• হেক্সাডেসিমেলে A=10 থেকে F=15 পর্যন্ত মান নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.
• সংখ্যা লেখার বা প্রকাশ করার যে নিয়ম অনুসরণ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ লক্ষ করা যায় নিচের মতো—
• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).
• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):
- মানুষ সাধারণত হিসাব–নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 10.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9.
- উদাহরণ: (13)10, (95)10 .
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অঙ্ক— 0 ও 1 ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 2।
- কম্পিউটার যেহেতু বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: (101)2, (1000111)2 .
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 8টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
- উদাহরণ: (105)8, (765)8 .
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 16.
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নগুলো হলো—
- সংখ্যা: 0–9.
- বর্ণ: A, B, C, D, E, F.
এখানে—
A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.
উদাহরণ: (15)16, (ABC)16 .
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।