পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
The children were quite happy after receiving their gifts.
Here, the phrase 'Quite happy' is a/ an -
  1. Adjective Phrase
  2. Noun Phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. none
সঠিক উত্তর:
Adjective Phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective Phrase
ব্যাখ্যা
Adjective Phrase:
- যে Phrase গুলো sentence- এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে সেই Phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
- Noun এরপর যদি কোন clause/ phrased বসে তাহলে সেটি হবে Adjective clause/ phrase.

- বাক্যেটিতে "The children were quite happy after receiving their gifts". quite happy অংশটি বাক্যের Noun "The children" কে modify করেছে। তাই এই অংশটুকু Adjective Phrase.

Correct answer: The children were quite happy after receiving their gifts. Here, the phrase 'Quite happy' is a/ an - Adjective Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
I don't eat sweets often, but I do enjoy chocolate every now and then.
Here, the underlined phrase is -
  1. Adjective Phrase
  2. Phrasal Preposition
  3. Noun Phrase
  4. Adverbial Phrase
সঠিক উত্তর:
Adverbial Phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial Phrase
ব্যাখ্যা
Adverbial Phrase: 
- যে শব্দ সমষ্টি বা Phrase যখন Adverb এর ন্যায় কাজ করে তখন তাকে Adverbial Phrase বলে।
- এখানে 'every now and then' দ্বারা 'enjoy' Verb টিকে Modify করেছে এবং এটি Adverbial Phrase of Frequency, কারণ এটি কাজটি কখন ঘটে তা বোঝাচ্ছে। 
- কোথায়, কখন, কিভাবে ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে তখন টা আমরা Adverb হিসেবে ব্যবহার করি। 

Correct Answer: I don't eat sweets often, but I do enjoy chocolate every now and then. Here, the underlined phrase is - Adverbial Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
In a paragraph, what does the term "Terminator" refer to?
  1. Topic sentence
  2. Supporting detail
  3. Concluding sentence
  4. New idea sentence
সঠিক উত্তর:
Concluding sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Concluding sentence
ব্যাখ্যা
In a paragraph, the term "Terminator" refers to - Concluding sentence.

Terminator:
- এটাকে paragraph এর সমাপ্তি, উপসংহার বলে। এটি দিয়ে Paragraph শেষ হয়।
- অর্থাৎ একটি সার্থক সমাপ্তিসূচক sentence কে বলা হয় Terminator.

• প্যারাগ্রাফের 'Terminator' হলো সমাপ্তি বাক্য, যা প্যারাগ্রাফের মূল ভাবনাকে সংক্ষিপ্তভাবে উপসংহার করে।
- এটি প্যারাগ্রাফের শেষে এসে পাঠকের কাছে পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট ধারণা প্রদান করে, যাতে মূল বিষয় বা থিম স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
- Terminator পাঠককে প্যারাগ্রাফ শেষ হওয়ার সংকেত দেয় এবং প্যারাগ্রাফের সমাপ্তি শক্তিশালী ও সুস্পষ্ট করে তোলে।
- এটি প্যারাগ্রাফের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পুরো প্যারাগ্রাফকে কার্যকর ও সম্পূর্ণ করে।
.
'Postscript' is added -
  1. at the beginning of the letter
  2. on the envelope
  3. at the end of a letter
  4. beside the date
সঠিক উত্তর:
at the end of a letter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at the end of a letter
ব্যাখ্যা
• 'Postscript' is added at the end of a letter.

• Postscript (n) (সংক্ষেপে PS): 
- An additional remark at the end of a letter, after the signature and introduced by ‘PS’.
- an extra piece of information about an event that is added after it has happened.
- বাংলা অর্থ - পুনশ্চ।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- An extra message added at the end of a letter after it is signed.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পরে যুক্ত বাক্যাবলী; পুনশ্চ; অতিরিক্ত বা সর্বশেষ তথ্য।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
.
Which of the following requires 'cohesion' and 'coherence'?
  1. Letter
  2. Applications
  3. Paragraph
  4. Narration
সঠিক উত্তর:
Paragraph
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paragraph
ব্যাখ্যা
• 'Paragraph' requires 'cohesion' and 'coherence'.

Paragraph শব্দের অর্থ হলো অনুচ্ছেদ
- যে কোনো Paragraph এর মধ্যে দুটি উপাদান বর্তমান থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- এগুলো হলো- Cohesion এবং coherence.
- Coherence হচ্ছে paragraph এর বিভিন্ন অংশের সমন্বয়।

Coherence:
- English meaning: Systematic or logical connection or consistency/ the situation when the parts of something fit together in a natural or reasonable way.
- Bangla meaning: একত্র আসঞ্জনশীল/ সঙ্গতিপূর্ণ; প্রাঞ্জল।

• লেখায় Coherence (সঙ্গতি) তৈরি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল যে সমস্ত ধারণাগুলি একে অপরকে সঠিকভাবে এবং যৌক্তিকভাবে অনুসরণ করে।
- এর মাধ্যমে পাঠক সহজেই লেখার বিষয়বস্তু বুঝতে পারে এবং লেখাটি প্রাঞ্জল ও সুসংগত মনে হয়।
- এটি পাঠকের জন্য লেখাটিকে পরিষ্কার এবং বুঝতে সহজ করে তোলে।

Cohesion:
- একত্র এঁটে থাকার অবস্থা বা প্রবণতা; আসঞ্জন; যে শক্তিবলে অণুসমূহ পরস্পর আসঞ্জিত বা দৃঢ়ভাবে একত্র লেগে থাকে।
- A paragraph has good cohesion when each sentence is clearly linked to the next through language.
- It maintains the smooth connection between words, phrases, and sentences.

• Cohesion (Unity) & Coherence (Logical Sequence of thoughts) are essential in paragraph writing.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren and Martin.
.
Rubel decided to take the same route.
Here, the underlined phrase is -
  1. Noun Phrase
  2. Adjective Phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. Phrasal Preposition
সঠিক উত্তর:
Noun Phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Phrase
ব্যাখ্যা
Noun Phrase:
- যে শব্দ সমষ্টি (phrase) Noun এর কাজ সম্পন্ন করতে পারে তাকে Noun Phrase বলে।
- Noun Phrase মূলত একটি Noun বা Pronoun এর কাজ করে থাকে।
- Noun Phrase কেবল মাত্র Adjective দ্বারা modify হয়।

- এছাড়া, অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun Phrase বিভিন্ন ভূমিকা রয়েছে। যেমন:
- Subject হিসেবে। 
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে।
- Subject complement হিসেবে।
- Object complement হিসেবে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'to take the same route' phrase টি Verb (decided) এর Object হিসেবে বসেছে।
- আর Infinitive marker যদি কোন Sentence এর Subject বা Object হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখন তা Noun Phrase.

Correct answer: Rubel decided to take the same route. Here, the underlined phrase is - Noun Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
What does the phrase "fall on hard times" mean?
  1. To stumble or trip
  2. Experiencing financial difficulties
  3. To look down on someone
  4. Taking a lot of time
সঠিক উত্তর:
Experiencing financial difficulties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Experiencing financial difficulties
ব্যাখ্যা
Fall on hard times:
- English Meaning: to lose your money and start to have a difficult life.
- Bangla Meaning: টাকা পয়সা হারিয়ে কঠিন সময় শুরু।

Example Sentence: After losing his job, he fell on hard times and struggled to pay the bills.
- Bangla Meaning: চাকরি হারানোর পর তিনি অর্থনৈতিক কষ্টে পড়েন এবং বিল পরিশোধ করতে কষ্ট বোধ করেন।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
.
What does the phrase "run counter to" mean?
  1. To agree with someone
  2. To support an idea
  3. To disagree with someone
  4. To follow a rule
সঠিক উত্তর:
To disagree with someone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To disagree with someone
ব্যাখ্যা
Run counter to
- English meaning: To be opposed to; To disagree with someone.
- Bangla meaning: বিরোধিতা করা, কারো সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা।

Example sentence: His opinion runs counter to the company’s policy.
- Bnagla meaning: তার মতামত কোম্পানির নীতির বিপরীতে।

Source: Oxford Dictionary, Merriam Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
.
মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে কোথায় লং মার্চের নেতৃত্ব দেন?
  1. ঢাকায়
  2. কুমিল্লায়
  3. ফারাক্কা অভিমুখে
  4. কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
ফারাক্কা অভিমুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারাক্কা অভিমুখে
ব্যাখ্যা
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী: 
- জন্ম: ১৮৮০, ধনপাড়া, সিরাজগঞ্জ, ব্রিটিশ ভারত সময়।
- মৃত্যু: ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬, সন্তোষ, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
- ১৯১৯: অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন।
- ১৯৩৭: মুসলিম লীগে যোগদান; আসাম শাখার সভাপতি।
- ১৯৪৯: পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- ১৯৫৭: ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন।
- ১৯৭৬: ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন। 

উল্লেখ্য, 
- “ভাসানী সাহেব” ভাসানচরের কৃষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপাধি।
- মার্কিনপন্থি ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে ছিলেন।
- চীনপন্থি পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক নিচের কোন পদে দায়িত্ব পালন করেন নি?
  1. কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  2. বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
  3. গভর্নর পূর্ব পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক: 
- উপাধি: শেরে বাংলা। 
- পেশা: রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, শিক্ষক।
- জন্ম: ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩, সাটুরিয়া, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।
- মৃত্যু: ২৭ এপ্রিল ১৯৬২ সালে।
- ১৯০৬: মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা (ঢাকা) সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।
- ১৯১৩: বঙ্গীয় আইন পরিষদ সদস্য (ঢাকা বিভাগ)।
- ১৯১৬-১৯২১:  সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ সভাপতি। 
- ১৯৩৫: মেয়র কলকাতা।
- ১৯৩৭–১৯৪৩: মুখ্যমন্ত্রী অবিভক্ত বাংলা।
- ১৯৫৪: মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বাংলা।
- ১৯৫৫: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তান।
- ১৯৫৬–১৯৫৮: গভর্নর পূর্ব পাকিস্তান।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যু, তিন নেতার মাজারে সমাহিত।
- তিনি  বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১.
রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন করে কিসের ভিত্তিতে?
  1. সরকারি সিদ্ধান্ত
  2. ব্যাক্তিগত স্বার্থ
  3. দলীয় মতাদর্শ
  4. সংসদের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
দলীয় মতাদর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলীয় মতাদর্শ
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের কার্যাবলী:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন করে দলীয় মতাদর্শ ভিত্তিতে।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশান, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
খাজা সলিমুল্লাহ নিচের কোন ব্রিটিশ উপাধি পায়নি?
  1. নওয়াব বাহাদুর
  2. নাইট হুড
  3. সি.এস.আই
  4. কে.সি.এস.আই
সঠিক উত্তর:
নাইট হুড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট হুড
ব্যাখ্যা
- নাইট হুড উপাধিটি পায়নি।

• নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ: 

- জন্ম: ৭ জুন ১৮৭১, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা,
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, চৌরঙ্গী, কলকাতা,
- পিতা: নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ,
- পিতামহ: নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।

• দান ও সমাজসেবা:
- ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল প্রতিষ্ঠায় অনুদান দেন।
- উপাধি ও সম্মাননা (ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক): 
- ১৯০২: C.S.I.
- ১৯০৩: Nawab Bahadur.
- ১৯০৯: K.C.S.I.
- ১৯১১: G.C.S.I.
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, কলকাতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'The Spirit of Islam' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আল্লামা ইকবাল
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. আবুল কালাম আজাদ
  4. সৈয়দ আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী:
- মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে 'The spirit of Islam' এবং 'A Short History of the Saracens'.
- ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- তিনি ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান এ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করে
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে বিকল্প সরকার বলা হয়-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাবাহিনী
  3. বিরোধী দল
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

উল্লেখ্য, 
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- সেনাবাহিনী বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫.
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িত নয়-
  1. ফিলিপাইন
  2. মালয়েশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- থাইল্যান্ড দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িত নয়।

• দক্ষিণ চীন সাগর: 

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- যা ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ,
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।

• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।
১৬.
FSB কোন দেশের সংগঠন?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
FSB:
-  এর পূর্ণরূপ: Federal Security Service.
- Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti
- সাবেক নাম: KGB → FSK → FSB.
- FSK (Federal Counterintelligence Service).
- বর্তমান নাম চালু করেন: Boris Yeltsin (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট, ১৯৯৫ সালে)।
- এটি রাশিয়ার প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা। 
- সদর দপ্তর: লুবিয়ানকা, মস্কো, রাশিয়া।

- মূল দায়িত্বসমূহ: 
• অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা,
• সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ,
• চোরাচালান রোধ,
• ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের তদন্ত,
• অপরাধী সনাক্তকরণ,
• সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান,

উৎস: FSB অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭.
’শাইনিং পাথ’ (Shining Path) কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. মেক্সিকো
  2. পেরু
  3. ফিলিপাইন
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা
শাইনিং পাথ (Shining Path):
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সস্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনিং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তার: ১৯৯২ সালে লিমায় গ্রেপ্তার হন আবিমায়েল গুজমান।
• কিছু সদস্য এখন মাদক পাচার ও অপরাধচক্রে যুক্ত।
• পেরু সরকার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
'লস্কর-ই-তৈয়বা' একটি-
  1. আফগান সরকারের বাহিনী
  2. ভারতের বামপন্থী দল
  3. পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন
  4. আরব মানবাধিকার সংস্থা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন
ব্যাখ্যা
'লস্কর-ই-তৈয়বা':
- অর্থ : “শুদ্ধদের বাহিনী” বা “Army of the Pure”.
- লস্কর-ই-তৈয়বা' পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন। 
- এটি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

• সংশ্লিষ্ট সংগঠন: 
- জামাত-উদ-দাওয়া (Jamaat-ud-Dawa), এটি লস্কর-এর মূল সামাজিক-মুখো সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৯.
'Black September’ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ-
  1. লিবিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. মিসর
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।
- নামকরণের কারণ: 
- ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জর্ডানে সংঘর্ষে হাজারো ফিলিস্তিনি নিহত হয়  এই ঘটনাকে “Black September” বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত ঘটনা: মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ড (১৯৭২)।
- ১১ জন ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদ অপহরণ ও হত্যা
- অপারেশন ‘Wrath of God’ দ্বারা ইসরায়েলের প্রতিশোধ।
- জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী ওয়াসফ আল-তেল-কে হত্যা (১৯৭১)।

উৎস: Britannica.
২০.
ANZUS চুক্তির আওতায় নেই-
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি: 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
- চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ড একটি অ্যান্টি-নিউক্লিয়ার নীতি গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তির বাধ্যবাধকতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.
২১.
‘Five Eyes’ বলতে কী বুঝায়?
  1. মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা
  2. পশ্চিমা দেশগুলোর সেনা চুক্তি
  3. গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি
  4. জাতিসংঘের একাংশ
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি
ব্যাখ্যা
• Five Eyes (FVEY): 
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
 - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকেঅ
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে। 
 • প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).

• মূল কার্যক্রম: 

- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।

উৎস: Encyclopaedia Britannica – Five Eyes. 
২২.
ক্ষারক কোনটিকে প্রশমিত করতে পারে? 
  1. লবণ
  2. এসিড
  3. পানি
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- ধাতুর অক্সাইডকে ক্ষারক বলে। 
- ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে। 

ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়োনিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NaOH, КОН, Ca(OH)2 ইত্যাদি তীব্র ক্ষার। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NH4OH, Fe(OH)3, Al(OH)3 ইত্যাদি মৃদু ক্ষার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোন অবস্থায় পদার্থের কণিকাগুলো সর্বাধিক গতিশীল থাকে?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. বায়বীয়
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
বায়বীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয়
ব্যাখ্যা
পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব: 
- পদার্থ কঠিন, তরল, বায়বীয় এবং প্লাজমা চারটি অবস্থায় থাকতে পারে। এই চার অবস্থায় থাকার কারণ পদার্থের মধ্যকার তাপমাত্রা বা শক্তির পার্থক্য। 
- পদার্থের আণবিক গতি তত্ত্ব পদার্থের অবস্থা রূপান্তরের একটি মডেল হতে পারে। এই তত্ত্বটি অতি সরল কিন্তু পদার্থের ভৌত ধর্ম ব্যাখ্যার জন্য অত্যন্ত সহায়ক। 
- এই তত্ত্বের মূল কথা হলো বস্তু অসংখ্য ক্ষুদ্র কণিকা দিয়ে গঠিত যা হলো মূলত পরমাণু। 
- কতগুলো পরমাণু মিলে গঠিত হয় একটি অণু, এই অণুগুলো নিয়ত গতিশীল। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আয়তন বজায় থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। 
- এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
ধাতুর কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক? 
  1. ধাতু তাপ সুপরিবাহী কিন্তু বিদ্যুৎ অপরিবাহী
  2. ধাতুর গলনাঙ্ক কম ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  3. ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি
  4. ধাতু আঘাতে টুন টুন শব্দ তৈরি করে না
সঠিক উত্তর:
ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি
ব্যাখ্যা
ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কোনটি একটি দ্বিপরমাণুক অণু?
  1. O2
  2. O3
  3. CH4
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
O2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O2
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl) কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ভূমিকম্পের ফলে নিচের কোনটি পরিবর্তন হতে পারে?
  1. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  2. ভূ-ত্বক ফাটল
  3. নদীর গতি পরিবর্তন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব: 
• ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়,
- যাকে স্রস্ত উপত্যকা (Rift Valley) বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।

• সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
- যেমন- ১৯২১ সালের ভূমিকম্পের ফলে টোকিও উপসাগরের তলদেশ ৬০ মিটার উঁচু হয়।
- এছাড়া সমুদ্রগর্ভহতে হিমালয় পর্বত উত্থিত হয়েছে।
- অপরদিকে ১৮৯৯ সালে ভারতে কচ্ছ উপসাগরের ৫০০০ বর্গকিলোমিটার স্থান সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়।

• নদীর গতিপথ পরিবর্তন: 
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়,
- নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
- যেমন- ১৯৫০ সালে আসামের ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়।
- এছাড়া ১৭৮৭ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে যে ভূমিকম্প হয় তার ফলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়।
- এজন্য ব্রহ্মপুত্র নদীটি তার গতিপথ ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
বাংলাদেশে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় কোন মাসে দেখা যায়?
  1. জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারি
  2. জুন- জুলাই
  3. মার্চ- এপ্রিল
  4. এপ্রিল- মে
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল- মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল- মে
ব্যাখ্যা
কালবৈখাশী ঝড়: 
- কালবৈখাশী ঝড় (Nor' wester): বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কালবৈখাশী ঝড়।
- এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়।
- এপ্রিল - মে মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে আসে এবং সেই সাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হয়।
- এটিই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড়ে বাৎসরিক এক পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত হয়।
 - এ ঝড়ের ফলে উষ্ণতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫০-১০০ সেলসিয়াস কমে যায়।
- কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ (Depression)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
নিম্নের কোনটি দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation) কার্যক্রমের উদাহরণ?
  1. ত্রাণ বিতরণ
  2. আগাম সতর্কবার্তা প্রদান
  3. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  4. উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
ব্যাখ্যা
প্রশমন (Mitigation):
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন কাজগুলো:
- বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
UNCAC কনভেনশনে নিম্নের কোনটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. দুর্নীতি
  2. যৌতুকপ্রথা
  3. বাল্যবিবাহ
  4. স্বজনপ্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা
UNCAC কনভেনশনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সুশাসন:

- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।
- সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করতে চলছে। প্রত্যেক বছর সরকার প্রতিটি বিভাগে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করছে।
- দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে আইন প্রণীত হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯', 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯', 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', 'সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯', 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯', 'চার্টার্ড সেক্রেটারিজ আইন, ২০১০', 'জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন, ২০১১', 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২', 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২', 'প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২' ইত্যাদি।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) এর অনুসমর্থনকারী দেশ।
- দুর্নীতি নির্মূলের জন্য 'ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দুর্নীতির প্রতিকার ছাড়াও দুর্নীতির ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণকে' সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই কনভেনশনে।

- এছাড়া সুশাসন নিশ্চিতে জরুরি সেবার হটলাইন চালু করেছে সরকার।
- তাহলো বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার ৯৯৯; দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার ১০৬; সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার ১৬৪৩০; কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন ১৬১২৩; নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ হতে দেখলেই বিনামূল্যে কল করুন এই নাম্বারে ১০৯ ইত্যাদি।

- সর্বোপরি সুশাসন বাস্তবায়ন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গঠন করা সম্ভব হবে।

উৎস: তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩০.
মূল্যবোধ শিক্ষা কী প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে সুশাসন নিশ্চিত করে?
  1. ন্যায়বিচার
  2. আইনের শাসন
  3. সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা সামাজিক ন্যায়বিচার, আইনের শাসন,  সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে সুশাসন নিশ্চিত করে।

মূল্যবোধ এবং সুশাসনের সম্পর্ক:

• সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ:
- মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটায়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা পায়। গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সামাজিক ন্যায়বিচার ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ। সমাজজীবনে অগ্রগতির প্রধান সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ। শৃঙ্খলাবোধ মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজজীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ সুশাসনের ও বৈশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয় উপাদান। যে সমাজ বা রাষ্ট্রে মূল্যবোধের এ উপাদান অনুপস্থিত সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।

• আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা:
- আইনের শাসন মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি তার সামাজিক মর্যাদা খুঁজে পাবে এবং অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন সুশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ও আবশ্যকীয় উপাদান। আইনের শাসন না থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না।

• সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা:
- মূল্যবোধ সমাজজীবনকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে এবং সমাজজীবনে ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে।

• নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা:
- মূল্যবোধ মানুষের নৈতিক গুণাবলি জাগ্রত ও বিকশিত করে।

• কর্তব্যবোধ জাগ্রত করে:
- কর্তব্যবোধ মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান। কর্তব্যবোধ না থাকলে সুশাসন ও প্রতিষ্ঠিত হয় না। এজন্যই নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধকে নাগরিকের অন্যতম গুণ বলা হয়।

• সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা:
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতাকে মূল্যবোধের যেমন উপাদান মনে করা হয় তেমনি তা সুশাসনের ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান বা বৈশিষ্ট্য মনে করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩১.
'সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে'-এ উক্তিটি কার?
  1. UN
  2. UNDP
  3. World Bank
  4. IDA
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- উন্নয়নের জন্য একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় যে পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয় তাকে সুশাসন বলে।

"সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে" - এই উক্তিটি বিশ্বব্যাংকের। বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "Governance and Development" শীর্ষক তাদের একটি প্রতিবেদনে এই ধারণাটি তুলে ধরে, যেখানে সুশাসনকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
• মিশেল ক্যামডেসাস এর মতে, 'রাষ্ট্রের সব ধরনের উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক।'
• UNDP-এর মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩২.
জাতিসংঘের সুশাসন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি সর্বপ্রথম কোন প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়?
  1. শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিবেদন
  2. শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
  3. শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন
  4. 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন
সঠিক উত্তর:
শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।

⇒ কারণ: মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়। অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।

অন্যদিকে,
- বিশ্ব ব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে 'শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন' (Governance and Development) শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- ইউএনডিপি (UNDP) ১৯৯৭ সালে 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন' (Governance for Sustainable Human Development) শিরোনামে এর নীতি নথিতে সুশাসনের সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। 

উৎস: i) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৩.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ কোনটি?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. পরমতসহিষ্ণুতা
  3. স্বচ্ছতা
  4. জবাবদিহিতা
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীলতা
ব্যাখ্যা
দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর হয়:
- দায়িত্বশীলতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ।
- গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্বশীল বলেই সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৪.
কোন মূল্যবোধ ব্যক্তির স্বাধীনতাকে লালন করে?
  1. সামাজিক মূল্যবোধ
  2. ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
  3. ধর্মীয় মূল্যবোধ
  4. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ:
- আধুনিক বিশ্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যক্তিগত মূল্যবোধের ওপর।
- এটি ব্যক্তির স্বাধীনতাকে লালন করে
- ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তির আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে তার নিজস্ব কিছু মূল্যবোধ, যা ব্যক্তির রুচি, বিশ্বাস, মনোভাব, ধারণা ও নীতি-নৈতিকতা থেকে সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি শিশুই ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায় এবং পরিবার থেকেই সে তার মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
- ব্যক্তির ব্যক্তিজীবন তার মূল্যবোধ দ্বারাই প্রভাবিত হয়।

উৎস: কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।