উত্তর
ব্যাখ্যা
সোর্সঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন
শুদ্ধ বাক্যঃ
মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ!
আমি সন্তুষ্ট হইলাম।
দীনতা সবসময় ভালো নয়।
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি। এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
- এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা।
- বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি।
যেমন: করে ১৯৭১ বাংলাদেশ স্বাধীনতা সালে অর্জন৷ এই বাক্য আসত্তিহীন
সঠিক বাক্য: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে৷
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
শুদ্ধ বানানঃ
বিপৎসংকুল, হৃৎপিণ্ড, পুণ্য
প্রকোষ্ঠ, শবদাহ, কিরীটিনী
ক্বচিৎ, ধূলিসাৎ, শ্রদ্ধাঞ্জলি
প্রাণিবিদ্যা, আরবি, প্রতীতি
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি।
এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
- এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা।
- বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি।
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
শুদ্ধ বানানঃ
ব্যতীত, ব্যষ্টি
সত্তা, স্বত্ব
সুষুপ্ত, ভস্ম
আশিস, কুশাসন
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
- গুরুচণ্ডালী দোষ বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ। এমন হলে বাক্যে অপপ্রয়োগ হয়েছে বলা যায়৷
- গুরুচণ্ডালী দোষ গুলো হচ্ছে - গরুর শকট, মড়া দাহ, শব পোড়া, তাপদাহ।
শুদ্ধরূপঃ
- গরুর গাড়ি, মরা পোড়া, শবদাহ, দাবদাহ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
- যেমনঃ 'এক পৌষে শীত যায় না' বাক্যটি ভুল৷ এতে প্রবাদ-প্রবচন বিকৃতিজনিত ভুল প্রয়োগ ঘটেছে।
- শুদ্ধ বাক্যটি হলো- এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ বা প্রতিকূল অবস্থা সবসময় থাকে না)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- ব্যাপারটা আমার আয়ত্তাধীন নয়। - এই বাক্যে বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি আছে।
এই বাক্যের শুদ্ধ রূপ হবে - ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান- এই বাক্যটিতে যথার্থ শব্দ প্রয়োগ না করায় ভুল হয়েছে।
এর সঠিক রূপঃ পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান।
অন্যান্য বাক্যের সঠিক রূপঃ
রাঙামাটি পার্বত্য এলাকা (বিশেষ্য-বিশেষণের বাহুল্য)।
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে (বাচ্যজনিত)।
শুধু এই কটা টাকা দিলে? (বাহুল্যজনিত)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক বানান:
- অনূঢ়
- উদ্ভূত
- অনূর্ধ্ব
- দুরবিন
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
- তোমার তো সতের মাসে বছর, কোন কাজই তাড়াতাড়ি করতে পারো না। - এই বাক্যে বাগধারার শব্দ পরিবর্তনজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ তোমার তো আঠার মাসে বছর, কোন কাজই তাড়াতাড়ি করতে পারো না।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।