পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৩ টপিক: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ, জাতীয় পুরস্কার অর্জন সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও খেলাধূলা লাহোর প্রস্তাব, ১৯৪৭ এর দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট, ছয়দফা, উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ [Live Class -19 & 20 মেন্টর: আসিফ আসাদ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কত সালে UNCTAD-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৬২
  2. ১৯৭২
  3. ১৯৮২
  4. ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
ব্যাখ্যা

UNCTAD:
- UNCTAD হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি স্থায়ী আন্তঃসরকারি সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ হলো: United Nations Conference on Trade and Development.
- এটি জাতিসংঘের স্থায়ী অঙ্গ হিসেবে  উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সামগ্রিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এ সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এই সংস্থাটির সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: UNCTAD এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. স্বাধীনতার আন্দোলন
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. কৃষক আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
-
পাকিস্তান সৃষ্টির আগে, ১৯৪৭ সালের মে মাসে চৌধুরী খলিকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দীন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করলে এর প্রতিবাদে একটি অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে তমুদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি মূলত ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটেই গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে তমদ্দুন মজলিস প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এবং ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্র-ভাষা বাংলা—না উর্দু?’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা – নবম-দশম শ্রেণি।

.
লাহোর প্রস্তাব কবে উত্থাপিত হয়?
  1.  ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৪০ সালের ১৭ মে
  3. ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
  4. ১৯৪৭ সালের ১৫ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব (Two-Nation Theory):
-
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা হলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- দ্বিজাতি তত্ত্ব একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- এই তত্ত্বমতে ব্রিটিশ ভারতের হিন্দু ও মুসলিম দুটি পৃথক জাতি, যাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস, জীবনধারা ও রীতিনীতি এতটাই ভিন্ন যে তারা একসাথে একটি রাষ্ট্রে থাকতে পারে না।
- তাই মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র, পাকিস্তান, প্রয়োজন।
∗ লাহোর প্রস্তাব:
- এই দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে এ. কে. ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। 
- যেখানে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অংশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে ভারত ভাগের ভিত্তি রচিত হয় এবং এটি পরবর্তীতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- আর দ্বিজাতি তত্ত্বের ফলেই ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে দুটি পৃথক রাষ্ট্র, পাকিস্তান ও ভারত, প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
  1. ওহিউল্লাহ
  2. রফিকউদ্দিন আহমদ
  3. আব্দুল বরকত
  4. আব্দুস সালাম
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

প্রথম শহীদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিকউদ্দিন আহমদ।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।
- তাকে আজিমপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 • প্রেক্ষাপট: 
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” 
- এর প্রতিক্রিয়ায় ৩১ জানুয়ারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দলের সভায় আলাউদ্দিন রহমান খানের সভাপতিত্বে কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের নেতৃত্বে ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে। 
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়। 
- এই মিছিলে রফিকউদ্দিন আহমদের সঙ্গে শহীদ হন আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বার প্রমুখ।
- নয় বছরের শিশু ওহিউল্লাহও পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস:
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
বাংলাপিডিয়া।

.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. মোঃ নুরুল আমীন
  4. মালিক গোলাম মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
মালিক গোলাম মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক গোলাম মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করলে এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল
- আন্দোলনটি ১৯৪৮ সালে শুরু হয় এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত রূপ নেয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মুহাম্মদ যিনি ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- এই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন।
- এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।

উল্লেখ্য, 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে।
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়।
- এই দিনে রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হন।
- এটি ছিল শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম বড় প্রতিবাদ।

উৎস:
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
বাংলাপিডিয়া।

.
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. নূরুল ইসলাম 
  4. আ স ম আবদুর রব 
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব 
ব্যাখ্যা

পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ ১৯৭১:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো ২মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। 
- এই দিনটি পরবর্তীতে “পতাকা দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- আ. স. ম. আবদুর রব তখন ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি ছিলেন।
- স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে তিনি পতাকা উত্তোলন করেন।
- পতাকায় সবুজের ওপর লাল বৃত্তের মধ্যে সোনালি মানচিত্র আঁকা ছিল।

উল্লেখ্য,
• ৩ মার্চ ১৯৭১: 
- এই দিন জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা”-র সঙ্গে পতাকাটি পুনরায় উত্তোলিত হয়;
- এটি ছিল প্রথমবার জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
• ২৩ মার্চ ১৯৭১: 
- পাকিস্তান দিবসের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গ্রহণ করা হয়।

উৎস :
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি);
বাংলাপিডিয়া।

.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  3. শিক্ষা নীতি
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
ব্যাখ্যা

• ছয় দফা কর্মসূচি:
- ছয় দফা কর্মসূচিকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ভিত্তি গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। -
- ছয় দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল:
∗ পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্রে রূপান্তর করা;
∗ এবং পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা।
- এই কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর মহাসম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবিসহ ছয় দফা ঘোষণা করেন।
- এই ছয় দফা ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়।
- ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” অন্তর্ভুক্ত ছিল না- শিক্ষা নীতি।


উল্লেখ্য, 
ছয় দফার দফাগুলো ছিল:
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন;
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা;
৩. মুদ্রা ও অর্থ-সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৪. রাজস্ব, কর ও শুল্কের নিয়ন্ত্রণ;
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য সম্পর্কিত ক্ষমতা;
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা;
- এই কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
বাংলাপিডিয়া। 

.
”শহীদ আসাদ দিবস” পালিত হয় কবে?
  1. ২০ জানুয়ারি
  2. ২৫ জানুয়ারি
  3. ৩০ জানুয়ারি
  4. ১৫ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

”শহীদ আসাদ দিবস”:
-
১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাস্যের বিরুদ্ধে ছাত্রদের অসন্তোষ থেকে আন্দোলন শুরু হয়, যা পরে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র আসাদ।
- ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন।
- এরপর থেকে ২০ জানুয়ারি "শহীদ আসাদ দিবস” হিসেবে পালিত হয়।
- আসাদের স্মরণে ঢাকার মোহাম্মদপুরে 'আইয়ুব গেট' এর পরিবর্তে 'আসাদ গেট' নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৮ সালে শ্রমিক, কৃষক ও নিম্ন-মধ্য আয়ের পেশাজীবীরা এতে যোগ দিয়ে স্বায়ত্তশাসন, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা শুরু করে। 
- ১৯৬৯ সালে এই আন্দোলন ধীরে ধীরে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়। 
- মওলানা ভাসানী এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নেতা ঘেরাও, হরতাল ও গণসভা আয়োজনের মাধ্যমে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হন, যা থেকে আসাদ দিবস পালিত হয়।
- টানা আন্দোলনের ফলে ২৪ জানুয়ারি আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পতিত হয়।
- গণঅভ্যুত্থান পূর্ববাংলায় রাজনৈতিক সচেতনতা, শ্রেণি চেতনা এবং আলাদা রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে।
- যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: প্রথম আলো।

.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে কে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?
  1. তামিম
  2. সাব্বির
  3. লিটন দাস
  4. মুশফিকুর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ক্রিকেটের দশম সদস্য।
- তারা ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির সভায় এই মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচ হয় ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- এই ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- আর প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।

উৎস: 
প্রথম আলো;
বাংলাদেশ টেলিভিশন।

১০.
বাংলাদেশ কত সালে কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- এটি পূর্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত।
- এই সংগঠনের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।
- কমনওয়েলথের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ৫৬টি দেশ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।

উল্লেখ্য,
- এর মূল লক্ষ্য হলো শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রচার করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- ও জ্ঞান-অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি নিশ্চিত করা। 
- এছাড়াও কমনওয়েলথ উন্নয়নমূলক সহায়তা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা উন্নয়ন, আইন প্রণয়নে সহায়তা করে।
- নারী ও যুবসমাজের অধিকার ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির কাজেও এটি নিয়োজিত থাকে। 

উৎস: Britannica.

১১.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির ১৭নং দফা কি ছিল?
  1. বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি করার দাবি
  2. পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন রাজ্য ঘোষণার দাবি
  3. শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
  4. কৃষকদের জমি বিনামূল্যে বিতরণ
সঠিক উত্তর:
শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়- ৪ ডিসেম্বর,১৯৫৩।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের আগে ঘোষিত একটি নির্বাচনী ইশতেহার।
- এই ২১ দফা ভাষা আন্দোলনের চেতনার স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটায়।
- এই কর্মসূচির প্রথম ও প্রধান দফা ছিল—বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।
- এর মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ভাষাগত অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরা হয়।
- আর ১৭নং দফা ছিল- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ ঘটনাস্থলে শহিদ মিনার নির্মাণ করা এবং শহিদদের পরিবারবর্গকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- এই ২১ দফা কর্মসূচির খসড়া প্রণয়ন করেন আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি ছিল এ. কে. ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত একটি সম্মিলিত রাজনৈতিক কর্মসূচি।
- এই কর্মসূচি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
The Daily Star Bangla.

১২.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল কোনটি? 
  1. এনটিভি
  2. এটিএন বাংলা
  3. চ্যানেল আই
  4. একুশে
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
ব্যাখ্যা

• গণমাধ্যম:
-
গণমাধ্যমকে বলা হয় গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ।
- বাংলাদেশের গণমাধ্যম একটি বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্র।
- যা সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে গঠিত।
- এটি সংবাদ, বিশ্লেষণ ও বিনোদন পরিবেশন করে এবং সাংবিধানিকভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রদান করে।
- রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- দেশের তথ্য প্রবাহে বেসরকারি টেলিভিশন ও এফএম রেডিওর সংখ্যাও অনেক বেশি। 
- তবে, স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও গণমাধ্যম বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল:
- স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার ব্যবস্থা।
- এটিএন বাংলা ১৫ জুলাই, ১৯৯৯ সালে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।

উল্লেখ্য, 
• প্রকাশনা ও সংবাদপত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র: বেঙ্গল গেজেট।
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র: ঢাকা প্রকাশ (প্রকাশিত: ৮ মার্চ, ১৮৬১)।

• টেলিভিশন ও চ্যানেল:
- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল: এটিএন বাংলা।
- বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র: ২টি (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্র: ১৪টি।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের পুনঃপ্রচার কেন্দ্র: ১টি (রাঙ্গামাটি)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক: একতলা দোতলা।
- ২০০৪ সালে বাংলাদেশ বিটিভি বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের জন্য বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে উপগ্রহভিত্তিক চ্যানেল স্থাপন করে।

• সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ সংস্থা: বিডি নিউজ।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭২।

উৎস:
প্রথম আলো;
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট।

১৩.
২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে বিজ্ঞান শাখায় পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. রেজাউর রহমান
  2. সলিমুল্লাহ খান
  3. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
  4. মাসুদ খান
সঠিক উত্তর:
রেজাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজাউর রহমান
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:   
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার সমসাময়িক জীবিত লেখকদের মৌলিক অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
- এই পুরস্কার বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় প্রদান করা হয়।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কার (মূলত ২০২৪ সালের জন্য) ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে বিজ্ঞান শাখায় পুরস্কার পেয়েছেন- রেজাউর রহমান।

উল্লেখ্য,
• বাংলা একাডেমি ২০২৪ এর পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- কবিতা: মাসুদ খান।
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য: শুভাশিস সিনহা।
- প্রবন্ধ/গদ্য: সলিমুল্লাহ খান।
- অনুবাদ: জি এইচ হাবীব।
- গবেষণা: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া।
- ফোকলোর: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪.
বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি পদক
  2. সাহিত্য পদক
  3. স্বাধীনতা পদক
  4. একুশে পদক
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পুরস্কার হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- এটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হয়ে আসছে।
- প্রতি বছর ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে মন্ত্রীপরিষদ এই স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে ।
- পদকটি প্রথম প্রবর্তন করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। 

উল্লেখ্য,
• ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তির তালিকা:
- জামাল নজরুল ইসলাম – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
- মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ – সাহিত্য।
- নভেরা আহমেদ – সংস্কৃতি।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ – সমাজসেবা।
- মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান (আজম খান) – মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি।
- বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর – শিক্ষা ও গবেষণা।
- আবরার ফাহাদ – প্রতিবাদী তারুণ্য।

উৎস:
১. প্রথম আলো [মার্চ, ২০২৫];
২. বাংলাপিডিয়া;
৩. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

১৫.
বাংলাদেশের সর্বশেষ কার্যকর শিক্ষা কমিশন কোনটি? 
  1. এম. এ. বারী শিক্ষা কমিশন
  2. মনিরুজ্জামান মিয়া শিক্ষা কমিশন
  3. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  4. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের সর্বশেষ ও কার্যকর শিক্ষা কমিশন হলো কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন, ২০০৯।
- এটি মূলত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নের জন্য গঠিত হয়েছিল এবং বর্তমানে দেশের মূল শিক্ষা রূপরেখা হিসেবে বিবেচিত।
- এই কমিশন ২০০১ সালের এম. এ. বারী শিক্ষা কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা ও পরিমার্জন করে ২০১০ সালের শিক্ষানীতির প্রস্তাব প্রস্তুত করে;
- যা ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- পরে, ২০১১ সালের ২৮ জুন, ওই সময়ের শিক্ষামন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কেন্দ্রীয় কমিটি’ গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কমিশন ও কমিটিগুলো হলো:
- কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন, ১৯৭২।
- শামসুল হক শিক্ষা কমিটি, ১৯৭৬।
- কাজী জাফর আহমেদ শিক্ষা কমিশন, ১৯৭৮।
- মজিদ খান শিক্ষা কমিশন, ১৯৮৩।
- মফিজউদ্দীন আহমদ শিক্ষা কমিশন, ১৯৮৭।
- শামসুল হক শিক্ষা কমিশন, ১৯৯৭।
- এম. এ. বারী শিক্ষা কমিশন, ২০০১
- মনিরুজ্জামান মিয়া শিক্ষা কমিশন, ২০০৩।
- কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন, ২০০৯।

উৎস: প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

১৬.
আইএসপিআর (ISPR) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়  
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

আইএসপিআর (ISPR):
- আইএসপিআর (ISPR) এর পূর্ণরূপ হলো- আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (Inter-Services Public Relations)।
- এটি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মিডিয়া ও জনসংযোগ শাখা।
- এই শাখাটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
- আইএসপিআর সশস্ত্র বাহিনীর সকল সংবাদ ও তথ্য প্রচার ও পরিচালনা করে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-এর মূল লক্ষ্য ছিল- সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা।

উৎস: আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

১৭.
Bangladesh Street কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. শিকাগো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
  4. হিউস্টন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’:
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩তম স্ট্রিট নতুন করে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’ নামে নামকরণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের ৫৩তম স্বাধীনতা দিবসে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এই নামকরণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিচয় ও কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেয়ার একটি মাধ্যম।
- এই উদ্যোগ বাঙালি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, 
- নামকরণের অনুষ্ঠানে কয়েকশ বাংলাদেশি অংশ নেন।
- এবং কুইন্স বরোর কাউন্সিল সদস্য ও সড়ক নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান শেখর কৃষ্ণান আনুষ্ঠানিকভাবে রাস্তার নতুন নামের ফলক উন্মোচন করেন।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশিরা নিজেদের ভাষা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় যে সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকার করেছে তা বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের গৌরব ও মর্যাদা তুলে ধরে।
- এই নামকরণ স্থানীয় জনগণ ও পরবর্তী প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উৎস:
১. The Business Standard;
২. প্রথম আলো।

১৮.
বাংলাদেশে IMF-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. গুলশান, ঢাকা
  2. আগারগাঁও, ঢাকা
  3. মতিঝিল, ঢাকা
  4. বনানী, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF - এর পূর্ণরূপ:  The International Monetary Fund.
- IMF ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- বাংলাদেশে IMF-এর কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪৪টি দেশ।
- বর্তমানে এর মোট ১৯১টি সদস্য দেশ আছে (আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো লিচেনস্টাইন।
- বাংলাদেশ IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।

উল্লেখ্য,
• IMF-এর প্রধান কাজ হলো:
- বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করা।
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করা।
- এবং সদস্য দেশগুলোকে আর্থিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা।
- IMF ঋণ প্রদান, অর্থনৈতিক নীতি পর্যালোচনা এবং আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করে।

উৎস: IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৯.
বাংলাদেশ কোন সালে BIMSTEC-এর সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে 
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• BIMSTEC:
- BIMSTEC = Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- বিমসটেক  হলো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক জোট।
- যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে: বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল এবং   ভুটান।
- এটি মূলত বহুমুখী প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হয়েছে।
- বিমসটেকের সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ BIMSTEC-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
- ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন BIMSTEC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই ঘোষণায় বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড স্বাক্ষর করে; ফলে বাংলাদেশ ১৯৯৭ সাল থেকেই BIMSTEC-এর সদস্যপদ অর্জন করে।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিকভাবে এটি BIST-EC নামে পরিচিত ছিল,
- পরে মিয়ানমার যোগদানের পর BIMSTEC-EC হয় এবং
- নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর চূড়ান্ত নাম BIMSTEC গৃহীত হয়।
- সংস্থার মূল কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে :
• আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য সহজীকরণ,
• প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়,
• জলবায়ু ঝুঁকি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,
• পরিবহন ও যোগাযোগ উন্নয়ন,
• শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, এবং
• সন্ত্রাসবাদ দমন ও নিরাপত্তা সমন্বযঅ্যান

উৎস: BIMSTEC Official Website.

২০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ-
  1. অস্ট্রেলিয়া 
  2. নিউজিল্যান্ড 
  3. ভুটান 
  4. সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
ভুটান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
- ভুটান ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ভুটানের পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
• ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পূর্ব জার্মানি।
• মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইরাক।
• এশিয়ার অ-আরব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া; এরপর মালয়েশিয়া।
• মুসলিম ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে সেনেগাল।
• সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কলম্বিয়া; এরপর ভেনেজুয়েলা।
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ওশেনিয়ান দেশ টোঙ্গা।

উৎস:
দৈনিক ইনকিলাব;
প্রথম আলো।