উত্তর
ব্যাখ্যা
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"
Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"
Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।
ধারা ৯৫- Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds (অযৌক্তিক বা অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ):
(১) যদি কোনো মোকদ্দমায় গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হয় এবং—
(ক) আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে উক্ত গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার আবেদন অপ্রতুল বা অযৌক্তিক ভিত্তিতে করা হয়েছে, অথবা
(খ) মামলাটি ব্যর্থ হয় এবং আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে মামলাটি দায়ের করার জন্য কোনো যৌক্তিক বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,
তবে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত, উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, আদেশের মাধ্যমে বিবাদীর খরচ বা ক্ষতির জন্য যথাযথ বলে গণ্য পরিমাণ ক্ষতিপূরণ (সর্বাধিক দশ হাজার টাকা) আদায়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে কোনো ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে না।
(২) উক্ত আবেদনের বিষয়ে আদালতের আদেশ হলে, সংশ্লিষ্ট গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণের পৃথক কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।
"Parties at issue" বলতে সেই পক্ষগুলোকে বোঝানো হয় যাদের স্বার্থ মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অর্থাৎ, যাদের অধিকার বা দাবির ওপর মামলার রায় প্রভাব ফেলতে পারে। এটি সাধারণত বাদী (Plaintiff) ও বিবাদী (Defendant) বা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
"Parties at Issue" এর মূল বৈশিষ্ট্য:
- মোকদ্দমার মূল পক্ষ → মামলায় যাদের স্বার্থ জড়িত।
- মামলার রায়ে যাদের অধিকার বা দায় প্রভাবিত হতে পারে → মামলার যে কোনো সিদ্ধান্ত তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
- প্রয়োজনীয় বা অনিবার্য পক্ষ (Necessary or Proper Parties) → আদালত যাদের উপস্থিতি জরুরি বলে মনে করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
মোকদ্দমায় যে পক্ষের নাম ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে → এটি সংশোধনযোগ্য ভুল এবং "Misjoinder of parties" বা "Wrongly joined parties" হিসেবে পরিচিত।
মোকদ্দমায় যার নাম যুক্ত করা উচিত কিন্তু যুক্ত করা হয়নি → এটি "Nonjoinder of necessary parties" নামে পরিচিত।
মোকদ্দমায় যুক্ত হতে আগ্রহী পক্ষগণ → কেবল আগ্রহী হওয়া যথেষ্ট নয়, মামলার ফলাফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।
⇒ ধারা ২৬২: সংক্ষিপ্ত বিচারের প্রক্রিয়া-
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে বিচারকরণের ক্ষেত্রে, অধ্যায় XX-এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তবে এখানে উল্লেখিত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া।
→ কারাদণ্ডের সীমা:
(২) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছরের অধিক কারাদণ্ডের রায় প্রদান করা যাবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা:
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ এক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
তামাদি (Limitation) আইন এর ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
মানসিক অসুস্থ অবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে মোকদ্দমার মেয়াদ থাকে ৩ বছর। এটি ওই ব্যক্তির সুস্থ হওয়ার পর ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। এই মেয়াদের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি তার মানসিক সুস্থতা ফিরে পায় এবং সে জানে যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে, তখন সে তিন বছরের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারে।
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।
⇒ মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।
⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
"Pre-audience" নীতিটি বলতে বোঝানো হয় যে, একজন পক্ষের কথা শোনার পূর্বে অন্য পক্ষের কথা শোনা হবে না। এটি সেই নীতিকে প্রকাশ করে যেখানে একটি পক্ষকে অন্যের উপস্থিতির আগে শুনে নেয়া হয়, অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে তার বক্তব্য শোনা হয়। The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি উল্লেখ আছে।
অনুচ্ছেদ ২৬:
(১) অন্যান্য সকল এডভোকেটগণের পূর্বে এটর্নি জেনারেল এর শুনানি করার অধিকার থাকিবে।
( 1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.
(২) অপরাপর এডভোকেটগণের মধ্যে নিরীক্ষণ করিবার অধিকার তাদের পরস্পরের জ্যেষ্ঠতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হইবে।
(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.
CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
২. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের কোনো বিষয়ে নিযুক্তি হেতু বা অন্য কোনো কারণে, গোপনীয় তথ্য জেনে থাকলে তিনি তদ্বিষয়ে আইনগত সহায়তা দানের জন্য তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের বিরুদ্ধে নিয়োগ লাভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো একজন আইনজীবী যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যক্তি কতৃর্ক নিযুক্তি হননি এবং এরূপ নিযুক্তি লাভের জন্য সেবাগত ফি নিননি সেক্ষেত্রে তিনি এরূপ ব্যক্তির স্বাার্থের প্রতিকূলে নিযুক্তির লাভে বারিত নন।
৩. যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধ পক্ষের সাথে বা বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে কোনো একজন আইনজীবীর সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে তা প্রথমে ব্যক্ত না করে তিনি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।
৪. কোনো একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।
৫. কোনো একজন আইনজীবী স্ব—নামে বা বেনামে কোনো সম্পত্তি ইচ্ছাপত্র কতৃর্ক, বন্ধক উদ্ধার কতৃর্ক বা আদালত—এর নিলাম কিনবেন না। তিনি কোনো একটি পক্ষের যে সম্পত্তির জন্য আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করিয়াছেন সে কাজের পারিশ্রমিক, পুরস্কার বা দান হিসেবে উক্ত সম্পত্তি পুরোপুরি বা অংশবিশেষ গ্রহণ করবেন না।
৬. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর নিজের সম্পত্তির সাথে মক্কেলের সম্পত্তি একত্রিত করে ফেলবেন না এবং যদি তিনি মক্কেলের অর্থ বা সম্পদ পেয়ে থাকেন বা রিসিভ করে থাকেন, তাহলে তা অতি তাড়াতাড়ি উক্ত মক্কেলকে জানিয়ে দিবেন।
৭. কোনো একজন আইনজীবী যে পর্যন্ত না একজন পরামর্শক নিযুক্তি না হবেন সে পর্যন্ত কোনো মামলার বাদী বা আসামি পক্ষে মামলা সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া আরম্ভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো পক্ষের সাথে বা বিষয়বস্তুর সাথে তার সম্পর্ক এরূপ হয় যে তার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেক্ষেত্রে তিনি তা করতে পারেন।
৮. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর পেশাগত ক্ষমতায় কোনো আইন লংঘনের জন্য পরামর্শ দিবেন না। আইন বলবৎ নিন মর্মে সরল বিশ্বাসে পরামর্শ প্রদান করলে অত্র বিধি প্রযোজ্য হবে না।
৯. একজন আসামির অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো আইনজীবীর ব্যক্তিগতভাবে জানা হতে সৃষ্ট মতামত বা বিশ্বাস যা—ই হোক না কেন তিনি উক্ত আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনে মামলা চালানোর অধিকার রাখেন। অন্যদিকে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যিনি কেবলমাত্র পরিস্থিতির শিকার তার পক্ষে আইনজীবী রূপে মামলা চালানোর জন্য অস্বীকৃতি জ্ঞাপনও করতে পারেন। যদি আসামি পক্ষে মামলা চালানোর এরূপ দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহলে কোনো একজন আইনজীবী ন্যায়ানুগ ও সম্মানজনকভাবে দেশের আইন কতৃর্ক অনুমোদিত সকল উপায়ে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে বাধ্য এজন্য যে, কোনো ব্যক্তিকেই আইনের সঠিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে তার জীবন বা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
১০. ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইনজীবীগণ এরূপ কোনো প্রকার দাবি করবেন না যেন তাদের পরামর্শ ও সেবার চেয়ে অতিরিক্ত হয় অথবা তার অবমূল্যায়ন হয়।
১১. আইনজীবী তার মক্কেলের সাথে ফি বা পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিরোধ সেই পর্যন্ত পরিহার করে চলবেন যে পর্যন্ত তিনি তার বিবেচনায় তার সেবার জন্য যৌক্তিকভাবে পাওয়ার অধিকার রাখেন। মক্কেলের কোনো প্রকার আইন সম্পর্কিত বিষয়ে মামলার কেবলমাত্র অন্যায়, অপচাপ বা প্রবঞ্চনা প্রতিহতের চেষ্টা করতে হবে।
১২. কোনো একজন আইনজীবী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লোকগ্রাহ্য এরূপ কোনো হানিকর কোনো ঘটনাই কার্যকরভাবে উদ্ভূত বা পালিত হতে পারে না এবং প্রত্যাখ্যাত হইতে পারে না কেননা উক্ত পেশা জনসাধারণের উচ্চ ধারণা ও বিশ্বাস থেকে যা সঠিক দায়িত্ব পালন দ্বারা অর্জন করা হয়েছে।
১৩. যখন কোনো একজন আইনজীবী, আনুষ্ঠানিক বিষয় যেমন কোনো দলিলের প্রত্যয়ন বা জিম্মাদারী বা রীতিসিদ্ধ বিষয়ের সাক্ষী ব্যতিরেকে তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষী হন, তখন সে মামলার বিচার পরিচালনার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা ব্যতিরেকে কোনো আইনজীবী তার মক্কেলের জন্য সাক্ষ্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।
১৪. সচরাচর কোনো বিষয়ে যা বিচার ক্ষেত্রে মামলার গুণাগুণকে বারিত করে না, নতুবা মক্কেলের অধিকারের উল্লেখযোগ্য ক্ষতিকারক রূপে নহে যথা, প্রতিপক্ষের আইনজীবীকে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে তিনি কোনো বিষয়ে শোকার্ত বা অসুস্থ থাকেন; প্রতিপক্ষের আইনজীবীর ক্ষতিকারক কোনো এক বিশেষ তারিখে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে অন্য তারিখে মামলা চালালে, কোনো ক্ষতির কারণ ছিলো না, বর্ধিত কোনো সময়ে লিখিত বর্ণনা পেশে রাজীনামা প্রদান করা, যুক্তিতর্ক পেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে আইনজীবীকে তার স্ব—বিবেক অনুযায়ী বুদ্ধি খাটানোর সুযোগ প্রদান করতে হবে। উক্ত রকমের বিষয়ে মক্কেলের এরূপ দাবি করার সুযোগ থাকবে না যে, তার আইনজীবী হবেন কিংবা তিনি তার সুবিচার ও আদর্শের প্রতিকুলে কাজ করবেন।
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-
১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে।
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে।
৫. তাকে বার কাউন্সিল নিধার্রিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে।
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে।
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।