প্রাকৃতিক পলিমারগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাবার চাষ করে বাগান থেকে প্রাকৃতিক রাবার সংগ্রহ করা হয়। প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন বিভিন্ন শস্য দানা বিশেষ করে চাল, গম,ভুট্টা, যব, গোল-আলু এ সব স্টার্চ গ্লুকোজের প্রাকৃতিক পলিমার। মাছ, মাংস, ডিম এসব প্রোটিন অ্যামিনো এসিডের পলিমার। সিল্ক এবং উলও অ্যামিনো এসিডের পলিমার।
পিভিসি (PVC) পাইপ ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমার থেকে তৈরি করা হয়।
বৈদ্যুতিক সুইচ বা বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড বাকেলাইট নামের পলিমার যা ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে তৈরি করা হয়।
মেলামাইনের থালা-বাসন মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার থেকে প্রস্তুত করা হয় যা মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে তৈরি।
কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন মনোমার থেকে প্রস্তুতকৃত পলিথিন প্রধানত ঔষধ পত্রাদির প্যাকেট, পলিথিনের ব্যাগ, টেবিল ক্লথ, বাজারের ব্যাগ ইত্যাদি হিসেবে ব্যাবহৃত হয়।
আমরা যে সকল প্লাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, বালতি, গামলা, প্লেট, গ্লাস, মগ, জগ, পানির ট্যাংক ব্যবহার করে থাকি এগুলোও কৃত্রিম পলিমার। প্লাস্টিক দ্রব্য সস্তা, হালকা, টিকসই ও সহজে ব্যবহার করা যায়। পলিথিনের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে একে নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। পলিথিন জাতীয় দ্রব্যগুলো প্রকৃতিতে ধ্বংশ না হয়ে বছরের পর বছর অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। এ সব প্লাস্টিক দ্রব্য পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই, এসব দ্রব্যাদির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী।
সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম, ২০২১