পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 01 [এই প্রশ্ন বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় প্রণীত] Topics: Microbiology: 1. Nature and structure of simple RNA virus (TMV) and DNA virus (T2 Phase), multiplication and transmission. 2. Prion and viroid: Structure, properties and importance. 3. Bacteria: Classification (diGerent types), reproduction, bacterial photosynthesis, transformation and transduction. 4. Economic importance of microbes [Source: Class - 01 and Relevant Books]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
Where do prions cause disease? (প্রিয়ন কোথায় রোগ সৃষ্টি করে?)
  1. In plant cells (উদ্ভিদকোষে)
  2. In fungi (ছত্রাকে)
  3. In bacteria (ব্যাকটেরিয়ায়)
  4. In animals (প্রাণিদেহে)
সঠিক উত্তর:
In animals (প্রাণিদেহে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In animals (প্রাণিদেহে)
ব্যাখ্যা
•⁠  ⁠প্রিয়ন এক ধরনের অতিআণুবীক্ষণিক সংক্রামক অণুজীব যা ভাইরাস ও ভিরয়েডস হতে পৃথক। এরা মানুষ, গরু ও ভেড়ার রোগ সৃষ্টি করে। প্রোটিন দ্বারা তৈরি এমন সংক্রামক সত্তাকে প্রিয়ন (Prion) বলা হয়। আমেরিকার স্নায়ুবিজ্ঞানী Stanley B. Frusiner এই স্বতন্ত্র সত্তাটিকে প্রিয়ন নামে আখ্যায়িত করেন।
•⁠  ⁠প্রিয়ন এক প্রকার সংক্রামক সত্তা।
•⁠  ⁠এটি শুধু প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
•⁠  ⁠এটি শুধু প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টি করে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রিয়ন জনিত কোন উদ্ভিদ রোগ আবিষ্কার হয়নি।
•⁠  ⁠প্রিয়ন প্রাণিদেহে স্নায়ুবিক রোগ সৃষ্টি করে।
•⁠  ⁠প্রিয়ন ভাইরাস থেকে প্রায় ১০০ গুণ ছোট।
.
Which is a biological property of viruses? (কোনটা ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্য?)
  1. Viruses are acellular (ভাইরাস অকোষীয়)
  2. They lack cytoplasm and ribosomes (সাইটোপ্লাজম ও রাইবোসোম নেই)
  3. Outside cells, viruses are inert like chemical particles (জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার মতো নিষ্ক্রিয়)
  4. Inside host cells, viruses can replicate (পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে)
সঠিক উত্তর:
Inside host cells, viruses can replicate (পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inside host cells, viruses can replicate (পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে)
ব্যাখ্যা
•⁠  ⁠ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য:
১। ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, কোষপ্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া এসব নেই।
২। এদের নিজস্ব কোনো বিপাকীয় এনজাইম নেই এবং খাদ্য গ্রহণ করে না ফলে পুষ্টি ক্রিয়াও নেই।
৩। ভাইরাস জীবকোষের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে প্রজননক্ষম নয়।
৪। ব্যাকটেরিয়ারোধক ফিল্টারে ভাইরাস ফিল্টারযোগ্য নয়।
৫। জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার মতো নিষ্ক্রিয়।
৬। ভাইরাস রাসায়নিকভাবে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিডের সমাহার মাত্র।

​•⁠  ⁠ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্য:
১। পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি (multiplication) করতে পারে।
২। নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মাতৃ ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে, অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে।
৩। ভাইরাসের দেহ জেনেটিক বস্তু DNA বা RNA এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
৪। ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী।
৫। ভাইরাস পরিব্যক্তি (mutation) ঘটাতে এবং প্রকরণ (variation) তৈরি করতে সক্ষম।
৬। এদের অভিযোজন ক্ষমতা রয়েছে।
৭। এদের বংশগতিয় পুনঃসমন্বয় (genetic recombination) ঘটে।
.
In which organisms do viroids cause disease? (ভিরয়েডস কোন জীবদেহে রোগ সৃষ্টি করে?)
  1. Humans (মানুষে)
  2. Animals (প্রাণীতে)
  3. Plants (উদ্ভিদে)
  4. Bacteria (ব্যাকটেরিয়ায়)
সঠিক উত্তর:
Plants (উদ্ভিদে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plants (উদ্ভিদে)
ব্যাখ্যা
•⁠  ⁠উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষুদ্রাকার নগ্ন একসূত্রক গোলাকার RNA দ্বারা গঠিত সংক্রামণকারী অণুকেই ভিরয়েডস বলে।
.
The host of Tungro virus is— (টুংগ্রো ভাইরাসের পোষকদেহ-)
  1. Tomato (টমেটো)
  2. Banana (কলা)
  3. Tobacco (তামাক)
  4. Rice (ধান)
সঠিক উত্তর:
Rice (ধান)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rice (ধান)
ব্যাখ্যা
রোগের নাম- ধানের টুংগ্রো রোগ
পোষকদেহ- ধান
ভাইরাসের নাম- টুংগ্রো ভাইরাস
পিডিএফ থেকে তালিকা পড়ে নিবেন।
.
Which bacterial structure helps it adhere to surfaces? (ব্যাকটেরিয়ার কোন গঠনটি পৃষ্ঠে লেগে থাকার জন্য সহায়ক?)
  1. Mesosome (মেসোসোম)
  2. Pili (পিলি)
  3. Chromosome (ক্রোমোসোম)
  4. Flagella (ফ্ল্যাজেলা)
সঠিক উত্তর:
Pili (পিলি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pili (পিলি)
ব্যাখ্যা
পিলি ছোট, চুলাকৃতি গঠন যা ব্যাকটেরিয়াকে পৃষ্ঠে আটকে থাকতে এবং DNA বিনিময়ে সাহায্য করে।
.
In bacteria, mesosomes help in— (মেসোসোম ব্যাকটেরিয়াতে কোন কাজে সাহায্য করে?)
  1. Defense against attack (আক্রমণ প্রতিরোধ)
  2. Movement (চলাচল)
  3. Respiration and cell division (শ্বাসক্রিয়া ও বিভাজন)
  4. Nutrition (পুষ্টি গ্রহণ)
সঠিক উত্তর:
Respiration and cell division (শ্বাসক্রিয়া ও বিভাজন)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Respiration and cell division (শ্বাসক্রিয়া ও বিভাজন)
ব্যাখ্যা
মেসোসোম হলো প্লাজমা মেমব্রেনের ভাঁজ, যা কোষ বিভাজন ও শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
 
.
Compared to prions, viruses are— (প্রিয়নের তুলনায় ভাইরাস কত বড়?)
  1. 10 times smaller (১০ গুণ ছোট)
  2. 100 times smaller (১০০ গুণ ছোট)
  3. 10 times larger (১০ গুণ বড়)
  4. 100 times larger (১০০ গুণ বড়)
সঠিক উত্তর:
100 times larger (১০০ গুণ বড়)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100 times larger (১০০ গুণ বড়)
ব্যাখ্যা
•⁠  ⁠প্রিয়ন এক প্রকার সংক্রামক সত্তা।
•⁠  ⁠এটি শুধু প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
•⁠  ⁠এটি শুধু প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টি করে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রিয়ন জনিত কোন উদ্ভিদ রোগ আবিষ্কার হয়নি।
•⁠  ⁠প্রিয়ন প্রাণিদেহে স্নায়ুবিক রোগ সৃষ্টি করে।
•⁠  ⁠প্রিয়ন ভাইরাস থেকে প্রায় ১০০ গুণ ছোট।
 
.
Bacteria move by— (ব্যাকটেরিয়া চলাচল করে—)
  1. Cilia (সিলিয়ার সাহায্যে)
  2. Pili (পিলির সাহায্যে)
  3. Flagella (ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে)
  4. All of the above (উপরের সবগুলোই)
সঠিক উত্তর:
Flagella (ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flagella (ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে)
ব্যাখ্যা
নিচে একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়ামের গঠন সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়া নিম্ন লিখিত উপাদান দিয়ে গঠিত:
১.⁠ ⁠কোষ প্রাচীর (Cell Wall)
২.⁠ ⁠ক্যাপসিউল (Capsule): জেলি সদৃশ বাইরের স্তর, রোগ সৃষ্টিতে সহায়ক এবং প্রতিরক্ষা কোষকে এড়িয়ে যেতে সাহায্য করে।
৩.⁠ ⁠ফ্ল্যাজেলা (Flagella): সুতা আকৃতির অঙ্গ, ব্যাকটেরিয়াকে চলাচলে সাহায্য করে।
৪.⁠ ⁠পিলি (Pili): ছোট চুলের মতো গঠন, পৃষ্ঠে আটকে থাকতে ও DNA বিনিময়ে সহায়ক।
৫.⁠ ⁠প্লাজমা মেমব্রেন (Plasma Membrane): কোষের অভ্যন্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকে, বিভিন্ন উপাদান প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করে।
৬.⁠ ⁠মেসোসোম (Mesosome): কোষ বিভাজন ও শ্বাসক্রিয়ায় সহায়ক মেমব্রেনের ভাঁজ।
৭.⁠ ⁠সাইটোপ্লাজম (Cytoplasm): কোষের অভ্যন্তরে তরল পদার্থ, যেখানে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া ঘটে।
৮.⁠ ⁠ক্রোমোসোম (Chromosome): প্রধান জিনবাহী অংশ, একটি বৃত্তাকার DNA অণু।
৯.⁠ ⁠প্লাসমিড (Plasmid): অতিরিক্ত ছোট DNA, যেটি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধসহ বিশেষ বৈশিষ্ট্য বহন করে।
 
.
Which of the following is NOT a viral disease? (কোনটি ভাইরাস ঘটিত রোগ নয়?)
  1. Chikungunya (চিকুনগুনিয়া)
  2. Herpes (হার্পিস)
  3. Rabies (জলাতঙ্ক)
  4. Scrapie (স্ক্রাপি)
সঠিক উত্তর:
Scrapie (স্ক্রাপি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Scrapie (স্ক্রাপি)
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া, হার্পিস, জলাতঙ্ক ইত্যাদি ভাইরাস ঘটিত রোগ। অপরদিকে স্ক্রাপি হচ্ছে প্রিয়ন ঘটিত রোগ। ভেড়ার স্ক্রাপি রোগ হয় প্রিয়নের কারণে।
১০.
Which of the following is a rod-shaped bacterium? (নিচের কোনটি দণ্ডাকৃতি ব্যাকটেরিয়া?)
  1. Vibrio cholerae
  2. Streptococcus pyogenes
  3. Bacillus subtilis
  4. Micrococcus luteus
সঠিক উত্তর:
Bacillus subtilis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bacillus subtilis
ব্যাখ্যা
কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
​যথা- ১। কক্কাস, ২। ব্যাসিলাস, ৩। কমাকৃতি, ৪। স্পাইরিলাম, ৫। বহুরূপি, ৬। স্টিলেট বা তারকাকার এবং ৭। বর্গাকৃতির।

​১. কক্কাস (Coccus) (বহুবচনে কক্কাই, Pl. Cocci): যে সব ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি প্রায় গোলাকার তাদেরকে কক্কাস বলে। কক্কাসকে আবার ছয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
​ যথা-
  (ক) মাইক্রোকক্কাস বা মনোকক্কাস (Micrococcus): যেসব ব্যাকটেরিয়া গোলাকার এবং একা একা থাকে তাদেরকে মাইক্রোকক্কাস বা মনোকক্কাস বলে; উদাহরণ- Micrococcus denitrificans.
  (খ) ডিপ্লোকক্কাস (Diplococcus): দেখতে গোলাকার এবং এ ব্যাকটেরিয়াসমূহ জোড়ায় জোড়ায় থাকে; উদাহরণ- Diplococcus pneumoniae.
  (গ) টেট্রাকক্কাস (Tetracoccus): যখন চারটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া একই তলে একত্রে বাস করে; উদাহরণ- Gaffkya tetragena।
  (ঘ) স্ট্রেপটোকক্কাস (Streptococcus): এরাও দেখতে গোলাকার এবং চেইন (chain) বা মালার মতো সাজানো থাকে; উদাহরণ- Streptococcus lactis.
  (ঙ) স্ট্যাফাইলোকক্কাস (Staphylococcus): এগুলো গোলাকৃতি ব্যাকটেরিয়া এবং অনিয়মিত গুচ্ছাকারে সাজানো থাকে, যা দেখতে অনেকটা আঙ্গুরের থোকার ন্যায় দেখায়; উদাহরণ- Staphylococcus aureus.
  (চ) সারসিনা (Sarcina): এগুলো দেখতে গোলাকার। কক্কাস জাতীয় ব্যাক্টেরিয়াগুলো একত্রে সমান সমান দৈর্ঘ্যে, প্রন্থে ও উচ্চতায় একটি ঘনতলের মতো গঠন তৈরি করে তখন তাকে সারসিনা বলে; উদাহরণ- Sarcina lutea.

​২. ব্যাসিলাস (Bacillus) (বহুবচনে ব্যাসিলি Pl. bacillil): দণ্ডাকৃতির ব্যাক্টেরিয়াকে ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া বলে; উদাহরণ- Bacillus albus, Clostridium botulinum, Pseudomonas tabaci ইত্যাদি।
ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া নিম্নলিখিত ধরনের-
  ক) মনোব্যাসিলাস (Monobacillus): যখন ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া এককভাবে থাকে তখন তাকে মনোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Bacillus albus, Escherichia coli.
  খ) ডিপ্লোব্যাসিলাস (Diplobacillus): দুটি ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া একত্রে যুক্ত অবস্থায় থাকলে তাকে ডিপ্লোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Moraxella lacunata. 
  গ) স্ট্রেপটোব্যাসিলাস (Streptobacillus): দুইয়ের অধিক ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া একত্রে যুক্ত হয়ে লম্বা সূত্রাকার গঠন তৈরি করে তখন তাকে স্ট্রেপটোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Streptobacillus moniliformis.
  ঘ) কক্কোব্যাসিলাস (Coccobacillus): যখন ব্যাকটেরিয়াগুলো সামান্য লম্বা বা কতকটা ডিম্বাকার হয় তখন তাকে কক্কোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ-Salmonella, Mycobacterium.
  ঙ) প্যালিসেড ব্যাসিলাস (Palisade bacillus): কখনো কখনো ব্যাসিলাস জাতীয় ব্যাকটেরিয়াগুলো পাশাপাশি সমান্তরালভাবে অবস্থান করে অলীক টিস্যুর ন্যায় গঠন তৈরি করে তখন তাকে প্যালিসেড ব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ-Lampropedia sp.

​৩. কমাকৃতি বা ভিব্রিও (Comma or Vibrio): যেসব ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কমা চিহ্নের ন্যায় তাদের কমা ব্যাকটেরিয়া বলা হয়; উদাহরণ- Vibrio cholerae.

​৪. স্পাইরিলাম (Spirillum) (বহুবচনে স্পাইরিলা Pl. spirilla): প্যাঁচানো বা সর্পিলাকার ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম বলে; উদাহরণ- Spirillum minus.

​৫. বহুরূপি (Pleomorphic): সুনির্দিষ্ট আকারবিহীন ব্যাকটেরিয়াকে বহুরূপি ব্যাকটেরিয়া বলা হয়; উদা. Rhizobium sp.

​৬. স্টিলেট বা তারকাকার (Stellate or Star shaped): এরা দেখতে অনেকটা তারকার ন্যায়; যেমন- Stella sp.

​৭. বর্গাকৃতির (Square shaped): চার বাহুবিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকেই বর্গাকৃতির ব্যাকটেরিয়া বলা হয়। যেমন- Haloquadratum walsbyi।

​৮. ফিলামেন্টাস (Filamentus): এদের গঠন যখন সূত্রাকার হয় তখন তাকে ফিলামেন্টাস বলে। যেমন, Candidatus savagella
১১.
The protein coat of a virus is called— (ভাইরাসের প্রোটিন আবরণকে বলা হয়-)
  1. Nucleotide (নিউক্লিওটাইড)
  2. Capsid (ক্যাপসিড)
  3. Flagella (ফ্লাজেলা)
  4. Chitin (কাইটিন)
সঠিক উত্তর:
Capsid (ক্যাপসিড)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Capsid (ক্যাপসিড)
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের বিভিন্ন গঠন হয়ে থাকে। সাধারণভাবে ভাইরাসের গঠন নিম্নরূপ -
প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত।
যথা:
১) প্রোটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড, ও,
২) নিউক্লিক এসিড
১২.
A viroid is — (ভিরয়েড হলো -)
  1. A protein-type pathogen (প্রোটিনজাত জীবাণু)
  2. A DNA virus (DNA ভাইরাস)
  3. An infectious RNA particle (সংক্রামক RNA কণিকা)
  4. A bacterium (ব্যাকটেরিয়া)
সঠিক উত্তর:
An infectious RNA particle (সংক্রামক RNA কণিকা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An infectious RNA particle (সংক্রামক RNA কণিকা)
ব্যাখ্যা
ভিরয়েড হলো খুব ছোট, একমাত্র RNA দিয়ে তৈরি সংক্রামক অণু, যা কোনো প্রোটিন কোট (coat) ছাড়া থাকে। 
​অর্থাৎ এটি ভাইরাসের মতো প্রোটিন শেল (capsid) থাকে না।
১৩.
Spherical bacteria are called— (গোলাকৃতি ব্যাকটেরিয়াকে কী বলে?)
  1. Bacillus
  2. Spirillum
  3. Coccus
  4. Vibrio
সঠিক উত্তর:
Coccus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coccus
ব্যাখ্যা
কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
​যথা- ১। কক্কাস, ২। ব্যাসিলাস, ৩। কমাকৃতি, ৪। স্পাইরিলাম, ৫। বহুরূপি, ৬। স্টিলেট বা তারকাকার এবং ৭। বর্গাকৃতির।

​১. কক্কাস (Coccus) (বহুবচনে কক্কাই, Pl. Cocci): যে সব ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি প্রায় গোলাকার তাদেরকে কক্কাস বলে। কক্কাসকে আবার ছয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
​ যথা-
  (ক) মাইক্রোকক্কাস বা মনোকক্কাস (Micrococcus): যেসব ব্যাকটেরিয়া গোলাকার এবং একা একা থাকে তাদেরকে মাইক্রোকক্কাস বা মনোকক্কাস বলে; উদাহরণ- Micrococcus denitrificans.
  (খ) ডিপ্লোকক্কাস (Diplococcus): দেখতে গোলাকার এবং এ ব্যাকটেরিয়াসমূহ জোড়ায় জোড়ায় থাকে; উদাহরণ- Diplococcus pneumoniae.
  (গ) টেট্রাকক্কাস (Tetracoccus): যখন চারটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া একই তলে একত্রে বাস করে; উদাহরণ- Gaffkya tetragena।
  (ঘ) স্ট্রেপটোকক্কাস (Streptococcus): এরাও দেখতে গোলাকার এবং চেইন (chain) বা মালার মতো সাজানো থাকে; উদাহরণ- Streptococcus lactis.
  (ঙ) স্ট্যাফাইলোকক্কাস (Staphylococcus): এগুলো গোলাকৃতি ব্যাকটেরিয়া এবং অনিয়মিত গুচ্ছাকারে সাজানো থাকে, যা দেখতে অনেকটা আঙ্গুরের থোকার ন্যায় দেখায়; উদাহরণ- Staphylococcus aureus.
  (চ) সারসিনা (Sarcina): এগুলো দেখতে গোলাকার। কক্কাস জাতীয় ব্যাক্টেরিয়াগুলো একত্রে সমান সমান দৈর্ঘ্যে, প্রন্থে ও উচ্চতায় একটি ঘনতলের মতো গঠন তৈরি করে তখন তাকে সারসিনা বলে; উদাহরণ- Sarcina lutea.

​​২. ব্যাসিলাস (Bacillus) (বহুবচনে ব্যাসিলি Pl. bacillil): দণ্ডাকৃতির ব্যাক্টেরিয়াকে ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া বলে; উদাহরণ- Bacillus albus, Clostridium botulinum, Pseudomonas tabaci ইত্যাদি।
ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া নিম্নলিখিত ধরনের-
  ক) মনোব্যাসিলাস (Monobacillus): যখন ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া এককভাবে থাকে তখন তাকে মনোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Bacillus albus, Escherichia coli.
  খ) ডিপ্লোব্যাসিলাস (Diplobacillus): দুটি ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া একত্রে যুক্ত অবস্থায় থাকলে তাকে ডিপ্লোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Moraxella lacunata. 
  গ) স্ট্রেপটোব্যাসিলাস (Streptobacillus): দুইয়ের অধিক ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া একত্রে যুক্ত হয়ে লম্বা সূত্রাকার গঠন তৈরি করে তখন তাকে স্ট্রেপটোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ- Streptobacillus moniliformis.
  ঘ) কক্কোব্যাসিলাস (Coccobacillus): যখন ব্যাকটেরিয়াগুলো সামান্য লম্বা বা কতকটা ডিম্বাকার হয় তখন তাকে কক্কোব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ-Salmonella, Mycobacterium.
  ঙ) প্যালিসেড ব্যাসিলাস (Palisade bacillus): কখনো কখনো ব্যাসিলাস জাতীয় ব্যাকটেরিয়াগুলো পাশাপাশি সমান্তরালভাবে অবস্থান করে অলীক টিস্যুর ন্যায় গঠন তৈরি করে তখন তাকে প্যালিসেড ব্যাসিলাস বলে; উদাহরণ-Lampropedia sp.

​​৩. কমাকৃতি বা ভিব্রিও (Comma or Vibrio): যেসব ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কমা চিহ্নের ন্যায় তাদের কমা ব্যাকটেরিয়া বলা হয়; উদাহরণ- Vibrio cholerae.

​​৪. স্পাইরিলাম (Spirillum) (বহুবচনে স্পাইরিলা Pl. spirilla): প্যাঁচানো বা সর্পিলাকার ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম বলে; উদাহরণ- Spirillum minus.

​​৫. বহুরূপি (Pleomorphic): সুনির্দিষ্ট আকারবিহীন ব্যাকটেরিয়াকে বহুরূপি ব্যাকটেরিয়া বলা হয়; উদা. Rhizobium sp.

​​৬. স্টিলেট বা তারকাকার (Stellate or Star shaped): এরা দেখতে অনেকটা তারকার ন্যায়; যেমন- Stella sp.

​​৭. বর্গাকৃতির (Square shaped): চার বাহুবিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকেই বর্গাকৃতির ব্যাকটেরিয়া বলা হয়। যেমন- Haloquadratum walsbyi।

​​৮. ফিলামেন্টাস (Filamentus): এদের গঠন যখন সূত্রাকার হয় তখন তাকে ফিলামেন্টাস বলে। যেমন, Candidatus savagella
১৪.
The literal meaning of the word “virus” is— (ভাইরাস শব্দটির অর্থ- )
  1. Microorganism (অণুজীব)
  2. Germ (জীবাণু)
  3. Bacterium (ব্যাকটেরিয়া)
  4. Poison (বিষ)
সঠিক উত্তর:
Poison (বিষ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poison (বিষ)
ব্যাখ্যা
ভাইরাস হলো রোগসৃষ্টিকারী বস্তু। ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিষ

​ ভাইরাস আকারে এতোই ছোট যে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা যায় না। তাই ভাইরাসকে বলা হয় অতি-আণুবীক্ষণিক (ultra-microscopic); অর্থাৎ ভাইরাস হলো রোগসৃষ্টিকারী অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু।
১৫.
The body of a virus is composed of— (ভাইরাসের দেহ গঠিত হয়—)
  1. Cell and cytoplasm (কোষ ও সাইটোপ্লাজম দিয়ে)
  2. Protein and nucleic acid (প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে)
  3. Protein and cell membrane (প্রোটিন ও সেল মেমব্রেন দিয়ে)
  4. RNA and cytoplasm (RNA ও সাইটোপ্লাজম দিয়ে)
সঠিক উত্তর:
Protein and nucleic acid (প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protein and nucleic acid (প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে)
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের দেহ বাইরের প্রোটিন আবরণ এবং অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA অথবা RNA) এই দু'টি অংশ নিয়ে গঠিত। ভাইরাস হলো নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত রোগসৃষ্টিকারী অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা ভাইরাস জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধির মাধ্যমে রোগ সৃষ্টি করে থাকে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে।
১৬.
Viroids were first discovered by— (ভিরয়েড প্রথম আবিষ্কার করেন—)
  1. Robert Koch (রবার্ট কক)
  2. Tim Berners-Lee (টিম বার্নার্স লি)
  3. T. Diener (টি. ডিনার)
  4. Stanley Prusiner (স্ট্যানলি প্রুসিনার)
সঠিক উত্তর:
T. Diener (টি. ডিনার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T. Diener (টি. ডিনার)
ব্যাখ্যা
ভিরয়েড প্রথম T. Diener (1971) দ্বারা আবিষ্কৃত হয়।
তিনি উদ্ভিদ রোগ, বিশেষ করে Potato spindle tuber disease-এর কারণ হিসেবে এই ছোট, প্রোটিনশূন্য RNA অণু চিহ্নিত করেন।
১৭.
Why are viruses called “acellular”? (ভাইরাসকে কেন ‘অকোষীয়’ বলা হয়?)
  1. Because they lack a cell wall (কারণ এতে সেল ওয়াল নেই)
  2. Because they have no nucleus (কারণ এতে কোনো নিউক্লিয়াস নেই)
  3. Because they are not made of cells (কারণ ভাইরাস কোষ দ্বারা গঠিত নয়)
  4. Because they are not microorganisms (কারণ এটি অণুজীব নয়)
সঠিক উত্তর:
Because they are not made of cells (কারণ ভাইরাস কোষ দ্বারা গঠিত নয়)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Because they are not made of cells (কারণ ভাইরাস কোষ দ্বারা গঠিত নয়)
ব্যাখ্যা
- ভাইরাস অকোষীয় কারণ ভাইরাসের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, কোষপ্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া এসব অঙ্গানু নেই। এছাড়াও এদের নিজস্ব কোনো বিপাকীয় এনজাইম নেই এবং খাদ্য গ্রহণ করে না ফলে পুষ্টি ক্রিয়াও নেই।ভাইরাস জীবকোষের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে প্রজননক্ষম নয়। ব্যাকটেরিয়ারোধক ফিল্টারে ভাইরাস ফিল্টারযোগ্য নয়। ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায়, তলানিকরণ করা যায়। জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার মতো নিষ্ক্রিয়। ভাইরাসের দৈহিক বৃদ্ধি নেই এবং পরিবেশের উদ্দীপনায় সাড়া দেয় না। ভাইরাস রাসায়নিকভাবে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিডের সমাহার মাত্র।
১৮.
The shape of the T2 phage virus is— (T2 ফায ভাইরাসের আকৃতি- )
  1. Oval (ডিম্বাকার)
  2. Tadpole-like (ব্যাঙাচি)
  3. Bread-like (পাউরুটি)
  4. Rod-shaped (দণ্ডাকার)
সঠিক উত্তর:
Tadpole-like (ব্যাঙাচি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tadpole-like (ব্যাঙাচি)
ব্যাখ্যা
আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসকে নিম্নলিখিত বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা:

i) দণ্ডাকার: এদের আকার অনেকটা দূণ্ডের মতো। 
​উদাহরণ- টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV), দণ্ডাকার (Rod-shapedআলফা-আলফা মোজাইক ভাইরাস, মাম্পস ভাইরাস।

​ii) গোলাকার (Spherical): এদের আকার অনেকটা গোলাকার। 
​উদাহরণ- পোলিও ভাইরাস, TIV, HIV, ডেঙ্গু ভাইরাস।

​iii) ঘনক্ষেত্রাকার/বহুভুজাকার (Cubical/Polygonal): এসব ভাইরাস দেখতে অনেকটা পাউরুটির মতো। 
​যেমন- হার্পিস, ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস।

​iv) ব্যাঙ্গাচি আকার (Tadpole shaped)। এরা মাথা ও লেজ- এ দুই অংশে বিভক্ত। 
​উদাহরণ- T2, T4, T6 ইত্যাদি।

​v) সিলিন্ড্রিক্যাল/সূত্রাকার (Cylindrical/Thread shaped)। এদের আকার লম্বা সিলিন্ডারের মতো। 
​যেমন- Ebola virus ও মটরের স্ট্রিক ভাইরাস।

​vi) ডিম্বাকার (Oval shaped): এরা অনেকটা ডিম্বাকার। 
​উদাহরণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।
১৯.
The bacterium responsible for souring milk is — (দুধ টক হওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া —)
  1. Clostridium (ক্লোস্ট্রিডিয়াম)
  2. Lactobacillus (ল্যাক্টোব্যাসিলাস)
  3. Salmonella (সালমোনেলা)
  4. Staphylococcus (স্ট্যাফিলোকক্কাস)
সঠিক উত্তর:
Lactobacillus (ল্যাক্টোব্যাসিলাস)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lactobacillus (ল্যাক্টোব্যাসিলাস)
ব্যাখ্যা
ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধ টক হওয়ার জন্য দায়ী। ভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব পিডিএফ থেকে পড়ে নিবেন।
২০.
Which is a viroid-caused disease? (কোনটি ভিরয়েডস জনিত রোগ?)
  1. Fatal familial insomnia
  2. Scrapie
  3. Potato spindle tuber disease
  4. Typhoid
সঠিক উত্তর:
Potato spindle tuber disease
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Potato spindle tuber disease
ব্যাখ্যা
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্রিয়ন ও ভিরয়েডস জনিত রোগ গুলো পিডিএফ থেকে পড়ে নিবেন।
২১.
When do viruses become active? (ভাইরাস কখন সক্রিয় হয়?)
  1. Outside a living body (জীবদেহের বাইরে)
  2. In a dry environment (যখন শুষ্ক পরিবেশে থাকে)
  3. After entering a living organism (জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর)
  4. On contact with water (পানির সংস্পর্শে এলে)
সঠিক উত্তর:
After entering a living organism (জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
After entering a living organism (জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর)
ব্যাখ্যা
ভাইরাস হলো নিউক্লিক অ্যাসিড (কেন্দ্রীয় অংশ) ও প্রোটিন (আবরণ) দিয়ে গঠিত অকোষীয়, অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা, বাধ্যতামূলক পরজীবী জৈবকণা যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
২২.
If flagella are distributed all over the cell surface, it is called— (সারা শরীর জুড়ে ফ্ল্যাজেলা থাকলে সেটিকে বলা হয়-)
  1. Monotrichous (মোনোট্রিকাস)
  2. Peritrichous (পারিট্রিকাস)
  3. Cephalotrichous (সেফালোট্রিকাস)
  4. Lophotrichous (লোফোট্রিকাস)
সঠিক উত্তর:
Peritrichous (পারিট্রিকাস)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Peritrichous (পারিট্রিকাস)
ব্যাখ্যা
ফ্ল্যাজেলার ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার ৬ প্রকার। যথা-

১. অট্রিকাস (Atrichous):  কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই। উদাহরণ: Corynebacterium

​২. মোনোট্রিকাস (Monotrichous): এক প্রান্তে একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Vibrio cholerae.

​৩. লোফোট্রিকাস (Lophotrichous): এক প্রান্তে একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Pseudomonas fluorescens.

​৪. অ্যাম্ফিট্রিকাস (Amphitrichous): উভয় প্রান্তে একটি করে ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Alcaligenes faecalis.

​৫. সেফালোট্রিকাস (Cephalotrichous): এক প্রান্তে একাধিক ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Spirillum.

​৬. পারিট্রিকাস (Peritrichous): শরীরের চারদিকে ফ্ল্যাজেলা ছড়ানো থাকে। উদাহরণ: Escherichia coli, Salmonella spp.
২৩.
The nucleic acid of a viroid is— (ভিরয়েডের নিউক্লিক অ্যাসিড—)
  1. DNA
  2. DNA ও RNA
  3. RNA
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
RNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষুদ্রাকার নগ্ন একসূত্রক গোলাকার RNA দ্বারা গঠিত সংক্রামণকারী অণুকেই ভিরয়েডস বলে।
- ভিরয়েড হলো উদ্ভিদ দেহে রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন আবরণহীন নিম্ন আণবিক ওজনের আরএনএ (RNA) অণু।
২৪.
Which of the following is not an RNA virus? (নিচের কোনটি RNA ভাইরাস নয়?)
  1. HIV
  2. TMV
  3. TIV
  4. Ebola
সঠিক উত্তর:
TIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TIV
ব্যাখ্যা
নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। 
​যথা: 
​(i) DNA ভাইরাস এবং 
​(ii) RNA ভাইরাস।

​(i) DNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বঙ্গ হয়। উদাহরণ- T২ ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পি সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস। Parvoviridae গোত্রের ($X174 ও M13 কলিফায) ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

​(ii) RNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বল হয়। উদাহরণ- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, রেবিস ইত্যাদি ভাইরাস। Reoviridae গোত্রের (রিওভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক।
২৫.
Which is a property of prions? (প্রিয়নের বৈশিষ্ট্য কোনটি?)
  1. They contain RNA and protein (RNA ও প্রোটিন রয়েছে)
  2. They contain DNA (DNA রয়েছে)
  3. They are composed only of protein (শুধুই প্রোটিন থাকে)
  4. They have cells (কোষ রয়েছে)
সঠিক উত্তর:
They are composed only of protein (শুধুই প্রোটিন থাকে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They are composed only of protein (শুধুই প্রোটিন থাকে)
ব্যাখ্যা
- প্রিয়ন এক ধরনের অতিআণুবীক্ষণিক সংক্রামক অণুজীব যা ভাইরাস ও ভিরয়েডস হতে পৃথক। এরা মানুষ, গরু ও ভেড়ার রোগ সৃষ্টি করে। প্রোটিন দ্বারা তৈরি এমন সংক্রামক সত্তাকে প্রিয়ন (Prion) বলা হয়। আমেরিকার স্নায়ুবিজ্ঞানী Stanley B. Frusiner এই স্বতন্ত্র সত্তাটিকে প্রিয়ন নামে আখ্যায়িত করেন।
- প্রিয়ন এক প্রকার সংক্রামক সত্তা।
- এটি শুধু প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- এটি শুধু প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টি করে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রিয়ন জনিত কোন উদ্ভিদ রোগ আবিষ্কার হয়নি।
- প্রিয়ন প্রাণিদেহে স্নায়ুবিক রোগ সৃষ্টি করে।
- প্রিয়ন ভাইরাস থেকে প্রায় ১০০ গুণ ছোট।
২৬.
Which type of bacteria have no flagella? (কোন ব্যাকটেরিয়ায় কোনো ফ্ল্যাজেলা থাকে না?)
  1. Monotrichous (মোনোট্রিকাস)
  2. Peritrichous (পারিট্রিকাস)
  3. Atrichous (অট্রিকাস)
  4. Amphitrichous (অ্যাম্ফিট্রিকাস)
সঠিক উত্তর:
Atrichous (অট্রিকাস)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Atrichous (অট্রিকাস)
ব্যাখ্যা
 ফ্ল্যাজেলার ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার ৬ প্রকার। যথা-

​১. অট্রিকাস (Atrichous):  কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই। উদাহরণ: Corynebacterium

​২. মোনোট্রিকাস (Monotrichous): এক প্রান্তে একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Vibrio cholerae।

​৩. লোফোট্রিকাস (Lophotrichous): এক প্রান্তে একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Pseudomonas fluorescens।

​৪. অ্যাম্ফিট্রিকাস (Amphitrichous): উভয় প্রান্তে একটি করে ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Alcaligenes faecalis।

​৫. সেফালোট্রিকাস (Cephalotrichous): এক প্রান্তে একাধিক ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Spirillum।

​৬. পারিট্রিকাস (Peritrichous): শরীরের চারদিকে ফ্ল্যাজেলা ছড়ানো থাকে। উদাহরণ: Escherichia coli, Salmonella spp
২৭.
Viroids are what kind of infectious particle? (ভিরয়েডস কী ধরনের সংক্রামক কণিকা?)
  1. Protein and RNA 
  2. Protein
  3. RNA only
  4. DNA
সঠিক উত্তর:
RNA only
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA only
ব্যাখ্যা
ভিরয়েডসের বৈশিষ্ট্য
(১) ভিরয়েডস ক্ষুদ্রতম সংক্রামক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধি।
(২) এরা সাসেপটেবল উদ্ভিদ পোষক দেহে বংশ বৃদ্ধি ক্ষমতাসম্পন্ন।
(৩) নগ্ন RNA দ্বারা ভিরয়েডস-এর দেহ গঠিত।
(৪) ভিরয়েডস-এ কোন প্রোটিন আবরণ থাকে না।
(৫) ভিরয়েডস-এর পতনের হার মন্থর (Low sedimentation rate) যা সর্বদাই ৫০s এর নিচে। যেমন- PSTV এর ক্ষেত্রে ১০ S.
(৬) রাইবোনিউক্লিয়েজ এনজাইমের প্রতি (RNase) সংবেদনশীল।
(৭) ইথানল, ফেনল ও DNase এনজাইমের প্রতি নিষ্ক্রিয়।
(৮) কখনও কখনও ভিরয়েডস চক্রাকার অথবা একসূত্রক দণ্ডাকার RNA দ্বারা গঠিত। কিন্তু সংক্রমণরত অবস্থায় চক্রাকার (Diener-1979) ইন্ট্রামলিকুলার কমপ্লিমেন্টারী অঞ্চল থাকার জন্য দ্বিসূত্রক মনে হয় এবং সংযুক্ত অঞ্চল বাদে লুপ দেখা যায়।
(৯) ভিরয়েডস-এর আণবিক ওজন ৮৫,০০০-১,৩০,০০০ ডাল্টন।
(১০) Virus-Specific antisera উৎপাদন অনুপস্থিত।
(১১) নিউক্লিওটাইডের সংখ্যা ২৭০-৩৮০।
(১২) শুধু উদ্ভিদে রোগ সৃষ্টি করে।
(১৩) এর জিনে প্রোটিন সংশ্লেষণের সূচনাকারী কোডন (AUG) অনুপস্থিত থাকে।
(১৪) Bio-assay, polyacrylamide-gel-electropheressis এবং নিউক্লিক এসিড হাইব্রিডাইজেশন দ্বারা ভিরয়েডস-এর উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়।
(১৫) এরা স্বাধীনভাবে অনুলিপন করে, সাহায্যকারী ভাইরাসের প্রয়োজন হয় না। *(যখন RNA অনুলিপনে ভাইরাসের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তখন তাকে Virusoids বলে) Keese এবং Symons (1987) Virusoids আবিষ্কার করেন।
২৮.
Which is not a prion disease? (কোনটি প্রিয়নজনিত রোগ নয়?)
  1. CJD
  2. Scrapie
  3. Kuru
  4. CCCV
সঠিক উত্তর:
CCCV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CCCV
ব্যাখ্যা
নারিকেল গাছের ক্যাডাং ক্যাডাং রোগ হলো CCCV।

​প্রিয়ন ঘটিত মানুষের রোগ:
(১) "Kuru"- এই রোগ শুধু নিউগায়নাতেই দেখা যায়।
(২) CJD-Creutz feldt Jakob disease.
(৩) GSS (Gerstmann Strausster Schcinker) সিন্ড্রোম।
(৪) Fatal familian insomnia.

​অন্যান্য প্রাণীর রোগ:
(৫) ভেড়ার Scrapie.
(৬) গরুর mad cow (bovine-spongiform encephalopathy).
(৭) সিম্পাঞ্জীর Kuru রোগ।
(৮) ইঁদুরের Scrapie.