উত্তর
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো খ) প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
পিয়ার টু পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কে কোন বিশেষ সার্ভার বা কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এখানে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড একই সাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, প্রতিটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। P2P নেটওয়ার্কে নির্দিষ্ট কোনো ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন হয় না, এবং প্রতিটি কম্পিউটার সমানাধিকারভিত্তিকভাবে রিসোর্স ভাগাভাগি করে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ফাইল শেয়ারিং, অনলাইন স্ট্রিমিং বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো কাজে কার্যকর। Hierarchy বা centralized control এখানে প্রযোজ্য নয়।
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।