ব্যাখ্যা
দ্ > ত্ - তদ্ + কাল = তৎকাল, বিপদ্ + সংকুল = বিপৎসংকুল
ধ্ > ত্ - ক্ষুধ্ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।
এরূপ হৃৎকম্প, তৎপর, তত্ত্ব, তৎসম ইত্যাদি৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি
DPE · ৭ মার্চ, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন
সমাসে ব্যাখ্যামূলক যে কোন পদ যদি সমস্তপদে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন- বিড়ালচোখী, হাতেখড়ি, গায়ে হলুদ, মেনিমুখো ইত্যাদি। 'বেতার' নঞ্ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব - তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
- ছাড়পত্র
- সুকান্ত ভট্টাচার্য
Out and out - thorough, complete or in every way; used to emphasize an unpleasant quality of a person or thing:
That's an out-and-out lie!
The whole project was an out-and-out disaster.
Concerned for/about - a worried or nervous feeling about something.
বাংলা অর্থ = কোন কিছু সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হওয়া।
Example - I'm a bit concerned about/for your health.
Concerned in = involved n something.
বাংলা অর্থঃ কোন কিছুতে জড়িত থাকা।
Nine men were concerned in the plot.
অর্থাৎ, নয় জন লোক গোপন পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্রটিতে জড়িত ছিল।
Concerned with = interested in, in a context.
বাংলা অর্থঃ আগ্রহী/কোন বিষয়ে
Example - She was more concerned with flirting than with getting the job done. Today's lesson is concerned with punctuation.
Source: Longman Dictionary of Contemporary English, Cambridge and Merriam-Webster Dictionary.
Jonathon Swift ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত বিদ্রূপাত্মক সাহিত্য রচয়িতা। তাকে 'Foremost prose satirist in the English language' বলা হয়। ‘Gulliver’s Travels’ তার বিখ্যাত সাহিত্য, যা প্রকাশিত হয় ১৭২৬ সালে।
‘Gulliver’s Travels’ চারটি খন্ডে বিভক্তঃ A Voyage to Lilliput, A Voyage to Brobdingnag, A Voyage to Balnibarbi, A Voyage to the country of Houyhnhnms.
Source: Britannica & Washington post
যে Verb এর Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়, তাকে Causative Verb বলে।
যেমন – make, have, get, cause, let ইত্যাদি।
এদের মধ্যে Cause এর object যদি অর্থগতভাবে পরবর্তী Verb এর কর্তা হয়, তাহলে Infinitive বা to + Verb এর Base Form বসে।
যেমন- The invigilator made us show our identity card at the test center.
নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত।
এর আয়তন প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এই ভূমিরূপ প্রায় ২৫ হাজার বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিনকালে গঠিত হয়েছিলো।
প্লবান সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমি ৬ থেকে ১২ মিটার অধিক উচ্চতায় অবস্থিত।
বরেন্দ্রভূমির মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ তিন ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি। এসব ভূমির সৃষ্টি আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে।
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৯,৩২০ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড় (আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিমি) এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় (আয়তন ৩৪ বর্গকিমি) প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমির অন্তর্গত।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি
অর্থাৎ, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনের মধ্যে ‘রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাংশ’ হবে সঠিক উত্তর।
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্র – স্ফিগমোম্যানোমিটার।
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র – হাইগ্রোমিটার
- গ্যাসের চাপ মাপার যন্ত্র – ম্যানোমিটার
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র – ব্যারোমিটার
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট। ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথার অবসান ঘটান এবং দাসত্ব মোচন ঘোষণার মাধ্যমে দাসদের মুক্ত করে দেন।
দাস প্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ সময় গৃহযুদ্ধ হয়। ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট লিংকন ২ মিনিট সময়কাল তার বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ দেন।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
ছত্রাক বহুকোষী জীব। এদের আগে উদ্ভিদ জগতের সদস্য মনে করা হতো।
বর্তমানে এদের উদ্ভিদ জগৎ থেকে আলাদা একটি জগতে স্থান দেওয়া হয়।
দেহে প্লাস্টিড (ক্লোরোফিল) না থাকায় ছত্রাক পরভোজী বা মৃতজীবী।
যেমন- মিউকর, ইস্ট, ব্যাঙের ছাতা, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রফিক, সালাম ও বরকতসহ অনেকেই মাতৃভাষার জন্য রক্ত দেন; প্রাণ দেন। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিলো ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিইগভেলাই। তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ থেকে নভেম্বর ১৯৫২ মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। তিনি সুইডেনের অধিবাসী ছিলেন। ১৯৬১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আফ্রিকার জাম্বিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। ১৯৬১ সালে তিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
তৃতীয় মহাসচিব মিয়ানমারের উথান্ট। তিনি ছিলেন জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।
চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে)।
পঞ্চম মহাসচিব পেরুর জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (প্রথম আমেরিকান)। ষষ্ঠ মহাসচিব মিশরের ড. বুট্রোস ঘালি (প্রথম আফ্রিকান)।
সপ্তম মহাসচিব ঘানা'র কফি আনান (২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী)।
অষ্টম মহাসচিব দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন।
নবম ও বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
আর্কিভাল্ড ম্যাক্লিশ জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা।
উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট
ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক এসিড) - টাটকা শাক সবজি এবং টাটকা ফলে এই ভিটামিন পাওয়া যায়৷ লেটুস, কাচামরিচ, ফুলকপি করলা, টম্যাটো, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদিতে এই ভিটামিন পাওয়া যাত।
শুকনা ফল ও বীজে এবং টিনজাত খাবারে এই ভিটামিন পাওয়া যায় না৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
দক্ষিণ এশিয়াতে বিনিময়ের মাধ্যমরূপে মুদ্রার চাক্ষুষ প্রমাণ খ্রিস্টপূর্ব ছয়-পাঁচ শতকের পূর্বে পাওয়া দুরূহ। তক্ষশিলার ভির ঢিবি অঞ্চল ও কাবুলের নিকটবর্তী চমান-ই-হুজুরীর মুদ্রাভান্ডার আবিষ্কৃত হওয়ায় তর্কাতীত প্রমাণ পাওয়া যায় যে, খ্রিস্টপূর্ব পাঁচ শতকে উত্তর ভারতে ধাতব মুদ্রার প্রচলন হয়েছিল।
সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
পরবর্তীতে, বিভিন্ন যুগের শাসকগণ মুদ্রার ধরণ এবং মুদ্রা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও সংস্কার করেছেন। কোন শাসক "ভারতের প্রথম মুদ্রা প্রবর্তন" করেন এটা বলা সম্ভব নয়।
প্রশ্নটা যেভাবে করা হয়ে সে অনুযায়ী উত্তর ক) শের শাহ ধরা যায়।
তাঁর মুদ্রা পদ্ধতি মুঘল ও কোম্পানি আমলেও বজায় ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ব্রিটিশ মুদ্রার এবং বর্তমান রুপির ভিত্তি।
Reference: The Reserve Bank of India
অপশনগুলোর শাসকদের মুদ্রা এবং মুদ্রাব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু তথ্য দেয়া হল -
ক) শের শাহ
শেরশাহ মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করেন। তিনি তাঁর মুদ্রার উপাদানে নির্ভেজাল, ওজনে সঠিক ও গঠনরীতিতে মনোরম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর প্রভুত গুরুত্ব প্রদান করেন। তিনি চতুষ্কোণ ও গোলাকার দু'ধরনের মুদ্রা চালু করেন। তিনি সোনা, রূপা ও তামার পৃথক মুদ্রা চালু করেন। তামার মুদ্রাকে বলা হতো দাম। এছাড়া আনি, দু'আনি, সিকি, আধুলি স্তরের মুদ্রাও প্রচলন করেছিলেন। এসঙ্গে মুদ্রার নকসার উন্নতি সাধন করেন। তাঁর এই মুদ্রানীতির সংস্কারের ফলে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে লেনদেনের অসুবিধা দূর হয়।
তাঁর মুদ্রা পদ্ধতি মুঘল ও কোম্পানি আমলেও বজায় ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ছিল ব্রিটিশ মুদ্রার ভিত্তি।
Sher Shah Suri (1540 to 1545 AD), an Afghan, who ruled for a brief time in Delhi. Sher Shah issued a coin of silver which was termed the Rupiya. This weighed 178 grains and was the precursor of the modern rupee. It remained largely unchanged till the early 20th Century. Together with the silver Rupiya were issued gold coins called the Mohur weighing 169 grains and copper coins called Dam.
Reference: The Reserve Bank of India
খ) মুহাম্মদ বিন তুঘলক
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের সময় দেশে সোনার অনুপাতে রূপার অভাব দেখা দিয়েছিল। তদুপরি দেশ থেকে প্রচুর স্বর্ণমুদ্রা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছিল।
দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা চিন্তা করে সুলতান বাজারে তামার নোট ছাড়েন। এ মুদ্রা ছিল স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার প্রতীক স্বরূপ। অনেকটা আধুনিক কালের কাগজের টাকার মতো। তামার পাতে টাকার যে অংক বা পরিমাণ লেখা থাকতো তামার ধাতব মূল্য ছিল তার ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মাত্র। ব্যাপারটি ছিল অভিনব। অবশ্যই এটি সুলতানের মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে। কিন্তু, অসাবধানতাবশত: মুদ্রা যাতে জাল না হয় সে ব্যাপারে টাকশালের কর্মকর্তারা কোন সতর্কতা অবলম্বন করেন নি। ফলে নকল প্রতীক মুদ্রায় বাজার ছেয়ে যায় এবং দেশে চরম মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। প্রতীক মুদ্রার কোনটা আসল, কোনটা নকল তা চেনা কষ্টকর হয়ে পড়ে। পরিকল্পনাটি ছিল যুগের চেয়ে অনেক বেশি অগ্রসর। সমসাময়িক জনগণ এটি বুঝতে পারেনি। কিন্ত তাঁর প্রবর্তিত প্রতীক মুদ্রা ব্যবস্থা ছিল নিঃসন্দেহে একটি মৌলিক ও সাহসী পদক্ষেপ।
গ) ইলতুৎমিশ
সুলতান ইলতুৎমিশ এক ধরনের রৌপ্য মুদ্রা প্রবর্তন করেন যা ‘তংকা’ নামে পরিচিত।
সুলতান ইলতুৎমিশ নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন করেন। তিনিই প্রথম ভারতে খাঁটি আরবি মুদ্রা অর্থাৎ আরবি ভাষা খোদিত মুদ্রার প্রচলন ঘটান। মুদ্রায় তিনি বাগদাদের খলিফার নাম অঙ্কন করেন এবং নিজেকে ‘বিশ্বাসীদের নেতার সাহায্যকারী' হিসেবে দাবি করেন।
সুত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, ইতিহাস বই।
RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
অন্যদিকে DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয় চণ্ডীদাসকে।
তিনি 'শুনহ মানুষ ভাই / সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়। বিভিন্ন গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও জলীয়বাষ্প প্রধান।
এছাড়া নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
এসকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ। সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি৷
ই-মেইল ঠিকানায় দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম।
যেমনঃ robithakur@gmail.com
এখানে robithakur হলো ইউজারনেম এবং gmail হলো ডোমেইন নেইম।
ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৫৫৮ | ৮১
৬৪
______
১৬১ |১৫৮
১৬১
________
-৩
∴ ৬৫৫৮ এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে।
বৃত্তের পরিধির যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক সরল রেখাকে জ্যা বলে।
বৃত্তের কোন জ্যা যদি কেন্দ্র দিয়ে যায় তবে তাকে ব্যাস বলে এবং বৃত্তের ব্যাসই বৃহত্তম জ্যা।
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী যে বক্ররেখা আঁকা হয় তাকে বৃত্তচাপ বলে।
পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্যকে বলে বৃত্তের পরিধি।
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3 / 4) × (বাহু)2
= (√3 / 4) × (16)2
= 64√3
শুধু ইংরেজিতে ফেল করে = (৫২ - ১৭)% = ৩৫%
শুধু গণিতে ফেল করে = (৪২ - ১৭)% = ২৫%
তাহলে উভয় বিষয়ে পাশ করে = ১০০% - (৩৫ + ২৫ + ১৭)% = ২৩%
১/২ অংশ করতে লাগে ২০ দিন
১ অংশ করতে লাগে (২০ ÷ (১/২)) = ৪০ দিন
১৫ জন করে ৪০ দিনে
১ জন করে (৪০ × ১৫) দিনে
∴ ২০ জন করে (৪০ × ১৫) / ২০ = ৩০ দিনে।
৯, ১২, ১৫ সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু = ১৮০
সুতরাং ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১৮০ + ১ = ১৮১
৪/৭ = ০.৫৭
৫/৮ = ০.৬৩
৭/১১ = ০.৬৪
২/৩ = ০.৬৭
সুতরাং, ২/৩ হচ্ছে বৃহত্তম ভগ্নাংশ।
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় যদি পরস্পর সমান হয় তবে সামান্তরিকটি আয়তক্ষেত্র বা বর্গক্ষেত্র হবে।
মনে রাখতে হবে, সকল বর্গক্ষেত্রই এক ধরণের আয়তক্ষেত্র। কিন্তু, সকল বর্গক্ষেত্রই আয়তক্ষেত্র নয়।
অর্থাৎ, উত্তর হিসেবে আয়তক্ষেত্র দিলে সেটা আয়তক্ষেত্র এবং বর্গক্ষেত্র দুইটাকেই সিদ্ধ করে।