পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন : আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা : দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান কবে আঘাত হানে?
  1. ক) ২০২০ সালের ১৫ মে
  2. খ) ২০১৮ সালের ১৬ মে
  3. গ) ২০১৯ সালের ১৮ মে
  4. ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২০ মে ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান৷
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার সালতামামি
.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
  1. ক) বন্যভূমি উজাড়
  2. খ) পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
  3. গ) কার্বন নিঃসরণ
  4. ঘ) খনিজ জ্বালানি ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
খ) পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ

প্রাকৃতিক কারণসমূহ

ক. মহাদেশীয় ড্রিফট
খ. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
গ. পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
ঘ. সামুদ্রিক স্রোত ঙ. ঘূর্ণিঝড়

মনুষ্য সৃষ্ট কারণসমূহ

ক. কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি /কার্বন নিঃসরণ 
খ. খনিজ জ্বালানি ব্যবহার 
গ. বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
ঘ. পাহাড় নিধন 
ঙ. বন্যভূমি উজাড়

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেতে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য জাতিসংঘে কয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন?
  1. ক) পাঁচ দফা
  2. খ) ছয় দফা
  3. গ) সাত দফা
  4. ঘ) আট দফা
সঠিক উত্তর:
ক) পাঁচ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাঁচ দফা
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেতে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য জাতিসংঘে পাঁচ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রথম প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পৃথিবী ও নিজেদের রক্ষার জন্য আমি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে অবশ্যই জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরামর্শ দেব।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তৃতীয় প্রস্তাবে বলেন, দুর্বল দেশগুলোকে প্রতিশ্রুত তহবিল সরবরাহ করতে হবে।
চতুর্থ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, দূষণকারী দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রশমন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের এনডিসি (জাতীয় নির্ধারিত অবদান) বাড়াতে হবে। পঞ্চম প্রস্তাবে তিনি বলেন, জলবায়ু শরণার্থীদের পুনর্বাসন একটি বৈশ্বিক দায়িত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট
.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. ক) কৌণিকভাবে
  2. খ) তির্যকভাবে
  3. গ) লম্বভাবে
  4. ঘ) আড়াআড়িভাবে
সঠিক উত্তর:
গ) লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লম্বভাবে
ব্যাখ্যা
সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
.
বাংলাদেশে শীতকালের সময়কাল -
  1. ক) কার্তিক - অগ্রহায়ণ
  2. খ) ভাদ্র - পৌষ
  3. গ) আশ্বিন - ফাল্গুন
  4. ঘ) কার্তিক - ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্তিক - ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্তিক - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
সাধারণত বাংলাদেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক - ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে।
সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পর তাপমাত্রা কমতে থাকে।
আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপাদানগুলো কী কী?
  1. ক) সাড়াদান, প্রশমন ও উন্নয়ন
  2. খ) প্রশমন, প্রতিরোধ, ও পূর্বপ্রস্তুতি
  3. গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
  4. ঘ) প্রশমন, উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবিহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
দুর্যোগ প্রতিরোধ, প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি হলো দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এই ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
.
জাতিসংঘের কোন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে এই শতাব্দীর শেষে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২°C'র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) কোপেনহেগেন
  3. গ) স্টকহোম
  4. ঘ) কার্টাগেনা
সঠিক উত্তর:
খ) কোপেনহেগেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোপেনহেগেন
ব্যাখ্যা

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ২০০৯ সালে জাতিসংঘের বিশ্বজলবায়ু সম্মেলনে তিন পৃষ্ঠার অঙ্গীকারনামাকে একটি নোট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এতে এই শতাব্দীর শেষে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Copenhagen Accord

- উল্লেখ্য, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২° সেলসিয়াসের অনেক নিচে রাখার কথা বলা হয়েছে। সেটা ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা জোর দেওয়া হয়েছে।
এখানে লিংক দেওয়া হলো Paris Accord on Climate change

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি ও UNFCCC ওয়েবসাইট।

.
ভারতীয় উপমহাদেশের জলবায়ু ইউরোপের মত শীতল হয় না জলবায়ুর কোন নিয়ামকটির জন্য?
  1. ক) পর্বতের অবস্থান
  2. খ) বনভূমির অবস্থান
  3. গ) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  4. ঘ) সমুদ্রের অবস্থান
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতের অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতের অবস্থান
ব্যাখ্যা
'পর্বতের অবস্থান (Location of Mountain)' জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক (Factor)।
উচ্চ পার্বত্যময় এলাকা বায়ুপ্রবাহের পথে বাধা হলে এর প্রভাব জলবায়ুর উপর পরিলক্ষিত হয়৷ যেমন- শীতকালে মধ্য এশিয়ার শীতল বায়ু হিমালয় অতিক্রম করতে পারে না৷ তাই ভারতীয় উপমহাদেশের জলবায়ু ইউরোপের মত তত শীতল নয়৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
.
বিশ্বব্যাংকের মতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) জাপান
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) সুদান
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
এগুলো হলো মরূকরণ, বন্যা, ঝড়, সসমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ হলো বাংলাদেশ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১০.
নিচের কোন বিষয়টির জন্য স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) মৃত্তিকার গঠন
  2. খ) সমুদ্রস্রোত
  3. গ) বনভূমির অবস্থান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়৷ এ বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
এগুলো হলোঃ
১) অক্ষাংশ
২) উচ্চতা
৩) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
৪) বায়ুপ্রবাহ
৫) সমুদ্রস্রোত
৬) পর্বতের অবস্থান
৭) ভূমির ঢাল
৮) মৃত্তিকার গঠন
৯) বনভূমির অবস্থান
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
১১.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ?
  1. ক) কর্ণফুলী
  2. খ) বুড়িগঙ্গা
  3. গ) শীতলক্ষ্যা
  4. ঘ) তুরাগ
সঠিক উত্তর:
খ) বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন। নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১২.
দিনাজপুরের তাপমাত্রা শিলং এর তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হয় জলবায়ুর কোন নিয়ামকটির কারণে?
  1. ক) সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা
  2. খ) অক্ষাংশ
  3. গ) বনভূমির অবস্থান
  4. ঘ) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সমতল থেকে যত উপরে উঠা যায়, ততই উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে। সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়৷
এজন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ার পরেও উচ্চতায় পার্থক্য থাকায় দুই জায়গার একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু সম্পন্ন হয়।
যেমনঃ উচ্চতা বেশি হওয়ায় দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা কম হয়৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
১৩.
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে কয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে।
যথা - গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল ও শীতকাল।
- বাংলাদেশে মার্চ-মে (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
- জুন-অক্টোবর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল এবং
- নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কালকে শীতকাল বলা হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যয়বহুল কোনটি?
  1. ক) অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ
  2. খ) আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি
  3. গ) প্রশিক্ষণ
  4. ঘ) গণসচেতনতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীত্ব হ্রাস এবং দুর্যোগের পুর্ব প্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষন, পূর্বপ্রস্তুতি প্রদান প্রভৃতি অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি অল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
১৫.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় কোন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ
  2. খ) ঘূর্ণি
  3. গ) পরিচলন
  4. ঘ) বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
গ) পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিচলন
ব্যাখ্যা
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial Region) স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে।
ফলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ এই হালকা বায়ু উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১৬.
শ্রমসাধ্য এবং ব্যয়বহুল বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কোনটি?
  1. ক) নদীর তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি
  2. খ) নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
  3. গ) সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা
  4. ঘ) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
১৭.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের আধিক্য আছে?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) ট্রপোমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোমন্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল
ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিঃমিঃ পর্যন্ত স্ট্র্যাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- এই স্তরে ওজোন গ্যাসের আধিক্য রয়েছে।
- এই স্তরে বায়ুতে অতি সুক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।
১৮.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) কার্বন মনোক্সাইড
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বড় ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রিনহাউসের বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদের মত।
পৃথিবীতে আসা সূর্যালোক ভূপৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডল উত্তপ্ত করে৷ মানুষের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ যেমন- কাঠ কয়লা পোড়ানো, গাছ কাটা, কলকারখানার ধোঁয়া ইত্যাদি কারণে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ইত্যাদির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
এ গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিনহাউস গ্যাস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১৯.
কোন বায়ু প্রবাহিত হতে শুরু হলে বর্ষাকাল আরম্ভ হয়?
  1. ক) পশ্চিমা বায়ু
  2. খ) নিয়ত বায়ু
  3. গ) মৌসুমি বায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ - কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থাৎ, গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
এ সময়ের গড় তাপমাত্রা ২৭°C।
জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষাকাল শুরু হয়ে যায়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি
২০.
জলবায়ু পরিমাপ করতে কত বছরের আবহাওয়ার পরিবর্তনকে বিবেচনায় নিতে হয়?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৫
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ৩০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০
ব্যাখ্যা
কোনো স্থানের একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
২১.
বাংলাদেশের আয়তনের কত শতাংশ এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৩%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ২৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত।
বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%।
বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
উৎসঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়
২২.
'বৈশ্বিক উষ্ণায়ণ হ্রাস করা'র সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. ক) রামসার কনভেনশন
  2. খ) কিয়োটো প্রটোকল
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
খ) কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়ােটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর স্বাক্ষর হয়। ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
২০১২ সালে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে বর্তমানে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানাে হয়। এর বিষয়বস্তু হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইড/ গ্রীনহাউস গ্যাসের নিঃস্বরণ হ্রাস করা অর্থাৎ বৈশ্বিক উষ্ণায়ণ হ্রাস করা।
জীবপ্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা পরিমার্জিত প্রাণের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত 'কার্টাগেনা প্রটোকল' ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়, যা কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩। বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটি স্বাক্ষর এবং অনুমােদন করে ২০০৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি।
মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু হচ্ছে বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২৩.
ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে একে কী বলা হয়?
  1. ক) হারিকেন
  2. খ) টর্নেডো
  3. গ) সাইক্লোন
  4. ঘ) টাইফুন
সঠিক উত্তর:
খ) টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টর্নেডো
ব্যাখ্যা
টর্নেডো শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada' থেকে, যার অর্থ হলো Thunder storm বা বজ্রঝড়।
ঝড়ের বেগ ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে এটাকে টর্নেডো বলা হয়।
টর্নেডোর সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক হলো এটি হঠাৎ করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচন্ড ধ্বংসযজ্ঞ করে ফেলতে পারে৷
স্মরণকালের ভয়াবহ টর্নেডোর মধ্যে একটি হলো ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকা জেলার ডেমরা থানায়। ঐ টর্নেডোতে বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় ৬৪৪ কিলোমিটার।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম অধ্যায়।
২৪.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের ফলে কী কী হতে পারে?
  1. ক) মেরু অঞ্চলের বরফ গলবে
  2. খ) কৃষি জমির উর্বরতা বিনষ্ট হবে
  3. গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে।
যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার ফলে খরা দেখা দিবে। সমুদ্রের পানির কারণে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হবে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)।
২৫.
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) উষ্ণ ও আর্দ্র শীতকাল এবং শুষ্ক গ্রীষ্মকাল
  2. খ) উষ্ণ ও শুষ্ক গ্রীষ্মকাল এবং আদ্র শীতকাল
  3. গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল।
বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন।
দেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।
কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
২৬.
বিশ্ব ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস কবে?
  1. ক) ৫ জুন
  2. খ) ১৭ জুন
  3. গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৩ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস - ৫ জুন,
বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস ১৭ জুন,
বিশ্ব ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস - ১৬ সেপ্টেম্বর,
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস - ১৩ অক্টোবর,
ধরিত্রী দিবস - ২২ এপ্রিল।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
২৭.
কত মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ১৭৮৭ সালে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পাল্টে যায়?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৭.৩
  3. গ) ৭.৮
  4. ঘ) ৮.৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.৭
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে, উত্তরে আসামের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড় অঞ্চলে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে মূলত বৃহদাকার ফাটল ও দুইটি প্লেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়।
- বাংলাদেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাসমূহ ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮.
ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে কোন সংস্থাটি?
  1. ক) স্পারসো
  2. খ) আর্সা
  3. গ) নাসা
  4. ঘ) ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন
সঠিক উত্তর:
ক) স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পারসো
ব্যাখ্যা
মহাকাশ গবেষণার সরকারি প্রতিষ্ঠান স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২৯.
কততম COP সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়?
  1. ক) COP - 10
  2. খ) COP - 12
  3. গ) COP - 14
  4. ঘ) COP - 16
সঠিক উত্তর:
ঘ) COP - 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) COP - 16
ব্যাখ্যা
UNFCCC এর উদ্যোগে কপ - ১৬ সম্মেলনে ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে Green Climate Fund গঠিত হয়।
এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেন শহরে অবস্থিত।
এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
এছাড়া উন্নয়নশীল বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশের জন্যেও GCF ফান্ড থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।
(সূত্রঃ Green Climate Fund ওয়েবসাইট)