পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ পার্ট-১) সাধারণ বিজ্ঞান: টপিক - পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিক - বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে)। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ২৯ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ৯ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

এছাড়াও 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
কোন জেলায় বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. নীলফামারী
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং এখানেই দেশের প্রথম ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইপিজেডগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং রপ্তানির জন্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি,
- এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড,
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় বস্ত্র দিবস কবে?
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ১২ ডিসেম্বর
  3. ৪ ডিসেম্বর
  4. ২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত হবে - ৪ ডিসেম্বর।

গুরত্বপূর্ণ কিছু দিবস:
- জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - ২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর,
- সশস্ত্র বাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর,
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ,

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, সেবাখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

সেবাখাত: 
- সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
- বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।
- এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে 'পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়।
- সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৫.৩২%।
- এর প্রবৃদ্ধির হার ৬.১৯%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত 'মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০.০৭%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

.
TCB এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Trade Commission of Bangladesh
  2. Trading Corporation of Bangladesh
  3. Transport Corporation of Bangladesh
  4. Textile Corporation of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Trading Corporation of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trading Corporation of Bangladesh
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ হলো "Trading Corporation of Bangladesh" (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ)।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭২ সালে, রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও সরবরাহ করে।
- পাশাপাশি, পাট ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে।  
 
সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃত কোনটি?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. এক্সিম ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।

এবি ব্যাংক পিএলসি:
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।
- এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। 
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- বেসিক ব্যাংক
- জনতা ব্যাংক, 
- সোনালী ব্যাংক, 
- রূপালী ব্যাংক, 
- অগ্রণী ব্যাংক, 
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের জোবরা
  2. চট্টগ্রামের হালিশহর
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
যমুনা সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. জামালপুর
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।

- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

সূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  4. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

BSEC: 
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি পুঁজিবাজারের নিয়ম-কানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে এবং শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে কাজ করে।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য। এছাড়াও, বিএসইসি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।

সূত্র: BSEC.

১১.
নিচের কোন স্থলবন্দর কুড়িগ্রামে অবস্থিত?
  1. বেনাপোল স্থলবন্দর
  2. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  3. সোনাহাট স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম। 

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১২.
টাকার অংকে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
- টাকার অংকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশের আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন, এর আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত কোনটি?
  1. IDRIA
  2. BIDRA
  3. IDRA
  4. IDBRA
সঠিক উত্তর:
IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDRA
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বীমা ব্যবসার বিকাশ এবং নিয়ন্ত্রণ করা, পাশাপাশি পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- IDRA বীমা শিল্পের উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য কাজ করছে এবং
- এটি 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
- IDRA-এর প্রধান দায়িত্বগুলো অন্তর্ভুক্ত করে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, তদারকি, নীতিমালা প্রণয়ন, এবং দাবির নিষ্পত্তি।
 
সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৪.
জাতীয় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (DPDT) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ডিপিডিটি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। 
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
১৫.
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ: 
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, এটি তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিজিএমইএ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পোশাক শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- এটি সরকারের কাছে নীতি সমর্থন ও পোশাক শিল্পের সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে এবং সদস্যদের সেবা প্রদান করে। বর্তমানে বিজিএমইএর প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে।

সূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট।
১৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কততম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। 
- তিনি ১৩তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে এই পদে নিযুক্ত হন।
- এর আগে, তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর হয়।

সূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গন্ধকের খনি রয়েছে?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বিভিন্ন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, এর মধ্যে অন্যতম হলো গন্ধক (সালফার)। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে এই খনিজের খনি অবস্থিত। 

গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত। 
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৮২টি
  2. ৭৬টি
  3. ৮৬টি
  4. ৮৭টি
সঠিক উত্তর:
৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

১৯.
বাংলাদেশের কোন পণ্যকে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়?
  1. সোনা
  2. রেশম
  3. পাট
  4. চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড: 
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমাণ ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো।
২০.
বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
- প্রথমটি হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং দ্বিতীয়টি হলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।  

সূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
২১.
কাকে 'ফাদার অব মর্ডান অ্যাস্ট্রোফিজিক্স' বলা হয়?
  1. Angelo Secchi
  2. Carl Sagan
  3. Edwin Hubble
  4. Satyen Sen
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি(Angelo Secchi):
- তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- যিনি প্রথম তারাদের বর্ণালীবৈশিষ্ট্যের (spectral classification) ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করার কাজ করেন।
- এটি ছিল আধুনিক জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার (Astrophysics) ভিত্তিপ্রস্তর।
- এজন্য তাকে "Father of Modern Astrophysics" বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও স্প্রিনজার আর্টিকেল।
২২.
বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে কী বলে?
  1. সৌর জ্বালা
  2. নিউট্রিনো
  3. গামা রশ্মি
  4. মহাজাগতিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২৩.
নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি কীরূপ?
  1. উষ্ণ ও হালকা
  2. উষ্ণ ও ভারী
  3. শীতল ও হালকা
  4. শীতল ও ভারী
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও হালকা
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষীয় অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি উষ্ণ ও হালকা।
-  সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়ার ফলে দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান।
- তাই ঋতু পরিবর্তন এ অঞ্চলে দেখা যায় না।
- সারা বছর অধিক তাপ ও বৃষ্টিপাত এ জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- নিরক্ষীয় অঞ্চল সূর্যের সরাসরি তাপমাত্রা বেশি পায়, যার ফলে এখানকার সমুদ্রের পানি উষ্ণ থাকে।
- উষ্ণ পানি সাধারণত কম ঘনত্বের হয়, তাই এটি হালকা থাকে।
- এছাড়াও বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে লবণাক্ততা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, যা পানিকে কম ঘনত্বের করে।

 উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪.
'হুপিং কাশি' রোগের ভ্যাকসিন কোনটি?
  1. OPV
  2. BCG
  3. DPT
  4. Mumps
সঠিক উত্তর:
DPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DPT
ব্যাখ্যা
• 'হুপিং কাশি' রোগের ভ্যাকসিন DPT.

• বিভিন্ন রোগের টিকা:
- যক্ষ্মা: BCG
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার: DPT
- পোলিও: OPV
- হাম, রুবেলা: MR ভ্যাকসিন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৫.
ভারত মহাসাগরে ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি আঘাত হানে কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০০৪ সালের সুনামি:
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ১৪টি দেশে হানা দিয়েছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি।
- ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে সমুদ্রগর্ভের প্রায় ১৯ মাইল নিচে উৎপন্ন হয় ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন।
- ভূকম্পনটি ৮ থেকে ১০ মিনিট স্থায়ী হয়।
- সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়ে ২৩ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল ভূকম্পনটি।
- দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের উপকূলে আঘাত করে এই ভয়াবহ সুনামি।
- কোথাও কোথাও প্রায় ১০০ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬.
ফোটন কণা সম্পর্কে যে তথ্যটি ভুল-
  1. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
  2. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
  3. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
  4. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
সঠিক উত্তর:
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
ব্যাখ্যা
• ফোটন:
- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon) I

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
- পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
-  ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
- ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
- প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
- ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
- ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি ফারেনহাইট?
  1. ৯৭.২
  2. ৯৮.৪
  3. ৯৮.৬
  4. ৯৮.২
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪
ব্যাখ্যা
• মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০০ ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

[মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
Medical Encyclopedia এবং আরো কিছু সোর্স অনুযায়ী -
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।এক্ষেত্রে, অপশনে ৯৮.৪ এবং ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট দুটিই থাকলে - "৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।
আবার, ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলে এর সাথে ৯৮.৪ ডিগ্রি বাদে অন্য কিছু থাকলে তখন -
"৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।]

উল্লেখ্য,
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮.
হিগস্-বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে। 
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও  Space.com website।
২৯.
নিচের কোনটি খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ?
  1. হেপাটাইটিস বি
  2. এইডস
  3. হেপাটাইটিস এ
  4. সিফিলিস
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস এ
ব্যাখ্যা
• বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ:
যক্ষ্মা (TB),করোনা ভাইরাস (COVID-19),ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu),হাম (Measles),হুপিং কাশি (Whooping Cough/Pertussis)

• খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমণ:
- হেপাটাইটিস এ,
- হেপাটাইটিস ই,
- কলেরা,
- টাইফয়েড,
- ডায়রিয়া ।

• সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- সিফিলিস, গনোরিয়া (যৌন সংক্রমিত রোগ - STDs)
- জন্ডিস (Hepatitis B, C)
- চিকেনপক্স (Varicella)
- স্কেবিস (Scabies - চর্মরোগ)

• প্রাণী বা কীটপতঙ্গের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- ম্যালেরিয়া (Anopheles মশা)
- ডেঙ্গু (Aedes মশা)
- জিকা ভাইরাস (Zika - Aedes মশা)
- রেবিস (Rabies - কুকুর কামড়)

• রক্ত ও শরীরের তরলের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- এইচআইভি/এইডস (HIV/AIDS)
- হেপাটাইটিস বি, সি (Hepatitis B, C)

উৎস: WHO website.
৩০.
যেসকল অনুজীব রোগ সৃষ্টি করতে পারে তাদেরকে কী বলে?
  1. টক্সিন
  2. জীবাণু
  3. প্যাথজেনিক
  4. হোস্ট
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
ব্যাখ্যা
• প্যাথজেনিক:
- প্যাথজেনিক শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "pathos" (রোগ) এবং "gen" (উৎপাদন করা) থেকে, যার অর্থ "রোগ সৃষ্টিকারী"।
- এই ধরনের অনুজীব বিভিন্ন জীবের (হোস্টের) দেহে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটিয়ে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
যেমন:
- ব্যাকটেরিয়া: টিউবারকুলোসিস (যক্ষ্মা), কলেরা। 
- ভাইরাস: ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু। 
- ছত্রাক: দাদ, কান্ডিডিয়াসিস। 
- প্রোটোজোয়া: ম্যালেরিয়া, অ্যামিবিক ডায়রিয়া। 

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- টক্সিন (Toxin): এটি জীবাণু বা অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দ্বারা নিঃসৃত বিষাক্ত পদার্থ, যা দেহের ক্ষতি করে। যেমন: ব্যাকটেরিয়ার উৎপন্ন বটুলিনাম টক্সিন।
- জীবাণু (Germ/Microbe): এটি সাধারণভাবে সকল অনুজীবকে বোঝায়, তবে সব জীবাণুই রোগ সৃষ্টি করে না।
- হোস্ট (Host): এটি সেই জীবকে বোঝায় যার দেহে প্যাথজেনিক অনুজীব প্রবেশ করে এবং রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১.
মানব দেহে সর্বমোট কশেরুকার সংখ্যা কত?
  1. ২৯ টি
  2. ৩১ টি
  3. ৩২ টি
  4. ৩৩ টি
সঠিক উত্তর:
৩৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ টি
ব্যাখ্যা
• মেরুদন্ড:
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দন্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া বলে।
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখন্ডক সমন্বয়ে মেরুদন্ড গঠিত।
- এ সকল অস্থিখন্ডককে কশেরুকা বলে।
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে।
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।

• মানবদেহ সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।
- করোটিতে অস্থির সংখ্যা ২৯ টি।
- মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা ৩৩ টি।
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোম থাকে ২৩ জোড়া।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%।
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৭° সেলসিয়াস (৯৮.৬° ফারেনহাইট)।

[মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
Medical Encyclopedia এবং আরো কিছু সোর্স অনুযায়ী -
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।এক্ষেত্রে, অপশনে ৯৮.৪ এবং ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট দুটিই থাকলে - "৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।
আবার, ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলে এর সাথে ৯৮.৪ ডিগ্রি বাদে অন্য কিছু থাকলে তখন -
"৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট" দাগাতে হবে।]

- মানবদেহের শতকরা ৭০ ভাগ পানি থাকে।
- মানবদেহে মোট ৩ প্রকারের অস্থিসন্ধি রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
পৃথিবীর মোট জলরাশির কতভাগ ভূগর্ভ ধারণ করে?
  1. ০.৮০%
  2. ১.৭০%
  3. ৯৭.৫%
  4. ৭২.৫%
সঠিক উত্তর:
১.৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭০%
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মোট জলরাশির একটি বড় অংশ মহাসাগর ও সমুদ্র দ্বারা গঠিত হলেও,
• ভূগর্ভস্থ জল (Groundwater) পৃথিবীর মোট জলরাশির প্রায় ১.৭% দখল করে।
- এই ভূগর্ভস্থ জল দুই ভাগে বিভক্ত:
- মিঠা ভূগর্ভস্থ জল (Fresh Groundwater) – প্রায় ০.৮%, যা পানীয় জল, কৃষি এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- লবণাক্ত ভূগর্ভস্থ জল (Saline Groundwater) – প্রায় ০.৯%, যা সাধারণত সরাসরি ব্যবহারের উপযোগী নয়।

অন্যদিকে,
- সাগর মহাসাগর মিলে ৯৭.৫% পানি রয়েছে।
- বাকি ২.৫% পানি মিঠা পানির উতসগুলোর মধ্যে পাওয়া যাতে নদী, খাল বিল, পুকুর ও ভূ-গর্ভস্থ পানি রয়েছে।



উৎস: USGS ওয়েবসাইট।[link]
৩৩.
পোলিও তে অধিক আক্রান্ত হয়-
  1. নারী
  2. শিশু
  3. বৃদ্ধ
  4. কিশোরী
সঠিক উত্তর:
শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু
ব্যাখ্যা
• পোলিও:
- পোলিওমাইটিলিজ' এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা 'পোলিও' নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সের শিশুদের পোলিও হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- পোলিও ভাইরাস আন্ত্রিক ভাইরাস দলেরই অন্তর্গত, কারণ এটি শরীরের অন্ত্রপথেই দেহে প্রবেশ করে থাকে।
- দূষিত খাদ্য ও পানির সাথে প্রবেশ করার পর পোলিও ভাইরাস রক্তকোষের মধ্যে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে রক্তে সংক্রমণ ঘটায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা কতটি?
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
• করোটিক স্নায়ু:
- যেসব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়ে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বেরিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় সেগুলোকে করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের মস্তিষ্কে ১২ জোড়া অর্থাৎ ২৪টি করোটিক স্নায়ু আছে।
- সম্মুখ অংশ থেকে পরপর এদের রোমান সংখ্যা দিয়ে সূচিত করা হয়।
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।
- মানবদেহে সর্বমোট  ৩৩টি কশেরুকা রয়েছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৫.
সেরিকালচার কী?
  1. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. পাখি পালন বিদ্যা
  4. চিংড়ি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- মৎস্য চাষ বিদ্যা - পিসিকালচার.।
- পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৬.
'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আইনস্টাইন এটার জন্য নোবেল পুরষ্কার পান।
  2. ১৯০৫ সালে তত্ত্বটি প্রকাশিত হয়।
  3. তত্ত্ব অনুসারে স্থান পরিবর্তনশীল।
  4. তত্ত্ব অনুসারে সময় পরিবর্তনশীল।
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন এটার জন্য নোবেল পুরষ্কার পান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন এটার জন্য নোবেল পুরষ্কার পান।
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইন আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র আবিষ্কারের জন্য ১৯২১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়।
- কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে -মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩৭.
মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম কী?
  1. রেডিও আলনা
  2. ফিমার
  3. এনামেল
  4. চুল
সঠিক উত্তর:
এনামেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনামেল
ব্যাখ্যা
• এনামেল:
- মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম এনামেল।
- এনামেল হল মানবদেহের দাঁতের উপরিভাগে থাকা একটি কঠিন, সাদা স্তর যা দাঁতের অভ্যন্তরীণ অংশকে সুরক্ষা দেয়।
- এটি হাইড্রোক্সিপাটাইট স্ফটিক (ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট আয়ন) দ্বারা গঠিত।
- যা এটিকে মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন ও শক্ত পদার্থে পরিণত কর

অন্যদিকে,
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি। ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী অস্থি।তবে এটি এনামেলের মতো কঠিন নয়।
- রেডিও আলনা অস্থিটি রেডিয়াস ও আলনা নামক পৃথক অথচ পরস্পরের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ দুটি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- রেডিয়াস লম্বা এবং মস্তক বর্তমান।অন্যদিকে আলনা লম্বা ও নলাকার।
- চুল মূলত ক্যারাটিন (Keratin) দিয়ে তৈরি, যা শক্ত কিন্তু এনামেলের মতো কঠিন নয়।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ও ব্রিটানিকা।
৩৮.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. যকৃৎ
  2. হৃদপিণ্ড
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের (এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

উৎস: NIH ওয়েবসাইট।
৩৯.
ভ্যাক্সিন বা টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. রবার্ট কচ
  3. লুই পাস্তুর
  4. জ্যাকব হেইন
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা
• টিকা আবিষ্কারের ইতিহাস:
- বসন্তের প্রথম টিকা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮ শতকের শেষভাগে ১৭৯৬ সালে।
- এডওয়ার্ড জেনার এ টিকা আবিষ্কার করেন।
- এটিই ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল টিকা।
- পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস এডওয়ার্ড সক।
- যক্ষার জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ।
- বিসিজি (যক্ষার টিকা) আবিষ্কার করেন ক্যালসাট ও গুয়োচিন।

উৎস:  ব্রিটানিকা।