ব্যাখ্যা
ঢেঁকি অবতার = নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক;
তালকানা = কাণ্ডজ্ঞানহীন;
ঢিমে তেতালা = অতিশয় মন্থরগতি;
গোকুলের ষাঁড় = স্বচ্ছন্দে বিচরণকারী ও অনিষ্টকারী
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন
ঢেঁকি অবতার = নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক;
তালকানা = কাণ্ডজ্ঞানহীন;
ঢিমে তেতালা = অতিশয় মন্থরগতি;
গোকুলের ষাঁড় = স্বচ্ছন্দে বিচরণকারী ও অনিষ্টকারী
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
যে পদ বিশেষ্য ও সর্বনাম ভিন্ন অন্য পদকে বিশেষিত করে তাকে ভাব বিশেষণ বলে।
ভাব বিশেষণ ৪ প্রকার। যথা-
- ক্রিয়া বিশেষণ,
- বিশেষণের বিশেষণ,
- অব্যয়ের বিশেষণ ও
- বাক্যের বিশেষণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্ (ড়্), দ্, ব্ হয়।পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন, দিক্ + অন্ত = দিগন্ত, ষট্ + আনন = ষড়ানন, সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত, ণিচ্+অন্ত = ণিজন্ত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
অশুদ্ধ শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ -
অতলস্পর্শী = অতলস্পর্শ
মনক্ষুন্ন = মনঃক্ষুন্ন
সৌহার্দ্যতা = সৌহার্দ্য
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
হাতি = হস্তী, গজ, করী, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরথ, নাগ, বারণ, মাতঙ্গ ইত্যাদি।
দ্বীপ = জলবেষ্টিত ভূখন্ড।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
শত্রুকে জয় করে যে = শত্রুজিৎ
শত্রুকে পীড়ন করে এমন = পরন্তপ
শত্রুকে হনন করে যে = শত্রুঘ্ন
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ -
- কমা বা পাদচ্ছেদ এবং উদ্ধৃতি চিহ্ন থাকলে - 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।
- সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে - 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্রাকেট থাকলে - থামার প্রয়োজন হয় না।
দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে - এক সেকেন্ড থামতে হয়।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সর্বদাই - নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন - ''কোথায় যাওয়া হয়েছে'' ''আমার খাওয়া হলো না'', ''কোথা থেকে আসা হচ্ছে'', ''কোথায় থাকা হয়''।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী ও মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
যে সকল তৎসম শব্দ কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে।
যেমন - গৃহিনী = গিন্নী, কর্মকার = কামার, গর্দভ = গাধা, বর্তিকা = বাতি, গৃহস্থ = গেরস্থ
নিমন্ত্রণ = নেমন্তন্ন, হংস = হাঁস, জ্যোৎস্না = জ্যোছনা, স্পর্শ = পরশ ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
যে সমাসে সমস্যমান পদ গুলো নিত্য সমাজবদ্ধ থাকে ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে।
যেমন- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন =দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, কাল তুল্য সাপ = কালসাপ, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।
র-ধ্বনির পরে যদি অ,আ ভিন্ন অন্য স্বরধনি থাকে, তবে তার পরে 'ষ' বসে।
যেমন - পরিষ্কার, আবিষ্কার ইত্যাদি।
প্রশ্নের বাকি শব্দগুলোতে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ = ৫০টি (স্বরবর্ণ - ১১ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৩৯টি)।
তারমধ্যে,
- পূর্ণমাত্রার বর্ণ - ৩২টি (স্বরবর্ণ - ৬ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ২৬টি)
- অর্ধমাত্রার বর্ণ - ৮টি (স্বরবর্ণ - ১ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৭টি) ও
- মাত্রাহীন বর্ণ - ১০টি (স্বরবর্ণ - ৪ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৬টি)
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
চর্যাপদ সম্পর্কিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থের নাম - Buddhist Mystic Songs।
তার মতে চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো - ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্য।
এই গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদিগ্রন্থ - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। গ্রন্থটি মোট ১৩ খন্ডে ৪১৮টি পদে বিন্যস্ত।
এর তিনটি চরিত্র - রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। রাধা-কৃষ্ণের মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী অনুঘটক চরিত্র - বড়াই।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মনসামঙ্গলের জনপ্রিয়তার জন্য বিভিন্ন কবির রচিত কাব্য থেকে বিভিন্ন অংশ সংগ্রহ করে যে পদ সংকলন করা হয়েছিলো তা ''বাইশ কবির মনসামঙ্গল'' বা ''বাইশা'' বলে।
এখানে বাইশ জন কবির অন্তর্ভূক্তি থাকায় এই কবিদের ''বাইশা'' বলা হয়।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য - পদ্মাবতী। এর রচয়িতা - মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি - আলাওল।
১৬৫২ সালে আরাকান রাজসভার প্রধানমন্ত্রী - কোরেশী মাগন ঠাকুরের অনুরোধে কবি আলাওল হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' কাব্য অবলম্বনে 'পদ্মাবতী' কাব্য রচনা করেন।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে উড়ে ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে!
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!
পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে
বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর উড়ে-উড়ে কেঁদো নাকো ধানসিড়ি নদীটির পাশে!
--- 'হায়চিল'; রচয়িতা - জীবনানন্দ দাশ।
উল্লেখ্য, কবিতাটি কবির ''বনলতা সেন'' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গানঃ
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
- গাড়ি চলে না
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিড়িতি শিখাইছে
- রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না
- কোন মেস্তরি নাও বানাইছে
- মানুষ হয়ে তালাশ করলে
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
শামসুর রাহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ
- রোদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে, (মুক্তিযুদ্ধের সময় রচিত)
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- শূন্যতায় তুমি শোকসভা,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- প্রেমের কবিতা,
- ইকারুসের আকাশ,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় ইত্যাদি।
উৎসঃবাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শওকত ওসমান ৪টি উপন্যাস রচনা করেছেন।
১. জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১ সালে রচিত ও প্রকাশিত)
২. দুই সৈনিক
৩. নেকড়ে অরণ্য (বন্দীশালায় নারীদের উপর পাক সেনাদের অত্যাচারের ইতিবৃত্ত বর্ণিত হয়েছে।)
৪. জলাঙ্গী
উৎসঃবাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গোরা' উপন্যাসটি অনেকের মতে তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ গোরা, পরেশবাবু, সুচুরিতা, পানবাবু, ললিতা, বিনয়, বরদা সুন্দরী, কৃষ্ণদয়াল, আনন্দময়ী প্রমুখ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
এস. ওয়াজেদ আলী রচিত ভ্রমনকাহিনী - পশ্চিম ভারত ও মোটরযোগে রাচীঁ সফর।
তার রচিত উপন্যাস - গ্রানাডার শেষ বীর
তার রচিত কয়েকটু প্রবন্ধ - প্রাচ্য ও প্রাতীচ্য, ভবিষ্যতের বাঙালী, জীবনের শিল্প ইত্যাদি
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
''Midsummer Night'' is a poetry by John Masefield.
His other notable poetry:
Beauty, Her Heart, Being Her Friend
The Vagabond
Wonderings
Right Royal
The Everlasting Mercy Sea-Fever etc
Source: Britannica.com
William Butler Yeats, (born June 13, 1865, Sandymount, Dublin, Ireland—died January 28, 1939, Roquebrune-Cap-Martin, France), Irish poet, dramatist, and prose writer, one of the greatest English-language poets of the 20th century. He received the Nobel Prize for Literature in 1923.
He was a poet/literary figure of the first portion of modern English literary period which is known as - ''Edwardian Period''.
Source: Britannica.com and Live MCQ lecture.
Alfred, Lord Tennyson, in full Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater, (born August 6, 1809, Somersby, Lincolnshire, England—died October 6, 1892, Aldworth, Surrey), English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry. He was raised to the peerage in 1884.
His famous poems:
- Two Brothers
- Two Voices
- Ulysses
- In Memoriam
- The Holy Grail, and Other Poems
- The Lotos-Eaters
- The Palace of Art
- The Lady of Shalott etc.
Source: Britannica.com and Live MCQ lecture.
Robert Browning, (born May 7, 1812, London—died Dec. 12, 1889, Venice), major English poet of the Victorian age, noted for his mastery of dramatic monologue and psychological portraiture. His most noted work was The Ring and the Book (1868–69), the story of a Roman murder trial in 12 books.
His famous poetry:
- Men and Women
- The Ring and the Book
- Fra Lippo Lippi
- My Last Duchess
- The Pied Piper of Hamelin
- Bishop Blougram’s Apology etc.
Source: Britannica.com
Some famous quotes of Alexander Pope:
- Some people will never learn anything, for this reason, because they understand everything too soon.
- A little learning is a dangerous thing; Drink deep, or taste not the Pierian spring.
- Fools rush in where angels fear to tread.
- A God without dominion, providence, and final causes, is nothing else but fate and nature.
''A Farewell to Arms'', third novel by Ernest Hemingway, published in 1929.
Its depiction of the existential disillusionment of the ''Lost Generation'' echoes his early short stories and his first major novel, The Sun Also Rises (1926).
A Farewell to Arms - is particularly notable for its autobiographical elements.
The plot of A Farewell to Arms is fairly straightforward. While working with the Italian ambulance service during World War I (1914–18), the American lieutenant Frederic Henry meets the English nurse Catherine Barkley.
Source: Britannica.com
Tenacious = Tending to keep a firm hold of something; clinging or adhering closely.
SYNONYMS = Persevering, persistent, pertinacious, determined, stubborn, intransigent, obstinate, obdurate etc.
ANTONYMS = Irresolute, weak etc.
Source: Oxford Dictionary
Alluring = Powerfully and mysteriously attractive or fascinating; seductive.
SYNONYMS = Enticing, tempting, attractive, appealing, fetching, inviting, glamorous, captivating, seductive etc.
ANTONYMS = Regular
Source: Oxford Dictionary
Lest দ্বারা যুক্ত দুটি clause এর মধ্যে পরেরটির verb এর আগে 'should' বসে।
এক্ষেত্রে, সঠিক sentence হবে - Work hard lest you should fail.
Singular to Plural:
chorus - choruses
phenomenon - phenomena
child - children
bacterium - bacteria
Some words are always used as feminine gender.
Ex: Amazon, Virgin, Shrew, Blonde, Brunette, Nurse, Siren, Laundress etc.
যখন verb এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে Noun এর মত কাজ করে; অর্থ্যাৎ বাক্যে subject বা object হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে Gerund বলে।
Ex: Reading is an excellent habbit. I saw her crying.
যে Clause অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোন Clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাকে Principal Clause বলে।
Ex: I know the man who came here yesterday.
যে phrase, sentence-এ verb, adjective or adverb কে মডিফাই করে, তাকে adverbial phrase বলে।
Ex: The train is leaving right now. Shila finshed the exam extremely quickly.
x²-2 = 0
⇒ x² = 2
⇒ x = √2
√2 একটি অমূলদ সংখ্যা।
যে বাস্তব সংখ্যাকে দুটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে প্রকাশ করা যায় না তাকে অমূলদ সংখ্যা বলে। আবার অসীম অনাবৃত দশমিক সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলে।
৩০% বৃদ্ধিতে পূর্বের খরচ ১০০ টাকা হলে বর্তমান খরচ ১৩০ টাকা।
১৩০ টাকায় খরচ কমাতে হবে ৩০ টাকা
∴১০০ 〃 〃 〃 〃 (৩০×১০০)/১৩০ টাকা
= ২৩.০৮ টাকা
ধরি,
f(x) = 3x³ + 2x² -21x - 20
∴ f(-1) = 3(-1)³ + 2(-1)² -21(-1) - 20
= -3 + 2 + 21 - 20
= 0
যেহেতু f(-1) = 0 হয়, সুতরাং x - (-1) বা x+1 হচ্ছে প্রদত্ত রাশির একটি উৎপাদক।
3(2+x)+6 = 9(x+2)
⇒ 6 + 3x + 6 = 9x + 18
⇒ 3x - 9x = 18 -12
⇒ -6x = 6
∴ x = -1
প্রথম শর্তটি সবগুলো অপশনই পূর্ণ করে।
দ্বিতীয় শর্তের ক্ষেত্রে কেবল 23 এর অংকদ্বয় স্থান পরিবর্তন করলে 32 হয় অর্থাৎ (32-23) = 9 বৃদ্ধি পায়।
বিকল্প পদ্ধতিঃ
ধরি,
একক স্থানিয় অংক = x
দশক স্থানীয় অংক = y
∴ সংখ্যাটি = 10y+x
এবং xy = 6
প্রশ্নমতে,
10x + y = (10y+x) + 9
⇒ 10x + y - 10y - x = 9
⇒ 9x - 9y = 9
∴ x - y = 1 ----------- (1)
আমরা জানি,
(x+y)² = (x-y)² + 4xy
⇒ (x+y)² = (1)² + 4(6)
⇒ (x+y)² = 1 + 24
⇒ (x+y)² = 25
∴ x+y = 5 ----------- (2)
(1)+(2) ⇒ x-y+x+y = 1+5
⇒ 2x = 6
⇒ x = 3
আবার, (2)-(1) ⇒ x+y-x+y = 5-1
⇒ 2y = 4
⇒ y = 2
∴ সংখ্যাটি = 10(2)+3 = 23
প্রথম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = (3-1) = 2
সুতরাং,
n তম পদ = a+(n-1).d
⇒ 71 = 1+(n-1)2
⇒ 71 = 1+2n-2
⇒ 71 + 1 = 2n
⇒ n = 72/2
∴ n = 36
∴ সমষ্টি S = n/2{2a+(n-1)d}
= 36/2{2×1+(36-1)2}
= 18(2 + 70)
= 18 × 72
= 1296
ক্ষুদ্রতম কোণের পরিমাপ = {৩৬০ এর ১/(১+২+২+৩)}° = (৩৬০ এর ১/৮)° = ৪৫°
ধরি, লম্ব = x সেমি। তাহলে, ভূমি = x-4 সেমি এবং অতিভুজ = x+4 সেমি।
পীথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
x² + (x-4)² = (x+4)²
⇒ x² + x² - 8x + 16 = x² + 8x + 16
⇒ 2x² - 8x + 16 - x² - 8x - 16 = 0
⇒ x² - 16x = 0
⇒ x(x - 16) = 0
⇒ x - 16 = 0 [x = 0 গ্রহণযোগ্য নয়]
∴ x = 16
∴ অতিভুজ = 16+4 = 20 সেমি
7 থেকে ছোট বিজোড় সংখ্যা - 1, 3, 5
অর্থাৎ, A = {1, 3, 5}
∴ A এর সদস্য সংখ্যা 3 টি।
∴ P(A) এর সদস্য সংখ্যা 2³ = 8 টি
২ টি বই যেহেতু সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে সুতরাং ৮ টি বই থেকে ৩ টি বই বাছাই করতে হবে।
৮ টি বই থেকে ৩ টি বই বাছাই করার উপায় ৮C৩ = ৮!/৩!×৫! = ৫৬
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। সাধারণ ভাবে ভাইরাসের গঠন নিম্নরূপ-
প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা-প্রোটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও নিউক্লিক এসিড।
ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রোটিন আবরণটি হলো ক্যাপসিড। এ প্রোটিন আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার (capsomere) বলে। এ ক্যাপসোমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের। কোনো কোনো প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপোপ্রোটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলোমার (pelpomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপোভাইরাস (lipovirus) বলে।
নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড। নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা- DNA (ডি অক্সি-রাইবো নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়। আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড বা 3×10⁸ ms⁻¹।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,
ড. আমির হোসেন,
প্রফেসর মোহাম্মদ ইসহাক
এবং ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
মাইক্রোকম্পিউটারের জনক - এইচ. এডওয়ার্ড রবার্ট ;
কম্পিউটারের জনক - চার্লস ব্যাবেজ ;
আধুনিক কম্পিউটারের জনক - জন ভন নিউম্যান ;
মিনি কম্পিউটারের জনক - কেনেথ এইচ ওলসেন।
কম্পিউটার কেবল যন্ত্র না মেশিনের ভাষা বুঝে। সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্যকোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। যথা - কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার।
- কম্পাইলার -- পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে।
- ইন্টারপ্রেটার -- প্রোগ্রামের লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং ফলাফল দেখায়।
- অ্যাসেম্বলার -- অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রাম অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাজাহান সজীব।
পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (C2B)
মূল বেতন ১০০ টাকা হলে ২০% কমে গেলে হয় ৮০ টাকা।
আবার ২০% বেড়ে গেলে হয় ৮০ + (৮০ এর ২০/১০০) = ৯৬ টাকা।
অর্থাৎ মূল বেতন (১০০-৯৬) = ৪% কমে যাবে।
৫০ পয়সা রয়েছে মোট টাকার অর্ধেক বা ৩ টাকা মূল্যের, অর্থাৎ (৩×১০০)÷৫০ = ৬ টি।
২৫ পয়সার সংখ্যা x টি হলে ১০ পয়সার সংখ্যা (x+২) টি।
প্রশ্নমতে,
১০(x+২) + ২৫x = ৩০০
বা, ১০x + ২০ + ২৫x = ৩০০
বা, ৩৫x = ২৮০
বা, x = ৮
অর্থাৎ, ২৫ পয়সার সংখ্যা ৮ টি এবং ১০ পয়সার সংখ্যা (৮+২) = ১০ টি।
সুতরাং মোট পয়সা আছে (১০+৮+৬) = ২৪ টি
এখানে তিনটি সিরিজ একত্রে আছে।
১ম টি : ২, ৪, ৬, ৮…...
২য় টি : ১, ৪, ৭, ১০…...
৩য় টি : ২, ৫, ৮, ১১……
১ম টির একটি সংখ্যা তার পর ২য় টির একটি সংখ্যা তার পর ৩য় টির একটি সংখ্যা, এভাবে মূল সিরিজটি সাজানো হয়েছে। সেই অনুসারে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে ১ম সিরিজের পরবর্তী সংখ্যা আসবে। ১ম সিরিজটি ২ ব্যবধানে বাড়ছে, সুতরাং পরবর্তী সংখ্যা হবে ১০।
প্রথম বৃত্তে: (42÷6) - (30÷5) = 1
দ্বিতীয় বৃত্তে: (27÷3) - (56÷7) = 1
তৃতীয় বৃত্তে: (49÷7) - (40÷8) = 2
অর্থাৎ, প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 2 বসবে।
বাংলাদেশের মোট জনশক্তি - ৬.৩৫কোটি যার মধ্যে-
খাত অনুযায়ী শ্রমশক্তিতে নিয়োজিতঃ
কৃষি- ৪০.৬%
শিল্প- ২০.৪%
সেবা- ৩৯%।
সুতরাং, কর্মসংস্থান - এর দিক থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তম খাত - কৃষি খাত।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
সম্রাট শাহজাহান ক্ষমতা গ্রহনের পর ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে কাসিম খান জুয়েনীকে বাংলার সুবেদার করে পাঠান। এসময় বাংলার এই অঞ্চলে পর্তুগীজ বণিকদের প্রভাব অনেক বেড়ে যায়। মীর কাসিম খান জুয়েনী শক্ত হাতে পর্তুগীজ বণিকদের (মগ) বাংলা ও হুগলি থেকে দমন করেন।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম থেকে পর্তুগীজদের দমন করেছিলেন - শায়েস্তা খান।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর ইতিহাস বই (উন্মুক্ত)।
বঙ্গ - একটি প্রাচীন জনপদ। 'ঐতরেয় আরণ্যক' গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ। মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সাথে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম। মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
উল্লেখ্য, দেশবাচক শব্দ হিসাবে 'বঙ্গ' বা 'বাঙ্গাল' শব্দটি প্রথম পাওয়া যায় - আবুল ফজল রচিত 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)
পলাশী যুদ্ধের একশ বছর পর ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে প্রধানত সিপাহীদের নেতৃত্বে যে ব্যাপক সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তাকেই 'ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম' বলা হয়।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে চরম শোষণ, সামাজিকভাবে হেয় করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সর্বোপরি ভারতীয় সৈনিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণই এসবই মহাবিদ্রোহ বা প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি রচনা করেছে।
সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফলঃ
- এর ফলে ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান হয়। ব্রিটিশ সরকার ও পার্লামেন্টের হাতে ভারত শাসনের দায়িত্ব অর্পিত হয়।
- ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১ নভেম্বর মহারানী ভিক্টোরিয়ার ঘোষণাপত্রে স্বত্ববিলোপ নীতি এবং এর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য নিয়ম বাতিল করা হয়। তাছাড়া এই ঘোষণা পত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী ভারতীয়দের চাকরি প্রদান এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তাসহ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।
এই বিদ্রোহের সুদূর প্রসারি গুরুত্ব হচ্ছে, বিদ্রোহের ক্ষোভ থেমে থাকেনি। এই সংগ্রামের পরিপ্রেক্ষিতে জনগণ সচেতন হয়ে উঠে এবং নানা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটায়।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)
৩ মার্চ (১৯৭১) অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং পরদিন সারাদেশে হরতাল ডাকেন। তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ২ এবং ৩ মার্চ হরতালের ফলে সকল সরকারি কর্মকান্ড অচল হয়ে পড়ে। কোনো কোনো ছাত্র এবং শ্রমিক সংগঠন স্বাধীনতার ঘোষণা দাবি করেন। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ৩ মার্চ ১৯৭১ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে। সভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি' শীর্ষক একটি ইশতেহার প্রচার করা হয়। ইশতেহারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের তিনটি লক্ষ্য চিহ্নিত করা হয়।
যেমন:
১. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে পৃথিবীর বুকে একটি বলিষ্ঠ বাঙালি জাতি সৃষ্টি করা হবে,
২. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করা হবে এবং
৩. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে ব্যক্তি, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ নির্ভেজাল গণতন্ত্র কায়েম করা হবে।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা। এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া
উৎসঃ BARI website
বিআর ৩ঃ
একটি উচ্চফলনশীল ধানের জাত, যা বোরো, আউশ এবং আমন তিন মৌসুমের জন্য অনুমোদিত। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট - ১৯৭৩ সনে জাতটি উদ্ভাবন করেছে।
বিআর৩-এর জনপ্রিয় নাম - বিপ্লব।
এ জাতের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- গাছের উচ্চতা ৯৫ সেন্টিমিটার, এর চাল মাঝারি মোটা ও পেটে সাদা দাগ আছে, গাছ হেলে পড়ে না এবং ভাত ঝরঝরে। জাতটির জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৭০ দিন এবং ফলন হেক্টরপ্রতি ৬.৫ টন।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর ওয়েবসাইট।
''ম্রাইমা' শব্দ থেকে মারমা শব্দটির উৎপত্তি। মারমারা 'মগ' নামেও পরিচিত।
মারমা নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, যাদের অধিকাংশই পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। সংখ্যার দিক থেকে মারমারা পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের - দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে মারমা নৃগোষ্ঠীর ২,০২,৯৭৪ জন মানুষ বসবাস করেন।
মারমারা মূলত রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। তিন পার্বত্য জেলায় তাদের বসবাস পরিলক্ষিত হলেও - মূল জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ - বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। এর বাইরে পটুয়াখালি ও কক্সবাজার জেলাও তারা বসবাস করে।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ১ বছর মেয়াদী মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে।
এর পূর্বে ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুটো মুদ্রানীতি ঘোষণা করে আসছিল।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ
বাংলাদেশ - মিয়ানমার সমুদ্রসীমার বিরোধ সংক্রান্ত রায় হয় - ২০১২ সালের ১৪ মার্চ আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক ট্রাইবুনাল - ইটলস্ থেকে।
অন্যদিকে, ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ মামলার রায় হয় - ২০১৪ সালের ৭ জুলাই স্থায়ী সালিশী আদালত থেকে।
বাংলাদেশের খেলোয়াড় সোহাগ গাজী ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একই টেস্টে হ্যাট্রিক সহ ৬ উইকেট ও সেঞ্চুরি করার রেকর্ড করেন।
উল্লেখ্য, সোহাগ গাজী বিশ্বের টেস্টসহ যেকোন ধরনের ক্রিকেটে এই ধরনের কৃতিত্ব দেখানো প্রথম খেলোয়াড়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম অনুচ্ছেদ থেকে ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এই চারটি বিষয়কে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)
বাংলাদেশের শাসন বিভাগঃ
রাষ্ট্রপতি : শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালুথাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক। রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে। তবে রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা। এই সংসদই যে কোন বড় ধরনের ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যূত করতে পারে। রাষ্ট্রপতি মূলতঃ অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ :
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গ্রহণের ফলে বাংলাদেশে যে নির্বাহীর উদ্ভব ঘটে তা হল সংসদীয় নির্বাহী। এখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা সংবিধানভক্তূ হয়। এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত ও অনুেমাদিত না হলে কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন না। প্রকৃতপক্ষে, সরকার প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাহী ক্ষমতা মূলত: প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ন্যস্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান থাকেন। মন্ত্রিপরিষদ তার সকল কর্মকান্ডের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। কেননা, প্রধানমন্ত্রী হলেন সংসদ নেতা।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)
বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে। যথাঃ
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- থানা/উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।
উপজেলা প্রশাসন 'স্থানীয় প্রশাসনের' অংশ।
উপজেলা পরিষদের প্রধান - চেয়ারম্যান; অন্যদিকে, উপজেলা প্রশাসনের প্রধান - উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতাঃনবম দশম শ্রেণী
বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত যার সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন। এর উপরের দুটি স্তর নিম্নক্রমে জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসন। সুত্রঃ বোর্ড বই।
অর্থাৎ,
স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর - উপজেলা প্রশাসন
স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ
আওয়ামী লীগের সভাপতিরা:
আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সেল (সিআরআই) সূত্রে জানা যায়,
- দলের প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত চারটি কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন।
- এরপর ওই বছর একটি বিশেষ কাউন্সিলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ। ১৯৬৪ সালে দলের পঞ্চম কাউন্সিলে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি পদে ছিলেন ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত।
- ওই বছর ষষ্ঠ কাউন্সিলে দলের সভাপতি হন শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত সভাপতি পদে ছিলেন।
- ১৯৭৪ সালে দশম কাউন্সিলে সভাপতি হন এ এইচ এম কামরুজ্জামান। ১৯৭৫ সালে ঘাতকের গুলিতে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত হন তিনি।
- এরপর ১৯৭৮ সালে কাউন্সিলে সভাপতি হন আবদুল মালেক। তিনি ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ছিলেন।
- ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে দলের সভাপতি পদে আছেন শেখ হাসিনা। দলের ১৩তম কাউন্সিলে তিনি প্রথম সভাপতি হন। সর্বশেষ ২০তম কাউন্সিলেও তিনি একই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহকে Almond ও Powel চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। সেগুলো হল-
1. institutional interest group
2. Anomic interest group
3. Associational interest group.
4. Non-associational interest group.
নদী তীরবর্তী সভ্যতা সমূহঃ
মিশরীয় সভ্যতা - নীলনদ
সিন্ধু সভ্যতা - সিন্ধু নদী
চৈনিক সভ্যতা - হোয়াংহো নদী
মেসোপটেমীয় সভ্যতা - টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা ও ফোরাত) নদী
সমুদ্র তীরবর্তী সভ্যতা সমূহঃ
গ্রীক সভ্যতা - ভূমধ্যসাগর
রোমান সভ্যতা - ভূমধ্যসাগর
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
➣ রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯১৮ সালে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান হয়; পোল্যান্ড ও ফিনল্যান্ড সহ বলকান অনেকগুলো রাষ্ট্র স্বাধীন হয় এবং বিশ্বে প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র (Russian Soviet Federative Socialist Republic) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯১৮ - ২২ সাল পর্যন্ত লেনিনের নিয়ন্ত্রিত 'রেড আর্মি' ও 'হোয়াইট রাশিয়ান' (anti-communists) দের মধ্যে গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এতে রেড আর্মি বিজয়ী হয়ে সমাজতন্ত্রের ভিত মজবুত করে।
১৯২২ সালে যুদ্ধে জয়ী হয়ে লেনিন 'সোভিয়েত ইউনিয়ন' (Union of Soviet Socialist Republics - USSR) গঠন করেন। রাশিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র হোয়াইট রাশিয়ানদের সহযোগীতা করেছিলো এবং তখন থেকেই মূলত 'স্নায়ুযুদ্ধ' (Coldwar) - এর সূত্রপাত হয়।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
⇒ ১৯৬০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তায় ফিদেল ক্যাস্ত্রো কিউবায় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬১ সালে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাথে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছেদ করে। দীর্ঘ ৫৪ বছর পর ২০১৫ সালে আবার কিউবা - যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়।
⇒ ১৯৬১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মদদে কিউবার বিপ্লবের পর পালিয়ে যাওয়াদের মাধ্যমে ফিদেল ক্যাস্ত্রোকে উচ্ছেদ করার জন্য এক অভিযান পরিচালিত হয় যা ''Bay of Pigs'' নামে পরিচিত।
⇒ ১৯৬২ সালে কিউবায় সোভিয়েত মিসাইল স্থাপনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার উপক্রম হয় যা ''কিউবার মিসাইল সঙ্কট'' (Cuban missile crisis) নামে পরিচিত।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
➣ খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীদে Seleucid Empire এর শাসনাধীন থাকা অবস্থায় বিশৃঙ্খলার সুযোগে Judas Maccabeus - এর নেতৃত্বে ইহুদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিদ্রোহ করে এবং জেরুজালেম দখল করে নেয়। তাদের এই বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে ইহুদীরা 'হানুকা' (Hanukkah) উৎসব পালন করে।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
- North-Atlantic Treaty Organization (NATO) - যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত জোট।
- Warsaw Pact - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর নিরাপত্তা চুক্তি। (বর্তমানে বিলুপ্ত)
- Southeast Asia Treaty Organization (SEATO) - দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্র বিরোধী নিরাপত্তা চুক্তি। (বর্তমানে বিলুপ্ত)
অন্যদিকে, Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তাররোধী একটি চুক্তি।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
➣ ১৮০৩ সালে ফ্রান্স ‘লুইসিয়ানা’ স্টেট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দেয়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ১৮১৯ সালে স্পেনের কাছ থেকে ‘ফ্লোরিডা’, ১৮৪৮ সালে মেক্সিকোর কাছ থেকে ‘টেক্সাস’ ও ‘নিউ মেক্সিকো’ অঙ্গরাজ্য অধিগ্রহন করে এবং ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে ‘আলাস্কা’ কিনে নেয়।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
➣ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক অটোমান শাসনের অধীনে অক্ষশক্তির হয়ে যুদ্ধে অংশ নেয়। যুদ্ধে অক্ষশক্তি পরাজিত হলে ১৯১৯ সাল থেকে তুরস্কের জাতীয় বীর মোস্তফা কামাল পাশার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র (Republic of Turkey) ঘোষণা করা হয় এবং মোস্তফা কামাল পাশা দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন (১৯২৩ - ১৯৩৮)। তার উপাধি - ‘আতার্তুক’ বা ‘তুরস্কের জাতির পিতা’।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে ''ডমিনো তত্ত্ব'' অন্যতম।
কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সাম্যবাদীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সাম্যবাদীদের দখলে চলে যাবে। সাম্যবাদের প্রসার ঠেকানো ছিল ডমিনো তত্ত্বের মূল কথা।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ''ভিয়েতনাম যুদ্ধ'' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
উৎসঃ History.com
ভারতের বর্তমান রাজ্য সংখ্যা ২৮ টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি।
২৬ জানুয়ারি ২০২০ থেকে থেকে 'দমন ও দিউ' এবং 'দাদরা ও নগর হাভেলি' একটাই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।
বর্তমানে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো হলঃ আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, চন্ডীগড়, 'দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দামান ও দিউ', রাজধানী দিল্লি, 'জম্মু ও কাশ্মীর', লক্ষদ্বীপ, লাদাখ এবং পুডুচেরি।
---------
এর আগে, ৩১ অক্টোবর ২০১৯ এ 'জম্মু ও কাশ্মীর' এবং 'লাদাখ' নামে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের যাত্রা শুরু করে। তখন ভারতের এখন রাজ্য সংখ্যা হয় ২৮টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ৯টি। বর্তমানে, উপরের দুটি অঞ্চল এক হয়ে যাওয়াতে ৮টি হয়ে গেল।
সুত্রঃ ভারতের সরকারি সাইট (knowindia.gov.in)
৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সতর্ক করে। ১১ জানুয়ারী উহানে প্রথম করোনা রোগী মারা যায়।
১৩ জানুয়ারী চীনের বাহিরে - থাইল্যান্ডে সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়। এই রোগী উহান থেকে থাইল্যান্ডে এসেছিল।
১৬ জানুয়ারী জাপানে করোনা রোগী শনাক্ত। ২ ফেব্রুয়ারী চীনের বাহিরে ফিলিপাইনে প্রথম করোনা রোগী মারা যায়। এই রোগীও উহান থেকে ফিলিপাইন গিয়েছিলো।
বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ।
সূত্রঃ আল জাজিরা
দেশের নাম - আজারবাইজান
রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Republic of Azerbaijan
রাজধানী - বাকু
মুদ্রার নাম - মানাত (Manat)
রাষ্ট্রীয় ভাষা - আজারবাইজানি
সংসদের নাম - National Assembly/Milli Majlis
অন্যদিকে,
মরিশাসের মুদ্রার নাম - রূপী, বাহরাইনের মুদ্রার নাম - দিনার ও ব্রুনাই এর মুদ্রার নাম - ব্রুনেই ডলার।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
প্রতি বছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।
১৯৭০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দিবসটি পালিত হয়। ১৯৭০ সালের এই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বাসযোগ্য বা নিরাপদ পৃথিবীর দাবীতে প্রায় ২০ লক্ষ মার্কিন জনগণ রাস্তায় নেমে আসে যা ১৯৭২ সালের ৫ জুন UNEP প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১৯৯০ সাল থেকে ধরিত্রী দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হতে শুরু করে যা ১৯৯২ সালে ধরিত্রী সম্মেলন আয়োজনের প্রেক্ষাপট তৈরিতে কাজ করে।
সূত্র: EARTHDAY.ORG ওয়েবসাইট
পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন চুক্তির বিষয়বস্তুঃ
- মন্ট্রিল প্রটোকল -- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- ভিয়েনা কনভেনশন -- ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
- কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
Source: Britannica.com
১৯৯২ সালের ৯ মে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহিত হয়। একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়। এতে ১৯৭ টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করে।
UNFCC এর বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর UNFCCC তার উদ্যোগে Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করে আসছে। ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে জার্মানির বার্লিনে প্রথম Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করা হয়। এতে UNFCCC তে স্বাক্ষরকারী পক্ষসমূহ অংশ নেয়।
সর্বশেষ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে স্পেনের মাদ্রিদে CoP-25 অনুষ্ঠিত হয়। পরবতী CoP-26 ২০২০ সালের নভেম্বরে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে হওয়ার কথা থাকলেও COVID-19 এর কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। CoP-26 ইতালি ও যুক্তরাজ্যের যৌথ আয়োজনে ২০২১ সালে একই শহরে অনুষ্ঠিত হবে। UNFCCC এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) সম্পর্কে,
প্রতিষ্ঠাঃ ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ম্যানিলা, ফিলিপাইন
সদস্য সংখ্যাঃ ৬৮টি দেশ (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪৯টি দেশ আর বাকি ১৯টি দেশ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল থেকে)
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যঃ ৩১টি দেশ
সদর দপ্তরঃ মান্দালুইয়ং সিটি, ম্যানিলা, ফিলিপাইন
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)
IBRD এর পূর্ণরূপ International Bank for Reconstruction and Development। বিশ্বব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন ব্যাংক। দারিদ্র্য দূরীকরণ ও উন্নয়ন সহযোগী হিসাবে বিশ্বের দরিদ্র্য ও উন্নয়নশীল দেশ সমূহকে ঋণ, আর্থিক ও উন্নয়ন বিষয়ে পরামর্শ, আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে সহায়তা প্রদান করে থাকে। IBRD বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান সংস্থা। জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৫ নভেম্বর, ১৯৪৭ সালে।
প্রতিষ্ঠাঃ ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
সদস্য সংখ্যাঃ ১৮৯টি দেশ
প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলনঃ Bretton Woods Conference
সদর দপ্তরঃ ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র
➣ IBRD পরিচালিত হয় বিশ্বব্যাংকের Board of Governors দ্বারা। IBRD - ১৯৫৯ সাল থেকে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে triple-A rating পদ্ধতি অবলম্বন করে আসছে।
➣ বর্তমান প্রধান (প্রেসিডেন্ট) - David Robert Malpass (৯ এপ্রিল, ২০১৯ - বর্তমান)।
➣ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IBRD এর সদস্যপদ লাভ করে।
➣ IBRD ১৯৭৮ সাল থেকে প্রতিবছর ‘World Development Report’ (WDR) প্রকাশ করে থাকে।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)
WIPO এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization বা বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা। বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর মেধাস্বত্ব পদ্ধতির (IP system) উন্নয়ন করা - এই সংস্থার মূল লক্ষ্য। এই সংস্থার উদ্ভাবিত পদ্ধতি কার্যকরের মাধ্যমে বিশ্বের সকল দেশের আর্থ -সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য এটি কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্থাটি মেধাস্বত্ব সেবা, পলিসি নির্ধারণ, পলিসির বাস্তবায়ন, তথ্য প্রদান ও সহোযোগীতার মাধ্যমে এর সদস্য দেশ সমূহের মেধাস্বত্বের বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। এই সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপের ফলেই ব্যবসায় ও শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহ সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন পন্য ও সেবা উদ্ভাবনের প্রয়াস পায়। মেধাস্বত্ব রক্ষার জন্য এই সংস্থা নতুন উদ্ভাবিত পণ্য বা সেবার প্যাটেন্ট বা ট্রেডমার্ক ইত্যাদি নির্ধারণ করে থাকে।
বক্সঃ
প্রতিষ্ঠাঃ ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ স্টকহোম, সুইডেন
সদস্য সংখ্যাঃ ১৯৩টি পূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশ ও ৪টি স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ
প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তিঃ The WIPO Convention
সদর দপ্তরঃ জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে গঠিত ''বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর বা জি.এস.বি'' -
- ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে,
- ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
- ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা অববাহিকায় ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে জি.এস.বি ৭টি উত্তোলন কূপ (drill holes) খনন করতে সক্ষম হয়। জি.এস.বি এ কয়লাক্ষেত্রের মজুত, গুরুত্ব ও বিস্তার নির্ণয় করতেও সমর্থ হয়।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লা ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। আবিস্কৃত ৫টি কয়লা ক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ আনুমানিক ৩৩০০ মিলিয়ন টন।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট ভাটায় জ্বালানি হিসাবে কয়লার ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো কর্তৃক বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এর অনুকূলে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় কয়লা উত্তোলনের জন্য ১৯৯৪ সালে খনি ইজারা মঞ্জুর করা হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
পেট্রোবাংলার হিসাব মতে, বাংলাদেশের উৎপাদিত গ্যাসের মধ্যে-
- ৩৯৮.৬ বিলিয়ন ঘনফুট বিদ্যুৎ উৎপাদনে
- ১৬৬.৬ বিলিয়ন ঘনফুট শিল্পকারখানায়,
- ১৬০.৫ বিলিয়ন ঘনফুট ক্যাপ্টিভে ও
- ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট সারকারখানায় ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
কালবৈশাখী (Nor’wester) এক ধরনের বজ্রঝড় (thunderstorm), যা সচরাচর এপ্রিল-মে (বৈশাখ) মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। স্থানীয়ভাবে এ বজ্রঝঞ্ঝা ''কালবৈশাখী'' নামেই অধিক সুপরিচিত। 'কাল' শব্দের অর্থ ঋতু (season), আবার কালো বর্ণকেও বোঝানো হয়ে থাকে।
কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় (air mass thunderstorm) অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় (convective thunderstorm) নামেও আখ্যায়িত করা যায়।
বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা উর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়। উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টি হয়ে পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
- ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন। তিব্বতে এর নাম সংপো এবং ডিহং নামে এটা আসামের উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
- অতঃপর ব্রহ্মপুত্র নামে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের মাজহিয়ালীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পরবর্তীতে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্বে বেঁকে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্থানের নাম পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
- ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের ৫০,৫০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিধৌত করেছে।
- ১৭৮৭ সালে তিস্তায় প্রবল বন্যার ফলে গতিপথ পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে দিয়ে জোই নামে একটি ক্ষুদ্র শাখা নদীর উপর গিয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকিঃমিঃ ও
মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ - ২৯,৭৮৫ বর্গকিঃমিঃ।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল(অর্থনৈতিক ভূগোল)দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
নিরক্ষীয় জলবায়ুঃ
নিরক্ষরেখার আশেপাশের অঞ্চলসমূহে অত্যধিক আদ্রতার কারনে যে ভ্যাপসা গরম আবহাওয়া সারা বছরব্যাপী বিদ্যমান থাকে, তাকে নিরক্ষীয় জলবায়ু বলে।
আর পৃথিবীর যে সকল অঞ্চলে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান, সে সকল অঞ্চলকে নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল বলা হয়। প্রধানত নিরক্ষীয় রেখার উভয় পাশে ৫ ডিগ্রী অক্ষাংশের মধ্যে এই অঞ্চলের অবস্থান।
এশিয়ার কয়েকটি দেশে এই ধরনের জলবায়ু বিদ্যমান। দেশগুলো হচ্ছে - মলয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই, ফিলিপাইনের দক্ষিনের দ্বীপাঞ্চল।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল(প্রাকৃতিক ভূগোল) বই (উন্মুক্ত)।
বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদানগুলো হলো:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ,
- প্রশমন এবং
- পূর্বপ্রস্তুতি।
এছাড়া অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে -
সাড়াদান, পুনরুদ্ধান এবং উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে সাড়াদানকেই বুঝানো হতো।
সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে সৌর শক্তি থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের।
এছাড়াও রয়েছে পানি বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, ধানের তুষ, ইক্ষুর ছোবড়া, বর্জ্য, শিল্প প্রক্রিয়ার অব্যবহৃত তাপ হতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইত্যাদি।
সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার: সূর্য রশ্মির আলো ও তাপ কে ব্যবহার করা হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এর ফটোইলেক্ট্রিক ইফেক্টকে কাজে লাগিয়ে ফটোভোল্টাইক কোষের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয় গত শতাব্দীতে।
সূত্রঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর ওয়েবসাইট।
বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন। ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল−
১.দায়িত্বশীলতা,
২.স্বচ্ছতা
৩.আইনী কাঠামো ও
৪.অংশগ্রহণ।
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বই (উন্মুক্ত)।
UNDP ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
সংস্থাটির মতে, ''যে শাসনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষিত থাকে, সম্পদ ও অধিকার রক্ষার্থে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়, বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়, মৌলিক পরিকাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়, দরিদ্রকে সেবা প্রদান করা হয় এবং সর্বোপরি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে সুশাসন বলে।''
UNDP সুশাসনের ৯ টি উপাদানের উল্লেখ করে। এগুলো হলোঃ স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, সকলের অংশগ্রহণ, সংবেদনশীলতা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য, সমতা, ন্যায্যতা, জবাবদিহিতা এবং কৌশলগত লক্ষ্য।
সূত্র: UNDP Website।
ই-গভর্নেন্সের উদ্দেশ্য হল - আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস করা। এর মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের সাথে জনগণের দূরত্ব কমিয়ে আনা। সরকারের সকল সেবামূলক কর্মকান্ডকে জনগণের হাতের কাছে পৌঁছে দেয়া। এতে করে আমলাতন্ত্রের ওপর জনগণের নির্ভরতা কমে আসে।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বই (উন্মুক্ত)।
রাজনৈতিক দার্শনিক জন লকের লেখা কয়েকটি বইঃ
- An Essay Concerning the True Original, Extent and End of Civil Government
- An Essay Concerning Human Understanding
- A Letter Concerning Toleration
- Some Thoughts Concerning Education
- Two Tracts on Government
- Second Treatises of Governement ইত্যাদি।
নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার।
জোনাথান হেইট এর মতে, 'ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ- তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।'
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র) বই (উন্মুক্ত)।