উত্তর
ব্যাখ্যা
- ‘ফুল’ একটি নির্জীব বস্তু, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ।
• ক্লীবলিঙ্গ:
- যে সকল শব্দ নির্জীব বস্তু, ভাব বা পদার্থ বোঝায় এবং যাদের ক্ষেত্রে পুং বা স্ত্রী লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায় না, সেগুলোকে ক্লীব লিঙ্গ বলা হয়।
- যেখানে লিঙ্গভেদ অর্থহীন বা অনির্দিষ্ট, সেখানেই ক্লীবলিঙ্গের ব্যবহার দেখা যায়।
- যেমন: কলম, বই, টেবিল, নদী, আকাশ, পাথর, জল, ফুল, দেশ, শহর, বাড়ি, বাতাস, আলো, অন্ধকার, চেয়ার, টেবিল, গাড়ি, বল, খেলা, রং, সময়, সংখ্যা, গ্রাম, বন, পাহাড়, সমুদ্র ইত্যাদি ক্লীবলিঙ্গের উদাহরণ।
- এসব শব্দ কোনো জীবিত পুরুষ বা নারীকে নির্দেশ করে না।
- এই লিঙ্গভিত্তিক শ্রেণিবিভাগের মাধ্যমে শব্দকে প্রাণিবাচক ও অপ্রাণীবাচক হিসেবে আলাদা করা হয়।
- এর ফলে ভাষায় শব্দের প্রকৃতি ও ব্যবহার সহজে বোঝা যায় এবং ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ স্পষ্ট হয়।
---------------------------
অন্যদিকে,
- বালক — পুরুষ মানুষ বোঝায়, তাই পুংলিঙ্গ।
- নারী — স্ত্রী মানুষ বোঝায়, তাই স্ত্রীলিঙ্গ।
- রাজা — পুরুষ শাসক বোঝায়, তাই পুংলিঙ্গ।
----------------------------------
উল্লেখ্য,
- কিছু প্রাণীবাচক শব্দকেও অনেক সময় ক্লীবলিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়;
- যেমন- সাপ, ব্যাঙ, কাক, মাছ, টিকটিকি ইত্যাদি।
- কারণ সাধারণ ব্যবহারে এসব প্রাণীর ক্ষেত্রে স্ত্রী বা পুরুষ লিঙ্গ নির্দিষ্ট করা কঠিন বা অপ্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।