পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 7 & 8] [Live Class - 10 & 11 মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি] [Live Class - 12, 13 & 14 মেন্টর: ইহতিশামুল আলম মারুফ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় এর বর্তমান উপদেষ্টা- (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ড. আতিকুর রহমান
  2. ড. আহসান মনসুর
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. আহমেদ সালেহ
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে অর্থনীতির বুনিয়াদ শক্তিশালী ও স্বাধীন দেশের উপযোগী হিসেব গড়ে তুলতে অর্থ মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজের ব্যাপকতা বিবেচনা করে অর্থ বিভাগের পাশাপাশি ১৬ অক্টোবর ১৯৭৮ তারিখে বহিঃসম্পদ বিভাগ (বর্তমানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ), ২১ এপ্রিল ১৯৭৯ তারিখে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং জানুয়ারি ২০১০- এ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

⇒ অর্থ বিভাগের পরিচালিত কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো-রাজস্ব নীতি প্রণয়ন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণীত মুদ্রা নীতির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

⇒ বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় এর বর্তমান উপদেষ্টা- ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

• অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত: 

১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)
২. অর্থ বিভাগ (এফডি)
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: অর্থমন্ত্রণালয়। 

.
The Security Printing Corporation Bangladesh Limited (SPCBL) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে 
  2. ১৯৮৭ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৮২ সালে 
ব্যাখ্যা

 • দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
- বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
- এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
- দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl.

.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. মোঃ বদিউল আলম খান
  2. মোঃ আবদুর রহমান খান
  3. মোঃ আতাউর রহমান
  4. মোঃ উসমান গনি
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর বর্তমান চেয়ারম্যান- মোঃ আবদুর রহমান খান। (ডিসেম্বর-২০২৫)

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. মূসক
  2. আমদানি শুল্ক
  3. বিক্রয় কর
  4. আয়কর
ব্যাখ্যা

• ’আয়কর’ পরোক্ষ কর নয়। এটি একটি প্রত্যক্ষ কর।

• প্রত্যক্ষ কর:
⇒ কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে 
প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমন: আয়কর, ভূমিকর, মুনাফা কর, ব্যয়কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর:
⇒ করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে 
পরোক্ষ কর বলে।
যেমন: মূসক, আমদানি শুল্ক, বিক্রিয় কর, পণ্যকর ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বই।

.
e-TIN নম্বর কত ডিজিটের হয়? 
  1. ৮ ডিজিট
  2. ১০ ডিজিট
  3. ১২ ডিজিট
  4. ১৪ ডিজিট
ব্যাখ্যা

 e-TIN:-
 E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number. 

- করদাতা  হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত  ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন  (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি  প্রবর্তন করেছিল।
-  'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
 - এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- e-TIN করদাতার পরিচিতি নম্বর। 
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার কত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ৯.৫%
  2. ১২%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার -১৫%।

• ভ্যাট:

- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

.
তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট কতটি? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ৬২ টি
  2. ৬১ টি
  3. ৬৩ টি
  4. ৬৪ টি
ব্যাখ্যা

• তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২টি।

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

.
নিচের কোনটি অ-তফসিলী ভুক্ত ব্যাংক?
  1. প্রাইম ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
- তফসিলী ভুক্ত বেসরকারি ব্যাংক- প্রাইম ব্যাংক।
- বিশেষায়িত ব্যাংক - রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক - অগ্রণী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১০.
বাংলাদেশের সরকারি নোট কোনগুলো?
  1. ১০, ২, ২০ টাকার নোট
  2. ১, ২, ৫ টাকার নোট
  3. ১০, ২০, ৫ টাকার নোট
  4. ১০, ২, ৫ টাকার নোট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১১.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

• মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ২০১২ সালে।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান - প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল-
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
(১) এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২.
বাংলাদেশের কতটি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে?
  1. ৩৬
  2. ২৬
  3. ৪৬
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা

• বীমা প্রতিষ্ঠান:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

• বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং ডেইলিস্টার বাংলা [লিংক]।

১৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর- আহসান এইচ মনসুর (১৩ তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল - ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১৪.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৫.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে 
  2. ১৯৮৩ সালে 
  3. ১৯৮৭ সালে 
  4. ১৯৮২ সালে 
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৬.
সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বলে?
  1. পুঁজিবাদী 
  2. সমাজতান্ত্রিক 
  3. মিশ্র
  4. ইসলামিক
ব্যাখ্যা

• প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমূহ:

১. পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ যে সমাজব্যবস্থায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের অবাধ স্বাধীনতা স্বীকৃত এবং সকল কর্মকাণ্ড সর্বোচ্চ ভোগ এবং মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় তাকে পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থা মূলত ব্যক্তি, ব্যবসা এবং ব্যবসায়িকে কেন্দ্র করে চলে। এখানে সরকার শুধু কিছু নীতিমালা তৈরি করে দেয় যা মেনে চলতে হয় কিন্তু সরকারের তেমন কোন হস্তক্ষেপ থাকে না।

২. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। সম্পূর্ণ সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকেই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য
সমাজেরকল্যাণ, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক কল্যান করা, এই অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে পরিচালিত হয়ে থাকে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, ব্যক্তিগত মুনাফারও কোন সুযোগ নেই। এই অর্থব্যবস্থায় কোন ধরনের শোষণ, বৈষম্য এবং সাম্প্রদায়িকতা পরিলক্ষিত হয় না।

৩. মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
⇒ ব্যক্তিগত মালিকানা ও উদ্যোগের স্বাধীনতা অপরদিকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং পাশাপাশি অবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে অভিহিত করা হয়। এখানে সরকারি এবং বেসরকারি খাত মিলে-মিশে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও, এখানে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। MCO

৪. ইসলামিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ আল-কোরআন এবং সুন্নাহ মোতাবেক যে অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হয় তাকে ইসলামিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থায় সুদ নিষিদ্ধ এবং হারাম-হালালের নিয়ম মেনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৯টি
  3. ১৫টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

১৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. স্বাস্থ্য
  3. জনপ্রশাসন
  4. পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি খাত:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।

• বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় মূল খাতগুলো হলো- 
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ)।

• এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ৩টি খাত হচ্ছে -

• ”জনপ্রশাসন” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ- ১,৮৬,০৮৮ (২৩.৫%)।
• ”শিক্ষা ও প্রযুক্তি” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-১,১০,৬৫৭ (১৪%)।
• ”পরিবহন ও যোগাযোগ” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-৭১,৩৪৪ (৯%)।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।

১৯.
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  2. ৪ লক্ষ টাকা
  3. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  4. ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:

- ​সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

২০.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম কবে প্রথম শুরু হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৭ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।
- বর্তমানে - জনপ্রতি মাসে ৬৫০ টাকা হারে এ ভাতা প্রদান করা হয় (২০২৫-২৬ অর্থবছর)।
 
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।

২১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-অনুসারে দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী-
  1. চাকমা
  2. খাসিয়া
  3. ত্রিপুরা 
  4. মারমা 
ব্যাখ্যা

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-অনুসারে, খানার গড় আকার কত?
  1. ২.৫৬
  2. ৪.৯৮
  3. ৩.৫০
  4. ৩.৯৮
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২৩.
বাংলাদেশে খাসিয়াদের আদি নিবাস কোথায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সুনামগঞ্জ 
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৪.
’বৈসু’ কাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- বৈসু উৎসব এদের জীবনের সবচেয়ে বড় উৎসব।
- বৈসু উৎসব একটানা তিন দিন পালন করা হয়।
- এই তিন দিনের অনুষ্ঠানগুলির নাম হলো হারি বৈসু, বিসুমা বৈসু ও বিসিকাতাল বা আতাদাং বৈসু।
- বৈসু উৎসবের প্রথম দিন হারি বৈসু।
- এই দিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তারা ঘরদোর লেপেপোঁছে, বসতবাড়ি কাপড়চোপড় পরিস্কারপরিচ্ছন্ন করে।
- ত্রিপুরারা বিশেষ একপ্রকার গাছের পাতার রস আর হলুদের রস মিশিয়ে গোসল করে।
- ফুল দিয়ে ঘরবাড়ি সাজায়।
- উৎসবের দ্বিতীয় দিন বিসুমাতে ত্রিপুরারা নববর্ষকে স্বাগত জানায়, ধূপ, চন্দন ও প্রদীপ জ্বেলে পূজা দেয় ও উপাসনা করে।
- অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন বিসিকাতালে আমিষ খাবার গ্রহণে বাধা নেই।

উল্লেখ্য,
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব। বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।
- গারোদের উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।