ব্যাখ্যা
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা ও অর্থঃ
- বিষবৃক্ষ = অনিষ্টকারী
- ভরাডুবি = সর্বনাশ
- ভূষন্ডীর কাক = দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত অবস্থা
- লেফাফা দুরস্ত = পরিপাটি
- মাথা খাওয়া = নষ্ট করা
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪২ প্রশ্ন
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা ও অর্থঃ
- বিষবৃক্ষ = অনিষ্টকারী
- ভরাডুবি = সর্বনাশ
- ভূষন্ডীর কাক = দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত অবস্থা
- লেফাফা দুরস্ত = পরিপাটি
- মাথা খাওয়া = নষ্ট করা
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পার্শ্বিক ধ্বনিঃ
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জিভের পিছনের এক বা দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়; দুপাশ দিয়ে বায়ু নিঃসৃত হয় বলে একে পার্শ্বিক ধ্বনি বলে।
- বাংলা পার্শ্বিক ধ্বনি মাত্র - ১টি। 'ল্' পার্শ্বিক ধ্বনি।
যেমন -
- তাল, দল, শাল প্রভৃতি শব্দে 'ল' পার্শ্বিক ধ্বনি।
- পার্শ্বিক ধ্বনি সাধারণত ঘোষ হয়ে থাকে।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
- জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ')= আজানুলম্বিত (বাহু),
- মরণ পর্যন্ত= আমরণ।
- নির্বিঘ্ন = বিঘ্নের অভাব।
- নিরামিষ = আমিষের অভাব।
- গরমিল = মিলের অভাব
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)।
বাচ্যজনিত ভুলঃ
কর্তৃবাচ্যে বিশেষ্য ও করা ক্রিয়ার রূপ থাকলে কর্মবাচ্যে বিশেষণ ও হওয়া ক্রিয়ার রূপ হবে।
যেমন -
অশুদ্ধ -------------------------------- শুদ্ধ
১. আমি অপমান হয়েছি ------------ আমি অপমানিত হয়েছি।
২.যুক্তি খণ্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলেনি। ---- যুক্তি খণ্ডিত হয়েছে, তবে মুক্তি মেলেনি
৩. তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে ------- তোমাকে দেখে সে আশ্চার্যান্বিত হয়েছে।
৪. এ কথা প্রমাণ হয়েছে -------- এ কথা প্রমাণিত হয়েছে। ইত্যাদি
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- পিক ও পরভৃত - দুটোই 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ।
- ললাট ও অলিক - দুটোই 'কপাল' এর সমার্থক শব্দ।
- দীপ্তি - শব্দটি 'কিরণ' এবং প্রজ্বলিত - শব্দটি 'উজ্জ্বল' শব্দের সমার্থক শব্দ।
- তরঙ্গ ও হিল্লোল - 'ঢেউ' এর সমার্থক শব্দ।
সুতরাং, অপশন গ) তে প্রদত্ত শব্দ দুটি সমার্থক নয়।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বানানের শুদ্ধরূপঃ
- ঐক্যতান = ঐকতান
- কল্যানীয়াসু = কল্যাণীয়াসু/কল্যাণীয়েষু
- ঘূর্ণীয়মান = ঘূর্ণ্যমান
- দোষণীয় = দূষণীয়
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
- চক্ষুর সামনে সংঘটিত/চোখে দেখা যায় যা = চাক্ষুষ
- চিরস্থায়ী নয় = নশ্বর
- চোখে দেখা যায় যা = প্রত্যক্ষ
- উর্ধ্ব থেকে নেমে আসা = অবতরণ
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'মাষ্টার' শব্দটি বিদেশী ভাষার শব্দ, তাই এতে 'ষ'-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হবে না।
- সঠিক বানান - মাস্টার।
ষ-ত্ব বিধান এর নিয়মানুসারে,
- ট - বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়।
যেমন - কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
কতিপয় শব্দ স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন - ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, দ্বেষ, ভূষণ ইত্যাদি।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
বাংলা ভাষায় ২০টি তৎসম উপসর্গ রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে 'সু' উপসর্গযোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ ও উপসর্গটি যে অর্থে ব্যবহৃত হয় - তা নিচে দেওয়া হলোঃ
১. উত্তম অর্থে -- সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয় ইত্যাদি।
২. সহজ অর্থে -- সুগম, সুসাধ্য, সুলভ ইত্যাদি
৩. আতিশয্য অর্থে -- সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ইত্যাদি।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন -
- দেবর - ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
- ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী)।
- শিক্ষক - শিক্ষয়িত্রী (শিক্ষিকা) এবং শিক্ষকপত্নী (শিক্ষকের স্ত্রী)
- বন্ধু - বান্ধবী (মেয়ে বন্ধু) এবং বনব্ধুপত্নী (বন্ধুর স্ত্রী)
- দাদা - দিদি (বড় বোন) এবং বৌদি (দাদার স্ত্রী) ইত্যাদি
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
এছাড়া,
এখানে 'কবিরাজ' শব্দটির কোন স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
- 'মরদ' শব্দের স্ত্রীবাচক - জেনানা।
- 'শিক্ষিত' শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রীবাচক উভয়ই বোঝায়।
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়মানুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
যেমন -
- কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়)
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়)
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়)
- অন্য + অন্য = অন্যান্য (অনন্য নয়)
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন ইত্যাদি
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
'বর' প্রত্যয় যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ -
- ঈশ্বর = √ঈশ্ + বর
- ভাস্বর = √ভাস্ + বর
- নশ্বর = √নশ্ + বর
- স্থাবর = √স্থা + বর
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান ও মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনাম সমূহকে নিম্নলিখিত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. ব্যাক্তিবাচক বা পুরুষবাচক - আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা ইত্যাদি।
২. আত্মবাচক - স্বয়ং, খোদ, নিজে, আপনি।
৩. সামীপ্যবাচক - এ, এই, এরা, ইহারা ইত্যাদি।
৪. দূরত্ববাচক - ঐ, ঐসব ইত্যাদি।
৫. সাকুল্যবাচক - সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ।
৬. প্রশ্নবাচক - কে, কি, কী, কোন, কাহার ইত্যাদি।
৭. অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক - কোন, কেহ, কেউ, কিছু।
৮. ব্যতিহারিক - আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর ইত্যাদি।
৯. সংযোগজ্ঞাপক - যে, যিনি, যাঁরা, যারা, যাহারা ইত্যাদি।
১০. অন্যাদিবাচক - অন্য, অপর, পর ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
আশ্রিত খন্ডবাক্য ৩ প্রকার।
যথা -
১. বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য
২. বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য
৩. ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য
বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্যঃ
যে আশ্রিত খন্ডবাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের যে কোনো পদের আশ্রিত থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য বলে।
যেমন -
- আমি মাঠে গিয়ে দেখলাম, খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। (বিশেষ্য স্থানীয় খন্ডবাক্য ক্রিয়ার কর্মরূপে ব্যবহৃত)
- তিনি বাড়ি আছেন কি না আমি জানি না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
চর্যাপদের প্রধান আলোচকগণঃ
- চর্যাপদের আবিষ্কারক ও সম্পাদনা - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭ সাল)
- চর্যাপদের ভাষা নিয়ে প্রথম আলোচনা - বিজয়চন্দ্র মজুমদার (১৯২০ সাল)
- চর্যাপদের ভাষা বাংলা - এটা নিয়ে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও প্রমান উপস্থাপন - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১৯২৬ সাল)
- চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ - কীর্তিচন্দ্র
- চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার - ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী (১৯৩৮ সাল)
- চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়ে প্রথম আলোচনা - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৯২৭ সাল)
- চর্যাপদের সঠিক পাঠ নির্ণয় - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৯৪২ সাল)
- চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ - ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৪৬ সাল)
উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
মধ্যযুগে সাহিত্য ধারাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাহিত্যধারা হলো - বৈষ্ণব সাহিত্যধারা।
হুমায়ুন আজাদের ভাষায়,
- 'রাধা ও কৃষ্ণকে নিয়ে মধ্যযুগে সবচেয়ে সৌরভময় ফুল ফুটেছিলো৷ সে ফুলের নাম বৈষ্ণব কবিতা। বৈষ্ণব কবিতা বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- একে যদি আলোর সাথে তুলনা করি তাহলে বলবো মধ্যযুগে এমন আলো আর জ্বলে নি।'
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী 'চন্ডীমঙ্গল কাব্য' -এর শ্রেষ্ঠ কবি।
- মুকুন্দরাম চন্ডীমঙ্গল কাব্যটি জমিদার রঘুনাথের অনুরোধে লিখেন।
- চন্ডীমঙ্গলের কাহিনী ২টি।
যথা - কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনী এবং ধনপতি - লহনা - খুলনার কাহিনী।
- চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রথম অংশের চরিত্রঃ
কালকেতু, ফুল্লরা, কলিঙ্গের রাজা, মুরারি শীল, ভাঁড়ুদত্ত।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি।
আলাওল আনুমানিক ১৬০৭ সালে জন্মগ্রহন করেন।
- তার জন্মস্থান - জোবরা গ্রাম, হাটহাজারি, চট্টগ্রাম মতান্তরে, ফতেহাবাদ পরগণা, ফরিদপুর।
- তিনি রোসাঙ্গ রাজসভার সভাকবি ছিলেন।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ
- পদ্মাবতী
- সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামাল
- হপ্ত পয়কর
- সিকান্দরনামা
- তোহ্ফা বা তত্তোপদেশ
- রাগতালনামা
- দৌলত কাজী রচিত 'সতীময়না লোর চন্দ্রাণী' সমাপ্ত করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
বাংলা টপ্পা সংগীতের প্রবর্তক হিসেবে বিখ্যাত রামনিধি গুপ্ত।
- তার ডাকনাম নিধু (বাবু)।
- তার টপ্পা সংগীত সংকলনের নাম 'গীতরত্ন'।
তাঁর রচিত টপ্পা সংগীতের বিখ্যাত পঙক্তি,
- ''নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা?''
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রথম প্রকাশিত গদ্য - প্রতাপাদিত্যচরিত্র; লেখক - রামরাম বসু।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে যার লেখা সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয় তিনি - মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
তার রচিত গ্রন্থগুলো হলো -
- বত্রিশ সিংহাসন, হিতোপদেশ, রাজাবলি, প্রবোধচন্দ্রিকা, বেদান্তচন্দ্রিকা।
রামকিশোর তর্কালঙ্কারেরও 'হিতোপদেশ' নামের একটি গ্রন্থ আছে এবং এটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকেই প্রকাশিত।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি।
শওকত ওসমানের কালোত্তীর্ণ উপন্যাস - ক্রীতদাসের হাসি।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আয়ুব খানের সমালোচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস -
- জাহান্নম হইতে বিদায়
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাঙ্গী ইত্যাদি
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
"হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;--
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;--
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে--
“ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে!”
পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে
মাতৃ-ভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে॥"
বঙ্গভাষা
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- 'বঙ্গভাষা' কবিতাটি একটি সনেট এবং এটি কবির ''চতুর্দশপদী কবিতাবলী''র অন্তর্ভূক্ত।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম গল্প - মন্দির। এই গল্পের জন্য তিনি কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন।
তার রচিত অন্যান্য গল্পঃ
- মহেশ
- বিলাসী
- মামলার ফল
- রামের সুমতি
- মেজদিদি
- বিন্দুর ছেলে
- ছবি ইত্যাদি
- 'নিষ্কৃতি' তার রচিত ক্ষুদ্র উপন্যাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাঃ
- সম্পাদক -- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- প্রথম প্রকাশ - ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি (সাপ্তাহিক)।
- দ্বিতীয় প্রকাশ - ১৮৩৬ সালের ১০ আগস্ট (বারত্রৈয়িক - সপ্তাহে ৩ দিন)
- তৃতীয় প্রকাশ - ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন (দৈনিকরূপে)
- ১৮৫৩ সালে পৃথক মাসিক সংকলন বের হয়।
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্রগুপ্ত মারা যাওয়ার পর তার ভাই রামচন্দ্র গুপ্ত পত্রিকাটি সম্পদনার ভার নেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মঃ
কাব্যগ্রন্থঃ
- কবিকাহিনী (১৮৭৮)
- বনফুল (১৮৮০)
- সন্ধ্যাসঙ্গীত
- ছবি ও গান
- শৈশব সঙ্গীত
- ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
- কড়ি ও কোমল
- মানসী
- চিত্রাঙ্গদা
- সোনার তরী
- নদী
- চিত্রা
- চৈতালি
- কল্পনা
- ক্ষণিকা
- পূরবী
- মহুয়া
- পুনশ্চ
- গীতাঞ্জলি
- বনবাণী
- আকাশপ্রদীপ
- পত্রপুট
- শ্যামলী
- সেঁজুতি ইত্যাদি
কাব্যনাট্য, গীতিনাট্য ও নাটক ও প্রহসনঃ
- বাল্মীকিপ্রতিভা
- মায়ার খেলা
- রাজা ও রাণী
- বিসর্জন
- রুদ্রচণ্ড
- প্রকৃতির প্রতিশোধ
- গোড়ায় গলদ
- বৈকুন্ঠের খাতা
- প্রায়শ্চিত্ত
- রাজা
- ডাকঘর
- অচলায়তন
- ফাল্গুনী
- বসন্ত
- রক্তকরবী
- চণ্ডালিকা
- তাসের দেশ ইত্যাদি
উপন্যাসঃ
- করুণা (অসমাপ্ত, ১৮৭৭)
- বৌঠাকুরাণীর হাট
- রাজর্ষি
- চোখের বালি
- নৌকাডুবি
- প্রজাপতির নির্বন্ধ
- গোরা
- ঘরে বাইরে
- চতুরঙ্গ
- যোগাযোগ
- শেষের কবিতা
- দুই বোন
- মালঞ্চ
- চার অধ্যায়
গল্পঃ
- ছোটগল্প
- বিচিত্র গল্প
- গল্পগুচ্ছ ইত্যাদি
ভ্রমণকাহিনীঃ
- য়ুরোপপ্রবাসীর পত্র
- য়ুরোপযাত্রীর ডায়ারি
- জাপান যাত্রী
- যাত্রী
- রাশিয়ার চিঠি
- জাপানে পারস্যে
- পথের সঞ্চয় ইত্যাদি
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।
জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) মূলত কবি।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে -
- ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬),
- বনলতা সেন (১৯৪২),
- মহাপৃথিবী (১৯৪৪),
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮),
- রূপসী বাংলা (রচনাকাল ১৯৩৪, প্রকাশকাল ১৯৫৭),
- বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)।
উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে -
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ,
- জলপাইহাটি,
- জীবনপ্রণালী,
- বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।
তাঁর রচিত গল্পের সংখ্যা প্রায় দুশতাধিক।
- 'কবিতার কথা' (১৯৫৫) নামে তাঁর একটি মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ আছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
বঙ্কিমচন্দ্রের কয়েকটি উপন্যাসের চরিত্রঃ
১. কপালকুন্ডলা -- নবকুমার, কপালকুন্ডলা
২. মৃণালিনী -- হেমচন্দ্র, মৃণালিনী
৩. বিষবৃক্ষ -- কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্র, বিনোদ ঘোষ, কমলমণি
৪. কৃষ্ণকান্তের উইল -- রোহিণী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর
৫. রাজসিংহ -- রাজসিংহ, আওরঙ্গজেব, মানিকলাল, দরিয়াবিবি, চঞ্চলকুমারী, বিক্রম সোলাঙ্কী
৬. চন্দ্রশেখর -- চন্দ্রশেখর, প্রতাপ, শৈবালিনী
৭. রজনী - রজনী, রামসদয় প্রমুখ
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট উপন্যাস ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের জন্ম রাজশাহী শহরে এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে।
তাঁর রচিত উপন্যাস-
- জলোচ্ছ্বাস (প্রথম উপন্যাস),
- গেরিলা ও বীরাঙ্গনা,
- কাঁটাতারের প্রজাপতি,
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড,
- যাপিত জীবন,
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- পোকা মাকড়ের ঘরবসতি,
- নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
শামসুর রাহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে; ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ
- রোদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে, (মুক্তিযুদ্ধের সময় রচিত)
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- শূন্যতায় তুমি শোকসভা,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- প্রেমের কবিতা,
- ইকারুসের আকাশ,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা ভাষার প্রধানতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে সর্বোচ্চ সহজ সরলভাবে উদ্ভাসিত করেন।
- শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখায় বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মান একুশে পদক প্রদান করে।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থঃ
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি,
- বিলাতে সাড়ে সাত শ' দিন,
- তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- এ ফোনেটিক এন্ড ফোনোলোজিক্যাল স্টাডি অব নেইজালস অ্যান্ড নেইজালাইজেশন ইন বেঙ্গলি,
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (সৈয়দ আলী আহসান সহযোগে)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
''Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.''
The quote is taken from - Essays by Francis Bacon.
O. Henry (William Sydney Porter):
- American short-story writer.
Works:
- The Gift of the Magi,
- The Last Leaf,
- Cabbages and Kings,
- The Ransom of the Red Chief,
- The Voice of the City,
- The Four Million.
Source: Britannica.com
Uncle Tom's Cabin was written after the passage of the Fugitive Slave Act of 1850, which made it illegal for anyone in the United States to offer aid or assistance to a runaway slave.
The novel seeks to attack this law and the institution it protected, ceaselessly advocating the immediate emancipation of the slaves and freedom for all people.
Source: Sparknotes
Hymn:
A lyric poem or song in praise of God or a deity or a hero. Usually, it is sung by chorus to express religious emotion.
Spenser's ''Fowre Hymnes'', Martin Luther's “A Mighty Fortress Is Our God”, Shelley's “Hymn of Apollo” and Keats' “Hymn to Apollo'' are some of the well-known hymns in English.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
George Orwell (1903-50):
His real name is Eric Arthur Blair.
Works:
-Animal Farm (1945)
-Nineteen Eighty-Four (1949)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Joseph Conrad (1857-1924): The Nigger of the Narcissus, published in the previous age in 1898.
Works:
- Lord Jim (1900)
- Heart of Darkness (1902)
- The End of the Tether (1902)
- Typhoon (1903)
- Nostromo (1904)
- The Mirror of the Sea (1906)
- The Secret Agent (1907)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
ব্যাখ্যা: goggles-এর কোন singular form হয় না। তাই, এটি সঠিক উত্তর।
Cannon- এর singular এবং plural রূপ একই থাকে।
Agendum- agenda
Furniture-এর কোন plural form হয় না।
ব্যাখ্যা: Retire (Verb)
Bengali Meaning: (অবসর গ্রহণ করা)
Meaning: to stop working because of old age or ill health
Example: She retired from the competition after pulling a leg muscle.
ব্যাখ্যা: কোন জায়গা থেকে অবসর গ্রহণ করা হচ্ছে সেটা উল্লেখ করতে হলে from বসাতে হয়।
Source: Cambridge Dictionary
Franchisee (noun)- person or company that has been given a franchise.
Franchise (noun) formal permission given by a company to somebody who wants to sell its goods or services in a particular area; formal permission given by a government to somebody who wants to operate a public service as a business
Source: Oxford Learner's Dictionary
Bengali Meaning: অনুধাবণ করা
to make connections between people or events that seem not to be connected so that you can understand what is happening
Source: Macmillan Dictionary
ব্যাখ্যা: all ears (phrase)
Meaning: ready to pay attention to what someone has to say
Bengali: মন দিয়ে শোনা
ব্যাখ্যা: extravagant (lacking restraint in spending money or using resources)
Synonym: Spendthrift, profligate, lavish, prodigal, thriftless
Antonym: thrifty
Source: Oxford Languages
ব্যাখ্যা: Malice (noun)
Meaning:
Bengali Meaning: বিদ্বেষ
Abstract noun এমন ধরণের শব্দ যেগুলোকে হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না। Malice অনুভব করা যায় কিন্তু এটি স্পর্শযোগ্য নয়।
ব্যাখ্যা: যে phrase দ্বারা সময় নির্দেশ করে সেটি adverbial phrase।
এখানে, once upon time একটি সময়কে বুঝিয়েছে।
বাক্যের অর্থ: একদা এক রাজা ছিল।
= ৩২৭/(৯)১২
= ৩২৭/(৩২)১২
= ৩২৭/৩২৪
= ৩৩
= ২৭
মনেকরি,
একক স্থানীয় অংক = ক
সুতরাং,
দশক স্থানীয় অংক = ১০-ক
শর্তমতে,
২(১০-ক) = ২ক + ৮
বা, ২০ - ২ক = ২ক +৮
বা, ৪ক = ১২
বা, ক = ৩
দশক স্থানীয় অংকটি = ১০-৩ = ৭
সুতরাং সংখ্যাটি = (৭×১০) + ৩ = ৭৩
মনেকরি,
ABC সমবাহু ত্রিভুজে AD একটি মধ্যমা এবং G ভরকেন্দ্র। AB = BC = CA = 10 cm
ABC সমবাহু ত্রিভুজ হওয়ায়, AD⊥BC
আবার,
BD = CD = 5 cm
AD = √(AC2 - CD2)
= √(102 - 52)
= √75
=5√3
ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র মধ্যমাকে ২ঃ১ অনুপাতে বিভক্ত করে
সুতরাং,
AG:GD =2:1
AG+GD = 3 unit
বা, AD = 3 unit
3 unit = 5√3
2 unit = (5√3×2)/3
= 10/√3
∴ AG = 10/√3
১০ টি বাল্বার মধ্যে ৩টি নষ্ট, ভালো বাল্ব = ৭ টি
৭টি ভালো বাল্ব থেকে ৪টি নেওয়া যায় 7C4 উপায়ে
আবার ৩টি নষ্ট বাল্ব থেকে ১টি নেওয়া যায় 3C1 উপায়ে
সম্ভবনা = (7C4 ×3C1)/10C5
= 5/12
কোমোথেরাপি (Chemotherapy):
কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনের কোষ ধ্বংস করা হয়।
ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত। কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। যেমন প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।
আমরা ধারণা পেয়েছি কেমোথেরাপিতে রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহারের ফলে বিভাজনের কোষ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের সাথে সাথে অন্যান্য কোষ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে রক্ত কণিকাসমূহের উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হয়।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি।
মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ টি বা ২৩ জোড়া।
এরমধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪ টি অটোজোম এবং ১ জোড়া বা ২টি সেক্স ক্রোমোজোম।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
অক্ষিগোলকের কাঠিন্য = জুভেনাইল গ্লুকোমা
দৃষ্টিক্ষীণতা = মায়োপিয়া
অপটিক স্নায়ুর ক্ষয়িষ্ণুতা = অপটিক অ্যাট্রফি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
পেশিক্ষয় = মাসকুলার ডিস্ট্রফি
মহাবিশ্বের মৌলিক বলগুলো হলোঃ
১) মহাকর্ষ বল
২) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩) দুর্বল নিউক্লীয় বল
৪) সবল নিউক্লীয় বল
(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)
UPS -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply. এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়। ইউপিএস যন্ত্রটি সরাসরি বিদ্যুৎ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং এর আউটপুট লাইনের সাথে কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট সংযুক্ত থাকে।
ফলে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেলে ইউপিএস (UPS) থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। প্রকারভেদে UPS পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
মাটির pH
ফসল উৎপাদনের জন্য মাটির অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি মানদণ্ড হলাে এর pH। মাটির pH মান জানা থাকলে এটি এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ সেটি বােঝা যায়।
বেশির ভাগ ফসলের বেলাতেই মাটির pH নিরপেক্ষ হলে অর্থাৎ এর মান ৭ বা তার খুব কাছাকাছি হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায়। তাই, কোনাে একটি জমির মাটি পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় এর pH ৭-এর চেয়ে বেশ কম বা অনেক বেশি তাহলে এর pH ৭ করার জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
তবে কিছু কিছু ফসল আছে, যেমন: আলু এবং গম— এরা মাটির pH ৫-৬ হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন দেয়। অন্যদিকে কিছু ফসল যেমন: যব, মাটির pH ৮ হলে ভালাে উৎপাদন হয়। তাহলে বুঝতেই পারছ ভালাে ফলনের জন্য মাটির pH অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মাটির pH অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা বেশ জরুরি।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম, ২০২১
প্রাকৃতিক পলিমারগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাবার চাষ করে বাগান থেকে প্রাকৃতিক রাবার সংগ্রহ করা হয়। প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন বিভিন্ন শস্য দানা বিশেষ করে চাল, গম,ভুট্টা, যব, গোল-আলু এ সব স্টার্চ গ্লুকোজের প্রাকৃতিক পলিমার। মাছ, মাংস, ডিম এসব প্রোটিন অ্যামিনো এসিডের পলিমার। সিল্ক এবং উলও অ্যামিনো এসিডের পলিমার।
পিভিসি (PVC) পাইপ ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমার থেকে তৈরি করা হয়।
বৈদ্যুতিক সুইচ বা বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড বাকেলাইট নামের পলিমার যা ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে তৈরি করা হয়।
মেলামাইনের থালা-বাসন মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার থেকে প্রস্তুত করা হয় যা মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে তৈরি।
কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন মনোমার থেকে প্রস্তুতকৃত পলিথিন প্রধানত ঔষধ পত্রাদির প্যাকেট, পলিথিনের ব্যাগ, টেবিল ক্লথ, বাজারের ব্যাগ ইত্যাদি হিসেবে ব্যাবহৃত হয়।
আমরা যে সকল প্লাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, বালতি, গামলা, প্লেট, গ্লাস, মগ, জগ, পানির ট্যাংক ব্যবহার করে থাকি এগুলোও কৃত্রিম পলিমার। প্লাস্টিক দ্রব্য সস্তা, হালকা, টিকসই ও সহজে ব্যবহার করা যায়। পলিথিনের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে একে নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। পলিথিন জাতীয় দ্রব্যগুলো প্রকৃতিতে ধ্বংশ না হয়ে বছরের পর বছর অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। এ সব প্লাস্টিক দ্রব্য পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই, এসব দ্রব্যাদির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম, ২০২১
জীবন্ত জীবাশ্মঃ
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।
প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
সুত্রঃ নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম।
মানুষের হৃদপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
আর হৃদপিণ্ডের স্তর ৩টি। যথা- এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম ও এন্ডোকার্ডিয়াম।
হৃদপিণ্ডের বাইরের আবরণকে পেরিকার্ডিয়াম বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন-
১. অ্যানিমিয়া: লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যায়।
২. পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
৩. লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ১ ঘন মি.লি. রক্তে ২০,০০০- ৩০,০০০ হয়।
৪. লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা, প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক হারে বেড়ে ১ ঘন মি.লি. রক্তে ৫০,০০০ - ১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
উল্লেখ্য, এনিমিয়াতে কিছুক্ষেত্রে শ্বেত রক্তকণিকাও কমে যেতে পারে। তবে, সাধারণত লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়াকেই এনিমিয়া বলা হয়।
মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথাঃ
(ক) ফার্মিওন ও
(খ) বোসন।
তন্মধ্যে, "বোসন" নামটি এসেছে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নাম অনুসারে।
বাংলাপিডিয়া থেকেঃ
বসু, বিজ্ঞানাচার্য সত্যেন্দ্রনাথ (১৮৯৪-১৯৭৪) বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী, কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের উদ্ভাবক, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার পথিকৃৎ। জন্ম, কলকাতা, ১ জানুয়ারি ১৮৯৪। কলকাতা হিন্দু স্কুল থেকে সত্যেন্দ্রনাথ ১৯০৯ সালে পঞ্চম স্থানসহ এন্ট্রান্স এবং কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে ১৯১১ সালে প্রথম স্থান অধিকার করে এফ.এ পরীক্ষা পাস করেন। একই কলেজ থেকে ১৯১৩ সালে তিনি গণিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৯১৫ সালে মিশ্র গণিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন।
নবপ্রতিষ্ঠিত কলকাতা বিজ্ঞান কলেজে সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯১৫ সাল থেকে ড. মেঘনাদ সাহার সাহচর্যে মিশ্র গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণায় মনোনিবেশ করেন। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের রিডার হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় প্রধানের পদ অলংকৃত করেন। দীর্ঘকাল ধরে বিভাগটি গড়ে তুলতে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যান। সত্যেন্দ্রনাথ এখানে ২৪ বছর একনিষ্ঠভাবে গবেষণাকর্ম সম্পাদন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সত্যেন্দ্রনাথ বসু তাঁর তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান ও এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফির ওপর গবেষণাকর্মের সূচনা করেন, যা পরবর্তীতে তাঁকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। ১৯২৪ সালে তাঁর ‘প্ল্যাঙ্কস্ ল অ্যান্ড দি লাইট কোয়ান্টাম হাইপথেসিস’ শীর্ষক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়, যেটি বিজ্ঞানী আইনস্টাইন পাঠ করে চমৎকৃত হন। আইনস্টাইন সত্যেন্দ্রনাথের এই প্রবন্ধটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ ও ব্যাখ্যাসহ বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশ করেন। প্রকাশিত প্রবন্ধটি বিজ্ঞান জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ‘বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব’ নামে সারা বিশ্বে সমাদৃত হয়।
অপশনের সবগুলো রোগের নাম। ভাইরাসের নাম নয়।
উল্লিখিত রোগগুলোর জন্য দায়ি ভাইরাসগুলোর নাম দেয়া হল।
AIDS এর কারণঃ HIV
COVID-19 এর কারণঃ SARS-CoV-2
EVD এর কারণঃ Ebola Virus
১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন।
তিনিই প্রথম ই - মেইল পদ্ধতি চালু করেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম - দশম শ্রেণী)
কয়েকটি ইনপুট ডিভাইসের নামঃ
১. কীবাের্ড (Keyboard)
২. মাউস (Mouse)
৩, মাইক্রোফোন (Microphone)
৪. স্ক্যানার (Scanner)
৫, মডেম (Modem)
৬. গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet)
৭, ওএমআর (OMR)
৮, ওসিআর (OCR)
৯, লাইটপেন (Light Pen)
১০. টাচস্ক্রিন (Touch Screen) (আউটপুট হিসেবেও ব্যবহার হয়)
১১. ট্র্যাকবল (Trackball)
১২. ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি।
কয়েকটি আউটপুট ডিভাইসের নামঃ
১. মনিটর (Monitor)
২. প্রজেক্টর (Projector)
৩. স্পিকার (Speaker)
৪, প্রিন্টার (Printer)
৫. প্লটার (Plotter)
৬. ইমেজ সেটার (Image Setter) ইত্যাদি।
VisiCalc মূলত অ্যাপল-২ কম্পিউটারের জন্য VisiCorp কোম্পানি প্রথম ডেভেলপ করেছিল। এটা পৃথিবীর প্রথম স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম।
The first spreadsheet program was VisiCalc, written for the Apple II computer in 1979. In the view of many users, it was the application that most vividly showed the utility of personal computers for small businesses—in some cases turning a 20-hour-per-week bookkeeping chore into a few minutes of data entry.
Source: Encyclopædia Britannica.
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
যেমন ১৯ এর ক্ষেত্রে,
১৯ / ২ = ৯ ভাগশেষ - ১
৯ / ২ = ৪ ভাগশেষ - ১
৪ / ২ = ২ ভাগশেষ - ০
২ / ২ = ১ ভাগশেষ - ০
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১
অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ১৯-এর বাইনারি রূপ = (১০০১১)২
গ্রাফিক্স বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনা করার পদ্ধতিকে বলে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম। এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সকল কাজ বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে সম্পন্ন করা যায়। সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। এখানে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না। Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
এই অপারেটিং সিস্টেমে কমান্ডের জন্য ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক, পুল ডাউন মেন্যু থাকে। এছাড়া এটি নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং, মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
তবে এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত। এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়।
১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার, অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা। এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয়। এই সময় মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি তৈরি হয়।
IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।
F5 - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়। এছাড়াও যেকোনো পেজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
বায়োইনফরম্যাটিক্স জিন সিকোয়েন্স এবং রোগের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সনাক্ত করতে, অ্যামিনো অ্যাসিডের অনুক্রমগুলি থেকে প্রোটিনের কাঠামোর পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য, ওষুধ তৈরিতে এবং ডিএনএ অনুক্রমের ভিত্তিতে রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Source: Britannica.
Bioinformatics is a subdiscipline of biology and computer science concerned with the acquisition, storage, analysis, and dissemination of biological data, most often DNA and amino acid sequences. Bioinformatics uses computer programs for a variety of applications, including determining gene and protein functions, establishing evolutionary relationships, and predicting the three-dimensional shapes of proteins.
Source: National Institutes of Health (NIH)
বায়োইনফরমেটিক্স হলো একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র যা অধিক এবং জটিল বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ডেটাসমূহ বিশ্লেষণ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার বা টুলস উন্নয়ন করে।
এর উদ্দেশ্য হলো জীন বিষয়ক তথ্যানুসন্ধান করে জ্ঞান তৈরি করা, রোগ-বালাইয়ের কারণ হিসেবে জীনের প্রভাব সম্পর্কিত জ্ঞান আহরণ করা, ঔষধের গুণাগুণ উন্নত ও নতুন ঔষধ আবিষ্কারের প্রচেষ্টা করা ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
এখানে, ১ম পদ a = 1
সাধারণ অনুপাত r = (1/2) / 1 = 1/2
অসীমতক সমষ্টি S∞ = a / (1 - r)
= 1 / (1 - 1/2)
= 1 / (1/2)
= 2
৭২ ৯২ ১০২ ১২২
৪৯ঃ৮১ঃঃ১০০ঃ১৪৪
প্রতিটা অক্ষরের ১টা পরের অক্ষর নিয়ে পরের রাশিটি গঠন হচ্ছে।
তাই, প্রথম রাশির আগের রাশি হবেঃ BAC
D C E (প্রথম রাশি)
C B D (মাঝের অক্ষরগুলো)
B A C (আগের রাশিটি)
এখানে ১ম ও ২য় কলামের সংখ্যাগুলোর যোগফলের সাথে ১ যোগ করলে তৃতীয় কলামের সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
27 + 22 = 49 +1 = 50
13 + 12 = 25 +1 = 26
9 + 2 = 11 +1 = 12
ঘন্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যেকার কোণ ∠ = ।(11M - 60H)/2।
= |{(১১×২৫) - (৬০×১০)}/২|
= |(২৭৫ - ৬০০) / ২|
= ১৬২.৫°
তাহলে, উৎপন্ন প্রবৃদ্ধ কোণ = ৩৬০° - ১৬২.৫° = ১৯৭.৫°
দুই সমকোণ থেকে বড় এবং চার সমকোণ থেকে ছোট কোনকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
৪ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯৯
১৫, ২৫, ৪০ এবং ৭৫ এর ল.সা.গু. = ৬০০
৯৯৯৯ কে ৬০০ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ৩৯৯ থাকে।
তাহলে, নির্ণেয় সংখ্যা = (৯৯৯৯ - ৩৯৯) = ৯৬০০
MIND = KGLB
দুই ধাপ পেছনে গিয়ে নতুন কোডটি গঠন হচ্ছে।
DIAGRAM = BGYEPYK.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে কমিউনিজম ও সোভিয়েত প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পবর্তিত পররাষ্ট্রনীতির নাম - ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine)।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে এক বক্তৃতায় প্রথম এই নীতির কথা উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে এই নীতির অধীনে কংগ্রেস গ্রীস ও তুরস্কে সহায়তার উদ্দেশ্যে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে যুক্তরাজ্য গ্রীসসহ ভূমধ্যসাগরের পাশ্ববর্তী দেশ সমূহ থেকে তাদের সহায়তা প্রত্যাহার করে নেয়।
- এতে ওই অঞ্চলে কমিউনিজম ও সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধির আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি গ্রহণ করে।
- এই নীতির অধীনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- প্রথম পর্যায়ে শুধু গ্রীস ও তুরস্কের জন্য এই নীতি প্রবর্তিত হলেও পরবর্তীতে তা ইউরোপ সহ সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য হয়।
উৎসঃ যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্ট্মেন্ট ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।