উত্তর
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বাক্যঃ
- বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর।
- তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
- তিনি মনঃকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন।
- দরিদ্রকে দয়া কর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন
শুদ্ধ বাক্যঃ
- বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর।
- তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
- তিনি মনঃকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন।
- দরিদ্রকে দয়া কর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
যে ক্রিয়া একজনের প্রযোজনা বা চালনায় অপরজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, সেই ক্রিয়াকে প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- 'সাপুড়ে সাপ খেলায়'- বাক্যটিতে 'খেলায়' প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া, 'সাপুড়ে' প্রযোজক কর্তা এবং 'সাপ' প্রযোজ্য কর্তা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি
- ক্, চ্, ট্, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্,, দ্, ব্ হয়।
যেমনঃ
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
- ষট্ + আনন = ষড়ানন,
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত,
- বাক্ + অর্থ = বাগর্থ,
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
- সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
- যেমনঃ 'অধিক সন্ন্যাসীতে ধ্যান নষ্ট' বাক্যটি ভুল৷ এতে প্রবাদ-প্রবচন বিকৃতিজনিত ভুল প্রয়োগ ঘটেছে।
- শুদ্ধ বাক্যটি হলো- অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট (অতিরিক্ত লোকের খবরদারিতে কাজ পণ্ড)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়। ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমনঃ
- গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি
- যথা + উচিত = যথোচিত
- নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া
- নীল + উৎসব = নীলোৎসব
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- বক্ষ্যমাণ
- পৌরোহিত্য
- পক্ব
- প্রত্যুৎপন্নমতি
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
অশ্রু (বিশেষ্য) - চোখের পানি; নয়ন জল; নেত্রবারি।
অশ্রুআঁখি, অশ্রুচোখ (বিশেষ্য) - অশ্রুপূর্ণ আঁখি বা চোখ।
অশ্রুমান (বিশেষ্য) - অশ্রুপূর্ণ; অশ্রুযুক্ত।
যথোপযুক্ত ও যথাযোগ্য - শব্দ দুটির প্রয়োগও শুদ্ধ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
অতলস্পর্শী শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ = অতলস্পর্শ।
- অতলস্পর্শ (বিশেষণ) - তলদেশ স্পর্শ করা যায় না এমন; অতি গভীর।
- এটি একটি বহুব্রীহি সমাস।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- শুচিস্মিতা
- মুহূর্ত
- মর্ত্য
- দৌরাত্ম্য
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়। ঔ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন-
বন + ওষধি = বনৌষধি,
মহা + ঔষধ = মহৌষধ,
মহা + ওষধি = মহৌষধি,
পরম + ঔষধ = পরমৌষধ,
বন + ঔষধ = বনৌষধ,
চিত্ত + ঔদার্য = চিত্তৌদার্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
নাম বিশেষণ : যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষিত করে, তাকে নাম বিশেষণ বলে।
নাম বিশেষণের প্রকারভেদ :
ক. রূপবাচক : নীল আকাশ, কালো মেঘ
খ. গুণবাচক : দক্ষ কারিগর, ঠাণ্ডা হাওয়া
গ. অবস্থাবাচক : তাজা মাছ, রোগা ছেলে
ঘ. সংখ্যাবাচক : হাজার লোক, দশ টাকা
ঙ. ক্রমবাচক : দশম শ্রেণি, প্রথমা কন্যা
চ. পরিমাণবাচক : পাঁচ শতাংশ ভূমি, দু কিলোমিটার রাস্তা
ছ. অংশবাচক : অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
জ. উপাদানবাচক : বেলে মাটি, মেটে কলসি
ঝ. প্রশ্নবাচক : কতদূর পথ, কেমন অবস্থা
ঞ. নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক : এই লোক, ছাব্বিশে মার্চ
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- ক্ষীণজীবী
- ক্ষুৎপীড়িত
- ঊর্ধ্ব
- উচ্ছ্বাস
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
শুদ্ধ বাক্যঃ
- আইনত তিনি একাজ করতে পারেন না।
- এটা কাঁচা হাতের লেখা।
- বৃক্ষটি মূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে।
- মেয়েটি সুকেশী ও সুহাসিনী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়। এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন-
- শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা,
- মহা + ঈশ = মহেশ,
- পরম + ঈশ = পরমেশ,
- যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
যে পদ নাম-বিশেষণ অথবা ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণীয় বিশেষণ বলে।
নাম-বিশেষনের বিশেষণঃ
- সামান্য একটু দুধ দাও।
- এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।
ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণঃ
- রকেট অতি দ্রুত চলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
'ই' বা 'ঈ' ধ্বনির সঙ্গে অন্য স্বরধ্বনি মিললে ই বা ঈ–র জায়গায় য–ফলা (্য) হয়৷ বানানে বা লেখার সময় তা পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়৷
যেমনঃ
- বি + অর্থ = ব্যর্থ,
- অতি + অন্ত = অত্যন্ত,
- প্রতি + অক্ষ = প্রত্যক্ষ,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি,
- বি + অবস্থা = ব্যবস্থা,
- নি + ঊন = ন্যূন।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
বিসর্গযুক্ত অ কিংবা আ ধ্বনির পরে ক্, খ্, প্, ফ্ এর যেকোন একটি থাকলে অ-কার কিংবা আ-কারের পরস্থিত বিসর্গের স্থানে স্ হয়। কিন্ত অ-আ ভিন্ন স্বরের পরস্থিত বিসর্গের স্থানে ষ্ হয়।
যেমনঃ
- পুরঃ + কার = পুরস্কার,
- তিরঃ + কার = তিরস্কার,
- নমঃ + কার = নমস্কার,
- পরিঃ + কার = পরিষ্কার,
- বাচঃ + পতি = বাচস্পতি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত হলো- ঐক্যমত।
এর সঠিক রূপ হলোঃ ঐকমত্য বা ঐক্যমত্য - (বিশেষ্য) একমত; মতের অভিন্নতা; মতের মিল বা ঐক্য।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
- দুরাবস্থার শুদ্ধরূপ দুরবস্থা। এটি সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ।
- বিসর্গ সন্ধি টি হচ্ছে- দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা।
সোর্সঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বিদুষী - বিদ্যাবতী রমণী; উচ্চশিক্ষিতা; পণ্ডিত মহিলা।
বিদ্বান - জ্ঞানী; বিদ্যাবান; পণ্ডিত; শিক্ষিত; সুশিক্ষিত।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
- তৎকালীন সময়ের রাজা নসিবুল্লা অদ্যাপি নিরুদ্দেশ। - এই বাক্যে বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি আছে।
- এই বাক্যের শুদ্ধ রূপ হবে - তৎকালের রাজা নসিবুল্লা অদ্যাপি নিরুদ্দেশ/তৎকালীন রাজা নসিবুল্লা অদ্যাপি নিরুদ্দেশ।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
শুদ্ধ বানান:
- ব্যূহ, বিভীষিকা
- ভুঁড়িওয়ালা, মর্ত্য
- মন্বন্তর, মরূদ্যান
- ইতোমধ্যে, ইতঃপূর্বে
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- দধীচি
- অন্তঃসত্ত্বা
- সত্তা
- সরস্বতী
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
শুদ্ধ বাক্যঃ
- তাহার অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়।
- কায়কোবাদ 'মহাশ্মশান' লেখেন।
- আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ দেখিয়াছি৷
- তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'উ' বা 'ঊ' ধ্বনির সঙ্গে অন্য স্বরধ্বনি মিললে উ বা ঊ–র জায়গায় ব–ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন বানানে আগের ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়৷
যেমন-
উ + অ = ব্ + অ = ব:
- অনু + অয় = অন্বয়
- পশু + অধম = পশ্বধম
- মনু + অন্তর = মন্বন্তর
- সু + অচ্ছ = স্বচ্ছ
- সু + অল্প = স্বল্প
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।
- ধান বানতে যারা শিবের গীত গায়, তারা স্থির লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। - বাক্যে সর্বনাম পদ হলোঃ 'যারা', 'তারা'।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।
- যে ক্রিয়ার কর্ম পদ আছে তাই সকর্মক ক্রিয়া। ক্রিয়ার সাথে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই ক্রিয়ার কর্মপদ। কর্মপদযুক্ত ক্রিয়াই সর্কমক ক্রিয়া।
- যে ক্রিয়ার কর্ম নেই, তা অকর্মক ক্রিয়া। যেমনঃ ছেলেটি হাসে। কী ‘হাসে’ বা ‘কাকে হাসে’ প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর হয় না। কাজেই ‘হাসে’ ক্রিয়াটি অকর্মক ক্রিয়া।
- প্রয়োগ বৈশিষ্ট্যে সকর্মক ক্রিয়াও অকর্মক হতে পারে।
যেমনঃ
অকর্মক: আমি রাতে খাব না। সকর্মক: আমি রাতে ভাত খাব না।
অকর্মক: আমি চোখে দেখি না। সকর্মক: আকাশে চাঁদ দেখি না।
অকর্মক: ছেলেটা কানে শোনে না। সকর্মক: ছেলেটা কথা শোনে।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
শুদ্ধ বাক্যঃ
- শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধ হইতে পারে৷
- নাটিকাটি সবাইকে মুগ্ধ করল।
- তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ৷
- মেয়েটি স্বয়ংবরা৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়।
যেমন-
- মত + ঐক্য = মতৈক্য;
- জন + এক = জনৈক;
- হিত + এষী = হিতৈষী;
- তথা + এবচ = তথৈবচ;
- মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ-নবম দশম শ্রেণী; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বিশেষ্য পদ ছয় প্রকার৷
যথা-
১. নামবাচক বিশেষ্য,
২. জাতিবাচক বিশেষ্য,
৩. বস্তুবাচক বিশেষ্য,
৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য,
৫. ভাববাচক বিশেষ্য এবং
৬. গুণবাচক বিশেষ্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ)
যে পদ দ্বারা কোন ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, বা গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা বা নামবাচক বিশেষ্য পদ বলে।
যেমন- আনিস, ঢাকা, মেঘনা, হিমালয়, গীতাঞ্জলি, ফাল্গুন, বিজু, বৈসাবি ইত্যাদি।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
শুদ্ধ বাক্যঃ
- বুনো ওল, বাঘা তেঁতুল৷
- উপর্যুক্ত বাক্যটি সঠিক নয়৷
- সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে গেলাম।
- বাল্য হতেই তিনি কাব্যপ্রিয়৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- সমুচ্চয়ী অব্যয় : যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন এবং সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
- সমুচ্চয়ী অব্যয় তিন প্রকার।
যথাঃ সংযোজক, বিয়োজক এবং সংকোচক।
- তিনি বিদ্বান, অথচ সৎ ব্যক্তি নন। বাক্যে ‘অথচ’ সংকোচক অব্যয়। কিন্তু, বরং শব্দগুলোও সংকোচক অব্যয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি।
বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেয়৷ —এই বাক্যটিতে বানান ভুল জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে৷
এর শুদ্ধরূপ হলো: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়৷
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
সঠিক বানান:
- অগ্ন্যাশয়, অগ্ন্যুৎপাত
- দারিদ্র, তিতিক্ষা
- দুরতিক্রম্য, হীনম্মন্যতা
- সূচ্যগ্র, সামর্থ্য
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
- যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলে।
যথা-
- বজ্রের ধ্বনি - কড় কড়,
- বৃষ্টির তুমুল শব্দ - ঝম ঝম,
- শুষ্ক পাতার শব্দ - মর মর,
- বাতাসের গতি - শন শন,
- কোকিলের রব - কুহু কুহু ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
গুরুচণ্ডালী দোষজনিত অপপ্রয়োগ হলো - মড়াদাহ৷
এর শুদ্ধরূপ: মড়াপোড়া৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে - সব মাছগুলোর দাম কত?
সঠিক রূপঃ সব মাছের দাম কত?
অন্যান্য অপশনের সঠিক রূপঃ
- এটি লজ্জাকর ব্যাপার (বানান জনিত)।
- অন্যায়ের ফল অনিবার্য (সঠিক শব্দ প্রয়োগ না করায়)।
- অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়। (বিশেষ্য-বিশেষণ এর বাহুল্য জনিত)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- আর্দ্র
- দ্বন্দ্ব
- স্বত্বাধিকার
- কঙ্কণ
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।