পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২ --------------- সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ১১ টপিক: বাংলাদেশের জাতীয় ও অর্থনৈতিক বিষয়াবলি (কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমানে কত স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে?
  1. ৩ স্তর
  2. ৫ স্তর
  3. ৬ স্তর
  4. ৭ স্তর
সঠিক উত্তর:
৭ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্রেডিং পদ্ধতি 
- বাংলাদেশে শিক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতির সর্বশেষ পদ্ধতি হলো  গ্রেডিং পদ্ধতি । 
- ২০০১ সালে ৬স্তর বিশিষ্ট গ্রেডিং পদ্ধতি  অনুমোদন ক্করা হয়। ২০০৩ সালে তা সংস্কার করা হয়।
- বর্তমানে দেশে ৭ স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে।
- এস.এস.সি ও দাখিল পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি  প্রবর্তিত হয় ২০০১ সালে।
- এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় প্রথম প্রবর্তিত হয় ২০০৩ সালে।
- গ্রেড পদ্ধতি কে বলা হয় GPA । 
- GPA = Grade Point Average.

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক গ্রেডিং পদ্ধতি 
গ্রেড _________নম্বর 
১) এ+ = ৮০-১০০ (৫.০০ পয়েন্ট) 
২) এ = ৭০-৭৯ (৪.০০ পয়েন্ট) 
৩) এ- = ৬০-৬৯ (৩.৫০ পয়েন্ট)
৪) বি =  ৫০-৫৯ (৩.০০ পয়েন্ট)
৫) সি = ৪০-৪৯ (২.০০ পয়েন্ট)
৬) ডি = ৩৩-৩৯ (১.০০ পয়েন্ট)
৭) এফ = ০-৩২ (০.০০ পয়েন্ট) 
 
উৎস: শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. মাগুরা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাগুরা
ব্যাখ্যা
মাগুরা: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও সমৃদ্ধ জনপদের নাম মাগুরা।
- বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা মাগুরা।
- ১৭৮৬ সালে ব্রিটিশ আমলে বাংলা প্রদেশের প্রথম গঠিত জেলা যশোর।
- ১৯৮৪ সালে দেশের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে মাগুরাকে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত করা হয়। 
- চারটি থানা সংবলিত এই জেলা। থানাগুলো হলো যথাক্রমে-মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর।
- যা দুটি সংসদীয় মাগুরা-১ ও মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকায় বিভক্ত।
- মুঘল যুগেই মাগুরার নামকরণ করা হয়।
- ১৮৫৯-৬০ সালের হাজরাপুরে নীলকুঠিকে কেন্দ্র করে নীল অভ্যুত্থান ইতিহাসের একটি মাইলফলক। 

এক নজরে জেলা মাগুরা
- আয়তন : ১০৩৮.৬৬ কিলোমিটার বা ৪১৫.৪৬৪ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ১৫ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৫০.৫৬ শতাংশ, মহিলা ৪৯.৪৪ শতাংশ।
- অবস্থান : যশোর জেলা ও নড়াইল জেলার দক্ষিণে, রাজবাড়ী জেলার উত্তরে, ঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমে ও ফরিদপুর জেলার পূর্বে মাগুরা জেলার অবস্থান।

নদ-নদী : জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে।
- নদীগুলো হচ্ছে- গড়াই নদী, নবগঙ্গা নদী, ফটকি নদী, আলমখালী নদী, মধুমতী নদী, মুচিখালী নদী, মরাকুমার নদ, কুমার নদ, চিত্রা নদী, ভৈরব নদী, সিরাজপুর হাওর নদী বেগবতী নদী।

উৎস: মাগুরা জেলার ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস 
- সৃজনশীল ব্যক্তি তাঁর মেধা প্রয়োগ করে যা কিছু সৃজন করেন তাই মেধাসম্পদ।
- মেধাসম্পদের মালিকানা নিবন্ধনের লক্ষ্যে কপিরাইট অফিস ১৯৬২ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কপিরাইট অফিস একটি আধা-বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান। এর কার্যাবলী কপিরাইট আইন-২০২৩ ও  কপিরাইট বিধিমালা ২০০৬ মোতাবেক পরিচালিত হয়।
- এ অফিস যে প্রধান ৪টি কাজ করে থাকে।
-   তা হল :
১) সৃজশীল মেধাস্বত্বের কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন প্রদান ;
২) আপিল মামলা নিষ্পত্তিতে কপিরাইট বোর্ডকে সহায়তা প্রদান ;
৩) পাইরেসি বন্ধকরণে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা  ও
৪) World Intellectual Property Organization, WIPO এর ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন। 

- কপিরাইট অফিস সাহিত্যকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীতকর্ম, রেকর্ডকর্ম, শিল্পকর্ম, চলচ্চিত্র বিষয়ককর্ম, বেতার সম্প্রচার, টেলিভিশন সম্প্রচার, কম্পিউটার-সফটওয়্যারকর্ম ইত্যাদি নিবন্ধন করে থাকে।
- মেধাসম্পদের আর্থিক অধিকার হস্তান্তরযোগ্য। কপিরাইট নিবন্ধন করা হলে সৃজন কর্মের নৈতিক ও আর্থিক অধিকার অর্থাৎ মালিকানা সংরক্ষণ সহজ হয়।
- কপিরাইট নিবন্ধন আইনানুযায়ী বাধ্যতামূলক না হলেও, সৃজন কর্মের মালিকানা নিয়ে আইনগত জটিলতা দেখা দিলে ‘কপিরাইট নিবন্ধন সনদ’ প্রমাণপত্র হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে ব্যবহৃত হতে পারে। 

উৎস: বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ
  2. ড. মোস্তফা নূর ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী
- দেশব্যাপী সংস্কৃতি চর্চার বিকাশ ও প্রসারে ১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী  বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানা (বর্তমানে উপজেলা) পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে সাবেক পাকিস্তান আর্টস কাউন্সিল ভেঙ্গে দিয়ে ১৯৭৪ সালে জাতীয় সংসদের এক বিধিবলে এটি ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত।
- পাঁচটি বিভাগের মাধ্যমে একাডেমীর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
.
লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
  2. ছোট সরদার বাড়ি,সোনারগাঁও
  3. রাজবাড়ি,ময়মনসিংহ
  4. আহসান মঞ্জিল, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বড় সরদার বাড়ি
- সোনারগাঁর পানামনগরের চোখ-ধাঁধানো অপরূপ নিদর্শন বড় সরদার বাড়ি।
- সুলতানি আমলের পথ ধরে মোগল আর সর্বশেষ ব্রিটিশ রাজত্বের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক পুরনো বড় সরদার বাড়ি নির্মাণ করেছেন ঐশ্বর্যকান্ত সাহা সরদার নামের একজন ব্যবসায়ী।
- তখন থেকে পরিচিতি পায় ‘বড় সরদার বাড়ি’।
- পুরনো ভবনের মালিকানা পরিবর্তনের পর ভবন মালিকের ইচ্ছানুযায়ী কিছু অলংকরণকাজ করা হয়।
- ১৩০৮ সালে শ্রীশ্রী যুক্ত গোপীনাথ ও ১৩৩০ সালে জিউর শ্রীশ্রী চরণ ভরসা ভবনটির সংস্কার করেন। 
- স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সরকার সরদার বাড়ি খ্যাত প্রাচীন ইমারতটি ৫৬ একর ভূমিসহ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক আংশিক সংস্কারের পর এটিতে বাংলাদেশের বিষেশায়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর গড়ে তোলা হয়।

উৎস: সোনারগা উপজেলার ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটির সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পিএসসি চেয়ারম্যান
  4. শিক্ষামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
শিক্ষামন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষামন্ত্রী
ব্যাখ্যা
 ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ নীতিমালা-২০২৩’
- নীতিমালা অনুযায়ী চার সদসস্যের মনোনয়ন কমিটিতে চেয়ারম্যান থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী।
- মনোনয়ন কমিটিতে অন্য দুই জন সদস্য থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মনোনীত দুই জন মন্ত্রী।
- এছাড়া সদস্য হিসেবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য থাকবেন চার সদস্যের এই কমিটিতে।

নিয়োগ
- জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনোনয়ন কমিটির কাছে প্রতিটি পদের বিপরীতে তিন জন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করবে।
- মনোনয়ন কমিটি প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য এই মনোনয়ন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পেশ করা হবে।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিয়োগ পত্র জারি করবে।

নিয়োগের শর্ত
- উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন প্রথিতযশা অধ্যাপক যিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার গবেষণা ও ব্যুৎপত্তির জন্য স্বীকৃতি লাভ করেছেন এবং জাতীয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
- এছাড়াও যিনি নিজেকে সক্রিয়ভাবে গবেষণায় রত রাখতে সক্ষম, সেই ধরনের অধ্যাপক এই পদের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- একই সময়ে অনধিক চার জনকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ করা যাবে।
- অনধিক ৭৫ বৎসর বয়স্ক যোগ্য অধ্যাপক জাতীয় অধ্যাপক পদের জন্য মনোনীত হবেন।
- তবে মনোনয়ন কমিটি বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন অধ্যাপকের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা শিথিল করতে পারবে।
- জাতীয় অধ্যাপক পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন।
- তবে মনোনয়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ করা যাবে।
- রাষ্ট্রপতি যেকোনও সময় নিয়োগ আদেশ বাতিল করতে পারবেন। 

উৎস:  ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ নীতিমালা-২০২৩’ (লিংক)।
.
বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কতটি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একটি রয়েছে। 

- তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা পরিচালনা ও সনদপত্র প্রদানের জন্য ১৯৫৪ সালে তদানিন্তন বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগ-এর Vide Resolution No. 188-Ind. Dated 27-01-54 মোতাবেক “ইস্ট পাকিস্তান বোর্ড অব এক্সামিনেশন ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন” নামে একটি বোর্ড স্থাপিত হয়।
- উদ্দেশ্য ছিল দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সংগঠন পরিচালন, তদারিক, নিয়ন্ত্রন এবং উন্নয়নের দায়িত্ব পালন, পরীক্ষা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রন ও বোর্ড কর্তৃক গৃহীত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিবর্গকে ডিপ্লোমা/সাটির্ফিকেট প্রদান।
- অতঃপর ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ও ট্রেড পর্যায়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, সনদপত্র প্রদান, পরিদর্শন ও মূল্যায়নের জন্য একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।
- ফলে ১৯৬৭ সালের ৭ মার্চ গেজেট নং -১৭৫ এল.এ. প্রকাশিত এবং ১ নং সংসদীয় আইনের বলে “ইস্ট পাকিস্তান টেকনিক্যাল এডুকেশন বোর্ড“ নামে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়, যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

উৎস: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর ওয়েবসাইট।  
.
'ইমেরিটাস অধ্যাপক' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. পাঁচ বছর
  2. চার বছর
  3. আট বছর
  4. আজীবন
সঠিক উত্তর:
আজীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজীবন
ব্যাখ্যা
ইমেরিটাস অধ্যাপক (Professor Emeritus):
- একজন পূর্ণ অধ্যাপক যখন তার গবেষণার দ্বারা অনেক খ্যাতি লাভ করেন তখন তাকে এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয়ে থাকে।
- এই উপাধি প্রদান করা হয় মূলত অবসরে পাওয়ার পর।
- অবসরে যাওয়ার পূর্বে অর্থাৎ চাকরিকালীন অবস্থায় এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয় না।
- এই ধরনের উপাধির মর্যাদাগত অবস্থান (Status) অধ্যাপকের চেয়ে উপরে হয়।
- কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ধরনের পদবি প্রদান করে থাকে।
- অধ্যাপক এক্ষেত্রে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিত্যাগ করে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করতেও পারেন।
- তবে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নাম আমৃত্যু লেখা থাকবে Emeritus Faculty দের স্থলে।
- উল্লেখ্য এই পদকটিও আমৃত্যু ব্যবহার করা হয়।
- এরা নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সারা জীবন আর্থিক সুবিধা পাবেন। 
- ড. আনিসুজ্জামান স্যার একই সাথে জাতীয় অধ্যাপক এবং ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। 

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
.
'আলোকিত মানুষ চাই' কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান?
  1. জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
  2. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  3. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- আলোকিত মানুষ চাই" এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানের স্লোগান।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা হয় ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৮০ সালের ৬ মার্চ।
- এটি একটি জনকল্যাণধর্মী ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধীকৃত। কেন্দ্রের নয় সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হচ্ছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 
- কেন্দ্রের নিজস্ব আয়, বিভিন্ন সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে এর কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- নয় তলা বিশিষ্ট বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবনটিতে ১টি আর্ট গ্যালারী, ১টি নাট্যমঞ্চ, ১টি শিশু কেন্দ্র, ৩টি অডিটোরিয়াম, বিশ্ব সাহিত্যের একটি শাখা, বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ও ছবির ২টি আর্কাইভ, অতিথি ভবন এবং ১টি ক্যাফেটেরিয়া।

উৎস: উইকিপিডিয়া। 
১০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কোথায়?
  1. মুক্তাগাছা
  2. গাজীপুর
  3. নেত্রকোনা
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ,  এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। - মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
- কর্পোরেশনের সাধারণ ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা এবং অন্যান্য বিষয়াবলী সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালনাপর্ষদ এর উপর ন্যস্ত। কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো ৫টি উইং এর সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো: বীজ ও উদ্যান, ক্ষুদ্রসেচ, সার ব্যবস্থাপনা, অর্থ এবং প্রশাসন।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জরিপে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কাশিমপুর, গাজীপুর। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলাদেশে কোন মাস থেকে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. বৈশাখ
  2. জানুয়ারি
  3. জুলাই
  4. জুন
সঠিক উত্তর:
জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই
ব্যাখ্যা
- বাঙালিরা বঙ্গাব্দ ও খ্রিষ্টাব্দকে সাধারণ পঞ্জিকা হিসেবে মেনে চললেও এ দেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে।
- চলতি বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জুন অবধি চলে অর্থবছর। এই অর্থবছরকে ভিত্তি ধরে প্রস্তুত ও প্রণয়ন হয় বাংলাদেশের বাজেট।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল। এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে।
- এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়। বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।
 - এ ছাড়াও রাজনৈতিক দিক বিবেচনা করলে, জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারিতে নতুন কোনো দল ক্ষমতায় এলে তারা বাজেট প্রণয়নের জন্য বেশকিছু সময় হাতে পায়।
- এ সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার নানা প্রতিফলন বাজেটে তুলে আনার যথেষ্ট সুযোগ পায় সরকারি দল।
 - অভ্যন্তরীণ এসব ব্যাপার ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা অনেক দেশের সঙ্গে মিলিয়ে অর্থবছর ঠিক করলে ঋণের হিসাব সহজ হয়।
- বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, সে হিসাবে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সুবিধা হয়।
- এর আগে পাকিস্তান এপ্রিলকে তাদের অর্থবছরের প্রথম মাস হিসাব করলেও বিশ্বব্যাংকের ঋণের আশায় পুনরায় জুলাই মাসকে অর্থবছরের প্রথম মাস ধরে হিসাব করা শুরু করে পাকিস্তান।
- বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সংবিধানের ১০২(১) নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনতে হবে।
 
উৎস: বাংলাদেশের বাজেট সমীক্ষা ও প্রথম আলো।  
১২.
BAFA- কোন প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Bangladesh Academy of Fine Arts
  2. Bulbul Academy of Fine Arts
  3. Bangladesh Academy for Fine Arts
  4. Bulbul Academy on Fine Arts
সঠিক উত্তর:
Bulbul Academy of Fine Arts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bulbul Academy of Fine Arts
ব্যাখ্যা
বুলবুল ললিতকলা একাডেমী
- বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা)  একটি সংস্কৃতি-চর্চাকেন্দ্র।
- উপমহাদেশের বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৫ সালের ১৭ মে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
-সংক্ষেপে এটি বাফা (BAFA Bulbul Academy of Fine Arts) নামে পরিচিত।
- কণ্ঠসঙ্গীত,  যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা,  নাট্যকলা, চারু ও কারুশিল্পে শিক্ষাদান এবং শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীতে গবেষণা পরিচালনা এর লক্ষ্য।
- একাডেমী ললিতকলার বিভিন্ন মাধ্যম, যেমন কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত,  নৃত্যকলা, নাটক, চিত্রকলা ও ভাস্কর্যশিল্পে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেয়।
- শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে পদ্ধতিগত শিক্ষাদান ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা বিভাগ। একাডেমীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরাই এর সদস্য।
- এ বিভাগ উচ্চমানের অনুষ্ঠানাদি পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও এর অংশগ্রহণ থাকে।
- একাডেমী পরিবেশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য  নৃত্যনাট্য হলো: চন্ডালিকা (১৯৫৮), প্রকৃতির লীলা (১৯৫৮), নকসী কাঁথার মাঠ (১৯৫৯), সিন্ধু (১৯৬১), মায়ার খেলা (১৯৬৪), চিত্রাঙ্গদা (১৯৬৬), হাজার তারের বীণা (১৯৬৭), বাদল বরিষণে (১৯৬৭), রাজপথ জনপথ (১৯৬৯) ও শ্যামা (১৯৭০)। এছাড়াও একাডেমী বিভিন্ন বিষয় ও গানের ওপর প্রায় অর্ধশত খন্ড নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাফা এর ওয়েবসাইট।