পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes২২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] বাংলা পরীক্ষা - ৬ (ব্যাকরণ) পরীক্ষার টপিক: উপসর্গ ১. শব্দ প্রকরণ, ২. বাগ্‌ধারা, ৩. সমাস। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ------------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পরাকাষ্ঠ
  2. পরিশ্রম
  3. অনাদর
  4. অভিব্যক্ত
ব্যাখ্যা
- অনাদর শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
- অনাদর শব্দে ’অনা’ একটি বাংলা উপসর্গ।

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে অনাদর অর্থ:
 ১ আদরের অভাব; অযত্ন।
২ উপেক্ষা; অবজ্ঞা।
৩ অসম্মান।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
’মগজদৌড়ানো’ বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. পালানো
  2. উন্নত পদ্ধতি
  3. মস্তিষ্ক চালান
  4. স্থগিত রাখা
ব্যাখ্যা
• ’মগজদৌড়ানো’ বাগধারা অর্থ - মস্তিষ্ক চালান।
যেমন : মগজদৌড়ানো না হলে, মানচিত্র আঁকা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে,
• ’মুঘলাই কায়দা’ বাগধারাটির অর্থ - উন্নত পদ্ধতি।
যেমন: গোলাম সাহেবের মেয়ের বিয়েতে মুঘলাই কায়দায় তৈরি খাবার খেয়ে সবাই তুষ্ট।

• ’শিকায় তোলা ‘ বাগধারা অর্থ -স্থগিত রাখা।
যেমন : জমির মামলা শিকায় তুলে কৃষিকাজে মন দাও।

• ’পৃষ্ঠ প্রদর্শন’ বাগধারা অর্থ - পালানো।
যেমন : রণাঙ্গন থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা পরাজয়েরই নামান্তর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা ভাষায় কয়টি তৎসম উপসর্গ আছে?
  1. উনিশ টি
  2. কুড়ি টি
  3. বাইশ টি
  4. একুশ টি
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’অঘারাম’ শব্দের ’অঘা’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. নঞথর্ক
  2. বিয়োগান্তক
  3. বোকা
  4. নিতান্ত
ব্যাখ্যা
• ’অঘারাম’ শব্দের ’অঘা’ উপসর্গটি  ’বোকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

’অঘা’ উপসর্গটি  ’বোকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
অঘারাম, অঘাচন্ডী।

• ’অঘা’ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’অশ্রুতপূর্ব’ কোন সমাসের উদহরণ?
  1. সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
  2. ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
  3. নঞ্জ তৎপুরুষ সমাস
  4. পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে কোনো কোনো সময় ব্যাসবাক্যে পরপদ সমস্তপদের পূর্বে আসে।
যেমন-
পূর্বে ভূত = ভূতপূর্ব,
পূর্বে অশ্রুত = অশ্রুতপূর্ব,
পূর্বে অদৃষ্ট= অদৃষ্টপূর্ব।

• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:

পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
গাছে পাকা =  গাছপাকা,
দিবায় নিদ্রা =  দিবানিদ্রা।
এরূপ
বাকপটু, গোলাভরা, তালকানা, অকালমৃত্যু, বিশ্ববিখ্যাত, ভোজনপটু, দানবীর, বাক্সবন্দি, বস্তাপচা, রাতকানা, মনমরা ইত্যাদি।

এছাড়াও,
• পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
খাঁচা থেকে ছাড়া =  খাঁচাছাড়া,
বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত ইত্যাদি।

• ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
চায়ের বাগান = চাবাগান,
রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

• নঞ্জ তৎপুরুষ সমাস:
না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
ন আচার = অনাচার,
ন কাতর = অকাতর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কোনটি?
  1. অনা
  2. অপ
  3. অজ
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়- অপ।
• ’অপ’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনাঅজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. অরুণরাঙা
  2. চন্দ্রমুখ
  3. বিষাদসিন্ধু
  4. তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা
• উপমিত কর্মধারয়:
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে (এ ক্ষেত্রে সাধারণ গুণটিকে অনুমান করে নেওয়া হয়) এ সমাসে উপমেয় পদটি পূর্বে বসে। যেমন
মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

অন্যদিকে,
• উপমান কর্মধারয়:
 
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা
তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র,
অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা।
কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো।

• রূপক কর্মধারয়:
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।
যেমন-
ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল,
বিষাদ রূপ সিন্ধু =  বিষাদসিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’নির্জীব’ শব্দে ’নির’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. অল্পতা
  2. অভাব
  3. বিকৃত
  4. বৃহৎ
ব্যাখ্যা
• ’নির্জীব’ শব্দে ’নির’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• ’নি’ একটি তৎসম উপসর্গ।

নির্জীব শব্দের অর্থ:
 ১. প্রাণহীন, মৃত।
২. জীবনীশক্তি ক্ষীণ হয়েছে এমন।
৩. অত্যন্ত

এছাড়াও ,
অন্য তৎসম উপসর্গ যেগুলো বাংলা ভাষায় অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• ’নির’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন।

• ’নি’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- নিষ্কলুষ, নিষ্কাম।

• ’বি’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- বিনিদ্র, বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ।
.
’মাথায়পাগড়ি’ কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. দ্বন্দ্ব সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যথা-
বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার বহুব্রীহি।
এখানে 'বহু' কিংবা 'ব্রীহি' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।

• অলুক বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি বিশেষণ হয়।
যথা:
মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি,
গলায় গামছা যার = গলায়গামছা (লোকটি)।
এরূপ
হাতে-ছড়ি, কানে-কলম, গায়ে-পড়া, হাতে-বেড়ি, মাথায়-ছাতা, মুখে-ভাত, কানে-খাটো ইত্যাদি।

দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন-
তাল ও তমাল = তাল-তমাল,
দোয়াত ও কলম = দোয়াত-কলম।
এখানে তাল ও তমাল এবং দোয়াত ও কলম প্রতিটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য সমস্ত পদে রক্ষিত হয়েছে।

• তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়।
যেমন-
বিপদকে আপন্ন বিপদাপন্ন।
এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ।

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু),
মরণ পর্যন্ত = আমরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১০.
’বহাল’ শব্দে ’ব- উপসর্গটি কোন ভাষার?
  1. আরবি
  2. বাংলা
  3. ফারসি
  4. সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
• ’বহাল’ শব্দে ’ব-উপসর্গটি ফারসি উপসর্গ।

• ফারসি উপসর্গ:
- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।

এছাড়াও,
• আরবি উপসর্গ:
- আম, খাস, খয়ের, গর্, বাজে, লা; 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১১.
’নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির অর্থ-
  1. একগুঁয়ে
  2. কৌশলে কার্যোদ্ধার
  3. টিপ্পনি কাটা
  4. অপচয়
ব্যাখ্যা
’নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির অর্থ- একগুঁয়ে।
যেমন:
- এমন নেই আঁকড়া ছেলে আর তো দেখিনি বাবা যা বলবে তাই।

অন্যদিকে,
• ’নয়ছয়’ বাগধারাটি অর্থ-  অপচয়।
• ’ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ বাগধারাটির অর্থ-  কৌশলে কার্যোদ্ধার।
• ফোড়ন দেওয়া বাগধারাটির অর্থ-  টিপ্পনি কাটা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১২.
’বিদ্যাহীন’ কোন সমাস?
  1. পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
  2. সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
  3. ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস
  4. তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা
মন দিয়ে গড়া = মনগড়া,
শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ,
মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।

উল্লেখ্য,
- উন, হীন, শূন্য প্রভৃতি শব্দ উত্তরপদ হলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
যথা:
এক দ্বারা উন = একোন,
বিদ্যা দ্বারা হীন = বিদ্যাহীন,
জ্ঞান দ্বারা শূন্য = জ্ঞানশূন্য,
পাঁচ দ্বারা কম  = পাঁচ কম।

এছাড়াও,
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
গাছে পাকা =  গাছপাকা,
দিবায় নিদ্রা =  দিবানিদ্রা।
এরূপ
বাকপটু, গোলাভরা, তালকানা, অকালমৃত্যু, বিশ্ববিখ্যাত, ভোজনপটু, দানবীর, বাক্সবন্দি, বস্তাপচা, রাতকানা, মনমরা ইত্যাদি।

পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
খাঁচা থেকে ছাড়া =  খাঁচাছাড়া,
বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত ইত্যাদি।

• ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
চায়ের বাগান = চাবাগান,
রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ?
  1. গড়াগড়ি
  2. গরহাজির
  3. গরগর
  4. গরম জল
ব্যাখ্যা
- ’গরহাজির’ শব্দটি আরবি উপসর্গযোগে গঠিত।

• আরবি উপসর্গ:
- আম, খাস, খয়ের, গর্, বাজে, লা; 

 ’গর’ উপসর্গটি ’অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়
যেমন:
 - গরমিল, গরহাজির, গররাজি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৪.
'খয়ের খা' বাগ্‌ধারা সমর্থক বাগধারা কোনটি?
  1. ঢাকের কাঠি
  2. গোঁয়ার গোবিন্দ
  3. গোবর গণেশ
  4. ঘাটের মড়া
ব্যাখ্যা
'• ঢাকের কাঠি' বাগ্‌ধারাঅর্থ-  মোসাহেব , তোষামুদে ব্যক্তি।
যেমন: 
- তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।

অন্যদিকে,
• গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারার অর্থ - 'গোবর গণেশ ' অর্থ 'নিরেট মূর্খ। 
• গোঁয়ার গোবিন্দ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্বোধ অথচ হঠকারী।
• ঘাটের মড়া বাগ্‌ধারাটির অর্থ -  অতি বৃদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৫.
স্বর্গ-নরক কোন অর্থে দ্বন্দ্ব?
  1. সহচর শব্দযোগে
  2. দুটি বিশেষণযোগে
  3. সমার্থক অর্থে
  4. বিরোধ অর্থে
ব্যাখ্যা
•  বিরোধ অর্থে শব্দযোগে ’দা-কুমড়া’ দ্বন্দ্ব সমাস।
 
উল্লেখ্য,
• দ্বন্দ্ব সমাস:

- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্রুত্ব সমাস বলে।

এছাড়াও ,

• দ্বন্দ্ব সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়।
•  মিলনার্থক শব্দযোগে:
- মা-বাপ, মাসি-পিসি, জ্বিন-পরি, চা-বিস্কুট ইত্যাদি।

• বিপরীতার্থক শব্দযোগে :
- আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, ছোট-বড়, ছেলে-বুড়ো, লাভ-লোকসান ইত্যাদি।

• অঙ্গবাচক শব্দযোগে:
- হাত-পা, নাক-কান, বুক-পিঠ, মাথা-মুণ্ডু, নাক-মুখ ইত্যাদি।

• সংখ্যাবাচক শব্দযোগে :
- সাত-পাঁচ, নয়-ছয়, সাত-সতের, উনিশ-বিশ ইত্যাদি।

• সমার্থক শব্দযোগে :
- হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার, কল-কারখানা, মোল্লা-মৌলভি, খাতা-পত্র ইত্যাদি।

• প্রায় সমার্থক ও সহচর শব্দযোগে :
- কাপড়-চোপড়, পোকা-মাকড়, দয়া-মায়া, ধূতি-চাদর ইত্যাদি।

• দুটি সর্বনামযোগে:
- যা-তা, যে-সে, যথা-তথা, তুমি-আমি, এখানে-সেখানে ইত্যাদি।

• দুটি ক্রিয়াযোগে:
- দেখা-শোনা, যাওয়া-আসা, চলা-ফেরা, দেওয়া-থোওয়া ইত্যাদি।

• দুটি বিশেষণযোগে:
- ভালো-মন্দ, কম-বেশি, আসল-নকল, বাকি-বকেয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৬.
’অবেলা’ শব্দে ’অব’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. হীনতা
  2. সম্যকভাবে
  3. অধোমুখিতা
  4. অল্পতা
ব্যাখ্যা
’অবেলা’ শব্দে ’অব’ উপসর্গটি ’অল্পতা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• ’অব’ একটি তৎসম উপসর্গ।

• ’অব’ উপসর্গটি ’অল্পতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবশেষ,
- অবসান,
- অবেলা।

এছাড়াও
------------
• ’অব’ উপসর্গটি ’হীনতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবজ্ঞা, অবমাননা।

• ’অব’ উপসর্গটি ’সম্যকভাবে’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবরোধ, অবগাহন, অবগত।

• ’অব’ উপসর্গটি ’নিম্নে/অধোমুখিতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবতরণ, অবরোহণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৭.
’মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-
  1. সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি
  2. কপট বেদনাবোধ
  3. মুখে মধু অন্তরে বিষ
  4. গোপন কথা প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
• মাছের মায়ের পুত্রশোক বাগ্‌ধারাটির অর্থ-  কপট বেদনাবোধ।
যেমন:
- নিজের পুত্রের মৃর্তুতে একফোঁটা চোখের পানি পড়ল না- অথচ অন্যের জন্য কাঁদছে, এ যে মাছের মায়ের পুত্রশোক।

অন্যদিকে,
• রাঘব বোয়াল বাগ্‌ধারাটির অর্থ- সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি।
• হাটে হাঁড়ি ভাঙা  বাগ্‌ধারাটির গোপন কথা প্রকাশ করা।
• মিছরির ছুরি বাগ্‌ধারাটির অর্থ- মুখে মধু অন্তরে বিষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৮.
নিচের কোনটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. দা-কুমড়া
  2. হাতে-কলমে
  3. আয়-ব্যয়
  4. হাট-বাজার
ব্যাখ্যা
• ’হাতে-কলমে’ একটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস

• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:

- যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন
দুধে-ভাতে,
জলে-স্থলে,
দেশে-বিদেশে,
হাতে-কলমে।

• দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্রুত্ব সমাস বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৯.
বাগ্‌ধারার অর্থ নির্ণয় করুন- ’তালকানা’
  1. বেতাল হওয়া
  2. শ্রমবিমুখ
  3. বেহায়া
  4. মোসাহেব
ব্যাখ্যা
• তালকানা বাগ্‌ধারাটির অর্থ- বেতাল হওয়া।
যেমন:
- চোখে চশমা, আর চশমা খুঁজে বেড়াচ্ছে, আচ্ছা তালকানা লোক।

• ঢাকের কাঠি বাগ্‌ধারাটির অর্থ- মোসাহেব।
যেমন:
- তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।

• ননীর পুতুল বাগ্‌ধারাটি অর্থ- শ্রমবিমুখ।
যেমন:
ছেলেটি একেবারে ননীর পুতুল, একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠে।

• ঠোঁটকাটা বাগ্‌ধারাটির অর্থ- বেহায়া।
যেমন:
- তোমার মতো ঠোঁট কাটা ছেলে আর দেখিনি, মুখের ওপর এ কথা বললে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২০.
নিচের কোনটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ?
  1. সাতসমুদ্র
  2. আপাদমস্তক
  3. আসমুদ্রহিমাচল
  4. কাঁচামিঠা
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
- সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- সাত সমুদ্রের সমাহার =  সাতসমুদ্র।
- তিন কালের সমাহার =  ত্রিকাল,
- চৌরাস্তার সমাহার =  চৌরাস্তা,
- তিন মাথার সমাহার =  তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী,
- পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী,
- ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল,
পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।

• কর্মধারয় সমাস:
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২১.
’মন না মতি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-
  1. অরাজগ
  2. মূল্যবান
  3. উপযুক্ত মিলন
  4. অস্থির মানব মন
ব্যাখ্যা
• ’মন না মতি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- অস্থির মানব মন।
যেমন:
মানুষের মন তো বদলেই থাকে; কথায় বলে- 'মন না মতি'।

অন্যদিকে,
মণিকাঞ্চন যোগ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- উপযুক্ত মিলন।
যেমন:
যেমন বর, তেমনি কনে, একেবারে মণিকাঞ্চন যোগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২২.
কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. কাজলকালো
  2. সিংহপুরুষ
  3. অরুণরাঙা
  4. মনমাঝি
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারয়:
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।
যেমন-
ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল,
বিষাদ রূপ সিন্ধু =  বিষাদসিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

• উপমান কর্মধারয়:
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা
তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র,
অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা।
কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো।

• উপমিত কর্মধারয়:
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে (এ ক্ষেত্রে সাধারণ গুণটিকে অনুমান করে নেওয়া হয়) এ সমাসে উপমেয় পদটি পূর্বে বসে। যেমন
মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২৩.
কোনটি উপসর্গ নয়?
  1. আন
  2. অব
  3. অনা
  4. আব
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

• উপসর্গ নয়- আব।


• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।