পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়43 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: পার্ট- ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. শব্দপ্রকরণ (সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ) ২. পদ-প্রকরণ (পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ) ৩. বাক্য প্রকরণ (বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।) পার্ট- ২: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। পার্ট-৩: টপিকসমূহ: ১. স্থানাঙ্ক সমস্যা (Space Relation): ২. সংখ্যাগত দক্ষতা (Numerical Ability)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটিতে একাধিক উপসর্গ রয়েছে?
  1. ক) সংবাদ
  2. খ) সম্পূর্ণ
  3. গ) সম্প্রদান
  4. ঘ) বিবাদ
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান
ব্যাখ্যা
‘সম্প্রদান’ শব্দটিতে একাধিক উপসর্গ রয়েছে ।
উপসর্গ: 
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নত্ন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যেমন -
- অজানা = অ + জানা
- বেতার = বে + তার 

• অনেক সময় শব্দের শুরুতে একসঙ্গে একাধিক উপসর্গ বসতে পারে।
যেমন - 
‘সম্প্রদান’ শব্দে ‘দান’ এর আগে ‘সম্‌’ এবং ‘প্র’ - এই দুটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, (নমব-দশম শ্রেণি)
.
‘বেমালুম’ - শব্দটি কোন উপসর্গ দ্বারা গঠিত?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) হিন্দি
সঠিক উত্তর:
খ) ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফারসি
ব্যাখ্যা
‘বেমালুম’ - শব্দটি ফারসি উপসর্গ দ্বারা গঠিত

• আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি - এস্ব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে । এর কতগুলো খাঁটি উচ্চারণে আবার কতগুলো বিকৃত উচ্চারণে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
এ সঙ্গে কতগুলো বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু রয়েছে। দীর্ঘকাল ব্যবহারে এগুলো বাংলা ভাষায় বেমালুম মিশে গিয়েছে।

‘বেমালুম’ শব্দটিতে ‘মালুম’ আরবি শব্দ আর ‘বে’ ফারসি উপসর্গ ।

 উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)
.
নিচের কোনগুলি সাধারণ-বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ক) আকাশ, বই
  2. খ) নদী, ছাগল
  3. গ) আনন্দ, দীনতা
  4. ঘ) মিছিল, পরিবার
সঠিক উত্তর:
খ) নদী, ছাগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নদী, ছাগল
ব্যাখ্যা
‘নদী, ছাগল’ সাধারণ-বিশেষ্যের উদাহরণ ।

সাধারণ-বিশেষ্য:

জাতি বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়।
যেমন- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

- আকাশ, বই বস্তু-বিশেষ্য এর উদাহরণ ।
- আনন্দ, দীনতা গুণ-বিশেষ্যের উদাহরণ ।
- মিছিল, পরিবার সমষ্টি - বিশেষ্যের উদাহরণ।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, (নমব-দশম শ্রেণি)
.
“যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি” - বাক্যটি কোন যোজক নির্দেশ করছে?
  1. ক) সাধারণ যোজক
  2. খ) বিকল্প যোজক
  3. গ) বিরোধ যোজক
  4. ঘ) সাপেক্ষ যোজক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপেক্ষ যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপেক্ষ যোজক
ব্যাখ্যা
“যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি” - বাক্যটি সাপেক্ষ যোজক নির্দেশ করেছে ।

- এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয় ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি (নবম-দশম শ্রেণি)
.
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম কয় ধরনের?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিবাচক সর্বনাম তিন ধরনের।

- বক্তা পক্ষের সর্বনাম : আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যাদি ।
- শ্রোতা পক্ষের সর্বনাম: তুমি, তোমরা, তুই, তোরা, আপনি, আপনারা, তোমাকে, তোকে ইত্যাদি ।
- অন্য পক্ষের সর্বনাম : সে, তারা, তিনি, তাঁরা , এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি (নবম - দশম শ্রেণি)
.
বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্য কয় প্রকার?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা
বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্যকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায় : 

- সক্রিয় বাক্য
- অক্রিয় বাক্য

সক্রিয় বাক্য:
যে বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে, সেগুলোকে সক্রিয় বাক্য বলে.
যেমন -
আমার মা চাকরি করেন ।

অক্রিয় বাক্য :
যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে না, সেগুলোকে অক্রিয় বাক্য বলে ।
যেমন -
তিনি বাংলাদশের নাগরিক

• তবে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের প্রয়োগে এগুলো সক্রিয় বাক্য হয়ে যায় ।
যেমন -
‘তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন’ বা ‘তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি (নবম - দশম শ্রেণি)
.
‘এরা অন্য জাতের মানুষ ‘ - এর প্রশ্নাত্মক রূপ কোনটি?
  1. ক) এরা কোন জাতের মানুষ?
  2. খ) এরা অন্য জাতের মানুষ না?
  3. গ) এরা কি অন্য জাতের মানুষ?
  4. ঘ) এরা কি অন্য জাতের মানুষ নয়?
সঠিক উত্তর:
ঘ) এরা কি অন্য জাতের মানুষ নয়?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এরা কি অন্য জাতের মানুষ নয়?
ব্যাখ্যা
‘এরা অন্য জাতের মানুষ‘ - এর প্রশ্নাত্মক রূপ - এরা কি অন্য জাতের মানুষ নয়?

অস্তিবাচক বাক্য থেকে প্রশ্নাত্মক রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মুলর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সুত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে : 

• সূত্র -১ : কর্তার পর সাধারণত প্রশ্নবাচক অব্যয় ব্যবহার করতে হবে।
• সূত্র - ২ : ক্রিয়াপদের পর ‘না’ অব্যয়ের প্রয়োগ করতে হবে।
• সূত্র - ৩ : বাক্য শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকবে।

যেমন -
অস্তিবাচক -  তার সম্বন্ধে জানা দরকার।
প্রশ্নবাচক - তার সম্বন্ধে জানা দরকার নয় কি? 

অস্তিবাচক - এরা অন্য জাতের মানুষ।
প্রশ্নবাচক - এরা কি অন্য জাতের মানুষ নয়?

উৎস: উৎস: ভাষা - শিক্ষা, বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
“শহিদের মৃত্যু নেই” - এর অস্তিবাচক রূপ -
  1. ক) শহিদেরা মরেনা
  2. খ) শহিদ এর মৃত্যু নাই
  3. গ) শহিদেরা অমর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) শহিদেরা অমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শহিদেরা অমর
ব্যাখ্যা
‘শহিদের মৃত্যু নেই’- এর অস্তিবাচক রূপ - “শহিদেরা অমর”

নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর:
নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলেমৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে।

সূত্র: ১
বাক্য পরিবর্তিত হলেও মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন -
নেতিবাচক: সেটা কখনোই সফল হতে পারে না। 
অস্তিবাচক: সেটা সর্বদাই অসফল হয়।

সূত্র: ২
'না', 'নয়', 'নি', 'নেই', 'নহে' ইত্যাদি নঞর্থক পদ তুলেদিতে হয় এবং শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে হ্যা-বাচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়।
যেমন -
নেতিবাচক: কোথাও শান্তি ছিল না।
অস্তিবাচক: সর্বত্র অশান্তি ছিলো।

সূত্রঃ ৩
প্রয়োজনমতো নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ দ্বারা অস্তিবাচকে রূপান্তর করতে হয়।
যেমন -
নেতিবাচক: শহিদের মৃত্যু নেই।
অস্তিবাচক: শহিদেরা অমর।

উৎস: ভাষা - শিক্ষা, বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
“সাবধান না হলে বিপদে পড়বে” - বাক্যটি একটি -
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) মিশ্রিত বাক্য
সঠিক উত্তর:
ক) সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সরল বাক্য
ব্যাখ্যা
“সাবধান না হলে বিপদে পড়বে” - বাক্যটি একটি  সরল বাক্য ।

সরল বাক্য:
যে বাক্যে একটি কর্তা এবন একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে ।

সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য রূপান্তর: 
যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন-তখন, যত- তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন-
সরল বাক্য: সাবধান না হলে বিপদে পড়বে
জটিল বাক্য: যদি তুমি সাবধান না হও, তাহলে বিপদে পড়বে ।

উৎস: ভাষা - শিক্ষা, বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ
১০.
ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয় । বাক্যে ‘ভেড়া’ কোন কারক?
  1. ক) কর্তা কারক
  2. খ) কর্ম কারক
  3. গ) করণ কারক
  4. ঘ) অপাদান কারক
সঠিক উত্তর:
গ) করণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করণ কারক
ব্যাখ্যা
বাক্যে  ভেড়া- করণ কারক।

করণ কারক:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত ‘দ্বারা’, ’দিয়া’, ‘কর্তৃক’ ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয় । 
যেমন - 
ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয় ।
 
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( নবম - দশম শ্রেণি )
১১.
শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে কোন বিভক্তি হয়?
  1. ক) -র
  2. খ) -এর
  3. গ) -য়ের
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) -য়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) -য়ের
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে '-য়ের' বিভক্তি হয়।

যেমন - ভাইয়ের, লাউয়ের, মৌয়ের ইত্যাদি ।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( নবম-দশম শ্রেণি )
১২.
“ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও” - বাক্যে ‘ক্ষুদার্ত’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) সম্প্রদান কারকে শুণ্য বিভক্তি
  2. খ) সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
  3. গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
“ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও” - বাক্যে ‘ক্ষুদার্ত’ সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি

সম্প্রদান কারক:

যাকে স্বত ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে । কাকে দান করা হলো ? প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যায় সেটই সম্প্রদান কারক।

• সম্প্রদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির বদলে চতুর্থী বিভক্তি যুক্ত হয় । চতুর্থী বিভক্তি সাধারণত আর কোথাও যুক্ত হয় না । ‘কে/রে' বিভক্তি দুটি সম্প্রদান কারকের সঙ্গে থাকলে তা চতুর্থী বিভক্তি । 

• অন্য কোনো কারকের সঙ্গে থাকবে তা দ্বিতীয়া বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয় । তবে কোথাও নিমিত্তার্থে 'কে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে তার যেমন - বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল । (নিমিত্তার্থে চতুর্থী বিভক্তি)।

সম্প্রদান কারকে বিভক্তির প্রয়োগ :
- ভিক্ষা দাও আসিলে ভিক্ষুক। (কাকে ভিক্ষা দাও? ভিক্ষুক) : এখানে ভিক্ষুক সম্প্রদান কারকে শূন্য বিভক্তি। 
- ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও। (কাকে দান করা হলো? অসহায়কে) : সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি।
- অন্ধজনে দেহ আলো। (কাকে দান করা হলো? অন্ধজনে) : সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। 
- সমিতিতে চাঁদা দাও। (কাকে দান করা হলো? সমিতিতে) : সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ।
১৩.
নিচের কোনটি মৌলিক বাংলা শব্দ বিভক্তি নয়?
  1. ক) কে
  2. খ) রে
  3. গ) র
  4. ঘ) থেকে
সঠিক উত্তর:
ঘ) থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থেকে
ব্যাখ্যা
‘- থেকে’ বাংলা মৌলিক  শব্দ বিভক্তি নয়।

বিভক্তি:
বাক্যের একটি শব্দের সঙ্গে আরেকটি সগব্দের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য শব্দগুলোর সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত করতে হয় । এসব শব্দাংশকে বলা হয় বিভক্তি ।
যেমন -
পাখিটি গাছে বসে আছে। বাক্যটিতে গাছে ( গাছ + এ বিভক্তি )। 
 
• মৌলিক বাংলা শব্দ বিভক্তিগুলো হলো - ( ০ ), এ, তে, কে, রে, র (এর)।

তবে এছাড়াও কিছু কিছু অব্যয় শব্দ কারক সম্বন্ধ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এগুলো হলো - দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, হতে, থেকে, চেয়ে ইত্যাদি ।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন
১৪.
কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় -
  1. ক) জলবায়ু
  2. খ) আবহাওয়া
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ
  4. ঘ) সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
খ) আবহাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবহাওয়া
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - আবহাওয়া

আবহাওয়া
:
- বায়ুমণ্ডল ও তার গঠনকারী উপাদানভেদে বায়ুমন্ডলের বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে বৈচিত্র্যময় হয়।
- বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে চাপ, তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহের পার্থক্য তৈরি হলেই প্রতিদিনের বায়ুপ্রবাহ, বায়ুতাপ ও চাপের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি উপাদানের অবস্থা।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া।
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে।
- আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় “আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে।
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
জাপান ও ভিয়েতনামে কোন বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. ক) নিয়ত বায়ু
  2. খ) অয়ন বায়ু
  3. গ) মৌসুমি বায়ু
  4. ঘ) পশ্চিমা বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- মৌসুমী বায়ু। 

সাময়িক বায়ু
:
- কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু।
- সাময়িক বায়ু দুই ধরনের। যথা- মৌসুমি বায়ু এবং স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।

মৌসুমি বায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে বলা হয় মৌসুমি বায়ু।
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি ভাষায় “মত্তসুম” শব্দ থেকে যার অর্থ হলো ঋতু। এটি একটি আঞ্চলিক বায়ু।
- সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত ও গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য হয় বলেই মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়।
- প্রধাণত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়। এছাড়াও কর্কটক্রান্তি অঞ্চলে যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত ইত্যাদি অঞ্চল এই বায়ুপ্রবাহের অন্তর্গত।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হওয়ার জন্য কর্কটক্রান্তির বায়ুর চাপ কমে যায় ও সুবৃহৎ নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়।
- এ অবস্থায় দক্ষিণ গোলার্ধের ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে আগত দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে।
- এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যাওয়া এই বায়ুকে তাই বলা হয় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মের মৌসুমি বায়ু।
- মধ্য এশিয়ায় নিম্নচাপের দ্বারা দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু উৎপন্ন হয়। ফলে চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাপান, কম্বোডিয়া, লাওস ইত্যাদি দেশে বৃষ্টিপাত ঘটে।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাকিস্তান, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত হয়। অপরদিকে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে এবং মকরক্রান্তিতে তখন নিম্নচাপ সৃষ্ট হয়।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগ শীতল হয় বলে তখন ঐ স্থানে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।
- এই সময় বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বলে এবং এই বায়ু শুষ্ক থাকে।
- মৌসুমি বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বাম দিকে বেঁকে যায় এবং উত্তর-পশ্চিমে মৌসুমি বায়ুরূপে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের কোন ঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়?
  1. ক) অনুবাত
  2. খ) অনুপাদিত
  3. গ) প্রতিবাত
  4. ঘ) প্রতিপদ
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিবাত
ব্যাখ্যা
-  উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- প্রতিবাত ঢালে।

বৃষ্টিপাত

- বৃষ্টিপাত হলো কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার একটি অবস্থা যা নানা ধরনের আবহাওয়ার উপাদানসমূহের উপর নির্ভরশীল। 
- স্বাভাবিকভাবে মেঘ যখন আকাশে ভাসতে থাকে তখন তা ঘনীভূত হয়ে ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বলা হয় বৃষ্টিপাত (Rainfall)।

বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত। 
- এই ৪টি প্রকারভেদ হলো- ১. পরিচলন বৃষ্টিপাত ২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত এবং ৪. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত।

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- তবে পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain - Shadow region)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে মোট কত শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে?
  1. ক) প্রায় ৩০ শতাংশ
  2. খ) প্রায় ২০ শতাংশ
  3. গ) প্রায় ১০ শতাংশ
  4. ঘ) প্রায় ৪০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- প্রায় ২০ শতাংশ। 

জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব
:
- জলবায়ু পরিবর্তন হলো মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলের গঠনগত পরিবর্তন যা নির্দিষ্ট সময়কালে জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন ঘটায় এবং প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ভিন্নতা প্রদর্শন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। 
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- বিজ্ঞানীরা এক গবেষণায় বলেছেন গ্রীনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে। যেমন- রাশিয়া, নরওয়ে, কানাডা, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ইত্যাদি। এই সকল এলাকার জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষযোগ্য হয়ে উঠছে।
- কিন্তু পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ দরিদ্র অধিবাসীরা এই গ্রীনহাউসের প্রভাবে নানা রকম দুর্ভোগের মধ্যে পড়বে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
- পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
সংঘর্ষ বৃষ্টিতে কোন দুটি বায়ু মুখোমুখি হয়?
  1. ক) শীতল ও নাতিশীতোষ্ণ
  2. খ) উষ্ণ ও শীতল
  3. গ) ঘন ও শিশিরাঙ্ক
  4. ঘ) বরফ কণা ও গরম বায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) উষ্ণ ও শীতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উষ্ণ ও শীতল
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- উষ্ণ ও শীতল। 

বৃষ্টিপাত

- বৃষ্টিপাত হলো কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার একটি অবস্থা যা নানা ধরনের আবহাওয়ার উপাদানসমূহের উপর নির্ভরশীল। 
- স্বাভাবিকভাবে মেঘ যখন আকাশে ভাসতে থাকে তখন তা ঘনীভূত হয়ে ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বলা হয় বৃষ্টিপাত (Rainfall

সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত:
- শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ যখন মুখোমুখি হয় তখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শিশিরাঙ্কে পৌঁছায়।
- আরও ঘনীভূত হয়ে বায়ুপুঞ্জের সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রকার বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত।
- এই ধরনের বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিচের কোনটি বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) মাছের বংশ বৃদ্ধি
  2. খ) ভূমিতে জলীয়বাষ্প হ্রাস পাওয়া
  3. গ) শব্দ তরঙ্গ বেড়ে যাওয়া
  4. ঘ) ভূমিক্ষয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমিক্ষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমিক্ষয়
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ভূমিক্ষয়। 

বায়ুপ্রবাহ
:
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ:
• বায়ু এক প্রকার গতিশীল শক্তি যা পৃথিবীপৃষ্ঠ, তার আশেপাশে ও উর্ধ্বে সর্বদা প্রবাহমান। 
• বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
• এছাড়াও মানব সভ্যতার বিকাশ, ইতিহাস ও যুদ্ধ-বিগ্রহ, ক্ষমতার উৎস নির্ধারণ করা, পরিবহন, চিত্তবিনোদন, দৈনন্দিন জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি ইত্যাদির অগ্রগতিতে বায়ুপ্রবাহের প্রভাব সীমাহীন।
• বায়ুপ্রবাহের জন্যই ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি, জমির উর্বরতার হ্রাস-বৃদ্ধি, ভূমিক্ষয়, জমির গঠন, বাস্তুসংস্থানের সক্রিয়তা, পানিচক্র বা খাদ্য চক্রের মত প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা রক্ষা ইত্যাদিতে পরিবর্তন ঘটে।
• বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহের ধরনের ভিন্নরূপের কারণে (ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী) পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তে আবহাওয়া ও জলবায়ুতে পার্থক্য তৈরি হয়।
• এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ......... এর ৬ষ্ঠ পদ কত হবে?
  1. ক) ২২৫
  2. খ) ১৬৯
  3. গ) ৩২৪
  4. ঘ) ২৫৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২৪
ব্যাখ্যা
১ম পদ = ৯ = ৩ = (৩ × ১)
২য় পদ = ৩৬ = ৬ = (৩ × ২)
৩য় পদ = ৮১ = ৯ = (৩ × ৩)
৪র্থ পদ = ১৪৪ = ১২ = (৩ × ৪)

তাহলে,

৫ম পদ =(৩ × ৫) = ১৫= ২২৫
৬ষ্ঠ পদ = (৩ × ৬) = ১৮= ৩২৪
২১.
৫০ থেকে ৯০ এর মাঝে মৌলিক সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৭
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
ব্যাখ্যা

মৌলিক সংখ্যাঃ ১ অপেক্ষা বড় যেসব সংখ্যার ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া অন্য কোন গুণনীয়ক বা উৎপাদক নেই তাদেরকে মৌলিক সুংখ্যা বলে
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার তালিকা প্রদান করা হলঃ
১ - ১০ এর মাঝে ২, ৩, ৫, ৭ মোট ৪ টি
১১ - ২০ এর মাঝে ১১, ১৩,১৭,১৯ মোট ৪ টি
২১ - ৩০ এর মাঝে ২৩, ২৯ মোট ২ টি
৩১ - ৪০ এর মাঝে ৩১, ৩৭ মোট ২ টি
৪১ - ৫০ এর মাঝে ৪১, ৪৩, ৪৭ মোট ৩ টি
৫১ - ৬০ এর মাঝে ৫৩, ৫৯ মোট ২ টি
৬১ - ৭০ এর মাঝে ৬১, ৬৭ মোট ২ টি
৭১ - ৮০ এর মাঝে ৭১, ৭৩, ৭৯ মোট ৩ টি
৮১ - ৯০ এর মাঝে ৮৩, ৮৯ মোট ২ টি
৯১ - ১০০ এর মাঝে ৯৭ মোট ১ টি

২২.
৫ থেকে ১১০ পর্যন্ত ৫ দিয়ে বিভাজ্য সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২১
  3. গ) ২২
  4. ঘ) ১৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২
ব্যাখ্যা

শূন্য ব্যতীত যেসকল সংখ্যার একক স্থানীয় অংক ০ অথবা ৫ হয় সেসকল সংখ্যাগুলো ৫ দ্বারা বিভাজ্য।
৫ থেকে ১১০ পর্যন্ত ৫ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো হল
৫, ১০, ১৫, ২০, ২৫, ৩০, ৩৫, ৪০, ৪৫, ৫০, ৫৫, ৬০, ৬৫, ৭০, ৭৫, ৮০, ৮৫, ৯০, ৯৫, ১০০, ১০৫, ১১০
মোট ২২ টি

২৩.
যদি '+' অর্থ '÷', '÷' অর্থ '-', '-' অর্থ '×', '×' অর্থ '+' হয় তবে ১২ + ৬ ÷ ৩ - ২ × ৮ = ?
  1. ক) - ২
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
যদি '+' অর্থ '÷', '÷' অর্থ '-', '-' অর্থ '×', '×' অর্থ '+' হয় 
এখন,
১২ + ৬ ÷ ৩ - ২ × ৮
পরিবর্তিত রূপ হবে,
১২ ÷ ৬ - ৩ × ২ + ৮
= ২ - ৬ + ৮
= ১০ -৬
= ৪
২৪.
৮, ৫, ৪, ৯, ৩, ৭, ৬, ১, ২, ৩ উপরের সংখ্যার তালিকা থেকে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর যোগফলকে ৫ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ১
  3. গ) ০
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১
ব্যাখ্যা
তালিকাটিতে ৩ দ্বারা বিভাজ্য এমন সংখ্যাগুলো হলোঃ ৯ , ৩, ৬, ৩
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৯ + ৩ + ৬ + ৩ = ২১
এখন ২১ ÷ ৫ = ৪, ভাগশেষ ১
২৫.
দুটি সংখ্যার একটি অন্যটির ৩ গুণ, সংখ্যা দুটির যোগফল ৪০ হলে সংখ্যা দুটির গুণফল কত হবে?
  1. ক) ১২০
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ১৬০
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০০
ব্যাখ্যা

ধরি, 
একটি সংখ্যা ক, তাহলে অন্য সংখ্যাটি ৩ক
শর্তমতে,
ক + ৩ক = ৪০
বা, ৪ক = ৪০
বা, ক = ৪০/৪
বা, ক = ১০
অর্থাৎ একটি সংখ্যা ১০ এবং অন্যটি ৩ × ১০ = ৩০
এখন,
সংখ্যা দুটির গুণফল = ১০ × ৩০ = ৩০০

২৬.
৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩,......... পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ১০২
  2. খ) ৭১
  3. গ) ৮২
  4. ঘ) ১০১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০১
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত ধারা, ৮ ১১ ১৭ ২৯ ৫৩
পার্থক্য (১১ - ৮) = ৩
(১৭ -১১) = ৬
(২৯ -১৭) = ১২
(৫৩ - ২৯) = ২৪
এখানে প্রতিক্ষেত্রে পার্থক্য পূর্ববর্তী পার্থক্যের দ্বিগুণ 
তাহলে পরবর্তী সংখ্যাটি হবে (৫৩ + ২৪ × ২) 
= ৫৩ + ৪৮
= ১০১

২৭.
৪, ৫, ৯, ১৪, ২৩, ৩৭,............ পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৪৯
  2. খ) ৬০
  3. গ) ৫০
  4. ঘ) ৪৪
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০
ব্যাখ্যা

৩৭ = ২৩ + ১৪
২৩ = ১৪ + ৯
৯ = ৫ + ৪
প্রতিটি সংখ্যা তার পূর্ববর্তী দুইটি সংখ্যার যোগফল
তাহলে,
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = ৩৭ + ২৩ = ৬০

২৮.
A D H M --- পরের বর্ণটি কী হবে?
  1. ক) Q
  2. খ) R
  3. গ) S
  4. ঘ) T
সঠিক উত্তর:
গ) S
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) S
ব্যাখ্যা


A  D  H   M
এখানে,
D - A = 4 - 1 = 3
H - D = 8 - 4 = 4
M - H = 13 - 8 = 5
প্রতিক্ষেত্রে পার্থক্য ১ করে বৃদ্ধি পায়, পরের বর্ণটি হবে
13 + 6 = 19 = S
২৯.
৬, ১০, ১৩, ১৭, ২০, ২৪, ২৭,... শূন্যস্থানের সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৩১
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৩৩
  4. ঘ) ৩৪
সঠিক উত্তর:
ক) ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩১
ব্যাখ্যা

ইহা একটি যুগল ধারা। অর্থাৎ দুটি আলাদা ধারার সংমিশ্রণ। ধারাটি যুগল কিনা বের করার উপায় হলোঃ
প্রথমে এটি গুণোত্তর কিনা যাচাই করা
অথবা সান্ত ধারা কিনা দেখা 
অথবা বর্গ কিংবা ঘনের ধারা কিনা দেখা 
এদের একটিও না হলে ধারাটি অবশ্যই যুগল ধারা হবে।
এখানে,
৬, ১৩, ২০, ২৭ …একটি ধারা যার প্রতি ক্ষেত্রে পার্থক্য ৭ করে
১০, ১৭, ২৪,... আরেকটি ধারা যারও প্রতি ক্ষেত্রে পার্থক্য ৭ করে
এখন ২৭ এর পরের শূন্যস্থানটিতে ২য় ধারার পদ বসবে তাহলে সংখ্যাটি হবে ২৪ + ৭ = ৩১

৩০.
রাকিব পূর্ব দিকে হাঁটছিল, সে তার স্কুলে যাওয়ার জন্য ৩ বার ডানে এবং ২ বার বামে ঘুরল। তার স্কুল কোন পাশে?
  1. ক) পূর্ব দিক
  2. খ) পশ্চিম দিক 
  3. গ) উত্তর  দিক
  4. ঘ) দক্ষিণ দিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ দিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ দিক
ব্যাখ্যা

দিক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ডানদিক = R এবং বামদিক = L ধরি এবং R ও L পরস্পর বিপরীত হবে।
nR - mL = 0 হলে দিকের কোন পরিবর্তন হবে না।
nR - mL = 2R অথবা 2L হলে সম্পূর্ন বিপরীত দিক হবে।
nR - mL = 3R = R হলে ডান দিকে ঘুরা বুঝায়।
nR - mL = 3L = L হলে বাম দিকে ঘুরা বুঝায়।
4R বা 4L হলে যেই দিকে ছিল ঐ দিকেই থাকবে
4R বা 4L এর বেশি মান হলে 4R বা 4L বিয়োগ করে বিয়োগফল উল্লেখিত মান গুলোর মতই ফলাফল দিবে।
এখানে,
3R - 2L = R, অর্থাৎ সে সর্বশেষ পূর্বদিক থেকে ডানদিকে মুখ করেছে, তাহলে তার স্কুল দক্ষিণ দিকে।

৩১.
বিকাল ৪:৩০ বাজলে যদি মিনিটের কাঁটাটি পূর্বদিকে থাকে, তাহলে ঘন্টার কাঁটাটি কোন দিকে থাকবে?
  1. ক) দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. খ) দক্ষিণ-পূর্ব
  3. গ) উত্তর-পশ্চিম
  4. ঘ) উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পূর্ব
ব্যাখ্যা

যেহেতু মিনিটের কাঁটাটি পূর্বদিকে এবং ঘন্টার কাঁটাটি এর বামদিকে (ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের দিক ডান ও এর বিপরীত দিক বাম) সেহেতু ঘন্টার কাঁটাটি উত্তর-পূর্বদিকে হবে।

৩২.
করিম, রহিমের উত্তর দিকে। রফিক, করিমের পূর্বদিকে এবং জহির, রহিমের বামে অবস্থিত হলে,জহির, রফিকের কোন দিকে অবস্থান করবে?
  1. ক) দক্ষিণ
  2. খ) দক্ষিণ-পশ্চিম
  3. গ) পশ্চিম
  4. ঘ) উত্তর-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

করিম, রহিমের উত্তর দিকে। রফিক, করিমের পূর্বদিকে এবং জহির, রহিমের বামে অবস্থিত হলে,জহির, রফিকের কোন দিকে অবস্থান করবে
জহির, রহিমের বামে অবস্থিত অর্থাৎ জহির রহিমের পশ্চিমে অবস্থান করে।
সুতরাং, জহির রফিকের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করে। 
এই ধরনের প্রশ্নের সমাধানের ক্ষেত্রে নির্ভুল চিত্র আঁকার গুরুত্ব অপরিসীম। 

৩৩.
তানভীর পশ্চিমদিকে ৫ কি.মি গেল। তারপর বামদিকে ৩ কি.মি গেল। তারপর ডানদিকে ৯ কি.মি গেল। তারপর সে উত্তরদিকে ৩ কি.মি গেল। সে শুরুর অবস্থান থেকে এখন কত দূরে অবস্থান করছে?
  1. ক) ৫ কি.মি
  2. খ) ৩ কি.মি
  3. গ) ২০ কি.মি
  4. ঘ) ১৪ কি.মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ কি.মি
ব্যাখ্যা

দূরত্ব সর্বদা নির্দিষ্ট দুটি বিন্দুর সরলরৈখিক দূরত্বকে বুঝায়। তাহলে তানভীরের শুরু ও শেষ অবস্থানের সরলরৈখিক দূরত্ব হবে ৫ + ৯ = ১৪ কি.মি।

৩৪.
নজরুল প্রথমে ১২ মিটার উত্তরে যায়। পরে ১২ মিটার পশ্চিমে যায়। সেখান থেকে ৭ মিটার দক্ষিণে যায়। যাত্রা স্থান থেকে ঐ স্থানের দূরত্ব কত?
  1. ক) ৯ মিটার
  2. খ) ১৮ মিটার
  3. গ) ১৩ মিটার
  4. ঘ) ৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ মিটার
ব্যাখ্যা

ধরি,
নজরুল প্রথমে AB = ১২ মিটার উত্তরে যায়। পরে BC = ১২ মিটার পশ্চিমে যায়। সেখান থেকে CD = ৭ মিটার দক্ষিণে যায়। যাত্রা স্থান থেকে ঐ স্থানের দূরত্ব AD 
এখানে AB ও CD রেখা সমান্তরাল এবং CD = BE = ৭ মিটার
তাহলে AE = ১২ - ৭ = ৫ মিটার। এবং BC = DE = ১২ মিটার
ADE একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে যার অতিভুজ AD এবং এটিই যাত্রা স্থান থেকে নির্দিষ্ট স্থানের দূরত্ব
পিথাগোরাসের উপপাদ্য হতে পাই,
AD = √(AE² + DE²)
= √(৫ + ১২)
= √(২৫ + ১৪৪)
=√১৬৯
= ১৩
তাছাড়া,সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ৩: ৪: ৫, ৫: ১২: ১৩, ৮: ১৫: ১৭ এই অনুপাতগুলো দিয়ে সহজেই দূরত্ব বের করা যাবে।

৩৫.
শূন্যস্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ৩১
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৩০
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
ব্যাখ্যা

এখানে,
১৩ - ৪ = ৯
২২ - ১৩ = ৯
প্রতিক্ষেত্রে পরের সংখ্যাটি আগের সংখ্যার থেকে ৯ বেশি।
তাহলে শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে ২২ + ৯ = ৩১

৩৬.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২১
  3. গ) ৩৩
  4. ঘ) ২৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩
ব্যাখ্যা

এখানে সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৯, ১৭
৩ - ২ = ১ = ২
৫ - ৩ = ২ = ২
৯ - ৫ = ৪ = ২
১৭ - ৯ = ৮ = ২
দেখা যায়, প্রতিক্ষেত্রে দুটি সংখ্যার পার্থক্য আগের দুটি সংখ্যার পার্থক্যের দ্বিগুণ। তাহলে ১৭ এর পরের সংখ্যাটি হবে ১৭ + ৮ × ২ = ১৭ + ১৬ = ৩৩

৩৭.
শূন্যস্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. ক) ৯
  2. খ) ৬৪
  3. গ) ৮১
  4. ঘ) ৩৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৪
ব্যাখ্যা

√১৬ = ৪, √২৫ = ৫, ৪ × ৫ = ২০
√২৫ = ৫, √৩৬ = ৬, ৫ × ৬ = ৩০
এখানে প্রতিক্ষেত্রে উপর ও বাম পাশের সংখ্যা দুটির বর্গমূল গুণ হয়ে গুণফল বাম পাশে বসে
তাহলে শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে,
(৫৬ ÷ √৪৯)
=(৫৬ ÷ ৭)
= ৮
=৬৪

৩৮.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৬
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
(৪ × ৫) - (৩ × ৫) = ২০ - ১৫ = ৫
(৬ × ২) - (৩ × ৩) = ১২ - ৯ = ৩
এখানে,
ডান ও বাম পাশের সংখ্যার গুণফল থেকে উপর ও নীচের সংখ্যার গুণফল বিয়োগ করে বিয়োগফল মাঝখানে বসে।
তাহলে প্রশ্নবোধক স্থানে বসবে, (৫ × ৬) - (৪ × ৭) = ৩০ - ২৮ = ২
৩৯.
যদি MBEZ হয় LADY তাহলে HFOU কী হবে?
  1. ক) GEMT
  2. খ) GENT
  3. গ) GANT
  4. ঘ) GANP
সঠিক উত্তর:
খ) GENT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) GENT
ব্যাখ্যা
A B C D E F G H I J K L M N O P Q R S T U V W X Y Z
এখানে
M B E Z
↓  ↓  ↓  ↓
L  A D Y
প্রতিক্ষেত্রে বর্ণটি তার আগের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়
H  F  O  U
↓  ↓   ↓   ↓
G  E  N  T 
৪০.

চিত্রে কতগুলি ত্রিভুজ আছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০
ব্যাখ্যা

               1                               2                         3                      4

এখানে ত্রিভুজ হবে ১ + ২ + ৩ + ৪ = ১০ টি
৪১.
যদি UBOWFFS = TANVEER হয় তবে, '?' = BANGLADESH
  1. ক) CBOHMBEFTI
  2. খ) AZMFKCDRG
  3. গ) HSEDALGNAB
  4. ঘ) DESHBANGLA
সঠিক উত্তর:
ক) CBOHMBEFTI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CBOHMBEFTI
ব্যাখ্যা

UBOWFFS এর একটি করে আগের বর্ণ বসিয়ে হয় TANVEER
তাহলে,
CBOHMBEFTI এর একটি করে আগের বর্ণ বসিয়ে হয় BANGLADESH 

৪২.
৭ + ৪ = ৩১১, ৯ + ৬ = ৩১৫, ৬ + ৫ = ১১১ হয় তাহলে ৫ + ৪ = ?
  1. ক) ১৯
  2. খ) ১১৯
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ৯০০
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯
ব্যাখ্যা
৭ + ৪ = ৩১১
এখানে,
৭ - ৪ = ৩ এবং ৭ + ৪ = ১১

৯ + ৬ = ৩১৫
এখানে,
৯ - ৬ = ৩ এবং ৯ + ৬ = ১৫

অর্থাৎ, প্রথমে বিয়োগফল বসে তারপর যোগফল
তাহলে,
৫ - ৪ = ১ এবং ৫+ ৪ = ৯
সুতরাং, ফলাফল হবে ১৯
৪৩.
যদি FLAME = 37 বুঝায় তবে BLOAT দ্বারা কী বুঝাবে?
  1. ক) 45
  2. খ) 20
  3. গ) 50
  4. ঘ) 55
সঠিক উত্তর:
গ) 50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 50
ব্যাখ্যা


এখনে, 6 = F 
12 = L
1 = A
13 = M
5 = E 

FLAME = 6 + 12 + 1 + 13 + 5 = 37
তাহলে
2 = B
12 = L
15 = O
1 = A
20 =T

BLOAT = 2 + 12 + 15 + 1 + 20 =50