পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes২২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] বাংলা পরীক্ষা - ৬ (ব্যাকরণ) পরীক্ষার টপিক: উপসর্গ ১. শব্দ প্রকরণ, ২. বাগ্‌ধারা, ৩. সমাস। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ------------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পরাকাষ্ঠ
  2. পরিশ্রম
  3. অনাদর
  4. অভিব্যক্ত
সঠিক উত্তর:
অনাদর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাদর
ব্যাখ্যা
- অনাদর শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
- অনাদর শব্দে ’অনা’ একটি বাংলা উপসর্গ।

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে অনাদর অর্থ:
 ১ আদরের অভাব; অযত্ন।
২ উপেক্ষা; অবজ্ঞা।
৩ অসম্মান।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
’মগজদৌড়ানো’ বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. পালানো
  2. উন্নত পদ্ধতি
  3. মস্তিষ্ক চালান
  4. স্থগিত রাখা
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্ক চালান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্ক চালান
ব্যাখ্যা
• ’মগজদৌড়ানো’ বাগধারা অর্থ - মস্তিষ্ক চালান।
যেমন : মগজদৌড়ানো না হলে, মানচিত্র আঁকা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে,
• ’মুঘলাই কায়দা’ বাগধারাটির অর্থ - উন্নত পদ্ধতি।
যেমন: গোলাম সাহেবের মেয়ের বিয়েতে মুঘলাই কায়দায় তৈরি খাবার খেয়ে সবাই তুষ্ট।

• ’শিকায় তোলা ‘ বাগধারা অর্থ -স্থগিত রাখা।
যেমন : জমির মামলা শিকায় তুলে কৃষিকাজে মন দাও।

• ’পৃষ্ঠ প্রদর্শন’ বাগধারা অর্থ - পালানো।
যেমন : রণাঙ্গন থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা পরাজয়েরই নামান্তর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা ভাষায় কয়টি তৎসম উপসর্গ আছে?
  1. উনিশ টি
  2. কুড়ি টি
  3. বাইশ টি
  4. একুশ টি
সঠিক উত্তর:
কুড়ি টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়ি টি
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’অঘারাম’ শব্দের ’অঘা’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. নঞথর্ক
  2. বিয়োগান্তক
  3. বোকা
  4. নিতান্ত
সঠিক উত্তর:
বোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোকা
ব্যাখ্যা
• ’অঘারাম’ শব্দের ’অঘা’ উপসর্গটি  ’বোকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

’অঘা’ উপসর্গটি  ’বোকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
অঘারাম, অঘাচন্ডী।

• ’অঘা’ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’অশ্রুতপূর্ব’ কোন সমাসের উদহরণ?
  1. সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
  2. ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
  3. নঞ্জ তৎপুরুষ সমাস
  4. পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
সঠিক উত্তর:
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে কোনো কোনো সময় ব্যাসবাক্যে পরপদ সমস্তপদের পূর্বে আসে।
যেমন-
পূর্বে ভূত = ভূতপূর্ব,
পূর্বে অশ্রুত = অশ্রুতপূর্ব,
পূর্বে অদৃষ্ট= অদৃষ্টপূর্ব।

• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:

পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
গাছে পাকা =  গাছপাকা,
দিবায় নিদ্রা =  দিবানিদ্রা।
এরূপ
বাকপটু, গোলাভরা, তালকানা, অকালমৃত্যু, বিশ্ববিখ্যাত, ভোজনপটু, দানবীর, বাক্সবন্দি, বস্তাপচা, রাতকানা, মনমরা ইত্যাদি।

এছাড়াও,
• পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
খাঁচা থেকে ছাড়া =  খাঁচাছাড়া,
বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত ইত্যাদি।

• ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
চায়ের বাগান = চাবাগান,
রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

• নঞ্জ তৎপুরুষ সমাস:
না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
ন আচার = অনাচার,
ন কাতর = অকাতর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কোনটি?
  1. অনা
  2. অপ
  3. অজ
সঠিক উত্তর:
অপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়- অপ।
• ’অপ’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনাঅজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. অরুণরাঙা
  2. চন্দ্রমুখ
  3. বিষাদসিন্ধু
  4. তুষারশুভ্র
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রমুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা
• উপমিত কর্মধারয়:
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে (এ ক্ষেত্রে সাধারণ গুণটিকে অনুমান করে নেওয়া হয়) এ সমাসে উপমেয় পদটি পূর্বে বসে। যেমন
মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

অন্যদিকে,
• উপমান কর্মধারয়:
 
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা
তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র,
অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা।
কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো।

• রূপক কর্মধারয়:
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।
যেমন-
ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল,
বিষাদ রূপ সিন্ধু =  বিষাদসিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
.
’নির্জীব’ শব্দে ’নির’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. অল্পতা
  2. অভাব
  3. বিকৃত
  4. বৃহৎ
সঠিক উত্তর:
অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভাব
ব্যাখ্যা
• ’নির্জীব’ শব্দে ’নির’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• ’নি’ একটি তৎসম উপসর্গ।

নির্জীব শব্দের অর্থ:
 ১. প্রাণহীন, মৃত।
২. জীবনীশক্তি ক্ষীণ হয়েছে এমন।
৩. অত্যন্ত

এছাড়াও ,
অন্য তৎসম উপসর্গ যেগুলো বাংলা ভাষায় অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• ’নির’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন।

• ’নি’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- নিষ্কলুষ, নিষ্কাম।

• ’বি’ উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- বিনিদ্র, বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ।
.
’মাথায়পাগড়ি’ কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. দ্বন্দ্ব সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যথা-
বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার বহুব্রীহি।
এখানে 'বহু' কিংবা 'ব্রীহি' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।

• অলুক বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি বিশেষণ হয়।
যথা:
মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি,
গলায় গামছা যার = গলায়গামছা (লোকটি)।
এরূপ
হাতে-ছড়ি, কানে-কলম, গায়ে-পড়া, হাতে-বেড়ি, মাথায়-ছাতা, মুখে-ভাত, কানে-খাটো ইত্যাদি।

দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন-
তাল ও তমাল = তাল-তমাল,
দোয়াত ও কলম = দোয়াত-কলম।
এখানে তাল ও তমাল এবং দোয়াত ও কলম প্রতিটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য সমস্ত পদে রক্ষিত হয়েছে।

• তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়।
যেমন-
বিপদকে আপন্ন বিপদাপন্ন।
এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ।

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু),
মরণ পর্যন্ত = আমরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১০.
’বহাল’ শব্দে ’ব- উপসর্গটি কোন ভাষার?
  1. আরবি
  2. বাংলা
  3. ফারসি
  4. সংস্কৃত
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
• ’বহাল’ শব্দে ’ব-উপসর্গটি ফারসি উপসর্গ।

• ফারসি উপসর্গ:
- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।

এছাড়াও,
• আরবি উপসর্গ:
- আম, খাস, খয়ের, গর্, বাজে, লা; 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১১.
’নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির অর্থ-
  1. একগুঁয়ে
  2. কৌশলে কার্যোদ্ধার
  3. টিপ্পনি কাটা
  4. অপচয়
সঠিক উত্তর:
একগুঁয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একগুঁয়ে
ব্যাখ্যা
’নেই আঁকড়া’ বাগধারাটির অর্থ- একগুঁয়ে।
যেমন:
- এমন নেই আঁকড়া ছেলে আর তো দেখিনি বাবা যা বলবে তাই।

অন্যদিকে,
• ’নয়ছয়’ বাগধারাটি অর্থ-  অপচয়।
• ’ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ বাগধারাটির অর্থ-  কৌশলে কার্যোদ্ধার।
• ফোড়ন দেওয়া বাগধারাটির অর্থ-  টিপ্পনি কাটা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১২.
’বিদ্যাহীন’ কোন সমাস?
  1. পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
  2. সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস
  3. ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস
  4. তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা
মন দিয়ে গড়া = মনগড়া,
শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ,
মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।

উল্লেখ্য,
- উন, হীন, শূন্য প্রভৃতি শব্দ উত্তরপদ হলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
যথা:
এক দ্বারা উন = একোন,
বিদ্যা দ্বারা হীন = বিদ্যাহীন,
জ্ঞান দ্বারা শূন্য = জ্ঞানশূন্য,
পাঁচ দ্বারা কম  = পাঁচ কম।

এছাড়াও,
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
গাছে পাকা =  গাছপাকা,
দিবায় নিদ্রা =  দিবানিদ্রা।
এরূপ
বাকপটু, গোলাভরা, তালকানা, অকালমৃত্যু, বিশ্ববিখ্যাত, ভোজনপটু, দানবীর, বাক্সবন্দি, বস্তাপচা, রাতকানা, মনমরা ইত্যাদি।

পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
খাঁচা থেকে ছাড়া =  খাঁচাছাড়া,
বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত ইত্যাদি।

• ষষ্ঠী  তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
চায়ের বাগান = চাবাগান,
রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ?
  1. গড়াগড়ি
  2. গরহাজির
  3. গরগর
  4. গরম জল
সঠিক উত্তর:
গরহাজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরহাজির
ব্যাখ্যা
- ’গরহাজির’ শব্দটি আরবি উপসর্গযোগে গঠিত।

• আরবি উপসর্গ:
- আম, খাস, খয়ের, গর্, বাজে, লা; 

 ’গর’ উপসর্গটি ’অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়
যেমন:
 - গরমিল, গরহাজির, গররাজি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৪.
'খয়ের খা' বাগ্‌ধারা সমর্থক বাগধারা কোনটি?
  1. ঢাকের কাঠি
  2. গোঁয়ার গোবিন্দ
  3. গোবর গণেশ
  4. ঘাটের মড়া
সঠিক উত্তর:
ঢাকের কাঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকের কাঠি
ব্যাখ্যা
'• ঢাকের কাঠি' বাগ্‌ধারাঅর্থ-  মোসাহেব , তোষামুদে ব্যক্তি।
যেমন: 
- তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।

অন্যদিকে,
• গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারার অর্থ - 'গোবর গণেশ ' অর্থ 'নিরেট মূর্খ। 
• গোঁয়ার গোবিন্দ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্বোধ অথচ হঠকারী।
• ঘাটের মড়া বাগ্‌ধারাটির অর্থ -  অতি বৃদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৫.
স্বর্গ-নরক কোন অর্থে দ্বন্দ্ব?
  1. সহচর শব্দযোগে
  2. দুটি বিশেষণযোগে
  3. সমার্থক অর্থে
  4. বিরোধ অর্থে
সঠিক উত্তর:
বিরোধ অর্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধ অর্থে
ব্যাখ্যা
•  বিরোধ অর্থে শব্দযোগে ’দা-কুমড়া’ দ্বন্দ্ব সমাস।
 
উল্লেখ্য,
• দ্বন্দ্ব সমাস:

- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্রুত্ব সমাস বলে।

এছাড়াও ,

• দ্বন্দ্ব সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়।
•  মিলনার্থক শব্দযোগে:
- মা-বাপ, মাসি-পিসি, জ্বিন-পরি, চা-বিস্কুট ইত্যাদি।

• বিপরীতার্থক শব্দযোগে :
- আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, ছোট-বড়, ছেলে-বুড়ো, লাভ-লোকসান ইত্যাদি।

• অঙ্গবাচক শব্দযোগে:
- হাত-পা, নাক-কান, বুক-পিঠ, মাথা-মুণ্ডু, নাক-মুখ ইত্যাদি।

• সংখ্যাবাচক শব্দযোগে :
- সাত-পাঁচ, নয়-ছয়, সাত-সতের, উনিশ-বিশ ইত্যাদি।

• সমার্থক শব্দযোগে :
- হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার, কল-কারখানা, মোল্লা-মৌলভি, খাতা-পত্র ইত্যাদি।

• প্রায় সমার্থক ও সহচর শব্দযোগে :
- কাপড়-চোপড়, পোকা-মাকড়, দয়া-মায়া, ধূতি-চাদর ইত্যাদি।

• দুটি সর্বনামযোগে:
- যা-তা, যে-সে, যথা-তথা, তুমি-আমি, এখানে-সেখানে ইত্যাদি।

• দুটি ক্রিয়াযোগে:
- দেখা-শোনা, যাওয়া-আসা, চলা-ফেরা, দেওয়া-থোওয়া ইত্যাদি।

• দুটি বিশেষণযোগে:
- ভালো-মন্দ, কম-বেশি, আসল-নকল, বাকি-বকেয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৬.
’অবেলা’ শব্দে ’অব’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. হীনতা
  2. সম্যকভাবে
  3. অধোমুখিতা
  4. অল্পতা
সঠিক উত্তর:
অল্পতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্পতা
ব্যাখ্যা
’অবেলা’ শব্দে ’অব’ উপসর্গটি ’অল্পতা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• ’অব’ একটি তৎসম উপসর্গ।

• ’অব’ উপসর্গটি ’অল্পতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবশেষ,
- অবসান,
- অবেলা।

এছাড়াও
------------
• ’অব’ উপসর্গটি ’হীনতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবজ্ঞা, অবমাননা।

• ’অব’ উপসর্গটি ’সম্যকভাবে’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবরোধ, অবগাহন, অবগত।

• ’অব’ উপসর্গটি ’নিম্নে/অধোমুখিতা’ অর্থে ব্যবহৃত।
যেমন:
- অবতরণ, অবরোহণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৭.
’মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-
  1. সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি
  2. কপট বেদনাবোধ
  3. মুখে মধু অন্তরে বিষ
  4. গোপন কথা প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
কপট বেদনাবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপট বেদনাবোধ
ব্যাখ্যা
• মাছের মায়ের পুত্রশোক বাগ্‌ধারাটির অর্থ-  কপট বেদনাবোধ।
যেমন:
- নিজের পুত্রের মৃর্তুতে একফোঁটা চোখের পানি পড়ল না- অথচ অন্যের জন্য কাঁদছে, এ যে মাছের মায়ের পুত্রশোক।

অন্যদিকে,
• রাঘব বোয়াল বাগ্‌ধারাটির অর্থ- সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি।
• হাটে হাঁড়ি ভাঙা  বাগ্‌ধারাটির গোপন কথা প্রকাশ করা।
• মিছরির ছুরি বাগ্‌ধারাটির অর্থ- মুখে মধু অন্তরে বিষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৮.
নিচের কোনটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. দা-কুমড়া
  2. হাতে-কলমে
  3. আয়-ব্যয়
  4. হাট-বাজার
সঠিক উত্তর:
হাতে-কলমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতে-কলমে
ব্যাখ্যা
• ’হাতে-কলমে’ একটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস

• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:

- যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন
দুধে-ভাতে,
জলে-স্থলে,
দেশে-বিদেশে,
হাতে-কলমে।

• দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্রুত্ব সমাস বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
১৯.
বাগ্‌ধারার অর্থ নির্ণয় করুন- ’তালকানা’
  1. বেতাল হওয়া
  2. শ্রমবিমুখ
  3. বেহায়া
  4. মোসাহেব
সঠিক উত্তর:
বেতাল হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতাল হওয়া
ব্যাখ্যা
• তালকানা বাগ্‌ধারাটির অর্থ- বেতাল হওয়া।
যেমন:
- চোখে চশমা, আর চশমা খুঁজে বেড়াচ্ছে, আচ্ছা তালকানা লোক।

• ঢাকের কাঠি বাগ্‌ধারাটির অর্থ- মোসাহেব।
যেমন:
- তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।

• ননীর পুতুল বাগ্‌ধারাটি অর্থ- শ্রমবিমুখ।
যেমন:
ছেলেটি একেবারে ননীর পুতুল, একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠে।

• ঠোঁটকাটা বাগ্‌ধারাটির অর্থ- বেহায়া।
যেমন:
- তোমার মতো ঠোঁট কাটা ছেলে আর দেখিনি, মুখের ওপর এ কথা বললে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২০.
নিচের কোনটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ?
  1. সাতসমুদ্র
  2. আপাদমস্তক
  3. আসমুদ্রহিমাচল
  4. কাঁচামিঠা
সঠিক উত্তর:
সাতসমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতসমুদ্র
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
- সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- সাত সমুদ্রের সমাহার =  সাতসমুদ্র।
- তিন কালের সমাহার =  ত্রিকাল,
- চৌরাস্তার সমাহার =  চৌরাস্তা,
- তিন মাথার সমাহার =  তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী,
- পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী,
- ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল,
পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।

• কর্মধারয় সমাস:
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২১.
’মন না মতি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-
  1. অরাজগ
  2. মূল্যবান
  3. উপযুক্ত মিলন
  4. অস্থির মানব মন
সঠিক উত্তর:
অস্থির মানব মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থির মানব মন
ব্যাখ্যা
• ’মন না মতি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- অস্থির মানব মন।
যেমন:
মানুষের মন তো বদলেই থাকে; কথায় বলে- 'মন না মতি'।

অন্যদিকে,
মণিকাঞ্চন যোগ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- উপযুক্ত মিলন।
যেমন:
যেমন বর, তেমনি কনে, একেবারে মণিকাঞ্চন যোগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২২.
কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. কাজলকালো
  2. সিংহপুরুষ
  3. অরুণরাঙা
  4. মনমাঝি
সঠিক উত্তর:
মনমাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনমাঝি
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারয়:
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।
যেমন-
ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল,
বিষাদ রূপ সিন্ধু =  বিষাদসিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

• উপমান কর্মধারয়:
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা
তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র,
অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা।
কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো।

• উপমিত কর্মধারয়:
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে (এ ক্ষেত্রে সাধারণ গুণটিকে অনুমান করে নেওয়া হয়) এ সমাসে উপমেয় পদটি পূর্বে বসে। যেমন
মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
২৩.
কোনটি উপসর্গ নয়?
  1. আন
  2. অব
  3. অনা
  4. আব
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

• উপসর্গ নয়- আব।


• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:

- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা:
→  অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
→  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ)।