১.
'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর: ক
নীলিমা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
• 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি':
- এটি নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণাগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। (১৯৯৪ সালের বই মেলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় বলে ধরে নেওয়া হয়)
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলার যেসব নারী কোনো না কোনোভাবে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দিনের পর দিন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেসব যুদ্ধাহত কয়েকজনের সত্যকাহিনীনির্ভর জীবন ইতিহাস 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'
• তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধ-গবেষণা:
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য।
• নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ।
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
• তাঁর রচিত নাটক:
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
- এটি নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণাগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। (১৯৯৪ সালের বই মেলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় বলে ধরে নেওয়া হয়)
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলার যেসব নারী কোনো না কোনোভাবে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দিনের পর দিন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেসব যুদ্ধাহত কয়েকজনের সত্যকাহিনীনির্ভর জীবন ইতিহাস 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'
• তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধ-গবেষণা:
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য।
• নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ।
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
• তাঁর রচিত নাটক:
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।