পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট (প্রয়োজন অনুসারে রিলায়েবল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য ক্রসচেক করে নিবেন)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
কোন উপজাতি কর্তৃক রোমান সভ্যতা বিকশিত হয়?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) কোস্টেনকি
  3. গ) ক্যারেলিন
  4. ঘ) নেটসিলিক
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন রোম নগরীকে কেন্দ্র করে। 
- বর্তমান ইতালির পশ্চিমে দক্ষিণ ভূমধ্যাসাগরের উপকুলে রোম নগরী অবস্থিত। 
- রোম নগরী সাতটি পার্বত্য টিলার উপর ছিল। 
- নগরের চারিদিকে ছিল উর্বর সমতল ভূমি। 
- এ সমতল ভূমিতে বাস করত ল্যাটিন উপজাতি। 
- ল্যাটিন রাজা রোমিট্রলাস পত্তন করেন এক নগরী। তাঁর নামেই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম। 
- রোমবাসীরা কথা বলত ল্যাটিন ভাষায়।
 
উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ফরাসি বিপ্লবের ফলে কোন দূর্গের পতন ঘটে?
  1. ক) মরগ্যান দুর্গ
  2. খ) বাস্তিল দূর্গ
  3. গ) সেবাস্তিয়ান দূর্গ
  4. ঘ) ব্রায়ান দূর্গ
সঠিক উত্তর:
খ) বাস্তিল দূর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাস্তিল দূর্গ
ব্যাখ্যা
১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার। এর পতনের মাধ্যমে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই ক্ষমতাচ্যুত হন। ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
.
বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) কিতাবুল উম
  2. খ) কিতাবুল রেহালা
  3. গ) কিতাবুল আসার
  4. ঘ) কিতাবুল আযকার
সঠিক উত্তর:
খ) কিতাবুল রেহালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা (মরক্কো ) ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে ।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ- ইবনে জুযাই , কিতাবুল রেহালা
- মেগান্থিসিস প্রাচীন গ্রীসের একজন পর্যটক এবং ভূগোলবিদ।
- ফা-হিয়েন বাংলায় ভ্রমণকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক । বাংলায় আসেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের (৩৮০-৪১৩খ্রি.) সময়ে ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।
.
প্রাচীন ভারতে সাম্রাজ্যবাদের বিকাশ হয় যে রাজ্যকে কেন্দ্র করে তার নাম −
  1. ক) অবন্তী
  2. খ) গান্ধার
  3. গ) কাম্বোজ
  4. ঘ) মগধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মগধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মগধ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী হতে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
- এ সময়ই প্রথমবারের মতো ভারতে বড় বড় রাজ্য গঠনের আভাস পাওয়া যায় এবং একই সাথে তাদের মধ্যে
চলে শক্তি সংগ্রহ ও প্রাধান্য বিস্তারের জন্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
- মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে মগধকেন্দ্রিক সাম্রাজ্যবাদী রাজনৈতিক তৎপরতার ইতিহাস অনুধাবন করতে হবে। 

- উত্তরে কাবুল থেকে দাক্ষিণাত্রে গোদাবরী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে যে রাজ্যগুলির কথা জানা যায় সেগুলি হচ্ছে কাম্বোজ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, মল্ল, বৃজি বা বজ্জি, মৎস্য, চেদী, বৎস, কাশী, অঙ্গ, অবন্তী, অশ্বক ও মগধ। 
- এই ষোলটি রাজ্য প্রায়ই প্রাধান্য বিস্তারের জন্য নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত থাকতো।
-  ক্রমেই অপেক্ষাকৃত দুর্বল জনপদগুলির স্বাতন্ত্র্য বিনষ্ট করে ভারতের রাজনীতির ক্ষেত্রে চারটি রাজ্য প্রধান হয়ে ওঠে। 
- এই রাজ্যগুলি হচ্ছে কোশল, অবন্তী, বৎস ও মগধ। 

- ভারতের খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর ইতিহাস হচ্ছে এই বৃহৎ শক্তিবর্গের অন্তর্দ্বন্দ্বের ইতিহাস এবং মগধের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। 
- বর্তমান বিহারের দক্ষিণাংশ, মুখ্যত পাটনা ও গয়া জেলা, প্রাচীনকালে মগধ নামে পরিচিত ছিল। 
- এখানে ছিল নানা জাতির মিশ্রিত জনবসতি। বিভিন্ন কারণে ভারতের ইতিহাসে এই মগধের গুরুত্ব যথেষ্ট।
-  মগধের ভৌগোলিক অবস্থান এর শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল। 

- মগধের মাঝখান দিয়ে ছিল পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের মধ্যে যাতায়াতের রাস্তা। মগধ রাজ্যও ছিল বেশ সুরক্ষিত ।
-  গঙ্গা, শোন ও গন্ডক নদী এর রাজ্যকে তিনদিক থেকে গিরে রেখেছিল। এর ফলে কোন শত্রুদেশের পক্ষে সহসা মগধ আক্রমণ করা সম্ভব ছিল না।
- এ রাজ্যের আদি রাজধানী ছিল খুবই সুরক্ষিত স্থান। এর চারদিকে ছিল পাহাড় এবং পাথরের উঁচু প্রাচীর। মগধের পরবর্তী রাজধানী পাটলীপুত্রও ছিল সুরক্ষিত। 
- এমনি ধরনের অবস্থানগত ভৌগোলিক সুবিধার জন্য মগধ সহজে প্রতিবেশীদের আক্রমণ করতো; কিন্তু মগধকে প্রতিবেশী রাজ্য আক্রমণ করতে পারেনি। ঐতিহাসিক ব্যাশাম, রোমিলা থাপার প্রমুখ গঙ্গা নদীর উপর মগধের নিয়ন্ত্রণ এবং মগধের বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির উল্লেখ করে বলেন, মগধ রাজ্যের রাজবংশগুলির নেতৃবৃন্দ খুব সহজেই সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতায় জড়িত এবং সফল হতে পেরেছিলেন।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান 'লুম্বিনী' গ্রামটি বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুটান
  2. খ) নেপাল
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
খ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেপাল
ব্যাখ্যা
- গৌতম বুদ্ধে ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের প্রচালক। 
- গৌতম বুদ্ধের পূর্বনাম ছিল সিদ্ধার্থ।
- গৌতম গোত্রজাত বলে তিনি গৌতম নামে পরিচিত।
-  ভারতের উত্তর প্রদেশের এবং বিহারের উত্তরে নেপালের তরাই অঞ্চলে কপিলাবস্তুর লুম্বিনী গ্রামে শাক্যবংশে তাঁর জন্ম হয়। 
- তাঁর জন্ম তারিখ সম্পর্কে পন্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে বিভিন্ন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এখন প্রায় সব পন্ডিতই মনে করেন যে, গৌতম বুদ্ধ ৫৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। 
- তাঁর পিতা শুদ্ধধন ছিলেন শাক্য জাতির গোষ্ঠী নেতা। তাঁর মাতার নাম মায়া দেবী। 
- বাল্যকালে গৌতম অস্ত্র ও শাস্ত্র উভয় বিষয়েই শিক্ষালাভ করেছিলেন। 
- ষোল বছর বয়সে গোপা নামে এক সুন্দরী কন্যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। 
- ২৯ বছর বয়সে তাঁর এক পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে। তখন গৌতম সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে প্রথমে তিনি আলারাকালাম নামে এক সন্ন্যাসীর কাছে ধ্যান ও তপস্যাবিদ্যা অর্জন করেন। 
- কিছুদিন পর তিনি পাঁচজন সন্ন্যাসীর সঙ্গে ছয় বছর কঠোর ধ্যান ও কৃচ্ছসাধন করেন এবং এ পথে মুক্তি লাভ করা যাবেনা বুঝতে পেরে তা ত্যাগ করেন। 
- এবার তিনি উরুবিল্ব নামক স্থানে এক পিপল গাছের নিচে সাধনা করতে থাকেন। ৪৯ দিন সাধনার পর তিনি দিব্যজ্ঞান বা বোধি লাভ করে বুদ্ধ (জ্ঞানী) বলে পরিচিত হন।
- বারাণসীর কাছে সারনাথে গৌতম বুদ্ধ তাঁর ভূতপূর্ব পাঁচ সঙ্গীর কাছে প্রথম তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। এই ঘটনা ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' রূপে আখ্যায়িত। 
- এরপর তিনি বরাণসী, রাজগৃহ প্রভৃতি স্থানে তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। মগধের রাজা বিম্বিসার তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন।
-  বুদ্ধের ধর্মমত প্রধানত মগধে প্রচারিত হলেও উত্তর প্রদেশের কোশল দেশেই তাঁর ধর্মের বিকাশ ঘটে। 
গৌতম বুদ্ধ প্রায় ২১ বছর কোশল দেশে তাঁর ধর্মপ্রচার করেছিলেন। 
 
উৎস: ইতিহাস -১, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
মুসলমান ও রোমান বাহিনীর মধ্যকার সংগঠিত যুদ্ধ কোনটি?
  1. ক) খন্দকের যুদ্ধ
  2. খ) তাবুকের যুদ্ধ
  3. গ) বদরের যুদ্ধ
  4. ঘ) উহুদের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) তাবুকের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাবুকের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- তাবুকের যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৬৩১ খ্রিস্টাব্দ (৯ম হিজরী)।
- এটি ছিল  মুসলমান এবং রোমান বাহিনীর মধ্যকার মহানবী (স.) জীবদ্দশায় পরিচালিত শেষ অভিযান।
- পরাক্রমশালী রোমান সাম্রাজ্যকে যুদ্ধে পরাজিত করে মুসলিম ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
- বাকি ৩টি যুদ্ধ মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশদের সাথে সংগঠিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস (১ম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার (Upcoming)।
.
দক্ষিণ আফ্রিকার মুক্তিকামী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন?
  1. ক) রোবেন দ্বীপ
  2. খ) সেন্ট হেলেনা দ্বীপ
  3. গ) সকোত্রা দ্বীপ
  4. ঘ) সেন্ট কিট্স দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) রোবেন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রোবেন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা তার ২৭ বছর কারাজীবনের ১৮ বছর অতিবাহিত করেন রোবেন দ্বীপে
- রোবেন দ্বীপ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনামলে একটি কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এটিকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।
- ইউনেস্কো এটিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
.
ফা হিয়েনের আগমনকালে ভারতের রাজা ছিলেন−
  1. ক) সমুদ্রগুপ্ত
  2. খ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  3. গ) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  4. ঘ) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
- চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ৩৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন। 
- ভারত ও দ:পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দ্বীপ সফর করে তিনি ৪১৪ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে যান।
-  ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে। 
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। ধর্ম বিষয়ে গুপ্ত সম্রাটদের ঔদার্যে তিনি মুগ্ধ হন। সমগ্র রাষ্ট্রে তিনি শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করেন।
- মোদ্দা কথা হলো - ফা-হিয়েনের ভ্রমণ লিপি ভারতের ইতিহাসের একটি বিশিষ্ট ও প্রামাণ্য দলিল।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয় -
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ (Soviet Afghan War)
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ - ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত।
প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষসমূহ: সোভিয়েত রাশিয়া এবং তালেবান সহ অন্যান্য মুসলিম মিলিশিয়া গ্রুপ।
ফলাফল - কোন পক্ষই পুর্ণাঙ্গ বিজয় লাভ করে নি।
২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান আক্রমণ করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটাই ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে তাদের প্রথম কোন অভিযান। 
তারা কাবুল দখল করে এবং সোভিয়েত নিয়ন্ত্রণে কমিউনিস্ট ধারার সরকার প্রতিষ্ঠা করে।
এই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে তালেবান বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
 প্রথম দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন কৌশলগত বিজয় লাভ করলেও পরবর্তীতে তালেবান জিহাদিরা তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকায় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচুর সোভিয়েত সৈন্য হতাহতের কারনে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ক্ষমতায় এসে ১৯৮৮ সালে আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে। 
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালে আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয়।
 
 উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
১০.
অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয় কত সালে?
  1. ক) ১৩৪৩ সালে
  2. খ) ১২৯৯ সালে
  3. গ) ১১৯৭ সালে
  4. ঘ) ১৩৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১২৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে আনাতোলিয়ায় (বর্তমান তুরস্ক) ওসমান গাজী বা প্রথম ওসমান অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন করেন।
- ওসমান গাজীর নাম থেকেই উসমানীয় বা অটোমান নামে উদ্ভব ঘটেছে। তিনি ছিলেন দিরিলিস আর্তুগ্রুল এর ছেলে।
- ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদ বাইজানটাইনদের পরাজিত করে কনস্টান্টিনোপল বা ইস্তানবুল অধিকার করেন এবং একে অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- সুলতান প্রথম সুলেমানের শাসনামলে (১৫২০-১৫৬৬ খ্রি.) অটোমান সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে। সে সময় বর্তমান গ্রিস, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া, বুলগেরিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, মিশর, জর্ডান ও আরবের অংশবিশেষ অটৈামান সাম্রাজ্যভুক্ত ছিলো।
- সতের শতক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের সূত্রপাত ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমানরা কেন্দ্রীয় শক্তির পক্ষ অবলম্বন করে। ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- শেষ অটোমান সুলতান ছিলেন ষষ্ঠ মুহাম্মদ ওয়াহিদউদ্দিন।
- আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক অটোমান খেলাফত বিলুপ্ত করে ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
১১.
কোন্ যুদ্ধের মাধ্যমে সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবী ক্রুসেডারদের থেকে জেরুজালেম উদ্ধার করেন?
  1. ক) কুরুন হামার যুদ্ধ
  2. খ) কায়রোর যুদ্ধ
  3. গ) হিত্তিনের যুদ্ধ
  4. ঘ) এডেসার যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) হিত্তিনের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিত্তিনের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- গাজী সালাহ্উদ্দিন আইয়ূবী ১১৩৮ সালে টাইগ্রীস নদীর তীরে তিকরিত নামক স্থানে এক কুর্দি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। 
- ১১৭১ সালে সর্বশেষ ফাতিমি খলিফা আল-আদিদের মৃত্যু হলে তিনি আব্বাসীয়দের অনুকূলে আইয়ুবী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১১৭৫ সালে তিনি আব্বাসীয় খলিফা কর্তৃক বৈধ সুলতান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। 
- ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য লাভ করে তিনি গাজী উপাধি লাভ করেন। 
- ১২৫০ সালে আইয়ুবী শাসনের অবসান হয়।
 
ক্রুসেডারদের সাথে সংঘর্ষ (১১৮৬-৯৩) :
 ১১৮৭ সালের ৪ জুলাই ফ্রাংকদের সাথে তাঁর হিত্তিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এতে জয়লাভ করে জেরুজালেম দখল করে নেন।
এর ফলে জার্মান সম্রাট ফ্রেডারিক বারবারোসা, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ অগাস্টাস ও ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড তাঁর বিরুদ্ধে ৩য় ক্রুসেড আহ্বান করেন।
সম্মিলিত বাহিনী জেরুজালেম উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ১১৯২ সালে তাঁর সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
১১৯৩ সালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
খ্রিস্টধর্মের প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের প্রবর্তক মার্টিন লুথার কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) ভাটিক্যান সিটি
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
ব্যাখ্যা
- মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির একজন বিখ্যাত ধর্মযাজক।
- ষোড়শ শতকের শুরুর দিকে মার্টিন লুথার জার্মানিতে প্রচলিত পোপ নিয়ন্ত্রিত চার্চতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠে প্রতিবাদী খ্রিস্টধর্ম বা প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের সূচনা করেন।
- এই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র হলেন বিখ্যাত মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা।

তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা
১৩.
'ধনতন্ত্রের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো সাম্রাজ্যবাদ' কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) হিটলার
  2. খ) চেম্বারলিন
  3. গ) স্টালিন
  4. ঘ) লেনিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) লেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লেনিন
ব্যাখ্যা
- প্রথম মহাযুদ্ধের কয়েক দশক পূর্ব থেকে ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার এবং এ জন্য ঔপনিবেশ বিস্তার নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা হয়।
- ইউরোপের শিল্পায়িত বৃহৎ ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলির উৎপাদন এ সময় বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। 
- ফলে উদ্বৃত্ত পণ্য রফতানির জন্য নতুন বাজারের প্রয়োজন দেখা দেয়। 
- তাই দেখা যায় ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো শিল্পপণ্য রফতানি এবং অতিরিক্ত বিনিয়োগের জন্য পুরনো উপনিবেশের সম্প্রসারণ এবং নতুন ঔপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে।
- ইতিহাসে এই বিষয়টাকে সাম্রাজ্যবাদ (Imperialism) বলা হয়। 
- মার্কস থেকে লেনিন পুঁজিবাদী অর্থনীতির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন কীভাবে উদ্বৃত্ত পণ্য সংকট সৃষ্টি করে। 
- লেনিন সাম্রাজ্যবাদকে ধনতন্ত্রের আধুনিক সর্বোচ্চ পর্যায় (Highest stage of Capitalism) বলে অভিহিত করেছেন। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধে চীনের বিরুদ্ধে লড়াই করে -
  1. ক) ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ফ্রান্স ও ব্রিটেন
  3. গ) পর্তুগাল ও ব্রিটেন
  4. ঘ) ব্রিটেন ও হল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স ও ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স ও ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
- চীনে সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার ঘটে ১৭ শতকে। সেখানে বাণিজ্য বিস্তারে এগিয়ে ছিল পর্তুগিজরা। তারা দক্ষিণ চীনের ম্যাকাও
বন্দর দখল করে বাণিজ্য পরিচালনা করে।
- ধীরে ধীরে ইংরেজ, ফরাসি ও ডাচ কোম্পানি চীনের সমুদ্র উপকূল ধরে বসতি স্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্যান্টন, হংকং, তাইওয়ান প্রভৃতি এলাকায় ইঙ্গ-ফরাসি প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৮৩৯ সালে চীন সরকার ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নানকিংয়ের সন্ধিতে স্বাক্ষর করে। 
- তার শর্তানুযায়ী সমুদ্র উপকূলের পাঁচটি বন্দর ইংরেজ কোম্পানির দখলে চলে যায়। 
- এই সময়ে চীনে ইংরেজদের আফিম ব্যবসা ও আফিম বাণিজ্যের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের সংগ্রামের ফলে ঘটে যায় প্রথম ইঙ্গ-চীন যুদ্ধ ও নানকিং সন্ধি।
- পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে ওঠে ১৮৫৬ সালের দিকে  ইংরেজ ও ফরাসি কোম্পানির তাবেদার জনৈক ফরাসি ধর্মযাজককে কৃত অপরাধের জন্য চীন সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে । 
- এর প্রতিবাদে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যৌথভাবে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এটাকে দ্বিতীয় চীন যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
- তিয়েন্তসিন সন্ধির মাধ্যমে এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটলেও সন্ধির শর্তানুসারে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চীন। 
- উপকূলবর্তী এগারোটি চীনা বন্দরে ইংরেজ ও ফরাসি শক্তির কর্তৃত্ব সুদৃঢ় হয় এ সন্ধির মাধ্যমে। 
 
Opium Wars, two armed conflicts in China in the mid-19th century between the forces of Western countries and of the Qing dynasty, which ruled China from 1644 to 1911/12.
The first Opium War (1839–42) was fought between China and Britain, and 
the second Opium War (1856–60), also known as the Arrow War or the Anglo-French War in China, was fought by Britain and France against China. 
In each case the foreign powers were victorious and gained commercial privileges and legal and territorial concessions in China. The conflicts marked the start of the era of unequal treaties and other inroads on Qing sovereignty that helped weaken and ultimately topple the dynasty in favour of republican China in the early 20th century.
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা । 
১৫.
কোন রোমান সম্রাট খ্রিস্ট ধর্মকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দান করেন?
  1. ক) মার্কাস ওরেলস
  2. খ) অগাষ্টাস সিজার
  3. গ) কনষ্টানটাইন
  4. ঘ) জুলিওক্লাওডিয়ান
সঠিক উত্তর:
গ) কনষ্টানটাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কনষ্টানটাইন
ব্যাখ্যা
রোমীয় ধর্মে গ্রীকদের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। 
রোমে বহু ধর্ম মন্দির নির্মিত হয়েছিল। 
রোমবাসীদের প্রধান দেবতার নাম জুপিটার। 
নেপচুন, ভেনাস, মিনার্ভা তাদের অন্যতম দেব-দেবী ছিল। 
অগাষ্টাস সিজারের সময়কাল থেকে সম্রাটদের ঈশ্বর বলে পূজা করা হত। 
শেষের দিকে রোমে খ্রিস্ট ধর্ম প্রসার লাভ করে। 
খ্রিস্টধর্ম সম্রাট পূজা সমর্থন করে না। ফলে প্রথম দিকে রোমান শাসকেরা খ্রিস্ট ধর্মের বিরোধী ছিল। 
দরিদ্র কৃষক, কারিগর ও দাসগণ খ্রিস্টধর্মকে জীবন ধারণের এক অবলম্বন মনে করে এবং রোম সাম্রাজ্যে খ্রিস্টধর্মের প্রসার লাভ করে। 
সমাজে বিশৃঙ্খলা নিরসনের জন্যে অবশেষে সম্রাট কনষ্টানটাইন খ্রিস্ট ধর্মকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দান করেন।

উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬.
সম্প্রতি এশিয়ার কোন দেশটির গণআন্দোলন 'বসন্ত বিপ্লব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) তাজিকিস্তান
  4. ঘ) উজবেকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালের ২ মে মিয়ানমার জুড়ে জান্তাবিরোধী হাজারো মানুষের বিক্ষোভ থেকে 'বসন্ত বিপ্লব'-এর ডাক দেয়া হয়।
- ২০২১ তারিখের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত এন.এল.ডির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
- মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সেনাবাহিনী।
- ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১১ সদস্যের State Administration Council (SAC) গঠন করে।
- ১ আগস্ট জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও যুগান্তর রিপোর্ট।
১৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিচের কোন দেশটি মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ক) জাপান
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্ব‍যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। অক্ষশক্তি ও মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

অক্ষশক্তির দেশসমূহ হলো:
- জাপান
- জার্মানি ও
- ইতালি।

মিত্রশক্তির দেশসমূহ হলো:
- যুক্তরাজ্য
- ফ্রান্স
- যুক্তরাষ্ট্র
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া)
- চীন
- পোল্যান্ড প্রভৃতি।

- স্পেন, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান সিটি, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, তুরস্ক প্রভৃতি দেশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষ বা মিত্র শক্তির পক্ষাবলম্বন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিকট জাপানের আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
১৮.
'India Wins Freedom' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) ড. জাকির হোসেন
  2. খ) ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ
  3. গ) মাওলানা আবুল কালাম আাজাদ
  4. ঘ) এপিজে আবদুল কালাম
সঠিক উত্তর:
গ) মাওলানা আবুল কালাম আাজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাওলানা আবুল কালাম আাজাদ
ব্যাখ্যা
'India Wins Freedom' গ্রন্থের রচয়িতা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিখ্যাত নেতা মাওলানা আবুল কালাম আাজাদ
তাঁর প্রকৃত নাম -  Abul Kalam Ghulam Muhiyuddin. 

"His autobiography, India Wins Freedom, was published posthumously in 1959. In 1992, decades after his death, Azad was awarded the Bharat Ratna, India’s highest civilian award."
 
অন্যদিকে,
- ভারতের প্রথম মুসলিম ও তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হলেন ড. জাকির হোসেন। তিনি ১৩ মে ১৯৬৭ থেকে ০৩ মে ১৯৬৯ সময়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।
- এপিজে আবদুল কালাম ভারতের ১১-তম রাষ্ট্রপতি।

সুত্রঃ ব্রিটানিকা, ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট

১৯.
ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্ম কোন কোন সাম্রাজ্যের হাত ধরে মধ্য এশিয়া, চীন ও তিব্বতে বিস্তার লাভ করে?
  1. ক) মৌর্য সাম্রাজ্য
  2. খ) কুষাণ সাম্রাজ্য
  3. গ) গুপ্ত সাম্রাজ্য
  4. ঘ) পুষ্যভূতি সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) কুষাণ সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুষাণ সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
- মৌর্য সাম্রাজ্যের পর কুষাণ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতার উপর সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রভাব বিস্তার করে। 
- এ সময় ইউফ্রেটিস হতে গঙ্গা নদী পর্যন্ত ভূ-ভাগ কুষাণ শাসনাধীন হলে ভারতে এক মিশ্র সভ্যতার উদ্ভব হয়।
- কুষাণ সাম্রাজ্যকে আশ্রয় করে ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্ম মধ্য এশিয়া, চিন ও তিব্বতে বিস্তার লাভ করে। 
- রোম সাম্রাজ্যের সাথে ভারতের বাণিজ্য জলপথে ও স্থলপথে ব্যাপকতা লাভ করে। 
- মোদ্দা কথা হলো, কুষাণ সম্রাটগণ ভারতীয় সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে বহির্দেশে তার প্রচারে ব্রতী হয়েছিলেন। 
- কুষাণ শ্রেষ্ঠ কনিষ্ক কুষাণ সাম্রাজ্যের ভারতীয়করণ সম্পন্ন করেন। 
- তিনি অন্তর্বাণিজ্য ও বহির্বাণিজ্যের বিস্তার ঘটান, প্রসার ঘটান বৌদ্ধধর্মের এবং শিক্ষা, শিল্পকলা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। 
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোন যুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম শান্তিরক্ষী পাঠায়?
  1. ক) উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. খ) ইরান-ইরাক যুদ্ধ
  3. গ) দ্বিতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধ
  4. ঘ) আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান-ইরাক যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরান-ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ইরান-ইরাক যুদ্ধ (Iran Iraq War)
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত।
ফলাফল জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন “শাত-ইল-আরব” জলপথের নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের তেল সমৃদ্ধ সীমান্তবর্তী অঞ্চল “কোহেস্তান” (Khuzestān) দখলের জন্য ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে ইরান আক্রমণ করেন।
দীর্ঘ ৮ বছর যুদ্ধ চলার পর ১৯৮৮ সালের ২০ জুলাই জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ। ১৯৮৮ সালের ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় জাতিসংঘের গঠিত শান্তিরক্ষা মিশন এর নাম United Nations Iran Iraq Military Observer Group (UNIIMOG)।
 এই মিশনে বাংলাদেশ প্রথম শান্তিরক্ষী পাঠায়।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
২১.
মিশরীয় সভ্যতার সময়কাল কত?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২০৯০ পর্যন্ত
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০৯০ পর্যন্ত
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২০৯০ পর্যন্ত
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০৯০ পর্যন্ত।
সঠিক উত্তর:
খ) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০৯০ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০৯০ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
- মিসরের নীল নদের অববাহিকায় পৃথিবীর প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার উম্মেষ ঘটে। 
- মিসরীয় সভ্যতার মত আর কোন সভ্যতা মানব জাতির ক্রম বিবর্তন, উন্নতি ও উৎকর্ষতায় এতবড় অবদান রাখতে পারে
নেই। 
- প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০৯০ পর্যন্ত বিস্তৃত। 
 
উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২.
'ডিউটোরোনোমিক কোড' কোন সভ্যতার পরিচায়ক?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) গ্রীক সভ্যতা
  3. গ) মিসরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) হিব্রু সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিব্রু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিব্রু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল। 
- হিব্রুরাই ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং ইসরাইলী জাতি হিসেবে সমধিক পরিচিত। 
- ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে সব মানবগোষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে-তারাই হিব্রু জনগোষ্ঠী।
- হিব্রু শব্দের অর্থ ‘বিদেশী' (Alien) থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়। 
- মিসরীয় ও ব্যাবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত হয়েছিল হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই 
- হিব্রুদেরও আইন তৈরীতে এ্যামোরাইটদের ন্যায় যথেষ্ট অবদান আছে। 
- তবে তাদের আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত। 
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা ‘ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল। 
- এই কোড হাম্মুরাবীর আইনের চেয়ে অনেকটা পরিশুদ্ধ বলে মনে করা হয়। 
- তাদের প্রণীত অনুশাসনে গরীব দুঃখীদের স্বার্থরক্ষা, মানবতা, সুক্ষ্ম বিচার, সুদ গ্রহণে শাস্তির ব্যবস্থা এবং দাসদের মুক্তির যথাযথ ব্যবস্থার উল্লেখ রয়েছে। 
- ঐতিহাসিকদের মতে এই আইনের প্রয়োগের ফলে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা মজবুত হয়।
 
 উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট কোন যুদ্ধ অবসানে ভূমিকা রাখায় নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) প্রথম চীন - জাপান যুদ্ধ
  2. খ) প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ
  3. গ) রাশিয়া - জাপান যুদ্ধ
  4. ঘ) দ্বিতীয় চীন - জাপান যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া - জাপান যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া - জাপান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া - জাপান যুদ্ধ (Russo - Japanese War)
রাশিয়ান সাম্রাজ্য ও জাপান সাম্রাজ্যের মধ্য গত শতাব্দীর শুরুতেই এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে। এই কারনে অনেক গবেষক ঐতিহাসিক এই যুদ্ধটিকে 'World War Zero' নামে অভিহিত করে থাকেন।

যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকালঃ ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৪ - ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫ সাল পর্যন্ত। -
যুদ্ধ সংঘটনের স্থান - উত্তর পূর্ব চীনের মাঞ্চুরিয়া, কোরিয়া উপদ্বীপ, পূর্ব চীন সাগর ইত্যাদি।
যুদ্ধের ফলাফল: জাপান বিজয়ী।
চীনে অবস্থিত রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ‘পোর্ট আর্থার' থাকা সত্ত্বেও রাশিয়ার সম্রাট দ্বিতীয় নিকোলাস আরো নিরাপদ পোর্ট সন্ধান করতে থাকে। 
এতে জাপান এই অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এই শঙ্কা থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৪ সালে পোর্ট আর্থারে হামলা চালায় এবং যুদ্ধ শুরু হয়।
২৭ মে, ১৯০৫ সালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে রাশিয়া পরাজয় স্বীকার করে। এর ফলে রাশিয়া পোর্ট আর্থারের নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং শাখালিন দ্বীপের অর্ধাংশ জাপানকে হস্তান্তর করে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থিউডর রুজভেল্টের মধ্যস্থতায় ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে Treaty of Portsmouth স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়। 
থিওডর রুজভেল্ট তার ভূমিকার জন্য ১৯০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
২৪.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে বিজয়ী হয় -
  1. ক) ইব্রাহিম লোদী
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
  4. ঘ) আহমদ শাহ দুররানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহমদ শাহ দুররানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহমদ শাহ দুররানি
ব্যাখ্যা
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (Third Battle of Panipat):
যুদ্ধ সংঘটনকাল ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ। 

যুদ্ধের পক্ষসমূহ:
আফগান সুলতান আহমদ শাহ দুররানির নেতৃত্বে আফগান বাহিনী ও সাদাশিব রাওয়ের নেতৃত্বে মারাঠা বাহিনী।
ফলাফল:  আহমদ শাহ দুররানি বিজয়ী।

যুদ্ধে মারাঠা সৈন্য সংখ্যা ছিলো প্রায় ৮০ হাজার। অন্যদিকে, দুররানির সৈন্য সংখ্যা ছিলো ৬০-৭০ হাজার। মারাঠাদের প্রায় ৪০ হাজার সৈন্য হতাহত হয় এবং প্রায় ৩০ হাজার বন্দী হয়। অন্যদিকে, দুররানির বাহিনীর ৫ হাজারের মতো সৈন্য হতাহত হয়েছিলো।

এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে মারাঠা সাম্রাজ্যে ভাঙ্গন ধরে এবং উত্তর পশ্চিম ভারতে প্রায় ৪০ বছরের মতো বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান ছিলো। এই সুযোগে ব্রিটিশরা এসকল অঞ্চলে প্রভাব বৃদ্ধি করে।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
২৫.
নিচের কোন জোড়াটি ভুল?
  1. ক) কলোসিয়াম - ইতালি
  2. খ) মাচু পিচু - পেরু
  3. গ) চিচেন ইৎজা - ব্রাজিল
  4. ঘ) পেট্রা - জর্ডান
সঠিক উত্তর:
গ) চিচেন ইৎজা - ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিচেন ইৎজা - ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
- কলোসিয়াম ইতালিতে অবস্থিত। 
- মাচু পিচু পেরুতে অবস্থিত। 
- চিচেন ইৎজা মেক্সিকোতে অবস্থিত। 
- পেট্রা জর্দানে অবস্থিত। 
২৬.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর নির্দেশে জাপানে আণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়?
  1. ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. খ) ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  3. গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ঘ) লিন্ডন বি জনসন
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
- ২য় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়ে পশ্চিমে জার্মানদের সাথে তাল মিলিয়ে এশিয়ার রণাঙ্গণে একাই লড়ে যাচ্ছিল জাপানি রাজকীয় বাহিনীর দুর্ধর্ষ সৈন্যরা। 
- এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবারে হামলার জন্য মিত্রবাহিনীর অন্যতম অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের চরম ক্ষোভ ছিল জাপানের ওপর। 
- কিন্তু যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যে এতটা নির্মম ও জঘন্য হবে তা কেউ চিন্তা করতে পারেনি।
-  মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনার নজির স্থাপন করে ৬ ও ৯ আগস্ট যথাক্রমে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা হয় লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামের দুটি ধ্বংসাত্মক আনবিক বোমা। 
- ৬ আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হিরোশিমায় প্রথম বোমাটি নিক্ষেপ করা হলে তাৎক্ষণিক প্রাণ যায় ১ লাখ বিশ হাজার মানুষের। আর তার দ্বিগুণ মানুষ মারা যায় এর একটু পরে। 
- স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান আনবিক বোমা নিক্ষেপের এ পাশবিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। 
- এনোলা গে নামের বিমানটি থেকে যখন হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিক্ষেপ করা হয় তখন থমকে গিয়েছে বিশ্ব মানবতা এর ধ্বংসযজ্ঞ দেখে। 
- অন্তত পরপর দুটি আঘাত সইতে না পেরেই জাপানিরা ১৫ আগস্ট এসে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। 
- ১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলেও জাপানে সম্রাট হিরোহিতোর বাহিনী ছিল নাছোড়বান্দা। 
- তারা সমান তালে লড়ে যাচ্ছিল মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে, কিন্তু তাদের দুটি সমৃদ্ধ শহরের এমন করুণ পরিণতি তাদের থমকে দেয় সেখানেই; জাপানিরাও বাধ্য হয় আত্মসমর্পণে।
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা । 
২৭.
"বৃহৎ মিলনায়তন" - কোন সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) সিন্ধু সভ্যতা
  3. গ) গ্রীক সভ্যতা
  4. ঘ) মায়া সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল।
- পাথরে খােদিত ভাস্কর্যের সংখ্যা কম হলেও সেগুলাের শৈল্পিক কারিগরি দক্ষতা ছিল উল্লেখ করার মতাে।
- এ যুগে মােট ১৩টি ভাস্কর্য মূর্তি পাওয়া গেছে।
- চুনাপাথরের তৈরি একটি মূর্তির মাথা পাওয়া গেছে। মহেঞ্জোদারােতে পাওয়া গেছে নৃত্যরত একটি নারী মূর্তি।
- এছাড়া মাটির তৈরি ছােট ছােট মানুষ আর পশু মূর্তিও পাওয়া গেছে।
- হরপ্পা মহেঞ্জোদারােতে প্রাপ্ত উল্লেখযােগ্য শিল্পকর্ম হলাে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল। ধর্মীয় ও ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রয়ােজনে এগুলাে ব্যবহৃত হতাে। তবে সিলগুলাের লেখা এখনও পড়ে তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি।
- এ থেকে ধারণা করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা লেখা পড়া জানতাে।

এছাড়াও,
- সিন্ধুসভ্যতা যুগের অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে।
- সেখানে দুই কক্ষ থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই-তিন তলা ঘরের অস্তিত্ব আবিষ্কার হয়েছে।
- বৃহৎ মিলনায়তন, বৃহৎ শস্যাগার, বৃহৎ স্নানাগার - ইত্যাদি সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
কোন জাতি 'ব্যাবিলনীয় সভ্যতা' গড়ে তোলে?
  1. ক) সুমেরীয়
  2. খ) সেমিটিক
  3. গ) অ্যাসিরীয়
  4. ঘ) ক্যালডীয়
সঠিক উত্তর:
খ) সেমিটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেমিটিক
ব্যাখ্যা
- মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে গড়ে ওঠা সভ্যতা- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার জনক ছিলো সেমিটিক জাতি
- এ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে সেমিটিক জাতির অবদান সর্বাধিক। প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তুপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা আরব মরুভূমির উত্তরাঞ্চল থেকে মেসোপটেমিয়ায় এসে ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনে সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতাকে প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বলা হয়। 
 
 উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৯.
চতুর্থ আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Gulf War
  2. খ) Arab Revolt in Palestine
  3. গ) Yom Kippur War
  4. ঘ) Six-Day War
সঠিক উত্তর:
গ) Yom Kippur War
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Yom Kippur War
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ (Yom Kippur War)
যুদ্ধ সংঘটন কাল: ৬ অক্টোবর ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সাল। 
এই যুদ্ধকে চতুর্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ বলা হয়। 
এই যুদ্ধ "Yom Kippur War" নামে পরিচিত। 
প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষসমূহ – ইসরায়েল এবং মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বে আরও কয়েকটি আরব দেশ।
ফলাফল – ইসরায়েল বিজয়ী।  এই যুদ্ধে দখলকৃত অঞ্চল মিলিয়ে ইসরায়েলের আয়তন আগের তুলনায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পায়।

মিশর ও সিরিয়া ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে তাদের হারানো অঞ্চল ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে ৬ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে দুই দিক থেকে ইসরায়েল আক্রমণ করে। 
মিশর সিনাই উপদ্বীপে ও সিরিয়া গোলান মালভূমি অঞ্চলে প্রায় একই সময়ে ইহুদীদের সবচেয়ে পবিত্র রাতে (Yom Kippur)
অতর্কিত হামলা শুরু করে।
প্রথম দিকে ইসরায়েল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হলেও পরে ইসরায়েল ঘুরে দাঁড়ায়। পাল্টা আক্রমণ করে ইসরায়েলি বাহিনী এরিয়েল শেরনের নেতৃত্ব কায়রো ও দামেস্কের কাছাকাছি পর্যন্ত চলে আসে। সৌদি আরব, জর্ডান, ইরাক প্রভৃতি রাষ্ট্র সিরিয়া ও মিশরের সাহায্যে সৈন্য প্রেরণ করে।

আরব রাষ্ট্রগুলো এই যুদ্ধের সময় ‘তেল অস্ত্র’ প্রয়োগ করে। তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলো একই সাথে ৫% তেল উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ইসরায়েল গোলান মালভূমির আরও বেশ
কিছু অঞ্চল নিজেদের দখলে নেয়।
১৯৭৮ সালে ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সাথে মিশরের ৩০ বছর ধরে চলা যুদ্ধাবস্থার অবসান হয়।
এর ফলে প্রথম আরব দেশ হিসাবে মিশর ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিনিময়ে সিনাই উপদ্বীপের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৩০.
‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন−
  1. ক) আলেকজান্ডারের প্রেরিত দূত
  2. খ) আলেকজান্ডারের প্রধান সেনাপতি
  3. গ) সেলুকাসের প্রেরিত দূত
  4. ঘ) সেলুকাসের প্রধান সেনাপতি
সঠিক উত্তর:
গ) সেলুকাসের প্রেরিত দূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেলুকাসের প্রেরিত দূত
ব্যাখ্যা
- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস। 
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস। 
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
সোভিয়েত ইউনিয়ন এর বিলুপ্তি ঘটে -
  1. ক) ১৯৯২ সালের ৯ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯৯১ সালের ১৯ ডিসেম্বর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
On December 25, Gorbachev resigned as leader of the USSR. The Soviet Union ceased to exist on December 31, 1991.

- ইতিহাসের পাতায় ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর দিনটি স্মরণীয় হয়ে আছে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির দিন হিসেবে। 
- এদিন পুরো বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক নিমিষে বদলে গিয়েছিল মনে করা হয়। 
- বিশেষত, বিশ্বের রাজনৈতিক ভারসাম্যে একটি বদল লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটে। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন নিছক কোনো রাষ্ট্রজোটের পতন নয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সাত দশকের প্রতাপশালী একটি এক পরাশক্তির পতন ঘটেছিল।

- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্বে প্রায় ১৫ টি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটতে দেখা যায়।
- এরপর বিশ্বের উদীয়মান রাষ্ট্রগুলোকে সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধে লিপ্ত হয় আমেরিকা। 
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ লক্ষ করা যায়।
 
উৎস: History.com & আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।