১.
নিচের কোনটি সাধু রীতির ক্রিয়াপদ?
সঠিক উত্তর: গ
করিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
করিলে
ব্যাখ্যা
• সাধু রীতি:
দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়। উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে ।
সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
• সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন ‘করা ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার ।
• সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে। যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
করবে, করতে ও করছে প্রমিত বা চলিত রীতির শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়। উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে ।
সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
• সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন ‘করা ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার ।
• সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে। যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
করবে, করতে ও করছে প্রমিত বা চলিত রীতির শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।