ব্যাখ্যা
শুধু গণিতে পাশ করে (৮০ - ৬০) = ২০%
বাংলা বা গণিত অথবা উভয় বিষয়ে পাশ করে (৬০ + ২০ + ১০) = ৯০%
∴ উভয় বিষয়ে ফেল করে (১০০ - ৯০) = ১০%
Unlisted · ২০ মে, ২০২১ · ৮০ প্রশ্ন
ধরি, ভূমি b = ১৬ মিটার এবং বাহুর দৈর্ঘ্য a = ১০ মিটার।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/৪)√(৪a২ - b২)
= (১৬/৪) X √(৪X১০২ - ১৬২)
= ৪ X ১২
= ৪৮ বর্গমিটার
৭ টি সংখ্যার সমষ্টি ২৮০ এবং ৩ টি সংখ্যার সমষ্টি ৬৩।
∴ ১০ টি সংখ্যার গড় হবে (২৮০ + ৬৩) / ১০ = ৩৪.৩
ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ক
∴ প্রথম পাঁচটি সংখ্যার সমষ্টি = (ক + ক+১ + ক+২ + ক+৩ + ক+৪) = ৫৬০
বা, ৫ক + ১০ = ৫৬০
∴ ক = ১১০
শেষ পাঁচটি সংখ্যার সমষ্টি = (ক+৫ + ক+৬ + ক+৭ + ক+৮ + ক+৯)
= ৫ক + ৩৫
= ৫×১১০ + ৩৫
= ৫৮৫
ধরি,
সংখ্যা দুটি = ১২x ও ১২y
১২x - ১২y = ৬০
∴ x - y = ৫ ........ (1)
এবং ১২xy = ২৪৪৮
xy = ২০৪
(x + y) = √[(x - y)2+ ৪xy] = √[৫২ + ৪×২০৪]
x + y = ২৯ .... (2)
x = ১৭, y = ১২
∴ সংখ্যা ২টি ১৪৪ ও ২০৪
ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা। তাহলে ৭.৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য ৯২.৫ টাকা।
আবার ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে ক্রয়মূল্য হত ৯০টাকা
এবং ২০% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য হতো ৯০ + ৯০ এর ২০% বা ১৮ টাকা = ১০৮ টাকা।
প্রথম ও দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ১০৮ - ৯২.৫ = ১৫.৫ এখন এই ১৫.৫% এর মান ৩১ টাকা
(কারণ দুই বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য হলো ৩১ টাকা এবং ১৫.৫%)
এখন ১৫.৫% = ৩১ হলে ১% = ২
∴ ১০০% (ক্রয়মূল্য ) = ২০০ টাকা।
উত্তর: ২০০ টাকা
P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস হবে = PQ + PR - QR = a + c - b
৬৪ কেজি মিশ্রণে বালির পরিমাণ (৬৪ × ২৫/১০০) = ১৬ কেজি
∴ পাথরের পরিমাণ (৬৪ - ১৬) = ৪৮ কেজি।
এখন, ৪০% = ৪৮ কেজি
∴ ১০০% = (৪৮×১০০)/৪০ কেজি
= ১২০ কেজি
১২০ কেজিতে বালির পরিমাণ = (১২০ - ৪৮) = ৭২ কেজি
∴ বালি মিশাতে হবে = (৭২ - ১৬) = ৫৬ কেজি
Reported speech exclamation প্রকাশ করায় reporting verb (said) টি exclaimed হবে। কমার পরিবর্তে that বসবে।
বাক্যে Subject না থাকায়, It কে Subject হিসেবে ধরে নিতে হবে।
Reporting verb past tense হওয়ায় reported speech এর verb “was” হবে।
সুতরাং, বাক্যের সঠিক Indirect speech: He explained that it was a great pity.
Indirect speech এর reported speech past perfect tense হলে direct speech এ তা present perfect tense/ past indefinite tense হয়। কোন clue থাকলে সে অনুযায়ী tense হবে।
যেমন, the previous day থাকলে past indefinite tense;
আবার, recently, lately ইত্যাদি থাকলে present perfect tense হবে।
কোন clue পাওয়া না গেলে দুইটাই সঠিক বলে বিবেচিত হবে।
∴ এখানে অপশন খ) ও ঘ) দুইটিই সঠিক।
তাই উত্তর বাতিল করা হয়েছে। যদিও এখানে অপশন বিবেচনায় ঘ) সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বাক্যটিতে ব্যবহৃত 'about' একটি preposition।
কেননা about শব্দটি noun ‘the battle’ এর পূর্বে বসে sentence - এর অন্য word এর সাথে সম্পর্ক নির্দেশ করছে।
Sound sleep অর্থ ‘ভালো ঘুম’। এখানে sound দ্বারা sleep কে modify করা হয়েছে। তাই sound একটি adjective ।
Active voice এ বাক্যটি continuous form এ থাকলে passive voice এর বেলায়ও তা continuous form এ থাকে।
কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমঃ বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
আবার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
বর্ণালীতে বিভিন্ন ধরণের আলোর বিচ্যুতি/বিক্ষেপণের ক্রমঃ বেগুণী > নীল > আসমানী > সবুজ > হলুদ > কমলা > লাল।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাতটি রঙ্গে বিশ্লিষ্ট হয়। প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে।
বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়।
কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। অর্থাৎ, প্রিজমে আলো প্রতিসরিত হয়।
প্রিজম যে দুটি তল দ্বারা আবদ্ধ থাকে, তাকে প্রিজমের প্রতিসারক তল বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
There are 2 main types of dysentery:
- bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
- amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica
Source: NHS
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল। ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলে।
Source: NASA
- গ্যাসের চাপ মাপার যন্ত্র – ম্যানোমিটার
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র – হাইগ্রোমিটার
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র – ব্যারোমিটার
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্র – স্ফিগমোম্যানোমিটার
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।
জঙ্গনামা শ্রেণীর কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো:
- শেখ ফয়জুল্লাহ (ষোল’শ শতক, জয়নবের চৌতিশা),
- দৌলত উজির বাহরাম খান (ষোল’শ শতক, জঙ্গনামা),
- মুহম্মদ খান (সতের’শ শতক, মকতুল হোসেন),
- শেরবাজ (আঠার’শ শতক, কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা),
- হেয়াত মামুদ (আঠার’শ শতক, জারি-জঙ্গনামা),
- জাফর (আঠার’শ শতক, শহীদ-ই-কারবালা ও সখিনার বিলাপ),
হামিদ (আঠার’শ শতক, সংগ্রাম হুসেন),
- ফকির গরিবুল্লাহ (আঠার’শ শতক, জঙ্গনামা ও সোনাভান)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
রামমােহন ও তাঁর অনুগামীদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে নীলমণি হালদারের সম্পাদনায় ১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মে প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘বঙ্গদূত'।
পত্রিকাটি সংস্কারবাদী প্রগতিমুখী চিন্তায় পরিচালিত হতাে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
গঙ্গোপাধ্যায়, নারায়ণ (১৯১৮-১৯৭০) প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক। প্রকৃত নাম তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ‘নারায়ণ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
জীবনের শেষ সময়ে তিনি সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকায় ‘সুনন্দ’ ছদ্মনামে লিখতেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
ব্যাকরণের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচিত হয় অর্থতত্ত্ব।
অর্থতত্ত্বের (Semantics) আলোচ্য বিষয়ঃ
- শব্দের অর্থবিচার (সমার্থক, বিপরীতার্থক শব্দ),
- বাক্যের অর্থবিচার,
- অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ (মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থ),
- পারিভাষিক শব্দ ইত্যাদি।
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
‘ট্র্যাজেডি’ হচ্ছে শোকাবহ বা দুঃখজনক অবস্থা বা ঘটনা সংবলিত রচনা বা বিয়োগান্ত নাটকাদি।
‘কমেডি’ হচ্ছে হাস্য-রসাত্মক ঘটনা সংবলিত রচনা বা নাটক এবং ‘ফার্স’ হচ্ছে প্রসহসনমূল রচনা।
সুতরাং ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে জীবনানুভূতির গভীরতায়।
• ইচ্ছা (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- অভিলাষ; স্পৃহা; বাসনা।
- রুচি; প্রবৃত্তি (খাওয়ার ইচ্ছা নাই)।
- অভিপ্রায় (খোদার ইচ্ছায় সব হয়)।
অন্যদিকে,
• ইচ্ছুক (বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- অভিলাষী;
- বাসনাযুক্ত
- রাজি;
- সম্মত।
• ঐচ্ছিক ( বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- ইচ্ছানুরূপ,
- ইচ্ছানুযায়ী,
- ইচ্ছাধীন।
- ঐচ্ছিক এবং ইচ্ছুক দুটিই বিশেষণ পদ।
- কিন্তু এখানে ইচ্ছা- কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে না, বরং একটি বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করছে। তাই এর বিশেষণ হিসেবেও এমন শব্দ চয়ন করা উচিত যেটা কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে একটি বিমূর্ত ধারণাকে প্রকাশ করবে।
• ইচ্ছুক - সাধারণত ব্যক্তিকেই নির্দেশ করে।
• ঐচ্ছিক - বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করে।
সুতরাং, ‘ইচ্ছা’ শব্দের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বিশেষণর পদ হচ্ছে- ঐচ্ছিক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।ন
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
• তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বলা হয়।
• তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
• তাঁকে 'বাংলার স্কট' বলা হয়।
• 'কমলাকান্ত' ছিল তার ছদ্মনাম।
• 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
• এটি বাংলায় রচিত তাঁর প্রথম উপন্যাস।
• 'কৃষ্ণকান্তের উইল' তাঁর সামাজিক উপন্যাস।
• এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
• রোহিনী, ভ্রমর ও গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
ক্ষুধিত যে পাষাণ = ক্ষুধিতপাষাণ, এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
• বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ পঞ্চাশটি।
• এরমধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার ৮টি।
• অর্থাৎ মোট মাত্রাযুক্ত বর্ণ ৪০টি।
• অপরদিকে, মাত্রাহীন ১০টি।
• মাত্রাহীন ১০ টি বর্ণের মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি এবং স্বরবর্ণ ৪টি।
• মাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ১১ - ৪ = ৭টি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• হুমায়ুন কবির রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক ছিলেন।
• ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
• একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
• এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
• ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী ও
- অষ্টাদশী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।
লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
শহীদ আসাদ দিবস ২০ জানুয়ারি।
১৯৬৯ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
পরবর্তীতে আসাদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে 'আইয়ুব গেট' এর নাম পরিবর্তন করে 'আসাদ গেট' নামকরণ করা হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
সুপ্রিমকোর্টের দুটি বিভাগের একটি হলো আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সহ আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতির সংখ্যা ৬ জন।
তারা হলেন:
- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (প্রধান বিচারপতি)
- বিচারপতি মোহাম্মদ ইম্মান আলী
- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিক
- বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিক
- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরগ্রহণের সময়সীমা ৬৭ বছর।
সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
নতুন সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ ভাগ মহিলা শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
Source: dhakatribune.com
উল্লেখ্য যে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৬০% নারী কোটার বিষয়টিও এই নীতিমালারই অংশ।
World Population Review 2020 অনুসারে শিক্ষিতের হারঃ
মালদ্বীপ - ৯৯.৩০%,
শ্রীলঙ্কা - ৯২.৬০%,
ভারত- ৭১.২০%,
নেপাল - ৬৩.৯০%,
বাংলাদেশ - ৬১.৫০%,
পাকিস্তান ৫৭.৯০%।
অপশনে মালদ্বীপ না থাকায় সঠিক উত্তর হবে শ্রীলংকা।
প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- আধুনিক কমনওয়েলথের আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৪৯ সালে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪টি।
- উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২-তম সদস্য।
(তবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথে ৩৪তম দেশ হিসেবে যোগ দেয়। বাংলাদেশ যোগদানের পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের সদস্যপদ প্রত্যাহার হওয়ায় বাংলাদেশ ৩২-তম সদস্যপদ লাভ করে।)
উৎসঃ কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট।
April 18, 1972 COMMONWEALTH MEMBERSHIP FOR BANGLADESH Bangladesh is today admitted to the Commonwealth as its 32nd member. The announcement of the membership is made by the Commonwealth Secretary General Arnold Smith. Bangladesh Foreign Minister Abdus Samad Azad welcomes the announcement and says that the decision of the Commonwealth is an acceptance of the reality of Bangladesh by the world's first community of nations. He further says that Bangladesh will maintain good and friendly relations with all members of the Commonwealth of Nations on the basis of mutual respect of sovereignty, equality and fraternity.
SOURCES: April 19, 1972 issues of Bangladesh Observer, Dainik Bangla and Ittefaq (Published by Daily Star)
News Link
উপর্যুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে এটা বলা যায় -
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথে "৩৪তম দেশ হিসেবে" "৩২তম সদস্য" হয়ে যোগদান করেছিল।
- তবে, অপশনে ৩২ না থাকলে ৩৪ উত্তর করা যায়। এর আগে চাকরির পরীক্ষায় ৩৪ ছাড়াই এই প্রশ্ন এসেছে।
- আবার, যদি প্রশ্ন হয় যে "বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগ দেওয়া কততম দেশ?"; তাহলে উত্তর নির্দ্ধিধায় ৩৪-তম হবে।
বেরিং প্রণালী আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
প্রণালীটি ৩০ থেকে ৫০ মিটার গভীর এবং সংকীর্ণতম অংশটি প্রায় ৫৩ মাইল (৮৫ কিমি) প্রশস্ত।
সূত্র- ব্রিটানিকা।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু বা Life expectancy at birt:
হংকং এবং সান মারিনো - ৮৫ বছর।
জাপান, ম্যাকাও, সুইজারল্যান্ড - ৮৪ বছর।
উৎসঃ বিশ্বব্যাংক
প্রশ্নের অপশন থেকে আমরা 'জাপান'-কে উত্তর হিসেবে বিবচেনা করছি।