পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
Exam- 9 Review: Test-2 Topic: • Exam- 6,7,8
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী মামলায় বিচারক কোন মানদণ্ড অনুযায়ী প্রমাণ মূল্যায়ন করেন?
  1. যুক্তিসংগত সন্দেহের বাইরে
  2. স্বীকারোক্তির ওপর নির্ভর করে
  3. ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
  4. প্রত্যক্ষ প্রমাণ দ্বারা বিচারককে বুঝানো
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী মামলায় বিচারক ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রমাণ মূল্যায়ন করেন।

প্রমাণের মান (Standard of Proof) ও তার ধরন:

- প্রমাণের মান হলো মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য কতটুকু প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড। এটি মামলার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
১. দেওয়ানি মামলার প্রমাণের মান:
- দেওয়ানি মামলায় Balance of Probability বা Preponderance of Evidence নীতি অনুসরণ করা হয়।
- যে পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ বেশি গ্রহণযোগ্য, সেই পক্ষ মামলায় জয়ী হয়।
- সত্যের সম্ভাবনা মিথ্যার চেয়ে বেশি (more probably true than false) হলেই প্রমাণ যথেষ্ট।
- সাধারণভাবে, ৫১% সত্যতা প্রমাণ করাই যথেষ্ট।

২. ফৌজদারি মামলার প্রমাণের মান:
- ফৌজদারি মামলায় Beyond Reasonable Doubt নীতি অনুসরণ করা হয়।
- অপরাধীকে দোষী প্রমাণ করতে হলে এমনভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে কোনো যৌক্তিক সন্দেহ অবশিষ্ট না থাকে।
- সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ না হলে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- এভাবে, দেওয়ানি মামলায় সম্ভাবনার ভারসাম্য এবং ফৌজদারি মামলায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ নীতি অনুসরণ করা হয়।
.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধিতে Verification of Pleadings সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৭ বিধি-১
  2. আদেশ-৯ বিধি-৬
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
___________

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Subordination of Courts এর বিধান আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 3. Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
--------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, ধারা ৩: আদালতের অধীনতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে— জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) অধীনস্থ।  জেলা আদালতের চেয়ে নিম্ন স্তরের প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত এবং প্রত্যেক Court of Small Causes হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা আদালতের অধীনস্থ।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করা
  2. ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা
  3. চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা
  4. চুক্তির পূর্বেই বিষয়বস্তুর নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে" চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা" প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হয় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.

.
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge) সর্বোচ্চ কত টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. ১৫ লাখ
  2. ২০ লাখ
  3. ২৫ লাখ
  4. ৩০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
- The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।

.
বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৮৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ ।
- ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure,1908 (ACT NO. V OF 1908)
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যে-সব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে কার্যকর আছে?
  1. পাঁচটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules)।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট পাঁচটি তফসিল থাকলেও, বর্তমানে মাত্র তিনটি তফসিল কার্যকর রয়েছে, কারণ দ্বিতীয় ও চতুর্থ তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ থাকা তফসিলগুলো হলো: প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিল।
- প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ ছিল, তবে ৫১ নম্বর আদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
.
আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে কোন পরিস্থিতিতে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (Solatium) দিতে পারেন?
  1. যদি বাদী অন্যায় সুবিধা নেয় এবং চুক্তি বিবাদীর জন্য কঠোর হয়
  2. যদি চুক্তিটি রেজিস্ট্রিকৃত না হয়
  3. যদি বাদী আদালতে হাজির না হয়
  4. যদি বিবাদী চুক্তি মানতে রাজি না হয়
ব্যাখ্যা
⇒ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান করা আইনসম্মত হলেও এটি বাধ্যতামূলক নয়। আদালতের এই ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারী নয়, বরং তা যুক্তিসঙ্গত, ন্যায়সংগত এবং বিচারিক নীতির দ্বারা সীমাবদ্ধ। এছাড়া, এই ক্ষমতা আপিল আদালত দ্বারা পর্যালোচনা ও সংশোধনযোগ্য। ধারা ২২ অনুযায়ী, আদালত দুইটি বিশেষ ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদানের আদেশ দিতে পারে। এই ক্ষেত্রগুলো হলো:
১.বাদীর দ্বারা বিবাদির প্রতি অন্যায় সুবিধা গ্রহণ:
যদি চুক্তিটি এমন পরিস্থিতিতে সম্পাদিত হয় যেখানে বাদী বিবাদির উপর অন্যায় সুবিধা অর্জন করে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। এমনকি যদি বাদীর পক্ষ থেকে কোনো প্রতারণা বা ভুল তথ্য প্রদানের অভিযোগ না থাকে, তবুও আদালত এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২.বিবাদির প্রতি কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি:
যদি চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী কার্যসম্পাদন বিবাদির জন্য অযৌক্তিক কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি করে, এবং বিবাদি এই কঠোরতা বা অসুবিধা সম্পর্কে সচেতন না থাকে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। অন্যদিকে, চুক্তি বাস্তবায়ন না করলে বাদীর জন্য তেমন কোনো কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে না।

এই দুই ক্ষেত্রে আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় Presumption as to foreign judgments এর বিধান আছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-14. Presumption as to foreign judgments:
- The Court shall presume, upon the production of any document purporting to be a certified copy of a foreign judgment, that such judgment was pronounced by a Court of competent jurisdiction, unless the contrary appears on the record; but such presumption may be displaced by proving want of jurisdiction.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ -বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান:
- বিদেশী রায়ের সত্যায়িত নকল বলে কথিত কোন দলিল আদালতে পেশ করা হলে এবং বিপরীত কোন প্রমাণ না পাওয়া গেলে আদালত ধরে নিবেন যে, রায়টি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতই প্রদান করেছেন কিন্তু উক্ত আদালতের এ ব্যাপারে এখতিয়ার ছিল না বলে প্রমাণিত হলে ঐ রূপ অনুমান উঠায়ে নেয়া হবে।
 
অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি রায় সম্পর্কে অনুমান বিদেশি আদালতের রায়ের সত্যায়িত নকল নথির সাথে পেশ করা হলে বিপরীত কোন প্রমাণ পাওয়া না গেলে তা এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদান করেছে বলে অনুমিত হবে।
১০.
একটি মামলা গ্রামবাসীর পক্ষে সদবিশ্বাসে দায়ের করা হয় এবং দুই পক্ষের শুনানির পর তা খারিজ হয়। পরবর্তীতে, পূর্বের মামলার ব্যাপারে না জেনে ‘ঘ’ একই বিষয়ে আবার মামলা দায়ের করেন। এ ক্ষেত্রে কী হবে?
  1. মোকদ্দমাটি খারিজ করা হবে।
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে না।
  3. মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পূর্বের মোকদ্দমা সম্পর্কে ‘ঘ’-এর জ্ঞান না থাকলে আরজি প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির "কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা" (Constructive Res Judicata) নীতি:
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- পরোক্ষ রেস জুডিকাটা বলতে বোঝায়, যে বিষয় পূর্ববর্তী মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল সেটাও উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিচার্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে।
- অর্থাৎ, যেখানে পূর্বের মামলায় কোনো পক্ষের পক্ষে এমন যুক্তি ছিল, যা সেই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, পরবর্তী মামলায় সেই যুক্তি আর উপস্থাপন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১ ধারার ৬ নং ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রেও রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করা হবে।
এই মামলায় ‘ঘ’ পূর্বের মোকদ্দমার কথা না জানলেও সে উক্ত মোকদ্দমা করতে পারবে না। কারণ একই বিচার্য বিষয়ে পূর্বে একবার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এখানে 'ঘ' ভিন্ন ব্যক্তি হলেও ইস্যু একই এবং তাঁদের স্ট্যাটাসও একই। এই কারণে রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।

যেমন: ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে জমির মালিকানার বিরোধ জনিত এক মোকদ্দমায় আদালত রায় দিলেন যে, জমিটি বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা আদালতে উল্লেখ করেন নি যে, জমিতে গোপন ত্রুটি রয়েছে। পরে আবার নতুন করে এই গোপন ত্রুটির ভিত্তিতে আরেকটি মামলা দায়ের করা যাবে না। এক্ষেত্রে অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটাকে (Constructive Res Judicata) পরোক্ষ রেস জুডিকাটাও বা Indirect Res Judicata বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court.
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto.
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court.
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other.
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit.
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused.
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময়
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত -
  1. চুক্তির শর্ত বাতিল করবে 
  2. মামলাটি খারিজ করবে
  3. শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিবে
  4. সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী 'যখন চুক্তির ক্ষতিপূরণ আর্থিকভাবে পূরণ করা সম্ভব চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়'?
  1. ১৯
  2. ২১
  3. ২১ক
  4. ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী যখন চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না যায় তখন সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১৪.
The Code of Civil Procedure, Section 22 অনুসারে, কোন পক্ষ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. বাদী
  2. আদালত
  3. বিবাদী
  4. দুই পক্ষের সম্মতি থাকলে সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
- ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

- যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮ ধারা এবং ৯ ধারা
  2. ৯ ধারা এবং ১০ ধারা
  3. ১০ ধারা এবং ১১ ধারা
  4. ১১ ধারা এবং ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারা এবং ১১ ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

এই নীতিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো—
- আদালতের সময় ও সম্পদের সাশ্রয়: একই বিষয়ে বারবার মামলা দায়ের বন্ধ করে আদালতের মূল্যবান সময় ও সম্পদ রক্ষা করা।
- বিচারব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও সম্মান বজায় রাখা: একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন রায় এড়িয়ে ন্যায়বিচারের মর্যাদা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
- বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি: একই বিষয়ে একাধিক মামলা হলে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা প্রতিরোধ করা।
- পক্ষগুলোর অপ্রয়োজনীয় হয়রানি রোধ: বিরোধী পক্ষকে একই বিষয়ে বারবার মামলা লড়ার চাপ ও হয়রানি থেকে মুক্ত রাখা। 
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীনে আদালত কোন অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারে?
  1. স্বাতন্ত্র্য অংশের
  2. অসম্পাদিত ছোট অংশের
  3. অসম্পাদিত বড় অংশের
  4. সকল অংশের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত একটি চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের নির্দেশ দিতে অংশটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন এবং সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বতন্ত্রভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় অথবা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বতন্ত্র এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 16. Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part. 
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা কী বিষয়ের উপর আলোকপাত করে?
  1. চুক্তির বৈধতা নির্ধারণ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের নিয়ম
  3. চুক্তি বলবৎ করার বিষয়ে আইনসম্মত বাধ্যবাধকতা
  4. চুক্তি বলবৎকরণের আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান করা আইনসম্মত হলেও এটি বাধ্যতামূলক নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ২২: চুক্তি বলবৎকরণের বিষয়ে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা: 
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষমতা বিচারিক বিবেচনার উপর নির্ভরশীল, এবং কেবলমাত্র এটি আইনগতভাবে করা সম্ভব বলেই আদালত বাধ্যতামূলকভাবে এ ধরনের ডিক্রি প্রদান করবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আদালতের এই বিবেচনা স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না; এটি অবশ্যই যথাযথ ও যুক্তিসঙ্গত হতে হবে, যা বিচারিক নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে পারে।
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য তার বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—
১. যখন চুক্তির প্রেক্ষাপট এমন যে, তাতে বাদী প্রতিপক্ষের তুলনায় অন্যায্য সুবিধা লাভ করে, যদিও বাদীর পক্ষে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা উপস্থাপন নেই।
২. যখন চুক্তি কার্যকর করলে বিবাদীর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়, যা পূর্বানুমান করা সম্ভব হয়নি, তবে চুক্তি কার্যকর না করলে বাদীর জন্য তেমন কোনো অসুবিধা সৃষ্টি হবে না।
৩. যখন বাদী চুক্তি কার্যকর করার উপযোগী উল্লেখযোগ্য কার্য সম্পাদন করেছে বা এর ফলে কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
  1. আদেশ-১, বিধি-৬
  2. আদেশ-১, বিধি-৯
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সংগত বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যের ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out) বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ এর বিধানের মূল বক্তব্য হলো:
আদালতের ক্ষমতা: দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ১০(২) অনুযায়ী, আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষ বাদ বা সংযোজন করতে পারেন।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন: যদি কোনো ব্যক্তি মামলার জন্য অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত হন, তাহলে আদালত তাকে বাদ দিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় পক্ষ সংযোজন: আদালত মনে করলে, মামলার যথাযথ বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন, তাকে বাদী বা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
আবেদন বা স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত: আদালত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজস্ব সিদ্ধান্তে এই পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties:
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
১৯.
আদালতের অনুমতি ছাড়া বাদী কোন ক্ষেত্রে আরজির সাথে দাখিল না করা দলিল পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবেন?
  1. যেসব দলিল বিবাদীর সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয়
  2. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোনো বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য দলিল
  3. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোনো সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়
  4. উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒  বাদী আরজির সাথে কি কি কাগজপত্র বা দলিল দাখিল করবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ থেকে ১৭ বিধি পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
- বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা দাখিলকরণ : বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা আরজির সাথে দাখিল করতে হবে।বাদী তার দাবির সমর্থন পূর্বক প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে এবং তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে না থাকলে, সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল করি দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে। (বিধি ১৪,১৫)

- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি-১৮ তে আরজি দাখিলের সময় যে সকল দলিল দাখিল করা হয়নি, তার অগ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলা হয়েছে যে-
আরজির সাথে বাদী যে সকল দলিল দাখিল করেনি, আদালত সে সকল দলিল পরবর্তীতে দাখিলের অনুমতি দিবেনা। বিশেষ প্রেক্ষাপটে আদালত এমন দলিল দাখিলের অনুমতি দিতে পারে।তবে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া দলিলসমূহ দাখিল করতে পারবে-
১. যেসব দলিল বিবাদির সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয় বা
২. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য যে সব দলিল আদালতে হাজির করা
৩. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোন সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 7 Rule 18: Inadmissibility of document not produced when plaint filed-
(1) A document which ought to be produced in Court by the plaintiff when the plaint is presented, or to be entered in the list to be added or annexed to the plaint, and which is not produced or entered accordingly, shall not, without the leave of the Court, be received in evidence on his behalf at the hearing of the suit
Provided that the Court shall not grant such leave save in exceptional circumstances.
(2) Nothing in this rule applies to documents produced for cross-examination of the defendant's witnesses, or in answer to any case set up by the defendant or handed to a witness merely to refresh his memory.
২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারার অধীনে, আদালতকে কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র আপিল গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. মামলার স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  3. মামলাকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. গুরুত্বপূর্ন মামলার বিচার স্থগিত করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
i. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
ii. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
iii. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and
(i) try or dispose of the same; or
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn.
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn.
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court.
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হয়?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭ অনুযায়ী, সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য সমন কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. সরকারি মন্ত্রীর কাছে
  2. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাসায়
  3. সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের কাছে
  4. আদালতের কেরানীর কাছে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-5 Rule-27.Service on civil public officer or on servant of railway company or local authority:
Where the defendant is a public officer (not belonging to the armed forces of Bangladesh, or is the servant of the railway or local authority, the Court may, if it appears to it that the summons may be most conveniently so served, send it for service on the defendant to the head of the office in which he is employed, together with a copy to be retained by the defendant.
২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, আদালত কখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যখন বাদী বা বিবাদী আবেদন করে
  2. যখন তৃতীয় পক্ষ কোন দলিল দাখিল করতে চায়
  3. যখন সাক্ষী পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকে
  4. যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন তখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।

⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলি এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
২৪.
২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে যে বিরোধে আছে, তা নিষ্পত্তির জন্য কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. Court of Assistant Judge
  2. Court of Senior Assistant Judge
  3. Court of Joint District Judge
  4. Court of District Judge
ব্যাখ্যা
⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
i) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
ii) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
- সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ ২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে বিরোধ উক্ত মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করবে।
 
আপিল সংক্রান্ত বিধান:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদীকে কী করতে হবে?
  1. দলিলগুলো নিজের কাছে রাখতে হবে
  2. দলিলগুলো উকিলকে সরবরাহ করবে
  3. দলিলগুলির কপি আদালতের কর্মচারীকে দেবে
  4. দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদী দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে।

⇒ দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লিখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৯ আরজি গ্রহণের পদ্ধতি-
যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
----------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Order-7 Rule 9: Procedure of admitting plaint: 
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.
Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.
(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
২৬.
'খ' যদি 'ক'-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চায় এবং 'ক' চট্টগ্রামের বাসিন্দা হয় কিন্তু মানহানিকর বক্তব্য ঢাকায় প্রকাশিত হয়, তাহলে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. শুধু ঢাকায়
  2. কুমিল্লা
  3. ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
  4. হাইকোর্টে বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, 'ক' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে যেকোনো এক আদালতে মামলা করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
- Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts.

Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong.
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profit) বৈশিষ্ট্য কী?
  1. অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা।
  2. নিজের জমি থেকে স্বাভাবিক আয়।
  3. আইনগত মালিকানার ভিত্তিতে অর্জিত লাভ।
  4. প্রকৃত মালিকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তির ব্যবহার।
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুসারে, বেআইনিভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
ব্যতিক্রম: বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 2(12)- "mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession. 
২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়?
  1. পরিবারভুক্ত পক্ষ
  2. পাবলিক কোম্পানির প্রতিনিধি
  3. উত্তরাধিকারী যার চুক্তিতে স্বার্থ আছে
  4. ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী "ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি" সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by- 
(a) any party thereto; 
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed; 
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder; 
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman; 
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant; 
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach; 
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Res Judicata নীতির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত করা
  2. আদালতের একই বিষয়ে পুনরায় বিচার নিষিদ্ধ করা
  3. পক্ষগণকে পুনরায় মামলা করার অধিকার দেওয়া
  4. একাধিক আদালতে একই মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Res Judicata নীতির মূল উদ্দেশ্য আদালতের একই বিষয়ে পুনরায় বিচার নিষিদ্ধ করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।
→ Res Judicata নীতি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক, এটি মানা আদালতের দায়িত্ব।

Res Judicata (দোবারা দোষ) কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
→ দুইটি মামলা থাকতে হবে:
একটি মামলা আগে নিষ্পত্তি হয়ে থাকতে হবে।
অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত হতে হবে।
→ উভয় মামলার বিষয়বস্তু একই হতে হবে:
আগের মামলায় যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নতুন মামলাতেও সেই একই বিষয় থাকতে হবে।
→ পক্ষগণ একই হতে হবে:
পরবর্তী মামলা যারা করেছে, তারা আগের মামলার পক্ষ হতে হবে।
অথবা তারা তাদের পক্ষের হয়ে মামলা করেছে।
→একই বিষয়ে পূর্বেও মামলা করা হয়েছে:
পূর্ববর্তী মামলার পক্ষগণ একই বিষয় নিয়ে মামলা করেছিল।
→ আগের মামলাটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নিষ্পত্তি করেছে:
যে আদালত আগের মামলা নিষ্পত্তি করেছে, তার বিচার করার ক্ষমতা (এখতিয়ার) থাকতে হবে।

৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ-৬ বিধি-১৬ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আদালত প্লিডিংস কর্তনের আদেশ দিতে পারেন না?
  1. যদি প্লিডিংসে কুৎসাজনক বিষয় থাকে
  2. যদি প্লিডিংসে অপ্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে
  3. যদি প্লিডিংসে প্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে
  4. যদি সুষ্ঠু বিচার বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
ব্যাখ্যা
⇒উল্লিখিত প্রশ্নে The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ-৬ বিধি-১৬ অনুযায়ী "যদি প্লিডিংসে প্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে" আদালত প্লিডিংস কর্তনের আদেশ দিতে পারেন না। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী মামলার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধনের আদেশ দিতে পারে। আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আরজি জবাব কেটে দেয়ার বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন ।
যদি আরজিতে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলো থাকে ১) অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক বিষয় ২) সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে এমন বিষয়।
⇒ প্লিডিংস হলো বাদীর আরজি ও বিবাদির লিখিত জবাব।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬ আরজি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আপিলের সময়সীমা
  2. সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন
  3. মামলার মূল বিষয়বস্তু
  4. আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
- স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে:
১. মোকদ্দমা দায়েরের স্থান নির্ধারণ:
যদি স্থাবর সম্পত্তিটি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে যে কোনো একটি আদালত এই অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে।
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ এমনভাবে কার্যকর হবে, যেন সম্পত্তিটি আদালতের নিজস্ব স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত ছিল।
২. আপিল বা রিভিশন আদালতে আপত্তি:
যদি উপধারা (১) অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ড করা না হয় এবং আপিল বা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত, সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত এই আপত্তি গ্রহণ করবে না।
তবে যদি আদালতের মতে মোকদ্দমা দায়েরের সময় এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তার যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর ফলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে আপত্তিটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction:
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction.

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৩২.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. যেখানে মামলার রায় শুধুমাত্র বাদী ও বিবাদীর মধ্যেই প্রযোজ্য হয়
  2. যেখানে মামলার পক্ষভুক্ত সকলকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে হয়
  3. যেখানে একাধিক ব্যক্তি একই বিষয়ে আলাদা আলাদা মামলা করতে পারেন
  4. যেখানে একজন ব্যক্তি অন্য সকলের স্বার্থে আদালতে মামলা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলতে বোঝানো হয়: যেখানে একজন ব্যক্তি অন্য সকলের স্বার্থে আদালতে মামলা করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
৩৩.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যকর করা যাবে না?
  1. যে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে
  2. যে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না
  3. যে ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেছে
  4. উপরের সকল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
৩৪.
'যদি প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত নোটিশ দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আদালত গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে পারে' বিধানটি রয়েছে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৬
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৭
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
--------------  
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৩৫.
নিচের কোনটি প্লিডিংসের সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. সত্যতা প্রতিপাদনকারীর স্বাক্ষর
  2. আদালতের সার্টিফিকেশন
  3. সত্যতা প্রতিপাদনের তারিখ ও স্থান
  4. ব্যক্তিগত জ্ঞান ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিপাদিত অনুচ্ছেদগুলির উল্লেখ
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- অনুযায়ী প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে "আদালতের সার্টিফিকেশন" প্রয়োজনীয় নেই। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. আপিল সংক্রান্ত এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান- আর্থিক এখতিয়ার:
- অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Courts (Amendment) Act, 2021 – দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার বৃদ্ধি:
সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
----------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
- Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.