উত্তর
ব্যাখ্যা
ধারাটির সমষ্টি = 1/6.n(n + 1)(2n + 1)
= 1/6{21(21 + 1)(42 + 1)}
= 3311
Unlisted · ২৪ জুন, ২০২১ · ১০০ প্রশ্ন
ধারাটির সমষ্টি = 1/6.n(n + 1)(2n + 1)
= 1/6{21(21 + 1)(42 + 1)}
= 3311
৩৩ - ১৯ = ১৪,
৫১ - ৩৩ = ১৮,
৭৩ - ৫১ = ২২,
∴ ১৯, ৩৩, ৫১ এই ধারার প্রথম সংখ্যা হবে ১৯ - ১০ = ৯
2, 3 এবং 4 দ্বারা গঠিত তিন অংকের জোড় সংখ্যার শেষ অংকটি হবে 4 অথবা 2
সংখ্যাগুলো হবে - 234, 324, 342, 432
বড় সংখ্যাটি, (১৯৭ + ১)/২ = ৯৯
ধরি, সংখ্যাটি x
প্রশ্নমতে, x/2 - x/3 = 18
বা, (3x - 2x)/6 = 18
সুতরাং, x = 108
- ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দুকে অন্তঃকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের তিন বাহুর লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দুকে পরিকেন্দ্র বলে।
x6 + 4x3 − 1
= (x2)3 + x3 + (-1)3 - 3x2.x(-1)
= (x2 + x - 1){(x2)2 + x2 + (-1)2 - x2x - x(-1) - (-1)x2} [As, x3 + y3 + z3 – 3xyz = (x + y + z) (x2 + y2 + z2 – xy – yz – zx)]
= (x2 + x - 1)(x4 - x3 + 2x2 + x + 1)
কর্ণের দৈর্ঘ্য = √(72 + 72)
= √98
= √(49×2)
= 7√2
∴ কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (7√2)2 বর্গফুট
= 98 বর্গফুট
দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু - ২, ল.সা.গু ৩৬০ এবং একটি সংখ্যা ২০।
আমরা জানি, গ.সা.গু × ল.সা.গু = ১ম সংখ্যা × ২য় সংখ্যা
বা, ২ × ৩৬০ = ২০ × ২য় সংখ্যা
∴ ২য় সংখ্যা = (২ × ৩৬০)/২০ = ৩৬
সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা n হলে তার কোণগুলোর সমষ্টি (2n - 4) সমকোণ।
সুতরাং সুষম দশভুজের কোণের সমষ্টি = (2×10 - 4) সমকোণ
= (20 - 4) × 90°
= 16 × 90°= 1440°
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১/২ × ভূমি × উচ্চতা
= ১/২ × ৫ × ৪
= ১০ বর্গ মিটার
Here, a + b + c = 12 & a + b = 4
So, c = 8
As, a + c = 7
∴ a = 7 - 8 = -1
∴ b = 4 - (-1) = 5
এখানে, ২ টির ক্রয়মূল্য = (১/১০ + ১/১৫) টাকা
= (৩ + ২) / ৩০
= ১/৬ টাকা
আবার, ১২ টির বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
∴ ২ টি কলার বিক্রয়মূল্য ১/৬ টাকা।
যেহেতু, ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য সমান, সুতরাং লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না।
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য m মি. হলে এর ক্ষেত্রফল = √3/4 m2
= √3/4 × 62
= 9√3 = √81 × √3
= √243
cosθ = 0 when θ = 90° or, 270°
Maximum value of cosθ is 1 when θ = 0°, 360°.
Minimum value of cosθ is –1 when θ = 180°.
Given, p - 6/p = 1
⇒ p2 - 6 = p
⇒ p2 - p = 6
So, 3/(p2-p+3)
∴ 3/(6+3) = 1/3
(a + b + c)2 = a2 + b2 + c2 + 2ab + 2bc + 2ca
172 - 77 = 2(ab + bc + ca)
∴ (ab + bc + ca) = 212/2 = 106
∠A = 125° ∠B = 180° - 125° = 55°
sec2A - tan2A = 1
⇒ (secA + tanA)(secA - tanA) = 1
∴ (secA - tanA) = 1/(7/4) = 4/7
এখানে,ধারাটির প্রথম পদ a = 8, সাধারণ অন্তর d = 11 - 8 = 3
ধরি, n তম পদ = 401
আমরা জানি, n তম পদ = a + (n - 1) d
বা, 8 + (n - 1) 3 = 401
বা, n = 132
∴ ধারাটির 132-তম পদ 401 হবে।
- কোন কিছুর ভিতরে অবস্থিত বা স্থিতিশীলতা বুঝালে in বসে।
Example: The students are in the room.
- কোন ব্যক্তি বা বস্তু কোনকিছুর অংশভুক্ত বুঝালে of বসে৷
Example: Tia stared at the floor of her room.
Astute - having or showing an ability to accurately assess situations or people and turn this to one's advantage; চতুর।
Synonyms - Ingenious, clever, intelligent.
Through thick and thin
English Meaning: under all circumstances, no matter how difficult.
Bangla Meaning: যত কঠিন পরিস্থিতিই হোক না কেন / যেকোন পরিস্থিতেই হোক
Ex. Sentence: They stuck together through thick and thin
Bangla Meaning: তারা সকল বাধা বিপত্তি সামলে একত্রে ছিলো।
Source: LiveMCQ Lecture
Birds of the same feather flock together - চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
Morning shows the day - সকালেবেলাতেই দিনের প্রকৃতি বুঝা যায় বা উঠতি মূল পত্তনেই বোঝা যায়।
Better late than never - একেবারেই না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়াও ভালো।
Source: LiveMCQ Lecture
Reflexive Pronouns:
Myself, ourselves, yourself, yourselves, himself, herself, themselves.
কোন বাক্যের Subject যদি one of, each of, every of, one third of হয়, তবে এগুলাের পরে plural noun / pronoun বসে কিন্তু এর পর verb-টি সবসময় singular হয়।
অতএব, শূন্যস্থানে One of the problems হবে।
অপশনের বাক্যগুলোর শুদ্ধ রূপ- My friend is going to buy some new furniture.
- My friend has got brown eyes.
- She has short black hair.
- He is going to buy some new chairs.
After এর পূর্বে past indefinite tense এবং পরে past perfect tense হয়।
উদাহরণ: -I remembered him after he had left.
- The patient died after the doctor had come.
কোন উপকরণ/ যন্ত্র দ্বারা কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে with ব্যবহৃত হয়৷
যেমন:
-They opened the package with a knife.
- I have no pen to write with.
Would rather …… than অনুসারে সঠিক উত্তর হবে (ক)।
Structure: Sub + would rather + verb এর present form + than + verb/noun.
Example: I would rather die than retreat.
• Ernest Hemingway is a famous American Novelist.
• He got the Nobel prize in 1954 for his famous novel 'The Old Man and the Sea'.
• His other famous novels:
- A Farewell to Arms (First written),
- The Old Man and the Sea,
- For Whom the Bell Tolls,
- The Sun also Rises,
- The Dangerous Summer,
- True at First Light,
- The Torrents of Spring etc.
Source: Encyclopedia of Britannica.
countable এবং uncountable উভয় ধরনের noun এর আগে determiner হিসেবে some বসে।
যেমনঃ
- My mother has inherited some land.
- There's some butter in the fridge.
- Do you want some tea?
এবং tea এর পূর্বে some ব্যবহার করে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, সে ক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তা হ্যা বোধক উত্তরের আশায় করেন।
uncountable noun কে যখন পরিমাপ করতে হয়, তখন এটা যে আধারে রাখা হয়, সেটার সামনে a ব্যবহার করা যায়। সুতরাং a cup of - ও সঠিক।
যেমন- Would you like a cup of tea?
Recondite - difficult for one of ordinary knowledge or intelligence to understand.
Synonyms - abstruse, arcane, deep, esoteric.
Antonym - evident, lucid, manifest, obvious.
Get on- phrasal verb of get.
Meaning - to manage or deal with a situation, especially successfully.
Example: We're getting on quite well with the decorating.
Synonym: fare, manage, progress.
Direct Speech/Narration থেকে Indirect speech/narration এ রূপান্তর করার সময় নিচের দুটি নিয়ম খেয়াল রাখতে হবে -
• It is time, Would rather, Would sooner, I wish, had better এদের পরে indirect speech থাকলে tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না এবং It is time, Would rather, Would sooner, I wish, had better এগুলোর পর advise/advised/warn/warned/ urge/urged + to/ not to + বাকি অংশ লিখতে হয়।
• তবে,
- Said/say/says এর পর object না থাকলে object হিসেবে me ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্নোক্ত direct speech টির subject second person হওয়ায় এবং ‘had better’ থাকায় indirect speech এর গঠন হবে-
Subject + advise/advised + object + infinitive + বাকি অংশ।
যেমনঃ
Direct Speech:‘You had better not leave your room unlocked’ said my friends.
Indirect Speech: My friends advised me to lock my room.
- এই গঠন অনুসারে অপশন (ক) ই সঠিক উত্তর।
Source: Advanced Learners Communicative English Grammar and Composition (For Class 9-10)
- If যুক্ত sentence এর প্রথম অংশ past indefinite tense হলে পরের অংশে subject এরপর would/could + verb এর present from হবে।
অতএব, সঠিক উত্তর অপশন (খ)।
অন্যান্য অপশনের বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ-
- If Salina had the money, she would buy a fast car.
- If I were you, I would pat your jacket on.
- It would be nice if the weather was better.
If one thing is conducive to another thing, it makes the other thing likely to happen.
Example:- Sometimes the home environment just isn't conducive to reading.
- Swimming is conducive to health.
- Early rising is conducive to health.
- It is time এরপর pronoun এর subjective form আসলে সেই subjective এরপর verb এর past form ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং শূন্যস্থানে buy এর past form bought বসবে।
যেমনঃ
- It's time you realized your mistakes.
- It's time you went to bed.
- It's high time you bought a new pair of jeans.
Too…..to এই গঠন ব্যবহার হয় 'এতই যে ...... না' অর্থ প্রদান করার জন্য। এখানে too difficult ব্যবহারে ‘অনেক কঠিন’ এই অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে।
যেমনঃ
- He is too weak to walk.
- English language is not too difficult to understand.
- The weather is too cold for them to go out.
- Don't worry. English Grammar is not too difficult to understand.
কোনো কিছু তৈরি করার পর উপাদান দেখা না গেলে made from বসে।।
যেমন- Paper is made from wood/bamboo.
কিন্তু যদি উপাদান দেখা যায় তাহলে made of বসে।
যেমন- The ring is made of gold.
Give up doing something
- I gave up going to the theatre when I moved out of London.
- He gave up playing football when he got married.
- Why don’t you give up smoking?
Need is a semi-modal verb because in some ways it is like a modal verb and in other ways like a main verb.
We use need mostly in the negative form to indicate that there is no obligation or necessity to do something:
- You needn’t take off your shoes.
- You need not spend a lot of money on presents.
- You need not come tomorrow if you have any work.
Source: Cambridge Dictionary
• Police (noun) (সমষ্টিগত 'noun' সবসময় 'singular' রূপ, 'plural verb' সহ ব্যবহৃত হয়) (the) police আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সরকারি বাহিনী; পুলিশ।
Source: Bangla Academy Dictionary.
• The word 'police' is uncountable - it has no plural form, but has a plural sense and takes a plural verb.
Source: Cliffs Toefl.
• There are a few collective nouns (in both British and American English) that are always used with a plural verb, the most common of which are police and people:
Correct sentence: She's happy with the way the police have handled the case.
Incorrect sentence: She's happy with the way the police has handled the case.
Correct sentence: It's been my experience that people are generally forgiving.
Incorrect sentence: It's been my experience that people is generally forgiving.
Source: Oxford Dictionary.
তাই সঠিক বাক্যটি হবে- The police were informed yesterday.
Second Conditional:
• If + were + extension, would/could/might + Verb- এর present form.
যেমনঃ
- If I knew the answer, I would tell you.
- If I were you, I would pat your jacket on.
- If I were you, I would take the money.
- If I were a bird, I would fly to you.
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ কখনাে কখনাে গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যােগ্যতা হারায়।
- ‘গরুর গাড়ি’, ‘শবদাহ’, ‘মড়াপােড়া’ প্রভৃতি স্থলে যথাক্রমে ‘গরুর শকট’, ‘শবপােড়া’, ‘মড়াদাহ' প্রভৃতির ব্যবহার গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস : পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) ইত্যাদি লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা :
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত,
- বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
সূর্য: আদিত্য, রবি, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, সবিতা ইত্যাদি।
চাঁদ: শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটকগুলো হলো -
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- রক্তকরবী,
- ডাকঘর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর।
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমনঃ
- গাছ থেকে পাতা পড়ে,
- পাপে বিরত হও,
- সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
মায়াবী-মায়াবিনী,
কুহক-কুহকিনী,
যোগী-যোগিনী,
দুঃখী-দুঃখিনী শব্দগুলো হলো ঈনী এবং নী প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত শব্দ।
বৈষ্ণব (বিশেষ্য) বিষ্ণুর উপাসক; ধর্মসম্প্রদায়বিশেষ।
- বৈষ্ণবী (বিশেষ্য) (বিশেষণ) (স্ত্রীলিঙ্গ)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী এবং বাংলা একাডেমি অভিধান
• বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত প্রমথ চৌধুরী।
• তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করে অনেক রচনা প্রকাশ করেন।
• তাঁকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
• 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
• তিনি মাসিক সবুজপত্র (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থঃ
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ক্ষীয়মাণ - বর্ধমান
ক্ষয়িষ্ণু - বর্ধিষ্ণু
ক্ষুদ্র - বৃহৎ
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি।
এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
- এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা।
- বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি।
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। একে ক্রিয়া-প্রকৃতিও বলা হয়৷
অন্যদিকে বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। একে নামপদ বা নাম-প্রকৃতিও বলা হয়৷
প্রাতিপদিক হলো তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি। এবং ধাতু হলো কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন : জলে চড়ে যা - জলচর ; জল দেয় যে - জলদ ; পঙ্কে জন্মে যা - পঙ্কজ।
কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে।
যেমন : √চর্ > চর (বিচরণ করা অর্থে) ; √ধর্ > ধর (ধরা অর্থে)
উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ + ধাতু + প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়।
যেমন : বাস্তুহারা = বাস্তু + √হার্ + আ ; খেচর = খ + √চর্ + অ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে-সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
উপপদ তৎপুরুষের উদাহরণ : অগ্রজ, আত্মজ, পঙ্কজ; মাছিমারা , ইদুরমারা (কল); ইন্দ্রজিৎ, কুম্ভকার (কুম্ভ করে যে], জলচর, খেচর, নিশাচর, নভশ্চর৷
উৎসঃ ভাষাশিক্ষা, হায়াৎ মামুদ
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
-সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য 'মনসামঙ্গল'৷
-মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত।
-মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম পদ্মাপুরাণ।
-মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলো হলোঃ
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।
চন্ডীমঙ্গলও মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্যের সাহিত্য ধারা।
চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রসমূহঃ
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ভাড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
-তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন।
-অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্ মুহম্মদ সগীর।
-তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• উপসর্গ তিন প্রকার।
• যথা-
- সংস্কৃত উপসর্গ,
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ও
- বিদেশী উপসর্গ।
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
• যথা- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১ টি।
• যথা- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, রাম, স, সা, সু, হা, বি, ভর।
• অপরদিকে, বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কতিপয় শুদ্ধ বানান হলো-
• শিরশ্ছেদ,
• তিতিক্ষা,
• সংশপ্তক,
• সমীচীন (সংগত, উপযুক্ত, উত্তম),
• মুহুর্মুহু,
• মনীষী,
• শুশ্রূষা,
• ত্রিভুজ,
• পাষাণ,
• মরীচিকা,
• মুমূর্ষু,
• কৃষিজীবী,
• বিকিরণ,
• দধীচি,
• মন্ত্রিসভা,
• মন্ত্রিপরিষদ,
• নিশীথিনী ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
কতগুলাে সন্ধি কোনাে নিয়মে সাধিত হয় না এমন সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। যেমন:
-পর্ + পর = পরস্পর,
-আ + চর্য = আশ্চর্য,
-গাে + পদ = গােষ্পদ,
-বন্ + পতি = বনস্পতি,
-ষট্ + দশ = ষােড়শ,
-বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি,
-মনস্ + ঈষা = মনীষা,
-এক + দশ = একাদশ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ভরাডুবি - সর্বনাশ
মগের মুল্লুক - অরাজক দেশ
পুকুর চুরি - বড় ধরনের চুরি
বালির বাঁধ - অস্থায়ী বস্তু
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
দ্বিরুক্ত অর্থ দুইবার উক্ত হয়েছে এমন।
যেমন-
আধিক্য বােঝাতে- রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান।
সামান্য বােঝাতে- আমি আজ জ্বর জ্বর বােধ করছি।
ভাবের গভীরতা বােঝাতে- ছি ছি, তুমি কী করেছ?
তীব্রতা বােঝাতে- গরম গরম জিলাপি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করার পর ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান। বর্তমান টেস্ট ক্যাপ্টেন মমিনুল হক।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়।
- অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি (১৪৫) করেন।
- একই টেস্টে নাঈমুর রহমান দুর্জয় বোলিংয়ে প্রথম ৫ উইকেট (৬ উইকেট আসলে) লাভ করেন।
সূত্রঃ ক্রিকিনফো, বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজদের সাথে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনানায়ক সিন ফ্রে নবাব সিরাজদ্দৌলার পক্ষে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
- অন্যদিকে, নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর সহ আরো কয়েকজন নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করাই নবাব যুদ্ধে পরাজিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : এসএসসি - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।
(সূত্র: ন্যাম ওয়েবসাইট)
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়।
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের সদস্যবৃন্দ:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- ১ জানুয়ারি ২০১৭ তিনি ৯ম মহাসচিব হিসেবে ৮ম মহাসচিব বান কি মুন এর স্থলাভিষিক্ত হন।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব নরওয়ের ট্রাইগভে লাই।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ পাঁচটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
- IBRD
- IDA
- IFC
- ICSID
- MIGA.
১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই অনুষ্ঠিত ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু হয়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস। সদস্য সংখ্যা (IBRD) ১৮৯টি।
বিশ্বব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ গ্রহণ করে ফ্রান্স।
(সূত্র: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট)
• আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA- International Atomic Energy Agency) প্রতিষ্ঠিত ১৯৫৭ সালে।
• সংস্থাটির সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
• সংস্থাটি ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
• বর্তমান সদস্য ১৭৩ টি দেশ।
• বর্তমান মহাপরিচালক রাফায়েল ম্যারিনো গ্রোসি।
উৎসঃ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার ওয়েবসাইট।
- ইসরাইলের সাথে প্রথম আরব দেশ হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে মিশর।
- তবে প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তুরস্ক।
- দ্বিতীয় দেশ জর্ডান,
- তৃতীয় দেশ আরব আমিরাত এবং
- চতুর্থ দেশ হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বাহরাইন।
- ১৬ আগস্ট ২০২০ সালে সরাসরি ফোন চালুর মাধ্যমে দুই দেশ আরব আমিরাত ও ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বিবিসি নিউজ।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলসের জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র - হুলিয়া
- এটি নির্মাণ করেন তানভীর মোকাম্মেল।
- ষাটের দশকে প্রগতিশীল সংগঠনের কর্মীদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যে হুলিয়া বুকে নিয়ে ঘরছাড়া এক তরুণকে নিয়ে লেখা কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতাকে ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে এনেছেন তানভীর মোকাম্মেল।
তানভীর মোকাম্মেলের নদীর নাম মধুমতি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ চলচিত্র
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা-র পরিচালক আলমগীর কবির
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার৷
আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম রিখটার স্কেল।
বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার।
১ মোল HNO3 ও ৩ মোল HCL এর মিশ্রণকে রাজঅম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া বলে।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়।
Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+). The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.
Source: MIT
অস্কার/একাডেমী পুরস্কার - ২০২০
- সেরা মুভি - প্যারাসাইট (কোরিয়ান)
- সেরা পরিচালক - Bong Joon Ho (‘প্যারাসাইট’ মুভির পরিচালক)
- সেরা অভিনেতা - জোয়াকুইন ফোনিক্স (‘জোকার’ মুভির জন্য)
- সেরা অভিনেত্রী - রেনে জিলওয়েগার (‘জুডি’ মুভির জন্য)
উৎসঃ অস্কার ওয়েবসাইট।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ উভয় ক্ষেত্রে নির্বাচন করে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করে।
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি। আসনগুলোর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন। নির্বাচনে ১৬৯টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগ ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- '৭০ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে জয়লাভ করে। তবুও তৎকালীন সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে দেয়নি।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং সমকাল পত্রিকা
মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
এই চিত্রলিপিকে বা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক বা পবিত্র অক্ষর।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।
পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক)
- আমদানি শুল্ক
- সম্পূরক শুল্ক
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর
- দানকর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
ভোমরা স্থলবন্দর – সাতক্ষীরা
দর্শনা স্থলবন্দর – চুয়াডাঙ্গা
বিরল ও হিলি স্থলবন্দর – দিনাজপুর
সোনা মসজিদ স্থলবন্দর – চাপাই নবাবগঞ্জ।
(সূত্র: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ)
অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান : ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী