পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫০
সিলেবাস
৪৬তম বিসিএস প্রস্তুতি ⎯ ২০০ মার্কের স্পেশাল বোনাস ফুল মডেল টেস্ট।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫০ প্রশ্ন

.
বলশেভিক বিপ্লব-এর পূর্বে রাশিয়ার রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. সেন্ট পিটার্সবার্গ
  2. কিয়েভ
  3. পেট্রোগ্রাড
  4. মস্কো
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। 
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লববলশেভিক বিপ্লব। 
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
 
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
 
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
-  ভি. আই. লেনিনের নেতৃত্বে ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে পেট্রোগ্রাডের অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে রাশিয়ান সোভিয়েত ফেডারেটিভ সোসালিস্টিক রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এ বিপ্লবের স্থায়ীত্বকাল ছিল ১০ দিন। 
- এ বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসের পতন ঘটে এবং জারতন্ত্রের অবসান হয়।
- এর ফলে ২২ মার্চ, ১৯১৮ সালে রাজধানী পেট্রোগ্রাড থেকে মস্কোয় স্থানান্তর করা হয়।
 
উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
.
নর্ডস্ট্রিম (Nord Stream) গ্যাস পাইপলাইনটি কোন সাগরের নিচে দিয়ে গেছে?
  1. বাল্টিক সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. কাম্পিয়ান সাগর
  4. ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
• নর্ড স্ট্রিম (Nord Stream) পাইপ লাইন: 
 - রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম। 
- এই পাইপ লাইনের মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

- রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছ থেকে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে এটি গিয়ে পৌঁছেছে উত্তর-পূর্ব জার্মানিতে।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়। এর মাধ্যমে রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।
 
উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট ও Nord Stream ওয়েবসাইট।
.
কোন দেশটি বিশ্বের সুগার বো'ওল (Sugar Bowl) হিসেবে পরিচিত?
  1. ইউক্রেন
  2. ব্রাজিল
  3. রাশিয়া
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
Sugar Bowl Country:
- সুগার বো'ওল শব্দটি বিশ্বের উচ্চ চিনি উৎপাদন অঞ্চলকে বোঝাতে ব্যবহার হয়। বাংলায় বলা হয় - চিনির আধার।
- কিউবায় প্রচুর পরিমাণে চিনি উৎপাদিত হওয়ার কারণে বিশ্বের সুগার বো'ওল হিসাবে খেতাব অর্জন করে।
- পৃথিবীর চিনির আধার হিসাবে পরিচিত ⎯ কিউবা।

- কিন্তু অনেক চ্যালেঞ্জের কারণে কিউবায় উৎপাদিত চিনির পরিমাণ কমে যায়, যার ফলে ব্রাজিলও Sugar Bowl হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৫১৬ সালে ব্রাজিলে আখ প্রথম রোপণ করা হয়েছিল।
- পর্তুগিজরা তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত উভয় কারণেই আখ চাষে বিনিয়োগ করেছিল।

অপশনে কিউবা থাকলে এটিই উত্তর হতো।
যেহেতু কিউবা অপশনে নেই, তাই এখানে সঠিক উত্তর ⎯ ব্রাজিল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস [link]
.
কোন সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের জন্য Loss and Damage Fund গঠন করা হয়?
  1. COP 27
  2. COP 26
  3. COP 25
  4. COP 22
ব্যাখ্যা
• কপ - ২৭ ও 'Loss and Damage' ফান্ড:
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর প্রথম সম্মেলন হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরি - তে।

- পরবর্তীতে, ৬ - ১৮ নভেম্বর, ২০২২ সালে মিশরের শার্ম আল-শেখে এই কনভেনশনের ২৭তম সম্মেলন (COP-27) অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে ‘Loss and Damage Fund' গঠন করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যে ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা মোকাবেলার জন্য এই ফান্ড তৈরি করা হয়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলের যে মানুষেরা উদ্বাস্তু হচ্ছেন বা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন ⎯ তাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনে এই তহবিল কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- COP-29, ২০২৪ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে।
- COP-30, ২০২৫ সালে ব্রাজিলের আমাজনিয়ান শহর - বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
কোন চুক্তিতে International Emissions Trading অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ভূমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তন রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- কিয়োটো প্রোটোকল চুক্তিতে International Emissions Trading অনুমোদন দেয়া হয়।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম স্বাক্ষরিত হয় হয় ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদন করে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর।
- কিয়োটো প্রোটোকলের লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা।
 
উৎস: UNFCCC & Kyoto Protocol অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
.
বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. কলকাতা
  4. দিল্লী
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক মিশন:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।
 
উল্লেখ্য,
- বিদেশের মাটিতে এভাবেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তেলন করা হয়।
- এরপর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় তৃতীয় সচিব কাজী নজরুল ইসলাম, সহকারি প্রেন এটাচে মাকসুদ আলী এবং প্রথম সচিব রফিকুল ইসলাম চৌধুরী পাকিস্তানের চাকড়ি প্রত্যাহার করে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেন।
 
উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
CEDAW-এর বিষয়বস্তুর সাথে কারা সম্পর্কিত?
  1. নারী
  2. শিশু
  3. জলবায়ু
  4. কৃষি
ব্যাখ্যা
 CEDAW:
- পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women.
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW গ্রহণ করে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- এটি কার্যকর হয় ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১ সালে।
- CEDAW সনদে পরিচ্ছদ আছে-৬ টি, ধারা আছে- ৩০ টি।
 
ধারাগুলো ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা: 
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।
 
বিশেষ তথ্য:
- ১ম স্বাক্ষরকারী দেশ- সুইডেন।
- কমিটির প্রথম বাংলাদেশী সদস্য- সালমা খান।
- বাংলাদেশ (CEDAW) অনুমোদন করে- ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
- ২০১১ সালে এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন গ্রুপের অন্যতম সদস্য হয়। 
 
সূত্র: CEDAW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
নিম্নে উল্লিখিতদের মধ্যে কারা শরণার্থী নয়?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী
  2. তুরস্কে অবস্থিত সিরিয় জনগোষ্ঠী
  3. পোল্যান্ডে অবস্থিত ইউক্রেনীয় জনগোষ্ঠী
  4. পাকিস্তানে অবস্থিত আফগান জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
শরণার্থী:
- উদ্বাস্তু বা শরণার্থী হল এমন একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যারা নিপীড়ন, যুদ্ধ বা সহিংসতার কারণে তার দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
- যুদ্ধ এবং জাতিগত, উপজাতি এবং ধর্মীয় সহিংসতা শরণার্থীদের তাদের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ।
- সমস্ত শরণার্থী এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজন এমন অন্যান্য লোকের ৫২% তিনটি দেশ থেকে আসে - তা হলো: সিরিয়া , ইউক্রেন এবং আফগানিস্তান ।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গা ‘শরণার্থী’ নয় বরং তারা “বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক”।
- তাই প্রদও অপশনের 'বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী' সঠিক উত্তর হিসেবে অধিক গ্রহনযোগ্য।

উৎস: unrefugees.org এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
.
ওসরোইন (Osroene) রাজ্য (খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতাব্দী- খ্রিস্টাব্দ ৩য় শতাব্দী) অন্য যে নামে পরিচিত-
  1. মেসোপটেমিয়া রাজ্য
  2. মেসিডোনিয়া রাজ্য
  3. আবগারিদ রাজ্য
  4. এডেসা রাজ্য
ব্যাখ্যা
ওসরোইন:
- ওসরোইন (Osroene) ছিল উচ্চ মেসোপটেমিয়ার একটি প্রাচীন অঞ্চল।
- এটি "এডেসার রাজ্য" নামেও পরিচিত ছিল।
- ওসরোইন রাজ্যের রাজধানীর নাম অনুসারে (বর্তমানে তুরস্কের সানলিউরফা) শহরটির নামকরন করা হয়েছে।
- খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতাব্দী থেকে এই শহর বিদ্যমান রয়েছে।
 - Osroene রাজ্য ১৩২  খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২১৪  খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং কিছু ক্ষেত্রে আধা-স্বায়ত্তশাসন চালু ছিল।

উৎস: dbpedia.org.[Link]
১০.
দোহ্য চুক্তি ২০২০ হলো-
  1. কাতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি
  2. সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের মধ্যে শান্তি চুক্তি
  3. ইসরাইল এবং বাহরাইন এর মধ্যে শান্তি চুক্তি
  4. আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবান-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি
ব্যাখ্যা
দোহ্য চুক্তি:
- আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি।
- এটি দোহা চুক্তি নামে ও পরিচিত।
- এই চুক্তি ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে কাতারের দোহাতে স্বাক্ষরিত হয়।
- দোহা চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ করবে এবং ভবিষ্যত সরকারের সাথে তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে, নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ তুলে নেবে এবং সহযোগিতা করবে।

উৎস: state.gov & voanews.[link]
১১.
The Indian Ocean Rim Association (IORA) প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
IORA:
- ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় দেশগুলোর সহযোগিতা সংস্থা Indian Ocean Rim Association (IORA)।
- ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন একটি আন্ত-সরকারী সংস্থা।
- এটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় দেশগুলোর সহযোগিতা সংস্থা ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ)।
- সদস্য রাষ্ট্র ২৩টি দেশ।
 
সূত্র: IORA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২.
অক্টোবর ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ সিআইসিএ (CICA) সামিট-এ কোন্ দেশকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. আরব আমিরাত (UAE)
  2. কুয়েত
  3. আফগানিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
CICA:
- কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ) এশিয়ায় শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য একটি বহু-জাতীয় ফোরাম।
- কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি নুরসুলতান নাজারবায়েভ, ৫ অক্টোবর ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৭ তম অধিবেশনে সিআইসিএ আহ্বানের প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন।
- CICA প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত ৪ জুন ২০০২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- সদস্য দেশ -২৮টি।
- ৬ষ্ঠ সিআইসিএ (CICA) সম্মেলনে কুয়েতকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও,
- কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে ষষ্ঠ সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলন ১২-১৩ অক্টোবর ২০২২ সালে আস্তানায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর মধ্যে ১৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রধান, পর্যবেক্ষক এবং অংশীদার সংস্থাগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- সিআইসিএ-কে ধীরে ধীরে, ক্রমবর্ধমান এবং ঐকমত্য-ভিত্তিক রূপান্তরের জন্য কাঠামোগত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া কৌশলগত দিক গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: s-cica.org.[Link]
১৩.
শারম-আল-শেখ নিম্নের কোন দুটি জায়গার মধ্যে অবস্থিত?
  1. সিনাই উপদ্বীপের মরুভূমি এবং লোহিত সাগরের মধ্যে
  2. ইসরাইল ও পূর্ব গাজা উপত্যকা-এর মধ্যে
  3. সিরিয়া এবং সুদান এর মধ্যে
  4. লিবিয়া এবং ইসরাইলের মধ্যে
ব্যাখ্যা
শারম-আল-শেখ:
- সিনাই উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি শারম এল-শায়েখ, সলোমনের বে নামেও পরিচিত।
- এটি ১৯৬৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলিদের দখলে ছিল।
- প্রবেশদ্বারটি তিরান প্রণালীতে শারম আল-শেখ উপসাগরের ১৪  মাইল (২৩ কিমি) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- ক্যাম্প ডেভিড অ্যাকর্ডস শান্তি চুক্তির পরিপূর্ণতায় ১৯৮০ এর দশকের ইসরায়েলি বাহিনীকে সিনাই উপদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
১৪.
জলবায়ুর জন্য কৃষি উদ্ভাবন মিশন (The Agriculture Innovation Mission for Climate) যৌথ উদ্যোগটি নিম্নের কোন দুটি দেশ/সংস্থার মাধ্যমে হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং আরব আমিরাত
  2. যুক্তরাজ্য এবং সৌদি আরব
  3. ইফাদ (IFAD) এবং ফাও (FAO)
  4. বিশ্ব ব্যাংক (World Bank) এবং ফাও (FAO)
ব্যাখ্যা
The Agriculture Innovation Mission for Climate:
- AIM4C  হলো পাঁচ বছরে (২০২১-২০২৫) সময়ের জন্য জলবায়ু, স্মার্ট কৃষি এবং খাদ্য ব্যবস্থা উদ্ভাবনের জন্য বিনিয়োগ এবং অন্যান্য সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে অংশীদারদের একত্রিত করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা মোকাবেলা করতে চাওয়া।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২১ সালের নভেম্বরে AIM4C চালু করেছে।
- AIM4C জলবায়ু-স্মার্ট এগ্রিকালচার এবং ফুড সিস্টেম উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সমর্থন কাজ করে থাকে।
- AIM4C উদ্যোগে বিনিয়োগগুলো বিশ্বব্যাপী ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের I2U2 বিজনেস ফোরামের সেক্রেটারি অফ স্টেট জোসে ডব্লিউ ফার্নান্দেজ জানিয়েছেন ভারত সরকারের কৃষি উদ্ভাবন মিশনে যোগদানের কথা।

উৎস: state.gov.l[ink]
১৫.
কোন দেশ Vulnarable Group 20 (V-20)-এর সদস্য নয়?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. ভুটান
  4. পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 (V-20):
- Vulnerable 20 (V-20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- ২০১৫ সালে ফিলিপাইনের সভাপতিত্বে একটি ফোরামে বিশটি সদস্য দেশ ফোরামের অফিসিয়াল ব্লক, 'V20' বা 'ভালনারেবল টোয়েন্টি' চালু করেছিল, যা সারা বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশ নিয়ে গঠিত যারা বিপর্যয়ের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
- ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ গ্রুপটির সভাপতির হিসাবে রয়েছেন। 
- ইতোমধ্যে এর সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ করা হয়েছে।
- ভারত Vulnarable Group 20 (V-20)-এর সদস্য নয়।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত। 
 
উৎস: Vulnerable 20 এর ওয়েবসাইট। [link]
১৬.
ভৌগোলিকভাবে নিম্নের কোন কোন দেশ Double Land Locked?
  1. নেপাল
  2. উজবেকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):
- যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর/মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়।
- সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ - কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ - ভ্যাটিকান সিটি ও নবীনতম দেশ - দক্ষিণ সুদান।

Double Land Locked Countries:
অন্য স্থলবেষ্টিত দেশ দ্বারা বেষ্টিত দেশকে ডাবল স্থলবেষ্টিত দেশ বা Double Land Locked Countries বলা হয়।
- এরকম দেশের সংখ্যা দুইটি। যথা - উজবেকিস্তান ও লিচেনস্টেইন।
 
সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৭.
১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সালকে বলা হয় -
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসন
  2. বৃটিশ সরকারি শাসন
  3. মোগল শাসন
  4. নবাবী শাসন
ব্যাখ্যা
বৃটিশ সরকারি শাসন:
- ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সালকে বলা হয় - বৃটিশ সরকারি শাসন।
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাস বলতে ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী ব্রিটিশ শাসনের সময়কালকে বোঝায়। এই শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ব্রিটিশ রাজ বা রাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল তুলনামূলকভাবে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃত?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  4. মধ্যবর্তী অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিবহুল অঞ্চল:
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
- সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায়
- বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর- পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
নিম্নের কোন বিষয়টি ভূ-রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব
  2. সমস্থিতি তত্ত্ব
  3. হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
  4. ক্ষয়চক্র তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
হার্টল্যান্ড তত্ত্ব:
- স্যার হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার ছিলেন একজন ব্রিটিশ ভূগোলবিদ যিনি ১৯০৪ সালে "ইতিহাসের ভৌগলিক পিভট" নামে একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন। ম্যাকিন্ডারের গবেষণাপত্রটি পরামর্শ দিয়েছে যে পূর্ব ইউরোপের নিয়ন্ত্রণ বিশ্বের নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যাবশ্যক ছিল।
- ম্যাকিন্ডার যা অনুমান করেছিলেন, তা হার্টল্যান্ড তত্ত্ব হিসাবে পরিচিত হয়েছিল:
- পূর্ব ইউরোপ কে শাসন করে হার্টল্যান্ডকে নির্দেশ করে,
- হার্টল্যান্ড কে শাসন করে বিশ্ব দ্বীপকে,
- বিশ্ব দ্বীপ কে শাসন করে বিশ্বকে,
- তিনি সমগ্র ইউরোপ এবং এশিয়াকে বিশ্ব দ্বীপ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২০.
নিম্নের কোন জেলায় চুনাপাথরের মজুদ রয়েছে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. জয়পুরহাট
  3. খুলনা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
চুনাপাথর:
- ১৯৬১ সালে গন্ডোয়ানা কোল অনুসন্ধানের সময় জয়পুরহাটে চুনাপাথরের খনির অনুসন্ধান মেলে।
- দেশের খনিজ সম্পদের জরিপকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ৬০ বছর আগে খোঁজ পাওয়া সেই খনির চুনাপাথর অত্যন্ত উঁচুমানের।
- আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখান থেকে চুনাপাথর উত্তোলন সম্ভব।
- ভারতসহ অনেক দেশই বাংলাদেশের চেয়ে অনেক গভীরের খনি থেকে চুনাপাথর তুলছে। কিন্তু অর্থায়নের উৎস না পাওয়ার পাশাপাশি তাপমাত্রা ও ভূগর্ভস্থ পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জের কারণে খনি থেকে চুনাপাথর উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।
- তথ্য অনুযায়ী, জয়পুরহাটের খনিতে ৫১৮ থেকে ৫৪৯ মিটার গভীরতায় ১৫ মিটার গড় পুরুত্বের চুনাপাথর মজুদ আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১.
ভারতের কোন রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?
  1. কেরালা
  2. মেঘালয়
  3. বিহার
  4. ওডিসা
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
– ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
নিম্নের কোনটি কৃত্রিম হৃদ নয়?
  1. কাপ্তাই লেক
  2. বগা লেক
  3. হাতির ঝিল লেক
  4. ফয়েজ লেক
ব্যাখ্যা
হৃদ:
- কাপ্তাই লেক, হাতির ঝিল লেক, ফয়েজ লেক এগুলো কৃত্রিম হৃদ। 
- বগা লেক (Boga Lake) যা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৭০০ ফুট উঁচু পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট একটি লেক।
- ভূ-তত্ত্ববিদগণের মতে প্রায় দুই হাজার বছর আগে প্রাকৃতিক ভাবে পাহাড়ের চূড়ায় এই লেক তৈরি হয়।
- মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ কিংবা মহাশূন্য থেকে উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
- কেওকারাডাং এর কোল ঘেঁষে বান্দারবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে এবং রুমা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বগা লেক এর অবস্থান। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩.
নিম্নের কোন ধরনের বনে জোয়ার-ভাটার প্রভাব রয়েছে?
  1. দিনাজপুরের শালবন
  2. মধুপুর গড় এর বনভূমি
  3. বান্দরবানের পাহাড়ী বনভূমি
  4. খুলনার সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ বন হচ্ছে সমুদ্র-উপকূলবর্তী বন, যেখানে জোয়ারের সময় পানি উঠে এবং ভাটার সময় নেমে যায়।
- পৃথিবীব্যাপী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বন দেখা যায়।
- বিশ্বে ১,৮১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ম্যানগ্রোভ বন ছিল; কিন্তু বর্তমানে এ বনের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটারের নিচে নেমে এসেছে।
- এখন পর্যন্ত ১০২টি দেশে এ বনের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও শুধু ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি ম্যানগ্রোভ বন আছে।
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত করে। এটি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবেও মনোনীত হয়।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
২৪.
নিম্নের কোন সংস্থাটি দুর্যোগ ঝুঁকি নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. UNFPA
  2. FAO
  3. UNDRR
  4. UNESCO
ব্যাখ্যা
• UNDRR:
- পূর্ণরুপ - The United Nations Office for Disaster Risk Reduction (UNDRR)
- এটি দুর্যোগ ঝুঁকি নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত।
- UNDRR দুর্যোগ ঝুঁকি কমানোর সক্ষমতা তৈরি করতে সরকার, প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজের সাথে বিশ্বব্যাপী কাজ করে।

তথ্যসূত্র: UNDRR ওয়েবসাইট।
২৫.
ডাউকি চ্যুতি নিম্নের কোন ধরনের দুর্যোগ ঝুঁকির সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বন্যা
  3. ভূমিকম্প
  4. বজ্রপাত
ব্যাখ্যা
ডাউকি চ্যুতি ভূমিকম্পের সাথে সম্পৃক্ত।

• ডাউকি চ্যুতি:
- বাংলাদেশের সিলেট ও ভারতের আসাম মিলিয়ে ডাউকি চ্যুতি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় তিন শ কিলোমিটার বিস্তৃত।
- ১৮৯৭ সালে ‘ডাউকি ফল্টে’ ৮ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল।
- ডাউকি চ্যুতি ছাড়াও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার ভূগর্ভে থাকা একটি চ্যুতিও সক্রিয়।
- বাংলাদেশের মার্টির নিচে চ্যুতি আছে মোট ১৩টি।
- ডাউকি চ্যুতি ছাড়াও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার ভূগর্ভে থাকা একটি চ্যুতিও সক্রিয়। বাংলাদেশের মার্টির নিচে চ্যুতি আছে মোট ১৩টি।
- সাধারণত ভূগর্ভের ৫ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে কোনো ভূমিকম্প হলে তাতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়।
- এ ধরনের কম্পনে কংক্রিটের অবকাঠামোর ক্ষতি বেশি হয়। তবে বাংলাদেশের সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকার ভূমি মূলত নরম মাটির। ফলে সেখানে কম্পন বেশি হলেও তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি কম হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৬.
পাদদেশীয় সমভূমি কী ধরনের বন্যা কবলিত হয়?
  1. জলোচ্ছাস জনিত বন্যা
  2. নদীজ বন্যা
  3. জোয়ার ভাটাজনিত বন্যা
  4. ঝটতি/আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
পাদদেশীয় সমভূমি নদীজ বন্যা কবলিত হয়।

পাদদেশীয় সমভূমি:

- পাহাড়ী নদী দ্বারা পর্বতের ঢাল হতে ক্ষয়প্রাপ্ত নানা আকৃতির প্রস্তর ও শিলাখন্ড, কাঁকর, নুড়ি ও বালুকণা প্রভৃতি পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়। এভাবে নদী দ্বারা অবক্ষেপণের ফলে পর্বতের পাদদেশে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে পাদদেশীয় সমভূমি বলে যেমন- বাংলাদেশের দিনাজপুর এবং রংপুর জেলার অধিকাংশই পাদদেশীয় সমভূমি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছিল?
  1. স্বজাত্য বোধ
  2. দ্বীজাতি তত্ত্ব
  3. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  4. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন-
  1. ডঃ মাকসুদুল আলম
  2. ডঃ মাকসুদুর রহমান
  3. মাকসুদ আলম পাটোয়ারী
  4. মাকসুদ শাহ কোরেশী
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
২৯.
বাংলাদেশের কৃষি এতিহ্য সিস্টেম কোনটি?
  1. জুম চাষ
  2. চা বাগান
  3. ভাসমান চাষ
  4. বরেন্দ্র অঞ্চলের চাষ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ভাসমান চাষ:
- ভাসমান চাষ বাংলাদেশের কৃষি ঐতিহ্য।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশে রয়েছে ৪৫ লাখ হেক্টরের বেশি জলসীমা।
- দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলা বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৬ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে।
- ওই সব এলাকায় ওই সময়ে কচুরিপানা ও অন্যান্য জলজ আগাছায় ঢাকা থাকে।
- দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক নিজেদের প্রয়োজনে নিজেরাই উদ্ভাবন করলেন ভাসমান কৃষি কার্যক্রম।
- সেখানে এখন বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে স্তূপ করে প্রয়োজনীয় মাপের ভেলার মতো বেড তৈরি করে ভাসমান পদ্ধতিতে বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও মসলা উৎপাদন করছেন অনায়াসে।
- বন্যা ও জলাবদ্ধপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন কৌশল হিসেবে ভাসমান সবজি ও মসলা উৎপাদন প্রযুক্তি এবং ক্ষেত্র বিশেষে আপদকালীন আমন ধানের চারা উৎপাদন সম্প্রসারণে নতুন যুগের সূচনা করেছে এবং কৃষি সমৃদ্ধির নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে।
- আস্তে আস্তে জলাবদ্ধ এলাকায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ভাসমান সবজি চাষ বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী চাষপদ্ধতির স্বীকৃতি পেয়েছে।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) থেকে ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই স্বীকৃতিপত্র কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে এসেছে।
- এফএওর কৃষি ঐতিহ্য-বিষয়ক সংস্থা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ঐতিহ্য ব্যবস্থা (জিআইএএইচএস) ২০০৫ সাল থেকে এই স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। 
 
উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
         ii) ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো।
৩০.
ভ্যাট একটি-
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরিপূরক কর
  3. উন্নয়ন কর
  4. পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
 
উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩১.
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. স্বতন্ত্র মুদা ব্যবস্থা
  4. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।
 
দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' বিচার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
 
 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩২.
'খেলাঘর' আসলে কী?
  1. শিশু সংগঠন
  2. সাংস্কৃতিক সংগঠন
  3. ক্রীড়া সংগঠন
  4. সামাজিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
খেলাঘর:
- খেলাঘর একটি শিশু সংগঠন।
- শিশুকিশোরদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্য খেলাঘর কাজ করে।
- অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিকবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা সংগঠনটির মূল লক্ষ্য।
- খেলাঘরের জন্ম ১৯৫২ সালের ২ মে।
- এই দিন দৈনিক সংবাদ-এর সাপ্তাহিক শিশু সাহিত্যপাতা খেলাঘর আত্মপ্রকাশ করে।
- কবি হাবিবুর রহমান ছিলেন খেলাঘরের ‘ভাইয়া’।
- পুরনো ঢাকার জেলখানা রোডে দীন মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বে প্রথম শাখা আসর গঠিত হয় ‘আমাদের খেলাঘর’ নামে।
- বর্তমানে সারাদেশে খেলাঘরের পাঁচশতাধিক শাখা আসর রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান কত শতাংশ লোক শহরে বাস করে?
  1. ৪০.০০
  2. ৩৬.৩০
  3. ২৮.৫৮
  4. ৩১.৫১
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
 
উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৫১%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৪৯%) থাকে গ্রামে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।  
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।  
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।
 
উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩৪.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.০৪ শতাংশ
  2. ১.২২ শতাংশ
  3. ১.৫০ শতাংশ
  4. ১.৪৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.২২%।
- কিন্তু চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।

জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
 
উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
 
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৩৫.
বাংলাদেশের প্রায় কত শতাংশ জনগোষ্ঠী বর্তমানে সরকারের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেয়ে থাকেন?
  1. ৩০%
  2. ৪২%
  3. ২৫%
  4. ৩৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি:
- সামাজিক নিরাপত্তা হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন কর্মসূচি এবং আইনগত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের মানুষের মধ্যে পরস্পর সহাবস্থান এবং সম্পৃক্তির একটি সুষম পরিবেশ তৈরি করে।
- এর উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ও সামাজিক-অর্থনৈতিক দুর্যোগের ফলে মানুষের মধ্যে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা মোকাবেলা, বিভিন্ন আইনি সহায়তা এবং অসুস্থতা, বয়স্ক, শারীরিক অসুবিধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, শিল্পদুর্ঘটনা ইত্যাদির ক্ষেত্রেও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সহায়তা করা। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
- এটি মোট বাজেটের ১৬.৫৮ শতাংশ এবং মোট জিডিপির ২.৫২ শতাংশ।

অন্যদিকে -
- বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ।
- সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৩৪ শতাংশ (মোট জনসংখ্যার শতাংশ হিসেবে সুবিধাভোগী আওতাভুক্তির পরিমাণ ৩২ থেকে ৩৪ শতাংশ)।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ২৩ মার্চ, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. ভারত
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে।
- কিন্তু অপশনে সংযুক্ত আরব আমিরাত না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সৌদি আরব ধরা হয়েছে।

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জুলাই-মার্চ) রেমিটেন্স প্রেরণে :
1. সংযুক্ত আরব আমিরাত।
2. সৌদি আরব।
3. যুক্তরাজ্য।
4. যুক্তরাষ্ট্র।
5. ওমান।
6. মালয়েশিয়া। 
7. কুয়েত। 
8. ইতালি।
9. কাতার। 
10. বাহরাইন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
৩৭.
'বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজিপুরের কালিয়াকৈর
  2. ময়মনসিংহের ফুলপুর
  3. নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার
  4. যশোরের শার্শা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু হাই টেক সিটি:
- বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে অবস্থিত।
- দেশে হাইটেক শিল্প তথা তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০’ (আইন নং-৮)-এর দ্বারা বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি হলো বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রথম প্রকল্প।
- ৩৫৫ একর জমি নিয়ে দেশের বৃহত্তম হাই-টেক সিটি।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালের ১৭ জুন বিনিয়োগ বোর্ডের ১২ তম সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাই-টেক পার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। 
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৮.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, যন ও বন্য প্রাণীর সরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবে?
  1. ২৮
  2. ২৫
  3. ২৩ (ক)
  4. ১৮ (ক)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
 
অন্যদিকে -
- সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদে 'ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য' সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে 'আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯.
ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Parcel Post
  2. Excess Payment Parcel
  3. Express Parcel Payment
  4. Express Parcel Post
ব্যাখ্যা
EPP:
- ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ: Express Parcel Post.

উল্লেখ্য,
- ডাক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি সেবাধর্মী সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- দেশব্যাপী সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান বহুমুখী মৌলিক ডাক সেবা এবং আর্থিক ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল ডাক সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত।
- এই দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর সেবা প্রদানের জন্য ডাক অধিদপ্তরই একমাত্র সরকারি ডাক সেবা প্রদানকারী সংস্থা।
- শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের জনগণের জন্য দ্রুততার সাথে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী ডাক সেবা নিশ্চিতকরণে ডাক অধিদপ্তর অঙ্গীকারবদ্ধ।
- বাস্তবানুগ ও উদ্ভাবনী ধ্যান-ধারণার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে জনজীবনে ডাক যোগাযোগে স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি ডাক অধিদপ্তর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে সর্বদা সচেষ্ট।

উৎস: ডাক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪০.
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. ১২ জন
  2. ১৫ জন
  3. ১৬ জন
  4. ১৯ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ:
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- ১৮৭০ সালে "গ্রাম চৌকিদারী আইন" প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তি রচিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে "ইউনিয়ন বোর্ড” ১৯৫৯ সালে ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং ১৯৭২ সালে "ইউনিয়ন পরিষদ” রূপান্তরিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের কাঠামোগত পরিবর্তন করা হয়।
- বর্তমান প্রচলিত আইন অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বমোট ১৩ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
- ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্যের সমন্বয়ে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে এই পরিষদ গঠিত হয়।
- উল্লেখ্য যে, ৩ জন সদস্য হবেন অবশ্যই মহিলা।
- প্রতিটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রতি ওয়ার্ড হতে ১ জন করে পুরুষ সদস্য এবং ৩টি ওয়ার্ড সমন্বয়ে একজন করে মহিলা সদস্য ওয়ার্ড বাসীর প্রত্যক্ষভোটে নির্বাচিত হন।
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাপ্তাহিক কাজ সম্পাদনের জন্য একজন সচিব রয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ইউনিয়ন পরিষদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করা এবং শাসন ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও দায়িত্বশীলতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' কোনটি?
  1. ডিএনডি প্রকল্প
  2. জি. কে. প্রকল্প
  3. মুহুরী প্রকল্প
  4. তিস্তা প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।

- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে সেচের জন্য  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- প্রকল্পের আওতায় সেচযোগ্য এলাকা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ১০৭ হেক্টর।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত। 
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৫১ সালে প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে জি-কে সেচ প্রকল্প অনুমোদন পায়।
- চালু হয় ১৯৬২-৬৩ সালে। 
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তম যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার খরিপ মৌসুমে অর্থাৎ রোপা আমন মৌসুমে সেচ প্রদান করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- মুহুরী প্রকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে মুহুরী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়িত হয়। 
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৭ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৪২.
'আগড়' গাছ প্রধানত কোথায় জন্মে?
  1. মধুপুর বন
  2. গাজীপুর শাল বন
  3. সিলেট বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
'আগড়' গাছ:
- আগর মূলত একটি গাছের নাম।
- আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টই আগর গাছের আদিস্থান হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
- আগর গাছ থেকে বিশেষ কালো রঙের কাঠ পাওয়া যায়, যা আগর কাঠ নামে পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় যা ‘মাল’ বলে অভিহিত করা হয়।
- স্থানীয়ভাবে যারা আগর কাঠ শনাক্ত করেন তাদের ‘দৌড়াল’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে মূলত Aquilaria agallucha Ges Aquilaria malaccenesis এবং Aquilaria malaccenesis প্রজাতির আগর গাছ চাষ হয়।
- আগর কাঠকে ঈশ্বরের কাঠ বলা হয়।
- আগর আতরের পাশাপাশি আগর কাঠের গুঁড়া বা পাউডার ধূপের মতো প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- জাতি বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং মুসলিম ধর্মালম্বী সবাই আগর আতর ও আগর কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করে।
- আতর বাংলাদেশে তরল সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে সিলেট তথা মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষ করার উপযোগী জায়গা রয়েছে। 
- বড়লেখা উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০০টি আগর আতর ফ্যাক্টরি রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- অত্যন্ত শক্তিমান এ সম্পদ মধ্যপ্রাচ্যসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
- তাছাড়া জাপান, ইউরোপ এবং অন্যান্য দেশেও প্রসাধনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ওয়েবসাইট।
৪৩.
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারপারসন কে?
  1. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
  2. মাননীয় অর্থমন্ত্রী
  3. মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. মাননীয় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশের সংবিধান (অনুচ্ছেদ-১৫) অনুযায়ী পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সকল অঞ্চলের সকল নাগরিকের দ্রুত জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সনে ‘‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রাপ্ত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সকল জনগণের দ্রুত জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই হচ্ছে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
- এই কমিশন গঠিত হয় একজন চেয়ারম্যান, একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং তিন জন সদস্য সমন্বয়ে।
- পরিকল্পনা মন্ত্রী পদাধিকার বলে কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
- পরিকল্পনা কমিশনের সকল প্রশাসনিক ও নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘‘পরিকল্পনা বিভাগ’’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ কমিশনের চেয়ারপার্সন।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৪৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা
  2. কক্সবাজার জেলার রামু
  3. লালমনিরহাট জেলার আদিতমারি
  4. বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়।
- এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত।
- মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে।
- তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মাসেতু কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৫ জুন ২০২২
  2. ২৫ জুন ২০২২
  3. ২৫ জুলাই ২০২২
  4. ২৮ জুলাই ২০২২
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪৬.
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আক্রান্ত হওয়া বাংলাদেশী জাহাজের নাম -
  1. বাংলার অগ্রদত
  2. বাংলার জয়যাত্রা
  3. বাংলার সমৃদ্ধি
  4. বাংলার অগ্রযাত্রা
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ:
- বাংলার সমৃদ্ধি নামের একটি জাহাজ ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেখানে আটকে পড়ে।
- বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটির মালিক বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।
- ২৬শে জানুয়ারি, ২০২২ এটি ভারতের মুম্বাই বন্দর থেকে যাত্রা করে এবং তুরস্কের ইরেগলি হয়ে ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছায়।
- জাহাজটি বন্দরে পৌঁছানোর পরদিন ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু হয়।
- জাহাজটি ইউক্রেন থেকে সিরামিক ক্লে নিয়ে ইতালির রেভেনা বন্দরে যাবার কথা ছিল।

উল্লেখ্য,
- ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগর তীরের একটি বন্দরে বাংলার সমৃদ্ধি নামের জাহাজটি ২৯ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ আটকে পড়েছিল, সেই জাহাজে রকেট হামলায় একজন বাংলাদেশি নাবিক মারা গেছেন।

উৎস: ৩ মার্চ ২০২২, বিবিসি। 
৪৭.
একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৪০০০ টাকা
  2. ৪৫০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৫৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
ধরি,
ছাগলটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা

৮% ক্ষতিতে ক্রয়মূল্য = ১০০- ৮ টাকা = ৯২ টাকা
৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৮ টাকা = ১০৮ টাকা
বিক্রয়মূল্য বেশী = (১০৮ - ৯২) টাকা = ১৬ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১৬ টাকা বেশী হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশী হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১৬ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৮০০ টাকা বেশী হলে ক্রয়মূল্য (১০০০ × ৮০০)/১৬ টাকা
= ৫০০০ টাকা

অতএব, ছাগলটির ক্রয়মূল্য ৫০০০ টাকা।
৪৮.
বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৫০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত হবে?
  1. ১৩৫ টাকা
  2. ১৪৫ টাকা
  3. ১৫০ টাকা
  4. ১৫৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৫০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত হবে?

সমাধান:
সরল মুনাফা
I = Pnr/১০০
I = (৫০০০ × ৩ × ১০)/১০০
I = ১৫০০

সরল মুনাফা = ১৫০০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা
C = P(১ + ১ + (r/১০০)n}
= ৫০০০(১ + (১০/১০০)৩
= ৫০০০(১১/১০)৩
= ৫০০০ × ১.৩৩১
= ৬৬৫৫

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ৬৬৫৫ - ৫০০০ = ১৬৫৫ টাকা
∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = (১৬৫৫ - ১৫০০) টাকা
= ১৫৫ টাকা
৪৯.
(1 + x)1/3 + (1 - x)1/3 = 21/3 হলে x এর মান কত?
  1. ± 1
  2. ± 2
  3. ± 3
  4. ± 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1 + x)1/3 + (1 - x)1/3 = 21/3 হলে x এর মান কত? 

সমাধান:
(1 + x)1/3 + (1 - x)1/3 = 21/3
বা, {(1 + x)1/3 + (1 - x)1/3 }3 = (21/3)3
বা, {(1 + x)1/3}3 + {(1 - x)1/3}3 + 3.(1 + x)1/3 × (1 - x)1/3{(1 + x)1/3 + (1 - x)1/3} = 2
বা, 1 + x + 1 - x + 3{(1 + x)(1 - x)}1/3 × 21/3= 2
বা, 2 + 3(2 - 2x2)1/3 = 2
বা, 3(2 - 2x2)1/3 = 0
বা, (2 - 2x2)1/3 = 0
বা, 2 - 2x2 = 0
বা, 1 - x2 = 0
বা, x2 = 1
∴ x = ± 1
৫০.
যদি 162x + 4 = 43x + 3 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. - 1
  2. 1
  3. 13/5
  4. - 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 162x + 4 = 43x + 3 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
162x + 4 = 43x + 3
(42)2x + 4 = 43x + 3
44x + 8 = 43x + 3
4x + 8 = 3x + 3
4x - 3x = 3 - 8
x = - 5
৫১.
একটি গুণোত্তর ধারা। যদি x = 1 হয়, তবে ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?
  1. 2/3
  2. 1/3
  3. 4/3
  4. 5/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারা। যদি x = 1 হয়, তবে ধারাটির সাধারণ অনুপাত কত?

সমাধান:
{1/(2x + 1)} + {1/(2x + 1)2} + {1/(2x + 1)3} + .............
 যদি x = 1 হয়
{1/(2 × 1 + 1)} + {1/(2 × 1 + 1)2} + {1/(2 × 1 + 1)3} + .............
(1/3) + (1/32) (1/33) + ..................

এখানে
১ম পদ a = 1/3
সাধারণ অনুপাত r = (1/32) ÷ (1/3)
= (1/9) × (3/1)
= 1/3
৫২.
log55√5 এর মান কত?
  1. 1/5
  2. 3/2
  3. 4/3
  4. 5/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log55√5 এর মান কত?

সমাধান:
log55√5
= log55151/2
= log55151/2
= log551+2/2
= log553/2
= (3/2)log55
=(3/2) × 1
= 3/2
৫৩.
২০ মিটার ব্যাস বিশিষ্ট একটি বৃত্তাকার বাগানের চারপাশে যদি ১ মিটার প্রস্থের একটি রাস্তা থাকে তাহলে রাস্তার ক্ষেত্রফল কত?
  1. ২১π বর্গমি.
  2. ৪১ বর্গমি.
  3. ২১ বর্গমি.
  4. ৪১π বর্গমি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০ মিটার ব্যাস বিশিষ্ট একটি বৃত্তাকার বাগানের চারপাশে যদি ১ মিটার প্রস্থের একটি রাস্তা থাকে তাহলে রাস্তার ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
রাস্তাবাদে বৃত্তাকার মাঠের ব্যাস = ২০ মিটার
রাস্তাবাদে বৃত্তাকার মাঠের ব্যাসার্ধ = ২০/২ = ১০ মিটার
রাস্তাবাদে বৃত্তাকার মাঠের ক্ষেত্রফল = π(১০) বর্গমিটার
= ১০০π বর্গমিটার

রাস্তাসহ বৃত্তাকার মাঠের ব্যাসার্ধ = ১০ + ১ = ১১ মিটার
রাস্তাসহ বৃত্তাকার মাঠের ক্ষেত্রফল = π(১১) বর্গমিটার
= ১২১π বর্গমিটার

রাস্তার ক্ষেত্রফল = (১২১π - ১০০π) বর্গমিটার
= ২১π বর্গমিটার
৫৪.
9a3b3c3, 12a2bc, 15ab3c3  এর গ.সা.গু কত?
  1. abc
  2. a2b2c2
  3. a3b3c3
  4. 3abc
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9a3b3c3, 12a2bc, 15ab3c3  এর গ.সা.গু কত?

সমাধান:
এখানে
9, 12 ও 15 এর এর গ.সা.গু = 3
a3, a2 ও a এর এর গ.সা.গু = a
b3, b ও b3 এর এর গ.সা.গু = b
c3, c ও c3 এর এর গ.সা.গু = c

নির্ণেয় গ.সা.গু = 3abc
৫৫.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. এবং উচ্চতা, x সে.মি. হলে, x এর মান কোনটি?
  1. √2 সে.মি
  2. √3 সে.মি
  3. 2 সে.মি
  4. 3 সে.মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. এবং উচ্চতা, x সে.মি. হলে, x এর মান কোনটি?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × (2)2
= (√3/4) × (2)2
= √3

আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
= (1/2) × 2 × x
= x

প্রশ্নমতে,
x = √3
 
৫৬.
যদি P = {x : x এর গুণিতক 2 এবং x ≤৪} এবং Q = {x : x এর গুণিতক 4 এবং x ≤ 12}. P ∩ Q এর মান কত?
  1. {4, 8}
  2. { }
  3. {2 , 4, 8}
  4. {4, 6, 8, 12}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি P = {x : x এর গুণিতক 2 এবং x ≤৪} এবং Q = {x : x এর গুণিতক 4 এবং x ≤ 12}. P ∩ Q এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
P = {x : x এর গুণিতক 2 এবং x ≤৪} 
Q = {x : x এর গুণিতক 4 এবং x ≤ 12}

P = {2, 4, 6, 8}
Q = {4, 8, 12}

P ∩ Q = {2, 4, 6, 8} ∩ {4, 8, 12}
= {4, 8}
৫৭.
যদি x + y = 4 হয়, তবে x3 + y3 + 12xy এর মান কত?
  1. 32
  2. 48
  3. 64
  4. 80
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x + y = 4 হয়, তবে x3 + y3 + 12xy এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x + y = 4

প্রদত্ত রাশি = x3 + y3 + 12xy
= (x + y)3 - 3xy(x + y) + 12xy
= 43 - 3xy × 4 + 12xy
= 64 - 12xy + 12xy
= 64
৫৮.
যদি a + 1/a = 3 হয়, তবে a3 + 1/a3 এর মান কত?
  1. 9
  2. 18
  3. 21
  4. 27
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ‍a + 1/a = 3 হয়, তবে a3 + 1/a3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + 1/a = 3

আমরা জানি
 a3 + 1/a3 = (a + 1/a)3 - 3.a.1/a(a + 1/a)
 a3 + 1/a3 = 33 - 3 × 3
 a3 + 1/a3 = 27 - 9
 a3 + 1/a3 = 18
৫৯.
নিচের শব্দ জোড়ার সাথে অতিরিক্ত চারটি জোড়া শব্দের মধ্যে কোনটির একই ধরনের যৌক্তিক সম্পর্ক রয়েছে? Team : Coach
  1. Car : Machine
  2. Cooking : Chef
  3. Musicians : Conductor
  4. Fruit : Grocer
ব্যাখ্যা
Team ⇒ পরস্পর সহযোগিতা করে কাজ বা খেলা করে এমন ব্যক্তিবর্গ; কর্মীদল; খেলোয়াড়ি টিম।
Coach ⇒  খেলাধুলার পেশাদার প্রশিক্ষক।

Car ⇒ গাড়ি
Machine ⇒ মেশিন; কলকারখানা।

Cooking ⇒ রান্না করা
Chef ⇒ হোটেল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদির প্রধান বাবুর্চি

Musicians ⇒ সংগীত; সংগীতবিশারদ; সুরস্রষ্টা; সুরকার।
Conductor ⇒ যে ব্যক্তি বাদকদল, গায়কদল কিংবা অর্কেস্ট্রা পরিচালনা করে।


Fruit ⇒ ফল
Grocer ⇒ মুদি।

কোচ (Coach) যেমন খেলোয়াড়দের (Team) পরিচালনা করে, তেমনি (Conductor) কন্ডাক্টর (Musicians) মিউজিশিয়ানদের পরিচালনা করেন।
৬০.
অসম্পূর্ণ বাক্যটির শূন্যস্থানে নিচের কোন বিকল্প শব্দ জোড়া বসবে?
"__________ is to RIVER as COAST is to ___________"
  1. FLOOD-BEACH
  2. BANK-SEA
  3. FLOOD-SEA
  4. TIDE-BEACH
ব্যাখ্যা

Bank ⇒ (নদী বা খালের) তীর; তট; কূল; কিনার।
River ⇒ নদী
Coast ⇒ সমুদ্রতীর; উপকূল
Sea ⇒ সাগর; সমুদ্র; সিন্ধু; অর্ণব


∴ "BANK is to RIVER as COAST is to SEA"

৬১.
সকল পেঁচাই রাতে দেখতে পায় এবং যে সকল পাখি রাতে দেখতে পারে তারা কালো নয়। এ প্রেক্ষিতে নিচের কোন উক্তিটি অবশ্যই সত্য-
  1. Black ravens don't have night vision;
  2. All owls are not black;
  3. Birds that are black lack night vision;
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

সকল পেঁচাই রাতে দেখতে পায় এবং যে সকল পাখি রাতে দেখতে পারে তারা কালো নয়। এ প্রেক্ষিতে নিচের কোন উক্তিটি অবশ্যই সত্য-

• যেহেতু যেসকল পাখি রাতে দেখতে পারে তারা কালো নয়, তাই সকল পেঁচা রাতে দেখতে পারে বলে কোন পেঁচা কালো নয়।
• কালো পাখি রাতে দেখবে না।

Black ravens don't have night vision ⇒ কালো কাকদের রাতের দৃষ্টি নেই।
All owls are not black ⇒ কোন পেঁচা কালো হয় না
Birds that are black lack night vision ⇒ কালো রঙের পাখিদের রাতের দৃষ্টিশক্তির অভাব হয়

∴ সঠিক উত্তর: উপরের সবগুলো।

৬২.
নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?
CBA WVU IHG TSR ?
  1. NOM
  2. MON
  3. ONM
  4. NMO
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?
CBA WVU IHG TSR ?

সমাধান:

১ম উপাদান ১ম তিনটি বর্ণ বিপরীতভাবে CBA  তারপর তিনটি (DEF) বর্ণ বাদ দিয়ে ৩য় উপাদান বিপরীতভাবে IHG তারপর তিনটি (JKL) বর্ণ বাদ দিয়ে ৫ম উপাদান বিপরীতভাবে ONM হবে। 
৬৩.
পাঁচটি প্লেন একই সাথে এয়ারপোর্ট ছেড়ে গেল। প্লেন-B, প্লেন-A এবং প্লেন-D এর পূর্বে তবে প্লেন-C এর পরে গন্তব্যে পৌঁছাল। প্লেন-E, প্লেন-D এর আগে কিন্তু প্লেন-A এর পরে পৌঁছাল। কোন প্লেনটি সবার শেষে গন্তব্যে পৌছাল?
  1. প্লেন-A
  2. প্লেন-B
  3. প্লেন-D
  4. প্লেন-E
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচটি প্লেন একই সাথে এয়ারপোর্ট ছেড়ে গেল। প্লেন-B, প্লেন-A এবং প্লেন-D এর পূর্বে তবে প্লেন-C এর পরে গন্তব্যে পৌঁছাল। প্লেন-E, প্লেন-D এর আগে কিন্তু প্লেন-A এর পরে পৌঁছাল। কোন প্লেনটি সবার শেষে গন্তব্যে পৌছাল?

সমাধান:
প্লেন-B, প্লেন-A এবং প্লেন-D এর পূর্বে তবে প্লেন-C এর পরে গন্তব্যে পৌঁছাল
∴ C এর পৌছানোর সময় < B এর পৌছানোর সময় < A, D এর পৌছানোর সময়

 প্লেন-E, প্লেন-D এর আগে কিন্তু প্লেন-A এর পরে পৌঁছাল
∴ A এর পৌছানোর সময় < E এর পৌছানোর সময় < D এর পৌছানোর সময়

∴ C এর পৌছানোর সময় < B এর পৌছানোর সময় < A এর পৌছানোর সময় < E এর পৌছানোর সময় < D এর পৌছানোর সময়

যার পৌছানোর সময় বেশি সে পড়ে পৌছায়।
∴ D সবার পরে পৌছাবে।
৬৪.
করিমের বর্তমান বয়স তার পিতার বয়সের ১/৬ ভাগ। দুজনের বর্তমান বয়সের পার্থক্য ৩৫ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ৩২ বছর
  2. ৪২ বছর
  3. ৪৪ বছর
  4. ৫২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: করিমের বর্তমান বয়স তার পিতার বয়সের ১/৬ ভাগ। দুজনের বর্তমান বয়সের পার্থক্য ৩৫ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
ধরি,
করিমের পিতার বর্তমান বয়স ৬ক বছর
∴ করিমের বর্তমান বয়স ক বছর

প্রশ্নমতে,
৬ক - ক = ৩৫
⇒ ৫ক = ৩৫
∴ ক = ৭

∴ পিতার বর্তমান বয়স ৬ × ৭ = ৪২ বছর 
৬৫.
যদি ০.৫ × ক = ০.০০০৩ হয়, তাহলে 'ক' এর মান কত?
  1. ০.৬
  2. ০.০৬
  3. ০.০০৬
  4. ০.০০০৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ০.৫ × ক = ০.০০০৩ হয়, তাহলে 'ক' এর মান কত?

সমাধান:
০.৫ × ক = ০.০০০৩
⇒ ক = ০.০০০৩/০.৫
∴ ক = ০.০০০৬
৬৬.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে নিচের A, B, C এবং D-এর মধ্যে কোন বিকল্পটি বসবে?
  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে নিচের A, B, C এবং D-এর মধ্যে কোন বিকল্পটি বসবে?

সমাধান:
১ম চিত্রে ত্রিভুজ, ২য় চিত্রে পঞ্চভুজ
৩য় চিত্রে চতুর্ভুজ, ৪র্থ চিত্রে হবে ষড়ভুজ 
∴ সঠিক উত্তর হবে: C
৬৭.
কোন বানানটি সঠিক?
  1. Millanium
  2. Millaniem
  3. Millanniem
  4. Millennium
ব্যাখ্যা
• Correct spelling is Millennium.
• যার বাংলা অর্থ সহস্রাব্দ; বর্ষসহস্রক।

উৎস: Accessible Dictionary.
৬৮.
নিচের কোন নাম্বারটি ব্যতিক্রম-
  1. ১৪৪
  2. ৩২২
  3. ৬৪
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন নাম্বারটি ব্যতিক্রম-

সমাধান:
এখানে সকল সংখ্যাগুলো জোড় শুধুমাত্র ১৭ ব্যতীত।
তাই ১৭ ব্যতিক্রম।
৬৯.
BANGLADESH শব্দটিতে কোন বর্ণ পানিতে ও দেখতে একই রকম?
  1. A
  2. H
  3. E
  4. H ও E
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: BANGLADESH শব্দটিতে কোন বর্ণ পানিতে ও দেখতে একই রকম?

সমাধান:

• ইংরেজি বর্ণমালায় বড় হাতের C, D, E, H, I, K, O ও X অক্ষরগুলো পানিতে ও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয় না।
• c, o, x এই ছোট হাতের ইংরেজি অক্ষরগুলোর পানিতে প্রতিবিম্ব ও বাস্তব বিম্ব একই হয়।
• 0, 8 এই দুইটি সংখ্যার পানিতে ও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয় না।
৭০.
জলকুন্তল শব্দের অর্থ কী?
  1. শৈবাল
  2. গাঙচিল
  3. শুশুক
  4. পদ্মফুল
ব্যাখ্যা
জলকুন্তল (বিশেষ্য) ⇒ শেওলা; শৈবাল।

উৎস: Accessible Dictionary.
৭১.
আয়নায় দেখা গেল ঘড়িতে ৯ : ৩০ মিনিট বাজে। তখন প্রকৃতপক্ষে সময় কত?
  1. ৪ : ৩০
  2. ৩ : ৩০
  3. ৬ : ৩০
  4. ২ : ৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় দেখা গেল ঘড়িতে ৯ : ৩০ মিনিট বাজে। তখন প্রকৃতপক্ষে সময় কত?

সমাধান:
প্রকৃত সময় = ১১ : ৬০ - আয়নায় দেখা সময়
= ১১ : ৬০ - ৯ : ৩০ 
= ২ : ৩০
৭২.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. ১০
  2. ২৫
  3. ৫০
  4. ১০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
১ম চিত্রে,
২৬ - ১৬ = ১০ ⇒ ১০ × ৫ = ৫০

২য় চিত্রে,
১৩ - ৮ = ৫ ⇒ ৫ × ৫ = ২৫

৩য় চিত্রে,
৫২ - ৩২ = ২০ ⇒ ২০ × ৫ = ১০০
৭৩.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অমানিশী
  2. অমানিশি
  3. অমানীশী
  4. অমানীশি
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান অমানিশি
অমানিশি  ⇒ অমা, অমানিশা, অমাবস্যার রাত।
৭৪.
সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে কি নিশ্চিত হবে?
  1. টেকসই উন্নয়ন
  2. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
  3. দারিদ্র বিমোচন
  4. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন:
- সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন পরস্পর সম্পূরক।
- জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের উপস্থিতি সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নের রূপান্তরিত করে।
- তাই দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো সুশাসন।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসনে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৭৫.
তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় কোন দেশে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. স্কটল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিকার:
- খ্রিস্টপূর্ব ৬০-২৭ সময়কালে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের আমলে তথ্য অধিকার-এর ধারণার উদ্ভব ঘটে।
- ১৭৬৫-৬৬ সালে ফিনিশীয় রজনীতিবিদ ও দার্শনিক এল্ডর্স সাইডিনিয়াস তথ্য অধিকারের ধরণা সম্পর্কে আলোক পাত করেন।
- তবে তথ্য অধিকার বিষয়টি আইনে পরিণত হয় সর্বপ্রথম সুইডিশ পার্লামেন্টে।
- ১৭৬৬ সালে সুইডিশ পার্লামেন্ট সর্বপ্রথম ‘Ordinance on Freedom of Writing and of the Press’ নামে আইনটি পাস করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মো: মোজাম্মেল হক।
৭৬.
'Principia Ethica' গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
  1. জি. ই. ম্যুর
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. উইলিয়াম লিলি
  4. জন লক
ব্যাখ্যা
- Principia Ethica গ্রন্থটি রচনা করেন ব্রিটিশ অ্যানালিটিক্যাল ফিলোসফার জর্জ এডওয়ার্ড ম্যুর (George Edward Moore)
- এটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইয়ে নীতিবিদ্যা'র বিভিন্ন জটিলতা সম্পর্কে জি.ই. মুর এর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। এ গ্রন্থেই জি ই মুর প্রথম পরানীতিবিদ্যা বা Metaethics এর সূত্রপাত
করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৭.
যে দার্শনিক নৈতিকতাকে সদিচ্ছার সাথে যুক্ত করেছেন-
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. দেকার্ত
  3. জে. এস. মিল
  4. ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মো: মোজাম্মেল হক।
৭৮.
'পরানীতিবিদ্যা'______এর ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. Etymology
  2. Ethics
  3. Meta-ethics
  4. Meta-physics
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা:
- নীতিবিদ্যার রক্ষক-সাধুপুরুষ ( Patron saint) রূপে খ্যাত সক্রেটিস থেকে শুরু করে হাল-আমলের দার্শনিকদের নৈতিক ভাবনাগুলো পর্যালোচনা করলে এর মধ্যে মোটামুটি চারটি ধারার সন্ধান পাওয়া যায়।
এগুলো হচ্ছে বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা, মানমূলক নীতিবিদ্যা, বিশ্লেষণী বা পরানীতিবিদ্যা ও ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা।

- 'পরানীতিবিদ্যা' এর ইংরেজি প্রতিশব্দ - Meta-ethics.
- পরানীতিবিদ্যা হচ্ছে নৈতিক পদ ও অবধারণ তথা নৈতিক ভাষার অর্থ ও যুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা।
- মানমূলক নীতিবিদ্যায় কতগুলো মানদন্ড বা আদর্শের আলোকে আমাদের আচরণের ভালমন্দ নির্ণিত হয়।
- ব্যবহারিক নীতিবিদ্যার লক্ষ্য হলো আমাদের বাস্তব জীবনের কিছু চলতি সমস্যাকে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা।
- বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা মূলত অভিজ্ঞতানির্ভর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে বিবর্তনবাদী নীতিবিদ্যা।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
সরকারের কর্তব্য হল____
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা
  2. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা
  3. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয়/কর্তব্য:
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা,
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা,
- দক্ষ ও কার্যকর সরকার,
- অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন,
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
The word 'parent' means_________
  1. father
  2. mother
  3. father & mother
  4. father or mother
ব্যাখ্যা
• Parent (Noun)
English Meaning: A person's father or mother.
Bangla Meaning: বাবা বা মা; জনক বা জননী।
Example: Maria's live in Dhaka.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary.
৮১.
'It's too soon to say if he'll survive.' In this sentence 'too' is a/an-
  1. adjective
  2. adverb
  3. verb
  4. preposition
ব্যাখ্যা
• 'It's too soon to say if he'll survive.' In this sentence 'too' is an- adverb

• Too (adverb of degree, modifying adjective(s) and adverb(s)
- English Meaning: to a higher degree than is desirable, permissible, or possible; excessively.
- Bangla Meaning: অত্যন্ত বেশি পরিমাণে; প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণে।
- যেমন: He is too weak to walk.

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে too, soon এর পূর্বে বসে একে modify করছে।
- In this sentence, 'too' modifies the adverb 'soon', indicating an excessive or inappropriate degree of earliness. 
- too সাধারণত adverb হিসেবেই বাক্যে ব্যবহৃত হয়।

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৮২.
'She's very sprightly for her age.' The word 'sprightly' is a/an-
  1. adjective
  2. adverb
  3. verb
  4. noun
ব্যাখ্যা
She's very sprightly for her age.' The word 'sprightly' is an - adjective.

• Sprightly অর্থ - প্রাণচঞ্চল; চটপটে।
- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে sprightly দ্বারা subject (she)  এর অবস্থা প্রকাশ করেছে বলে এটি adjective.
- She's very sprightly for her age - এ বাক্যে she - subject, is- auxiliary verb, Very - adverb এবং sprightly - adjective, for- preposition and her age - object.

• Adjective:
- যে শব্দ Noun/ Pronoun এর দোষ গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে।
- সাধারণত আমরা Noun এর বর্ণনা করতে adjective ব্যবহার করি।
- বেশিরভাগ adjecyive, noun এর পূর্বে ব্যবহৃত হয়।
- Adjective গুলি হচ্ছে  এমন শব্দ যা একটি noun or pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয় এবং একটি বাক্যে বিভিন্ন অবস্থানে বসতে পারে।
- We can use adjectives to describe people, places, and things.
৮৩.
'Wait until I return.' Here 'until' is a/an-
  1. conjunction
  2. adverb
  3. preposition
  4. noun
ব্যাখ্যা
• 'Wait until I return.' Here 'until' is a - conjunction.
- Conjunction এমন একটি part of speech যা sentence এ বিভিন্ন words, phrases, বা clauses যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে until শব্দটি Wait এবং I return এই দুইটি worss/ phrase কে যুক্ত হতে সাহায্য করেছে।
- তাই এখানে until হচ্ছে conjunction.
 
• There are three basic types of conjunctions:
1. Coordinating conjunction:
যা সমমানের দুইটি word, phrase বা clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
যেমনঃ and, or, but, etc.
 
2. Subordinating Conjunction:
যে Conjunction একটি clause এর শুরুতে বসে অন্য clause এর স্থান, কাল, ধরণ, মাত্রা, ইত্যাদি বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে Subordinating Conjunction বলে।
যেমনঃ when, how, if, lest, until, unless, as if etc.
 
3. Correlative Conjunction:
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত conjunction গুলোই Correlative Conjunctions.
- যেমনঃ as…. as; either…..or; not only…..but also; etc.
৮৪.
'He hurried past them without stopping.' In this sentence 'past' is a-
  1. verb
  2. noun
  3. conjunction
  4. preposition
ব্যাখ্যা
• Past বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত একটি শব্দ।
- 'He hurried past them without stopping.' In this sentence 'past' is a - preposition.

• Past (Preposition)
• to or on the further side of.
- পেরিয়ে; ছাড়িয়ে।
- 'He hurried past them without stopping -বাক্যটির অর্থ হচ্ছে - তিনি না থেমে দ্রুত তাদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন।
- এই বাক্যে অতিক্রম করে/পেরিয়ে বুঝাতে past শব্দটি Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
 
• beyond in time; later than বা গত; পরে অর্থে Past preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: half past three; a man past middle age; a woman past thirty.

• সীমা, ক্ষমতা বা আয়ত্তের বাইরে অর্থে Past preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন:
- a women past child-bearing -সন্তান ধারণের বয়স আর নেই;
- a patient past praying for, প্রার্থনার বাইরে চলে গেছে, অর্থাৎ সেরে ওঠার আশা নেই।

• অন্যদিকে,
• Past (adjective) 
- just gone or elapsed, gone by in time and no longer existing, ago.
- অতীতকালীন; গত; বিগত।
- যেমন - Don't be anxious, the danger is now past.
- উল্লিখিত বাক্যটির অর্থ হচ্ছে - উদ্বিগ্ন হবেন না, এখন বিপদ কেটে গেছে/ বিপদ আর নেই।
- বাক্যটিতে past দ্বারা বিপদ কেটে গেছে/ just gone or elapsed এমন অর্থ প্রকাশ করছে।
- তাই এটি adjective হয়েছে।

• Past (the past) (noun):
- The time before the moment of speaking or writing.
- অতীত; অতীতকাল।
- People should not live in the past. 
- এই বাক্যে past শব্দটি একটি preposition-এর পরে ব্যবহৃত হয়েছে - তাই, এটি একটি noun.

• Past (adverb):
- So as to pass from one side of something to the other.
- Months went past and nothing happened.
- বাক্যে past শব্দটি went কে মডিফাই করছে তাই এটি একটি adverb.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy, and Oxford Learner's Dictionary.
৮৫.
'How does Ushashi feel now?' In this sentence the verb 'feel' is -
  1. causative
  2. modal
  3. intransitive
  4. transitive
ব্যাখ্যা
• 'How does Ushashi feel now?' In this sentence, the verb 'feel' is - intransitive.

• Intransitive verb
- যেসকল verb এর object বা কর্ম থাকে না তাকে Intransitive verb বলে।
- সাধারণত Intransitive verb এর পর adverb অথবা preposition ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত verb - এর কাছে কি (what? বা কাকে( whom) দ্বারা প্রশ্ন করলে যদি কোন উত্তর না পাওয়া যায়, তাই সাধারণত Intransative Verb.
- উল্লেখ্য Intransitive Verb এর ক্ষেত্রে কখন( when) বা কোথায়( where) দ্বারা প্রশ্ন করতে হয়।
- Intransitive verb এর সাধারণ Structure  হচ্ছে: subject + verb.
 
• প্রশ্নে প্রদত্ত - 'How does Ushashi feel now?'. - এই বাক্যটিতে feel Intransitive verb এর উদাহরণ।
- বাক্যে verb (feel) এরপর adverb (now) আছে এবং এর object নেই তাই এটি intransitive verb.
- It is expressing something that simply happened to the subject without transferring the action to anything else.
৮৬.
'He started teaching Hamlet.' Here 'teaching' is a/an-
  1. gerund
  2. participle
  3. verb
  4. infinitive
ব্যাখ্যা
• 'He started teaching Hamlet.' Here 'teaching' is a - gerund.

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
 
•  একটি বাক্যে Gerund বিভিন্ন অবস্থানে বসতে পারে।
- verb + ing যুক্ত word যদি বাক্যের transitive verb এর পরে object হিসেবে বসে, তবে তা সাধারনত Gerund হবে।

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে -
- Started এর Subject হলো He.
- Started এর object হলো teaching.
- teaching; started এর Object হওয়ার কারণে এটি Gerund.
 
৮৭.
'We met Nuzha carrying a bouquet of red roses.' Here 'carrying' is a/an_____
  1. gerund
  2. infinitive
  3. verbal noun
  4. participle
ব্যাখ্যা
• 'We met Nuzha carrying a bouquet of red roses.' Here 'carrying' is a - participle.

• Participle: 
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

- এখানে, carrying দ্বারা noun phrase  -a bouquet of red roses কে modify করা হয়েছে তাই এটি adjective এর কাজ করছে।
- verb+ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে present participle বলা হয়।
 
• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.
৮৮.
Choose the appropriate preposition: 'Ihana looked it up _____ the internet.
  1. in
  2. by
  3. on
  4. into
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হচ্ছে - on.
- Complete sentence:  'Ihana looked it up on the internet.'

• Look something up, in/on something:
- Meaning: to try to find a piece of information by looking in a book or on a computer.
- to check a fact or get information about something.
-  কোন information খোঁজ করা বোঝাতে Look up ব্যবহার হয়ে থাকে।
- আর Look up এর সাথে -
- অভিধানে খোঁজা অর্থে Look up ব্যবহৃত হয়।
- কোন কিছুর ভেতরে/মধ্যে খোঁজা অর্থে in ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেট বা কম্পিউটারে খোঁজা অর্থে on ব্যবহৃত হয়।

• যেমন:
- If you're not sure what the word means, look it up in a dictionary.
- I looked it up on the computer.
- I looked up solar power on the Internet to find out more about it.
 
Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.Link
৮৯.
Select the sentence in which 'long' is a verb.
  1. He will come before long.
  2. It is a long story.
  3. Boys long for holidays.
  4. I cannot wait long.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Boys long for holidays বাক্যে long verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Long for something/for somebody to do something
English Meaning:  To have a desire for (a thing or an event).
Bangla Meaning: আগ্রহে আকাঙ্ক্ষা করা; ইচ্ছা পোষণ করা।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) He will come before long - বাক্যে long হচ্ছে noun.
- a long period অর্থে এখানে long noun হয়েছে।
- তাছাড়া preposition এরপর যদি একটি মাত্র শব্দ আসে তবে তা noun হিসেবে বিবেচিত হয়।

খ) It is a long story - বাক্যে long হচ্ছে adjective.
- এখানে long তার পরবর্তি noun word story কে modify করায়, এটি adjective.

ঘ) I cannot wait long - বাক্যে long হচ্ছে adverb.
-  for a long time -অর্থে এখানে long আদ্ভেরব hoyeche.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary.
৯০.
'We read that we may learn'. The underlined part is a/an-
  1. noun clause
  2. adverb clause
  3. adjective clause
  4. adverb phrase
ব্যাখ্যা
• We read that we may learn. The underlined clause is  the Adverb clause.

• Adverb clause: 
প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে that we may learn এই clause টি হচ্ছে একটি subordinate clause কারন এটি principal clause We read এর সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারবে না।
- আবার যে subordinate clause টি কোন বাক্যে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverb clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- that we may learn দ্বারা verb read এর purpose of the action বা কারন বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি adverbial clause.

• Clause ও phrase এর পার্থক্য:
- Clause এর মধ্যে অবশ্যই একটি Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে; কিন্তু Verb Phrase ব্যতিত অন্যান্য Phrase এর মধ্যে কোন Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে না।
- অন্য কথায়, Clause এর মধ্যে Verb - Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে, কিন্তু Phrase এর মধ্যে Verb নাও থাকতে পারে, আর যদি থাকে তাহলে Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে না।
- সে কারণে Adverb phrase উত্তর হবে না।
 
৯১.
'Bonafide' is synonymous with-
  1. genuine
  2. innocent
  3. placid
  4. dauntless
ব্যাখ্যা
• 'Bona fide' (Latin word)
English Meaning: genuine; real, without intention to deceive.
Bangla Meaning: প্রকৃত; খাঁটি; আন্তরিক, অকৃত্রিমভাবে; আন্তরিকভাবে; সরল বিশ্বাসে।
 
• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) genuine - প্রকৃত; খাঁটি; অকৃত্রিম।
খ) innocent - নিরপরাধ; নির্দোষ।
গ) placid - শান্ত; প্রসন্ন; সৌম্য; প্রসন্নচেতা; শান্তচিত্ত; নির্বিকার।
ঘ) dauntless - অদম্য; নির্বিশঙ্ক; অকুতোভয়।
 
• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - genuine শব্দটি Bona fide এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।
- তাই বলা যেতে পারে, 'Bona fide' means - genuine.
 
Source: Bangla Academy Dictionary and Oxford Learners Dictionary.
৯২.
'The grass was so wet that we couldn't sit on it.' Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
  1. The grass was very wet for us to sit on.
  2. The grass was too wet for us to sit on.
  3. The grass was much wet for us to sit on.
  4. The grass was wet enough for us to sit on.
ব্যাখ্যা
• So……that যুক্ত complex sentence কে simple sentence করার নিয়ম:
- So এর পরিবর্তে too বসবে
- that এর আগে পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে
- that থেকে not পর্যন্ত অংশ উঠে যাবে
- to + বাকি অংশ বসবে।

Example: ‍
Complex: ‍Rabin is so sick that he cannot come.
Simple: Rabin is too weak to come.

• নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - The grass was too wet for us to sit on.
৯৩.
Which sentence is correct?
  1. Let me give you an advice.
  2. Let me give you one advice.
  3. Let me give you a single advice.
  4. Let me give you a piece of advice.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Let me give you a piece of advice. বাক্যটি সঠিক।

• Advice (noun): 
- Uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর অর্থ উপদেশ; পরামর্শ।
- We say a piece of advice (not 'an advice') and some advice (not 'some advices').

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৯৪.
"No! I am not Prince Hamlet, nor was meant to be; Am an attendant lord, one that will do To swell a progress." These lines are taken from the poem of-
  1. W.B. Yeats
  2. T.S. Eliot
  3. William Shakespeare
  4. Dylan Thomas
ব্যাখ্যা
•  "No! I am not Prince Hamlet, nor was meant to be; Am an attendant lord, one that will do To swell a progress." These lines are taken from the poem of - T.S. Eliot.
-
উক্তিটি তাঁর বিখ্যাত কবিতা The Love Song of J. Alfred Prufrock হতে উদ্ধৃত।

The Love Song of J. Alfred Prufrock:
- আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা কবিতা এটি।
- এটা মূলত: একটি Dramatic Monologue. এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল Poetry ম্যাগাজিনে, ১৯১৫ সালে।
- এখানে দেখায়, J. Alfred Prufrock যে কিনা একজন মধ্যবয়সী মানুষ, তার ফেলে আসা অতীতের স্মরণ করছে। চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে তার ভগ্ন শরীর ও হৃদয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। সে বুঝতে পারে, সে তার যৌবন এবং সুখ দুটোই হারিয়েছে।
- এই কবিতার বিখ্যাত লাইন, “I have measured out my life with coffee spoons."
 
• T.S. Eliot: 
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।
 
• Notable works: 
• Poetry:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets (1943).
 
• Play:
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Cocktail Party.
 
Source: Britannica.
৯৫.
Who is the writer of the novel 'Of Human Bondage'?
  1. Charles Dickens
  2. W. Somerset Maugham
  3. Jane Austen
  4. D.H. Lawrence
ব্যাখ্যা
• W. Somerset Maugham wrote the novel 'Of Human Bondage'.
- ১৯১৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি একটি semiautobiographical work of the author.
- It is a perceptive depiction of the emotional isolation of a young man and his eventual insight into life.
 
• William Somerset Maugham একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
 
• Famous Novels:
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.
 
• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon, etc.
 
Source: Britannica.com
৯৬.
Who is the principal antagonist of the play 'The Merchant of Venice'?
  1. Antonio
  2. Jessica
  3. Shylock
  4. Portia
ব্যাখ্যা
• Shylock is the principal antagonist of the play 'The Merchant of Venice'.
- He is portrayed as a vengeful and greedy character who demands a pound of flesh from the merchant Antonio as repayment for a loan.
- Shylock's intense hatred and prejudice towards Antonio, who is a Christian, drives much of the conflict in the play.

The Merchant of Venice:
- 'The Merchant of Venice' is a Tragi-comedy by William Shakespeare.
- এক ইহুদি সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট  Tragi-comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এটি লেখা হয়েছিল।
 
• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.
 
• William Shakespeare:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন Stratford on Avon, Warwickshire, England.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 
 
Source: Britannica. 
৯৭.
"Drive my dead thoughts over the universe Like withered leaves to quicken a new birth!" Who wrote these lines?
  1. William Wordsworth
  2. S.T. Coleridge
  3. P.B. Shelley
  4. John Keats
ব্যাখ্যা
• "Drive my dead thoughts over the universe Like withered leaves to quicken a new birth!"
- P.B. Shelley wrote these lines in his famous poem Ode to West Wind.

• Ode to the West Wind:
- P. B Shelley এই কবিতায় West Wind কে destroyer and preserver বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- Ode to the West Wind, was written in a single sitting on Oct. 25, 1819, at Cascine Wood near Florence, Italy.
- ১৮২০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটি Shelley এর আবেগপ্রবণ ভাষা এবং প্রতীকী চিত্রকল্পের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত।
- "If winter comes, can spring be far behind?" -এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন।
- এই লাইনটির সাথেই কবিতাটি শেষ হয়।
- উক্তিটিকে literary terms Metaphor এর উদাহরন হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- তাকে গণ্য করা হয় ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poets হিসেবে।
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
- মাত্র ২৯ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ইংরেজি সাহিত্যের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের।

• Some notable works:
- Adonais,
- Mont Blanc,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- To a Skylark,
- Peter Bell the Third,
- Prometheus Unbound (play)
- Queen Mab,
- Rosalind and Helen,
- The Cenci,
- The Cloud,
- The Masque of Anarchy.

Source: Britannica
৯৮.
"They're all gone now, and there isn't anything more the sea can do to me." In J.M. Synge's play 'Riders to the Sea' these heart-breaking words are uttered by-
  1. Cathleen
  2. Nora
  3. Maurya
  4. Bartley
ব্যাখ্যা
"They're all gone now, and there isn't anything more the sea can do to me." In J.M. Synge's play 'Riders to the Sea' these heart-breaking words are uttered by - Maurya.
- তিনি Irish dramatist John Millington Synge রচিত one-act play 'Riders to the Sea' এর অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র।
- Maurya নামক এই বৃদ্ধ মহিলার জীবনের কঠিন দুঃখ -দুর্দশা এবং বেদনার চিত্র বর্ণিত হয়েছে এই নাটকে , যিনি তার ছোট ছেলে Bartley ছাড়া, পরিবারের সকল পুরুষ সদস্যদের কে সাগরের ঝড়ের মাঝে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে ফেলেছেন।
- কিন্তু শেষ সময়ে দেখা যায় তার ছোট ছেলেটিও সাগরে ডুবেই মারা যায়।
- বার্টলির মৃতদেহ ফেরত পাওয়ার পর Maurya এই উক্তিটি করেন।
- এই Maurya চরিত্রটিকে সাহিত্য জগতের অন্যতম most ill- fated character হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• 'Riders to the Sea':
- ১৯০৩ সালে এই playটি প্রকাশিত হয়।
- Riders to the Sea is set in the Aran Islands off the west coast of Ireland and is based on a tale Synge heard there.
- It won critical acclaim as one of dramatic literature’s greatest one-act plays.
- Riders to the Sea is set in the Aran Islands off the west coast of Ireland.
- Synge মুলত আরান দ্বীপপুঞ্জে শোনা একটি গল্পের উপর ভিত্তি করে তার এই play টি রচনা করেছিলেন। 
 
• Characters from the play - 
- Maurya,
- Bartley (the youngest son of the family),
- Cathleen,
- Nora (Nora is the daughter of Maurya),
- The Priest.
 
• John Millington Synge
- তিনি ছিলেন আইরিশ সাহিত্যের নবজাগরণের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, মহান একজন কাব্যিক নাট্যকার যিনি আরান দ্বীপপুঞ্জ এবং পশ্চিম আইরিশ সমুদ্র তীরের কঠোর গ্রামীণ অবস্থাকে পরিশীলিত কারুকার্যের সাথে চিত্রিত করেছেন।
- প্রথমে তিনি একজন 'musician' হবার ইচ্ছা করলেও 1894 সালে তিনি একজন সঙ্গীতজ্ঞ হওয়ার পরিকল্পনা ত্যাগ করেন এবং এর পরিবর্তে English Literature এ মনোনিবেশ করেন।
 
• উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম - 
- In the Shadow of the Glen (1903),
- Riders to the Sea (1904),
- The Well of the Saints (1905),
- The Playboy of the Western World (1907),
- The Tinker's Wedding (1907),
- Deirdre of the Sorrows (1910).
 
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৯৯.
"Authority forgets a dying king." This line is extracted from Tennyson's poem-
  1. The Lotos-Eaters
  2. Tithonus
  3. Morte d' Arthur
  4. Locksley Hall
ব্যাখ্যা
• "Authority forgets a dying king." This line is extracted from Tennyson's poem- 'Morte d Arthur.
- The central theme of Le Morte d'Arthur is loyalty and its expression in chivalry.
- অর্থাৎ, কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে - আনুগত্য এবং বীরত্ব এর অভিব্যক্তি।
-  কবিতাটিতে বলা হয়েছে রাজার প্রতি আনুগত্যই হচ্ছে একজন নাইট (Knight) এর জীবনের মূল উপাদান এবং উদ্দেশ্য।
- It opens in the wake of Arthur's final battle, where Arthur lies mortally wounded, and is accompanied by Sir Bedivere. 
 
• Other famous quotation from the poem - 
• The old order changeth, yielding place to new.
 
• Made weak by time and fate, but strong in will
To strive, to seek, to find, and not to yield.'
 
• More things are wrought out by prayers.
 
• Sorrows are the best educator.
 
• Alfred, Lord Tennyson:
- Alfred, Lord Tennyson, in full Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- Born: August 6, 1809, Somersby, Lincolnshire, England.
- Death: October 6, 1892, Aldworth, Surrey), English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.
- He was raised to the peerage in 1884.
 
• Best Works: (poems)
- Oenone,
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- Tears Idle Tears,
- Tithonus,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Vision of Sin,
- Morte D'Arthur,
- The Falcon,
- In Memoriam,
- Queen Mary (Comedy),
- Harold, etc.
 
• জেনে রাখা জরুরি,
• Le Morte D'arthur is the first romance in prose written by - Sir Thomas Malory.
- এটি হচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English prose version of the Arthurian legend.
 
Source: Britannica.com and Live MCQ Lecture.
১০০.
Who is the writer of the sonnet "On First Looking into Chapman's Homer"?
  1. William Shakespeare
  2. John Keats
  3. John Milton
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• George Chapman translated Homer’s “Illiad” and “Odyssey” into English.
- The first books of his translation of the Iliad appeared in 1598. It was completed in 1611, and his version of the Odyssey appeared in 1616.
- Chapman’s Homer contains passages of great power and beauty and inspired the sonnet of John Keats “On First Looking into Chapman’s Homer” (1815).
- এই সাহিত্য কর্ম গুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে Romantic Period এর কবি John Keats রচনা করেছিলেন On First Looking into Champman's Homer.
 
• George Chapman was born in 1559 in England.
- English dramatist and poet এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা অনুবাদক।
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
১০১.
মায়োপিয়া (Myopia) কী?
  1. এক প্রকার হাতের রোগ
  2. এক প্রকার হৃদরোগ
  3. এক প্রকার হাড়ের রোগ
  4. এক প্রকার চোখের রোগ
ব্যাখ্যা
- মায়োপিয়া (Myopia) হচ্ছে এক প্রকার চোখের রোগ যার ফলে চোখ কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia): 
- মানুষ যখন তার চোখ দ্বারা কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে 
হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া বলা হয়। 
- এক্ষেত্রে চোখের দুর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা কিছুটা নিকটে অবস্থান করে এবং বস্তুটিকে স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে স্পষ্ট দেখা যায়। - সাধারণত অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। 
- চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
- দূরের বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনার সামনে কোনো বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠন করে, এজন্য লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
নিচের তত্ত্বগুলো বিবেচনা করুন-
i. আলোর প্রতিফলন
ii. আলোর বিচ্ছুরণ
উপরের কোনটি রংধনু তৈরীর সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. শুধু i
  2. শুধু ii
  3. i ও ii উভয়
  4. i ও ii কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- রংধনু তৈরির সাথে আলোর বিচ্ছুরণ সম্পর্কিত। 
- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাঁচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাত রঙ বিশিষ্ট হয়। 
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। 
- আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে। 
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৩.
কোন মৌলটি DNA তে নেই?
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন
  3. ফসফরাস
  4. সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- DNA (ডিএনএ) মৌলগঠনে সোডিয়াম (Na) থাকে না। 
- DNA একটি নিউক্লিক এসিড, যা নাইট্রোজেন, কার্বন, ফসফরাস এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। 
- DNA (ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) একটি দ্বি-সূত্রাকার অণুযৌগ যা জীবনের মৌলিক একক। 

১। নাইট্রোজেনযুক্ত বেজ: 
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে। 
যথা- এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন। 
- পুরিন বেজ: এডিনিন ও গুয়ানিন। 
- পাইরিমিডিন বেজ: সাইটোসিন ও থাইমিন। 

২। পেন্টোজ সুগার: 
- এটি ৫ কার্বন পরমাণুর সাইক্লিক সুগার যা বেজগুলোর সাথে বন্ধিত। 

৩। ফসফেট গ্রুপ: 
- ফসফরাস ও অক্সিজেন পরমাণুর একটি গ্রুপ যা ডি-অক্সিরাইবোজ মলিকিউলগুলোর মধ্যে বন্ধন তৈরি করে। 

- DNA এর দুটি সূত্র বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে বন্ধিত থাকে এবং এদের মধ্যে বেজ-জোড় গঠন করে। 
- এডিনিন সর্বদা থাইমিনের সাথে এবং গুয়ানিন সর্বদা সাইটোসিনের সাথে বন্ধন গঠন করে। 
- এই গঠনে সোডিয়াম (Na) কোনো ভূমিকা রাখে না। 

সুতরাং, DNA মৌলগঠনে সোডিয়াম উপস্থিত থাকে না, অপরদিকে নাইট্রোজেন, কার্বন, ফসফরাস এবং অক্সিজেন DNA এর মৌলিক গঠনে অবশ্যই উপস্থিত থাকে। 
১০৪.
নিচের কোন রোগটির জন্য H1N1 ভাইরাস দায়ী?
  1. ডেঙ্গু
  2. সোয়াইন ফ্লু
  3. বার্ড ফ্লু
  4. এইডস্
ব্যাখ্যা
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে, এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 
 
উৎস:
1. WHO Website [লিঙ্ক]।
2. Britannica [লিংক]. 
১০৫.
নিচের জোড়গুলো বিবেচনা করুন-
ভিটামিন              অভাবজনিত রোগ
i) ভিটামিন -D      রিকেট (Ricket)
ii) ভিটামিন E       রাতকানা (Night blindness)
উপরের কোন জোড়টি সঠিকভাবে সম্পর্কযুক্ত?
  1. শুধু i
  2. শুধু ii
  3. i ও ii উভয়
  4. i ও ii কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি -এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 
 
অন্যদিকে, 
- ভিটামিন এ -এর অভাবে রাতকানা রোগ হয় কিন্তু অপশনে ভিটামিন ই দেওয়া যা সঠিক নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৬.
নিচের কোনটি মাছের চাষ বুঝায়?
  1. পিসিকালচার (Pisciculture)
  2. সেরিকালচার (Sericulture)
  3. এপিকালচার (Apiculture)
  4. হর্টিকালচার (Horticulture)
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১০৭.
নিচের কোনটিকে কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে (Artificial Media) জন্মানো যায় না?
  1. মাইকোপ্লাজমা
  2. অ্যাকর্টিনোমাইসিটিস
  3. নীলাভ সবুজ শৈবাল
  4. ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- ভাইরাসকে কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে জন্মানো যায় না। 
- ভাইরাস হলো একটি অতি সূক্ষ্ম জীবাণু যা কোনো প্রজাতির জীবন্ত কোষের মধ্যে বসবাস করে এবং সেখান থেকেই সবরকম প্রয়োজনীয় উপাদান গ্রহণ করে। 
- ভাইরাসের নিজস্ব কোনো জীবনচক্র নেই, তাই এটি কোনো প্রকার কৃত্রিম মাধ্যমে জীবিত থাকতে পারে না বা বংশ বিস্তার করতে পারে না। 

অন্যদিকে, 
- মাইকোপ্লাজমা হচ্ছে একক-কোষী প্রোকেরিওটিক বা ব্যাকটেরিয়া যা কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে জন্মানো সম্ভব।
- অ্যাকর্টিনোমাইসিটিস হচ্ছে একক-কোষী প্রোকেরিওটিক বা ব্যাকটেরিয়া যা কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে জন্মানো সম্ভব। 
- নীলাভ সবুজ শৈবাল হচ্ছে ফটোসিনথেসিস করতে সক্ষম প্রোকেরিওটিক যা কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে জন্মানো যায়। 

সুতরাং, ভাইরাসকে কৃত্রিম আবাদ-মাধ্যমে জন্মানো সম্ভব নয়। কারণ এদের নিজস্ব কোনো জীবনচক্র নেই এবং এরা জীবন্ত কোষের উপরই নির্ভরশীল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
ট্রানজিস্টর তৈরিতে কোন প্রকার পদার্থ ব‍্যবহৃত হয়?
  1. প্লাস্টিক (Plastic)
  2. অর্ধ-পরিবাহী (Semiconductor)
  3. পরিবাহী (Conductor)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর (অর্ধ-পরিবাহী) দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৯.
নিচের তত্ত্বগুলো বিবেচনা করুন
i. আলো গ্রাভিটি (Gravity) দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ii. মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
উপরের কোনটি আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের ভবিষ্যতবাণী?
  1. শুধু i
  2. i ও ii উভয়
  3. শুধু ii
  4. i ও ii কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে, 
ক) আলো অভিকর্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়। অভিকর্ষ আলোর পথকে বক্র করে দেয়। 
খ) মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং গতি ত্বরাবর্তিত হচ্ছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণকে আইনস্টাইন কসমোলজিক্যাল ঘনত্ব বা কসমোলজিক্যাল স্থিতিশীল দ্বারা ব্যাখ্যা করেছিলেন। 
 
আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।
 
আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
 
অতএব, আলো মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
১১০.
নিচেরগুলো বিবেচনা করুন-
i. ফিঙ্গার প্রিন্ট (Finger Print)
ii. রেটিনা স্কানিং (Retina Scanning)
iii. কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)
উপরের কোনটি/কোনগুলো বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. শুধু i
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়
 
বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। 
যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ, 
আইরিশ (রেটিনা) শনাক্তকরণ
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test):
- ডিএনএ (DNA Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়।
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
- এরপর এগুলোর গঠন- প্রকৃতি শনাক্তের দ্বারা ম্যাপ বা ব্লু-প্রিন্ট বায়োলজিক্যাল ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়।
 
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১১১.
এনট্রপি কোন ভৌত ধর্মের পরিমাপ করে?
  1. চাপ
  2. তাপ
  3. শৃঙ্খলা
  4. বিশৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১১২.
কোন গ্যাসটি গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য কম দায়ী?
  1. CO2
  2. CFC
  3. N2O
  4. CH4
ব্যাখ্যা
- গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য কম দায়ী হচ্ছে- N2O যা বায়ুতে শতকরা ৬ ভাগ।
 
গ্রিন হাউজ গ্যাস: 
- যে সব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউজ গ্যাস বলে। 
- CO2 গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউজ গ্যাস বলা হয়। 
- এছাড়া জলীয় বাষ্প, মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ও ওজোন গ্যাস (O3) গ্রিন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে। 
- শেষের গ্যাসগুলোর ঘনত্ব বায়ুমণ্ডলে CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি। তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। 


উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১৩.
জাল টাকার নোট শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয় কোন রশ্মি?
  1. IR-Ray
  2. X-Ray
  3. y-Ray
  4. UV-Ray
ব্যাখ্যা
অতিবেগুনী রশ্মি: 
- দৃশ্যমান বেগুনি রশ্মির চেয়ে শক্তিশালী বিকিরিত রশ্মিকে অতিবেগুনী রশ্মি (UV রশ্মি) বলে। 
- অতিবেগুনী রশ্মি এক ধরনের তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ছোটো এবং রঞ্জন রশ্মির চেয়ে বড়। 
- এই রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার এবং শক্তি ৩ ইলেকট্রন-ভোল্ট থেকে ১২৪ ইলেকট্রন-ভোল্ট। 
- প্রকৃত ব্যাংক নোট ও পাসপোর্টে প্রতিপ্রভ পদার্থ দিয়ে তৈরি নিরাপত্তা সুতা, জলছাপ, নকশা লুকায়িত থাকে, যা জাল টাকা বা জাল পাসপোর্টে থাকে না। 
 - প্রকৃত নোট বা পাসপোর্টে UV রশ্মি আপতিত করলে প্রতিপ্রভ পদার্থ দ্বারা ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি শোষিত হয় এবং বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের দৃশ্যমান আলো বিকিরিত হয়; কিন্তু জাল টাকা বা জাল পাসপোর্টে প্রতিপ্রভ পদার্থ দ্বারা তৈরি কোনো নকশা বা জলছাপ না থাকায় এটি কোনো দৃশ্যমান আলোকরশ্মি বিকিরণ করতে পারে না। এভাবে UV রশ্মি দিয়ে জাল টাকা বা জাল পাসপোর্ট শনাক্ত করা যায়। 
- আসল পাসপোর্ট বা নোটে UV সংবেদনশিল কালির দ্বারা নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপত্তা চিহ্ন ছাপা থাকে, যা স্বাভাবিক ভাবে সাধারণ আলোয় দৃশ্যমান নয়, কিন্তু UV আলোর নিচে ওইসব নিরাপত্তা চিহ্ন দৃশ্যমান হয়, ফলে সহজেই UV দ্বারা আমরা জাল পাসপোর্ট এবং আসল পাসপোর্ট ও জাল নোট এবং আসল নোট শনাক্ত করতে পারি। 
 
উৎস: দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকা এবং ব্রিটানিকা।
১১৪.
নিচের কোন মৌলটি খাদ্য শৃঙ্খলের জন্য অনিরাপদ নয়?
  1. Ar
  2. Cr
  3. Pb
  4. Fe
ব্যাখ্যা
লোহা (Fe): 
- লোহা (Fe) খাদ্য শৃঙ্খলের জন্য অনিরাপদ নয়। 
- লোহা(Fe) একটি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যা শরীরের বিভিন্ন প্রাথমিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

অন্যদিকে, 
আর্গন (Ar): 
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
- এটি মানব শরীরে প্রবেশ করলে নানা সমস্যা যেমন- বমি বমি ভাব, মাথা ঘুরানো ইত্যাদি হতে পারে। 

ক্রোমিয়াম (Cr): 
- অতিরিক্ত ক্রোমিয়াম শরীরে প্রবেশ করলে এটি বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং নানা স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
- ক্রোমিয়াম আয়ন মানুষের শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী 'কারসিনোজেন' হিসেবে গণ্য।
- ক্রোমিয়াম দূষণ দ্বারা মানুষের পরিপাকতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র, রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম প্রভৃতি আক্রান্ত হয়। 

লেড (Pb): 
- দেহে লেডের পরিমাণ 50 ppb এর বেশি হলে লেডের বিষ ক্রিয়া দেখা দেয়। 
- লেডের বিষক্রিয়ায় দাঁতের মাড়ি নীলাভ হয়। 
- লেড হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে বাঁধা দেয়, ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- এটি নানা স্নায়ুতন্ত্রীয় সমস্যা ও মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১৫.
কম্পিউটার চালু হলে বুটিং এর সময় যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় তার নাম কী?
  1. POST
  2. BIOS
  3. BOOT
  4. LOAD
ব্যাখ্যা
- 'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- অর্থাৎ একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 
 
• হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে সফটওয়‍্যারটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- LOAD বলতে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস যে কোনো সময়ে যে পরিমাণ কাজ পরিচালনা করছে তা বোঝায়।
 
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১৬.
কোন কম্পিউটার মেমোরি Volatile?
  1. SSD
  2. HDD
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমরি এর তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমোরি বলে।

• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায়না তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
যেমন- ROM, SSD, HHD ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
1 KB =?
  1. 1024 bits
  2. 1024 bytes
  3. 1024 MB
  4. 1024 GB
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: Computerhope website.
১১৮.
নিচের কোনটি Network Topology নয়?
  1. Bus
  2. Star
  3. P2P
  4. Ring
ব্যাখ্যা
- P2P বলতে বোঝায় Peer-to-peer যা একটি distribution model.
- Bus, Star এবং Ring তিনটিই নেটওয়ার্ক টপোলজির অন্তর্ভুক্ত।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়।
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। যথা:

১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology),
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology),
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology),
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology),
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১৯.
নিচের কোন গ্রুপটি Graphical File এর Extension?
  1. JPG, CPX, GCM
  2. GIF, TCE, WMF
  3. TCP, JPG, BMP
  4. JPG, GIF, BMP
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।

• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• CPX- Game Files or Raster Image Files.
• GCM are platforms developed by Google for sending push notifications to Android devices.
• The TCE file extension is used for an ASCII text file.
• WMF is short for Windows Metafile.
• TCP stands for Transmission Control Protocol. (Internet Protocol)

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১২০.
কম্পিউটার সফটওয়‍্যারের মধ্যে কোন ভুলের কারণে সেটি সঠিকভাবে কাজ করে না?
  1. Bug
  2. Virus
  3. Malware
  4. Worm
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলে।
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
- ভাইরাস হলো কম্পিউটারের একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- Malware এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়‍্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
• অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র‍্যানসমওয়‍্যার (Ransomware)
• Rootkits
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২১.
নিচের কোনটি সঠিক IP address নয়?
  1. 1.2.3.4
  2. 100.100.100.100
  3. 192.168.2.256
  4. 200.201.202.203
ব্যাখ্যা
• 192.168.2.256 সঠিক IP address নয় কারণ,  IP address এর চারটি সেগমেন্ট প্রত্যেকটি 0 থেকে 255 এর মধ্যে হতে হয় তাহলে সেগমেন্ট এর প্রত্যেকটি মান একটি ভ্যালিড IP address হিসাবে গণ্য হয়। 192.168.2.256 এই আইপি অ্যাড্রেসটির চতুর্থ সেগমেন্টের মান 255 এর চেয়ে বড় বলে এটি সঠিক নয়।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
Ping Command টি কোন Protocol ব্যবহার করে?
  1. TCP
  2. ARP
  3. ICMP
  4. BootP
ব্যাখ্যা
- Ping Command টি ICMP Protocol ব্যবহার করে।
- BootP দ্বারা Bootstrap Protocol, ARP দ্বারা Address Resolution Protocol এবং TCP দ্বারা Transmission Control Protocol নির্দেশ করে।

• ICMP:
- ICMP-এর পূর্ণরূপ হলো Internet Control Message Protocol.
- ICMP হলো RFC 792 ইন্টারনেট প্রোটোকলের একটি এক্সটেনশন এবং TCP/IP বার্তাগুলোর জন্য একটি Error রিপোর্টিং প্রোটোকল।
- বিভিন্ন IP ভার্সনের জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের ICMP রয়েছে, IPv4 এর জন্য ICMPv4 এবং IPv6 এর জন্য ICMPv6.
- ICMP কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক রাউটার সহ সব ধরণের নেটওয়ার্ক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, যা সমস্যা সনাক্ত করতে এবং নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে সহায়তা করে।

উৎস:
১. Computer hope website.
২. Techtarget.
১২৩.
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে কী বলে?
  1. Operating System
  2. Embedded Computer
  3. M/S
  4. Mainframe Computer
ব্যাখ্যা
- হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে Embedded Computer বলে।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।
 
উৎস:
১. Computer Hope website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে বলা হয়-
  1. Centralized database
  2. Cloud database
  3. Distributed database
  4. Relational database
ব্যাখ্যা
• Distributed database:
- একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে Distributed database বলা হয়।
- বিভিন্ন সাইটে 2টি উপায়ে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। যথা:
১. Replication ও
২. Fragmentation.
- ফ্রাগমেন্টেশন দুটি উপায়ে করা যেতে পারে। যথা:
i) Horizontal fragmentation (Splitting by rows) এবং 
ii) Vertical fragmentation (Splitting by columns).

Source: geeksforgeeks [Link]
১২৫.
M-Commerce নিচের কোন টেকনোলজী ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. UDP
  3. POP
  4. WAP
ব্যাখ্যা
- এম-কমার্স Wireless Application Protocol (WAP) টেকনোলজী ব্যবহার করে।
- UDP দ্বারা বোঝায় User Datagram Protocol.
- SMTP এবং POP প্রটোকল দুইটি ই-মেইলে ব্যবহৃত হয়।

• এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।
- মোবাইল কমার্সের ফলে বিভিন্ন মোবাইল ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্রকার প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী যেমন- ক্রেডিট সেবা, বিভিন্ন টিকেট, মেডিকেল রেকর্ড ইত্যাদি এবং অর্থ সংরক্ষিত করে রাখার জন্য ওয়ালেট (Wallet) ব্যবহার করছে যা ইলেকট্রনিক ফরমেটে সংরক্ষিত হয়।
- ফলে এম কমার্সের ব্যবহারকারীরা বাটন ক্লিকের সাহায্যে মুহুর্তের মধ্যে বিভিন্ন ইনফরমেশন আপডেট করতে পারে এবং পরস্পরের সাথে শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ যথাসময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য বা সেবা আদান- প্রদানের সুবিধা বাড়ছে।
- এম কমার্স প্রধানত ব্যাংকিং, টিকেট ক্রয়, আবহাওয়া ও ভ্রমণ তথ্য প্রাপ্তি, বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য শেয়ার করা, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস:
১. ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Tachtarget [Link]
১২৬.
নিচের কোন কৌশলটি কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. WAN
  2. Deep learning
  3. Phishing
  4. Secure shell
ব্যাখ্যা
- মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং) কৌশলটি কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

অন্যদিকে,
- ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলাকে ফিশিং বলে।
- WAN একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যার পূর্ণরূপ Wide area network.
- Secure shell একটি নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
 
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
১২৭.
নিচের কোনটি Search engine নয়?
  1. Baidu
  2. Google
  3. Bing
  4. Chrome
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
- Baidu চীনের একটি সার্চ ইঞ্জিন।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১২৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. স্বায়ত্ত্বশাসন
  2. স্বায়ত্তশাসন
  3. স্বায়ত্বশাসন
  4. সায়ত্ত্বশাসন
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'স্বায়ত্তশাসন'- বানানটি সঠিক।
 
• 'স্বায়ত্তশাসন' (বিশেষ্য) শব্দটির অর্থ- 
- স্বজাতীয়দের দ্বারা পরিচালিত শাসন; স্বদেশবাসী কর্তৃক রাজ্যশাসন; স্বশাসন।
যেমন:
- ইউনিয়ন বোর্ড গ্রামের স্বাস্থ্য শিক্ষা যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতির উন্নতির তত্ত্বাবধানার্থে গ্রামবাসীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত স্বায়ত্তশাসনমূলক প্রতিষ্ঠান বিশেষ।
 
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১২৯.
'পেরেক' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. পর্তুগিজ
  2. ওলন্দাজ
  3. তুর্কি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'পেরেক' পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ. 
----------------
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ:
- আলপিন,
- আনারস,
- আলমারি,
- গির্জা,
- গুদাম,
- চাবি,
- পাউরুটি,
- পাদ্রি,
- বালতি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান। 
১৩০.
'বিবৃত স্বরধ্বনি' বলতে কী বোঝায়?...
  1. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট কম খোলে
  2. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে
  3. স্বাভাবিকভাবে উচ্চারিত স্বরধ্বনি
  4. বিকৃতভাবে উচ্চারিত স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
• ঠোটের উন্মুক্তি অর্থাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে আমরা কী পরিমাণ হাঁ করছি তা নির্ধারণ করে স্বরধ্বনিকে নিম্নলিখিত চার ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন:
১) বিবৃত স্বরধ্বনি,
২) অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি,
৩) অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনি,
৪) সংবৃত স্বরধ্বনি।
 
বিবৃত স্বরধ্বনি:
- এ স্বরধ্বনির উচ্চারণে ঠোঁট সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে।
- বাংলা ভাষায় এ জাতীয় স্বর মাত্র একটি— আ।
 
অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি:
- বিবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় ঠোঁট কম খোলা রেখে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে এভাবে দেখানো হয়।
যেমন:
- অ্যা, অ।
 
অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনি:
- সংবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় ঠোঁট বেশি খোলা কিন্তু অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনির তুলনায় কম খোলা থেকে
অর্ধ-সংবৃত স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়।
যেমন:
- এ, ও।
 
সংবৃত স্বরধ্বনি:
- ঠোঁট সবচেয়ে কম খোলা থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলো এ জাতীয়।
যেমন-
- ই, উ।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩১.
ছোট > ছোট্ট ______ এটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. সমীভবন
  2. অভিশ্রুতি
  3. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
  4. বর্ণ-বিপর্যয়
ব্যাখ্যা
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
- কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- পাকা > পাক্কা,
- সকাল > সক্কাল,
- ছোট > ছোট্ট,
- বড় > বড্ড,
- কিছু > কিচ্ছু  ইত্যাদি।
---------------
অন্যদিকে,
সমীভবন:
- শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
- জন্ম > জম্ম।

অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

ধ্বনি বিপর্যয় বা বর্ণ বিপর্যয়:
- শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরষ্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন:
- পিশাচ ˃ পিচাশ,
- লাফ˃ ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
'Bulletin' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. প্রজ্ঞাপন
  2. সম্প্রচার
  3. বিজ্ঞাপন
  4. জ্ঞাপনপত্র
ব্যাখ্যা
• 'Bulletin' শব্দের বাংলা পরিভাষা: 'জ্ঞাপনপত্র'। 

অন্যদিকে, 
Notification শব্দের বাংলা পরিভাষা: প্রজ্ঞাপন,
Broadcast শব্দের বাংলা পরিভাষা: সম্প্রচার,
Advertisement শব্দের বাংলা পরিভাষা: বিজ্ঞাপন। 

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
Constitution - সংবিধান।
Constituency - নির্বাচনী এলাকা/  নির্বাচকমণ্ডলী।
Manifesto - ইশতেহার।
Manuscript - পাণ্ডুলিপি।
‘Edition’ - সংস্করণ।
'Manual’ - সারগ্রন্থ।
‘Memorandum’ - স্মারকলিপি।
Gazette - ঘোষণাপত্র।
Invoice - চালান, প্রেরিতক-সূচি।
Armour- বর্ম।
Constipation- কোষ্ঠকাঠিন্য।
 
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৩৩.
'দেখতে দেখতে ভবনটা উঠে গেল।'____এখানে 'দেখতে দেখতে' কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. ভাবের প্রগাঢ়তা
  2. স্বল্পকাল
  3. বিস্ময়
  4. দীর্ঘকাল
ব্যাখ্যা
• 'দেখতে দেখতে ভবনটা উঠে গেল।'____এখানে 'দেখতে দেখতে' স্বল্পকাল অর্থ প্রকাশ করছে।

• ক্রিয়াবাচক পদের দ্বিরুক্তি : বাংলা ভাষায় ক্রিয়াবাচক পদ নিম্নোক্ত অর্থ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়
ক) বিশেষণরূপে : এত খাই খাই করা ভালাে নয়। তােমার নেই নেই ভাব আর গেল না।
খ) স্বল্পকাল স্থায়ী বােঝাতে : দেখতে দেখতে আকাশে মেঘ জমা হয়ে গেল। দেখতে দেখতে ভবনটা উঠে গেল। 
গ) ক্রিয়া-বিশেষণ বােঝাতে : সে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখছে। দেখে দেখে যাও।
ঘ) পৌণপুনিকতা বােঝাতে : তােমাকে ডেকে ডেকে আমি হয়রান হয়ে গেলাম।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
কোনটি অপপ্রয়োগের উদাহরণ?
  1. একক
  2. একত্রিত
  3. ঐক্য
  4. একত্র
ব্যাখ্যা
• 'একত্রিত'-  অপ্রয়োগের উদাহরণ। 

•  'একত্রিত' শব্দটি প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে 'একত্র'।

উল্লেখ্য,
বাংলা একাডেমি 'একত্রিত' শব্দকে বাংলা শব্দ হিসেবে গণ্যকরে শুদ্ধ দেখিয়েছে। তবে, শব্দটি ব্যাকরণসম্মত নয়। 
 
• তা- প্রত্যয়ের শুদ্ধ- অশুদ্ধ প্রয়োগ: 
- তা, ত্ব প্রত্যয় বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। 
- এই প্রত্যয় কেবল বিশেষণকে বিশেষ্য করে 
- তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা ত্ব প্রত্যয় প্রয়োগ অশুদ্ধ।
- বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক 'তা' প্রত্যয়ের ব্যবহার হলে তা অপপ্রয়োগ। 
 
 এ ধরনের অপপ্রয়োগের উদাহরণ:
- অধীনস্ত, আবশ্যকীয়, স্বত্ত্ব, সৌহার্দতা, সাদৃশ্যতা, সৌজন্যতা, কার্পণ্যতা, উৎকর্ষতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
একক, একত্র, ঐক্য, - শব্দগুলো শুদ্ধ প্রয়োগ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৩৫.
'লেফাফা দুরস্ত' বাগধারার 'লেফাফা' বলতে কী বোঝায়?
  1. পোশাক
  2. আচরণ
  3. চিঠি
  4. খাম
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
লেফাফা (বিশেষ্য)
- আরবি শব্দ।
অর্থ:
- চিঠি প্রভৃতি প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত কাগজের তৈরি মোড়ক,
- খাম।

• 'দুরস্ত' শব্দ:
- দুরস্ত (বিশেষণ) যা ফারসি ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ হচ্ছে জায়েজ, পরিপাটি, অভ্যস্ত।

উল্লেখ্য, 
• ’লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ- 'বাইরের ঠাট বজায় রেখে চলেন যিনি' 
বাক্য গঠন: গরিব হলে কী হবে, তাঁর লেফাফা দুরস্ত ভাব আর গেল না। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩৬.
'তিনি এ বাড়িতে থাকতেন।'______ বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করলে কী হবে?
  1. তিনি অন্য বাড়িতে থাকতেন।
  2. তিনি থাকতেন, তবে অন্য বাড়িতে।
  3. তিনি থাকতেন, তবে এ বাড়িতে।
  4. এ সেই বাড়ি যেটিতে তিনি থাকতেন।
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তরের নিয়ম: 
যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন-তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যােজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন -
সরল বাক্য: দুর্জন লােক পরিত্যাজ্য।
জটিল বাক্য: যেসব লােক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।
জটিল বাক্য: যেহেতু তুমি চেষ্টা করােনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।

তেমনিভাবে, 
সরল বাক্য: 'তিনি এ বাড়িতে থাকতেন।' 
জটিল বাক্য: এ সেই বাড়ি যেটিতে তিনি থাকতেন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩৭.
যখন তুমি, আপনি বা তুই সম্বোধন করতে দ্বিধা হয়, তখন কোন বাচ্যে কথা বলা হয়?
  1. কর্তৃবাচ্য
  2. ভাববাচ্য
  3. কর্মবাচ্য
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
• যখন 'তুমি, আপনি বা তুই' সম্বোধন করতে দ্বিধা হয়, তখন ভাববাচ্যে কথা বলা হয়। 

বাচ্য:
- বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় 'বাচ্য'।
- বাচ্য প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
(১) কর্তৃবাচ্য,
(২) কর্মবাচ্য ও
(৩) ভাববাচ্য।

ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। 

ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্য: 
- ভাববাচ্যে কর্তৃপদে 'র' 'এর' বা 'কে' বিভক্তি যুক্ত হয়। 
- ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন - এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন - এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
- তাই বলা যায়, যখন 'তুমি, আপনি বা তুই' সম্বোধন করতে দ্বিধা হয়, তখন ভাববাচ্যে কথা বলা হয়। 
-----------------
কর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন:
- মুবারক পুস্তক পাঠ করছে।
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
 
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয় ।
- কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যথা:
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।
 
কর্মবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন- শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
 
- কর্মবাচ্যে কর্মে প্রথমা, কর্তায় তৃতীয়া বিভক্তি ও দ্বারা দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক অনুসর্গের ব্যবহার এবং ক্রিয়াপদ কর্মের অনুসারী হয়।
যথা:
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
- বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন।
- চোরটা ধরা পড়েছে।
- বিশ্বজগৎ খোদাতায়ালা কর্তৃক সৃষ্টি হয়েছে।

কর্মকর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মপদই কর্তিস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলা হয়।
যেমন,
কাজটি ভালো দেখায় না।
বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩৮.
নিচের কোনটি বিশেষ্য?
  1. লাবণ্য
  2. উৎকৃষ্ট
  3. সুন্দর
  4. একত্র
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'লাবণ্য' - বিশেষ্য শব্দ।

• 'লাবণ্য' শব্দের অর্থ:
- চাকচিক্য;
- সৌন্দর্য;
- কান্তি;
- শ্রী;
- শোভা;
- লাবনি। 
-----------------
অন্যদিকে,
উৎকৃষ্ট' শব্দটি বিশেষণ; যার অর্থ: উত্তম, প্রকৃষ্ট।
সুন্দর - শব্দটি বিশেষণ । 
একত্র - শব্দটি বিশেষণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩৯.
'কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল'____ এখানে 'ডাল' শব্দটি কোন বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. গাছের শাখা
  2. বংশ
  3. ইন্দ্রিয়
  4. মৃত্যু
ব্যাখ্যা
• কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।- পদটির রচয়িতা 'লুইপা'।
- এটি চর্যাপদের প্রথম পদ।
 
• পদটির আধুনিক বাংলায় রূপান্তর এরকম - 
''কায়া তরুর মত, পাঁচটি তার ডাল
চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করেছে।।''

অন্তর্নিহিত ভাব :
শরীরের পাঁচ ইন্দ্ৰিয় পাঁচটি ডাল স্বরূপ। এই পঞ্চেন্দ্রিয় দ্বারা বাইরের বস্তুজগতের সঙ্গে মানুষের নিত্য জানাশোনার পালা চলেছে-জানাশোন যতোই বাড়ে ততই বেশী করে প্রীতির সঞ্চার হয় এবং বস্তুজগৎকেই চরম ও পরম জ্ঞান করে মানুষের তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু বস্তুজগতের মায়ামোহ-বন্ধন মানুষের জন্য ধ্বংসের পথ। বাঁচার পথ দেখাতে পারেন গুর।

সুতরাং,
অন্তর্নিহিত ভাব অনুসারে
''কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।''- এখানে 'ডাল' শব্দটি দ্বারা ইন্দ্রিয় বোঝানো হয়েছে।

• 'লুইপা' সম্পর্কিত তথ্য: 
- লুইপা প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের একজন কবি।
- মুহম্মদ শহীদুল্লার অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইফা জীবিত ছিলেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইফা রাঢ় অঞ্চলের লোক।
- লুইপা চর্যাপদের ১ ও ২৯নং পদ রচনা করেন। 
---------------------- 
• 'চর্যাপদ' সম্পর্কিত তথ্য: 
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- চর্যাপদ গ্রন্থের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা কাহ্নাপা তিনি মোট ১৩টি পদ রচনা করেন। তাঁর মধ্যে ১২টি পদ পাওয়া গেছে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা হচ্ছেন ভুসুকুপা। তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া, চর্যাগীতিকা- মুহম্মদ আবদুল হাই ও আনোয়ার পাশা।
১৪০.
'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে কালকেতু কার কাছে আংটি বিক্রি করতে গিয়েছিল?
  1. মুরারি শীল
  2. ভাড়ু দত্ত
  3. ধর্মকেতু
  4. নীলাম্বর
ব্যাখ্যা
• 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে কালকেতু মুরারি শীলের কাছে আংটি বিক্রি করতে গিয়েছিল। 
----------------------- 
'চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
• 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত। 
- চন্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷ 
- চন্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়। 
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।
 
• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।
 
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪১.
আলাওলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. পদ্মাবতী
  2. হপ্ত পয়কর
  3. তোহফা
  4. সিকান্দরনামা
ব্যাখ্যা
• আলাওলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ: 'পদ্মাবতী'। 
- ১৬৪৮ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

• ‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
- পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
- কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ/ পদুমাবত’ কাব্যের অনুবাদ।
- আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।
- কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে।  প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে।
-----------------
• আলাওল: 
- আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
- কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। 
 
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- সিকান্দার নামা,
- তোহ্ফা,
- সপ্তপয়কর  ,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, 
- রাগতালনামা,
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪২.
'যত যত মহাপণ্ডিত আছ এ সংসারে/আমার কবিত্ব কেহ নিন্দিতে না পারে।'-এটি কার রচনা?
  1. কাশীরাম দাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
  4. কৃত্তিবাস ওঝা
ব্যাখ্যা
• 'যত যত মহাপণ্ডিত আছ এ সংসারে/আমার কবিত্ব কেহ নিন্দিতে না পারে।'- পঙ্‌ক্তিটি কৃত্তিবাস ওঝা করেছেন।

• কৃত্তিবাস পঞ্চদশ শতকের কবি।
- তাঁর একটি দীর্ঘ আত্মপরিচিতি পাওয়া গেছে।
- এ আত্মপরিচিতিতে তিনি অনেক কথা বলেছেন। 
---------------------- 
• কৃত্তিবাস ওঝা:
- বাল্মীকির রামায়ণের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদক।
- তার এ রামায়ণকে শ্রীরাম পাঁচালিও বলা হয়।
- মৈথিলি ব্রাহ্মণদের অসমিয়া ভাষায় ওঝা বলা হয়।
- ওঝা শব্দটি এসেছে ‘উপাধ্যায়' থেকে।
- কৃত্তিবাসের পদবি ছিল মুখোপাধ্যায়।
-  বাংলা রামায়ণের আদি কবির নাম কৃত্তিবাস ওঝা।
- কবির কাব্যের ‘আত্ম পরিচয়' অংশ থেকে তাঁর বংশ পরিচয় পাওয়া যায়।

- তাঁর রামায়ণ এতোটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করে যে, ১৮০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে শ্রীরামপুরের পাদ্রিরা তাদের নব প্রতিষ্ঠিত প্রেসে গ্রন্থটি মুদ্রণ করেন। এ কারণে গোপাল হালদার মন্তব্য করেছেন, 'বাল্মীকি যেমন সংস্কৃতের আদি কবি কৃত্তিবাসও তেমনি বাঙলার আদি কবি।'
- কৃত্তিবাসের রামায়ণে চরিত্রসমূহ বাঙালি ঘরোয়া আমেজে সকলের পরিচিত হয়ে উঠেছে।
- মধুসূদন দত্ত একটি সনেটে কবিকে 'কীর্তিবাস তুমি' বলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন।
- 'কৃত্তিবাস কীর্তিবাস কবি, এ বঙ্গের অলঙ্কার'- কৃত্তিবাস সম্পর্কে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ মন্তব্য করেছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।
১৪৩.
'অলীক কুনাট্য রঙ্গে/মজে লোকে রাঢ়ে বঙ্গে/নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।' _______ উক্তিটি কার?
  1. রামনারায়ণ তর্করত্ন
  2. দুর্গাদাস কর
  3. হরচন্দ্র ঘোষ
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক (আধুনিক) নাটক - শর্মিষ্ঠা। এটি প্রকাশিত হয় - ১৮৫৯ সালে।
- এর রচয়িতা ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- তিনি শর্মিষ্ঠা নাটকের শুরুতে সেকালের নাটকের গ্রাম্যতায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেছেন -
''অলীক কূনাট্য রঙ্গে
মজে লোকে রাঢ়ে ও বঙ্গে
নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।''
----------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত: 
- মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে জানুয়ারি যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্কুলজীবনের শেষে তিনি কলকাতার হিন্দু কলেজে ভর্তি হন।
- এই কলেজে অধ্যয়নকালে ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি তাঁর তীব্র অনুরাগ জন্মে।
- ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হন। তখন তাঁর নামের প্রথমে যোগ হয় 'মাইকেল'।
- পাশ্চাত্য জীবনযাপনের প্রতি প্রবল আগ্রহ এবং ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি তীব্র আবেগ তাঁকে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্যরচনায় উদ্‌বুদ্ধ করে। পরবর্তীকালে জীবনের বিচিত্র কষ্টকর অভিজ্ঞতায় তাঁর এই ভুল ভেঙেছিল।
- বাংলা ভাষায় কাব্যরচনার মধ্য দিয়ে তাঁর কবিপ্রতিভার যথার্থ স্ফূর্তি ঘটে।
- তাঁর অমর কীর্তি ‘মেঘনাদ-বধ কাব্য'।
- বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে তিনি যোগ করেছেন নতুন মাত্রা।
- ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জুন কবি পরলোকগমন করেন।
 
• তাঁর রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য ও
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
 
• তাঁর নাটক:
- কৃষ্ণকুমারী,
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী; 
 
তাঁর প্রহসন:
- একেই কি বলে সভ্যতা? ও 
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
------------------
অন্যদিকে,
• রামনারায়ণ তর্করত্ন:
- বাংলা মৌলিক নাটক রচয়িতা হিসেবেই রামনারায়ণের মুখ্য পরিচয়।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বিধিবদ্ধ নাটক রচনার জন্য তিনি ‘নাটুকে রামনারায়ণ’ নামে পরিচিত ছিলেন।

দুর্গাদাস কর:
- ১৮৫৫ সালে দুর্গাদাস স্বর্ণশৃঙ্খল নাটক রচনা করেন। পরের বছর এটি বরিশালের আধুনিক মঞ্চে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- ১৮৬৩ সালে নাটকটি ঢাকা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং ওই বছর বরিশালে পুনরায় মঞ্চস্থ হয়।

হরচন্দ্র ঘোষ:
তিনিই সর্বপ্রথম প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য রীতির সংমিশ্রণে আধুনিক নাট্যরীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করেন।
- তাঁর ভানুমতী-চিত্তবিলাস (১৮৫৩), চারুমুখ-চিত্তহরা (১৮৬৪) ও রজতগিরিনন্দিনী (১৮৭৪) নাটকত্রয় যথাক্রমে শেক্সপীয়রের মার্চেন্ট অফ ভেনিস, রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট এবং দি সিলভার হিল নাটক অবলম্বনে রচিত।

সূত্র: লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ, বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
১৪৪.
'আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে' সুন্দরী?/বলো কোন্ পার ভিড়িবে তোমার সোনার তরী।'-কোন কবিতার অংশ?
  1. সোনার তরী
  2. মানসী
  3. নিরুদ্দেশ যাত্রা
  4. মানসসুন্দরী
ব্যাখ্যা
• 'আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী?/বলো কোন্ পার ভিড়িবে তোমার সোনার তরী।' - 'নিরুদ্দেশ যাত্রা' কবিতার অংশবিশেষ। 

নিরুদ্দেশ যাত্রা- কবিতা, 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে
হে সুন্দরী?
বলো  কোন্‌ পার ভিড়িবে তোমার
সোনার তরী।
যখনি শুধাই, ওগো বিদেশিনী,
তুমি হাস শুধু, মধুরহাসিনী--
বুঝিতে না পারি, কী জানি কী আছে
তোমার মনে। (সংক্ষেপিত) 

• 'সোনার তরী':
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।
 
এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো:
- সোনার তরী,
- বিম্ববতী,
- বর্ষাযাপন,
- সুপ্তোত্থিতা,
- হিং টিং ছট,
- বসুন্ধরা,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা।

----------------
রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া, উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ)।
১৪৫.
'বিষের বাঁশী' কাব্যগ্রন্থ কাজী নজরুল ইসলাম কাকে উৎসর্গ করেন?
  1. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  2. পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়
  3. বিরজাসুন্দরী দেবী
  4. মিসেস এম. রহমান
ব্যাখ্যা
• ''বিষের বাঁশী'' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেন নারী অধিকার আন্দলনের অগ্রনিয়ায়ক মিসেস এম. রহমানকে (মোসাম্মদ মাসুদা খাতুন) উৎসর্গ করেন।

• 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থ:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ বিষের বাঁশি।
- ১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (আগস্ট, ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই।
- সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে।
- এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ।
- নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার অন্তর্গত।
- কাজী নজরুলের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট হয়েছে।
--------
এছাড়া কবির আরো কিছু বিখ্যাত গ্রন্থ যাদের উৎসর্গ করেন: 
প্রথম কাব্যগ্রন্থ - অগ্নিবীণা; বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ;
বিষের বাঁশি - মিসেস এম. রহমান;
ভাঙার গান - মেদিণীপুরবাসী;
চক্রবাক - সুরেন্দ্রনাথ মৈত্র;
বাঁধনহারা- নলিনীকান্ত সরকার; 
সঞ্চিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; 
সর্বহারা - বিরজাসুন্দরী দেবী।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া, 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থ।
১৪৬.
হাসন রাজার জন্ম ও মৃত্যু সাল-
  1. ১৮৫৪-১৯২২
  2. ১৯৫৪-২০২২
  3. ১৮৩৪-১৯০২
  4. ১৯৩৪-২০০২
ব্যাখ্যা
• হাসন রাজার জন্ম ও মৃত্যু সাল১৮৫৪-১৯২২। 

• হাছন রাজা:
- ১২৬১ বঙ্গাব্দের ৭ পৌষ (১৮৫৪ সালের ২৪ জানুয়ারি) সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মরমি কবি, সাধক।
- তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার আধ্যাত্মিক গান রচনা করেন। 
- হাসন রাজা ছিলেন একজন ঐশীপ্রেমী এবং সেই প্রেমে মাতোয়ারা হয়েই তিনি গান রচনা করতেন।
- তিনি গানের ভণিতায় নিজেকে ‘পাগলা হাছন রাজা’, ‘উদাসী’, ‘দেওয়ানা’,  ‘বাউলা’ ইত্যাদি বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার ভারতীয় দর্শন কংগ্রেসের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে বলেছিলেন, ‘পূর্ববঙ্গের একজন গ্রাম্য কবির গানে দর্শনের একটি বড় তত্ত্ব পাই সেটি এই যে, ব্যক্তিস্বরূপের সহিত সম্বন্ধসূত্রেই বিশ্ব সত্য।’

- তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত গান: 
• আঁখি মঞ্জিয়া দেখ রূপ রে,
• আগুন লাগাইয়া দিল কুনে, হাছন রাজার মনে,
• সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো,
• নিশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে।
- উদাস হাছন (১৯০৭), শৌখিন বাহার, হাছন বাহার ইত্যাদি গ্রন্থে তাঁর গানগুলি সংকলিত হয়েছে।
- ১৯২২ সালের ৭ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'উদাস হাছন' গ্রন্থ।
১৪৭.
‘আমার দেখা নয়াচীন' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ২০১২
  2. ২০১৭
  3. ২০২০
  4. ২০২২
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন।
- প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।
--------------------
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:
• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- বইটি লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। 
- বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
 
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় বই কারাগারের রোজনামচা।
- প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা।
- এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।

উৎস: ১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো। 
১৪৮.
ডিরোজিও কোন কলেজের শিক্ষক ছিলেন?
  1. হিন্দু কলেজ
  2. বিশপস কলেজ
  3. বেথুন কলেজ
  4. মেট্রোপলিটন কলেজ
ব্যাখ্যা
• হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও:
- ডিরোজিওর পূর্ণ নাম- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- মাত্র সতেরো বছর বয়সে হিন্দু কলেজের (বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁর একটি সংগঠন 'অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন'।
- ডিরোজিওর অনুসারী মুক্তচিন্তক গোষ্ঠীকে বলা হয় 'ইয়ংবেঙ্গল'।
- তিনি 'ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪৯.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নাটক কোনটি?
  1. যুদ্ধ
  2. কবর
  3. বর্ণচোর
  4. বিবাহ
ব্যাখ্যা
• মমতাজউদ্দীন আহমেদ (১৯৩৫-২০১৯) রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি নাটক:
- বর্ণচোর, 
- বকুলপুরের স্বাধীনতা, 
- কী চাহ শঙ্খচিল, 
- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ইত্যাদি।

মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক-
• নরকের লাল গোলাপ - আলাউদ্দিন আল আজাদ.
• যে অরণ্যে আলো নেই - নীলিমা ইব্রাহীম,
• পঙ্কজ বিভাস - জিয়া হায়দার,
• কিংশুক যে ম্রুতে - মোহাম্মদ এহসানুল্লাহ,
• কি চাহ শঙ্খচিল - মমতাজউদ্দীন আহমেদ,
• প্রতিদিন একদিন - সাঈদ আহমদ,
• ফেরী আসছে - রনেশ দাশগুপ্ত।
-------------------
• মমতাজউদদীন আহমদ: 
- মমতাজউদদীন আহমদ মূলত একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্মগ্রহণ করেন। 
- মুক্তিযুদ্ধোত্তর সমাজ বাস্তবতাকে অবলম্বন করে রচিত হয়েছে তাঁর নাট্যভুবন। আঙ্গিকগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়, বরং হাস্য-কৌতুকময় বিষয়বস্তুর মাধ্যমে জীবনের কোনো গভীরতর সত্যের সন্ধানই মমতাজউদদীন আহমদের নাট্যসাহিত্যের প্রধান প্রবণতা।
- ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাঁর নাটকে বহুমাত্রিক ব্যঞ্জনায় শিল্পিতা পেয়েছে। এ ধারায় তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো মধ্যে ‘বিবাহ’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
 
• তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:
- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা,
- কী চাহ শঙ্খচিল,
- হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার,
- প্রেম,
- বিবাহ সুটকেস,
- রাজা অনুস্বারের পালা,
- সাত ঘাটের কানাকড়ি,
- রাক্ষুসী,
- এই সেই কণ্ঠস্বর,
- পুত্র আমার পুত্র,
- হাস্য লাস্য ভাষ্য,
- ভালোবাসার দশ নাটক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫০.
'শেষপ্রশ্ন' উপন্যাস হলে 'শেষলেখা' কী?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. কাব্যনাটক
  4. কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'শেষপ্রশ্ন' উপন্যাস - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং 'শেষলেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কাব্যগ্রন্থ।

• 'শেষপ্রশ্ন' উপন্যাস:
- 'শেষপ্রশ্ন' (১৯৩১) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিতর্কপ্রধান ও সমস্যামূলক উপন্যাস।
- এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মূল উপন্যাস ধারা থেকে কিছুটা পৃথক। 
- চরিত্র: শিবনাথ, মনোরমা, অজিত, কমল, নীলিমা, আশুবাবু।

অন্যদিকে, 
• 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থ:
- শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- এটির নামকরণ রবীন্দ্রনাথ নিজে করে যেতে পারেন নি।
- অধিকাংশ রচনা তাঁর জীবনের শেষ কয়েকদিনে রচনা।
- কয়েকটি কবিতা মুখে মুখে রচিত। 

 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন-
"রূপ-নারানের কূলে,
জেগে উঠিলাম;
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।