বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১২২ / ১৩১ · ১২,১০১১২,২০০ / ১৩,০৮৮

১২,১০১.
অক্টাল সংখ্যা (5535)8 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - 
  1. A6D
  2. B5D
  3. C5E
  4. D4A
সঠিক উত্তর:
B5D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B5D
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা (5535)8 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - B5D.

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (5535)₈ কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (২-ভিত্তিক) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়:
5 → 101
5 → 101
3 → 011
5 → 101

সুতরাং, (5535)8 = (101 101 011 101)2

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমাল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাকে ডান থেকে শুরু করে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর:
1011 0101 1101

প্রতিটি গ্রুপের হেক্সাডেসিমাল মান:
1011 → B
0101 → 5
1101 → D

সুতরাং, (101101011101)2 = (B5D)16

১২,১০২.
একটি সমস্যা সমাধানে ধারাবাহিক পদক্ষেপ অনুসরণ করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. কুয়েরি
  2. কম্পাইলিং
  3. অ্যালগরিদম
  4. কোডিং
সঠিক উত্তর:
অ্যালগরিদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালগরিদম
ব্যাখ্যা

• একটি সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ অনুসরণের পদ্ধতিকে অ্যালগরিদম বলা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা ধারা, যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যার সমাধান করার জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। অ্যালগরিদম শুধু প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে নয়, দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানেও ব্যবহার করা যায়। যেমন, রেসিপি অনুযায়ী খাবার বানানো বা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধাপগুলো অনুসরণ করা—এগুলোও অ্যালগরিদমের উদাহরণ। অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং কার্যকর হওয়া। সুতরাং, সমস্যার সমাধানে ধাপে ধাপে পরিকল্পিত এবং সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি হলো অ্যালগরিদম।

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যালগরিদম।

• অ্যালগরিদম:
- কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
- অ্যালগরিদম অর্থ ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান।
- যে পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হয় তাকে অ্যালগরিদম বলা হয়।
- অ্যালগরিদম হচ্ছে একটি প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও যৌক্তিক বিন্যাসের লিখিত বর্ণনা।

• অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যালগরিদমে শূন্য, এক বা একাধিক ইনপুট থাকে।
২. কমপক্ষে একটি আউটপুট থাকে।
৩. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট থাকে।
৪. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য।
৫. নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হয়।
৬. একে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১০৩.
ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি কোন মেমোরির?
  1. ক) কোর মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) প্রধান মেমোরি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক মেমোরি
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান মেমোরি
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো –
০১.  এ ধরণের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
০২.  প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম     প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
০৩. অ্যাকসেস সময় কম।
০৪. ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে।
০৫. ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
০৬.  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরণের স্টোরেজ মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
১২,১০৪.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ট্যাকবল
  3. লাইটপেন
  4. পয়েন্ট অফ সেল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম রেকর্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা
• ফিল্ম রেকর্ডার একটি আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার,
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর,
- ইমেজ সেটার,
- হেড ফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো:
- টাচস্ক্রিন,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১০৫.
নিচের কোনটির প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন?
  1. ক) LinkedIn
  2. খ) Google
  3. গ) Oracle Corporation
  4. ঘ) Linux
সঠিক উত্তর:
গ) Oracle Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Oracle Corporation
ব্যাখ্যা
Oracle Corporation:
- ল্যারি এলিসন Oracle Corporation প্রতিষ্ঠা করেন।
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান।
- সফটওয়্যার নির্মাণে মাইক্রোসফট ও আইবিএম এর পরেই এর অবস্থান। 
- ১৯৭৭ সালে Larry Ellison, Bob Miner এবং Ed Oates যৌথভাবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,১০৬.
CPU-র রেজিস্টারের সংজ্ঞা কী?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  3. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  4. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
সঠিক উত্তর:
CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• উত্তর: CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১০৭.
'ANSI'- এর পূরণরূপ-
  1. ক) American National code of Standard Institute
  2. খ) American Nation Super Institute
  3. গ) American National Standard Institution
  4. ঘ) American National Standard Institute
সঠিক উত্তর:
ঘ) American National Standard Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) American National Standard Institute
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে ANSI (American National Standard Institute) কর্তৃক আসকি কোড উদ্ভাবিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে রবার্ট উইলিয়াম বীমার ৭ বিটের আসকি কোড উদ্ভাবন করেন। এ কোডের মাধ্যমে ২^৭ বা ১২৮ টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১০৮.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ডিভিডি
  2. পেনড্রাইভ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. বারকোড রিডার
সঠিক উত্তর:
বারকোড রিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারকোড রিডার
ব্যাখ্যা
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বারকোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১০৯.
The IEEE standard used for Wi-Fi technology is—
  1. IEEE 802.3
  2. IEEE 802.11
  3. IEEE 802.15
  4. IEEE 802.16
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi প্রযুক্তির মান নির্ধারণ করেছে IEEE 802.11.

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
- এটি রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান–প্রদান করে।

• Wi-Fi–এর মান (Standard):
- Wi-Fi প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত মান হলো IEEE 802.11।
- এই মান অনুসরণ করে Wi-Fi ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস কাজ করে।

• Wi-Fi–এর ব্যবহারক্ষেত্র:
- বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস ও পাবলিক স্থানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
- ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• Wi-Fi–এর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা:
- তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা দেয়।
- তবে কভারেজ এলাকা সীমিত এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- IEEE 802.3 তারযুক্ত ইথারনেট (Ethernet) নেটওয়ার্কের মান।
- IEEE 802.15 ব্লুটুথ ও পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মান।
- IEEE 802.16 ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তির মান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

১২,১১০.
নিচের কোনটি RDBMS এর উদাহরণ?
  1. MySQL
  2. MongoDB
  3. Cassandra
  4. Redis
সঠিক উত্তর:
MySQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MySQL
ব্যাখ্যা

• MySQL হলো একটি জনপ্রিয় রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা ডাটা সংরক্ষণের জন্য টেবিল ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি SQL ব্যবহার করে ডাটা কুয়েরি ও পরিচালনা করে এবং ডাটার মধ্যে লজিক্যাল রিলেশন বজায় রাখে।
- অন্যদিকে, MongoDB, Cassandra এবং Redis হলো NoSQL ডাটাবেজ।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি RDMS সফটওয়্যার হলো- Microsoft Access, Oracle, MySQL, SQL Server, PostgreSQL, MariaDB ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

১২,১১১.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. ক) মেশিন লার্নিং
  2. খ) রোবটিক্স
  3. গ) স্পিচ টু টেক্সট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা


উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১২,১১২.
ল্যারি এলিসন, বব মিনার ও এড ওয়াটিস নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. ওরাকল
  4. গুগল
সঠিক উত্তর:
ওরাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরাকল
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন:
- ওরাকল কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কোম্পানি।
- Headquarters: Austin, Texas, United States
- ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি এলিসন, বব মিনার ও এড ওয়াটিস।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CEO: Safra Catz
- ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তার বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৮ সালে ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল প্রতিষ্টা করেন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওয়েবসাইট
১২,১১৩.
(561)8 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 101010010
  2. 101110001
  3. 110010100
  4. 110100001
সঠিক উত্তর:
101110001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
101110001
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি= 101
অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 001
∴ (561)8 = (101110001)2
১২,১১৪.
মডেম একটি-
  1. ক) রিলে মেশিন
  2. খ) কনভারসন টুল
  3. গ) অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ঘ) পাওয়ার কানেকশন টুল
সঠিক উত্তর:
খ) কনভারসন টুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কনভারসন টুল
ব্যাখ্যা
মডেম (মড্যুলেটর-ডিম্যুলেটর) হল একটি যন্ত্র যা একটি প্রেরিত এনালগ সংকেতকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে এবং ডিজিটাল তথ্যকে পাঠানোর সময় এনকোড করে এনালগ সংকেত হিসেবে প্রেরণ করে।
১২,১১৫.
ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস দেওয়ার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. DNS
  2. DHCP
  3. FTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
DHCP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DHCP
ব্যাখ্যা
• ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস দেওয়ার জন্য DHCP (Dynamic Host Configuration Protocol) প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ডিভাইস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়, তখন DHCP সার্ভার সেই ডিভাইসকে একটি অনন্য আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ করে দেয়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে ম্যানুয়ালি আইপি ঠিকানা সেট করতে হয় না, যা নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে। DNS (Domain Name System) ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে, FTP (File Transfer Protocol) ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর HTTP (Hypertext Transfer Protocol) ওয়েব পেজ লোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই স্বয়ংক্রিয় আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দে DHCP সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

- IPv6 অ্যাড্রেস ১২৮ বিটের হয়।
- অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতি ভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ বা ৩.৪ × ১০৩৮ সংখ্যক অর্থাৎ অসংখ্য যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয় (মান 0000 থেকে FFFF এর মধ্যে হয়ে থাকে)।
- প্রতিটি ব্লক এর বাইনারি মান ১৬ বিটের হয়ে থাকে।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) microsoft [লিংক]
১২,১১৬.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Safari
  2. Gopher
  3. Brave
  4. Microsoft Edge
সঠিক উত্তর:
Gopher
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gopher
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম-
Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

• Gopher হলো এক ধরণের প্রটোকল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১২,১১৭.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে কোন নিয়মটি সঠিক নয়?
  1. 1 + 0 = 1
  2. 0 + 0 = 0
  3. 1 + 1 = 2
  4. 0 + 1 = 1
সঠিক উত্তর:
1 + 1 = 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 + 1 = 2
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় তিনটি মৌলিক ক্রিয়া আছে। যথা-
১. বুলিয়ান যোগের ক্রিয়া (Logical OR Operation),
২. বুলিয়ান গুণের ক্রিয়া (Logical AND Operation) ও
৩. বুলিয়ান পূরকের ক্রিয়া (Logical NOT Operation)।

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 1

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১৮.
Beep sound দেয় সাধারণত কোনটি নষ্ট হলে?
  1. COMS
  2. CUP
  3. ROM
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ শোনা যায়।
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উত্পাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে।
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে।

বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলির জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে, যেমন:

ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM:
কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‌্যাম মডিউলগুলি পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলি মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ব্যর্থ RAM মডিউল: যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে।


 বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়,  নিম্নলিখিত সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপগুলি নেয়া যেতে পারে:

RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসানো:
কম্পিউটারটি বন্ধ করুন, এটিকে পাওয়ার উত্স থেকে আনপ্লাগ করুন এবং সাবধানে তাদের স্লটে RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসান৷

পৃথক মডিউল দিয়ে পরীক্ষা করা:
আপনার যদি একাধিক র‌্যাম মডিউল থাকে, তবে একটি নির্দিষ্ট মডিউল সমস্যা সৃষ্টি করছে কিনা তা শনাক্ত করতে পৃথকভাবে প্রতিটি পরীক্ষা করে দেখুন।

সামঞ্জস্যের জন্য পরীক্ষা করুন:
নিশ্চিত করুন যে RAM মডিউলগুলি আপনার মাদারবোর্ডের সাথে টাইপ , গতি এবং ক্ষমতার ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পরিচিত ভালো র‍্যাম দিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে, মাদারবোর্ড বা অন্যান্য উপাদানের কোনো সমস্যা এড়াতে পরিচিত ভালো র‌্যাম মডিউল দিয়ে  কম্পিউটার পরীক্ষা করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,১১৯.
হাতে ব্যবহার্য প্রথম মোবাইলের মডেল কী ছিলো?
  1. ক) Nokia 1110
  2. খ) Vodafone VM1
  3. গ) Motorola DynaTAC 8000X
  4. ঘ) Samsung SH-100
সঠিক উত্তর:
গ) Motorola DynaTAC 8000X
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Motorola DynaTAC 8000X
ব্যাখ্যা
The Motorola DynaTAC 8000X was the world's first truly portable commercial mobile phone, and cost $4,000 when it first went on sale in the US in 1983.
source: telegraph.co.uk
১২,১২০.
টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে কোন DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. UPDATE
  2. INSERT
  3. DELETE
  4. SELECT
সঠিক উত্তর:
INSERT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
INSERT
ব্যাখ্যা
• টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে INSERT - DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML)

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement,
- Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১২১.
E-commerce সেবা সুবিধা চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) তৃতীয় প্রজন্ম
  2. খ) চতুর্থ প্রজন্ম
  3. গ) পঞ্চম প্রজন্ম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইলে E-commerce সেবা কার্যক্রম চালু হয়। 

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন (3G): 
- ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু।
- ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা চালু।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স, ভিডিও কনফারেন্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়।
- মডেমের ব্যবহার। 
- ডেটা রূপান্তরে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট পদ্ধতির ব্যবহার।  

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,১২২.
শুধুমাত্র কোন গেইট ব্যবহার করে সমস্ত মৌলিক গেইট এবং সার্কিট তৈরি করা সম্ভব?
  1. NOT Gate
  2. OR বা XNOR Gate
  3. NAND বা NOR Gate
  4. AND বা OR Gate
সঠিক উত্তর:
NAND বা NOR Gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND বা NOR Gate
ব্যাখ্যা

• মৌলিক লজিক গেইট: 
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। 
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। 
যথা- 
১. অর গেইট (OR Gate), 
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং 
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

• বিশেষ লজিক গেইট: 
- XOR Gate, 
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,১২৩.
মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম "বিশ্বগ্রাম" ধারণাটি কোন বইতে উল্লেখ করেন?
  1. Understanding Media
  2. The Medium is the Message
  3. The Gutenberg Galaxy
  4. War and Peace in the Global Village
সঠিক উত্তর:
The Gutenberg Galaxy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Gutenberg Galaxy
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম: 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তাঁর রচিত 'The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, “ ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির 66 মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম। যার মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব।"
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১২৪.
অনেক ধরণের অপশন থেকে পছন্দের বা সঠিক অপশন নির্বাচনের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সাবমিট বাটন
  2. রেডিও বাটন
  3. টেক্সট বাটন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রেডিও বাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও বাটন
ব্যাখ্যা
• টেক্সট বাটন:
এটি টেক্সট ইনপুট নেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

• সাবমিট বাটন:
ফর্মের সকল ডাটা নির্ধারিত সার্ভারে পাঠানোর জন্য সাবমিট বাটন ব্যবহার করা হয়। 

• রেডিও বাটন:
অনেক ধরণের অপশন থেকে পছন্দের বা সঠিক অপশন নির্বাচনের জন্য রেডিও বাটন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,১২৫.
নিচের কোন পদ্ধতিতে অনলাইনে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যায়-
  1. ক) ডেবিট কার্ড দ্বারা
  2. খ) ভিসা কার্ড দিয়ে
  3. গ) ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও ই-কর্মাসের পেমেন্ট করা যায়।
১২,১২৬.
80486 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. 64 বিট
  2. 32 বিট
  3. 16 বিট
  4. 8 বিট
সঠিক উত্তর:
32 বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32 বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

• 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর:  4004, 4040.
• 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
•16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
• 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
• 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১২৭.
ফেসবুকে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা কোনটি?
  1. সাঁওতালী
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
• Facebook:
- প্রতিষ্ঠাকাল: 4 February, 2004
- সদরদপ্তর:  Menlo Park, California, United States
- প্রতিষ্ঠাতা: Mark Zuckerberg, Eduardo Saverin, Andrew McCollum, Dustin Moskovitz, Chris Hughes
- বর্তমান CEO: Mark Zuckerberg
- ফেসবুকে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা চাকমা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. [Link]
১২,১২৮.
(১০) + (১) = কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ (Binary Addition): 
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়। 
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। 
যেমন- 
0 + 0 = 0 
0 + 1 = 1 
1 + 0 = 1 
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়। 
আবার, 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 । 

- (১০) + (১) এর বাইনারি যোগফল হলো (১১)। 
(১১) এর ডেসিমাল মান হলো ৩ । 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১২৯.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রধানত ব্যবহৃত হয় কোনটি ?
  1. ক) PYTHON
  2. খ) HTML
  3. গ) COBOL
  4. ঘ) PROLOG
সঠিক উত্তর:
ঘ) PROLOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) PROLOG
ব্যাখ্যা

PYTHON একটি বস্তু-সংশ্লিষ্ট উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে গিডো ভান রসম এটি প্রথম প্রকাশ করেন।

HTML: Html একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। এইচটিএমএল এর মার্ক আপ ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে ওয়েবপেজ এর বেসিক কাঠামো তৈরি করা হয়।
প্রকৃত অর্থে এটি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা একসারি মার্কআপ ট্যাগ এর সমন্বয় গঠিত।

COBOL: এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা এবং আজও প্রচলিত প্রাচীনতম প্রোগ্রামিং ভাষাগুলির একটি।
- এটির ইংরেজি নামটি Common Business-Oriented Language-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ।

PROLOG: প্রোলোগ হ'ল লজিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গণ্য ভাষাতত্ত্বের সাথে যুক্ত. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
যেমন: PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।

উচ্চ: মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)

 

১২,১৩০.
বাংলাদেশের একজন মুমূর্ষু রোগী লন্ডনে না গিয়ে লন্ডনের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কর্তৃক সেবা নিলে, উক্ত পদ্ধতিকে বলে-
  1. ক) টেলিকনফারেন্সিং
  2. খ) ভিডিওকনফারেন্সিং
  3. গ) টেলিমেডিসিন
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) টেলিমেডিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে।
এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২,১৩১.
Intel 486 কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. Mouse
  2. Hard Disk
  3. Microprocessor
  4. DVD
সঠিক উত্তর:
Microprocessor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microprocessor
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। 
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে। 
- উদাহরণ: Intel 386, Intel 486, Pentium, Pentium Pro, Pentium II ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩২.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. মেইনবোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩৩.
Which device is used as an input device?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Joystick
  4. Projector
সঠিক উত্তর:
Joystick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joystick
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩৪.
ডিজিটাল কম্পিউটার কয় ধরনের?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
খ) 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:

 কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার:
১) এনালগ কম্পিউটার
২) ডিজিটাল কম্পিউটার 
৩) হাইব্রিড কম্পিউটার

ডিজিটাল কম্পিউটার আবার ৪ ধরনের:
১) সুপার কম্পিউটার
২) মাইনফ্রেম কম্পিউটার
৩) মিনি কম্পিউটার 
৪) মাইক্রো কম্পিউটার


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩৫.
1 গিগা হার্জ এর একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতগুলো কাজ করতে পারে?
  1. ক) 107 টি
  2. খ) 106 টি
  3. গ) 109 টি
  4. ঘ) 1011 টি
সঠিক উত্তর:
গ) 109 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 109 টি
ব্যাখ্যা
n কম্পাঙ্কের একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে n সংখ্যক কাজ করতে পারে।

আমরা জানি, 
1 গিগা হার্জ = 109 হার্জ
∴ 1 গিগা হার্জ এর এর একটি কম্পিউটার 1s এ 109 সংখ্যক কার্য সম্পাদন করতে পারে।
১২,১৩৬.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত ট্রানজিস্টরে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর:  সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী একটি ডিভাইস যেটি দুর্বল বিদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রুপান্তরিত করে.

- ১৯৪৮ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
- সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী। যেমন- সিলিকন, জার্মেনিয়াম।
- ৩ টি অংশ থাকে। 
E - emitter 
B - base
C - collector

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,১৩৭.
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের ধারণা, নকশা, উৎপাদন, কার্যক্রম কিংবা ব্যবহার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট তাকে কী বলে?
  1. ক) রোবটিক্স
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
সঠিক উত্তর:
ক) রোবটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের যথাযথ পরিচালন, চলাচলের ক্ষমতা, শারীরিক মুভমেন্ট ইত্যাদি উদ্ভব হয়েছে। 
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো', সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। 

বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স হলো বায়োলজিক্যাল ডেটা মাপা ও বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। 

বায়োইনফরমেটিক্স: 
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১৩৮.
মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে কতটি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ১৪টি
  3. ১৮টি
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার- এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩৯.
Which of the following is an example of an Object-Oriented Programming language?
  1. Fortran
  2. Python
  3. C
  4. COBOL
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা

• Python:
- পাইথন একটি জনপ্রিয় হাই-লেভেল, অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, মেশিন লার্নিং, এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী গিডো ভ্যান রসাম (Guido van Rossum) এই ভাষাটি তৈরি করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সহজ ও সংক্ষিপ্ত, তবে এর সমৃদ্ধ স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি রয়েছে যা প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করে তোলে।
- দ্রুত সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য পাইথন বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- গুগল, নাসা, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো পাইথন ব্যবহার করে।
- পাইথন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমানভাবে কার্যকর, যেমন ক্লাউড-ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা সায়েন্স, অটোমেশন, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C++,
- Java,
- C#,
- Python ইত্যাদি।

• ডেটা টাইপ:
- int (ইন্টিজার): পূর্ণসংখ্যা বোঝায়, যেমন 5। এটি কোনো দশমিক বা ভগ্নাংশ ছাড়া সংখ্যা ধারণ করে।
- float (ফ্লোট): দশমিক সংখ্যা বোঝায়, যেমন 5.0।
- str (স্ট্রিং): টেক্সট বা অক্ষরের মান ধারণ করে, যেমন '5' বা "Hello"।
- bool (বুলিয়ান): সত্য (True) বা মিথ্যা (False) মান প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য-
-  Fortran: এটি একটি procedural programming ভাষা, OOP-নির্ভর নয়।
- C: এটি structure-based procedural ভাষা, object-oriented নয়।
- COBOL: এটি procedural business-oriented ভাষা, OOP বৈশিষ্ট্য নেই।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২,১৪০.
কোনটি অক্টাল সংখ্যা?
  1. 198
  2. 87
  3. 749
  4. 701
সঠিক উত্তর:
701
উত্তর
সঠিক উত্তর:
701
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ভিত্তি (base) হলো 8 এবং কেবলমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় 8 বা তার বেশি কোনো অঙ্ক (যেমন 8, 9) থাকা চলবে না।

এখন, 
198  → এখানে 9 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

87  → এখানে 8 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

749  → এখানে 9 আছে যা অক্টাল অঙ্ক নয়। তাই 749  অক্টাল নয়।

701  → এতে 7, 0, 1 — সবই অক্টাল অঙ্ক, তাই এটি অক্টাল সংখ্যা।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- “Digital Logic and Computer Design” by M. Morris Mano.
১২,১৪১.
ইন্টারনেট চালুর বছর -
  1. ১৯৫৯
  2. ১৯৬৫
  3. ১৯৬৯
  4. ১৯৮১
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট চালু হয়েছিল ১৯৬৯ সালে।
- এই সময়টি ছিল ARPANET নামক একটি প্রকল্পের মাধ্যমে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি (DARPA) দ্বারা তৈরি হয়েছিল।
- ARPANET ছিল প্রথম ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটের প্রাথমিক ভিত্তি গড়ে তোলে।
- ১৯৮৩ সালে TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রটোকল চালু হওয়ার মাধ্যমে ইন্টারনেটের আধুনিক রূপ বিকশিত হয় এবং বিভিন্ন কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে শুরু করে।
- এরপর ইন্টারনেট ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, বিশেষত ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, যখন ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েবসাইটের উন্নতি ঘটে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ৬ জুন ১৯৯৬ তারিখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ দিকে দেশে অনলাইন ইন্টারনেট চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- ঢাকার নিউ ইস্কাটন রোডে অবস্থিত ইন্টারনেট সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ইনফরমেশন সিস্টেম নেটওয়ার্ক (আইএসএন) প্রথম ইন্টারনেট সংযোগ দেয় ৬ জুন।
- আইএসএনের ডোমেইন নাম বাংলা ডটনেট (bangla.net)।
- দেশের প্রথম ইন্টারনেট ছিল ডায়াল-আপ প্রযুক্তির অর্থাৎ টেলিফোন সংযোগ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে যুক্ত হতে হতো।
- কম্পিউটারে থাকা মডেম (মডিউলেশন-ডিমডিউলেশন) তারের মাধ্যমে টেলিফোন সংযোগের সঙ্গে যুক্ত করতে হতো। 

উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো। 
১২,১৪২.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ওরাকল
  2. ইনফরমিক্স
  3. এসকিউএল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলেরম মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
যথা:- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাই এস কিউ এল(MySQL), এস কিউ এল(SQL) সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১৪৩.
পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ 'nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
ক. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

খ. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,১৪৪.
তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি সেবা প্রদান করে কোনটি?
  1. WAN
  2. Wi-fi
  3. MAN
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
ব্যাখ্যা
 ওয়াই-ফাই: 
- ওয়াই-ফাই হল তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি। 
- Wi-Fi এর পূর্ণরুপ Wireless Fidelity. 
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা কম্পিউটার, মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে ইন্টারনেট সংযোগের সুযোগ দেয়। 
- এই প্রযুক্তিতে একে অপরের সাথে তথ্য সরবরাহ করতে তারের পরিবর্তে একটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত ব্যবহার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১২,১৪৫.
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল ডুপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. স্টোর এন্ড ফরোয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।

• WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps.
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps.
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,১৪৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বাণিজ্যিক ব্যবহার কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু করে?
  1. Google Web Services
  2. Microsoft Web Services
  3. IBM Web Services
  4. Amazon Web Services
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
ব্যাখ্যা
Amazon Web Services প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,১৪৭.
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে-
  1. ক) FDMA
  2. খ) PDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) None of them
সঠিক উত্তর:
ক) FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) FDMA
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১২,১৪৮.
Which is the most powerful and high-speed type of computer?
  1. Mainframe Computer
  2. Mini Computer
  3. Micro Computer
  4. Super Computer
সঠিক উত্তর:
Super Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Super Computer
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে Super Computer.

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
81 ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৪৯.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ঝ্যাং ইয়ামিং
  2. শাওঝি চিউ
  3. ড্যানিয়ের ঝাং
  4. রেন ঝ্যাংফেই
সঠিক উত্তর:
ঝ্যাং ইয়ামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝ্যাং ইয়ামিং
ব্যাখ্যা
- বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও শেয়ারিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন চীনা নাগরিক ঝ্যাং ইয়ামিং।
- ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে টিকটক প্রথম চালু হয়। ঝ্যাং ইয়ামিংয় প্রতিষ্ঠিত বাইটড্যান্স কোম্পানি টিকটক অ্যাপ চালু করে।
- চীনের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধের অংশ হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক ও উইচ্যাট নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।
(তথ্যসূত্র: টিকটক এবং আল জাজিরা)
১২,১৫০.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
সঠিক উত্তর:
১০২৪ টেরাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা

১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

• বিট ও বাইট:
-বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ বাইট=৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।

১২,১৫১.
ফরেন কী কোন ধরনের ইন্টিগ্রিটি কনস্ট্রেইন্ট বাস্তবায়ন করে?
  1. ডোমেইন ইন্টিগ্রিটি
  2. রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি
  3. এনটিটি ইন্টিগ্রিটি
  4. ইউজার-ডিফাইন্ড ইন্টিগ্রিটি
সঠিক উত্তর:
রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি
ব্যাখ্যা

◉ ফরেন কী রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি বাস্তবায়ন করে, যা ডাটাবেজ টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার একটি মৌলিক নীতি।
- এটি নিশ্চিত করে যে একটি টেবিলের (চাইল্ড টেবিল) ফরেন কী কলামের মানগুলো অন্য টেবিলের (প্যারেন্ট টেবিল) প্রাইমারি কী বা ইউনিক কীতে অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key): 
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key): 
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key): 
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৫২.
MICR প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়:
  1. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
  2. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  3. ইন্টারনেট ব্যবহার
  4. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR প্রযুক্তি (Magnetic Ink Character Recognition) মূলত চেক প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নীচে থাকা বিশেষ ধরনের চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া যায়। এটি ব্যাংকগুলিকে চেক দ্রুত এবং সঠিকভাবে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। MICR ব্যবহার করে চেকের সংখ্যা, শাখার কোড এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ফলে মানু‌ষিক ত্রুটি কমে এবং সময় সাশ্রয় হয়। এই প্রযুক্তি মোবাইল ব্যাংক, ক্লাউড স্টোরেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই MICR-এর মূল কাজ হলো চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

উত্তর: ঘ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,১৫৩.
Which method is used for transmitting data in both directions at the same time?
  1. Full- duplex
  2. Half-duplex
  3. Simplex
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Full- duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full- duplex
ব্যাখ্যা

- একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরনের পদ্ধতিকে Full- duplex বলে।

অন্যদিকে,
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। উদাহরণ-ওয়াকিটকি।
ফুল-ডুপ্লেক্স: এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: এইচ. এস. সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৫৪.
ভালো গতি এবং সামঞ্জস্যের জন্য উইন্ডোজ ওএস ইনস্টল করতে সাধারণত কোন ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়?
  1. C drive
  2. G drive
  3. H drive
  4. External drive
সঠিক উত্তর:
C drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C drive
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।

- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,১৫৫.
কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. Shopify
  2. Etsy
  3. Alibaba
  4. Coursera
সঠিক উত্তর:
Coursera
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coursera
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের ওয়েবসাইট নয় - Coursera.
- Coursera একটি অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম, যা বিভিন্ন কোর্স, সার্টিফিকেট প্রোগ্রাম, এবং ডিগ্রি প্রোগ্রামের অ্যাক্সেস প্রদান করে। এটি বিভিন্ন বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উচ্চমানের শিক্ষাগত কন্টেন্ট সরবরাহ করে।

• ব্যবসা-বাণিজ্য: 
- আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে। 
- ই-কমার্স ওয়েব সাইটে পণ্যের গুণগত মান, বর্ণনা, ছবি ও মূল্য সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ থাকে। 
- ই-কমার্সের পরিচিত কতকগুলো ওয়েব সাইট হলো- www.bikroy.com, www.daraz.com, www.alibaba.com, www.amazon.com ইত্যাদি। 
- এছাড়াও, Shopify, Etsy, Alibaba ই-কমার্স ওয়েবসাইট হিসেবে বিবেচিত।
- বিশ্বমানের ব্যবস্থায় উৎপাদিত পণ্য হবে আন্তর্জাতিক মানের। ফলে সম্প্রসারিত হবে বৈশ্বিক ব্যবসা- বাণিজ্যের। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনে ব্যবহৃত হয় ইএফটি (EFT: Electronic fund transfer) যেটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক লেনদেন যা সংঘটিত হয় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের সাহায্যে। 

- একই ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার অ্যাকাউন্টের মধ্যে অথবা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে, কিংবা বৈদেশিক ব্যাংকের মধ্যেও এ ধরনের লেনদেন করা যায়। 
- এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- অনলাইন ব্যাংকিং নামে পরিচিত এই পদ্ধতিটিকে বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম পরিসেবা হিসেবে গণ্য করা যায়। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে লেনদেনকে ইন্টারনেট ব্যাংকিংও বলা হয়। 
- এই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকগণকে লেনদেন সম্পন্নের জন্য সশরীরে কোনো ব্যাংক শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হয় না; বাড়িতে বা কর্মস্থলে কিংবা ভ্রমণরত অবস্থাতেও এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। 
- এজন্য শুধু কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২,১৫৬.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে কোন ইন্টিগ্রেশন ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. SSI
  2. MSI
  3. VLSI
  4. ULSI
সঠিক উত্তর:
VLSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VLSI
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (1971–1980) এ মাইক্রোপ্রসেসর এর আবিষ্কার ঘটে।
- এই সময়ের কম্পিউটারগুলোতে Large Scale Integration (LSI) এবং Very Large Scale Integration (VLSI) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল।

LSI (Large Scale Integration):
- একটি চিপে প্রায় ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ ট্রানজিস্টর সংযোজিত করা হতো।
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের MSI (Medium Scale Integration) থেকে অনেক উন্নত।
- ফলে সার্কিটগুলো ছোট, দ্রুত এবং কম বিদ্যুৎ খরচকারী হয়ে ওঠে।

• VLSI (Very Large Scale Integration):
- একটি চিপে ১০,০০০ এর বেশি ট্রানজিস্টর স্থাপন করা সম্ভব হয়।
- এই প্রযুক্তিই Microprocessor তৈরি সম্ভব করে তোলে।
- উদাহরণ: Intel 4004 (1971)- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের মূল মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে।
- CPU-র সব কার্য এক চিপেই সম্পন্ন হয়।
- উদাহরণ: Intel 8080, 8085, Zilog Z80।
- RAM, ROM, Cache Memory এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়।
- Storage ডিভাইস হিসেবে Hard Disk জনপ্রিয় হয়।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

১২,১৫৭.
UNIVAC-এর 'A' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Architecture
  2. Advanced
  3. Analytical
  4. Automatic
সঠিক উত্তর:
Automatic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Automatic
ব্যাখ্যা
• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,১৫৮.
বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৬
  3. ২০০০
  4.  ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা

১৯৯৬ সালের জুন মাসে VSAT-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়।

• ইন্টারনেট:

- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য VSAT (Very Small Aperture Terminal) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,১৫৯.
কোনটি কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল?
  1. Oracle
  2. Microsoft
  3. Google
  4. IBM
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা
• আইবিএম:
- IBM ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,১৬০.
কয়েকটা প্রশ্ন আমাদের আগের পরীক্ষা থেকে রিপিট আছে।
১) Affiliate Marketing কোন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) প্রযুক্তিপণ্য
  2. খ) ই-কমার্স
  3. গ) সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
  4. ঘ) মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
খ) ই-কমার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
Affiliate Marketing--a marketing arrangement by which an online retailer pays commission to an external website for traffic or sales generated from its referrals.
Source: Oxford
১২,১৬১.
'অভ্র' কী-বোর্ডের মূল উদ্ভাবক কে?
  1. জাফর ইকবাল
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মেহেদি হাসান খান
  4. মোস্তাফা জব্বার
সঠিক উত্তর:
মেহেদি হাসান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেদি হাসান খান
ব্যাখ্যা
• অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- অভ্র এর আভিধানিক অর্থ ‘আকাশ’।
- ২৬ মার্চ ২০০৩ সালে প্রাথমিক সংস্করণের উদ্ভাবন করেন অভ্র-এর মূল উদ্ভাবক মেহেদি হাসান খান।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধুরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২. [omicronlab]
১২,১৬২.
In which year was the e-banking system introduced?
  1. 1961
  2. 1969
  3. 1971
  4. 1979
সঠিক উত্তর:
1961
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1961
ব্যাখ্যা
• ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৩.
ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সাজিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) Robots.txt
  2. খ) Query Software
  3. গ) Index Software
  4. ঘ) Spider Software
সঠিক উত্তর:
ঘ) Spider Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Spider Software
ব্যাখ্যা
- Web Crawler বা Spider Software হলো একধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে রাখে।
- গুগলের Crawler সফটওয়্যারটি Google Bot নামে পরিচিত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
১২,১৬৪.
GPRS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. General Private Radio Service
  2. General Public Radio System
  3. Global Packet Radio Service
  4. General Packet Radio Service
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
ব্যাখ্যা

GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service। 
- এটি 2G এবং 3G সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্কের একটি ডেটা সার্ভিস।
- এটি GSM (Global System for Mobile Communications) নেটওয়ার্কের একটি আপগ্রেড সংস্করণ, যা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটের সঙ্গে সবসময় যুক্ত থাকার সুবিধা দেয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের ই-মেইল, MMS (Multimedia Messaging Service) এবং সীমিত ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের মতো পরিষেবাগুলো ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।

• বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হল TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়। 
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে। 
২. CDMA (Code Division Multiple Access):
এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২। ব্রিটানিকা।

১২,১৬৫.
নিচের কোনটি বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে সত্য নয়?
  1. ক) অ + ০ = ১
  2. খ) অ + ১ =  অ
  3. গ) অ + অ = ২অ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার এবং যুক্তিবর্তনী (Logic circuit) নির্মাণের জন্য বুলিয়ান সমীকরণ ব্যবহার করা হয়।

এই সমীকরণ যত ছোট ও সরল হয় যুক্তিবর্তনীর আকৃতি ও নির্মান খরচ তত কম হয়। 
এই সমীকরণ সরলীকরণের জন্য যে উপপাদ্য ব্যবহার করা হয় তাকে বুলিয়ান-উপপাদ্য বলা হয়। 

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,১৬৬.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. সিপিইউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৭.
ফ্ল্যাশ মেমোরি মূলত কোন ধরনের রমের (ROM) উদাহরণ?
  1. EEPROM
  2. PROM
  3. SRAM
  4. Mask ROM
সঠিক উত্তর:
EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EEPROM
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory)-এর একটি বিশেষ ধরণ।
- সাধারণ EEPROM-এ ডেটা বাইট অনুযায়ী মুছতে হয়, কিন্তু ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটার বড় বড় ব্লক একসাথে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে মোছা এবং পুনরায় লেখা যায়। এই দ্রুতগতির কারণেই একে "ফ্ল্যাশ" মেমোরি বলা হয়। 

• ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) হলো একটি নন ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বন্ধ থাকলেও এটি ডেটা ধরে রাখতে পারে। যেহেতু এর মাধ্যমে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তাই এটি সাধারণত সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ফ্ল্যাশ মেমোরির ব্যাবহার:
- পেন ড্রাইভ (Pen Drive) -
- SSD (Solid State Drive)
- মেমোরি কার্ড (Memory Card)
- USB ডিভাইস ইত্যাদিতে।ট

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

১২,১৬৮.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. FAT8
  2. FAT32
  3. FAT64
  4. HTFS
সঠিক উত্তর:
FAT32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAT32
ব্যাখ্যা
• FAT32 একটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:

- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং তাদের ডেটার সংগঠন ও সংরক্ষণের পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম প্রধানত ফাইল তৈরি, অ্যাক্সেস, কপি, মুছা ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং সেগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা, পাশাপাশি ফাইল ও নথির সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে, কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের ফাইল সিস্টেমের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারে।

• ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16.
• FAT32.
• HPFS.
• NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৯.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে কোন ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়?
  1. LAD
  2. AMOLED
  3. CRT
  4. LCD
সঠিক উত্তর:
AMOLED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AMOLED
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। 

- টেলিভিশনের মতো দেখতে কম্পিউটার ব্যবস্থার অংশটিকে মনিটর বলা হয়। টিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটর দিয়ে টিভির ন্যায় টেলিভিশন স্টেশন থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা যায়।
- মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১। সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২ এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩। এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪। এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)

• এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor):
- AMOLED -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Active-Matrix Organic Light Emitting Diode.
- AMOLED হলো মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি।
- বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। যেমন: LG Flex, Nexus, Samsung Galaxy S সিরিজ।
- AMOLED এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেকগুণ বেশি।
- AMOLED এর ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলো OLED (Organic Light Emitting Diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়, আর অপরটি হলো TFT (Thin-Film Transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৭০.
চার্লস ব্যাবেজ নিচের কোন যন্ত্রটি তৈরি করেন?
  1. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  2. এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ডিফারেন্স ইঞ্জিন নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
১২,১৭১.
নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট বোঝাতে ব্যবহৃত 'MbPS' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Megabytes per second
  2. Megabits per second
  3. Milibits per second
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Megabits per second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Megabits per second
ব্যাখ্যা
- 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।• bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)

• kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
• Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
• Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
• Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
• Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,১৭২.
উৎপাদনের আগে কম্পিউটারে যে টুল ব্যবহার করে পণ্যের ড্রাফটিং, ডিজাইন, সিমুলেশন প্রভৃতি তৈরি করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. CAD
  2. GPS
  3. CAM
  4. RFID
সঠিক উত্তর:
CAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAD
ব্যাখ্যা
• CAD: উৎপাদনের আগে কম্পিউটারে যে টুল ব্যবহার করে পণ্যের ড্রাফটিং, ডিজাইন, সিমুলেশন প্রভৃতি তৈরি করা হয়, তাকে CAD (Computer Aided Design) বলে।
• GPS (Global Positioning System): জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
• CAM: কম্পিউটারের যে টুলসমূহের সাহায্যে পণ্য প্রস্তুতের যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাকে কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং বা CAM বলে।
• RFID: RFID এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification. এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,১৭৩.
নিচের কোনটি স্থায়ী মেমোরি?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) Cache memory
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM) : আইসিটি পণ্য তথা কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডের সাথে র‍্যাম সংযুক্ত থাকে। প্রসেসর প্রাথমিকভাবে র‍্যামে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে। প্রসেসর RAM থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। প্রসেসর র‍্যামের যে কোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বলা হয়। র‍্যামে তথ্য থাকা না থাকা বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। অর্থাৎ কম্পিউটার চালু করলেই র‍্যাম প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে। আবার কম্পিউটার বন্ধ করলে র‍্যাম তথ্য-শূণ্য হয়ে যায়। তাই এটি অস্থায়ী মেমোরি।

রম (ROM): ROM বা Read Only Memory মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। আইসিটি যন্ত্রপাতি বা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়। এ নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। তাই রম এ নির্দেশনাগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ থাকা না থাকার উপর এই মেমোরি নির্ভর করে না। ব্যবহারকারীও বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এটি মুছে ফেলতে পারে না। এ মেমোরি শুধু পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read only Memory বলে। যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলে।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
১২,১৭৪.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক কোনটি ?
  1. ক) মাল্টিমিডিয়া
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) মোবাইল
  4. ঘ) ফ্যাক্স
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১২,১৭৫.
কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে- 
  1. সীমিত
  2. বৃহৎ
  3. শূন্য
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে শূন্য। 
- অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধিমত্তা নেই। 
- কম্পিউটার নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে কোন কাজ করতে পারে না। 
- মানুষের তৈরি করে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করেই কম্পিউটার সব রকমের কাজ সম্পন্ন করে। 
১২,১৭৬.
হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত রেকর্ড যখন মনিটরে দেখানো হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. ক) হার্ডকপি
  2. খ) ফটোকপি
  3. গ) সফটকপি
  4. ঘ) ফিজিক্যালকপি
সঠিক উত্তর:
গ) সফটকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সফটকপি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে সম্পাদিত বিভিন্ন আউটপুটের রেকর্ড বিভিন্ন ধরণের মেমরি; যেমন-হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করে যখন মনিটরে দেখানো হয় তাকে সফটকপি বলে। আর আউটপুট কাগজে ছাপানো হলে তাকে বলা হয় হার্ডকপি বা ফিজিক্যালকপি।
১২,১৭৭.
ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) কত সালে উদ্ভাবিত হয়?
  1. ২০০৯
  2. ২০১১
  3. ২০১৪
  4. ২০১৬
সঠিক উত্তর:
২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১
ব্যাখ্যা
-  ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- প্রতিষ্ঠাতা - এরিক ইউহান (চীনা বংশদ্ভোত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর - সানজোসে, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
উৎস: জুম ওয়েবসাইট।
১২,১৭৮.
OCR technology is fundamentally a sub-discipline of which broader field of computer science?
  1. Quantum Computing
  2. Financial Software
  3. Predictive Analytics
  4. Computer Vision
সঠিক উত্তর:
Computer Vision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer Vision
ব্যাখ্যা

OCR (Optical Character Recognition) হলো একটি প্রক্রিয়া যা ছবি থেকে অক্ষর শনাক্ত করে, যা সরাসরি কম্পিউটার ভিশন এবং প্যাটার্ন রিকগনিশন-এর অন্তর্ভুক্ত।

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১২,১৭৯.
(.F5D)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. (.7535)8
  2. (.7625)8
  3. (.7484)8
  4. (.7545)8
সঠিক উত্তর:
(.7535)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(.7535)8
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 থেকে 9 পর্যন্ত অঙ্কের পর 10 থেকে 15 পর্যন্ত মানগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী: A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15।
- সুতরাং, F = 15 এবং D = 13.

•  হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তরের জন্য প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল ডিজিটকে 4-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করতে হয় এবং এরপর সেই বাইনারি মানকে 3-বিট করে সাজিয়ে অক্টাল মান বের করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,১৮০.
নিচের কোনটি 52(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. 01010010(2)
  2. 01110011(2)
  3. 00001100(2)
  4. 11110000(2)
সঠিক উত্তর:
01010010(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
01010010(2)
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এখানে,
5 =  0101
2 = 0010
∴ (52)16 = (01010010)2

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৮১.
HTML কি?
  1. ডাটাবেজের ভাষা
  2. ডেটা উপস্থাপনের ভাষা
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা
সঠিক উত্তর:
ডেটা উপস্থাপনের ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা উপস্থাপনের ভাষা
ব্যাখ্যা

• HTML:
- Hyper Text Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো HTML যা World Wide Web (www) ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- এটি সত্যিকার অর্থে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- তবে প্রোগ্রামারগণ ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।
- HTML ফাইল সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ (Web Page) নামে পরিচিত।
- জেনেভায় অবস্থিত CERN-এ কাজ করার সময় টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) ১৯৯০ সালে সর্বপ্রথম HTML আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,১৮২.
বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামার
  2. হ্যাকার
  3. ম্যালওয়্যার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাকার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার হ্যাকিং: 
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।
- যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।
- বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে হ্যাকার বলা হয়ে থাকে।
- হ্যাকার সম্প্রদায় নিজেদেরকে নানান দলে ভাগ করে থাকে।
- এর মধ্যে রয়েছে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- অন্যদিকে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারগণ অসৎ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১২,১৮৩.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় -
  1. মনিটর
  2. র‍্যাম
  3. প্রসেসর
  4. মাদারবোর্ড
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইন বোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৮৪.
বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. মাল্টিপ্লেক্সার
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফ্লিপ-ফ্লপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। যথা:
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৮৫.
কোন কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. এনালগ কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
এনালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৮৬.
যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সিরিজ কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট কী
ব্যাখ্যা
• কম্পোজিট কী:
- যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয় কম্পোজিট কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না৷

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
১২,১৮৭.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
  2. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল
  3. ক ও খ দুইটিই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ Local Area Network.
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোনো ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,১৮৮.
কোন ধরনের ফায়ারওয়াল অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে?
  1. Application-layer firewall
  2. Packet-filtering firewall
  3. Circuit-level gateway
  4. Stateless firewall
সঠিক উত্তর:
Application-layer firewall
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Application-layer firewall
ব্যাখ্যা
• Application-layer firewall হল এমন একটি ফায়ারওয়াল যা অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে। এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের ডেটা প্যাকেটের কন্টেন্ট পরীক্ষা করে এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকলের নিয়মাবলী অনুসারে ট্রাফিককে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করে। এটি ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফার ইত্যাদি সেবা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Packet-filtering firewall শুধুমাত্র প্যাকেটের হেডার তথ্য যেমন সোর্স এবং ডেস্টিনেশন আইপি ঠিকানা, পোর্ট নম্বর দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। Circuit-level gateway সেশন লেভেলে কাজ করে এবং Stateless firewall পূর্ববর্তী অবস্থা বিবেচনা না করে শুধুমাত্র প্যাকেটের তথ্য দেখে কাজ করে। তাই, অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করার জন্য Application-layer firewall ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৮৯.
কোন ক্ষেত্রে ডোমেইন নেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ফোল্ডার
  2. ওয়েব ফাইল
  3. ওয়েবসাইট
  4. স্প্রেডশিট ফাইল
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।

• ডোমেইন নেইম:
- আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোনো নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
- যেমন: আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নেম www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System).
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- প্রতিটি ডোমেইনের ৪টি অংশ থাকে। যথা-
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি নাম এবং
৪. html ফাইল নাম।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,১৯০.
1 nano second = ?
  1. 10 - 3 Second
  2. 10 - 6 Second
  3. 10 - 9 Second
  4. 10 - 12 Second
সঠিক উত্তর:
10 - 9 Second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 - 9 Second
ব্যাখ্যা
1 Nano Second = 10-9 Second

১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে ১ ন্যানো সেকেন্ড বলে। অর্থাৎ ১ ন্যানো সেকেন্ড=১০-৯ সেকেন্ড|

- ১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
- ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।
- ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- ১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।

উৎস: Britannica.com.
১২,১৯১.
নিচের কোনটি ট্রান্সমিটার?
  1. ক) মডেম
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ
  3. গ) মাইক্রোফোন
  4. ঘ) টেলিফোন লাইন
সঠিক উত্তর:
ক) মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মডেম
ব্যাখ্যা

১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১২,১৯২.
টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে কোন Key ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) PgUp
  2. খ) PgDn
  3. গ) Home
  4. ঘ) F2
সঠিক উত্তর:
গ) Home
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Home
ব্যাখ্যা
• টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে Home key ব্যবহার করা হয়।
- Home: কোন টেক্সট এর শুরুতে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgUp: কোন পেইজের উপর দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgDn: কোন পেইজের নিচের দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2: কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Computerhope Website
১২,১৯৩.
কম্পিউটার প্রসেসরে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়। আইসিগুলো তৈরি হয় ট্রানজিস্টার দিয়ে। এগুলো সব একটি ক্ষুদ্র চিপ (Chip) এর মধ্যে থাকে। প্রসেসরে আইসির সংখ্যা পূর্বের তুলনায় অনেক বাড়লেও চিপ-এর আকার ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসছে। আকার ছোট হলেও এর কাজ করার ক্ষমতা বেড়েই চলেছে। কম্পিউটারের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ সিপিইউ-এর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সফটওয়্যারের নির্দেশ বোঝা এবং সে অনুযায়ী তথ্য প্রক্রিয়া করা এর কাজ। অর্থাৎ ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের কাজটি সিপিইউ বা প্রসেসর নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এক কথায় কম্পিউটার-সংশ্লিষ্ট সকল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যারের নির্দেশনার মধ্যে সমন্বয় করে কাজ সমাধা করে প্রসেসর।
তিনটি অংশের সমন্বয়ে প্রসেসর গঠিত হয়।
১. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic and Logic Unit) : এ অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তমূলক কাজ সংগঠিত হয়।
২. নিয়ন্ত্রক অংশ (Control Unit) : এ অংশের মাধ্যমে সকল কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ কোন নির্দেশের পর কোন নির্দেশ পালিত হবে তা নির্ধারিত হয় এ অংশে। 
৩. রেজিস্টার স্মৃতি (Register Memory ) : এটি ছোট আকারের অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি বা স্মৃতি। এ স্মৃতি থেকে তথ্য নিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয় ৷

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
১২,১৯৪.
ই-কমার্স জায়ান্ট Amazon-এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ইলন মাস্ক
  2. জেফ বেজোস
  3. স্টিভ জবস
  4. মার্ক জাকারবার্গ
সঠিক উত্তর:
জেফ বেজোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেফ বেজোস
ব্যাখ্যা
Amazon:
- Amazon.com বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানকারী একটি অন্যতম প্রধান কোম্পানি।
- তারা মূলত ই-কমার্স এবং ক্লাউড কম্পিউটিং এই দুটি প্রধান ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কাজ করে। 
- প্রতিষ্ঠাতা: জেফ বেজোস (Jeff Bezos)।
- প্রতিষ্ঠা সাল: ৫ জুলাই, ১৯৯৪ (ওয়াশিংটনের সিয়াটলে)।

⇒ জেফ বেজোস:
- মার্কিন ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমের স্বত্বাধিকারী ও বিনিয়োগকারী জেফরি প্রেসটন জেফ বেজোস।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই–কমার্স সাইট ও ক্লাউড কম্পিউটিং প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- জেফ বেজোস বর্তমানে অ্যামাজনের নির্বাহী চেয়ারম্যান।
- তিনি ব্লু অরিজিন, বেজোস এক্সপেডিশনস ও বেজোস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা।
- এ ছাড়াও জেফ বেজোস সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর স্বত্বাধিকারী ও বেজোস আর্থ ফান্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে -
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- Apple Inc. কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।

উৎস: Britannica.
১২,১৯৫.
গেটওয়ের কাজের মুখ্য উদ্দেশ্য কী?
  1. ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  2. অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট
  3. ডেটা সংরক্ষণ
  4. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• গেটওয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা। নেটওয়ার্কে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়, যেমন TCP/IP, IPX/SPX বা অন্য কোনো প্রটোকল। যদি দুটি নেটওয়ার্ক ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করে, তবে সরাসরি তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধান করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সময় প্রটোকল রূপান্তর (protocol conversion) করে। ফলে ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কগুলোকে কার্যকরভাবে সংযুক্ত করা সম্ভব হয় এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN, WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• গেটওয়ের সুবিধা:
- রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
- অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
- কনফিগারেশন করা তুলনামূলক জটিল।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৯৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং অসুবিধা নিচের কোনটি?
  1. ক) এটি সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়
  2. খ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম
  3. গ) এটার তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
  4. ঘ) নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না
সঠিক উত্তর:
গ) এটার তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটার তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হল একটি ইন্টারনেট সেবা, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা কম সময়ে অধিক  ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী দূর থেকে ক্লাউড বা ভার্চুয়াল স্পেসে তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং তিন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যথা- 
১। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
২। অবকাঠামোগত  সেবা এবং
৩। সফটওয়্যার সেবা।

১. অবকাঠামােগত সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশ ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ
১. যে কোনাে স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলােড এবং ডাউনলােড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়। 
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম। 
৪. নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না। 
৫. যে কোনাে ছােট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। 
৬. তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়ােজন হয় না। 
৭. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাসমূহ
১. ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে। 
২. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
৩. ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। 
৪. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১২,১৯৭.
কোনটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Mac OS
  2. খ) WINDOWS 98
  3. গ) MS-DOS
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেস অপারেটিং সিস্টেম বলে। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে বিভিন্ন কাজের জন্য নির্দেশের গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন (Icon) এবং পুলডাউন মেনু থাকে। মাউস বা কি-বোর্ড ব্যবহার করে কমান্ড প্রয়োগ করা যায়। এতে টেক্সট ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্ত করতে হয় না। মনিটরে প্রদর্শিত নির্দিষ্ট আইকনে ক্লিক করে কমেন্ট করা যায়। যার ফলে ব্যবহারকারী কি-বোর্ড ব্যবহার না করে শুধু মাউস ব্যবহার করেও কম্পিউটার পরিচালনা করতে পারে। উদাহরণ- উইন্ডোজ (৯৫/৯৮/এক্সপি/মিস্টার/৭), Mac OS, WINDOWS 98 ইত্যাদি। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৯৮.
নিচের কোনটি বিশেষ গেইট?
  1. NOR
  2. XNOR
  3. AND
  4. NAND
সঠিক উত্তর:
XNOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XNOR
ব্যাখ্যা
• বিশেষ গেইট:
- XOR গেইট এবং XNOR গেইটকে বিশেষ গেইট বলা হয়।

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 
- মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়। 

• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
-  দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৯৯.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত সেবা কোনটি?
  1. ই-পুর্জি
  2. ইএমটিএস
  3. কুইক-উইন
  4. ই-পর্চা
সঠিক উত্তর:
ইএমটিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইএমটিএস
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস:
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়।
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,২০০.
আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনটি মৌলিক অংক নয়?
  1. 0
  2. 9
  3. F
  4. H
সঠিক উত্তর:
H
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F . বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়