পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২ --------------- সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ১১ টপিক: বাংলাদেশের জাতীয় ও অর্থনৈতিক বিষয়াবলি (কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমানে কত স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে?
  1. ৩ স্তর
  2. ৫ স্তর
  3. ৬ স্তর
  4. ৭ স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্রেডিং পদ্ধতি 
- বাংলাদেশে শিক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতির সর্বশেষ পদ্ধতি হলো  গ্রেডিং পদ্ধতি । 
- ২০০১ সালে ৬স্তর বিশিষ্ট গ্রেডিং পদ্ধতি  অনুমোদন ক্করা হয়। ২০০৩ সালে তা সংস্কার করা হয়।
- বর্তমানে দেশে ৭ স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে।
- এস.এস.সি ও দাখিল পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি  প্রবর্তিত হয় ২০০১ সালে।
- এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় প্রথম প্রবর্তিত হয় ২০০৩ সালে।
- গ্রেড পদ্ধতি কে বলা হয় GPA । 
- GPA = Grade Point Average.

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক গ্রেডিং পদ্ধতি 
গ্রেড _________নম্বর 
১) এ+ = ৮০-১০০ (৫.০০ পয়েন্ট) 
২) এ = ৭০-৭৯ (৪.০০ পয়েন্ট) 
৩) এ- = ৬০-৬৯ (৩.৫০ পয়েন্ট)
৪) বি =  ৫০-৫৯ (৩.০০ পয়েন্ট)
৫) সি = ৪০-৪৯ (২.০০ পয়েন্ট)
৬) ডি = ৩৩-৩৯ (১.০০ পয়েন্ট)
৭) এফ = ০-৩২ (০.০০ পয়েন্ট) 
 
উৎস: শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. মাগুরা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মাগুরা: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও সমৃদ্ধ জনপদের নাম মাগুরা।
- বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা মাগুরা।
- ১৭৮৬ সালে ব্রিটিশ আমলে বাংলা প্রদেশের প্রথম গঠিত জেলা যশোর।
- ১৯৮৪ সালে দেশের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে মাগুরাকে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত করা হয়। 
- চারটি থানা সংবলিত এই জেলা। থানাগুলো হলো যথাক্রমে-মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর।
- যা দুটি সংসদীয় মাগুরা-১ ও মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকায় বিভক্ত।
- মুঘল যুগেই মাগুরার নামকরণ করা হয়।
- ১৮৫৯-৬০ সালের হাজরাপুরে নীলকুঠিকে কেন্দ্র করে নীল অভ্যুত্থান ইতিহাসের একটি মাইলফলক। 

এক নজরে জেলা মাগুরা
- আয়তন : ১০৩৮.৬৬ কিলোমিটার বা ৪১৫.৪৬৪ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ১৫ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৫০.৫৬ শতাংশ, মহিলা ৪৯.৪৪ শতাংশ।
- অবস্থান : যশোর জেলা ও নড়াইল জেলার দক্ষিণে, রাজবাড়ী জেলার উত্তরে, ঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমে ও ফরিদপুর জেলার পূর্বে মাগুরা জেলার অবস্থান।

নদ-নদী : জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে।
- নদীগুলো হচ্ছে- গড়াই নদী, নবগঙ্গা নদী, ফটকি নদী, আলমখালী নদী, মধুমতী নদী, মুচিখালী নদী, মরাকুমার নদ, কুমার নদ, চিত্রা নদী, ভৈরব নদী, সিরাজপুর হাওর নদী বেগবতী নদী।

উৎস: মাগুরা জেলার ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস 
- সৃজনশীল ব্যক্তি তাঁর মেধা প্রয়োগ করে যা কিছু সৃজন করেন তাই মেধাসম্পদ।
- মেধাসম্পদের মালিকানা নিবন্ধনের লক্ষ্যে কপিরাইট অফিস ১৯৬২ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কপিরাইট অফিস একটি আধা-বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান। এর কার্যাবলী কপিরাইট আইন-২০২৩ ও  কপিরাইট বিধিমালা ২০০৬ মোতাবেক পরিচালিত হয়।
- এ অফিস যে প্রধান ৪টি কাজ করে থাকে।
-   তা হল :
১) সৃজশীল মেধাস্বত্বের কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন প্রদান ;
২) আপিল মামলা নিষ্পত্তিতে কপিরাইট বোর্ডকে সহায়তা প্রদান ;
৩) পাইরেসি বন্ধকরণে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা  ও
৪) World Intellectual Property Organization, WIPO এর ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন। 

- কপিরাইট অফিস সাহিত্যকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীতকর্ম, রেকর্ডকর্ম, শিল্পকর্ম, চলচ্চিত্র বিষয়ককর্ম, বেতার সম্প্রচার, টেলিভিশন সম্প্রচার, কম্পিউটার-সফটওয়্যারকর্ম ইত্যাদি নিবন্ধন করে থাকে।
- মেধাসম্পদের আর্থিক অধিকার হস্তান্তরযোগ্য। কপিরাইট নিবন্ধন করা হলে সৃজন কর্মের নৈতিক ও আর্থিক অধিকার অর্থাৎ মালিকানা সংরক্ষণ সহজ হয়।
- কপিরাইট নিবন্ধন আইনানুযায়ী বাধ্যতামূলক না হলেও, সৃজন কর্মের মালিকানা নিয়ে আইনগত জটিলতা দেখা দিলে ‘কপিরাইট নিবন্ধন সনদ’ প্রমাণপত্র হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে ব্যবহৃত হতে পারে। 

উৎস: বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ
  2. ড. মোস্তফা নূর ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী
- দেশব্যাপী সংস্কৃতি চর্চার বিকাশ ও প্রসারে ১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী  বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানা (বর্তমানে উপজেলা) পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে সাবেক পাকিস্তান আর্টস কাউন্সিল ভেঙ্গে দিয়ে ১৯৭৪ সালে জাতীয় সংসদের এক বিধিবলে এটি ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত।
- পাঁচটি বিভাগের মাধ্যমে একাডেমীর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
.
লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
  2. ছোট সরদার বাড়ি,সোনারগাঁও
  3. রাজবাড়ি,ময়মনসিংহ
  4. আহসান মঞ্জিল, ঢাকা
ব্যাখ্যা
বড় সরদার বাড়ি
- সোনারগাঁর পানামনগরের চোখ-ধাঁধানো অপরূপ নিদর্শন বড় সরদার বাড়ি।
- সুলতানি আমলের পথ ধরে মোগল আর সর্বশেষ ব্রিটিশ রাজত্বের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক পুরনো বড় সরদার বাড়ি নির্মাণ করেছেন ঐশ্বর্যকান্ত সাহা সরদার নামের একজন ব্যবসায়ী।
- তখন থেকে পরিচিতি পায় ‘বড় সরদার বাড়ি’।
- পুরনো ভবনের মালিকানা পরিবর্তনের পর ভবন মালিকের ইচ্ছানুযায়ী কিছু অলংকরণকাজ করা হয়।
- ১৩০৮ সালে শ্রীশ্রী যুক্ত গোপীনাথ ও ১৩৩০ সালে জিউর শ্রীশ্রী চরণ ভরসা ভবনটির সংস্কার করেন। 
- স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সরকার সরদার বাড়ি খ্যাত প্রাচীন ইমারতটি ৫৬ একর ভূমিসহ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক আংশিক সংস্কারের পর এটিতে বাংলাদেশের বিষেশায়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর গড়ে তোলা হয়।

উৎস: সোনারগা উপজেলার ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটির সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পিএসসি চেয়ারম্যান
  4. শিক্ষামন্ত্রী
ব্যাখ্যা
 ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ নীতিমালা-২০২৩’
- নীতিমালা অনুযায়ী চার সদসস্যের মনোনয়ন কমিটিতে চেয়ারম্যান থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী।
- মনোনয়ন কমিটিতে অন্য দুই জন সদস্য থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মনোনীত দুই জন মন্ত্রী।
- এছাড়া সদস্য হিসেবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য থাকবেন চার সদস্যের এই কমিটিতে।

নিয়োগ
- জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনোনয়ন কমিটির কাছে প্রতিটি পদের বিপরীতে তিন জন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করবে।
- মনোনয়ন কমিটি প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য এই মনোনয়ন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পেশ করা হবে।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিয়োগ পত্র জারি করবে।

নিয়োগের শর্ত
- উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন প্রথিতযশা অধ্যাপক যিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার গবেষণা ও ব্যুৎপত্তির জন্য স্বীকৃতি লাভ করেছেন এবং জাতীয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
- এছাড়াও যিনি নিজেকে সক্রিয়ভাবে গবেষণায় রত রাখতে সক্ষম, সেই ধরনের অধ্যাপক এই পদের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- একই সময়ে অনধিক চার জনকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ করা যাবে।
- অনধিক ৭৫ বৎসর বয়স্ক যোগ্য অধ্যাপক জাতীয় অধ্যাপক পদের জন্য মনোনীত হবেন।
- তবে মনোনয়ন কমিটি বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন অধ্যাপকের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা শিথিল করতে পারবে।
- জাতীয় অধ্যাপক পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন।
- তবে মনোনয়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ করা যাবে।
- রাষ্ট্রপতি যেকোনও সময় নিয়োগ আদেশ বাতিল করতে পারবেন। 

উৎস:  ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ নীতিমালা-২০২৩’ (লিংক)।
.
বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কতটি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একটি রয়েছে। 

- তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদপত্র প্রদানের জন্য ১৯৫৪ সালে তদানিন্তন বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগ-এর Vide Resolution No. 188-Ind. Dated 27-01-54 মোতাবেক “ইস্ট পাকিস্তান বোর্ড অব এক্সামিনেশন ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন” নামে একটি বোর্ড স্থাপিত হয়।
- উদ্দেশ্য ছিল দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সংগঠন পরিচালন, তদারিক, নিয়ন্ত্রন এবং উন্নয়নের দায়িত্ব পালন, পরীক্ষা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রন ও বোর্ড কর্তৃক গৃহীত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিবর্গকে ডিপ্লোমা/সাটির্ফিকেট প্রদান।
- অতঃপর ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ও ট্রেড পর্যায়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, সনদপত্র প্রদান, পরিদর্শন ও মূল্যায়নের জন্য একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।
- ফলে ১৯৬৭ সালের ৭ মার্চ গেজেট নং -১৭৫ এল.এ. প্রকাশিত এবং ১ নং সংসদীয় আইনের বলে “ইস্ট পাকিস্তান টেকনিক্যাল এডুকেশন বোর্ড“ নামে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়, যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

উৎস: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর ওয়েবসাইট।  
.
'ইমেরিটাস অধ্যাপক' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. পাঁচ বছর
  2. চার বছর
  3. আট বছর
  4. আজীবন
ব্যাখ্যা
ইমেরিটাস অধ্যাপক (Professor Emeritus):
- একজন পূর্ণ অধ্যাপক যখন তার গবেষণার দ্বারা অনেক খ্যাতি লাভ করেন তখন তাকে এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয়ে থাকে।
- এই উপাধি প্রদান করা হয় মূলত অবসরে পাওয়ার পর।
- অবসরে যাওয়ার পূর্বে অর্থাৎ চাকরিকালীন অবস্থায় এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয় না।
- এই ধরনের উপাধির মর্যাদাগত অবস্থান (Status) অধ্যাপকের চেয়ে উপরে হয়।
- কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ধরনের পদবি প্রদান করে থাকে।
- অধ্যাপক এক্ষেত্রে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিত্যাগ করে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করতেও পারেন।
- তবে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নাম আমৃত্যু লেখা থাকবে Emeritus Faculty দের স্থলে।
- উল্লেখ্য এই পদকটিও আমৃত্যু ব্যবহার করা হয়।
- এরা নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সারা জীবন আর্থিক সুবিধা পাবেন। 
- ড. আনিসুজ্জামান স্যার একই সাথে জাতীয় অধ্যাপক এবং ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। 

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
.
'আলোকিত মানুষ চাই' কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান?
  1. জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
  2. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  3. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- আলোকিত মানুষ চাই" এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানের স্লোগান।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা হয় ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৮০ সালের ৬ মার্চ।
- এটি একটি জনকল্যাণধর্মী ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধীকৃত। কেন্দ্রের নয় সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হচ্ছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 
- কেন্দ্রের নিজস্ব আয়, বিভিন্ন সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে এর কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- নয় তলা বিশিষ্ট বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবনটিতে ১টি আর্ট গ্যালারী, ১টি নাট্যমঞ্চ, ১টি শিশু কেন্দ্র, ৩টি অডিটোরিয়াম, বিশ্ব সাহিত্যের একটি শাখা, বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ও ছবির ২টি আর্কাইভ, অতিথি ভবন এবং ১টি ক্যাফেটেরিয়া।

উৎস: উইকিপিডিয়া। 
১০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কোথায়?
  1. মুক্তাগাছা
  2. গাজীপুর
  3. নেত্রকোনা
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ,  এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। - মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
- কর্পোরেশনের সাধারণ ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা এবং অন্যান্য বিষয়াবলী সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালনাপর্ষদ এর উপর ন্যস্ত। কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো ৫টি উইং এর সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো: বীজ ও উদ্যান, ক্ষুদ্রসেচ, সার ব্যবস্থাপনা, অর্থ এবং প্রশাসন।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জরিপে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কাশিমপুর, গাজীপুর। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলাদেশে কোন মাস থেকে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. বৈশাখ
  2. জানুয়ারি
  3. জুলাই
  4. জুন
ব্যাখ্যা
- বাঙালিরা বঙ্গাব্দ ও খ্রিষ্টাব্দকে সাধারণ পঞ্জিকা হিসেবে মেনে চললেও এ দেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে।
- চলতি বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জুন অবধি চলে অর্থবছর। এই অর্থবছরকে ভিত্তি ধরে প্রস্তুত ও প্রণয়ন হয় বাংলাদেশের বাজেট।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল। এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে।
- এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়। বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।
 - এ ছাড়াও রাজনৈতিক দিক বিবেচনা করলে, জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারিতে নতুন কোনো দল ক্ষমতায় এলে তারা বাজেট প্রণয়নের জন্য বেশকিছু সময় হাতে পায়।
- এ সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার নানা প্রতিফলন বাজেটে তুলে আনার যথেষ্ট সুযোগ পায় সরকারি দল।
 - অভ্যন্তরীণ এসব ব্যাপার ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা অনেক দেশের সঙ্গে মিলিয়ে অর্থবছর ঠিক করলে ঋণের হিসাব সহজ হয়।
- বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, সে হিসাবে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সুবিধা হয়।
- এর আগে পাকিস্তান এপ্রিলকে তাদের অর্থবছরের প্রথম মাস হিসাব করলেও বিশ্বব্যাংকের ঋণের আশায় পুনরায় জুলাই মাসকে অর্থবছরের প্রথম মাস ধরে হিসাব করা শুরু করে পাকিস্তান।
- বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সংবিধানের ১০২(১) নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনতে হবে।
 
উৎস: বাংলাদেশের বাজেট সমীক্ষা ও প্রথম আলো।  
১২.
BAFA- কোন প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Bangladesh Academy of Fine Arts
  2. Bulbul Academy of Fine Arts
  3. Bangladesh Academy for Fine Arts
  4. Bulbul Academy on Fine Arts
ব্যাখ্যা
বুলবুল ললিতকলা একাডেমী
- বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা)  একটি সংস্কৃতি-চর্চাকেন্দ্র।
- উপমহাদেশের বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৫ সালের ১৭ মে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
-সংক্ষেপে এটি বাফা (BAFA Bulbul Academy of Fine Arts) নামে পরিচিত।
- কণ্ঠসঙ্গীত,  যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা,  নাট্যকলা, চারু ও কারুশিল্পে শিক্ষাদান এবং শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীতে গবেষণা পরিচালনা এর লক্ষ্য।
- একাডেমী ললিতকলার বিভিন্ন মাধ্যম, যেমন কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত,  নৃত্যকলা, নাটক, চিত্রকলা ও ভাস্কর্যশিল্পে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেয়।
- শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে পদ্ধতিগত শিক্ষাদান ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা বিভাগ। একাডেমীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরাই এর সদস্য।
- এ বিভাগ উচ্চমানের অনুষ্ঠানাদি পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও এর অংশগ্রহণ থাকে।
- একাডেমী পরিবেশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য  নৃত্যনাট্য হলো: চন্ডালিকা (১৯৫৮), প্রকৃতির লীলা (১৯৫৮), নকসী কাঁথার মাঠ (১৯৫৯), সিন্ধু (১৯৬১), মায়ার খেলা (১৯৬৪), চিত্রাঙ্গদা (১৯৬৬), হাজার তারের বীণা (১৯৬৭), বাদল বরিষণে (১৯৬৭), রাজপথ জনপথ (১৯৬৯) ও শ্যামা (১৯৭০)। এছাড়াও একাডেমী বিভিন্ন বিষয় ও গানের ওপর প্রায় অর্ধশত খন্ড নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাফা এর ওয়েবসাইট।