পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: বঙ্গভঙ্গ থেকে দেশভাগ বঙ্গভঙ্গ পরবর্তী রাজনীতি ও অন্যান্য, বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ (ফসল, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) [Live Class - 8 & 9 ক্লাস মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন-
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2.  খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. এ.কে. ফজলুল হক
  4.  নূরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন- এ.কে. ফজলুল হক।
------------------- 
• এ. কে. ফজলুল হক:
- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- তিনি ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে একটি সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজনৈতিক জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ–কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তা ইতিহাসে বিখ্যাত লক্ষ্ণৌ চুক্তি নামে পরিচিত।
- পরে ১৯২৫ সালে তিনি বাংলার মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত হন।
- কৃষক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি ১৯২৭ সালে কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন।

- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি যুক্তফ্রন্ট দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- পরবর্তীতে ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

- বাংলার এই প্রখ্যাত নেতা শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
----------------
অন্যদিকে, 
- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন- নূরুল আমিন। 
- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- খাজা নাজিম উদ্দীন। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯০৪ সালে 
  2. ১৯০৫ সালে 
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১১সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে 
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ রদ:
- ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন।
- বাংলা ছিল অত্যন্ত বড় একটি প্রদেশ—এর অন্তর্ভুক্ত ছিল পূর্ব ও পশ্চিম বাংলা ছাড়াও বিহার ও উড়িষ্যা।
- এত বিশাল অঞ্চল কলকাতা কেন্দ্রিক প্রশাসনের মাধ্যমে সুশাসন করা কঠিন ছিল।
- বিশেষ করে পূর্ব বাংলা ও আসাম অঞ্চল দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল।
- এই সমস্যার সমাধান হিসেবে কার্জন প্রস্তাব দেন বাংলাকে ভাগ করে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের—যার নাম হবে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ।
- এর রাজধানী নির্ধারিত হয় ঢাকা।
- এবং শাসনভার দেওয়া হয় একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের হাতে।
- এই ঘোষণায় পূর্ববঙ্গের মানুষ, বিশেষত মুসলমান সমাজ, আশাবাদী হয়ে ওঠে। 

- লর্ড কার্জন ১৯০৪ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব প্রস্তুত করেন এবং সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে পূর্ববঙ্গ সফর করেন।
- ঢাকায় এসে তিনি উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে একটি টাউন হল নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যা পরে তাঁর নামানুসারে কার্জন হল নামে পরিচিত হয়।
- ১৯০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।

- তবে বাংলার শিক্ষিত ও অভিজাত হিন্দু সমাজের বড় অংশ এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- তাঁদের মতে, বঙ্গভঙ্গ ছিল ‘ভাগ করে শাসন করো’ নীতির অংশ—হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে ব্রিটিশ শাসন টিকিয়ে রাখার কৌশল।
- ক্রমে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়।
- এবং এক পর্যায়ে তা সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের রূপ নেয়।
- পরিস্থিতির চাপে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়—
  1. ১৯০৫ সালের ২০ ডিসেম্বর 
  2. ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
  3. ১৯০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর
  4. ১৯১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর 
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
ব্যাখ্যা

 মুসলিম লীগ:
- নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল।
- এই দল পরবর্তীকালে ভারত উপমহাদেশে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।
- এই দলটি ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের প্রস্তাব দেন।
- তাঁর এই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগের জন্ম হয়।
- মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নবাব ভিকার-উল-মুলক এবং সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান।
- মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগে যোগ দেন অনেক পরে, ১৯১৩ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
লক্ষ্মৌ চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  2. ব্রিটিশ শাসন জোরদার
  3. প্রাদেশিক বিভাজন 
  4. ঐক্য গড়ে তোলা
সঠিক উত্তর:
ঐক্য গড়ে তোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য গড়ে তোলা
ব্যাখ্যা

লক্ষ্মৌ চুক্তি:
- ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে হিন্দু–মুসলিম ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল-
- ভারতের বিভিন্ন জাতি ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা,
- পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা,
- এবং সম্মিলিতভাবে স্বরাজ বা আত্মশাসন অর্জনের পথ সুগম করা।

- ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ১৯১১ সালে রদ হওয়ায় মুসলমান সমাজের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি হয়।
- এর পাশাপাশি ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করতে বাধ্য হয়।
- ফলে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন সমঝোতার পরিবেশ গড়ে ওঠে।
- এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ও নিখিল ভারত মুসলিম লীগ—উভয়েই পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে।
- ১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে লক্ষ্মৌ শহরে দুই দল একযোগে তাদের বার্ষিক অধিবেশন আয়োজন করে।
- এবং আলোচনার মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছায়, যা ইতিহাসে লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে পরিচিত।

- এই চুক্তির মাধ্যমে কংগ্রেস মুসলিম লীগের পৃথক নির্বাচনী ব্যবস্থা ও মুসলমানদের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবিকে স্বীকৃতি দেয়।
- অন্যদিকে মুসলিম লীগ কংগ্রেসের সঙ্গে একত্রে সাংবিধানিক সংস্কার ও স্বশাসনের দাবিতে আন্দোলন চালাতে সম্মত হয়।
- এর ফলে হিন্দু–মুসলিম রাজনৈতিক ঐক্য দৃঢ় হয়।
- এবং ব্রিটিশ সরকারের ওপর সাংবিধানিক সংস্কার আনার জন্য উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
খিলাফত আন্দোলনের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 
  3. তিতুমীর 
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 
ব্যাখ্যা

 খিলাফত আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটিশ সরকার ও জোট শক্তির কারণে তুরস্ক (অটোমান সাম্রাজ্য)কে ভেঙে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়।
- এর ফলে ভারতের মুসলিমরা উদ্বিগ্ন হন।
- কারণ তারা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন।
- ভারতের মুসলিম সম্প্রদায় মনে করেছিল, খলিফা বা খলিফার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হলে ধর্মীয় কর্তৃত্ব হ্রাস পাবে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক জার্মানির পাশে থাকায় ভারতীয় মুসলিমদের অবস্থান জটিল হয়ে পড়ে।
- ধর্মীয় আনুগত্যের কারণে তারা খলিফার প্রতি অনুগত থাকতে চায়।
- কিন্তু রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারেরও সমর্থন করতে বাধ্য।
- যুদ্ধে জার্মানির পরাজয় ও সেভার্স চুক্তি মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে।
- এই প্রেক্ষাপটে খিলাফত আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- এটি মূলত ভারতীয় মুসলিমদের মধ্যে প্যান-ইসলামি রাজনৈতিক আন্দোলন।

- আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল খলিফার মর্যাদা রক্ষা ও ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রভাবিত জনমত সৃষ্টি করা।
- অন্দোলনের নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। 
- তাঁর সহযোগীও- দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী ও মাওলানা মোহাম্মদ আলী- আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 
- আন্দোলন মুসলিমদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গেও সংযুক্ত ছিল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

.
অসহযোগ আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বিপিনচন্দ্র পাল 
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন:
-  অসহযোগ আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মধ্যে অহিংস প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমানুষকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একত্রিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত। 
- ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ হিসেবে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিবাদ এবং সরকারি কার্যক্রমে কোনো সহযোগিতা না করা।
- ১৯২১–২২ খ্রিস্টাব্দে আন্দোলনটি সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- তবে ১৯২১ সালে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা এলাকায় অহিংস আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় গান্ধী হঠাৎ করে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
- ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়।
---------------------
উল্লেখ্য,
• মহাত্মা গান্ধী:
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি মহাত্মা গান্ধী নামেও পরিচিত।
- তিনি অহিংস প্রতিরোধ আন্দোলনের একজন প্রবক্তা এবং ভারত রাষ্ট্রের জনক।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতের গুজরাট রাজ্যের পোরবন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে “মহাত্মা” উপাধি প্রদান করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধী “নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস” নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে ‘Indian Opinion’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯১০ সালে তিনি তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm) নামে একটি আশ্রম স্থাপন করেন, যেখান থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হতো।
- এছাড়াও সেখানে তিনি “দ্যা ক্রনিকল” নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বেঙ্গল প্যাক্টের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল?
  1. ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন
  2. অর্থনৈতিক চুক্তি সম্পাদন করা
  3. হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের ঐক্য 
  4. ভারতের স্বাধীনতা 
সঠিক উত্তর:
হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের ঐক্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের ঐক্য 
ব্যাখ্যা

বেঙ্গল প্যাক্ট:
- ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেঙ্গল প্যাক্ট (১৯২৩) একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও উদার মনের রাজনীতিবিদ।
- তিনি বিশ্বাস করতেন যে ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত ও স্বাধীন করতে হলে হিন্দু-মুসলমান ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য।
- এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি স্যার আব্দুর রহিম, স্যার আব্দুল করিম, মাওলানা আকরাম খান, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, মৌলভী মজিবর রহমান প্রমুখ মুসলমান নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
- এর ফলশ্রুতিতে ১৯২৩ সালে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয়, যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।

- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল-
- হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করা;
- এবং মুসলমান সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়া অংশকে কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে সমানভাবে উন্নয়নের পথ সুগম করা।
- এই চুক্তি হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
লাহোর প্রস্তাবে কোন তত্ত্বের রাজনৈতিক রূপ প্রকাশ পায়?
  1. সাম্যবাদ তত্ত্ব
  2. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা তত্ত্ব
  4. একজাতি তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
দ্বি-জাতি তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-জাতি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• লাহোর প্রস্তাব:
- লাহোর প্রস্তাব ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে নির্দেশ করে।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ অধিবেশনে বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
- অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, এবং চৌধুরী খালিকুজ্জামানসহ অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানান।

- লাহোর প্রস্তাব মূলত জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক রূপ।
- দ্বি-জাতি তত্ত্ব অনুযায়ী ভারতবর্ষে দু’টি পৃথক জনগোষ্ঠী রয়েছে—হিন্দু ও মুসলমান।
- জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, আশা-আকাঙ্ক্ষা হিন্দুদের থেকে ভিন্ন।
- এই প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত হয় যে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলে যেখানে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেসব অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ গঠন করা হবে।
- ২৪ মার্চ ১৯৪০ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের পৃথক আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
- পরে ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে প্রস্তাবটি সংশোধিত হয়।
- একাধিক রাষ্ট্রের (States) পরিবর্তে কেবল একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগের নেতৃত্বে মুসলমানরা তাদের জন্য স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দান করেন, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত-বিভাজনের মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী

.
ক্রিপস মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল- 
  1. ভারতকে সামরিক সাহায্য প্রদান
  2. রাজনৈতিক প্রস্তাব উপস্থাপন
  3. ভারতীয় সমর্থন লাভ
  4. খ+গ 
সঠিক উত্তর:
খ+গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ 
ব্যাখ্যা

• ক্রিপস মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল-
- রাজনৈতিক প্রস্তাব উপস্থাপন; 
- ভারতীয় সমর্থন লাভ। 
-------------------
• ক্রিপস মিশন:
- ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ভারতে আগমন করে।
- এর নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস।
- এই মিশনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছিল এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
- ক্রিপস শ্রমিক দলের একজন চরমপন্থি সদস্য এবং হাউস অব কমন্স-এর নেতা ছিলেন।
- তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

- ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালে ভারত পাঠানোর মূল প্রেরণা ছিল দুটি গুরুত্বপূর্ণ কারণের ওপর ভিত্তি করে-
• এর একটি প্রধান কারণ ছিল- 
- ১৯৪০ সালের অক্টোবর মাসে মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সাধারণ জনগণকে সংঘবদ্ধ করে গণঅভ্যুত্থন ঘটানো, যাতে ব্রিটিশদের যুদ্ধ তৎপরতা—বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণ—প্রভাবিত হয়।

• আরেকটি কারণ-
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রিটিশরা জাপানিদের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হারায়—যেমন সিঙ্গাপুর (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪২), রেঙ্গুন (৮ মার্চ ১৯৪২) এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ (২৩ মার্চ ১৯৪২)।
- এই হার পুরো ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলে।
- ফলে ব্রিটিশরা বুঝতে পারে যে, তারা ভারতের জনগণের সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধ এবং উপনিবেশিক শাসন চালিয়ে যেতে পারবে না।
- এই অবস্থায় ভারতের রাজনৈতিক সমর্থন অর্জনের জন্য ব্রিটিশরা কিছু রাজনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে।
- এবং এ কারণেই ১৯৪২ সালে ক্রিপস মিশন ভারত পাঠানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১০.
কোন মুসলিম নেতাকে “শের-ই-বঙ্গাল” (বাংলার বাঘ) উপাধি দেওয়া হয়েছিল?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. চৌধুরী খালিকুজ্জামান
  3. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  4. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক:
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও সমাজসেবক।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- তিনি ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- এবং বাংলার কৃষক-প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯১৬ সালে তিনি লক্ষ্ণৌ চুক্তি প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা পরে ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি গঠন করেন এবং ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন।

- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। 
- এই অধিবেশনে তাঁর জাদুকরী বক্তৃতার জন্য তাকে শের-ই-বঙ্গাল বা বাংলার বাঘ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। 

- স্বাধীন পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালে তিনি যুগফ্রন্ট দলের নেতৃত্বে নির্বাচিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- এবং ১৯৫৬–১৯৫৮ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলার এই প্রখ্যাত নেতা ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রয়াত হন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ফরিদপুর 
  2. বগুড়া
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
ব্যাখ্যা

• উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হিসেবে ফরিদপুরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এই জেলায় প্রতি বছর পাটের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ক্রমবর্ধমান। 
- এইজন্য ফরিদপুরকে “সোনালি আঁশে ভরপুর” নামে অভিহিত করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য, 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• আলু - রংপুর।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২.
“হীরে, মুক্তা, নিজামী” কোনটির উন্নত জাতের নাম?  
  1. আলু
  2. ধান
  3. পুঁই শাক
  4. মরিচ 
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

• ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- ধান এর উন্নত জাতের নাম-
- আশা, হীরে, মুক্তা, নিজামী, বিপ্লবী, রহমত, চান্দিনা, ময়না, প্রগতি, ইরিশাইল, ব্রিশাইল, কিরন, ইরাটম, উফসী, ইছামতী, সোনার বাংলা-১, গাজী (বি-আর ১৪)।
-------------------------
অন্যদিকে,
• আলুর উন্নত জাতের নাম- ডায়মন্ড, কুফরী, সিন্দুরী, কার্ডিনাল।
• পুঁই শাকের উন্নত জাতের নাম- সবুজ, চিত্রা।
• মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাতের নাম- হাজী ও দানেশ। 
---------------------
উল্লেখ্য,
• আরও কিছু ফসলের নাম ও জনপ্রিয় জাত:

• টমেটো: মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, অপূর্ব।
• কলা: কানাইবাসি, মোহনবাসি, অগ্নিশ্বর, বীটজবা, চম্পা। 
• পাট: সিভিএল, তোষা। 
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্র, মোহর, সুপার সুইট কর্ন, উত্তরণ।
• গম: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, শতাব্দী, আকবর, বরকত।
• আম: মহানন্দা, মোহনভোগ, গোপালভোগ, গৌড়মতি।
• তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• বেগুন: উত্তরা, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, কাজল।
• তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা।
• সরিষা: সফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া।
• পেয়ারা: কাজী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর। 
• তুলা: রুপালি, ডেলফোস। 
• মরিচ: যমুনা, চন্দ্রমুখী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৩.
কুষ্টিয়া গ্রেড কোন সম্পদের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ছাগলের চামড়া
  2. পাট
  3. বাগদা চিংড়ি
  4. তেজস্ক্রিয় বালু
সঠিক উত্তর:
ছাগলের চামড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাগলের চামড়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উপনাম ও তাদের পরিচয়:
- Black Bengal হলো কালো জাতের দেশি ছাগল, যা তার দেহের রঙ ও দামী চামড়ার জন্য পরিচিত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়াকে বিশ্ববাজারে কুষ্টিয়া গ্রেড (Kushtia Grade) বলা হয়।
- এটি বাংলাদেশের সেরা এবং আন্তর্জাতিক মানের দামী চামড়া হিসেবে খ্যাত।
- প্রধানত কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা থেকে এই মানসম্পন্ন চামড়া সংগৃহীত হয়।
--------------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিভিন্ন কৃষি ও প্রাণী সম্পদকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বতন্ত্র নাম বা উপনামে অভিহিত করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ-
• Black Tiger হলো বাগদা চিংড়ি, যা সমুদ্র মাছ এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্যবান। 
• White Gold হলো চিংড়ি সম্পদ, যা দেশের রপ্তানি ও অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। 
• সোনালি আঁশ বোঝায় দেশি ও তোষা পাট, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কৃষি ফসল।
• Black Gold হলো তেজস্ক্রিয় বালু, যা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 

উৎস: অর্থনীতি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৪.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বাগেরহাট 
  3. বান্দরবান
  4. চকোরিয়া
সঠিক উত্তর:
চকোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকোরিয়া
ব্যাখ্যা

প্রজনন কেন্দ্র:
- প্রজনন কেন্দ্র হলো বিশেষভাবে গঠিত এমন একটি স্থান, যেখানে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি বা পরিকল্পিত প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত জাতের গবাদি পশু বা বিপন্ন বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি করা হয়। এছাড়া এখানে পশুর জাত উন্নয়ন, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণমূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। 
- বাংলাদেশে প্রধান কয়েকটি হরিণ প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।
- এর মধ্যে অন্যতম প্রজনন কেন্দ্র কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় অবস্থিত। 
---------------------------
• বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র:

• বন্যপ্রাণী প্রজননের জন্য ব্যবহৃত কেন্দ্র হলো ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক বন্যপ্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- এটি ১৯৮০-৮১ সালে একটি 'হরিণ প্রজনন কেন্দ্র' হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ সাফারি পার্কে রূপান্তরিত হয়

• গরু পালন ও প্রজননের জন্য সাভার, ঢাকা জেলা পরিচিত। 
• দেশি ছাগল প্রধানত টিলাগড়, সিলেট অঞ্চলে প্রজনিত হয়।
• মহিষ প্রজননের জন্য ফকিরহাট, বাগেরহাট অঞ্চল ব্যবহৃত হয়।
• কুমির প্রজননের কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৫.
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ 
সঠিক উত্তর:
১ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম 
ব্যাখ্যা

ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে।
- মোট ইলিশের প্রায় ৮৬ শতাংশই দেশে উৎপাদিত হয়। 
- দেশের বিভিন্ন নদী ও অভয়াশ্রমে মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, অভয়াশ্রম সম্প্রসারণ এবং সঠিক জাল ব্যবহারের কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বিশেষ করে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ধরা নিষিদ্ধ থাকায় ইলিশের বৃদ্ধি হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ১২৫-১৩০টি উপজেলায় ইলিশ পাওয়া যায়।
- এবং প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা আইনত নিষিদ্ধ।
- এই সাফল্যের কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যে বিশ্বে উৎপাদন ও অবস্থান –
- বাংলাদেশ মৎস্য ও কৃষিক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) তথ্য অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ (Aquaculture) উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
• এছাড়া অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়।

• বাংলাদেশ আলু উৎপাদনে বিশ্বের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে।
- এশিয়ায় আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশটি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

উৎস:
১) বনিক বার্তা,
২) দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা, 
৩) প্রথম আলো পত্রিকা [ লিঙ্ক], 
৪) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৬.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ 
  3. খুলনা 
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) হলো দেশের বৃহৎ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) ইতিহাস শতাধিক বছরের।
- ১৮৮০ সালে এটি বেঙ্গল ল্যান্ড রেকর্ডস ডিপার্টমেন্টের অধীনে ছোট শাখা হিসেবে শুরু হয়।
- ১৯০৮ সালে ঢাকা ফার্ম প্রতিষ্ঠা পায়, যা ১৯৬৬ সালে জয়দেবপুরে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়।
- এবং পরবর্তীতে BARI স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 

- এটি ২০৫টিরও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা পরিচালনা করে।
- কেন্দ্রীয় স্টেশনের পাশাপাশি BARI-এর ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র ও ২৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- ফসলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো হলো –
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তেলশস্য গবেষণা কেন্দ্র ও
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র। 
------------------------- 
অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 
- এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৭.
বাংলাদেশের কোন সম্পদকে White gold বলা হয়? 
  1. পাট
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. ধান 
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চিংড়ি সম্পদকে White gold বলা হয়। 
---------------- 
• চিংড়ি সম্পদ:
- বৃহত্তর খুলনা অঞ্চল—বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা—চিংড়ি চাষের জন্য খুবই প্রসিদ্ধ।
- উপকূলীয় ও লোনা পানির উপযোগী ভৌগোলিক পরিবেশ থাকার কারণে এখানে ব্যাপক হারে চিংড়ি চাষ সম্ভব হয়েছে। 
- বাংলাদেশ বিদেশে প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি রপ্তানি করে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এটি দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাগদা ও গলদা চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্য থাকায় এ খাত অত্যন্ত লাভজনক। 
- বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি শিল্প হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
- এ কারণেই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- এছাড়া কাঁচা চিংড়ির সাদাটে বা স্বচ্ছ রঙের কারণেও একে ‘সাদা সোনা’ বলা হয়।
- বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত মূল্যবান ও লাভজনক হওয়ায় চিংড়ি শিল্পকে খনিজ সোনার সঙ্গে তুলনা করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

১৮.
বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? মার্চ, ২০২৬]
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা

বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
- Food and Agriculture Organization–এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2024 (২০২২ সালের তথ্যের ভিত্তিতে) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে (যেমন পুকুর) চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
- আগে এ ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে তা পঞ্চমে নেমে এসেছে।
- তবে সামগ্রিক স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনো বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

- বাংলাদেশের মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানসমূহ:
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষ (Aquaculture): ৫ম। 
- স্বাদুপানির মাছ উৎপাদন (মোট): ২য়। 
- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে আহরণ: ৩য়। 
- ইলিশ উৎপাদন: বিশ্বে ১ম। 
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদন: ১৪তম। 
- তেলাপিয়া উৎপাদন: বিশ্বে ৪র্থ, এশিয়ায় ৩য়। 

উৎস: The Daily Star [লিঙ্ক]। 

১৯.
২০২৪ সালের কৃষিশুমারি অনুযায়ী কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. খুলনা বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে আউশ ধান উৎপাদনের সামগ্রিক হিসাব ২০২৪ কৃষিশুমারি অনুযায়ী:

- বিভাগ অনুযায়ী:
- সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে (৬,১৭,৬০০ মেট্রিক টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ (৫,৯৫,৮০১ মেট্রিক টন)।

- জেলা অনুযায়ী:
- সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে কুমিল্লা জেলায় (২,৩৪,৮৩৯ মেট্রিক টন),
- দ্বিতীয় অবস্থানে ভোলা জেলা (১,৯০,৭৮৪ মেট্রিক টন)।

- চট্টগ্রাম বিভাগের আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ৫,৪৯,৮৯০ একর।
- কুমিল্লা জেলার আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ১,৯৪,৩৪৬ একর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২০.
২০২৪ সালের কৃষি শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন জেলায় চা উৎপাদন সবচেয়ে বেশি?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সুনামগঞ্জ
  3. পঞ্চগড়
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪ সালের কৃষি শুমারি:
- ২০২৪ সালের কৃষি শুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে চা উৎপাদন দেশের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি খাতের মধ্যে একটি।
- মোট উৎপাদন ৯৩,২০৮ মেট্রিক টন এবং চাষের ক্ষেত্রফল ১,৪১,৩৫৫ একর।

- বিভাগ অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে সিলেট বিভাগে (৬৫,১২০ মেট্রিক টন) এবং চাষের ক্ষেত্রফল ১,১৮,০৫২ একর।
- রংপুর বিভাগ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, উৎপাদন ১৭,১৮০ মেট্রিক টন।

- জেলা অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলায় সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে (৪৪,৬৭৭ মেট্রিক টন) এবং চাষের ক্ষেত্রফল ৭৬,২৯৯ একর। 
- অন্যদিকে পঞ্চগড় জেলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।