উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ ওমর (রা.) এর সময় কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়।
- কিন্তু তিনি শেষ করে যেতে পারেন নি।
- ওসমান (রা.) এর সময় ৬৪৭ সালে কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়।
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন
⇒ ওমর (রা.) এর সময় কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়।
- কিন্তু তিনি শেষ করে যেতে পারেন নি।
- ওসমান (রা.) এর সময় ৬৪৭ সালে কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়।
⇒হযরত উসমান (রা.) আনুমানিক ৫৭৩ বা ৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে কুরাইশ বংশের অন্যতম শাখা উমাইয়া গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
-তিনি ৩৪ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন।
- ৬৫৬ সালে বিদ্রোহীদের হাতে ৮২ বছর বয়সে শাহাদাত বরণ করেন।
⇒হযরত উসমান (রা.) কুরাইশ বংশের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ছিলেন জন্য তাকে ‘গণি’ (সম্পদশালী বা ধনী) উপাধি দেয়া হয়।
-তিনি তার সম্পদ অকাতরে ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন।
⇒ওসমান (রা.) রাসূল (সা.) এর দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
-তাই তাঁকে বলা হয় ‘যুন্নুরাইন’ বা দুই-নূরের/ দুই জ্যোতির অধিকারী।
⇒দীর্ঘ ২৩ বছরে মহানবী (স.) এর উপর বিভিন্ন প্রয়োজনে ওহি নাজিল হয়।
-যা তার কাছের মানুষজন লিখে রাখতেন।
-তাদের মধ্যে অন্যতম ওহী লেখক ছিলেন হযরত উসমান (রা.),যায়েদ বিন সাবিত (রা.),আয়েশা (রা.)।
- চার খলিফার মধ্যে অন্যতম ওহী লেখক ছিলেন হযরত উসমান (রা.)
⇒হযরত উসমান (রা.) হত্যাকে নিয়ে বিশিষ্ঠ ঐতিহাসিক জোসেপ হেল বলেন, “The muder of Othman was a signal for civil war”.
⇒ হযরত ওমর (রা.)এর খিলাফত কালে ইসলাম বিভিন্ন অনারব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লে ওসমান (রা.) এর সময় কুরআনের উচ্চারণের তারতম্য দেখা দেয়।
-মূল কুরআনের পাঠ ও বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি ৬৫১ খ্রি. যায়েদ বিন-সাবিত (রা.)এর নেতৃত্বে কুরআনের মূল পান্ডুলিপি রাসূল (সা.) এর অন্যতম স্ত্রী ও হযরত উমর (রা.) এর কন্যা বিবি হাফসার নিকট থেকে গ্রহণ করে কয়েকটি অনুলিপি করে বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে আগের সব গুলো পুড়িয়ে ফেলেন।
-এই জন্য তাকে ‘জামিউল কুরআন’ উপাধি দেওয়া হয়।
⇒হযরত ওমর (রা.)এর খিলাফত কালে ইসলাম বিভিন্ন অনারব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লেহযরত উসমান (রা.) এর সময় কুরআনের উচ্চারণের তারতম্য দেখা দেয়।
-মূল কুরআনের পাঠ ও বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি ৬৫১ খ্রি. যায়েদ বিন-সাবিত (রা.)এর নেতৃত্বে কুরআনের মূল পান্ডুলিপি রাসূল (সা.) এর অন্যতম স্ত্রী ও হযরত উমর (রা.) এর কন্যা বিবি হাফসার নিকট থেকে গ্রহণ করে কয়েকটি অনুলিপি করে বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে আগের সব গুলো পুড়িয়ে ফেলেন।
-এই জন্য তাকে ‘জামিউল কুরআন’ উপাধি দেওয়া হয়।
⇒ হযরত উসমান (রা.) এর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, কুরআন শরীফ দগ্ধীভূতকরণ,আদুল্লাহ ইবনে মাসুদ ও হযরত উবাই (রা.)এর ভাতা বন্ধ করা, বায়তুল মালের অর্থ আত্মসাৎকরণের, রাষ্ট্রীয় চারণভূমি ব্যবহার,আবু জার আল গিফারীকে নির্বাসনের মত গুরুত্বর অভিযোগ আনা হয়।
- যার সব গুলোই ছিল ভিত্তিহীন।
⇒আবু জার আল গিফারী একটি গোঁড়া সমাজতান্ত্রিক মতবাদ প্রচার করছিলেন।
- তিনি মনে করতেন ইসলামে সম্পদ সঞ্চয় করা জায়েজ নাই।
-এ জন্য মুয়াবিয়া (রা.) ভীত হয়ে কৌশলে তাকে সিরিয়া হতে মদীনায় পাঠিয়ে দেন।
-হযরত উসমান (রা.) ও তাকে কিছুদিনের জন্য তাকে ‘রাবাবা’ নামক পাঠিয়ে দেন।
-সেখানেই তিনি স্বাভাবিক মৃত্যবরণ করেন।
⇒উমাইয়া ও হাশেমী দ্বন্দ্ব, ইবনে সাবার অপপ্রচার, আনসার-মুহাজির দ্বন্দ, চাচাতো ভাই ও জামাতা মারওয়ানের ধ্বংসাত্মক নীতি।
- বিভিন্ন কারণে ৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
-তাকে হত্যার প্রধান কারণ ছিল চাচাতো ভাই ও জামাতা মারওয়ানের ধ্বংসাত্মক নীতি।
⇒তিনি রাসূল (সা.) এর দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
-তাই তাঁকে বলা হয় ‘যুন্নুরাইন’ বা দুই-নূরের বা দুই জ্যোতির অধিকারী।
⇒তিনি রাসূল (সা.) এর চার কন্যার মধ্যে দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
-তাই তাঁকে বলা হয় ‘যুন্নুরাইন’ বা দুই-নূরের অধিকারী।
- তাকে নিয়ে রাসূল (স.) বলেছেন," আমার যদি আমার আরও কোন মেয়ে থাকতো তাকেও আমি ওসমানের সাথে বিয়ে দিতাম।
- এ থেকে ওসমান (রা.) এরপ্রতি মহানবী (স.) এর ভালোবাসার নিদর্শন পাওয়া যায়।
⇒৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
-তার স্ত্রী নায়লা তাদের বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাঁর হাতের তিনটি আঙ্গুল কেটে যায়।
⇒৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
-হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে ইসলামে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এর পরই মুসলমানরা নিজেদের বিরুদ্ধে উষ্ট্রের যুদ্ধ((৬৫৬),সিফফিনের যুদ্ধে(৬৫৭) জড়িয়ে পরে।
⇒প্রধান চারজন খলীফা হলেন- হযরত আবু বকর (রা.)(৬৩২-৬৩৪), হযরত উমর (রা.)৬৩৪-৬৪৪), হযরত উসমান (রা.)(৬৪৪-৬৫৬), হযরত আলী (রা.)(৬৫৬-৬৬১)।
-এই চারজনই ইসলামের ইতিহাসে খুলাফায়ে রাশিদীন নামে পরিচিত।
-খুলাফায়ে রাশিদীনের সময়কাল ছিল ৬৩২-৬৬১ খ্রি. পর্যন্ত
-যা ৩০ বছর দীর্ঘ ছিল।
⇒ খাইবার যুদ্ধে(৬২৮) সুরক্ষিত কামুস দুর্গ বিজয়ের সময় এ দুর্গের ফটক আলী (রা.) একাই ভেঙ্গে ফেলেন।
- তখন রাসূল (সা.) তাকে ‘আসুদল্লাহ’ বা আল্লাহর সিংহ উপাধি দেন।
- বদর যুদ্ধে বীরত্বের জন্য রাসূল (স.) তাকে জুলফিকার তরবারি উপহার দেন।
⇒ওসমান হত্যাকে কেন্দ্র করে হযরত আলী (রা.) ঘোড়ার পিঠে এবং হযরত আয়িশা (রা.) উষ্ট্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করে ৬৫৬ খ্রি. এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এ যুদ্ধের ময়দানে আয়িশা(রা.) এর বাহন উটটি আক্রান্ত হয় বলে, ইতিহাসে এটি উষ্ট্রের যুদ্ধ বা (জঙ্গে জামাল) নামে পরিচিতি লাভ করে।
-এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ইসলামে গৃহ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
⇒হযরত আলী রা. ছিলেন অন্যতম বীর যোদ্ধা।
- বদর যুদ্ধে(৬২৪) সালে কুরাইশদের ১০০০ সৈন্যের মোকাবেলায় মহানবী (স.) মাত্র ৩১৩ জন মুজহিদ নিয়ে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন।
-এ যুদ্ধে আলী (রা.) অভুতপূর্ব বীরত্বের জন্য রাসুল (সা.) তাকে জুলফিকার তরবরি প্রদান করেন।
⇒ উসমান (রা.) হত্যার বিচার দাবি মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আলী (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম তীরে সিফফিন নামে স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-যুদ্ধ বন্ধের জন্য মদীনা ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশে মুসা আল আশ্য়ারীর সরলতা ও আমর ইবন আল-আসের চালাকীর জন্য হযরত আলী (রা.)কে অপসারন করে মুয়াবিয়াকে খলিফা ঘোষনা করে।
-হযরত আলী সিফফিনের যুদ্ধে রাজনৈতিক অদূরদর্শীতার জন্য পরাজিত হন।
⇒খুলাফায়ে রাশেদুনের সময় প্রধান বিচারপতিকে কাজী-উল-কুজ্জাত।
-প্রদেশের প্রধানকে ওয়ালী।
-জেলার প্রধানকে আমিল ।
-পুলিশ প্রধানকে সাহিব-উল-আহদাস নামে অবিহিত করা হয়।
⇒৬১০ সালে নবুওয়াত পাওয়ার পর ওসমান (রা.) ইসলাম গ্রহন করেন।
-৬১৩ সালে প্রকাশ্যে ইসলাম পগরচার করলে কুরাইশদের অত্যাচারের বেড়ে যায়।
-এ জন্য তিনি রাসূল (সা.) এর নির্দেশে তার স্ত্রী রুকাইয়াকে নিয়ে ৬১৫ সালে আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন।
⇒ মারওয়ান উমাইয়া বংশে জন্মগ্রহণ কারী অন্যতম ব্যক্তি।
-তিনি সম্পর্কের দিক থেকে ওসমান (রা.) এর চাচাতো ভাই ও জামাতা।
-ওসমান (রা.) কে হত্যার প্রধান কারণ মারওয়ানের ধ্বংসাত্মক নীতি।
⇒আলী (রা.) এর প্রতি মুয়াবিয়া (রা.) এর আনুগত্যে অনীহা,উসমান (রা.) হত্যার বিচার দাবিতে মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আলী (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম তীরে সিফফিন নামে স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-এ যুদ্ধ বন্ধে মদীনা ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশি বৈঠক বসে।
- কিন্তু আলী (রা.) এর প্রতিনিধি আবু মুসা আশয়ারির রাজনৈতিক অদূরদর্শিকতার জন্য আলী (রা.) পরাজিত হন।
⇒সিফফিনের যুদ্ধের মিমাংসার জন্য দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশি বৈঠক বসে।
-কিন্তু মুয়াবিয়ার প্রতিনিধি আমর বিন আসের চালাকির জন্য এর ফলাফল মেনে না নিয়ে আলী (রা.) এর ১২০০০ সমর্থক আব্দুল্লাহ ইবনে ওহাব আল-রাবিবীর নেতৃত্বে আলাদা হয়ে যায়।
-ইসলামের সর্বপ্রথম ধর্মীয়-রাজনৈতিক দল হিসেবে খারিজী সম্পদ্রায়ের উত্থান ঘটে।
⇒ওসমান হত্যাকে কেন্দ্র করে হযরত আলী (রা.) ঘোড়ার পিঠে এবং হযরত আয়িশা (রা.) উষ্ট্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করে ৬৫৬ খ্রি. এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-যুদ্ধের ময়দানে আয়িশা(রা.) এর বাহন উটটি আক্রান্ত হয় বলে, ইতিহাসে এটি উষ্ট্রের যুদ্ধ বা (জঙ্গে জামাল) নামে পরিচিতি লাভ করে।
-এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ইসলামে গৃহ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
⇒ওসমান হত্যাকে কেন্দ্র করে হযরত আলী (রা.) ঘোড়ার পিঠে এবং হযরত আয়িশা (রা.) উষ্ট্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করে ৬৫৬ খ্রি. এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-যুদ্ধের ময়দানে আয়িশা(রা.) এর বাহন উটটি আক্রান্ত হয় বলে, ইতিহাসে এটি উষ্ট্রের যুদ্ধ বা (জঙ্গে জামাল) নামে পরিচিতি লাভ করে।
-এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ইসলামে গৃহ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এ যুদ্ধের পর মদিনায় বিদ্রোহ বৃদ্ধি ও আলী (রা.) এর সমর্থক কমতে থাকে।
- সেজন্য তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী মদীনা থেকে ৬৫৭ খ্রি. কুফায় স্থান্তরিত হয়।
⇒দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশি বৈঠকের ফলাফল মেনে না নিয়ে আলী (রা.) এর ১২০০০ সমর্থক আলাদা হয়ে যায়।
- খারেজি শব্দের অর্থ হচ্ছে বের হয়ে যাওয়া, আলাদা হওয়া,ত্যাগ করা,বিচ্ছিন্ন হওয়া।
-ইসলামের সর্বপ্রথম ধর্মীয়-রাজনৈতিক দল হিসেবে খারিজী সম্পদ্রায়ের উত্থান ঘটে।
-আব্দুল্লাহ ইবনে ওহাব আল-রাবিব ছিল তাদের নেতা।
⇒হযরত আলী (রা.) অসি-মসি দ্বারা তথা সব কিছু দিয়ে ইসলামের সেবা করেন।
- তিনি ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহনের পর থেকে ইসলামের সেবা করে আসছেন।
-তিনি আব্দুল্লা ইবনে মুলজামের বিষাক্ত ছুরির আঘাতে ৬৬১ খ্রি. ২৭ জানুয়ারী তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
⇒ খলিফা আলী (রা.) এর প্রতি মুয়াবিয়া (রা.) এর আনুগত্যে অনীহা,উসমান (রা.) হত্যার বিচার দাবি মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আলী (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম তীরে সিফফিন নামে স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-এ যুদ্ধ বন্ধে ৬৫৯ সালের জানুয়ারী মাসে মদীনা ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী দুমাতুল জান্দাল (আজরুহ) নামক স্থানে সালিশি বৈঠক বসে।
-দুমাতুল জান্দাল সালিশি বৈঠকের ফলাফল মেনে না নিয়ে আলী (রা.) এর ১২০০০ সমর্থক আব্দুল্লাহ ইবনে ওহাব আল-রাবিবীর নেতৃত্বে আলাদা হয়ে যায়।
-ইসলামের সর্বপ্রথম ধর্মীয়-রাজনৈতিক দল হিসেবে খারিজী সম্পদ্রায়ের উত্থান ঘটে।
⇒৬৩২ সালে খোলাফায়ে রাশেদুনের আমল শুরু হয়।
-হযরত আবু বকর (রা.)হযরত ওমর (রা.)হযরত ওসমান (রা.)হযরত আলী (রা.)এর সমষ্টিই খোলাফায়ে রাশেদুন।
- এই চার খলিফার মধ্যে হযরত ওসমান (রা.) ছাড়া বাকী ৩ জনই বায়তুল মাল থেকে অর্থ গ্রহন করতেন।
-বায়তুল মাল থেকে অর্থ গ্রহন না করার পরও হযরত ওসমান (রা.)এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়!
⇒আবু জার গিফারী (রা.) সিরিয়ায় ইসলামী সমাজতন্ত্র মতবাদ প্রচার করতে থাকেন।
-তার মতে ইসলামে জাকাত প্রদানের পর ধনসম্পদ সঞ্চয় করা বৈধ নয়।
-এ জন্য সিরিয়ার গভর্নর মু্য়াবিয়া তাকে মদিনায় প্রেরণ করেন।
- তার জন্য মদিনায়ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ওসমান (রা.) তাকে রাবাদায় প্রেরণ করেন।
⇒উমাইয়া ও হাশেমী দ্বন্দ্ব, ইবনে সাবার অপপ্রচার, আনসার-মুহাজির দ্বন্দ, চাচাতো ভাই মারওয়ানের ধ্বংসাত্মক নীতি।
-উল্লেখিত কারণে ৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
-তার স্ত্রী নায়লা তাদের বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাঁর হাতের তিনটি আঙ্গুল কেটে যায়।
-হযরত উসমান (রা.) এর হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে ইসলামে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
⇒হযরত আলী (রা.) ৬২৫ খ্রি. রসূল (সা.) এর কনিষ্ঠ কন্যা হযরত ফাতিমা (রা.) কে বিবাহ করেন।
-অন্যদিকে হযরত ওসমান (রা.) রাসূল (সা.) এর দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
- এ জন্য তাকে জুন্নুরাইন বলা হয়।
-রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলকে বলা হয় বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য।
-বাইজান্টাইদের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
-যার বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।
-সিরিয়া,জর্ডান,জেরুজালেম প্রভৃতি অঞ্চল বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
⇒মারওয়ান ছিল ওসমান (রা.) এর চাচাতো ভাই ও জামাতা।
- খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি মারওয়ানকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন।
- এই মারওয়ানের ধ্বংসাত্মক নীতির কারনে ওসমান (রা.) এর পতন তরান্বিত হয়।
⇒ হযরত আলী (রা.) ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহনের পর থেকে ইসলামের সেবা করে আসছেন।
- তিনিই খাদিজা (রা.) এর পর ২য় ব্যাক্তি এবং ১ম পুরুষ হিসেবে ইসলাম গ্রহন করেন।
- হিজরতের সময় তাকেই বিছানায় রেখে রাসুল (স.) মদিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
- তিনি আব্দুল্লা ইবনে মুলজামের বিষাক্ত ছুরির আঘাতে ৬৬১ খ্রি. ২৭ জানুয়ারী তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
-৬৫৬ খ্রি. ১৭ ই জুন (১৮ ই জিলহজ্ব ৩৫ হিজরী) ৮২ বছরের বৃদ্ধ খলিফাকে পবিত্র কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা নিমর্মভাবে হত্যা করে।
-নেতৃত্ব শূন্যতা দেখা দিলে মজলিশের নির্বাচনের পর আলী (রা.) ৬৫৬ খ্রি. ২৩ শে জুন খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
⇒ আলী (রা.) প্রবাদ সম অনেক উক্তি করাছিলেন।
- তার মধ্যে অন্যতম উক্তি হচ্ছে,"“জ্ঞান হলো মুমিনের হারানো সম্পদ”।
⇒হযরত ওসমান (রা.) এর সময় মুসলমানরা সর্ব প্রথম নৌবাহিনী গঠন করেন।
- এ সময় সিরিয়ার গভর্নর মুয়াবিয়া রোমান আক্রমন প্রতিহত করতে নৌবহর গড়ে তোলেন।
-এই নৌবাহিনী সাইপ্রাস,বার্কা দখল করেন।
⇒বীরে রুমা মদিনার একটি কূপ।
- ওসমান (রা.) মদিনাবাসীর কষ্ট লাঘবের জন্য এক ইহুদির কাছ থেকে ১৮,০০০ দিনার খরচে এটি ক্রয় করে ওয়াক্ফ করে দেন।
- পরে ২,০০০ দিনার খরচ করে এটি সংস্কার করেন।
⇒ ইসলামে আলী (রা.) এর অনেক অবদান রয়েছে।
-তিনি ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহন করেন।
-অসি-মসি দিয়ে ইসলমের সেবা করেন।
-অনেক যুদ্ধে বীরত্বও দেখান।
- এর পরও তিনি দিউয়ান-ই-আলী সাহিত্য রচনা করে সাহিত্যেও অবদান রাখেন।
⇒ রাসূল (সা.) আবু বকর (রা.) এর মেয়ে আয়েশা (রা.) কে ও ওমর (রা.) এর মেয়ে আফসা (রা.) কে বিবাহ করেছিলেন।
- সে দিক থেকে তারা দুজন রাসূল (সা.)এর শ্বশুর ছিলেন।
- অন্যদিকে আলী (রা.) ৬২৫ খ্রি. রসূল (সা.) এর কনিষ্ঠ কন্যা হযরত ফাতিমা (রা.) কে বিবাহ করেন।
- ওসমান (রা.) রাসূল (সা.) এর দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
-সে দিক থেকে তারা দুজন রাসূল (সা.)এর জামাতা ছিলেন।
হযরত আলী (রা.) অসি-মসি দ্বারা তথা সব কিছু দিয়ে ইসলামের সেবা করেন।
- তিনি ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহনের পর থেকে ইসলামের সেবা করে আসছেন।
- হিজরতের সময় তাকেই বিছানায় রেখে রাসুল (স.) মদিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
-তিনি আব্দুল্লা ইবনে মুলজামের বিষাক্ত ছুরির আঘাতে ৬৬১ খ্রি. ২৭ জানুয়ারী তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
⇒ ইসলামের গোড়াপন্থি উগ্র সম্প্রদায় হচ্ছে শীয়া।
- ৬৮০ সালে কারবালার যুদ্ধের পর এ সম্প্রদায়ের উৎপত্তি।
- এ সম্প্রদায়ের অনুসারীরা আলী (রা.)কে ১ম বৈধ খলিফা মনে করে।
⇒ওসমান (রা.) কুরাইশ বংশের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ছিলেন জন্য তাকে ‘গণী’ (সম্পদশালী বা ধনী) উপাধি দেয়া হয়।
-তিনি প্রায় ২০০০ ক্রীতদাসকে অর্থ ব্যয় করে কিনে মুক্ত করেন।
⇒ খুলাফায়ে রাশিদীনের আমলে ৭ ধরনের উৎস হতে রাজস্ব আদয় করা হত।
- ১. যাকাত ২. জিযিয়া ৩. খুমস ৪. ওশর ৫. খারাজ ৬. আল ফাই ৭. উশর।
⇒ ওসমান (রা.)৩৪ বছর বয়সে ৬১০ সালেই ইসলাম গ্রহন করেন।
-তিনি ৬১৫ সালে ১ম আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন।
- স্ত্রী রুকাইয়া অসুস্থ থাকায় ৬২৪ সালে অনুষ্ঠিত বদর যুদ্ধে তিনি সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারেননি।
⇒ আলী (রা.)কে ৬৬১ সালের ১৭ জানু.(১৭ রমজান ৪০ হি.) আ. রহমান বিন মুলজাম ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।
-তাকে ১ম কুফায় দাফন করা হয়।
-পরে তার কবর ইরাকের নাজাফে স্থানান্তর করা হয়।
-এটি ইমাম আলী মসজিদ নামেও পরিচিত।
-এটি শিয়া মুসলমানদের পবিত্র স্থান।
⇒ হযরত উসমান (রা.) কুরাইশ বংশের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ছিলেন জন্য তাকে ‘গণি’ (সম্পদশালী বা ধনী) উপাধি দেয়া হয়।
-তিনি তার সম্পদ অকাতরে ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন।
-অন্য দিকে আবু বকর (রা.) সিদ্দিক,ওমর (রা.) ফারুক,আলী (রা) আসাদুল্লাহ উপাধিতে ভূষিত হয়ে ছিলেন।