পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes৪৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪ টপিক: ৩. সংস্কৃত ব্যাকরণ: সন্ধি সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়, সমাস সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়, কারক ও বিভক্তি। উৎস: ১০ম ও ১১শ ক্লাস ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যবই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
সংস্কৃত ব্যাকরণে "সন্ধি" শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. মিলন
  2. বিভক্তি
  3. প্রত্যয়
  4. সমাস
সঠিক উত্তর:
মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিলন
ব্যাখ্যা

"সন্ধি" শব্দটি "সম্ + ধা + ই" ধাতু থেকে উৎপন্ন, যার অর্থ ‘সংযোগ’ বা ‘মিলন’। দুটি অক্ষর বা ধ্বনি যখন মিলিত হয়ে পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে "সন্ধি" বলা হয়। এটি মূলত ধ্বনিতত্ত্বগত নিয়ম। সন্ধির মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ ও মধুর হয়।

.
দুটি শব্দ বা ধাতুর মিলনে যে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে, তাকে কী বলে?
  1. সমাস
  2. প্রত্যয়
  3. সন্ধি
  4. বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
ব্যাখ্যা

যখন দুটি ধ্বনি পাশাপাশি আসে তখন উচ্চারণ সহজ করতে ধ্বনির পরিবর্তন হয়, একে "সন্ধি" বলা হয়। যেমন: "গुरु + उदयः = गुरूदयः"। এখানে "উ" এবং "উ" মিলিত হয়ে দীর্ঘ "ঊ" ধ্বনি তৈরি করেছে।

.
সংস্কৃত ব্যাকরণে সন্ধির কত প্রকারভেদ আছে?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

সংস্কৃত ব্যাকরণে সন্ধি প্রধানত তিন প্রকার—
১) স্বরসন্ধি,
২) ব্যঞ্জনসন্ধি,
৩) বিসর্গসন্ধি।
প্রতিটি প্রকারের আবার উপবিভাগ রয়েছে। এই শ্রেণিবিভাগ ধ্বনিগত পরিবর্তনের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

.
“তৎ + করোতি = তৎকরোতি” – এখানে কোন সন্ধি নেই, কেন?
  1. স্বরসন্ধি নেই
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি নেই
  3. সন্ধি সবসময় ঘটে না
  4. বিসর্গসন্ধি হয়নি
সঠিক উত্তর:
সন্ধি সবসময় ঘটে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধি সবসময় ঘটে না
ব্যাখ্যা

সব ক্ষেত্রে সন্ধি প্রযোজ্য নয়। কখনও কখনও দুটি অক্ষর পাশাপাশি থেকেও ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটায় না। "তৎ + করোতি" তে "ৎ" ব্যঞ্জনের পরে "ক" ব্যঞ্জন এসেছে, কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। তাই সন্ধি হয়নি।

.
ব্যঞ্জনসন্ধিতে কী পরিবর্তন ঘটে?
  1. স্বর পরিবর্তন
  2. ব্যঞ্জনের রূপান্তর
  3. বিসর্গ রূপান্তর
  4. কেবল দীর্ঘ স্বর সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনের রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনের রূপান্তর
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনসন্ধি হলো যেখানে এক ব্যঞ্জনের সংস্পর্শে অন্য ব্যঞ্জনের পরিবর্তন ঘটে। যেমন: "তৎ + জ্ঞান = তজ্জ্ঞান"। এখানে "ৎ" ধ্বনি "জ" এর প্রভাবে "জ্" হয়ে গেছে। এটাই ব্যঞ্জনসন্ধির প্রকৃতি।

.
বিসর্গসন্ধির মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. বিসর্গ সবসময় ‘স’ হয়ে যায়
  2. বিসর্গের পরে যে অক্ষর থাকে তার প্রভাবে পরিবর্তন হয়
  3. বিসর্গে কোনো পরিবর্তন ঘটে না
  4. বিসর্গ সবসময় বাদ যায়
সঠিক উত্তর:
বিসর্গের পরে যে অক্ষর থাকে তার প্রভাবে পরিবর্তন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্গের পরে যে অক্ষর থাকে তার প্রভাবে পরিবর্তন হয়
ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধিতে "ঃ" (বিসর্গ) এর পরে আসা ধ্বনির উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন ঘটে। যেমন: "रामः + गच्छति = रामो गच्छति"। এখানে বিসর্গ "ঃ" এর পরে "গ" থাকায় তা "ও" তে রূপান্তরিত হয়েছে।

.
সন্ধির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শব্দ দীর্ঘ করা
  2. শব্দ সংক্ষিপ্ত করা
  3. উচ্চারণ মধুর ও সহজ করা
  4. শব্দ বিভক্ত করা
সঠিক উত্তর:
উচ্চারণ মধুর ও সহজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চারণ মধুর ও সহজ করা
ব্যাখ্যা

সন্ধি মূলত ধ্বনিগত পরিবর্তনের নিয়ম। শব্দের মিলনে যাতে উচ্চারণ সহজ ও সুমধুর হয়, সেই কারণে সন্ধির প্রয়োগ হয়। যেমন: "गुरुः अस्ति" উচ্চারণে কঠিন হলেও "गुरुरस्ति" সহজ ও মধুর।

.
"রামঃ + চ = রামশ্চ" – এখানে কোন ধরনের সন্ধি হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. লোপসন্ধি
  4. বিসর্গসন্ধি
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে "রামঃ" শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) আছে। তার পরে "চ" ধ্বনি এসেছে। বিসর্গসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে "চ, ছ, ট, ঠ, ত, থ, প, ফ" এলে বিসর্গ "শ্" রূপ নেয়। তাই "রামঃ + চ" → "রামশ্চ" হয়েছে।

.
"অগ্নি + ইন্দ্রঃ = অগ্নীন্দ্রঃ" – এটি কোন সন্ধির উদাহরণ?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. নাসিকাসন্ধি
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে "অগ্নি" শব্দের শেষে "ই" স্বর এবং "ইন্দ্র" শব্দের শুরুতেও "ই" স্বর আছে। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী একই স্বর মিললে তারা দীর্ঘ রূপ ধারণ করে। তাই "ই + ই = ঈ" হয়ে "অগ্নীন্দ্রঃ" হয়েছে। এটাই স্বরসন্ধির উদাহরণ।

১০.
"অ + আ = আ" – এটি কোন সন্ধির উদাহরণ?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. লোপসন্ধি
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা

যখন দুটি স্বর পাশাপাশি আসে এবং ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে, তখন তাকে স্বরসন্ধি বলে। এখানে "অ" এবং "আ" মিলিত হয়ে "আ" হয়েছে। উদাহরণ: "তথা + আশা = তথাশা → তাশা"। এটি স্পষ্ট স্বরসন্ধি।

১১.
"গুরু + উদয়ঃ = গুরুদয়ঃ/গুরূদয়ঃ" – এখানে কোন ধরণের সন্ধি হয়েছে?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. নাসিকাসন্ধি
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে "গুরু" শব্দের শেষে "উ" এবং "উদয়" শব্দের শুরুতে "উ" এসেছে। একই স্বর "উ + উ" দীর্ঘ হয়ে "ঊ" হয়েছে। তাই হয়েছে "গুরূদয়ঃ"। এটি দ্বিত্ব স্বর মিলনের ফলে গঠিত স্বরসন্ধি।

১২.
"তৎ + জ্ঞান = তজ্জ্ঞান" – এখানে কোন সন্ধি হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. লোপসন্ধি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে "তৎ" এর শেষে "ৎ" এবং "জ্ঞান" এর শুরুতে "জ" পাশাপাশি এসেছে। উচ্চারণ সহজ করতে "ৎ" ধ্বনি "জ" এর প্রভাবে "জ্" হয়ে গেছে। ফলে হয়েছে "তজ্জ্ঞান"। এটিই ব্যঞ্জনসন্ধির প্রকৃত উদাহরণ।

১৩.
"তৎ + ত্বম্ = ত্বম্" – এখানে কোন নিয়মে পরিবর্তন হয়েছে?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. সমাস
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে প্রথম শব্দের শেষে "ৎ" এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে "ত্ব" একসাথে এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম "ৎ" লোপ পেয়ে গেছে। তাই হয়েছে "ত্বম্"। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ রূপ।

১৪.
"সত্ + পুরুষ = সৎপুরুষ" – এখানে কোন সন্ধি হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. লোপসন্ধি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনসন্ধি
ব্যাখ্যা

"সত্" শব্দের শেষে "ৎ" এবং "পুরুষ" শব্দের শুরুতে "প" এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধিতে কখনও ব্যঞ্জন অপরিবর্তিত থেকে যায়। তাই "সৎপুরুষ" হয়েছে। এখানে সন্ধি ঘটলেও রূপান্তর ঘটেনি। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির আরেক রূপ।

১৫.
"রামঃ + চ = রামশ্চ" — এখানে কোন ধরনের সন্ধি ঘটেছে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. লোপসন্ধি
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধি হল সেই সন্ধি যেখানে পূর্বপদে উপস্থিত বিসর্গ (ঃ)-এর কারণে পরিবর্তন ঘটে। বিশেষত যখন বিসর্গের পরে ‘চ, ছ, ট, ঠ, ত, থ, প, ফ’ প্রভৃতি অঘোষ ধ্বনি (voiceless stops/affricates) আসে, তখন বিসর্গ সাধারণত ‘শ্’ (ś) রূপ নেয়। তাই "রামঃ + চ" একত্রে উচ্চারণ করলে "রামশ্চ" হয়—বিসর্গ (ঃ)-ই শ্ হয়ে গিয়েছে। এটাকে সাধারণ স্কুলস্তরের বিসর্গসন্ধি হিসেবে পড়ানো হয়। এই পরিবর্তনটি উচ্চারণকে সহজ ও সাবলীল করে।

১৬.
"গুরুঃ + অস্তি = ?" — কোন সন্ধি হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. বিসর্গসন্ধি
  3. ব্যঞ্জনসন্ধি
  4. নাসিকাসন্ধি
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি
ব্যাখ্যা

এখানে পূর্বপদে বিসর্গ (গুরুঃ) এবং পরপদে স্বর (অস্তি) আছে। বিসর্গ যখন স্বর বা কণ্ঠ্য/স্বরোচ্চারণের সাথে সংস্পর্শে আসে, তখন অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গ 'র্' (র-অভিধানী রূপ) হিসেবে প্রতিস্থাপিত হয় বা সংযোগে ‘র’ ঢুকে পড়ে। ফলে "গুরুঃ + অস্তি" → "গুরুরস্তি" হয়। এই রূপান্তরটি বিসর্গসন্ধির এক পরিচিত নিয়ম — বিশেষত স্বরের পূর্বে বিসর্গকে ‘র’ রূপে দেখা যায়। এটি উচ্চারণটাকে স্বচ্ছ ও সহজ করে।

১৭.
"পিতৃঃ + অপি = ?" — সঠিক রূপ কী?
  1. পিতরঅপি
  2. পিতৃরঅপি
  3. পিত্রঅপি
  4. পিতৃঅপি
সঠিক উত্তর:
পিতরঅপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতরঅপি
ব্যাখ্যা

পূর্বপদে বিসর্গ (ঃ) এবং পরপদে স্বর (অপि) থাকলে বিসর্গ প্রাকৃতিকভাবে 'র্' (r) তে রূপান্তরিত হয়ে যায়। তাই "পিতৃঃ + অপি" একত্রে উচ্চারণ করলে "পিতরঅপি" রূপ ধারণ করে। এখানে মূল কথা হচ্ছে — বিসর্গের পরে যদি স্বর থাকে, তখন বিসর্গ সাধারণত 'র'-রূপ নেবে এবং পর অর্জিত রূপ উচ্চারণে যুক্ত হবে। বিদ্যালয়ীয় গ্রামারেও এটাই নিয়ম হিসেবে নেয়া হয়।

১৮.
বিসর্গ সংক্রান্ত বিশেষ ধ্বনগত ঘটনা — কোন ধ্বনগুলোর পূর্বে জিহ্বমূলীয় (jihvamūlīya) উৎপন্ন হয়?
  1. ক, খ
  2. প, ফ
  3. চ, ছ
  4. স, শ
সঠিক উত্তর:
ক, খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ
ব্যাখ্যা

পাণিনীর শাস্ত্রে বিসর্গের কিছু বিশেষ অবস্থান আছে—যখন বিসর্গের পরে গলার ধ্বনি (k, kh) আসে, তখন ঐ বিসর্গকে কন্ঠভিত্তিক একটি বিশেষ উচ্চারণ বলা হয় — জিহ্বমূলীয়। আর যখন বিসর্গের পরে প, ফ (উপ-ধ্বনি) আসে, তখন অন্য একটি বিশেষ উচ্চারণ উপধ্মনীয় রূপ দেখা যায়। এগুলো প্রকৃতপক্ষে আলাদা অক্ষর নয়, বরং ধ্বনিগত পরিবর্তন — উচ্চারণগত সূক্ষ্মতা বোঝায়। স্কুলস্তরের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যায় বলা হয়: k/kh-এর আগে জিহ্বমূলীয় এবং p/ph-এর আগে উপধ্মনীয় শব্দ ঘটতে পারে।

১৯.
বিসর্গ সাধারণত কখন 'র' (r) তে রূপান্তরিত হয়?
  1. ব্যঞ্জনের পূর্বে সবসময়
  2. স্বরের বা ঘনযুক্ত স্বরের (vowel/voiced) পূর্বে
  3. যেকোনো সিবিল্যান্টের (s, ś, ṣ) পূর্বে
  4. সর্বদাই লোপ হয়
সঠিক উত্তর:
স্বরের বা ঘনযুক্ত স্বরের (vowel/voiced) পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরের বা ঘনযুক্ত স্বরের (vowel/voiced) পূর্বে
ব্যাখ্যা

বিসর্গের রূপান্তরের নিয়মগুলো প্রসঙ্গভিত্তিক। যখন বিসর্গের পরে স্বর (অ —, ই, ইত্যাদি) বা কবে-কবে কোনো ঘন/স্বরোচ্চারণ (যেমনঃ কোনো উচ্চারিত শব্দ) আসে, তখন বিসর্গ প্রাকৃতিকভাবে 'র্' আকারে প্রকাশ পায়। তাই "গুরুঃ + অস্তি = গুরুরস্তি" বা "পিতৃঃ + অপি = পিতরঅপি" রকম রূপান্তর ঘটে। এই রূপান্তর উচ্চারণ সহজ করার জন্য এবং ধ্বনিগত মিল বজায় রাখার উদ্দেশ্যে।

২০.
নিপাত (nipāta) বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. অব্যয় বা অনিঃসৃত partikল (যেমন—চ, अपि, तु, हि)
  2. বিশেষণ
  3. কারকবাচক সমাস
  4. ধাতু বা ক্রিয়া-রূপ
সঠিক উত্তর:
অব্যয় বা অনিঃসৃত partikল (যেমন—চ, अपि, तु, हि)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয় বা অনিঃসৃত partikল (যেমন—চ, अपि, तु, हि)
ব্যাখ্যা

নিপাত হচ্ছে সেই শ্রেণীর শব্দ যা বিভক্ত হতে পারে না — অর্থাৎ অব্যয় (indeclinables) : উদাহরণ—চ (ca), अपि (api), तु (tu), हि (hi), एव (eva) ইত্যাদি। এরা বাক্যে যোগব্যঞ্জক বা বিমর্শসূচক কাজ করে এবং পরিচিতি/যোগ/উদ্ধৃতি ইত্যাদি প্রকাশ করে। নিপাত সাধারণত শব্দের পর বা মাঝে এসে সংযোগ বা তুলনা–প্রকরণ দেখায়। নিপাত যখন কোনো পদে যোগ করে, তখন প্রয়োজনে সন্ধি নিয়মও প্রয়োগ হয় (বিশেষত বিসর্গযুক্ত পূর্বপদের ক্ষেত্রে)।

২১.
নিপাতে 'চ' থাকলে (উদাহরণ: রুদ্রঃ + চ = ?) — সঠিক রূপ কোনটি?
  1. রুদ্রশ্চ
  2. রুদ্রঃচ
  3. রুদ্রচ
  4. রুদ্ররচ
সঠিক উত্তর:
রুদ্রশ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্রশ্চ
ব্যাখ্যা

এখানে নিপাত 'চ'—এটি একটি সাধারণ অব্যয়। পূর্বপদে যদি বিসর্গ (ঃ) থাকে, এবং পরপদে 'চ'-রকম অঘোষ ব্যঞ্জন আসে, তাহলে বিসর্গ প্রাথমিকভাবে 'শ্' রূপে পরিবর্তিত হয়। তাই "রুদ্রঃ + চ" একত্রে উচ্চারণ করলে "রুদ্রশ্চ" হয়। অর্থাৎ নিপাত 'চ'-এর উপস্থিতিতে বিসর্গসন্ধির ঐ প্রচলিত নিয়মই কার্যকর হয়। নিপাত নিজে কোন পরিবর্তন পায় না; পরিবর্তন ঘটে পূর্বপদের বিসর্গে।

২২.
সংস্কৃত ব্যাকরণে "সমাস" শব্দের অর্থ কী?
  1. পৃথকীকরণ
  2. বিশেষণ
  3. প্রত্যয়
  4. সংক্ষেপণ/সংযোগ
সঠিক উত্তর:
সংক্ষেপণ/সংযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষেপণ/সংযোগ
ব্যাখ্যা

“সমাস” শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘সংক্ষেপণ’। দুটি বা ততোধিক পদ (শব্দ) একত্র হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে এক পদ হয়ে যায়, একে সমাস বলে। যেমন: "राजपुरुषः" (রাজপুরুষ) = রাজ्ञঃ পুরুষঃ। সমাস মূলত বাক্যকে সংক্ষিপ্ত, মধুর ও সুন্দর করে তোলে।

২৩.
সমাস প্রধানত কত প্রকার?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

সংস্কৃত সমাস প্রধানত চার প্রকার—
১) দ্বন্দ্ব সমাস,
২) তৎপুরুষ সমাস,
৩) বহুব্রীহি সমাস,
৪) দ্বিগু সমাস।
প্রত্যেকটির আবার কিছু উপবিভাগ আছে। এই শ্রেণিবিভাগ করা হয় অর্থগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে।

২৪.
"রাজা ও পুরুষ" → "রাজপুরুষঃ" — এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. দ্বিগু সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা

এখানে "রাজ্ঞঃ পুরুষঃ" অর্থাৎ "রাজপুরুষঃ" গঠিত হয়েছে। পূর্বপদ রাজ্ঞঃ (ষষ্ঠী বিভক্তি) এবং উত্তরপদ পুরুষঃ। উত্তরপদে প্রধান জোর পড়ে। এটি ষষ্ঠীতৎপুরুষ সমাস। সাধারণভাবে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদ কারকবাচক অর্থ বহন করে।

২৫.
"সিতা ও রাম" → "সীতারামঃ" — এটি কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. দ্বিগু সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা

দ্বন্দ্ব সমাসে দুই বা একাধিক শব্দ সমান গুরুত্বে যুক্ত হয়। যেমন—"সিতা + রাম = সীতারামঃ"। এখানে সীতা এবং রাম সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বন্দ্ব সমাসকে ইংরেজিতে বলা হয় copulative compound।

২৬.
"পিতামহঃ" (পিতা + মহঃ) কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ
  2. দ্বিগু
  3. বহুব্রীহি
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

"পিতা + মহঃ" = "পিতামহঃ"। এখানে "পিতা" পূর্বপদ এবং "মহঃ" উত্তরপদ। তৎপুরুষ সমাসে মূলত পূর্বপদ উত্তরপদের বিশেষক অর্থ প্রকাশ করে। এই সমাসে সাধারণত একাধিক কারকভিত্তিক বিভক্তি-অর্থ গোপন থাকে।

২৭.
"চতুর্বেদঃ" (চারটি বেদ) কোন সমাসের অন্তর্গত?
  1. বহুব্রীহি
  2. দ্বন্দ্ব
  3. তৎপুরুষ
  4. দ্বিগু
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদ যোগ হয়ে যে সমাস গঠিত হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। "চতুর্বেদঃ" = চতুর্ (চার) + বেদঃ (বেদ)। এখানে ‘চার বেদ’ বোঝানো হয়েছে।

২৮.
"পিতৃমাতা" (পিতা-মাতা) কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি
  2. দ্বিগু
  3. দ্বন্দ্ব
  4. তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদ সমান গুরুত্বে থাকে। "পিতৃমাতা" মানে পিতা ও মাতা। এখানে কোন পদই অপরটির অধীন নয়, বরং সমভাবে যুক্ত হয়েছে। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাসের নিখুঁত উদাহরণ।

২৯.
"নীললোহিতঃ" (যার রঙ নীল ও লোহিত) — এটি কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি
  2. দ্বিগু
  3. তৎপুরুষ
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

বহুব্রীহি সমাসে গঠিত পদে সমাসপদ দ্বারা বোঝানো হয় অন্য কোনো পদার্থ। যেমন—"নীললোহিতঃ" মানে যে ব্যক্তি নীল ও লোহিতবর্ণের অধিকারী। এখানে সমাসপদ (নীল+লোহিত) বিশেষ কোনো গুণের দ্বারা অন্য ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।

৩০.
"সীতারামঃ" (সীতা ও রাম) কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ
  2. বহুব্রীহি
  3. দ্বন্দ্ব
  4. দ্বিগু
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি বা একাধিক শব্দ সমান গুরুত্বে যুক্ত হয়। "সীতা + রাম = সীতারামঃ" মানে সীতা ও রাম। এখানে কোনো পদই অপরটির অধীন নয়। ইংরেজিতে একে copulative compound বলা হয়।

৩১.
"নীললোহিতঃ" (যার রঙ নীল ও লোহিত) কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বহুব্রীহি
  2. দ্বিগু
  3. তৎপুরুষ
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

বহুব্রীহি সমাসে গঠিত পদ অন্য কোনো বস্তুকে বোঝায়। "নীললোহিতঃ" মানে যিনি নীল ও লোহিত রঙের অধিকারী। এখানে সমাসপদ বিশেষণ হয়ে অন্য বস্তুকে নির্দেশ করছে।

৩২.
"গুরুপাদঃ" (গুরুর পা) কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি
  2. তৎপুরুষ
  3. দ্বন্দ্ব
  4. দ্বিগু
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

"গুরোঃ পাদঃ" = "গুরুপাদঃ"। এখানে পূর্বপদ (গুরোঃ) ষষ্ঠী বিভক্তি নির্দেশ করছে এবং উত্তরপদ (পাদঃ) মুখ্য। এটি তৎপুরুষ সমাসের সাধারণ রূপ।

৩৩.
"অশ্বপালঃ" (অশ্বের পালক) কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বহুব্রীহি
  2. তৎপুরুষ
  3. দ্বিগু
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

এখানে "অশ্বস্য পালকঃ" → "অশ্বপালঃ"। এটি ষষ্ঠীতৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উত্তরপদ (পালক) মুখ্য এবং পূর্বপদ (অশ্ব) কারক সম্পর্ক দেখাচ্ছে।

৩৪.
"অষ্টাদশপুরাণম্" (আঠারো পুরাণ) কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ
  2. বহুব্রীহি
  3. দ্বিগু
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
ব্যাখ্যা

এখানে "অষ্টাদশ" (সংখ্যা = ১৮) এবং "পুরাণম্" (বিশেষ্য) যুক্ত হয়েছে। সংখ্যা + বিশেষ্য মিলে দ্বিগু সমাস হয়। তাই "অষ্টাদশপুরাণম্" দ্বিগু সমাস।

৩৫.
"চন্দ্রশেখরঃ" (যার শিখরে চন্দ্র আছে) — এটি কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি
  2. তৎপুরুষ
  3. দ্বিগু
  4. দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

এখানে সমাসপদ "চন্দ্রশেখরঃ" দ্বারা বোঝানো হচ্ছে শিবকে। সমাসের পদগুলোর অর্থ (চন্দ্র + শিখর) সরাসরি অর্থ নয়, বরং অন্য বস্তু (শিব) নির্দেশ করছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।

৩৬.
সমাসে কোন পদ মুখ্য হয়?
  1. পূর্বপদ
  2. উত্তরপদ
  3. উভয়পদ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তরপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরপদ
ব্যাখ্যা

সমাসে সর্বদা উত্তরপদ মুখ্য হয়। অর্থাৎ সমাসপদকে ব্যাকরণিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় উত্তরপদেই মূল অর্থ নিহিত থাকে। যেমন – "গুরুপাদঃ" = "গুরুর পা"। এখানে "পাদঃ" মুখ্য।

৩৭.
সমাসকে ইংরেজিতে কী বলা হয়?
  1. Derivation
  2. Compounding
  3. Inflection
  4. Combination
সঠিক উত্তর:
Compounding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compounding
ব্যাখ্যা

সমাস হলো দুটি বা ততোধিক শব্দকে মিলিয়ে নতুন শব্দ গঠন করা। ইংরেজি ব্যাকরণে একে Compounding বলা হয়। যেমন – "Bookshop" (Book + Shop) ইংরেজিতে যেমন সমাস, তেমনি "রাজপুরুষঃ" সংস্কৃতে সমাস।

৩৮.
সমাস গঠনের ফলে কী হয়?
  1. বাক্য দীর্ঘ হয়
  2. বাক্য জটিল হয়
  3. বাক্য সংক্ষিপ্ত হয়
  4. বাক্য ভিন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
বাক্য সংক্ষিপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্য সংক্ষিপ্ত হয়
ব্যাখ্যা

সমাস ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ করা। যেমন – "রাজার পুরুষ" → "রাজপুরুষঃ"। সমাসে অল্প শব্দে বৃহৎ অর্থ প্রকাশ করা সম্ভব হয়।

৩৯.
দ্বিগু সমাসে কোন পদ প্রধান ভূমিকা পালন করে?
  1. সংখ্যা
  2. বিশেষণ
  3. বিশেষ্য
  4. সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা
ব্যাখ্যা

দ্বিগু সমাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো – এখানে সংখ্যা + বিশেষ্য যোগ হয়। যেমন – "চতুর্বেদঃ" = "চারটি বেদ"। সংখ্যা (চতুর্) মূল নির্দেশক, যা বিশেষ্য পদকে বর্ণনা করে।

৪০.
বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. পূর্বপদ মুখ্য
  2. উত্তরপদ মুখ্য
  3. সমাসপদ ভিন্ন বস্তুকে নির্দেশ করে
  4. সংখ্যা ও বিশেষ্য মিশে যায়
সঠিক উত্তর:
সমাসপদ ভিন্ন বস্তুকে নির্দেশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাসপদ ভিন্ন বস্তুকে নির্দেশ করে
ব্যাখ্যা

বহুব্রীহি সমাসে সমাসের পদগুলো নিজেদের অর্থ প্রকাশ করে না, বরং অন্য কোনো বস্তুকে বোঝায়। যেমন – "চন্দ্রশেখরঃ" মানে শিব। চন্দ্র ও শিখরের যোগফল নয়, বরং ভিন্ন এক সত্ত্বাকে বোঝাচ্ছে।

৪১.
সংস্কৃতে "কারক" বলতে কী বোঝায়?
  1. ধাতু
  2. বিভক্তি
  3. পদসংযোগ
  4. কর্মসম্পাদক শক্তি
সঠিক উত্তর:
কর্মসম্পাদক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসম্পাদক শক্তি
ব্যাখ্যা

কারক হলো ক্রিয়ার সঙ্গে পদকে যুক্ত করার শক্তি বা সম্পর্ক। উদাহরণ: "रामः फलम् खादति" (রাম ফল খায়)। এখানে "रामः" কর্তার কারকে, "फलम्" কর্মকারকে ব্যবহৃত। অর্থাৎ ক্রিয়ার সঙ্গে পদকে যুক্ত করছে কারক।

৪২.
সংস্কৃতে মোট কয় প্রকার কারক আছে?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা

    সংস্কৃতে সাত প্রকার কারক পাওয়া যায়:
    ১. কর্তা (কর্তৃকারক)
    ২. কর্ম (কর্মকারক)
    ৩. করণ (করণকারক)
    ৪. সম্প্রদান (সম্প্রদানকারক)
    ৫. অপাদান (অপাদানকারক)
    ৬. অধিকরণ (অধিকরণকারক)
    ৭. সম্পর্ক (সম্পর্ককারক)।

    ৪৩.
    করণকারক দ্বারা কী বোঝানো হয়?
    1. যন্ত্র বা সাহায্য দ্বারা কাজ করা
    2. কাজ করার স্থান
    3. কাজের প্রাপক
    4. কাজের উৎস
    সঠিক উত্তর:
    যন্ত্র বা সাহায্য দ্বারা কাজ করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যন্ত্র বা সাহায্য দ্বারা কাজ করা
    ব্যাখ্যা

    করণকারক সেই কারক যা কোনো যন্ত্র, উপকরণ বা মাধ্যম দ্বারা কাজ সম্পন্ন করে। যেমন – "रामः लेखनीया लिखति" (রাম কলম দ্বারা লেখে)। এখানে "लेखनीया" করণকারক।

    ৪৪.
    অধিকরণকারকের দ্বারা কী বোঝানো হয়?
    1. দান প্রাপক
    2. কাজ করার স্থান
    3. যন্ত্র দ্বারা কাজ
    4. বিচ্ছেদ বা উৎস
    সঠিক উত্তর:
    কাজ করার স্থান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কাজ করার স্থান
    ব্যাখ্যা

    অধিকরণকারক নির্দেশ করে কোথায় কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। যেমন – "रामः ग्रामे वसति" (রাম গ্রামে বাস করে)। এখানে "ग्रामे" অধিকরণকারক।

    ৪৫.
    "রামঃ বালকের পুস্তক গ্রহণ করে" – এখানে "বালকের" কোন কারকের উদাহরণ?
    1. কর্মকারক
    2. করণকারক
    3. সম্পর্ককারক
    4. অধিকরণকারক
    সঠিক উত্তর:
    সম্পর্ককারক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্পর্ককারক
    ব্যাখ্যা

    এখানে "বালকের" দ্বারা বোঝানো হচ্ছে মালিকানা বা সম্পর্ক। এটি পুস্তকের সঙ্গে সম্পর্ক প্রকাশ করছে। সম্পর্ককারক তখন ব্যবহৃত হয় যখন কোনো বস্তু বা পদ অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কিত হয়।

    ৪৬.
    "সে গঙ্গার মধ্যে স্নান করে" – এখানে "গঙ্গার মধ্যে" কোন কারকের?
    1. অধিকরণকারক
    2. অপাদানকারক
    3. কর্মকারক
    4. সম্প্রদানকারক
    সঠিক উত্তর:
    অধিকরণকারক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অধিকরণকারক
    ব্যাখ্যা

    অধিকরণকারক ব্যবহৃত হয় কাজের স্থান বা অবস্থান নির্দেশ করতে। এখানে কাজটি (স্নান) গঙ্গার মধ্যে ঘটছে। তাই "গঙ্গার মধ্যে" অধিকরণকারক।

    ৪৭.
    সপ্তমী বিভক্তি সাধারণত কোন কারক প্রকাশ করে?
    1. করণকারক
    2. অধিকরণকারক
    3. সম্পর্ককারক
    4. অপাদানকারক
    সঠিক উত্তর:
    অধিকরণকারক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অধিকরণকারক
    ব্যাখ্যা

    সপ্তমী বিভক্তি সাধারণত কাজের স্থান বা অবস্থান নির্দেশ করে। যেমন – "গ্রামে বাস করে" বাক্যে "গ্রামে" হল অধিকরণকারক।

    ৪৮.
    "শিষ্যকে বই দেওয়া হয়েছে" – এখানে "শিষ্যকে" কোন কারক?
    1. কর্মকারক
    2. সম্প্রদানকারক
    3. সম্পর্ককারক
    4. করণকারক
    সঠিক উত্তর:
    সম্প্রদানকারক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্প্রদানকারক
    ব্যাখ্যা

    যিনি কিছু গ্রহণ করেন, তিনি সম্প্রদানকারক। এখানে শিষ্য বই গ্রহণ করছেন। তাই "শিষ্যকে" সম্প্রদানকারক।

    ৪৯.
    "গুরু দ্বারা শিষ্যকে শিক্ষা দেওয়া হয়" – এখানে "গুরু দ্বারা" কোন কারক?
    1. করণকারক
    2. কর্মকারক
    3. অধিকরণকারক
    4. সম্প্রদানকারক
    সঠিক উত্তর:
    করণকারক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    করণকারক
    ব্যাখ্যা

    করণকারক ব্যবহার হয় যে পদ বা উপায় দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়। এখানে শিষ্যকে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে গুরু দ্বারা। তাই "গুরু দ্বারা" করণকারক।