পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়19 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৬ বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
Choose the spelling.
  1. Quiascent 
  2. Quesant 
  3. Quiescent
  4. Quiiescent 
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Quiescent' (Adjective).

• Quiescent:
- English Meaning: Marked by inactivity or repose : tranquilly at rest.
- Bangla Meaning: শান্ত; নিশ্চল; নিষ্ক্রিয়।

Example Sentence: The volcano has been quiescent for decades.
- Bangle meaning: যে আগ্নেয়গিরি দীর্ঘদিন ধরে শান্ত/নিষ্ক্রিয় আছে।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

.
The synonym of the word "Sedentary" is -
  1. Dynamic 
  2. Shallow 
  3. Fallacy
  4. Inert 
ব্যাখ্যা

• Sedentary (Adjective):
- English Meaning: Involving little exercise or physical activity.
- Bangla Meaning: (কাজ) বসে বসে করতে হয় এমন; (ব্যক্তি) অধিকাংশ সময় উপবিষ্ট থাকে এমন; আসনাশ্রিত; আসনারূঢ়।

• Synonyms:
- Quiescent (শান্ত; নিশ্চল; নিষ্ক্রিয়)।
- Inert (জড়; অচেতন)।
- Stationary (স্থির; নিশ্চল; অনড়)।

• Antonyms:
- Dynamic (গতিময়; প্রাণবন্ত; কর্মশক্তিপূর্ণ)।
- Vigorous (বলিষ্ঠ; তেজস্বী; বলবান; প্রবল; তেজীয়ান)।
- Animated (প্রাণসঞ্চার; উদ্দীপিত বা প্রাণবন্ত; অনুপ্রাণিত)।

• Other options,
- Shallow - ভাসাভাসা;
- Fallacy - ভুল বা মিথ্যা বিশ্বাস।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of the word "Sedentary" is - Inert.

Source: Live MCQ Lecture.

.
They demanded to cancel the match. (Make it passive)
  1. They demanded that the match should cancelled.
  2. They demanded that the match should be cancelled.
  3. They demanded that the match should been cancelled.
  4. They demanded that the match should being cancelled.
ব্যাখ্যা

• Agree/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decide/ demand + infinitive object যুক্ত sentence কে active voice কে passive voice করার নিয়ম:
- প্রদত্ত active voice এর subject ও verb বসবে।
- that বসে।
- Infinitive এর পরের object বসবে।
- should be বসে।
- Infinitive এর পরের verb এর past participle বসে।

• Active voice: They demanded to cancel the match. 
• Passive voice: They demanded that the match should be cancelled.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
The antonym of the word "Torment" is - 
  1. Agony 
  2. Fault
  3. Soothe 
  4. Divine
ব্যাখ্যা

• Torment (Noun & Verb):
- English meaning: Extreme pain, especially mental pain; a person or thing that causes this.
- Bangla meaning: নিদারুণ যন্ত্রণা দেওয়া; বিরক্ত করা।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Agony - তীব্র যন্ত্রণা, মর্মবেদনা;

খ) Fault - ত্রুটি, দোষ;

গ) Soothe - শান্ত বা প্রশমিত করা;

ঘ) Divine - অনুপম, অতীব সুন্দর।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Torment" is - Soothe.
 
Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

.
Which of the following is the opposite of "Run counter to"? 
  1. Contradict
  2. Go against
  3. Resist
  4. Agree to
ব্যাখ্যা

 The opposite of "Run counter to" is - Agree to.

 Run counter to
- English meaning: To be opposed to; To disagree with someone.
- Bangla meaning: বিরোধিতা করা, কারো সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা। 

 উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Contradict - বিরুদ্ধ বা বিসদৃশ হওয়া;
- Resist - বিরোধিতা করা;
- Go against - বিরোধিতা করা;
- Agree to - রাজি/ সম্মত হওয়া।

 সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The opposite of "Run counter to" is - Agree to.

Source: Oxford Dictionary, Merriam Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

.
By exercising regularly, he keeps himself fit. (Make it complex)
  1. If he exercises regularly, he keeps himself fit.
  2. If he will exercise regularly, he keeps himself fit.
  3. By exercising regularly, fitness is maintained.
  4. If he has exercised regularly, he keeps himself fit.
ব্যাখ্যা

• By/ In case of/ In the event of + gerund যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence করার নিয়ম:
- By/ In case of/ In the event of এর পরবর্তী gerund (যেমন: studying, reading, working, etc.) বাদ যাবে এবং If দিয়ে Complex Sentence এর শুরু করতে হবে।
- ২য় clause এর subject বসবে।
- Verb + ১ম Clause এর বাকী অংশ বসে।
- ২য় Clause- টি অপরিবর্তিত থাকবে।

• Simple Sentence: By exercising regularly, he keeps himself fit.
• Complex Sentence: If he exercises regularly, he keeps himself fit.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
Study regularly or you will fail the exam. (Make it simple)
  1. Studying regularly, you will fail the exam.
  2. Without studying regularly, you will fail the exam.
  3. You will fail the exam and you study regularly.
  4. You will fail the exam if you study regularly.
ব্যাখ্যা

• Or যুক্ত Compound sentence কে Simple sentence এ রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রথমে Without বসে।
- প্রথম বাক্যের মূল verb এর সাথে ing যোগ করতে হবে।
- Verb এর পরের অংশ বসে।
- or এর পরিবর্তে Comma (,) বসে।
- ২য় senetnce টি বসে।

• Compound Sentence: Study regularly or you will fail the exam.
• Simple Sentence: Without studying regularly, you will fail the exam.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
Choose the correct spelling-
  1. Unceremonous
  2. Unceremonious
  3. Uncerimonious
  4. Unseremonious
ব্যাখ্যা

Correct answer: Unceremonious.

Unceremonious (adjective)
- English meaning:  not ceremonious : informal.
- Bangla meaning: আনুষ্ঠানিকতাহীন; লৌকিকতাহীন; শিষ্টাচারহীন।
 
Example sentence:
1. He received an unceremonious goodbye from his so-called friends.
2. The dinner was a relaxed and unceremonious occasion. 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
The idiom 'Under the thumb' means-
  1. a difficult problem.
  2. prone tp anger.
  3. to express defiance.
  4. under someone's control or influence.
ব্যাখ্যা

Correct answer: under someone's control or influence.

 Under the thumb (Idiom)
- English Meaning: under someone's control.
- Bangla Meaning: পুরোপুরি বাধ্য; কারও কর্তৃত্বাধীনে।

Example sentence:
1. The company's new CEO kept every employee under his thumb.
2. He is under the thumb of his friends.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১০.
What is the synonym of the word 'Vulgar'?
  1. Heavy
  2. Thick 
  3. Ignoble
  4. Gentle
ব্যাখ্যা

Correct answer: ignoble.

'Vulgar' (adjective):
- English Meaning: not behaving politely in social situations.
- Bangla Meaning: ইতর; কুরুচিপূর্ণ; অমার্জিত; স্কুল; প্রাকৃত।

Ignoble (adjective):
- English meaning: characterized by baseness, lowness, or meanness.
- Bangla meaning: নীচ; জঘন্য; কদর্য; লজ্জাকর; অকীর্তিকর; হীন।

Other options:
ক) Heavy 
- English meaning: having great weight, also: characterized by mass or weight.
- Bangla meaning: ভারী; গুরু; গুরুভার; গরীয়ান।

খ) Thick
- English meaning: having or being of relatively great depth or extent from one surface to its opposite.
- Bangla meaning: পুরু; মোটা।

ঘ) Gentle
- English meaning: free from harshness, sternness, or violence.
- Bangla meaning: অমায়িক; নম্র; মৃদু; শান্ত; সতর্ক।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১.
Whoever wins the game will get a prize.
The underlined part is-
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Independent Clause
ব্যাখ্যা

Correct answer: Noun Clause.
- Whoever wins the game will get a prize.
- "Whoever wins the game" clause টি verb এর Subject হিসেবে বসেছে তাই এটি একটি Noun Clause.

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।
- Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Object এর complement হিসেবে। 
- Verb এর Subject এর Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Other options:
খ) Adjective clause: যে Clause কোন কোন Noun বা Pronoun কে Modify করবে তাদের Adjective Clause বলে।
- My friend, who lives in New York, is visiting. 

গ) Adverbial clause: যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb, বা
একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।
- They built the house where the river bends.

ঘ) Principal clause: যে সকল Clause স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে বাক্য গঠন করতে পারে এবং যাদের আগে কোন Conjunction থাকবে না তাকে Principal clause বলে।
- যেমন: He killed a bird which was called Albatross.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১২.
The boy playing with the toy is my brother.
The underline part is-
  1. Verbal Phrase
  2. Noun Phrase
  3. Adjective Phrase
  4. Adverbial Phrase
ব্যাখ্যা

Correct answer: adjective phrase.
- The boy playing with the toy is my brother.
- Here, the underlined part ' playing with the toy' is an 'Adjective phrase'.
- কারণ, এটি Subject "The boy" কে modify করেছে।
- Adjective phrase: যে phrase গুলো sentence-এ adjective-এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।

অন্যদিকে,
ঘ) Verbal Phrase:
- যে phrase - verb-এর কাজ করে তাকে Verb Phrase বলে।
- যেমন: We are going to the park to play soccer.

খ) Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun-এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- অধিকাংশ সময়ই, noun phrase মূলত noun বা pronoun এর কাজ করে।

ঘ) Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb-এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে।
- সাধারণত verb -কে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কীভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৩.
Identify the Principal Clause from the following sentences-
  1. We talked about what we should do next.
  2. I love the park where we used to play.
  3. I have visited the place that you mentioned.
  4. Do you know the man who helped me?
ব্যাখ্যা

Correct answer: I have visited the place that you mentioned.
- এটি Principal Clause কারণ এটি একটি  স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে বাক্য এবং অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোন Clause এর উপর নির্ভরশীল নয়।
- Principal Clause: যে সকল Clause স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে বাক্য গঠন করতে পারে এবং যাদের আগে কোন Conjunction থাকবে না তাকে Principal clause বলে।

Other options:
ক) We talked about what we should do next
- এটি Noun Clause কারণ preposition এর Object হিসেবে Noun Clause ব্যবহৃত হয়।
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

খ) I love the park where we used to play.
- এটি Adjective Clause. কারণ এই clause টি বাক্যের Subject "the park" কে Modify করছে।
- যে Clause কোন কোন Noun বা Pronoun কে Modify করবে তাদের Adjective Clause বলে।

ঘ) Do you know the man who helped me?
- এখানে "who helped me" Clause টিও Adjective Clause. কারণ এই clause টি বাক্যের Subject "the man" কে Modify করছে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৪.
He tried heart and soul to succeed in the examination.
Here, the underlined part is-
  1. Noun Phrase
  2. Adjective Phrase
  3. Adverbial phrase
  4. Verb Phrase
ব্যাখ্যা

Correct answer: Adverbial phrase.
- He tried heart and soul to succeed in the examination.
- এখানে "heart and soul" হলো একটি adverbial phrase.
- যদি কোনো phrase verb-কে modify করে (যেমন: কিভাবে, কোথায়, কখন), তাহলে তা হয় adverbial phrase.
- এখানে "heart and soul" অর্থাৎ verb-কে modify করছে, তাই এটি adverbial phrase হিসেবে কাজ করছে।

অন্যদিকে,
ক) Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun-এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- অধিকাংশ সময়ই, noun phrase মূলত noun বা pronoun এর কাজ করে।

খ) Adjective phrase: যে phrase গুলো sentence-এ adjective-এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun/noun phrase -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।

ঘ) Verbal Phrase:
- যে phrase- verb-এর কাজ করে তাকে Verb Phrase বলে।
- যেমন: We are going to the park to play soccer.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৫.
কোনটি ফররুখ আহমদ রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ? 
  1. নৌফেল ও হাতেম
  2. পাখির বাসা
  3. শিশুশিক্ষা
  4. কবিতা মুকুল
ব্যাখ্যা

• "পাখির বাসা" ফররুখ আহমদের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ গ্রন্থ।
-----------------
ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ একজন কবি ও শিশুসাহিত্যিক ছিলেন। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তাঁর জন্ম।  - তিনি তাঁর কবিতায় বাংলার মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণ ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন বিধায় তাকে ইসলামী রেনেসার কবি বলা হয়ে থাকে।

- তিনি শিশুদের সুস্থ বিনোদনের জন্য 'পাখির বাসা' লিখেছিলেন।
- বইটিতে তিনি বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয়কে ছড়ার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন যা্তে শিশুদের মধ্যে আনন্দ ও উপভোগের সঞ্চার ঘটাতে পারেন।
- তিনি অত্যন্ত  সাবলীল ও সহজ ভাষায় জাদুকারি ছন্দের প্রয়োগ ঘটিয়েছেন, যা শিশুদের সহজেই পাঠপ্রক্রিয়ায় আকৃষ্ট করেছিল।
- 'পাখির বাসা' গ্রন্থের জন্য ফররুখ আহমদ ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

অন্যদিকে,
• 'শিশুশিক্ষা':
- এ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন মদনমোহন তর্কালঙ্কার। 
- এটি বাংলা ভাষায় শিক্ষার প্রসারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যার প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয় ১৮৪৯ সালে এবং দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫০ সালে।
-  মদনমোহন তর্কালঙ্কার কলকাতার বেথুন সাহেব প্রতিষ্ঠিত বালিকা বিদ্যালয়ের কথা ভেবে এই গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন এবং তিনি স্ত্রীশিক্ষার প্রসারেও আগ্রহী ছিলেন।
-‘শিশুশিক্ষা’ গ্রন্থটিকে বাংলা প্রাথমিক শিক্ষার ইতিহাসে একটি পথপ্রদর্শক এবং সমাজ ও শিক্ষা আন্দোলনের এক উজ্জ্বল মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এবং বাংলা ভাষার বিকাশে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মদনমোহন তর্কালঙ্কার কে বাঙালি নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

• 'কবিতা মুকুল':
- কুসুমকুমারী দাশ রচিত শিশুতোষ সাহিত্য হচ্ছে কবিতা মুকুল। 
- কুসুমকুমারী দাশ (১৮৭৫-১৯৪৮) একজন বাঙালি কবি ছিলেন।
- তিনি তাঁর 'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে' কবিতার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- তিনি জীবনানন্দ দাশের মা।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘পৌরাণিক আখ্যায়িকা’।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৬.
‘বিনোদিনী' রবীন্দ্রনাথ রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. গোরা
  2. চিত্রাঙ্গদা 
  3. শেষের কবিতা
  4. চোখের বালি 
ব্যাখ্যা

• ‘বিনোদিনী' রবীন্দ্রনাথ রচিত চোখের বালি উপন্যাসের চরিত্র। 

- 'চোখের বালি':
- চোখের বালি উপন্যাসটি ১৯০১-০২ সালে 'নবপর্যায় বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এবং ১৯০৩ সালে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়।
- চোখের বালি' উপন্যাসটি একটি জটিল ত্রিভুজ প্রেমের গল্প।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো- মহেন্দ্র, বিনোদিনী, এবং বিহারী, এবং আশালতা।
- উপন্যাসে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে তারা প্রেমের জটিল আবর্তে জড়িয়ে পড়ে বিপর্যস্ত হয়।
- এই কাহিনিটি শুধু প্রেমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক সংস্কার এবং ব্যক্তিজীবনের সংঘাতকেও ফুটিয়ে তুলেছে। 
-----------------------------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে  কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর ও দার্শনিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘বিশ্বকবি’ উপাধি প্রদান করেন ব্রহ্মবন্ধব উপাধ্যায়।
- তাঁকে ‘কবিগুরু’ উপাধি দেন ক্ষিতিমোহন সেন। 
- আর ‘গুরুদেব’ উপাধি দেন মহাত্মা গান্ধী।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো ‘বউঠাকুরানির হাট’ এবং
- তাঁর অগ্রন্থিত উপন্যাস হলো ‘করুণা’।
রবীন্দ্রনাথের মোট ১৩টি উপন্যাস রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• ‘শেষের কবিতা’- এটি একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস; এর বিখ্যাত চরিত্র হলো- লাবণ্য, অমিতরায়, শোভনলাল ও কেতকী।
• ‘গোরা’ একটি রাজনৈতিক ও দার্শনিক উপন্যাস।
• আর ‘চোখের বালি’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস; যার প্রধান চরিত্র হলো- মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী ও বিনোদিনী।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৭.
কোন কাব্যগ্রন্থটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ?
  1. Captive Ladie
  2. তিলোত্তমাসম্ভব
  3. হেক্টরবধ
  4. চতুর্দশপদী কবিতাবলি 
ব্যাখ্যা

• ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ ছিল মাইকেল মধুসূধন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
- যদিও তিনি প্রথমে 'পদ্মাবতী' নাটকে এই ছন্দ ব্যবহার করেন, তবে এটি ছিল প্রথম প্রয়োগ, যা 'সার্থক প্রয়োগ' ছিলোনা।

'তিলোত্তমাসম্ভব':
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তন করেন।
- তিলোত্তমাসম্ভব অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত পৌরাণিক কাব্য। 
- তিলোত্তমাসম্ভব এ মাইকেল প্রথম সফলভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন।
---------------------------------------------
মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে।
- তিনি এক সম্ভ্রান্ত কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা রাজনারায়ণ দত্ত  ছিলেন কলকাতার আইনজীবী ও জমিদার, আর তার মাতা হলেন জাহ্নবী দেবী। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নবজাগরণের অগ্রদূত, আধুনিক কবিতার জনক ও মহাকবি হিসেবে খ্যাত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ছদ্মনাম ছিল টিমোথি পেনপোয়েম।
- তিনি মাদ্রাজে থাকাকালীন এই ছদ্মনাম ব্যবহার করে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ The Captive Ladie প্রকাশ করেন।
- তাঁকে “দত্তকুলধর্মী কবি” বলেও অভিহিত করা হয়।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রহসন, প্রথম ট্র্যাজেডি ও প্রথম সফল নাটক—সবই তাঁরই সৃষ্টি।
-----------------------------------
অন্যদিকে,
'The Captive Ladie':
-  The Captive Ladie হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের লিখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এটি লেখার মাধ্যমে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইউরোপীয় সাহিত্যশৈলীকে বাংলা সাহিত্যের সাথে সংযুক্ত করার একটি প্রাথমিক প্রয়াস শুরু করেন। 
- এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তার দেশপ্রেম ফুটে উঠেছিল।

• হেক্টরবধ:

- এটি মাইকেল মধুসূধন দত্তের অসমাপ্ত কাব্যগ্রন্থ।

• 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী':
- চতুর্দশপদী কবিতাবলীর বিষয়বস্তু মূলত দেশপ্রেম, সমাজ ও সাহিত্য।
- কবির নিজের ব্যক্তিগত জীবনের অনুভূতি ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’তে প্রতিফলিত হয়েছে।
- চতুর্দশপদী (Sonnet) হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে।
- এর বৈশিষ্ট হল যে- এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত হয়।
- এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।
- এই কবিতার প্রথম ৮টি চরণকে বলা হয় অষ্টক, যেখানে ভাবের প্রবর্তন করা হয়।
- এবং পরবর্তী ৬টি চরণকে বলা হয় ষটক, যেখানে ভাবের পরিণতি ঘটে। 
- 'কপোতাক্ষ নদ’ একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা, যা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ফ্রান্সে অবস্থানকালে রচনা করেন।
- এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ চতুর্দশপদী কবিতাবলী থেকে সংগৃহীত।
- এই গ্রন্থে মোট ১০২টি সনেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৮.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিলো? 
  1. দেবদাস
  2. শ্রীকান্ত  
  3. পথের দাবী 
  4. রমা 
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পথের দাবি' রাজনৈতিক কারণে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিলো।

• 'পথের দাবী':
-
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পথের দাবি' ব্রিটিশ শাসনামলে লেখা একটি বিপ্লবী উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিলো।
- এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে সব্যসাচী মল্লিক নামক এক বিপ্লবী নেতাকে নিয়ে।
- উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে যে কিভাবে সব্যসাচী মল্লিকের নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গোপন বিপ্লবী দলের সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছে।
- উপন্যাসটির বিপ্লবী বিষয়বস্তুর কারণে এটি ব্রিটিশ ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। 
-------------------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনামগুলির মধ্যে প্রধান হল অনিলা দেবী। এছাড়াও, তিনি অমুরুপা দেবী, অপরাজিতা দেবী, শ্রী চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত আচার্য, শ্রী কান্ডশর্মা, সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় এবং পশুরাম ইত্যাদি নামেও লেখালেখি করতেন।
- তাকে অপরাজেয় কথাশিল্পী’ এবং ‘সাহিত্য সম্রাট’ নামক উপাধি দেয়া হয় তার সাহিত্যকর্মের জন্য।
----------------------------------------
অন্যদিকে,
• 'দেবদাস':
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দেবদাস' একটি বিখ্যাত বাংলা প্রেমের উপন্যাস।
- এই উপন্যাসটি একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প।
- দেবদাস'- উপন্যাসটি  দেবদাস, পার্বতী (পারু) এবং চন্দ্রমুখীর বিয়োগান্তক প্রেম কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- দেবদাস হলো মূল চরিত্র।
- এই উপন্যাসে দেবদাস এর সাথে তার বাল্য কালের প্রেমিকা পার্বতীর সামাজিক কারণে মিলন সম্ভব হয় না। 
- একজন ব্যর্থ প্রেমিকের প্রতিচ্ছবি হয়ে দেবদাস বিচ্ছেদ এবং দুঃখের ভার বইতে না পেরে মদ্যপানে আসক্ত হয়ে মারা যান।

• 'শ্রীকান্ত':
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি মূলত শ্রীকান্তের ভবঘুরে জীবন, তার বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সামাজিক ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।
- এটি চারটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র হল- শ্রীকান্ত।
- ইন্দ্রনাথ এই উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিল।
- উপন্যাসে ইন্দ্রনাথকে শ্রীকান্তের এক নির্ভীক ও দুঃসাহসপ্রবণ সঙ্গী হিসেবে দেখানো হয়েছে।

• 'রমা’:
- ‘রমা’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এক হৃদয়গ্রাহী বাংলা নাটক, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে রমাকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শেখ ওয়াজেদ আলি
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সিকান্দার আবু জাফর 
ব্যাখ্যা

• লালসালু - উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত। 

• 'লালসালু':
- লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি  শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।

- এটি সমাজে প্রচলিত নানা কুসংস্কার ও অন্ধআচারের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
- এখানে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারণার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- এই উপন্যাসের মূল ভাবনা হলো - ধর্মীয় ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে কিভাবে ঠকানো হয়।
- এবং সেই সুযোগে কিভাবে ছদ্মধর্ম প্রচারের মাধ্যমে মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত লাভ অর্জন করা যায়।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ একজন ছদ্মধর্মপ্রচারক।
- মজিদ এসব কুসংস্কারকে হাতিয়ার করে নিজের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি কিভাবে গড়ে তোলে তাই এই উপন্যাসে দেখানো হয়েছে।
-----------------------------------------
• সৈয়দ  ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ  ওয়ালীউল্লাহ  ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত ছোট গল্প:

- নয়নচারা;
- একটি তুলসি গাছের কাহিনী।

- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা;
- কাঁদো নদী কাঁদো;
- লালসালু।

- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক:
- বহিপীর;
- তরঙ্গভঙ্গ;
- সুরঙ্গ;
- উজানে মৃত্যু।

উৎস:
লালসালু উপন্যাস; 
বাংলা ভাষা ও  সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

২০.
'গাজী মিয়া' ছদ্মনাম ছিল-
  1. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের 
  2. কায়কোবাদের 
  3. মীর মশাররফ হোসেনের 
  4. প্রমথ  চৌধুরীর 
ব্যাখ্যা

• মীর মশাররফ হোসেন এর ছদ্মনাম ছিল 'গাজী মিয়া'।

• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম ছিল- ‘গাজী মিয়া’। 
- 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৪৩)- পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।
- সাহিত্যজীবনে তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন। 

• তাঁর নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য- 
- 'বসন্তকুমারী' ও
- 'জমিদার দর্পণ'।

• মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা হচ্ছে- গাজী মিয়াঁর বস্তানী। 

• তার রচিত প্রহসন হচ্ছে - 
- ফাঁস কাগজ', 
- 'ভাই ভাই এইতো চাই', 
- 'এর উপায় কি'।

• তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু' - যার তিন খণ্ড হলো- 
- মহররম পর্ব,
- উদ্ধার পর্ব ও
- ইয়াজিদ বধ পর্ব।

অন্যদিকে,
• 'বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের' ছদ্মনাম হলো- বনফুল।
• 'কায়কোবাদ' এর প্রকৃত নাম ছিল- মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।
- 'কায়কোবাদ' ছিল তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- তাকে মহাকবি ও বলা হয়। 
- তার লিখা 'মহাশ্মশান' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য।
• 'প্রমথ চৌধুরীর' ছদ্মনাম হলো- বীরবল।
- বাংলা সাহিত্যে তার উপাধি হচ্ছে- চলিত রীতির প্রবর্তক।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

২১.
'মতিচূর' কি ধরণের রচনা?
  1. উপন্যাস 
  2. প্রবন্ধ সংকলন
  3. নাটক 
  4. কল্পকাহিনি
ব্যাখ্যা

'মতিচূর' বেগম রোকেয়ার লিখা একটি প্রবন্ধ সংকলন।

• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন একজন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।
-  ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা জহীরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের ছিলেন একজন সম্ভ্রান্ত ভূস্বামী ও বহুভাষী জ্ঞানী ব্যক্তি। 
- তৎকালীন সমাজে মুসলিম নারীদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকা সত্ত্বেও বড় ভাই ইব্রাহিম সাবের ও বড় বোন করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানীর উৎসাহে তিনি শিক্ষা অর্জনের পথ খুঁজে পান।
- পরবর্তীতে তিনি সাখাওয়াত হোসেনকে বিয়ে করেন।
- এবং স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতিকে অমর করে রাখতে প্রতিষ্ঠা করেন সাখাওয়াত হোসেন মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল।
- নারীদের সংগঠিত করার জন্য ১৯১৬ সালে তিনি মুসলিম মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২ সালে তিনি মারা যান।

- সাহিত্যক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: 
- বাংলা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে খ্যাত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হল—
- ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস),
- ‘অবরোধবাসিনী’ (গল্প),
- ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ সংকলন) ও
- ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (কল্পকাহিনি)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

২২.
দুটি সমান্তরাল সরলরেখার মধ্যে দূরত্ব ৩ মিটার হলে ১০ কিলোমিটার পরে রেখা দুটির দূরত্ব কত হবে? 
  1. ৩ মিটার 
  2. ০ মিটার
  3. ৫ মিটার
  4. ১০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সমান্তরাল সরলরেখার মধ্যে দূরত্ব ৩ মিটার হলে ১০ কিলোমিটার পরে রেখা দুটির দূরত্ব কত হবে?

সমাধান: 
- সমান্তরাল রেখা দুটি একে অপরের থেকে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রাখে এবং কখনোই মিলিত হয় না। যেহেতু প্রাথমিক দূরত্ব ৩ মিটার, তাই ১০ কিলোমিটার (বা যেকোনো দূরত্ব) পরেও তাদের মধ্যকার দূরত্ব ৩ মিটারই থাকবে। 

- দুটি সমান্তরাল লাইন বা রেখা কখনোই মিলিত হয় না। 

সমান্তরাল রেখা: 
- দুটি রেখা যদি পরস্পরের মধ্যে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রেখে চলতে থাকে তবে তাদেরকে সমান্তরাল রেখা বলে। 
- দুটি সমান্তরাল সরলরেখা হওয়ার শর্ত- 
১. সরলরেখা দুটি এক সমতলে থাকবে। 
২. এদের যে কোনো দিকে যতটা খুশি বাড়ালেও একে অপরকে ছেদ করবে না। 
৩. দুটি সরলরেখার মাঝখানের লম্ব সবসময়ই সমান থাকবে। 
- দুই বা ততোধিক সরল রেখা একটি সরল রেখার উপর লম্ব হলে তারা পরস্পর সমান্তরাল। 
- একটি সরলরেখা সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের একটির উপর লম্ব হলে তা অপরটির উপরও লম্ব হয়। 

২৩.
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান কত? 
  1. ৩০°
  2. ৬০°
  3. ৪৫°
  4. ৯০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান কত? 

সমাধান: 
- ত্রিভুজের যেকোনাে শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাংশকে মধ্যমা বলে। 
- সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা পরস্পর সমান। 
- সমবাহু ত্রিভুজে প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্যে সমান এবং প্রতিটি কোণ পরস্পর সমান। 
- সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ ৬০°। 

২৪.
একটি কোণ তার পূরক কোণ অপেক্ষা 10° বেশি হলে, কোণটি কত? 
  1. 45°
  2. 90°
  3. 60°
  4. 50°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণ তার পূরক কোণ অপেক্ষা 10° বেশি হলে, কোণটি কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি,
দুইটি কোণের সমষ্টি 90° হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে। 

ধরি, 
কোণটি = x
∴ পূরক কোণ = 90° - x 

শর্তমতে, 
x = 90° - x + 10° 
বা, x + x = 100°
বা, 2x = 100°
বা, x = 100°/2
∴ x = 50° 

∴ কোণটির মান = 50°  ।

২৫.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 
  1. ৯০ মিটার
  2. ১০০ মিটার
  3. ১২০ মিটার
  4. ১৬০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৯০০ বর্গমিটার 
∴ বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = √৯০০ মিটার 
= ৩০ মিটার 

আমরা জানি, 
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য 
= (৩০ × ৪) মিটার 
= ১২০ মিটার 

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ১২০ মিটার।

২৬.
একটি বৃত্তের পরিধি 24π মিটার। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত? 
  1. 96π বর্গ মিটার
  2. 124π বর্গ মিটার
  3. 136π বর্গ মিটার
  4. 144π বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের পরিধি 24π মিটার। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বৃত্তের পরিধি = 2πr = 24π মিটার
বা, 2r = 24
বা, r = 24/2
∴ r = 12

আমরা জানি, 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 বর্গ একক 
= π × (12)2
= π × 144
= 144π 

∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = 144π বর্গ মিটার।

২৭.
একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণ ১৩৫° হলে, তার বাহুর সংখ্যা কত?
  1. ৬ 
  2. ৮ 
  3. ১০ 
  4. ১২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণ ১৩৫° হলে, তার বাহুর সংখ্যা কত? 

সমাধান: 
মনে করি,
বাহুর সংখ্যা = ক

আমরা জানি,
সুষম বহুভুজে মোট উৎপন্ন অন্তঃস্থ কোণ = {(ক - ২)১৮০°}/ক

প্রশ্নমতে, 
{(ক - ২)১৮০°}/ক = ১৩৫°
বা, (ক - ২) × ১৮০ = ১৩৫ক
বা, ১৮০ক - ২ × ১৮০ = ১৩৫ক
বা, ১৮০ক - ৩৬০ = ১৩৫ক
বা, ১৮০ক - ১৩৫ক = ৩৬০
বা, ৪৫ক = ৩৬০
বা, ক = ৩৬০/৪৫ 
∴ ক = ৮

∴ বাহুর সংখ্যা = ৮ টি ।

২৮.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি 8 মিটার এবং উহার দুটি বাহুর প্রতিটি 5 মিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? 
  1. 10 বর্গমিটার 
  2. 14 বর্গমিটার
  3. 12 বর্গমিটার
  4. 16 বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি 8 মিটার এবং উহার দুটি বাহুর প্রতিটি 5 মিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি, b = 8 মিটার 
এবং দুটি বাহুর প্রতিটি, a = 5 মিটার 

আমরা জানি,  
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = b/4 {√4(a)2 - (b)2

∴ ক্ষেত্রফল = b/4 {√4(a)2 - (b)2}
= 8/4 {√4(5)2 - (8)2}
= 2 {√(100 - 64)}
= 2 √36
= 2 × 6
= 12

∴ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 12 বর্গমিটার।

২৯.
কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা কোনটি?
  1. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
  2. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  3. উচ্চস্তরের ভাষা
  4. মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা

• মেশিন ভাষাই কম্পিউটারের সর্বনিম্ন স্তরের ভাষা।

• মেশিন ভাষা:

- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এই ভাষা বাইনারি সংখ্যা (১) এবং শূন্য (০) অথবা হেক্সাডেসিমাল সিগন্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু প্রকাশ করে।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলির জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।
 
• মেশিন ভাষার সুবিধা:

১. এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
২. সর্বোচ্চ পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
৩. এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
৪. মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষার তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

 
• মেশিন ভাষার অসুবিধা:

১. এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
২. এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
৩. মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামারের প্রয়োজন।
৪. প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধন করা কষ্টসাধ্য।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie) কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ?
  1. সিম্প্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• ওয়াকিটকিতে একই সময়ে কথা বলা ও শোনা যায় না।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস (Sender) থেকে গন্তব্যে (Receiver) ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর যে পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়, তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো—

- সিমপ্লেক্স (Simplex),
- হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex),
- ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).
 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এই পদ্ধতিতে গ্রাহক যন্ত্র কখনোই প্রেরক যন্ত্রে ডাটা পাঠাতে পারে না।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ শুধু একদিকে হয়।
- A থেকে B-তে ডাটা পাঠানো যায়, কিন্তু B থেকে A-তে পাঠানো যায় না।

উদাহরণ:

- রেডিও,
- টেলিভিশন।
 
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোনো প্রান্ত ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু একই সময়ে গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারে না।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে সম্ভব,
কিন্তু একসাথে নয়।
যেমন—
- A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B শুধু গ্রহণ করতে পারে।
- আবার B যখন A-কে ডাটা পাঠায়, তখন A শুধু গ্রহণ করে।

উদাহরণ:

- ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie).
 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে, এবং একই সাথে হয়।
যেমন—
A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B একই সময়ে A-কে ডাটা পাঠাতে পারে।

উদাহরণ :

- টেলিফোন,
- মোবাইল ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
মডেম শব্দটি কোন দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত? 
  1. Mode ও Memory
  2. Monitor ও Decoder
  3. Modulator ও Demodulator
  4. Module ও Demand
ব্যাখ্যা

• Modem = Modulator + Demodulator.

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেমের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়।

- মডেম শব্দটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—

- Modulator,
- Demodulator.

অর্থাৎ, মডেমের দুটি প্রধান অংশ রয়েছে—

- মডুলেটর (Modulator),
- ডি-মডুলেটর (Demodulator).
 
• মডুলেটর (Modulator):
- মডুলেটরের কাজ হলো ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন (Modulation)।

 
• ডি-মডুলেটর (Demodulator):
- ডি-মডুলেটরের কাজ হলো অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডি-মডুলেশন (Demodulation)।

 
• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।

উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন অক্ষরটি দশমিক মান 15 নির্দেশ করে? 
  1. D
  2. E
  3. F
  4. A
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেলে A=10 থেকে F=15 পর্যন্ত মান নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.

• সংখ্যা লেখার বা প্রকাশ করার যে নিয়ম অনুসরণ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ লক্ষ করা যায় নিচের মতো—

• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):

- মানুষ সাধারণত হিসাব–নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 10.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9.

- উদাহরণ: (13)10, (95)10 .
 
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অঙ্ক— 0 ও 1 ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 2।

- কম্পিউটার যেহেতু বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে।

- উদাহরণ: (101)2, (1000111).

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 8টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.

- উদাহরণ: (105)8, (765).
 
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 16.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নগুলো হলো—

- সংখ্যা: 0–9.
- বর্ণ: A, B, C, D, E, F.
এখানে—
A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.

উদাহরণ: (15)16, (ABC)16 .

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
দুই ইনপুট বিশিষ্ট OR গেইটে A = 0, B = 1 হলে আউটপুট কত?
  1. 0
  2. 1
  3. অপরিবর্তিত
  4. নির্ধারিত নয়
ব্যাখ্যা

• যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে OR গেইটের আউটপুট 1 হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সার্কিট বাস্তবায়নের জন্য যে গেইটগুলো মৌলিক কাজ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে প্রধানত তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহৃত হয়। যথা—

• মৌলিক লজিক গেইটসমূহ:

- অর গেইট (OR Gate),
- এন্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).
 
• অর গেইট (OR Gate):

- অর গেইট যৌক্তিক যোগ (Logical Addition) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ, এই গেইটের যেকোনো একটি ইনপুট 1 (High) হলে আউটপুট 1 (High) হয়।
- সব ইনপুট 0 (Low) হলে তবেই আউটপুট 0 (Low) হয়।

 
• অর গেইটের গাণিতিক সমীকরণ:

X = A OR B,
অথবা,
X = A + B.

• তিন ইনপুট বিশিষ্ট অর গেইট:

যখন অর গেইটে তিনটি ইনপুট থাকে, তখন আউটপুট হবে ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফল।

• গাণিতিক সমীকরণ:

X = A + B + C.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
প্রতিটি ওয়েব পেজকে শনাক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Web Protocol
  2. URL
  3. HTML Tag
  4. IP Address
ব্যাখ্যা

• URL হলো ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইটের ইউনিক ঠিকানা।

• ওয়েব ডিজাইনের ধারণা:

- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে সংরক্ষিত ফাইলসমূহকে ওয়েব পেজ (Web Page) বলা হয়, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার উপযোগী।

- ওয়েব পেজ সাধারণত HTML (Hyper Text Markup Language) দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে ওয়েব পেজ তৈরিতে XML, DHTML, STML ইত্যাদিও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- প্রতিটি ওয়েব পেজের একটি ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

 
• ওয়েব পেজের বৈশিষ্ট্য:

- ওয়েব পেজে লেখা (Text), অডিও, ভিডিও, ছবি, অ্যানিমেশন, ডাটা ইত্যাদি যুক্ত থাকতে পারে।
- একাধিক ওয়েব পেজ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সার্ভারে ওয়েব সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে।
- প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি ইউনিক ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
নিচের কোনটি DBMS-এর উদাহরণ?
  1. Linux
  2. Chrome
  3. Oracle
  4. Windows
ব্যাখ্যা

• Oracle একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- DBMS ডাটাবেজ তৈরি, এক্সেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে।
- DBMS ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে মাধ্যম বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো— ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।