১.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি?
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি (Tashkent Agreement):
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।
• প্রধান অংশগ্রহণকারীরা:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।
• চুক্তির মূল ধারা:
- উভয় পক্ষ পূর্ব অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে।
- দূতাবাস পুনরায় খুলে উভয় দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করা হবে।
- ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলি সমাধান করা হবে।
- যে কোনো দ্বন্দ্ব কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করা হবে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।
উল্লেখ্য,
- চুক্তি সই হওয়ার পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন,
- যা নিয়ে এখনও বিতর্ক ও তত্ত্ব চালু আছে।
- যদিও যুদ্ধ শেষ হয়, তবে উভয় দেশের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যু অমীমাংসিত থেকেই যায়।
- এই চুক্তি ভবিষ্যতের শিমলা চুক্তির (১৯৭২) ভিত্তি তৈরি করে।
উৎস: Britannica.com ও WorldAtlas.com.
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।
• প্রধান অংশগ্রহণকারীরা:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।
• চুক্তির মূল ধারা:
- উভয় পক্ষ পূর্ব অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে।
- দূতাবাস পুনরায় খুলে উভয় দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করা হবে।
- ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলি সমাধান করা হবে।
- যে কোনো দ্বন্দ্ব কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করা হবে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।
উল্লেখ্য,
- চুক্তি সই হওয়ার পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন,
- যা নিয়ে এখনও বিতর্ক ও তত্ত্ব চালু আছে।
- যদিও যুদ্ধ শেষ হয়, তবে উভয় দেশের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যু অমীমাংসিত থেকেই যায়।
- এই চুক্তি ভবিষ্যতের শিমলা চুক্তির (১৯৭২) ভিত্তি তৈরি করে।
উৎস: Britannica.com ও WorldAtlas.com.