ব্যাখ্যা
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্পবিস্তর সমতা লাভ করলে তাকে সমীভবন বলে। যেমনঃ জন্ম → জম্ম, কাঁদনা → কান্না ইত্যাদি। দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমনঃ শরীর → শরীল। পাশাপাশি অবস্থিত দুটো সমউচ্চারণের ব্যঞ্জনধ্বনির একটির লোপ পাওয়াকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। যেমনঃ বউদিদি → বউদি। শব্দ মধ্যস্থিত কোন ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হলে তাকে ব্যঞ্জনবিকৃতি বলে। যেমনঃ কবাট → কপাট। পদের মধ্যে কোন ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়াকে অন্তর্হতি বলে। যেমনঃ ফাল্গুন → ফাগুন। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)