাকে এবং সেগুলো পছন্দ করে অনলাইনে কিনে নেওয়ার ব্যবস্থা করা থাকে।
- পছন্দের পণ্য কেনার পর অনলাইনেই উক্ত পণ্যের দাম পরিশোধ করার সিস্টেম আছে যা ওয়েবসাইটে সেটআপ ও কনফিগার করা থাকে।
- পেমেন্ট করা হয়ে গেলে ডেলিভারি লোকেশন দিতে হয় যাতে পণ্যটি আপনার বাসায় পৌঁছাতে পারে।
- মোটকথা, ঘরে বসে অনলাইনে কেনা কাটা করার জন্য তৈরি করা ওয়েবসাইটকে ই-কমার্স বা ইলেক্ট্রনিক কমার্স বলা হয়। 

উৎস: i) Investopedia.
ii) TechTarget.
১২,২৬১.
Dot matrix printer can also be called-
  1. ক) Line printer
  2. খ) Spray printer
  3. গ) Page printer
  4. ঘ) Impact printer
সঠিক উত্তর:
ঘ) Impact printer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Impact printer
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার (Printer):
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। 
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি। 

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer): 
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়।
- তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়। 
- একে Impact printer ও বলা হয়। 

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুত ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। লেজার প্রিন্টারের প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট ও টোনার কার্টিজ। 

• ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রধান অংশ হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানো এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।

• থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer):
- থার্মাল প্রিন্টারে কোনো কালি ও রিবন ব্যবহৃত হয় না, শুধু রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া কাগজ ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের প্রিন্ট হেড পিনের বদলে থাকে কতকগুলো বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু।
- ছাপার কাগজে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানো থাকে, যার সাহায্যে প্রিন্ট করা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৬২.
কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরি করার জন্য কোন সফটওয়্যার বিশেষভাবে তৈরি?
  1. Salesforce
  2. Slack
  3. Dialogflow
  4. Zoom
সঠিক উত্তর:
Dialogflow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dialogflow
ব্যাখ্যা
• কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরি করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যার হলো Dialogflow. Dialogflow গুগল কর্তৃক তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম যা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন বুঝে তার সঠিক উত্তর দেয়। এটি বিভিন্ন ভাষা ও প্ল্যাটফর্মে ইন্টিগ্রেট করা যায় এবং সহজে কাস্টমাইজ করা যায়। অন্যদিকে, Salesforce একটি CRM সফটওয়্যার, Slack হলো যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম এবং Zoom প্রধানত ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরির জন্য Dialogflow সবচেয়ে উপযুক্ত এবং বিশেষায়িত সফটওয়্যার।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) হলো কম্পিউটার বা যন্ত্রকে মানুষের মতো চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা দেওয়ার প্রযুক্তি। 
- AI-এর গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলো হলো মেশিন লার্নিং (ML), রোবোটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), ও স্পিচ প্রসেসিং।
- মেশিন লার্নিং এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কম্পিউটার নিজেই শেখার ক্ষমতা অর্জন করে।
- রোবোটিক্স AI-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরির বিজ্ঞান।
- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বুঝতে ও ব্যবহার করতে শেখায়।
- কম্পিউটার ভিশন ক্যামেরার মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করে, যেমন মানুষের চোখ কাজ করে।
- স্পিচ প্রসেসিং কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাষা শোনা ও বলা শেখায়।
- AI উন্নত করতে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের মস্তিষ্কের অনুকরণে ডিজাইন করা কৃত্রিম নিউরন (পারসেপট্রন) ব্যবহার করে।
- নিউরাল নেটওয়ার্কের তিনটি স্তর থাকে: ইনপুট স্তর, লুক্কায়িত স্তর (Hidden Layer), ও আউটপুট স্তর।
- ডিপ লার্নিং মেশিন লার্নিং-এর উন্নত রূপ, যা জটিল সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- AI-ভিত্তিক জনপ্রিয় NLP সফটওয়্যার: ChatGPT, Microsoft Copilot, Google Bard.
- AI উন্নয়নে ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা: Python, Java, C/C++, MATLAB, LISP, PROLOG, R ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২,২৬৩.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোডটি প্রযোজ্য?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Full-Duplex
  4. Serial
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা

একটি কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণের ক্ষেত্রে সিমপ্লেক্স (Simplex) পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৬৪.
এমএস ওয়ার্ড এ কোনো কিছু কপি করতে হলে কী-বোর্ডে কমান্ড বাটন হচ্ছে-
  1. ক) Shift + Copy
  2. খ) Shift + Alter + C
  3. গ) Alt + G
  4. ঘ) Ctrl + C
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ctrl + C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ctrl + C
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ড এ,
- কোনো কিছু কপি করতে হলে - Ctrl + C.
- পেস্ট করতে হলে - Ctrl + Ctrl + C.
- কোনো ফাইল কর্তনে - Ctrl + Z.
- Undo করতে - Ctrl + Y.
 
উৎস: Microsoft website.
১২,২৬৫.
CAN-এর বিস্তৃতি কত?
  1. ১ থেকে ৫ কি.মি.
  2. ১ থেকে ১০ কি.মি.
  3. ১ থেক ১০০ কি.মি.
  4. কোনো সীমাবদ্ধতা নেই
সঠিক উত্তর:
১ থেকে ৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ থেকে ৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ Campus/Corporate Area Network.
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,২৬৬.
পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ হলো-
  1. ব্যাকরাব
  2. নিউটন
  3. আরপানেট
  4. অ্যাবাকাস
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৬৭.
মার্ক-১ (Mark-I) কম্পিউটার তৈরি হয় কোন সালে?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার: 
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। 
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। 
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। 
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল। 
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৬৮.
Stoned ও Vienna হলো-
  1. ক) Operating System
  2. খ) Programming Language
  3. গ) Antivirus Software
  4. ঘ) Computer Virus
সঠিক উত্তর:
ঘ) Computer Virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Computer Virus
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো 'Vital Information Resources Under Seize.'
- এটি কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। 
- উদাহরণ: স্টোনড (Stoned), ভিয়েনা (Vienna), সিআইএইচ (CIH), ফোল্ডার (Folder), Trojan Horse ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (বোর্ড বই)।
১২,২৬৯.
রাশিয়াতে অ্যাবাকাস যন্ত্রটি কী নামে পরিচিত?
  1. স্কেটিয়া (Sketia)
  2. সুয়ানপান (Suanpan)
  3. সরোবান (Soroban)
  4.  কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্কেটিয়া (Sketia)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কেটিয়া (Sketia)
ব্যাখ্যা

• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৭০.
কম্পিউটারে হিসাব নিকাশ করার জন্য নিচের কোন সফটওয়্যারটি সর্বাধিক উপযোগী?
  1. ক) এমএস ওয়ার্ড
  2. খ) এমএস পাওয়ার পয়েন্ট
  3. গ) নোটপ্যাড
  4. ঘ) এমএস এক্সেল
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমএস এক্সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমএস এক্সেল
ব্যাখ্যা

এমএস এক্সেল কম্পিউটারের হিসাব নিকাশের প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
এমএস ওয়ার্ড যাবতীয় লেখা সম্পর্কিত প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
এমএস পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বাঁ এনিমেশন তৈরির কাজে লাগে। 

১২,২৭১.
মাদারবোর্ড নিচের কোনটি হিসেবে পরিচিত? 
  1. ডিসপ্লে বোর্ড
  2. কন্ট্রোল বোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. পাওয়ার বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে System Board বা Mainboard বলা হয়।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থলকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন—কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন, প্রতিটি অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৭২.
কাজ সম্পন্ন করার পর্যায়ক্রমিক নির্দেশের তালিকাকে কী বলে?
  1. ক) হার্ডওয়্যার
  2. খ) প্রোগ্রাম
  3. গ) সফটওয়্যার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে হার্ডওয়্যার বলে।
- অর্থাৎ হার্ডওয়্যার বলতে কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক, বৈদ্যুতিক, যান্ত্রিক ও আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতিকে বুঝায়। যেমন: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।

- কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা নেই। তাই কোনো কাজ সম্পাদনের পূর্বে এটি প্রয়োজনীয় নির্দেশ গ্রহণ করে থাকে।
- কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় লিখিত এ ধরনের নির্দেশকে প্রোগ্রাম বলে।
- অর্থাৎ প্রোগ্রাম হলো কাজ সম্পন্ন করার পর্যায়ক্রমিক নির্দেশের তালিকা

- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো নির্দেশকৃত প্রোগ্রামের সমষ্টি যা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য হার্ডওয়্যারকে সক্রিয় বা কর্মক্ষম করে।
- এটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সংযোগ ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে।

- কম্পিউটার থেকে ফলপ্রসূ কোনো আউটপুট পেতে হলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয়েরই পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১২,২৭৩.
কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যথা-
১. সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software) এবং
২. অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার (Application Software).

• সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- তার মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৭৪.
নিচের কোনটি ক্লায়েন্ট সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন নয়?
  1. Internet chat
  2. Web browsing
  3. Ping
  4. E-mail
সঠিক উত্তর:
Ping
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ping
ব্যাখ্যা
- যে  অ্যাপ্লিকেশন ক্লায়েন্ট সাইডে চলে এবং তথ্যের জন্য রিমোট সার্ভার অ্যাক্সেস গ্রহণ করে তাকে ক্লায়েন্ট/সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন বলা হয়। 
-Ping ছাড়া বাকি সবগুলো ক্লায়েন্ট সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন। 
-Ping (Packet Internet or Inter-Network Groper) হলো একধরণের মৌলিক ইন্টারনেট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যবিশিষ্ট আইপি ঠিকানা পরীক্ষা এবং যাচাই করার সুবিধা দেয়।
১২,২৭৫.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিকে একই সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. অ্যাসিনক্রোনাস মোড
  4. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা

ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode) হলো এমন একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মোড, যেখানে ডেটা একই সময়ে উভয় দিকে আদান-প্রদান করা সম্ভব।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode):
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode):
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে।
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য।
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে।

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১২,২৭৬.
সবচেয়ে বড় হেডিং নির্ধারণ করতে কোন HTML ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়?
  1. < h6 >
  2. < heading >
  3. < head >
  4. < h1 >
সঠিক উত্তর:
< h1 >
উত্তর
সঠিক উত্তর:
< h1 >
ব্যাখ্যা
⚪ HTML-এ <h1> থেকে <h6> পর্যন্ত মোট ছয়টি heading tag আছে।

<h1> হচ্ছে সবচেয়ে বড় heading,

আর <h6> সবচেয়ে ছোট।

⚪ অপশন আলোচনা:

<head>: ওয়েব পেজের মেটা তথ্য (যেমন title, CSS, JS) রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি কোনো heading নয়।

<heading>: এটি একটি ভুল বা অব্যবহৃত ট্যাগ — HTML-এ এমন কোনো ট্যাগ নেই।

<h6>: এটি সবচেয়ে ছোট heading tag।

⚪ HTML:
- 'HTML' এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।

- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

সূত্র: w3schools.com
১২,২৭৭.
সাইবার নিরাপত্তায় ‘স্নিকিং’ বলতে কী বোঝায়?
  1. অননুমোদিত প্রবেশ
  2. ক্ষতিকর প্রোগ্রাম স্থাপন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. ফিশিং অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ
ব্যাখ্যা

স্নিকিং বলতে গোপনে কম্পিউটার সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করাকে বোঝায়। 
- এটি তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ বা ক্ষতিকারক কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- অন্য ধরনের আক্রমণের মতো সরাসরি ক্ষতি বা সিস্টেম ক্র্যাশ না করেও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি গোপনে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,২৭৮.
CDMA কোন পদ্ধতিতে ডাটা আদান প্রদান করে?
  1. ক) Sacred Spectrum
  2. খ) Broad Spectrum
  3. গ) Spread Spectrum
  4. ঘ) Wide Spectrum
সঠিক উত্তর:
গ) Spread Spectrum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Spread Spectrum
ব্যাখ্যা
CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে। CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় বলে একে Green Phone বলে৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১২,২৭৯.
ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে জমা রাখা কার কাজ?
  1. ক) রেজিস্টর
  2. খ) কাউন্টার
  3. গ) কুকিজ
  4. ঘ) ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
গ) কুকিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুকিজ
ব্যাখ্যা
Cookies হলো ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত হওয়া কিছু ফাইল। আপনি যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যান, তখন এই কুকিজগুলো আপনার কম্পিউটারে সেভ হয়ে থাকে।
মূলতঃ আপনার পরিদর্শন করা ওয়েবসাইটগুলো আপনার কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
১২,২৮০.
টুইটার প্রতিষ্ঠার সাথে কে জড়িত নয়?
  1. ক) জ্যাক ডরসি
  2. খ) কেভিন সিস্ট্রোম
  3. গ) নোয়ান গ্লাস
  4. ঘ) বিজ স্টোন
সঠিক উত্তর:
খ) কেভিন সিস্ট্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেভিন সিস্ট্রোম
ব্যাখ্যা
- টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- টুইটারে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন (টুইট করতে পারেন)।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারের বর্তমান সিইও জ্যাক ডরসি।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
 
 অন্যদিকে, ২০১০ সালে কেভিন সিস্ট্রোম ও মাইক ক্রিয়েজার ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন।
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
১২,২৮১.
Malware শব্দটির পূর্ণ শব্দরূপ কী?
  1. Malicious Virus
  2. Malicious Software
  3. Multiple Virus
  4. Malicious Hardware
সঠিক উত্তর:
Malicious Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Malicious Software
ব্যাখ্যা
• মেলওয়‍্যার (Malware):
- মেলওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে মেলওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়‍্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- মেলওয়‍্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে মেলওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় যেমন: Ransomware ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১২,২৮২.
কোনটি CDMA এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
  2. খ) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  3. গ) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি।
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
ব্যাখ্যা
সিডিএমএ (CDMA) এর বৈশিষ্ট্য

সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি (154kbps-614 kbps)।
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।
ব্যবহৃত RUIM কার্ড যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।

উৎস:  Live MCQ Lecture.
১২,২৮৩.
প্রিন্ট করা লেখাকে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে কোনটি?
  1. ওএমআর
  2. বার কোড রিডার
  3. ওসিআর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
- অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
- ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
- টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
- এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
- ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়।
- ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
১২,২৮৪.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. OR
  2. NOT
  3. NAND
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

OR gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

AND gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

NOT gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,২৮৫.
নিচের কোন মেমোরিটি Volatile?
  1. ক) SSD
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Flash memory
সঠিক উত্তর:
খ) RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RAM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৮৬.
ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত "সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure"-কে কী বলা হয়?
  1. Instance
  2. Record
  3. Data table
  4. Schema
সঠিক উত্তর:
Schema
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Schema
ব্যাখ্যা
• স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।

• ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা:
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.

• ডাটাবেজ:

- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর সফটওয়্যার হলো:
- Microsoft Access,
- Microsoft SQL server,
- Corel paradox,
- lotus approach,
- Corel paradox,
- filemaker pro,
- Oracle,
- Fox pro ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Britannica.
১২,২৮৭.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ গিগাবাইট
সঠিক উত্তর:
১০২৪ টেরাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১২,২৮৮.
ফায়ারওয়াল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য
  2. ফাইল নিরাপদ করার জন্য
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য
  4. তথ্য সংরক্ষণের জন্য
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য
ব্যাখ্যা

​• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সিস্টেম বা ডিভাইস, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ট্রাফিককে অনুমতি দেয় এবং অননুমোদিত বা সন্দেহজনক ট্রাফিককে ব্লক করে। এর ফলে হ্যাকার বা ম্যালওয়্যার থেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত থাকে। এছাড়াও, এটি সংবেদনশীল তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট এবং লোকাল নেটওয়ার্কে নিরাপদভাবে যোগাযোগ করতে পারে। তাই মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করা।

সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৮৯.
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ;
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৯০.
Insert Table এ by default কতটি Column এবং Row থাকে?
  1. ক) 5 column 2 row
  2. খ) 2 column 5 row
  3. গ) 3 column 5 row
  4. ঘ) 5 column 3 row
সঠিক উত্তর:
ক) 5 column 2 row
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 5 column 2 row
ব্যাখ্যা
• Insert Table এ by default 5টি Column এবং 2টি Row থাকে।



- একটি টেবিল সাধারণত সারি ও কলামে বিভক্ত থাকে। সারি ও কলামের মাধ্যমে তৈরি প্রতিটি ঘরকে একটি সেল বলা হয়। মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড এ ইনসার্ট মেনু থেকে টেবিল কমান্ড হতে আমরা টেবিল যোগ করতে পারি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২৯১.
একবার একটি PROM প্রোগ্রাম করা হলে, এটি:
  1. পরিবর্তন করা যায় না
  2. UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়
  3. বৈদ্যুতিকভাবে পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
ব্যাখ্যা

• একবার একটি PROM (Programmable Read-Only Memory) প্রোগ্রাম করা হলে, এটি পরবর্তীতে পরিবর্তন করা যায় না। PROM একটি ধরনের রিড-ওনলি মেমোরি যা ব্যবহারকারীর দ্বারা একবার প্রোগ্রাম করা যায়। একবার ডেটা লেখা হয়ে গেলে, সেটি স্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকে এবং সাধারণভাবে পুনঃলিখন সম্ভব নয়। PROM কে সরাসরি বৈদ্যুতিকভাবে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা যায় না। তবে, এর বিশেষ ধরনের সংস্করণ, যেমন EPROM (Erasable Programmable ROM), UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়, কিন্তু সাধারণ PROM-এর ক্ষেত্রে এই সুবিধা নেই। তাই PROM-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো একবার প্রোগ্রাম করলে তা স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা যায় না।

উত্তর: ক) পরিবর্তন করা যায় না।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৯২.
এআর (AR) কীভাবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) থেকে আলাদা?
  1. এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
  2. এআর বাস্তবতাকে আড়াল করে, ভিআর তাকে উন্নত করে।
  3. এআর ও ভিআর একই প্রযুক্তি, শুধু আলাদা নাম।
  4. এআর কেবল কম্পিউটারভিত্তিক, ভিআর কেবল ফোনভিত্তিক।
সঠিক উত্তর:
এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
ব্যাখ্যা

• এআর (Augmented Reality) এবং ভিআর (Virtual Reality) দু’টো প্রযুক্তি হলেও তাদের কাজের ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। এআর বাস্তব জগতের সঙ্গে ডিজিটাল উপাদান যোগ করে, যেমন ফোন বা হেডসেটের মাধ্যমে বাস্তব দৃশ্যে তথ্য, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশন overlay করা হয়। ফলে ব্যবহারকারী বাস্তবের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান একসাথে দেখতে পারে। বিপরীতে, ভিআর সম্পূর্ণ একটি ভার্চুয়াল পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবল ডিজিটাল জগতে প্রবেশ করে। তাই এআর বাস্তবকে উন্নত বা সমৃদ্ধ করে, আর ভিআর বাস্তবকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করে। সঠিক পার্থক্য বোঝাতে হলে উত্তর হলো: ক) এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
 
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে ।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয় ।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
 
অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality):
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে চারপাশের জগতেই ভার্চুয়ালি কোন বস্তু যোগ করা হয়ে থাকে।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) মূলত বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের কোনকিছুর সাথে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেবার একটি উপায়।
- উদাহরণস্বরূপ, বিদেশের কোন নতুন শহরে গিয়ে সে শহরের কোন কিছুই যদি ভাষার কারণে পড়তে পারা না যায়, তখন অগমেন্টেড রিয়েলিটির স্মার্টফোনটি ওপেন করে বিভিন্ন বিল্ডিং বা হেডলাইনগুলোর দিকে তাক করলেই তা ত্রিমাত্রিকভাবে জানিয়ে দেবে কোন দোকান কীসের এবং রাস্তাটি কোনদিকে গেছে।
- ইদানীং স্মার্টফোনে ভিডিও কলিং-এর সময় আমাদের ফেস-এ যে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বা ইফেক্ট যুক্ত হয়, সেটিও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি কাজ করে মূলত ক্যামেরার মাধ্যমে।
- বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করা হয়। তারপর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্ট যুক্ত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

১২,২৯৩.
'মডিফায়ার কী'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Insert
  2. Alt
  3. F12
  4. Caps Lock
সঠিক উত্তর:
Alt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt
ব্যাখ্যা

• কী-বোর্ডে মূলত তিনটি কী-কে মডিফায়ার কী হিসেবে গণ্য করা হয়। এগুলো হলো Ctrl (Control), Alt (Alternate) এবং Shift। যেহেতু এগুলো অন্য কী-এর সাথে মিলে বিশেষ ফাংশন তৈরি করে, তাই এগুলোকে মডিফায়ার কী বলা হয়।

• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, Shift, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

১২,২৯৪.
ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত-
  1. ক) রেইড হফম্যান
  2. খ) ইভান উইলিয়ামস
  3. গ) ডেভিড কার্প
  4. ঘ) মাইক ক্রিয়েজার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক ক্রিয়েজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক ক্রিয়েজার
ব্যাখ্যা

- ইনস্টাগ্রাম হচ্ছে স্মার্টফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তৈরি হওয়া আলোকচিত্র ও ভিডিওর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- অক্টোবর, ২০১০ সালে কেভিন সিস্ট্রোম ও মাইক ক্রিয়েজার ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন।

১২,২৯৫.
মোবাইল নেটওয়ার্কে কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এতে একটি কেন্দ্রীয় নোড বা বেস স্টেশন থাকে, যার সাথে সব মোবাইল ডিভাইস সরাসরি সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস বেস স্টেশনের মাধ্যমে ডেটা পাঠায় এবং গ্রহণ করে, ফলে যোগাযোগ সহজ এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই টপোলজিতে একটি লিঙ্ক ব্যর্থ হলেও পুরো নেটওয়ার্কে বড় প্রভাব পড়ে না, শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট লিঙ্কের সমস্যা হয়। স্টার টপোলজি সহজে স্কেল করা যায়, নতুন ডিভাইস যুক্ত করা সহজ, এবং নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স স্থিতিশীল থাকে। তাই মোবাইল নেটওয়ার্কে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: ক) স্টার টপোলজি। 

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২,২৯৬.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা (৪২)৮ এর সঠিক বাইনারি রূপ?
  1. (101 010)2
  2.  (111 100)2
  3. (100 010 )2
  4. (010 100)2
সঠিক উত্তর:
(100 010 )2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(100 010 )2
ব্যাখ্যা

• অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০

∴ (৪২)৮ = (100 010 )2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,২৯৭.
কত বাইটে ১ কিলোবাইট হয়? 
  1. ১৬ বিটের
  2. ১২৮ বিটের
  3. ৬৪ বিটের
  4. ২৫৬ বিটের
সঠিক উত্তর:
১২৮ বিটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৮ বিটের
ব্যাখ্যা
বিট ও বাইট: 
- ১ বাইট=৮ বিট। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে। 
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক। 
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট। 
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট। 
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট। 
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট। 
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়। 
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট। 
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট। 
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট। 
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট। 
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১২,২৯৮.
মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ২ বাইট
  2. ৪ বাইট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত।
- সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।
- এই ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।

- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়। এটি একটি Conditional Data টাইপ।
- এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।

- তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,২৯৯.
C++ কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. প্রথম
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:
⇒ প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
⇒  দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
⇒  তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl.
⇒  চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS.
⇒  পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৩০০.
সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
ব্যাখ্যা
সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে ৩টি অংশ  থাকে-
১. হোমপেজ: হোমপেইজকে বলা হয় ওয়েবসাইট এ প্রবেশের প্লাটফর্ম। এটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় হওয়া উচিত । ওয়েব ব্রাউজার এর শুরুতে এটি লোড হবে। 

২. প্রধান অংশ: হোমপেজের পরের পেজগুলোকে প্রধান অংশ বলা হয়। এই অংশটি কয়েকটি ওয়েবপেজ নিয়ে গঠিত। সাধারণত হোমপেজগুলোর ওপর বিস্তারিত তথ্য এখানে সন্নিবেশিত থাকে।

৩. উপশাখা: প্রধান অংশের পেজ আবার বিভিন্ন পেজের সাথে যুক্ত থাকে, একে উপশাখা বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়