পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৩ বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক। ৩. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
সংসদীয় ব্যবস্থা:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট পঞ্চম জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাশ হয়।  এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়।
- এতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- এ লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ সংশোধনীর পক্ষে রায় দিলে, ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
রাজা রামমোহন রায় কী উদ্দেশ্যে 'আত্মীয় সভা' গঠন করেন?
  1. সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কার বৃদ্ধির জন্য
  2. ব্রাহ্মণসেবধি পারস্পারিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য
  3. নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের জন্য
  4. জনগণকে নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
•রাজা রামমোহন রায়:
- রাজা রামমোহন রায় ছিলেন সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক।
- তিনি আধুনিক ভারতের রূপকার রাজা রামমোহন রায়।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্যস প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ২০ আগস্ট তিনি ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপন করেন।
- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্কৃত কলেজের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন।
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটিতে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অধিক মাত্রায় প্রভাব দেখা যায়?
  1. শাসন বিভাগে
  2. জাতীয় কল্যাণে
  3. রাজনৈতিক দলে
  4. আইন বিভাগে
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের উপর চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রভাব অধিক মাত্রায় প্রভাব দেখা যায়।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রভাব:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী আইন পরিষদকে প্রভাবিত করে থাকে।
- চাপ প্রয়োগকারী সংস্থার নেতৃবৃন্দ আইন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের কাছে তাদের দাবি দাওয়া তুলে ধরে এবং তাদের অনুকূলে আইন পাশ করার ব্যবস্থা করে। 
- স্বার্থকামী গোষ্ঠীগুলো মন্ত্রিপরিষদকেও প্রভাবিত করে। 
- এমন কি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শাসন বিভাগের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। 

উৎস:  রাষ্টবিজ্ঞান-৩, স্নাতক শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করতে পরামর্শ দিয়ে থাকে -
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. বল আদায়কারী গোষ্ঠী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী -
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম।
- কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
- সুশীল সমাজ কাজ করে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বিভিন্ন কাজ:
● সরকারের ত্রটি-বিচ্যুতি দূরীকরণ,
● সরকারের উপদেষ্টা,
● রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ ও পরিবর্তন,
● আইন ও নীতির উৎস।
● স্বার্থের সংহতি সাধন,
● জনসংযোগ,
● তথ্য প্রদান,
● রাজনৈতিক প্রচার,
● সামাজিকীকরণ,

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলা হয়?
  1. উপ- অধ্যাদেশ
  2. অধ্যাদেশ বিল
  3. আইন
  4. অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
অধ্যাদেশ -
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে। অধ্যাদেশে কোন নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রপতি যে তারিখে স্বাক্ষর করেন তখন থেকে অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।
- রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ,প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ মালেক
  2. হাফেজউল্লাহ
  3. মোহাম্মদ তর্কবাগীশ
  4. মোহাম্মদউল্লাহ
ব্যাখ্যা
প্রথম স্পীকার:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পীকার ছিলেন মোহাম্মদউল্লাহ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে (১৯৭২) মোহাম্মদউল্লাহ ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হন তিনি।
- স্পীকার শাহ আবদুল হামিদের মৃত্যুর পর তিনি ভারপ্রাপ্ত স্পীকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে স্পীকার পদে নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে,
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
.
ট্রেজারি বেঞ্চ’ বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. সংসদ-কক্ষের শেষের দিকের আসন
  2. সংসদ-কক্ষের মাঝের দিকের আসন
  3. সংসদে স্পিকারের আসন
  4. সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। । 
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোন সমাজ সংস্কারক 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন’ পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন?
  1. রামমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- রাজা রামমোহন রায়‘সম্বাদ কৌমুদী’, ‘মিরাত-উল-আখবার’ ও ‘ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন’ নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে ‘তুহফাত-উল-মোয়াহিদ্দীন’ (একেশ্বরবাদ সৌরভ) ‘মানাজারাতুল আদিয়ান’ (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা) ও হিন্দুদিগের পৌত্তলিক ধর্মপ্রণালি ইত্যাদি।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফারাক্কা চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে কে অভিহিত করেছেন?
  1. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  2. শামসুল হক হন
  3. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৪ সালের ১৯ নভেম্বর
  2. ১৯৯৬ সালের ১৯ আগস্ট
  3. ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
  4. ১৯৯৭ সালের ১৯ আগস্ট
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি করেন তৎকালীন সাব জজ মাজদার হোসেন । 
- এই মামলাটি মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ নামে পরিচিত। 
- মামলাটির বিচারক ছিলেন বিচারপতি মোস্তফা কামাল । 
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে (২০০৯ সালে আইনে পরিণত)। 


সূত্র-Ministry of Finance Vs. Md. Masdar Hossain and others case.
১১.
'Society is a system of social relationships in and through which we live.' কে বলেছেন?
  1. অ্যালান বল ও ম্যাকাইভার
  2. আর্নেস্ট বার্কার ও পেজ
  3. অ্যালান বল ও হ্যারল্ড লাসওয়েল
  4. ম্যাকাইভার ও পেজ
ব্যাখ্যা
• ম্যাকাইভার ও পেজ :
- ‘Society’ নামক গ্রন্থে বলেছেন,"Society is a system of social relationships in and through which we live." অর্থাৎ সমাজ হচ্ছে এমন সব সামাজিক সম্পর্কের একটি ব্যবস্থা যার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করি। তিনি সমাজ বলতে সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালকে বুঝিয়েছেন।

অন্যদিকে,
• অধ্যাপক আর্নেস্ট বার্কার - “বিভিন্ন মতবাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্ভদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দ্বারা নির্বাচকমন্ডলীর সমর্থন পেতে সচেষ্ট হয়।”

• অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball) - Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilizing the political process”-  অর্থাৎ রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণকে কী বলা হয়?
  1. সাংস্কৃতিক দল
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সংবাদ মাধ্যম
  4. সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দলকে আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল বা সরকার গঠন করা।
- এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দল জনমত গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- সংবাদ মাধ্যম জনমতের প্রকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মিডিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করতে সক্ষম হয় এবং এটি নীতি নির্ধারণ ও সরকারী কর্মকাণ্ডের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৩.
নিচের কোন নামটি ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা হিসেবে অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. হেনরী কুই ডিরোজিও
  2. কৃষ্ণমোহন ডিরোজিও
  3. হেনরী লুই ডিরোজিও
  4. উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা
ইয়াং বেঙ্গল:
- 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ডিরোজিও।
- ‘রেনেসাঁস’ যুগে বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিওর অনুসারী ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের সদস্যরা দেশবাসীকে বোঝাতে চেয়েছেন যে তারা ব্রিটিশ কর্তৃক শাসিত ও শোষিত হচ্ছে।
- ডিরোজিও কর্তৃক ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ‘একাডেমি এ্যাসোসিয়েশন’ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোন জাতীয় সংসদে প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা লক্ষ্য করা যায়?
  1. তৃতীয় জাতীয় সংসদে
  2. দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে
  3. প্রথম জাতীয় সংসদে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বিরোধীদলীয় নেতা:
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা লক্ষ্য করা যায় । 
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান খান (দ্বিতীয় সংসদ)।     
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- ষষ্ঠ সংসদ দেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ যার স্থায়িত্ব ছিলো মাত্র ১২ দিন। 

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১৫.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে 'সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী' হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. এলান হটার
  2. আলমন্ড পাওয়াল
  3. এলান পটার
  4. মাইরন উহনার
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- এলান পটার এটাকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন-শিক্ষক সমিতি, ব্যবসায়ী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিক সংঘ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক এলান আর বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমভাবাপন্ন সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বুঝাতে চেয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি এবং  এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি সরকারের 'ফিফথ স্টেট' হিসেবে পরিচিত?
  1. জনগণ
  2. সিভিক সোসাইটি
  3. গণমাধ্যম
  4. সিভিল সোসাইটি
ব্যাখ্যা
• স্তম্ভ:
- সরকার প্রধানত তিনটি বিভাগ বা স্তম্ভ নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো: শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
 এদের বাহিরে পণ্ডিতগণ অঘোষিতভাবে গণমাধ্যমকে সরকারের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- সিভিল সোসাইটিকে সরকারের পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ স্টেট বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
১৭.
উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
•অসহযোগ আন্দোলন:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় প্রশাসনের সর্বোচ্চ ধাপ কোনটি?
  1. উপজেলা প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. বিভাগীয় প্রশাসন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রশাসন: 
- বাংলাদেশের স্তরভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন বা মাঠ প্রশাসন।
- প্রথম স্তরটি হচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
স্থানীয় প্রশাসনের প্রথম ও সর্বোচ্চ ধাপ হচ্ছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।
যথা:- বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসন।
- স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন ৷

• শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকারের স্তর হচ্ছে -
- পৌরসভা
- সিটি কর্পোরেশন।

সূত্র -পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. জেলা প্রশাসক
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  4. উপজেলা চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা

উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

• স্থানীয় প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান:-
- উপজেলা প্রশাসন -UNO বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- বিভাগীয় প্রশাসন - Divisional Commissioner বা বিভাগীয় কমিশনার
- জেলা প্রশাসন - Deputy Commissioner বা ডিসি বা জেলা প্রশাসক।

• একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২০.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য?
  1. নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ
  2. সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভ
  3. স্থানীয় ও জাতীয় অবস্থান
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- রাজনৈতিক দল হলো গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।

• রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
i) সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি: সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি রাজনৈতিক দলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। রাজনৈতিক দলে বিভিন্ন জাতি ধর্ম বর্ণ,লিঙ্গের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলও লক্ষ্য করা যায়।

ii) নির্দিষ্ট নীতি ও আর্দশ: প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলেরই নির্দিষ্ট কিছু নীতি ও আদর্শ থাকে। এ নীতি ও আর্দশের ভিত্তিতেই জনগণ সংঘবদ্ধ হয়ে থাকে। সাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা লাভ করলে দলটি তাদের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চায়। যেমন: জার্মানির গ্রীন পার্টি, পরিবেশ সংরক্ষণই এ রাজনৈতিক দলের মূল উদ্দেশ্য।

iii) সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভ: বর্তমানে সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভের কোন বিকল্প নেই। রাজনৈতিক দলগুলোও সেভাবে তাদের কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে। কোন একটি দলের পক্ষে এককভাবে ক্ষমতা লাভ সম্ভব না হলে জোটগতভাবে ক্ষমতা লাভের চেষ্টা করে।

iv) সাংগঠনিক কাঠামো: রাজনৈতিক দল একটি সংগঠন। তাই এটি পরিচালনার জন্য লিখিত নিয়মকানুন (গঠনতন্ত্র) থাকে। যার ভিত্তিতে একটি সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়। আদর্শ রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কাঠামো গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়।

v) স্থানীয় ও জাতীয় অবস্থান: রাজনৈতিক দল স্থানীয়, জাতীয় বা ঊভয় অবস্থানেই কার্যক্রম পরিচালনা করে। পৃথিবীর বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোতে অনেক স্থানীয় রাজনৈতিক দল দেখা যায়। যেমন ভারতের সমাজবাদী দল কেবল দক্ষিণ ভারতে সক্রিয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
লর্ড ডালহৌসি কার সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন?
  1. জগদীশচন্দ্র বসু
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. লর্ড বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন:
- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- লর্ড ডালহৌসি পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন। 
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক রাজা রামমোহন রায় প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়। পরবর্তী সময়ে দেবতার নামে শিশু হত্যা নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।