পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ পার্ট-১) সাধারণ বিজ্ঞান: টপিক - পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিক - বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে)। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ২৯ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ৯ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

এছাড়াও 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
কোন জেলায় বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. নীলফামারী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং এখানেই দেশের প্রথম ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইপিজেডগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং রপ্তানির জন্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি,
- এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড,
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় বস্ত্র দিবস কবে?
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ১২ ডিসেম্বর
  3. ৪ ডিসেম্বর
  4. ২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত হবে - ৪ ডিসেম্বর।

গুরত্বপূর্ণ কিছু দিবস:
- জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - ২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর,
- সশস্ত্র বাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর,
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ,

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, সেবাখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা

সেবাখাত: 
- সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
- বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।
- এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে 'পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়।
- সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৫.৩২%।
- এর প্রবৃদ্ধির হার ৬.১৯%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত 'মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০.০৭%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

.
TCB এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Trade Commission of Bangladesh
  2. Trading Corporation of Bangladesh
  3. Transport Corporation of Bangladesh
  4. Textile Corporation of Bangladesh
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ হলো "Trading Corporation of Bangladesh" (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ)।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭২ সালে, রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও সরবরাহ করে।
- পাশাপাশি, পাট ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে।  
 
সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃত কোনটি?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. এক্সিম ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।

এবি ব্যাংক পিএলসি:
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।
- এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। 
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- বেসিক ব্যাংক
- জনতা ব্যাংক, 
- সোনালী ব্যাংক, 
- রূপালী ব্যাংক, 
- অগ্রণী ব্যাংক, 
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের জোবরা
  2. চট্টগ্রামের হালিশহর
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
যমুনা সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. জামালপুর
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।

- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

সূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  4. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

BSEC: 
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি পুঁজিবাজারের নিয়ম-কানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে এবং শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে কাজ করে।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য। এছাড়াও, বিএসইসি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।

সূত্র: BSEC.

১১.
নিচের কোন স্থলবন্দর কুড়িগ্রামে অবস্থিত?
  1. বেনাপোল স্থলবন্দর
  2. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  3. সোনাহাট স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম। 

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১২.
টাকার অংকে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- টাকার অংকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশের আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন, এর আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত কোনটি?
  1. IDRIA
  2. BIDRA
  3. IDRA
  4. IDBRA
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বীমা ব্যবসার বিকাশ এবং নিয়ন্ত্রণ করা, পাশাপাশি পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- IDRA বীমা শিল্পের উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য কাজ করছে এবং
- এটি 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
- IDRA-এর প্রধান দায়িত্বগুলো অন্তর্ভুক্ত করে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, তদারকি, নীতিমালা প্রণয়ন, এবং দাবির নিষ্পত্তি।
 
সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৪.
জাতীয় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (DPDT) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ডিপিডিটি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। 
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
১৫.
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ: 
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, এটি তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিজিএমইএ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পোশাক শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- এটি সরকারের কাছে নীতি সমর্থন ও পোশাক শিল্পের সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে এবং সদস্যদের সেবা প্রদান করে। বর্তমানে বিজিএমইএর প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে।

সূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট।
১৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কততম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। 
- তিনি ১৩তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে এই পদে নিযুক্ত হন।
- এর আগে, তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর হয়।

সূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গন্ধকের খনি রয়েছে?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বিভিন্ন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, এর মধ্যে অন্যতম হলো গন্ধক (সালফার)। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে এই খনিজের খনি অবস্থিত। 

গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত। 
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৮২টি
  2. ৭৬টি
  3. ৮৬টি
  4. ৮৭টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

১৯.
বাংলাদেশের কোন পণ্যকে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়?
  1. সোনা
  2. রেশম
  3. পাট
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড: 
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমাণ ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো।
২০.
বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
- প্রথমটি হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং দ্বিতীয়টি হলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।  

সূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
২১.
কাকে 'ফাদার অব মর্ডান অ্যাস্ট্রোফিজিক্স' বলা হয়?
  1. Angelo Secchi
  2. Carl Sagan
  3. Edwin Hubble
  4. Satyen Sen
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি(Angelo Secchi):
- তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- যিনি প্রথম তারাদের বর্ণালীবৈশিষ্ট্যের (spectral classification) ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করার কাজ করেন।
- এটি ছিল আধুনিক জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার (Astrophysics) ভিত্তিপ্রস্তর।
- এজন্য তাকে "Father of Modern Astrophysics" বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও স্প্রিনজার আর্টিকেল।
২২.
বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে কী বলে?
  1. সৌর জ্বালা
  2. নিউট্রিনো
  3. গামা রশ্মি
  4. মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২৩.
নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি কীরূপ?
  1. উষ্ণ ও হালকা
  2. উষ্ণ ও ভারী
  3. শীতল ও হালকা
  4. শীতল ও ভারী
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষীয় অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি উষ্ণ ও হালকা।
-  সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়ার ফলে দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান।
- তাই ঋতু পরিবর্তন এ অঞ্চলে দেখা যায় না।
- সারা বছর অধিক তাপ ও বৃষ্টিপাত এ জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- নিরক্ষীয় অঞ্চল সূর্যের সরাসরি তাপমাত্রা বেশি পায়, যার ফলে এখানকার সমুদ্রের পানি উষ্ণ থাকে।
- উষ্ণ পানি সাধারণত কম ঘনত্বের হয়, তাই এটি হালকা থাকে।
- এছাড়াও বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে লবণাক্ততা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, যা পানিকে কম ঘনত্বের করে।

 উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪.
'হুপিং কাশি' রোগের ভ্যাকসিন কোনটি?
  1. OPV
  2. BCG
  3. DPT
  4. Mumps
ব্যাখ্যা
• 'হুপিং কাশি' রোগের ভ্যাকসিন DPT.

• বিভিন্ন রোগের টিকা:
- যক্ষ্মা: BCG
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার: DPT
- পোলিও: OPV
- হাম, রুবেলা: MR ভ্যাকসিন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৫.
ভারত মহাসাগরে ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি আঘাত হানে কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০০৪ সালের সুনামি:
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ১৪টি দেশে হানা দিয়েছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি।
- ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে সমুদ্রগর্ভের প্রায় ১৯ মাইল নিচে উৎপন্ন হয় ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন।
- ভূকম্পনটি ৮ থেকে ১০ মিনিট স্থায়ী হয়।
- সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়ে ২৩ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল ভূকম্পনটি।
- দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের উপকূলে আঘাত করে এই ভয়াবহ সুনামি।
- কোথাও কোথাও প্রায় ১০০ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬.
ফোটন কণা সম্পর্কে যে তথ্যটি ভুল-
  1. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
  2. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
  3. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
  4. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
ব্যাখ্যা
• ফোটন:
- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon) I

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
- পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
-  ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
- ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
- প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
- ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
- ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি ফারেনহাইট?
  1. ৯৭.২
  2. ৯৮.৪
  3. ৯৮.৬
  4. ৯৮.২
ব্যাখ্যা
• মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০০ ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

[মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
Medical Encyclopedia এবং আরো কিছু সোর্স অনুযায়ী -
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।এক্ষেত্রে, অপশনে ৯৮.৪ এবং ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট দুটিই থাকলে - "৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।
আবার, ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলে এর সাথে ৯৮.৪ ডিগ্রি বাদে অন্য কিছু থাকলে তখন -
"৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।]

উল্লেখ্য,
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮.
হিগস্-বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে। 
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও  Space.com website।
২৯.
নিচের কোনটি খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ?
  1. হেপাটাইটিস বি
  2. এইডস
  3. হেপাটাইটিস এ
  4. সিফিলিস
ব্যাখ্যা
• বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ:
যক্ষ্মা (TB),করোনা ভাইরাস (COVID-19),ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu),হাম (Measles),হুপিং কাশি (Whooping Cough/Pertussis)

• খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমণ:
- হেপাটাইটিস এ,
- হেপাটাইটিস ই,
- কলেরা,
- টাইফয়েড,
- ডায়রিয়া ।

• সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- সিফিলিস, গনোরিয়া (যৌন সংক্রমিত রোগ - STDs)
- জন্ডিস (Hepatitis B, C)
- চিকেনপক্স (Varicella)
- স্কেবিস (Scabies - চর্মরোগ)

• প্রাণী বা কীটপতঙ্গের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- ম্যালেরিয়া (Anopheles মশা)
- ডেঙ্গু (Aedes মশা)
- জিকা ভাইরাস (Zika - Aedes মশা)
- রেবিস (Rabies - কুকুর কামড়)

• রক্ত ও শরীরের তরলের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- এইচআইভি/এইডস (HIV/AIDS)
- হেপাটাইটিস বি, সি (Hepatitis B, C)

উৎস: WHO website.
৩০.
যেসকল অনুজীব রোগ সৃষ্টি করতে পারে তাদেরকে কী বলে?
  1. টক্সিন
  2. জীবাণু
  3. প্যাথজেনিক
  4. হোস্ট
ব্যাখ্যা
• প্যাথজেনিক:
- প্যাথজেনিক শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "pathos" (রোগ) এবং "gen" (উৎপাদন করা) থেকে, যার অর্থ "রোগ সৃষ্টিকারী"।
- এই ধরনের অনুজীব বিভিন্ন জীবের (হোস্টের) দেহে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটিয়ে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
যেমন:
- ব্যাকটেরিয়া: টিউবারকুলোসিস (যক্ষ্মা), কলেরা। 
- ভাইরাস: ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু। 
- ছত্রাক: দাদ, কান্ডিডিয়াসিস। 
- প্রোটোজোয়া: ম্যালেরিয়া, অ্যামিবিক ডায়রিয়া। 

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- টক্সিন (Toxin): এটি জীবাণু বা অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দ্বারা নিঃসৃত বিষাক্ত পদার্থ, যা দেহের ক্ষতি করে। যেমন: ব্যাকটেরিয়ার উৎপন্ন বটুলিনাম টক্সিন।
- জীবাণু (Germ/Microbe): এটি সাধারণভাবে সকল অনুজীবকে বোঝায়, তবে সব জীবাণুই রোগ সৃষ্টি করে না।
- হোস্ট (Host): এটি সেই জীবকে বোঝায় যার দেহে প্যাথজেনিক অনুজীব প্রবেশ করে এবং রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১.
মানব দেহে সর্বমোট কশেরুকার সংখ্যা কত?
  1. ২৯ টি
  2. ৩১ টি
  3. ৩২ টি
  4. ৩৩ টি
ব্যাখ্যা
• মেরুদন্ড:
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দন্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া বলে।
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখন্ডক সমন্বয়ে মেরুদন্ড গঠিত।
- এ সকল অস্থিখন্ডককে কশেরুকা বলে।
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে।
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।

• মানবদেহ সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।
- করোটিতে অস্থির সংখ্যা ২৯ টি।
- মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা ৩৩ টি।
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোম থাকে ২৩ জোড়া।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%।
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৭° সেলসিয়াস (৯৮.৬° ফারেনহাইট)।

[মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
Medical Encyclopedia এবং আরো কিছু সোর্স অনুযায়ী -
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।এক্ষেত্রে, অপশনে ৯৮.৪ এবং ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট দুটিই থাকলে - "৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।
আবার, ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলে এর সাথে ৯৮.৪ ডিগ্রি বাদে অন্য কিছু থাকলে তখন -
"৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।]

- মানবদেহের শতকরা ৭০ ভাগ পানি থাকে।
- মানবদেহে মোট ৩ প্রকারের অস্থিসন্ধি রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
পৃথিবীর মোট জলরাশির কতভাগ ভূগর্ভ ধারণ করে?
  1. ০.৮০%
  2. ১.৭০%
  3. ৯৭.৫%
  4. ৭২.৫%
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মোট জলরাশির একটি বড় অংশ মহাসাগর ও সমুদ্র দ্বারা গঠিত হলেও,
• ভূগর্ভস্থ জল (Groundwater) পৃথিবীর মোট জলরাশির প্রায় ১.৭% দখল করে।
- এই ভূগর্ভস্থ জল দুই ভাগে বিভক্ত:
- মিঠা ভূগর্ভস্থ জল (Fresh Groundwater) – প্রায় ০.৮%, যা পানীয় জল, কৃষি এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- লবণাক্ত ভূগর্ভস্থ জল (Saline Groundwater) – প্রায় ০.৯%, যা সাধারণত সরাসরি ব্যবহারের উপযোগী নয়।

অন্যদিকে,
- সাগর মহাসাগর মিলে ৯৭.৫% পানি রয়েছে।
- বাকি ২.৫% পানি মিঠা পানির উতসগুলোর মধ্যে পাওয়া যাতে নদী, খাল বিল, পুকুর ও ভূ-গর্ভস্থ পানি রয়েছে।



উৎস: USGS ওয়েবসাইট।[link]
৩৩.
পোলিও তে অধিক আক্রান্ত হয়-
  1. নারী
  2. শিশু
  3. বৃদ্ধ
  4. কিশোরী
ব্যাখ্যা
• পোলিও:
- পোলিওমাইটিলিজ' এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা 'পোলিও' নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সের শিশুদের পোলিও হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- পোলিও ভাইরাস আন্ত্রিক ভাইরাস দলেরই অন্তর্গত, কারণ এটি শরীরের অন্ত্রপথেই দেহে প্রবেশ করে থাকে।
- দূষিত খাদ্য ও পানির সাথে প্রবেশ করার পর পোলিও ভাইরাস রক্তকোষের মধ্যে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে রক্তে সংক্রমণ ঘটায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা কতটি?
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৩টি
ব্যাখ্যা
• করোটিক স্নায়ু:
- যেসব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়ে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বেরিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় সেগুলোকে করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের মস্তিষ্কে ১২ জোড়া অর্থাৎ ২৪টি করোটিক স্নায়ু আছে।
- সম্মুখ অংশ থেকে পরপর এদের রোমান সংখ্যা দিয়ে সূচিত করা হয়।
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।
- মানবদেহে সর্বমোট  ৩৩টি কশেরুকা রয়েছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৫.
সেরিকালচার কী?
  1. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. পাখি পালন বিদ্যা
  4. চিংড়ি চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- মৎস্য চাষ বিদ্যা - পিসিকালচার.।
- পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৬.
'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আইনস্টাইন এটার জন্য নোবেল পুরষ্কার পান।
  2. ১৯০৫ সালে তত্ত্বটি প্রকাশিত হয়।
  3. তত্ত্ব অনুসারে স্থান পরিবর্তনশীল।
  4. তত্ত্ব অনুসারে সময় পরিবর্তনশীল।
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইন আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র আবিষ্কারের জন্য ১৯২১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়।
- কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে -মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩৭.
মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম কী?
  1. রেডিও আলনা
  2. ফিমার
  3. এনামেল
  4. চুল
ব্যাখ্যা
• এনামেল:
- মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম এনামেল।
- এনামেল হল মানবদেহের দাঁতের উপরিভাগে থাকা একটি কঠিন, সাদা স্তর যা দাঁতের অভ্যন্তরীণ অংশকে সুরক্ষা দেয়।
- এটি হাইড্রোক্সিপাটাইট স্ফটিক (ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট আয়ন) দ্বারা গঠিত।
- যা এটিকে মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন ও শক্ত পদার্থে পরিণত কর

অন্যদিকে,
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি। ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী অস্থি।তবে এটি এনামেলের মতো কঠিন নয়।
- রেডিও আলনা অস্থিটি রেডিয়াস ও আলনা নামক পৃথক অথচ পরস্পরের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ দুটি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- রেডিয়াস লম্বা এবং মস্তক বর্তমান।অন্যদিকে আলনা লম্বা ও নলাকার।
- চুল মূলত ক্যারাটিন (Keratin) দিয়ে তৈরি, যা শক্ত কিন্তু এনামেলের মতো কঠিন নয়।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ও ব্রিটানিকা।
৩৮.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. যকৃৎ
  2. হৃদপিণ্ড
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ফুসফুস
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের (এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

উৎস: NIH ওয়েবসাইট।
৩৯.
ভ্যাক্সিন বা টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. রবার্ট কচ
  3. লুই পাস্তুর
  4. জ্যাকব হেইন
ব্যাখ্যা
• টিকা আবিষ্কারের ইতিহাস:
- বসন্তের প্রথম টিকা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮ শতকের শেষভাগে ১৭৯৬ সালে।
- এডওয়ার্ড জেনার এ টিকা আবিষ্কার করেন।
- এটিই ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল টিকা।
- পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস এডওয়ার্ড সক।
- যক্ষার জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ।
- বিসিজি (যক্ষার টিকা) আবিষ্কার করেন ক্যালসাট ও গুয়োচিন।

উৎস:  ব্রিটানিকা।