পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
The children were quite happy after receiving their gifts.
Here, the phrase 'Quite happy' is a/ an -
  1. Adjective Phrase
  2. Noun Phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. none
ব্যাখ্যা
Adjective Phrase:
- যে Phrase গুলো sentence- এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে সেই Phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
- Noun এরপর যদি কোন clause/ phrased বসে তাহলে সেটি হবে Adjective clause/ phrase.

- বাক্যেটিতে "The children were quite happy after receiving their gifts". quite happy অংশটি বাক্যের Noun "The children" কে modify করেছে। তাই এই অংশটুকু Adjective Phrase.

Correct answer: The children were quite happy after receiving their gifts. Here, the phrase 'Quite happy' is a/ an - Adjective Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
I don't eat sweets often, but I do enjoy chocolate every now and then.
Here, the underlined phrase is -
  1. Adjective Phrase
  2. Phrasal Preposition
  3. Noun Phrase
  4. Adverbial Phrase
ব্যাখ্যা
Adverbial Phrase: 
- যে শব্দ সমষ্টি বা Phrase যখন Adverb এর ন্যায় কাজ করে তখন তাকে Adverbial Phrase বলে।
- এখানে 'every now and then' দ্বারা 'enjoy' Verb টিকে Modify করেছে এবং এটি Adverbial Phrase of Frequency, কারণ এটি কাজটি কখন ঘটে তা বোঝাচ্ছে। 
- কোথায়, কখন, কিভাবে ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে তখন টা আমরা Adverb হিসেবে ব্যবহার করি। 

Correct Answer: I don't eat sweets often, but I do enjoy chocolate every now and then. Here, the underlined phrase is - Adverbial Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
In a paragraph, what does the term "Terminator" refer to?
  1. Topic sentence
  2. Supporting detail
  3. Concluding sentence
  4. New idea sentence
ব্যাখ্যা
In a paragraph, the term "Terminator" refers to - Concluding sentence.

Terminator:
- এটাকে paragraph এর সমাপ্তি, উপসংহার বলে। এটি দিয়ে Paragraph শেষ হয়।
- অর্থাৎ একটি সার্থক সমাপ্তিসূচক sentence কে বলা হয় Terminator.

• প্যারাগ্রাফের 'Terminator' হলো সমাপ্তি বাক্য, যা প্যারাগ্রাফের মূল ভাবনাকে সংক্ষিপ্তভাবে উপসংহার করে।
- এটি প্যারাগ্রাফের শেষে এসে পাঠকের কাছে পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট ধারণা প্রদান করে, যাতে মূল বিষয় বা থিম স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
- Terminator পাঠককে প্যারাগ্রাফ শেষ হওয়ার সংকেত দেয় এবং প্যারাগ্রাফের সমাপ্তি শক্তিশালী ও সুস্পষ্ট করে তোলে।
- এটি প্যারাগ্রাফের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পুরো প্যারাগ্রাফকে কার্যকর ও সম্পূর্ণ করে।
.
'Postscript' is added -
  1. at the beginning of the letter
  2. on the envelope
  3. at the end of a letter
  4. beside the date
ব্যাখ্যা
• 'Postscript' is added at the end of a letter.

• Postscript (n) (সংক্ষেপে PS): 
- An additional remark at the end of a letter, after the signature and introduced by ‘PS’.
- an extra piece of information about an event that is added after it has happened.
- বাংলা অর্থ - পুনশ্চ।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- An extra message added at the end of a letter after it is signed.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পরে যুক্ত বাক্যাবলী; পুনশ্চ; অতিরিক্ত বা সর্বশেষ তথ্য।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
.
Which of the following requires 'cohesion' and 'coherence'?
  1. Letter
  2. Applications
  3. Paragraph
  4. Narration
ব্যাখ্যা
• 'Paragraph' requires 'cohesion' and 'coherence'.

Paragraph শব্দের অর্থ হলো অনুচ্ছেদ
- যে কোনো Paragraph এর মধ্যে দুটি উপাদান বর্তমান থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- এগুলো হলো- Cohesion এবং coherence.
- Coherence হচ্ছে paragraph এর বিভিন্ন অংশের সমন্বয়।

Coherence:
- English meaning: Systematic or logical connection or consistency/ the situation when the parts of something fit together in a natural or reasonable way.
- Bangla meaning: একত্র আসঞ্জনশীল/ সঙ্গতিপূর্ণ; প্রাঞ্জল।

• লেখায় Coherence (সঙ্গতি) তৈরি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল যে সমস্ত ধারণাগুলি একে অপরকে সঠিকভাবে এবং যৌক্তিকভাবে অনুসরণ করে।
- এর মাধ্যমে পাঠক সহজেই লেখার বিষয়বস্তু বুঝতে পারে এবং লেখাটি প্রাঞ্জল ও সুসংগত মনে হয়।
- এটি পাঠকের জন্য লেখাটিকে পরিষ্কার এবং বুঝতে সহজ করে তোলে।

Cohesion:
- একত্র এঁটে থাকার অবস্থা বা প্রবণতা; আসঞ্জন; যে শক্তিবলে অণুসমূহ পরস্পর আসঞ্জিত বা দৃঢ়ভাবে একত্র লেগে থাকে।
- A paragraph has good cohesion when each sentence is clearly linked to the next through language.
- It maintains the smooth connection between words, phrases, and sentences.

• Cohesion (Unity) & Coherence (Logical Sequence of thoughts) are essential in paragraph writing.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren and Martin.
.
Rubel decided to take the same route.
Here, the underlined phrase is -
  1. Noun Phrase
  2. Adjective Phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. Phrasal Preposition
ব্যাখ্যা
Noun Phrase:
- যে শব্দ সমষ্টি (phrase) Noun এর কাজ সম্পন্ন করতে পারে তাকে Noun Phrase বলে।
- Noun Phrase মূলত একটি Noun বা Pronoun এর কাজ করে থাকে।
- Noun Phrase কেবল মাত্র Adjective দ্বারা modify হয়।

- এছাড়া, অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun Phrase বিভিন্ন ভূমিকা রয়েছে। যেমন:
- Subject হিসেবে। 
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে।
- Subject complement হিসেবে।
- Object complement হিসেবে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'to take the same route' phrase টি Verb (decided) এর Object হিসেবে বসেছে।
- আর Infinitive marker যদি কোন Sentence এর Subject বা Object হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখন তা Noun Phrase.

Correct answer: Rubel decided to take the same route. Here, the underlined phrase is - Noun Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
What does the phrase "fall on hard times" mean?
  1. To stumble or trip
  2. Experiencing financial difficulties
  3. To look down on someone
  4. Taking a lot of time
ব্যাখ্যা
Fall on hard times:
- English Meaning: to lose your money and start to have a difficult life.
- Bangla Meaning: টাকা পয়সা হারিয়ে কঠিন সময় শুরু।

Example Sentence: After losing his job, he fell on hard times and struggled to pay the bills.
- Bangla Meaning: চাকরি হারানোর পর তিনি অর্থনৈতিক কষ্টে পড়েন এবং বিল পরিশোধ করতে কষ্ট বোধ করেন।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
.
What does the phrase "run counter to" mean?
  1. To agree with someone
  2. To support an idea
  3. To disagree with someone
  4. To follow a rule
ব্যাখ্যা
Run counter to
- English meaning: To be opposed to; To disagree with someone.
- Bangla meaning: বিরোধিতা করা, কারো সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা।

Example sentence: His opinion runs counter to the company’s policy.
- Bnagla meaning: তার মতামত কোম্পানির নীতির বিপরীতে।

Source: Oxford Dictionary, Merriam Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
.
মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে কোথায় লং মার্চের নেতৃত্ব দেন?
  1. ঢাকায়
  2. কুমিল্লায়
  3. ফারাক্কা অভিমুখে
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী: 
- জন্ম: ১৮৮০, ধনপাড়া, সিরাজগঞ্জ, ব্রিটিশ ভারত সময়।
- মৃত্যু: ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬, সন্তোষ, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
- ১৯১৯: অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন।
- ১৯৩৭: মুসলিম লীগে যোগদান; আসাম শাখার সভাপতি।
- ১৯৪৯: পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- ১৯৫৭: ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন।
- ১৯৭৬: ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন। 

উল্লেখ্য, 
- “ভাসানী সাহেব” ভাসানচরের কৃষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপাধি।
- মার্কিনপন্থি ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে ছিলেন।
- চীনপন্থি পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক নিচের কোন পদে দায়িত্ব পালন করেন নি?
  1. কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  2. বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
  3. গভর্নর পূর্ব পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক: 
- উপাধি: শেরে বাংলা। 
- পেশা: রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, শিক্ষক।
- জন্ম: ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩, সাটুরিয়া, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।
- মৃত্যু: ২৭ এপ্রিল ১৯৬২ সালে।
- ১৯০৬: মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা (ঢাকা) সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।
- ১৯১৩: বঙ্গীয় আইন পরিষদ সদস্য (ঢাকা বিভাগ)।
- ১৯১৬-১৯২১:  সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ সভাপতি। 
- ১৯৩৫: মেয়র কলকাতা।
- ১৯৩৭–১৯৪৩: মুখ্যমন্ত্রী অবিভক্ত বাংলা।
- ১৯৫৪: মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বাংলা।
- ১৯৫৫: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তান।
- ১৯৫৬–১৯৫৮: গভর্নর পূর্ব পাকিস্তান।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যু, তিন নেতার মাজারে সমাহিত।
- তিনি  বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১.
রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন করে কিসের ভিত্তিতে?
  1. সরকারি সিদ্ধান্ত
  2. ব্যাক্তিগত স্বার্থ
  3. দলীয় মতাদর্শ
  4. সংসদের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের কার্যাবলী:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন করে দলীয় মতাদর্শ ভিত্তিতে।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশান, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
খাজা সলিমুল্লাহ নিচের কোন ব্রিটিশ উপাধি পায়নি?
  1. নওয়াব বাহাদুর
  2. নাইট হুড
  3. সি.এস.আই
  4. কে.সি.এস.আই
ব্যাখ্যা
- নাইট হুড উপাধিটি পায়নি।

• নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ: 

- জন্ম: ৭ জুন ১৮৭১, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা,
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, চৌরঙ্গী, কলকাতা,
- পিতা: নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ,
- পিতামহ: নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।

• দান ও সমাজসেবা:
- ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল প্রতিষ্ঠায় অনুদান দেন।
- উপাধি ও সম্মাননা (ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক): 
- ১৯০২: C.S.I.
- ১৯০৩: Nawab Bahadur.
- ১৯০৯: K.C.S.I.
- ১৯১১: G.C.S.I.
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, কলকাতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'The Spirit of Islam' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আল্লামা ইকবাল
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. আবুল কালাম আজাদ
  4. সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী:
- মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে 'The spirit of Islam' এবং 'A Short History of the Saracens'.
- ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- তিনি ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান এ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করে
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে বিকল্প সরকার বলা হয়-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাবাহিনী
  3. বিরোধী দল
  4. নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

উল্লেখ্য, 
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- সেনাবাহিনী বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫.
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িত নয়-
  1. ফিলিপাইন
  2. মালয়েশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
- থাইল্যান্ড দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িত নয়।

• দক্ষিণ চীন সাগর: 

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- যা ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ,
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।

• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।
১৬.
FSB কোন দেশের সংগঠন?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
FSB:
-  এর পূর্ণরূপ: Federal Security Service.
- Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti
- সাবেক নাম: KGB → FSK → FSB.
- FSK (Federal Counterintelligence Service).
- বর্তমান নাম চালু করেন: Boris Yeltsin (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট, ১৯৯৫ সালে)।
- এটি রাশিয়ার প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা। 
- সদর দপ্তর: লুবিয়ানকা, মস্কো, রাশিয়া।

- মূল দায়িত্বসমূহ: 
• অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা,
• সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ,
• চোরাচালান রোধ,
• ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের তদন্ত,
• অপরাধী সনাক্তকরণ,
• সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান,

উৎস: FSB অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭.
’শাইনিং পাথ’ (Shining Path) কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. মেক্সিকো
  2. পেরু
  3. ফিলিপাইন
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
শাইনিং পাথ (Shining Path):
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সস্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনিং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তার: ১৯৯২ সালে লিমায় গ্রেপ্তার হন আবিমায়েল গুজমান।
• কিছু সদস্য এখন মাদক পাচার ও অপরাধচক্রে যুক্ত।
• পেরু সরকার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
'লস্কর-ই-তৈয়বা' একটি-
  1. আফগান সরকারের বাহিনী
  2. ভারতের বামপন্থী দল
  3. পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন
  4. আরব মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
'লস্কর-ই-তৈয়বা':
- অর্থ : “শুদ্ধদের বাহিনী” বা “Army of the Pure”.
- লস্কর-ই-তৈয়বা' পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন। 
- এটি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

• সংশ্লিষ্ট সংগঠন: 
- জামাত-উদ-দাওয়া (Jamaat-ud-Dawa), এটি লস্কর-এর মূল সামাজিক-মুখো সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৯.
'Black September’ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ-
  1. লিবিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. মিসর
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।
- নামকরণের কারণ: 
- ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জর্ডানে সংঘর্ষে হাজারো ফিলিস্তিনি নিহত হয়  এই ঘটনাকে “Black September” বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত ঘটনা: মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ড (১৯৭২)।
- ১১ জন ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদ অপহরণ ও হত্যা
- অপারেশন ‘Wrath of God’ দ্বারা ইসরায়েলের প্রতিশোধ।
- জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী ওয়াসফ আল-তেল-কে হত্যা (১৯৭১)।

উৎস: Britannica.
২০.
ANZUS চুক্তির আওতায় নেই-
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি: 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
- চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ড একটি অ্যান্টি-নিউক্লিয়ার নীতি গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তির বাধ্যবাধকতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.
২১.
‘Five Eyes’ বলতে কী বুঝায়?
  1. মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা
  2. পশ্চিমা দেশগুলোর সেনা চুক্তি
  3. গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি
  4. জাতিসংঘের একাংশ
ব্যাখ্যা
• Five Eyes (FVEY): 
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
 - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকেঅ
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে। 
 • প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).

• মূল কার্যক্রম: 

- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।

উৎস: Encyclopaedia Britannica – Five Eyes. 
২২.
ক্ষারক কোনটিকে প্রশমিত করতে পারে? 
  1. লবণ
  2. এসিড
  3. পানি
  4. অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- ধাতুর অক্সাইডকে ক্ষারক বলে। 
- ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে। 

ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়োনিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NaOH, КОН, Ca(OH)2 ইত্যাদি তীব্র ক্ষার। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NH4OH, Fe(OH)3, Al(OH)3 ইত্যাদি মৃদু ক্ষার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোন অবস্থায় পদার্থের কণিকাগুলো সর্বাধিক গতিশীল থাকে?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. বায়বীয়
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব: 
- পদার্থ কঠিন, তরল, বায়বীয় এবং প্লাজমা চারটি অবস্থায় থাকতে পারে। এই চার অবস্থায় থাকার কারণ পদার্থের মধ্যকার তাপমাত্রা বা শক্তির পার্থক্য। 
- পদার্থের আণবিক গতি তত্ত্ব পদার্থের অবস্থা রূপান্তরের একটি মডেল হতে পারে। এই তত্ত্বটি অতি সরল কিন্তু পদার্থের ভৌত ধর্ম ব্যাখ্যার জন্য অত্যন্ত সহায়ক। 
- এই তত্ত্বের মূল কথা হলো বস্তু অসংখ্য ক্ষুদ্র কণিকা দিয়ে গঠিত যা হলো মূলত পরমাণু। 
- কতগুলো পরমাণু মিলে গঠিত হয় একটি অণু, এই অণুগুলো নিয়ত গতিশীল। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আয়তন বজায় থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। 
- এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
ধাতুর কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক? 
  1. ধাতু তাপ সুপরিবাহী কিন্তু বিদ্যুৎ অপরিবাহী
  2. ধাতুর গলনাঙ্ক কম ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  3. ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি
  4. ধাতু আঘাতে টুন টুন শব্দ তৈরি করে না
ব্যাখ্যা
ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কোনটি একটি দ্বিপরমাণুক অণু?
  1. O2
  2. O3
  3. CH4
  4. CO2
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl) কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ভূমিকম্পের ফলে নিচের কোনটি পরিবর্তন হতে পারে?
  1. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  2. ভূ-ত্বক ফাটল
  3. নদীর গতি পরিবর্তন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব: 
• ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়,
- যাকে স্রস্ত উপত্যকা (Rift Valley) বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।

• সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
- যেমন- ১৯২১ সালের ভূমিকম্পের ফলে টোকিও উপসাগরের তলদেশ ৬০ মিটার উঁচু হয়।
- এছাড়া সমুদ্রগর্ভহতে হিমালয় পর্বত উত্থিত হয়েছে।
- অপরদিকে ১৮৯৯ সালে ভারতে কচ্ছ উপসাগরের ৫০০০ বর্গকিলোমিটার স্থান সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়।

• নদীর গতিপথ পরিবর্তন: 
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়,
- নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
- যেমন- ১৯৫০ সালে আসামের ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়।
- এছাড়া ১৭৮৭ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে যে ভূমিকম্প হয় তার ফলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়।
- এজন্য ব্রহ্মপুত্র নদীটি তার গতিপথ ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
বাংলাদেশে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় কোন মাসে দেখা যায়?
  1. জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারি
  2. জুন- জুলাই
  3. মার্চ- এপ্রিল
  4. এপ্রিল- মে
ব্যাখ্যা
কালবৈখাশী ঝড়: 
- কালবৈখাশী ঝড় (Nor' wester): বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কালবৈখাশী ঝড়।
- এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়।
- এপ্রিল - মে মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে আসে এবং সেই সাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হয়।
- এটিই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড়ে বাৎসরিক এক পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত হয়।
 - এ ঝড়ের ফলে উষ্ণতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫০-১০০ সেলসিয়াস কমে যায়।
- কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ (Depression)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
নিম্নের কোনটি দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation) কার্যক্রমের উদাহরণ?
  1. ত্রাণ বিতরণ
  2. আগাম সতর্কবার্তা প্রদান
  3. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  4. উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
ব্যাখ্যা
প্রশমন (Mitigation):
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন কাজগুলো:
- বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
UNCAC কনভেনশনে নিম্নের কোনটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. দুর্নীতি
  2. যৌতুকপ্রথা
  3. বাল্যবিবাহ
  4. স্বজনপ্রিয়তা
ব্যাখ্যা
UNCAC কনভেনশনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সুশাসন:

- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।
- সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করতে চলছে। প্রত্যেক বছর সরকার প্রতিটি বিভাগে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করছে।
- দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে আইন প্রণীত হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯', 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯', 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', 'সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯', 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯', 'চার্টার্ড সেক্রেটারিজ আইন, ২০১০', 'জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন, ২০১১', 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২', 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২', 'প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২' ইত্যাদি।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) এর অনুসমর্থনকারী দেশ।
- দুর্নীতি নির্মূলের জন্য 'ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দুর্নীতির প্রতিকার ছাড়াও দুর্নীতির ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণকে' সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই কনভেনশনে।

- এছাড়া সুশাসন নিশ্চিতে জরুরি সেবার হটলাইন চালু করেছে সরকার।
- তাহলো বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার ৯৯৯; দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার ১০৬; সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার ১৬৪৩০; কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন ১৬১২৩; নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ হতে দেখলেই বিনামূল্যে কল করুন এই নাম্বারে ১০৯ ইত্যাদি।

- সর্বোপরি সুশাসন বাস্তবায়ন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গঠন করা সম্ভব হবে।

উৎস: তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩০.
মূল্যবোধ শিক্ষা কী প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে সুশাসন নিশ্চিত করে?
  1. ন্যায়বিচার
  2. আইনের শাসন
  3. সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা সামাজিক ন্যায়বিচার, আইনের শাসন,  সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে সুশাসন নিশ্চিত করে।

মূল্যবোধ এবং সুশাসনের সম্পর্ক:

• সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ:
- মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটায়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা পায়। গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সামাজিক ন্যায়বিচার ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ। সমাজজীবনে অগ্রগতির প্রধান সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ। শৃঙ্খলাবোধ মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজজীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ সুশাসনের ও বৈশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয় উপাদান। যে সমাজ বা রাষ্ট্রে মূল্যবোধের এ উপাদান অনুপস্থিত সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।

• আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা:
- আইনের শাসন মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি তার সামাজিক মর্যাদা খুঁজে পাবে এবং অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন সুশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ও আবশ্যকীয় উপাদান। আইনের শাসন না থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না।

• সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা:
- মূল্যবোধ সমাজজীবনকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে এবং সমাজজীবনে ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে।

• নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা:
- মূল্যবোধ মানুষের নৈতিক গুণাবলি জাগ্রত ও বিকশিত করে।

• কর্তব্যবোধ জাগ্রত করে:
- কর্তব্যবোধ মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান। কর্তব্যবোধ না থাকলে সুশাসন ও প্রতিষ্ঠিত হয় না। এজন্যই নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধকে নাগরিকের অন্যতম গুণ বলা হয়।

• সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা:
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতাকে মূল্যবোধের যেমন উপাদান মনে করা হয় তেমনি তা সুশাসনের ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান বা বৈশিষ্ট্য মনে করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩১.
'সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে'-এ উক্তিটি কার?
  1. UN
  2. UNDP
  3. World Bank
  4. IDA
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- উন্নয়নের জন্য একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় যে পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয় তাকে সুশাসন বলে।

"সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে" - এই উক্তিটি বিশ্বব্যাংকের। বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "Governance and Development" শীর্ষক তাদের একটি প্রতিবেদনে এই ধারণাটি তুলে ধরে, যেখানে সুশাসনকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
• মিশেল ক্যামডেসাস এর মতে, 'রাষ্ট্রের সব ধরনের উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক।'
• UNDP-এর মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩২.
জাতিসংঘের সুশাসন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি সর্বপ্রথম কোন প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়?
  1. শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিবেদন
  2. শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
  3. শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন
  4. 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।

⇒ কারণ: মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়। অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।

অন্যদিকে,
- বিশ্ব ব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে 'শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন' (Governance and Development) শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- ইউএনডিপি (UNDP) ১৯৯৭ সালে 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন' (Governance for Sustainable Human Development) শিরোনামে এর নীতি নথিতে সুশাসনের সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। 

উৎস: i) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৩.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ কোনটি?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. পরমতসহিষ্ণুতা
  3. স্বচ্ছতা
  4. জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর হয়:
- দায়িত্বশীলতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ।
- গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্বশীল বলেই সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৪.
কোন মূল্যবোধ ব্যক্তির স্বাধীনতাকে লালন করে?
  1. সামাজিক মূল্যবোধ
  2. ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
  3. ধর্মীয় মূল্যবোধ
  4. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ:
- আধুনিক বিশ্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যক্তিগত মূল্যবোধের ওপর।
- এটি ব্যক্তির স্বাধীনতাকে লালন করে
- ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তির আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে তার নিজস্ব কিছু মূল্যবোধ, যা ব্যক্তির রুচি, বিশ্বাস, মনোভাব, ধারণা ও নীতি-নৈতিকতা থেকে সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি শিশুই ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায় এবং পরিবার থেকেই সে তার মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
- ব্যক্তির ব্যক্তিজীবন তার মূল্যবোধ দ্বারাই প্রভাবিত হয়।

উৎস: কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।